08/12/2025
দরজাটা একটু জোরে বন্ধ করেই কাজের টেবিলের দিকে গিয়ে বসে পড়ল রিনা। কানাডার শীতের দুপুর, বাইরে হালকা তুষার পড়ছে। জানালার ওপাশে টরন্টোর স্কারবোরো এলাকার সাদা ধূসর আকাশ।
ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে তোয়ালে দিয়ে চুল মুছতে মুছতে সোহান বের হতেই রিনা বলল,
-আম্মুর জন্য একটা শাল পাঠাব ভাবছি। আব্বুর ডায়াবেটিক্সের জন্য গ্লুকোমিটারটাও নষ্ট হয়ে গেছে। কিছু টাকা পাঠানো দরকার।
সোহান ভ্রু কুঁচকে তাকাল,
- টাকা পাঠাবে মানে? কোন টাকা? আমি তো আর টাকার গাছ লাগাই নি।
-মানে… তুমি তো ফুলটাইম জব করো, ট্যাক্স কেটে হলেও তো ভালোই থাকে। আমার নিজের তো ইনকাম নেই…
বাকিটা শেষ করতে পারল না রিনা। সোহান জোরে হাসল, তাচ্ছিল্যের শব্দ মিশে গেল হিটারের গুঞ্জনে।
- নিজের পরিবার, নিজের গিফট, নিজের ফানফেয়ার সবকিছুই "আমার" দিয়ে শুরু। তাহলে টাকা কেন "আমার" না? নিজের টাকায় করো। আমি চ্যারিটি খুলে বসি নি।
রিনার বুকের ভেতরটা হঠাৎ কেঁপে উঠল।
-তুমি সিরিয়াসলি বলছো? ওরা আমার বাবা-মা।
-আরে প্লিজ, ইমোশনাল ডায়লগ মেরে লাভ নেই। আমি তো কানাডায় কষ্ট করে কাজ করছি, বিল দিচ্ছি, গাড়ির ইন্স্যুরেন্স, গ্রোসারি, রেন্ট… সব সামলাতে সামলাতে আমি তোমার বাড়ির লোকজনকে গিফট পাঠানোর এটিএম মেশিন হতে পারব না।
কথাটা বলে সে ফোনটা হাতে নিয়ে সোফায় গিয়ে বসে ইনস্টাগ্রামে স্ক্রল শুরু করল। যেন কিছুই হয়নি।
সেদিন রাতে বেডে শুয়ে শুয়ে ছাদের দিকে তাকিয়ে থাকে রিনা। ক্যানডনের হলুদ আলো পর্দার ফাঁক গলে ঘরে ঢুকে একটা অদ্ভুত অন্ধকার মিশ্র আলো তৈরি করেছে। পাশে শোয়া সোহান গভীর ঘুমে, হালকা নাক ডাকার শব্দ।
রিনা ফিসফিস করে নিজের মনেই বলে,
-আমি কি তবে ভুল মানুষের সঙ্গে আছি?
তার মাথায় ভেসে ওঠে ঢাকার বাসা। মায়ের মুখ। আব্বুর কাঁপা গলা, "মা, তোর পাঠানো সেই উলের শালটা না, এখনও রোজ নামাজে পরি।" তিন মাস হয়ে গেল সে কিছুই পাঠাতে পারেনি।
পরদিন সকালে সোহান অফিসে চলে গেলে সে ল্যাপটপ খুলে বসে। জব সাইটগুলোর অধিকাংশ সার্চ দেয়। সব জায়গায়ই যেন একই কথা কানাডিয়ান এক্সপেরিয়েন্স চাই, বা উচ্চ ডিগ্রি, ঝকঝকে ইংরেজি।
ভাষাতত্ত্বে মাস্টার্স করা মেয়েটা আজ একজন অভিবাসী গৃহবধূ, চা বানানো, বাসন মাজা আর ঘর গুছানোই যেন তার একমাত্র কাজ।
সন্ধ্যাবেলা সোহান ফিরে এলে রিনা সাহস করে বলল,
-আমি ভাবছি জব খোঁজা শুরু করব।
সোহান চোখ কুঁচকালো,
-তুমি? তুমি কী জব করবে? তোমার তো কানাডিয়ান এক্সপেরিয়েন্স-টেক্সপেরিয়েন্স কিছুই নেই।
-সব তো একদিন থেকেই শুরু হয়। শুরুটা করতে চাই।
সোহান কাঁধ ঝাঁকাল, ঠান্ডা গলায় বলল,
-যা খুশি করো। তুমি তো এমনিতে তোমার সার্টিফিকেট এর গরম দেখাও, এবার প্রুভ করো। তুমি তো গ্রাম থেকে উঠে আসো নি। জানি অনার্স মাস্টার্স দুটোতেই ফার্স্ট ক্লাস ছিল, নিজেই তো গর্ব করে শতবার বলো।
কয়েক সপ্তাহের পরিশ্রম, হতাশা আর অদ্ভুত অদ্ভুত ইন্টারভিউর পর একদিন ইমেইলে চাকরির অফার এলো। ডাউনটাউন টরেন্টোতে কিং স্ট্রিটের কাছাকাছি একটা ল ফার্ম, কাজটা রিসিপশনিস্ট এর। যদিও ওরা একটু গ্রুমিং করেই নেবে।
ইমেইল পড়েই তার চোখ ভিজে গেল। সে প্রায় দৌড়ে রান্নাঘরে গেল। সোহান তখন কফি বানাচ্ছে।
- সোহান! আমার জব হয়েছে।ডাউনটাউন টরন্টোতে, কোর্টের কাছে… ভালো স্যালারি।
সোহান একটু থেমে তাকাল। তারপর খুবই নির্লিপ্তস্বরে বলল,
-ওহ, কংগ্রেটস। কবে থেকে জয়েনিং?
