8. ******* কিভাবে ফরেক্সে লাভ/লস হয় ********
ফরেক্স মার্কেটে আপনি বাই (buy) অথবা সেল (sell) করতে পারবেন।
একটি ট্রেড খোলা খুবই সোজা। ট্রেড খোলার পদ্ধতি সহজ এবং আপনার যদি স্টক মার্কেটে ট্রেড করার অভিজ্ঞতা থাকে তবে আপনি তা আর তাড়াতাড়ি বুঝতে পারবেন।
মনে করুন আপনি ১.১৮০০ এক্সচেঞ্জ রেটে EUR/USD - তে ১০,০০০ ইউরো কিনলেন $১১,৮০০ ডলার দিয়ে। দুই সপ্তাহ পর EUR/USD এক্সচেঞ্জ রেট বেড়ে ১.২৫০০ হল। তখন আপনি $১২,৫০০ ডলারে তা বিক্রি করলে আপনার লাভ হবে $৭০০ ডলার।
এক্সচেঞ্জ রেট হল একটি কারেন্সির সাপেক্ষে আরেকটি কারেন্সির দামের অনুপাত। যেমনঃ USD/CHF এর এক্সচেঞ্জ রেট নির্দেশ করে, কত ইউ. এস. ডলার এর বিনিময়ে ১ সুইস ফ্রাঙ্ক কেনা যাবে, অথবা ১ ইউ. এস. ডলার কিনতে কত সুইস ফ্রাঙ্ক প্রয়োজন।
প্রতিটি ট্রেডে আপনি একই সাথে একটি কারেন্সি কিনেন এবং আরেকটি বিক্রি করেন। তাই ফরেক্স মার্কেটে কারেন্সি পেয়ারের দাম কোটেশন এর মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
যেমন ধরেন, GBP/USD এর ফরেন এক্সচেঞ্জ রেট: ১.৩৯২০।
স্লাশ (/) এর আগের কারেন্সিকে বলা হয় বেস (base) কারেন্সি এবং স্লাশ (/) এর পরের কারেন্সিকে বলা হয় কিউটো (quote) কারেন্সি।
এখানে GBP হল বেস (base) কারেন্সি এবং USD হল কিউটো (quote) কারেন্সি।
বাই (buy) করার সময়, এক্সচেঞ্জ রেট নির্দেশ করে ১ ইউনিট বেস কারেন্সি কেনার জন্য কত ইউনিট কিউটো কারেন্সি দিতে হবে। উদাহারনস্বরূপঃ ১ ব্রিটিশ পাউন্ড কেনার জন্য ১.৩৯২০ ইউ. এস. ডলার দিতে হবে।
সেল (sell) করার সময়, এক্সচেঞ্জ রেট নির্দেশ করে ১ ইউনিট বেস কারেন্সি সেল করলে কত ইউনিট কিউটো কারেন্সি পাওয়া যাবে। উদাহারনস্বরূপঃ ১ ব্রিটিশ পাউন্ড বিক্রি করলে আপনি ১.৩৯২০ ইউ. এস. ডলার পাবেন।
বেস কারেন্সি হল বাই ও সেল এর মূল ভিত্তি। যদি আপনি EUR/USD বাই করেন, তবে আপনি বেস কারেন্সি EUR কিনছেন এবং একই সাথে কিউটো কারেন্সি USD বিক্রি করছেন। সহজ কথায়, EUR কেনা, USD বিক্রি করা।
আপনি কারেন্সি পেয়ারটি বাই করবেন যদি আপনি মনে করেন যে, কিউটো কারেন্সির তুলনায় বেস কারেন্সি শক্তিশালী হবে। এর আপনি সেল করবেন যদি আপনি মনে করেন কিউটো কারেন্সির তুলনায় বেস কারেন্সি দুর্বল হয়ে যাবে।
এসো ফরেক্স শিখি
Take a perfect decision in a perfect time to change your life and be happy...
7. ***কিভাবে ফরেক্স মার্কেট থেকে আয় হয়***
ফরেক্স মার্কেটে প্রায় সবকিছুই ট্রেড করা হয়ে থাকে কিন্তু তার মধ্যে সবচেয়ে বেশী পরিমাণ হচ্ছে কারেন্সি পেয়ারে ট্রেড। একটি মুদ্রার বিপরীতে অন্য একটি মুদ্রার কেনাবেচা করে প্রফিট করা যায়।
মুদ্রা সর্বদায় পরিবর্তনশীল। কখনও কোনও একটি নির্দিষ্ট মুদ্রা অন্যান্য মুদ্রার বিপরীতে শক্তিশালী হয় এবং কখনও এটি দুর্বল হয়ে পরে। আপনি পত্রিকায় দেখে থাকবেন যে, কখনও কখনও ডলার টাকার বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে, আবার কখনও টাকা ডলার এর বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে। এরকম পৃথিবীর অধিকাংশ মুদ্রার বিপরিতেই হয়।
এখন ধরুন আপনার কাছে 100 ডলার আছে। আপনি সেটাকে এক্সচেঞ্জ করে জাপানিজ ইয়েন করবেন। যদি ডলার শক্তিশালী হয়ে থাকে তাহলে USD/JPY এর এক্সচেঞ্জ রেট আপনি অনেক বেশী পাবেন। ধরুন, আপনি $100 er বিপরীতে 1100 Yen পেলেন। এখন আপনার কাছে 1100 Yen আছে। যখন Yen শক্তিশালী হতে থাকবে তখন আপনি সেটাকে ডলার এর বিপরীতে এক্সচেঞ্জ করলে বেশী পরিমাণ অর্থ পেতে পারেন। এটাই হচ্ছে ফরেক্স ট্রেড এর মূল সুত্র।
আবার ধরুন, আপনার যদি ডলার কেনা থাকে, ডলারের বিপরীতে পাউন্ড এর দাম পরে গেলে আপনি ডলার বিক্রয় করে পাউন্ড কিনে রাখতে পারেন। আবার, পাউন্ড-ডলার এর বিপরীতে শক্তিশালী হলে, পাউন্ড বিক্রয় করে অধিক ডলার পেতে পারেন।
হয়ত আপনার কাছে 100 ডলার ছিলো যা বিক্রয় করে আপনি 76 পাউন্ড ক্রয় করেছিলেন। পরবর্তীতে পাউন্ডের দাম বাড়ার পর তা বিক্রয় করে 120 ডলার পেলেন। এভাবে আপনি আয় করতে পারেন।
শেয়ার মার্কেট এ শুধু শেয়ার এর দাম বাড়লেই (buy) আমরা প্রফিট করতে পারি। যেমন, আপনি যদি DSE তে ট্রেড করে থাকেন এবং সেখানে যদি BRAC Bank এর শেয়ার ৳১০০ করে কেনা থাকে তাহলে আপনি প্রফিট করতে পারবেন তখনি যখন BRAC Bank এর শেয়ার ৳১০০ এর উপরে পৌঁছে যাবে। অর্থাৎ আপনি শুদুমাত্র বাই (Buy) এ প্রফিট করতে পারবেন। কিন্তু ফরেক্স মার্কেটে আপনি দুই দিকেই ট্রেড করতে পারবেন।