-পরের সোমবার থেকে। সকাল আটটা থেকে বিকাল চারটা।
-হুম। তাহলে কিন্তু তোমাকে সাতটার মধ্যে বের হতে হবে। বাস-সাবওয়ে ধরে ডাউনটাউন যেতে সময় লাগবে। প্ল্যান করে নিও। সাজতে বসলে এসব তো মাথায় থাকে না।
শব্দগুলো কানে সুচ ফুটিয়ে দিল রিনার।
চাকরিতে যোগ দেয়ার পর রিনার জীবন পুরো বদলে গেল। ঘুমখোর আরামপ্রিয় রিনার ভোরবেলা অ্যালার্মে ঘুম ভাঙে, ঘুম চোখে কফি মেশিন অন করে, তারপর নিজে তাড়াহুড়ো করে শাওয়ার নিয়ে দ্রুত রেডি হয়।
সকাল সাতটার বাস ধরে স্কারবোরো থেকে কেনেডি স্টেশন, সেখান থেকে সাবওয়ে ধরে ডাউনটাউন। ইউনিয়ন স্টেশনের ভিড়, কাচের দেয়াল, উঁচু উঁচু বিল্ডিং, শীতের কুয়াশার ভিতর দিয়ে সিএন টাওয়ার এর মাথা দেখা যায়।
ল ফার্মে ঢুকতেই রিসেপশনের ফোন আর ইমেইলের ঝড়। ক্লায়েন্টরা আসছে, যাচ্ছে, কাগজপত্র সাইন হচ্ছে। রিনা প্রথম দিকে গুলিয়ে ফেললেও ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে যায়। ফার্মের সিনিয়র লইয়ার মার্গারেট একদিন তাকে আলাদা করে যা বলল তা বাংলা করলে অনেক টা এরকম,
তুমি খুব ভালো ভাবে কাজ করছো রিনা, এটি চালিয়ে যাও।
সেদিন বাসায় ফিরে এসে কিচেনে দাঁড়িয়ে সে নিজেকেই বলল,
— আমি পারি… সত্যিই পারি।
প্রথম বেতন পেলো মার্চের শেষ সপ্তাহে। পে-স্টাবের দিকে তাকিয়ে সে কিছুক্ষণ চুপ করে ছিল। ট্যাক্স কেটে যা থাকে, তা বাংলাদেশের মুদ্রায় কনভার্ট করলে অনেক বড় অঙ্ক।
ফোন তুলে ভিডিও কলে আম্মুকে দেখাল।
-দেখো আম্মু, এটা আমার নিজের রোজগারের টাকা।
মায়ের চোখ ভিজে উঠল,
-মামনি, তুই খুশি তো?
মা সামনে থাকলে নিশ্চিত রিনা তাকে জড়িয়ে ধরতো।
সেই রাতেই সে একটা প্ল্যান করল।
-এবার ঈদে আমি নিজের টাকায় আব্বু-আম্মুর গিফট পাঠাব। ঢাকার বাসায় সুন্দর একটা ফ্রিজ, আব্বুর মেডিসিনের জন্য একটা ফান্ড আর আম্মুর জন্য শাড়ি।
পরের কয়েক সপ্তাহে সে খরচ কমিয়ে দেয়। ব্র্যান্ডেড কফি কেনা বাদ, বাইরে খাওয়া কম। পে-ডে আসতেই সে অনলাইনে অর্ডার করে ঢাকার এক ইলেকট্রনিক্স শোরুম থেকে ভালো একটা ফ্রিজ, আর অনলাইন শপ থেকে দুটো সুন্দর জামদানি শাড়ি, রেমিট্যান্স করে পাঠায় কিছু টাকা।
হাতে ফোন নিয়ে হঠাৎ ওয়াশরুমের দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ছিল সোহান।
-কী করছো?
-ঢাকায় টাকা পাঠালাম। আর ফ্রিজও অর্ডার করে দিলাম বাসার জন্য নিজের টাকায়। ব্যঙ্গ করে বললো রিনা।
দিন যায়, মাস যায়। গ্রীষ্ম আসে, টরন্টোর ড্যানফোর্থে গ্রিক ফেস্টিভাল হয়, লেকে বোট শো হয়, সিএন টাওয়ারের আশেপাশে পর্যটকদের ভিড় বাড়ে। অফিসে রিনার জায়গা শক্ত হয়, সে মার্গারেটদের কাছের মানুষ হয়ে ওঠে।
রিনা এখন প্রায়ই বাবা মা ভাইয়ের জন্য এটা সেটা পাঠায় সোহানকে দেখিয়ে।
শরৎ এসে গেছে। গাছের পাতা লাল, কমলা, হলুদ হয়ে উইলসন সাবওয়ে স্টেশনের পাশে উড়ে বেড়াচ্ছে। একদিন অফিস থেকে ফেরার পথে বাসের জানালার পাশে বসে রিনা ফোন স্ক্রল করছিল। হঠাৎ ঢাকার বাসা থেকে ভিডিও কল।
কল রিসিভ করতেই দেখল তার আম্মু কান্না গলায় বলছে,
- মা, তোর আব্বু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে, হার্টের সমস্যা। অপারেশন লাগবে, কিছু গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট লাগবে। খরচ অনেক বেশি। তোর ভাই তো একা সামলাতে পারছে না।
রিনার দুনিয়া কেঁপে গেল।
-কত টাকা লাগবে আম্মু?
যে অঙ্কটা আম্মু বলল, তা শুনে তার মাথা ঘুরে উঠল। তবুও সে বললো,
-চিন্তা করো না, আমি ব্যবস্থা করছি।
সে তার সেভিংসে থাকা প্রায় সব টাকা ট্রান্সফার করে দিল ঢাকায়। চোখের পানি গাল বেয়ে পড়তে লাগল।
সেদিন রাতে সোহান দেখল, রিনা অনেকটাই গুম হয়ে গেছে।
-কিছু হয়েছে?
-আব্বু হাসপাতালে। অনেক টাকা লেগেছে। আমি সব সেভিংস পাঠিয়ে দিয়েছি।
-তুমি একা এত বড় অঙ্ক পাঠালে? আমার সাথে কথা না বলে?
-তুমিই তো বলেছিলে নিজের টাকায় করো। তাই করলাম। কিন্তু আমি জানি এই টাকায় এত বড় অপারেশন আর তারপরেও খরচ সব মিটবে না। ঝরঝর করে কেঁদে ফেললো রিনা। অনেকদিন পর সোহানের সামনে সে কাঁদলো।
পরেরদিন ভোরবেলা। টরন্টোর আকাশ তখনও অন্ধকার, জানালার কাঁচে কুয়াশা জমেছে। ঘুম থেকে উঠে কফি বানাতে গিয়ে রিনা দেখল, কিচেনের টেবিলের ওপর কিছু কাগজ, একটা লাল খাম আর ছোট্ট একটা চিঠি রাখা।
রিনা,
আমি জানি, তুমি ভাবো আমি খুব স্বার্থপর, খারাপ মানুষ। তুমি একজন মেধাবী স্টুডেন্ট , দেখতে চমৎকার আত্মবিশ্বাসে ভরপুর এসব দেখেই আমি তোমাকে বিয়ে করেছিলাম। সেই তুমি কানাডায় এসে শুধুমাত্র গৃহস্থালির কাজ নিয়ে মত্ত হয়ে পড়লে। বিয়ের প্রথম দু বছর আমার বাবা-মায়ের সাথে সাথে তোমার বাবা-মায়ের দায়িত্বও আমি পালন করার চেষ্টা করেছি কিন্তু তুমি সেটাকে আমার একার দায়িত্ব হিসেবেই ধরে নিয়েছিলে। বাধ্য হয়ে পরে আমাকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
তুমি একবার আমাকে বলেছিলে তোমার পরিবারকে গিফট পাঠানোর জন্য টাকা দিতে, তখন আমি ইচ্ছে করেই না বলেছিলাম। কারণ আমি তখনই ঠিক করেছি তুমি যদি নিজের পায়ে দাঁড়াতে না শিখো, তাহলে জীবনের অনেক বড় বড় ঝড় একা সামলাতে পারবে না। তুমি আমার স্ত্রীর পাশাপাশি আমার পার্টনার। আমার কাছে পার্টনার মানে বন্ধু, সঙ্গী, ভালোবাসার মানুষ, যে সম্পর্কে শ্রদ্ধা থাকবে, বিশ্বাস থাকবে এমন কেউ। এমন কেউ নয় যে শুধুমাত্র আমার উপর ডিপেন্ড করে বসে থাকবে। আমার কিছু হয়ে গেলে যে নিরুপায় হয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরবে।