যেমন, ফরেক্স মার্কেটে আপনি Google এর শেয়ার চাইলে সেল (Sell) করেও প্রফিট করতে পারবেন। ধরুন আপনি $800 করে আপনি Google এর শেয়ারে সেল (Sell) কোট করলেন। এখন Google এর শেয়ার প্রাইস যদি $800 এর নিচে চলে আসে তাহলেই আপনার প্রফিট। অন্যদিকে, আপনি যদি Google এর শেয়ার $800 তে বাই (Buy) করেন এবং মার্কেট প্রাইস যদি $800 এর উপরে যায় তাহলেও আপনার প্রফিট।
তার মানে বুঝতেই পারছেন, ফরেক্স মার্কেটে আপনার Two Way তে ট্রেড করতে পারবেন এবং এটাই হচ্ছে ফরেক্স মার্কেটের সবচেয়ে বেশী সুবিধা। আপনি কোনও কারেন্সি বাই করেও প্রফিট করতে পারবেন এবং সেল এ ও প্রফিট করতে পারেন।
সুতরাং, ফরেক্স মার্কেট এ, কোন কারেন্সি শক্তিশালী অথবা দুর্বল হক, দুই ক্ষেত্রেই আমাদের প্রফিট করার সুযোগ আছে যেটা ফরেক্স মার্কেটের সবচেয়ে বড় সুবিধা।
6. ***** ফরেক্সে একাউন্ট খোলা *****
ফরেক্স এ ট্রেড করতে গেলে আমাদেরকে অবশ্যই কোনো না কোনো ব্রোকারে একাউন্ট করতে হবে।
নিচে কয়েকটি ভালো ব্রোকারের লিংক দেওয়া হল ।
হটফরেক্সে একাউন্ট করার জন্য নিচের লিংক ফলো করতে পারেনঃ
https://www.hotforex.com/?refid=110850
আইসি মার্কেট এ একাউন্ট করার জন্য নিচের লিংক ফলো করতে পারেনঃ
https://www.icmarkets.com/?camp=14132
এক্সনেসে এ একাউন্ট করার জন্য নিচের লিংক ফলো করতে পারেনঃ
https://www.exness.com/a/rqchm6bk
একাউন্ট খোলার পর তা ভেরিফাই করার প্রয়োজন পড়বে , ভেরিফাই এর স্টেপ গুলো দেওয়া হলঃ
১. ইমেইল ভেরিফিকেশনঃ রেজিস্ট্রেশন এর পর ইমেইল এ একটা ভেরিফিকেশন লিংক যাবে । সেটাতে ক্লিক করলেই ইমেইল ভেরিফাই হয়ে যাবে ।
২. নাম ভেরিফিকেশনঃ নাম ভেরিফিকেশনের জন্য প্রয়োজন হবে ন্যাশনাল আইডি কার্ড/পাসপোর্ট । ন্যাশনাল আইডি কার্ড/পাসপোর্ট এর স্ক্যান কপি একাউন্টে সংযুক্ত করলে ১-৩ কর্মদিবসের ভিতর ভেরিফাই হয় যাবে।
৩. এড্রেস ভেরিফিকেশনঃ এড্রেস ভেরিফিকেশনের জন্য ব্যাংক স্ট্যাটমেন্ট/যেকোনো ইউটিলিটি বিলের কপি সংযুক্ত করলেই ১-৩ কর্মদিবসের ভিতর ভেরিফাই হয়ে যাবে।
Exness: Reliable Online Trading on the Financial Markets Trade with Exness and enjoy some of the best trading conditions on the forex market! Order ex*****on as fast as 0.1 second. Trading CFDs is risky.