আমি বাংলাদেশ থেকে বের হওয়ার আগের রাতে তোমার আব্বুর মুখ টা মনে আছে তোমার? তিনি বলেছিলেন, ‘আমার মেয়েটাকে দেখে রেখো, ওকে কোনদিন ছোট করো না ।’ আমি নিজেকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, আমি তোমাকে নিজের পায়ে দাঁড় করাবো। কিন্তু সেই তুমি স্বেচ্ছায় যেন নিজেকে গৃহবন্দী করলে।
আমি জানতাম, তুমি ক্যাপেবল. তুমি শুধু নিজের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলে। আমি খারাপ লোকের মতো আচরণ করেছি ইচ্ছে করেই, যেন তুমি রাগে-দুঃখে হলেও উঠে দাঁড়াও। তুমি দাঁড়িয়েছো। আজ তুমি শুধু আমার ঘরের স্ত্রী না, তুমি নিজের পরিবার, নিজের বাবা-মায়ের ভরসা।
আমি কখনও তোমার পরিবারকে ঘৃণা করিনি। তাদের জন্যই তো আজ এমন একটা মেয়ে পেয়েছি। তোমার পাঠানো ফ্রিজ, শাড়ি— সব আমি আমার ব্যাংক স্টেটমেন্টে দেখেছি, কারণ ট্রান্সফার ডিটেইলস আমার ইমেইলে আসে। তোমার আব্বুর মেডিকেলের টাকা পাঠানোর আগেই আমি আলাদা একটা লাইনে কিছু টাকা পাঠিয়েছিলাম তোমার ভাইয়ের একাউন্টে।
লাল খামের ভেতরে আজকের দিনেই করা আরেকটা ইন্টারন্যাশনাল ট্রান্সফারের রিসিট আছে। ওটা আমি করেছি। তোমার আব্বুর চিকিৎসার বিল কভার করার মতো।
আমি কখনও চাইনি তুমি ভাবো আমি হিরো। শুধু আমার পাশে থেকো, একটু ভালোবেসো। তোমাকে ভালোবাসি, আজন্ম তোমাকেই ভালোবাসবো।
"সোহান”
চিঠিটা পড়তে পড়তেই রিনার চোখ ঝাপসা হয়ে গেল। কাঁপা হাতে সে লাল খামটা খুলল। সত্যিই আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্সের রিসিট, বিশাল অঙ্কের টাকা পাঠানো হয়েছে ঢাকায়, তার ভাইয়ের একাউন্টে।
ওই মুহূর্তে পেছন থেকে আস্তে করে একটা কণ্ঠ শোনা গেল,
- তোমার কফি টেবিলে ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার আগেই খেয়ে নাও।
রিনা ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াল। দরজার ফাঁকে দাঁড়িয়ে আছে সোহান, চুল এলোমেলো, চোখে অদ্ভুত ক্লান্তি আর শান্তি মেশানো দৃষ্টি।
-তুমি… আগে বলোনি কেন? রিনার গলাটা যেন আটকে গেল।
সোহান হালকা হেসে বলল,
-কারণ তুমি এত শিক্ষিত মেধাবী হয়েও নিজেকে শুধু কারও স্ত্রী হিসেবে দেখছিলে। আমি চাইছিলাম, তুমি প্রথমে নিজের পরিচয় তৈরি করো, বাবা মাকে ছেলে শুধু কেন দেখবে? মেয়ের প্রতিও তাদের অধিকার আছে, তুমি তাদের ঢাল হয়ে দাঁড়াও।
একটু থেমে যোগ করল,
- আর হ্যাঁ, খারাপ স্বামীর রোলটা আমি ভালোই প্লে করি, তাই না?
রিনা চুপচাপ এগিয়ে গিয়ে তার বুকে মুখ গুঁজে দিল। কানাডার শীতের বাড়তি ঠান্ডাটুকু যেন হঠাৎ করেই মিলিয়ে গেল।
সেই মুহূর্তে, এক লাইনে সব হিসাব বদলে গেল,
যে মানুষটাকে এতদিন সে নিছক স্বার্থপর, হিংস্র, বেয়াদব, অসভ্য ভাবছিল, সেই মানুষটাই আসলে নীরবে তার বাবা-মায়ের উপর থেকে দায়িত্ব নামিয়ে নিয়ে, তাকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর শক্তি দিয়েছে।
#গোপন_সহযাত্রী
কমেন্টে গঠনমুলক মন্তব্য করবেন দয়া করে।