5. ***** কি ট্রেড করা হয়? *****
সহজ উত্তর কারেন্সি। কারণ আমরা বাস্তবে কিছু কিনছি না। তাই এই ধরনের ট্রেডিং কিছুটা বিভ্রান্তিকর মনে হতে পারে।
আমরা যখন একটি কারেন্সি কিনি তখন আমরা একটি দেশের কিছু শেয়ার কিনছি, একটি প্রতিস্থানের শেয়ার কেনার মত। কারেন্সির দাম হল ওই দেশের বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক অবস্থার প্রতিচ্ছবি।
যখন আমরা জাপানিজ ইয়েন কিনি (buy), আমরা মুলত জাপানি অর্থনীতিতে একটি শেয়ার কিনি। আমরা মনে করি জাপানি অর্থনীতির উন্নতি হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও আরও উন্নতি হবে। যখন আমরা ওই শেয়ারগুলো বিক্রি (sell) করে দেব, আশা করি আমরা লাভ করব।
সাধারণে, একটি কারেন্সির সাথে অন্য কারেন্সির আদান প্রদান হার সেই দেশটির অর্থব্যবস্থার তুলনায় অন্য দেশের অর্থব্যবস্থার প্রতিফলন ।
কারেন্সি চিহ্নের তিনটি অক্ষর থাকে, যেখানে প্রথম দুইটি দেশের নাম নির্দেশ করে এবং তৃতীয়টি সেই দেশটির কারেন্সির নাম নির্দেশ করে।
যেমন,
USD দিয়ে United States Dollar বোঝানো হয়েছে,
NZD দিয়ে New Zealand Dollar বোঝানো হয়েছে,
EUR দিয়ে Euro Zone এর Currency বোঝানো হয়েছে,
GBP দিয়ে Great Britain Pound বোঝানো হয়েছে,
CAD দিয়ে Canadian Dollar বোঝানো হয়েছে,
AUD দিয়ে Australian Dollar বোঝানো হয়েছে,
CHF দিয়ে Switzerland এর Franc বোঝানো হয়েছে,
JPY দিয়ে Japanese Yen বোঝানো হয়েছে,
সহজ, তাইনা?
উপরের কারেন্সিগুলো প্রধান কারন সেগুলোই সবচেয়ে বেশি ট্রেড করা হয়।
4. ***** আমি কিভাবে ডলার অথবা অন্যান্য মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয় করব? *****
ফরেক্স ট্রেড করতে হলে সর্বপ্রথম আপনাকে কোনো একটি ফরেক্স ব্রোকারের সাথে অ্যাকাউন্ট ওপেন করতে হবে ও তাতে ডিপোজিট করতে হবে। অ্যাকাউন্ট খুব সহজেই ২ মিনিটে অনলাইনে ওপেন করা যায়। আপনি বিভিন্ন অনলাইন মুদ্রা যেমন Paypal , Skrill, Neteller, Bitcoin, Perfect Money ইত্যাদি দিয়ে তাৎক্ষণিক আপনার আকাউন্টে ডিপোজিট করতে পারেন ও ফরেক্স ট্রেড করা শুরু করতে পারেন।
তবে সাধারনত অধিকাংশ মানুষই ব্যাংক এর মাধ্যমে ফরেক্স ব্রোকারদের সাথে ডিপোজিট করে। সেক্ষেত্রে, অ্যাকাউন্ট ওপেনিং এর পরে, আপনি আপনার ব্রোকারের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নাম্বার এবং ব্যাংক ডিপোজিটের বিস্তারিত তথ্য পাবেন।
আপনার অ্যাকাউন্টে ডিপোজিট সম্পন্ন হলে আপনি ট্রেড করা শুরু করতে পারবেন। ফরেক্স ট্রেডিং অনলাইনে সফটওয়ারের মাধ্যমে করতে হয়। এই সফটওয়ার আপনি বিনামূল্যে আপনার ব্রোকারের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। সফটওয়ারটি ইন্সটল করে ব্রোকার প্রদত্ত ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে তাতে সাইন ইন করলেই বিভিন্ন পেয়ারের চার্ট ও মূল্যতালিকা লোড হবে এবং আপনি আপনার ট্রেড ওপেন/ক্লোজ করতে পারবেন ।
Sell Limit EURUSD at price 1.1710 SL 1.1835 TP Open. Please follow money management..
Sell GbpUsd from 1.3822 sl 1.3840 tp 1.3765
Buy Gold from 1771 sl 1755 tp 1795
Sell Gold from 1794 SL 1802 TP open.
Sell gold from 1758 sl 1762 tp 1751
Sell Gold from 1763 Sl 1772 Tp Open.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka