Sujog - Find Your Opportunity Here.

Sujog - Find Your Opportunity Here.

Share

"If opportunity doesn't knock, build a door" This is a bcs related page.

Photos from Sujog - Find Your Opportunity Here.'s post 04/09/2025

যোগ্যতার সাথে মিলে গেলে আবেদন করতে পারেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় 18/02/2021

ঢাবি ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু ৮ মার্চ



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে অনলাইনের মাধ্যমে প্রার্থীদের ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ৮ মার্চ ২০২১ সোমবার বিকাল ৪:০০টা থেকে শুরু হবে এবং ৩১ মার্চ ২০২১ বুধবার রাত ১১:৫৯টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। টাকা জমা দেয়ার শেষ তারিখ ০১ এপ্রিল ২০২১ বৃহস্পতিবার রাত ১১:৫৯টা পর্যন্ত।

আজ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ বৃহস্পতিবার উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি বিষয়ক সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, রেজিস্ট্রার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২১ মে ২০২১ শুক্রবার, খ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২২ মে ২০২১ শনিবার, গ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৭ মে ২০২১ বৃহস্পতিবার, ঘ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৮ মে ২০২১ শুক্রবার এবং চ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান) ০৫ জুন ২০২১ শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ইউনিটের পরীক্ষা সকাল ১১:০০টা থেকে দুপুর ১২:৩০ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় ‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৬০ নম্বরের MCQ এবং ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। শুধুমাত্র ‘চ’ ইউনিটের পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের MCQ এবং ৬০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ ইউনিটের MCQ পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ‘চ’ ইউনিটের MCQ পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীদের ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে ‘ক’ ইউনিটের জন্য মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.৫ (আলাদাভাবে জিপিএ ৩.৫), ‘খ’ ইউনিটের জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.০ (আলাদাভাবে ৩.০), ‘গ’ ইউনিটের জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.০ ( আলাদাভাবে ৩.৫), ‘ঘ’ ইউনিটের জন্য মানবিক শাখার ক্ষেত্রে জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.০ (আলাদাভাবে ৩.০) ও বিজ্ঞান শাখার ক্ষেত্রে জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.৫ (আলাদাভাবে ৩.৫) এবং ‘চ’ ইউনিটের জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৭.০ (আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০) থাকতে হবে।

উল্লেখ্য, ভর্তি পরীক্ষা ঢাকাসহ ৮টি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে।

ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা ও তথ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট https://admission.eis.du.ac.bd এবং পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শিগ্‌গিরই জানিয়ে দেওয়া হবে।

---------------------
(মাহমুদ আলম)
পরিচালক
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় Website for Online Admission in University of Dhaka for 2019. Applicants can Apply, download pay-in slip, download admit card, view their seat plan and exam results from this site. All the notices regarding the admission procedure will be posted in this site accordingly.

14/09/2020

সংক্ষেপে বাংলাদেশের পরিচিতি

সংক্ষেপেবাংলাদেশেরপরিচিতি

বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ (The People’s Republic of Bangladesh)
বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভ করেছে- ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর।
এদেশের রাজধানী- ঢাকা।
বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী- চট্টগ্রাম।
এদেশের আয়তন- ১.৪৭.৫৭০ বর্গ কি.মি অথবা ৫৫ হাজার বর্গমাইল।
আয়তনের ভিত্তিতে পৃথিবীতে বাংলাদেশের অবস্থান- ৯০তম।
এদেশের আইন পরিষদের নাম- পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদ।
বাংলাদেশের বিভাগ সংখ্যা- ৭টি।
সিটি কর্পোরেশনের সংখ্যা- ৬টি।
10. এদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩২টি।

11. বাংলাদেশের সাথে যে দুটি দেশের সীমান্ত রয়েছে- ভারত ও মায়ানমার।

12. জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার- ১.৩২%।

13. এখানকার মানুষের গড় আয়ু- ৬৬.৮ বছর।

14. এদেশের মানুষের মাথাপিছু আয়- ৭৫০ মার্কিন ডলার।

15. বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত- ২০৩ সে.মি।

16. এদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত মোট নদ-নদীর সংখ্যা- ২০৩টি।

17. এদেশের মানুষের গড়পড়তার হার- ৫৪৮% (সূত্র- অর্থনৈতিক সীমানা ২০১০ ও প্রাথমিক গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ব্যান বেইস= ৬৫.৫%)

18. জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান- নবম।

19. এদেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়- সিলেট জেলার লালখানে।

20. সর্ব নিম্ন বৃষ্টিপাত হয়- নাটোর জেলার লালপুরে।

21. উষ্ণতম মাস- এপ্রিল।

22. শীতলতম মাস- এপ্রিল।

23. বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা- কক্সবাজার।

24. সর্ব উত্তরের জেলা- পঞ্চগড়।

25. বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা- কক্সবাজার।

26. সর্ব উত্তরের জেলা- পঞ্চগড়।

27. বাংলাদেশের সমুদ্র বন্দর- ২টি।

28. আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর- ৩টি।

29. জনসংখ্যার ঘনত্ব- ৯৯০ জন প্রতি বর্গ কি.মি. এ।

30. সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা।

31. সবচেয়ে কম ঘন বসতি পূর্ণ জেলা- বান্দরবন।

32. বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে- ১৯৭৪ সালে।

33. বাংলাদেশের জাতিসংঘের- ১৩৬তম সদস্য।

34. বাংলাদেশের উৎপত্তি, অবস্থান, সীমানা ও আয়তন

35. বাংলাদেশ নামের উৎপত্তি হয়েছে নিম্নোক্ত ক্রমধারায়- বাঙ্গাল>সুবাহ-ই বাঙলা> পূর্ববঙ্গ>পূর্ব পাকিস্তান>বাংলাদেশ।

36. বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান- ২০ ৩ি৪ উত্তর অক্ষাংশ হতে ১৫ ৩ি৮ উত্তরঅক্ষাংশএবং ৮৮ ি ০১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ হতে ৯২ ি৪ ১ পূর্ব দ্রাঘিমা অংশপর্যন্ত।

37. বাংলাদেশের সীমানা- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরেভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম, পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরামএবং মায়ানমার, বাংলাদেশের দক্ষিণে রয়েছে বঙ্গোপসাগর।

38. বাংলাদেশের আয়তন- ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি. বা ৫৬, ৯৭৭ বর্গ মাইল।

39. বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান- ছেড়া দ্বীপ (না থাকলে সেন্টমার্টিন হবে)।

40. বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান- আখাইনঠং (থানচি, বান্দরবন)।

41. বাংলাদেশের পশ্চিমের স্থান- মনাকসা (শিবগড়, চাঁপাই নবাবগঞ্জ)।

42. বাংলাদেশের বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান- জায়গীর জোত, বাংলা বান্ধা।

43. আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিভাগ- চট্টগ্রাম।

44. আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট বিভাগ- সিলেট।

45. আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা- রাঙামাটি।

46. আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা- মেহেরপুর।

আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উপজেলা- শ্যামনগর (সাতক্ষীরা)।
বাংলাদেশের দক্ষিণে ভারতের কোন প্রদেশ অবস্থিত- আন্দামান নিকবর দ্বীপপুঞ্জ।
বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় সীমার দৈর্ঘ্য- ৭১১ কি.মি.।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্র সীমা- ১২ নটিক্যাল মাইল।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্র সীমার দৈর্ঘ্য- ২০০ নটিক্যাল মাইন বা ৩৭০.৪ কি.মি.।
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য- ৫টি।
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩২টি।
ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩টি।

10. বাংলাদেশের কোন জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমারের যৌথ সীমান্ত রয়েছে- রাঙামাটি।

11. বাংলাদেশের কোন জেলার সাথে ভারতের কোন সংযোগ নেই- বান্দরবন ও কক্সবাজার।

12. বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে ভারতের ফারাক্কা বাঁধের দৈর্ঘ্য- ১৬.৫ কি.মি. বা ১১ মাইল।

13. বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে- কর্কট ক্রান্তি রেখা বা ৯০ ি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা বা ট্রপিক অব ক্যানসার।

14. ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ১৬ মে ১৯৭৪ সালে।

15. বাংলাদেশের অবস্থান ক্রান্তীয় অঞ্চলে।

•বাংলাদেশেরছিটমহলওসীমান্তবর্তীস্থানসমূহ

বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেন- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধি।
বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ১৬মে ১৯৭৪ (নয়াদিল্লী)।
বাংলাদেশের সব কটি ছিট মহল- ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহার জেলার অন্তর্গত।
ছিটমহল সংক্রান্ত ‘মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি- ১৯৭৪’ এর বিষয় বস্তু- নিজ ভিটায় বসবাস।
তিন বিঘা করিডোর’ এর বিনিময়ে বাংলাদেশ ভারতকে দেয়- বেরু বাড়ী ছিটমহল।
ভারত বাংলাদেশের জন্য ‘তিন বিঘা করিডোর’ খুলে দেয়- ২৬ জুন ১৯৯২ সালে।
বাংলাদেশের ভিতর ভারতের ছিটমহল আছে- ১১১টি।
ভারতের ভিতর বাংলাদেশের ছিট মহল আছে- ৫১টি।
ভারত ও বাংলাদেশের ছিটমহলগুলো নির্ধারণ করা হয়- ‘র্যাড ক্লিফ কমিশন’ অনুসারে।

10. ভারতের অধিকাংশ ছিটমহল বাংলাদেশের- লালমনির হাট জেলায় (৫৯টি)।

11. বাংলাদেশের সাথে ভারতের- ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।

12. বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে- ভারত ও মিয়ানমার।

13. ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।

14. বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি জেলার যৌথ সীমান্ত রয়েছে কোন জেলায়- রাঙ্গামাটি জেলায়।

15. ভারত কর্তৃক দখলকৃত ‘পদুয়া’ নামক স্থানটি- সিলেট সীমান্তে অবস্থিত।

16. বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগের সাথে ভারতের কোন সীমান্ত সংযোগ নেই।

17. বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমান্ত চিহ্নিতকরণের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির নাম-JBWF (Joint Boundary working Groups)

18. বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অচিহ্নিত সীমান্ত স্থান- ৩টি।

19. তিন বিঘা করিডোর’ বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত।

•বাংলাদেশেরমাটিওভূ-প্রকৃতি

বাংলাদেশের মাটিতে সবচেয়ে বেশি রয়েছে- এলুমিনিয়াম।
বাংলাদেশের মাটিতে যে খনিজ পদার্থের অভাব রয়েছে- দস্তা ও গন্ধক।
বাংলাদেশের মাটিকে প্রকৃতি ও রাসায়নিক গঠনের উপর ভিত্তিকরে- ৫ ভাগে ভাগ করা যায়।
পীত মাটি পাওয়া যায়- ফরিদপুরে।
বাংলাদেশের মৃত্তিকা গবেষণা ইন্সটিটিউট অবস্থিত- ঢাকায়।
হিউমাস মাটির কি উপকার করে- উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে মাটির অনুর্বরতার কারণ- লবণাক্ততা।
পাহাড়ি মাটি- অম্ল প্রকৃতির।
সবচেয়ে উর্বর মাটি- পলিমাটি বা পলল গঠিত মাটি।
ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশকে- ৩ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

10. বাংলাদেশের পাহাড় সমূহের ভূমিরূপ- টারশিয়ারী যুগের।

11. প্লাবন সমভূমি থেকে বরেন্দ্র ভূমির উচ্চতা- ৬-১২ মিটার।

12. বরেন্দ্রভূমি বলা হয়- রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিম অংশকে।

13. বরেন্দ্র ভূমির মাটির রং- ধূসর ও লাল বর্ণের।

14. সর্বপ্রথম বাংলাদেশের কোন অঞ্চল গঠিত হয়- টারশিয়ারী যুগের পাহাড়।

15. ভাওয়ালের গড় অঞ্চল- গাজীপুর জেলায় অবস্থিত।

16. মধুপুর অবস্থিত- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায়।

17. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় অঞ্চলের মাটির রং- লালচে ও ধূসর।

18. সমভূমি থেকে মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় অঞ্চলের উচ্চতা- ৩০ মিটার।

19. ঢাকার প্রতিপাদ্য স্থান- চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে।

20. কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ভূ-প্রকৃতি- বালুকাময়।

•বাংলাদেশেরআবহাওয়াওজলবায়ু

বাংলাদেশের আবহাওয়া কেন্দ্র- ৪টি (ঢাকা, কক্সবাজার, পতেঙ্গা, খেপুপাড়া)
বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে।
বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর- ঢাকার আগার গাঁয়ে অবস্থিত।
বাংলাদেশের আবহাওয়া অফিস- ৩৫টি।
সার্ক আবহাওয়া গবেষণা কেন্দ্র- ঢাকার আগার গাঁও অবস্থিত।
সার্ক আবহাওয়া গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়- ২ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কেন্দ্র- ২টি।
বাংলাদেশ- ক্রান্তীয় জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত।
বাংলাদেশের বার্ষিক গড় তাপমাত্রা- ২৬.৭০ ।

10. এদেশের বায়ুর আর্দ্রতা কম থাকে- শীত কালে।

11. বাংলাদেশের জলবায়ু- সম ভাবাপন্ন।

12. বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য- মৌসুমি বায়ু।

13. এদেশে কাল বৈশাখী বৃষ্টিপাত ঝড়ের কারণ- উত্তর-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু।

14. বাংলাদেশে শীতকালে বৃষ্টিপাত হয় না- উত্তর পূর্ব মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে।

15. বাংলাদেশের আবহাওয়া দপ্তর কমপক্ষে- ১৮ ঘণ্টা পূর্বে বিপদ সংকেত দেয়।

16. SPARSO – ঢাকার আগার গাঁও এ অবস্থিত।

17. SPARSO – প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন।

18. SPARSO প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।

19. বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ঋতু- বর্ষাকাল।

20. বাংলাদেশে ঘড়ির কাটা ১ ঘণ্টা অগ্রগামী করা হয়- ১৯ জুন ২০০৯।

21. ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর বাংলাদেশের সাহায্যের জন্য আসা মার্কিন টাস্কফোর্স- অপারেশন সী এঙ্গেল-১

22. ২০০৭ সালে ১৫ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড় সিডরের পরে সাহায্যের জন্য আসা মার্কিন টাক্সফোর্স- অপারেশন সী এঙ্গেল- ২।

23. সিডর শব্দের অর্থ- চোখ।

24. আইলা শব্দের অর্থ- ডলফিন বা শুশুক।

25. লায়লা শব্দের অর্থ- মেঘ কালো চুল।

26. ফিয়ান শব্দের অর্থ- বন্ধু।

27. বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত- ২১ জুন।

28. সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত-২২ ডিসেম্বর।

•বাংলাদেশভূ-উপগ্রহকেন্দ্র

বাংলাদেশে ভূ- উপগ্রহ কেন্দ্র আছে- ৪টি ( বেতবুনিয়া, তালিবাবাদ, মহাখালী, সিলেট)
আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগের মাধ্যমকে- উপগ্রহ বলে।
বাংলাদেশের সর্বশেষ কেন্দ্র- সিলেটে অবস্থিত।
বাংলাদেশের উপগ্রহ কেন্দ্রটি অবস্থিত- সিলেটে অবস্থিত।
প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি অবস্থিত- বেতবুনিয়া, গাজীপুর।
তারিবাবাদ ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি কোন জেলায় অবস্থিত- গাজীপুর।
মহাখালীতে ভূ উপগ্রহ কেন্দ্রটি যোগাযোগ ছাড়াও- আন্তর্জাতিক ট্রাংক এক্স চেঞ্জের কাজে ব্যবহৃত হয়।

বাংলাদেশেরপাহাড়-পর্বত-উপত্যকাসমূহ

বাংলাদেশের পাহাড়সমূহ সৃষ্টি হয়েছে- প্লেটটেকনোনিক প্রক্রিয়ায়।
বাংলাদেশের পাহাড় সমূহ গঠিত হয়- টারশিয়ারী যুগে।
বাংলাদেশের পাহাড় সমূহ- ভাঁজ বা ভঙ্গিল শ্রেণীর।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পাহাড়- গারো পাহাড়।
বাংলাদেশের পাহাড় সমূহের গড় উচ্চতা- ২০৫০ ফুট।
আলু টিলা পাহাড়- খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
লালমাই পাহাড়- কুমিল্লায় অবস্থিত।
ইউরেনিয়াম পাওয়া গেছে- কুলাউড়া পাহাড়ে।
কুলাউড়া পাহাড় অবস্থিত- মৌলভীবাজার জেলায়।

10. চিম্বুক পাহাড়ের পাদদেশে বাস করে- মারমা উপজাতি।

11. ‘কালা পাহাড়’ বা ‘পাহাড়ের রাণী’ বলা হয়- চিম্বুক পাহাড়কে (৩য় উচ্চতম)।

12. হিন্দুদের তীর্থ স্থানের জন্য বিখ্যাত- চন্দ্রনাথের পাহাড়।

13. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম- তাজিংডং বা বিজয় বা মদক মুয়াল।

14. বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ- কেওক্রাডং।

15. কাপ্তাই লেক থেকে প্লাবিত রাঙ্গামাটির উপত্যকা হল- ভেঙ্গি জালি।

16. সাঙ্গু ভ্যালী অবস্থিত- চট্টগ্রামে।

17. হালদা ভ্যালী অবস্থিত- খাগড়াছড়িতে।

•বাংলাদেশেরভৌগলিকপ্রতীকীনামসমূহ

ভৌগলিক প্রতীকী নাম/স্থান/ভৌগলিক প্রতীকী নাম/স্থান

সোনালী আঁশের নাম বাংলাদেশ, প্রাচ্যের ডান্ডি নারায়ণগঞ্জ
জনসংখ্যার দেশ বাংলাদেশ ,বাংলার ডান্তি নারায়ণগঞ্জ
ভাটির দেশ বাংলাদেশ, মসজিদের শহর ঢাকা
নদীমাতৃক দেশ বাংলাদেশ, রিক্সার নগরী ঢাকা
পৃথিবীর ব-দ্বীপ বাংলাদেশ, ৩৬০ আউলিয়ার আবাস ভূমি সিলেট
দেশের প্রবেশ দ্বার চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ-ভারতের প্রবেশ দ্বার সিলেট
দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম, বাংলার লন্ডন সিলেট
বার আউলিয়ার শহর চট্টগ্রাম, কুমিল্লার দুঃখ গোমতী
চট্টগ্রামের দুঃখ চাক্তাইখাল, রসের হাঁড়ি খেজুর গুড় ফরিদপুর

10. বাংলার শস্য ভাণ্ডার বরিশাল, ৫২২তম বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন

11. খাল-বিল-নদী-নালার জেলা ঊরিশাল পশ্চিম বাহিনীর নদী ডাকাতিয়া নদী

12. বাংলার ভেনিস ঊরিশাল হিমালয়ের কন্যা পঞ্চগড়

13. সাগর দ্বীপ ভোলা উত্তর বঙ্গের প্রবেশ দ্বার বগুড়া

14. সাগর কন্যা কুয়াকাটা পাহাড়-পর্বত ও রহস্যের লীলা ভূমি বান্দরবন

15. সাগর কন্যা (জেলার ক্ষেত্রে) পটুয়াখালী

•বাংলাদেশেরস্থাপত্যনিদর্শনসমূহ

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের অবস্থান- ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণ।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি- হামিদুর রহমান।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রথম ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়- ২৩ জানুয়ারি ১৯৫২।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উদ্বোধক- শহীদ শফিউর রহমানের পিতা।
শহীদ মিনার প্রথম উদ্বোধন করা হয়- ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২।
জাতীয় স্মৃতিসৌধ অবস্থিত- সাভারে।
জাতীয় স্মৃতিসৌধ এর স্থপতি- সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
জাতীয় স্মৃতিসৌধ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
জাতীয় স্মৃতিসৌধ স্থাপন করা হয়- ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭২।

10. জাতীয় স্মৃতিসৌধ উদ্বোধন করেন- প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ।

11. জাতীয় স্মৃতিসৌধ এর উচ্চতা- ১৫০ ফুট।

12. জাতীয় স্মৃতিসৌধ এর ফলক সংখ্যা- ৭টি।

13. মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্স- মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত।

14. মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্স এর স্থপতি- তানবীর কবির।

15. মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্স এর স্তম্ভ সংখ্যা- ২৩টি।

16. বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের অবস্থান- মিরপুর, ঢাকা।

17. বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি- মোস্তফা হারুন কুদ্দুস হিলি।

18. রায়ের বাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ অবস্থিত- রায়ের বাজার, ধানমন্ডি।

19. এর স্থপতি- ফরিদউদ্দীন আহমেদ ও জামি আল শফি।

20. জাগ্যত চৌরঙ্গী অবস্থিত- জয়দেবপুর চৌরাস্তা, গাজীপুর।

21. জাগ্রত চৌরঙ্গী এর ভাস্কর- আব্দুর রাজ্জাক।

22. অপরাজেয় বাংলা অবস্থিত- কলাভবন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

23. এর ভাস্কর- সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ।

24. স্বোপার্জিত স্বাধীনতা- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে অবস্থিত।

25. স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যের স্থপতি- শামীম শিকদার।

26. শাবাশ বাংলাদেশ ভাস্কর্যটি- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।

27. শাবাশ বাংলাদেশ ভাস্কর্যটি ভাস্কর-নিতুন কুণ্ড।

28. ‘সংশপ্তক’ ভাস্কর্যটি- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।

29. ‘সংশপ্তক’ ভাস্কর্যটির ভাস্কর- হামিদুজ্জামান খান।

30. ‘স্মারক ভাস্কর্য’ টি- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।

31. ‘স্মারক ভাস্কর্যটির স্থপতি- মতুর্জা বশীর।

32. ‘মুক্ত বাংলা’ ভাস্কর্যটি অবস্থিত- ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

33. ‘মুক্ত বাংলা’ ভাস্কর্যটি ভাস্কর- রশীদ আহমদ।

34. ‘অমর একুশে’ ভাস্কর্যটি- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।

35. গোল্ডেন জুবিলী টাওয়ার- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।

36. বিজয় ’৭১ এর অবস্থান- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।

37. বিজয় ’৭১ এর ভাস্কর্য- শ্যামল চৌধুরী।

38. ‘যুদ্ধভাসান’ ভাস্কর্যটি- কুমিল্লায় অবস্থিত।

39. দেশের সর্বোচ্চ শহীদ মিনারটি- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।

40. দেশের এই সর্বোচ্চ শহীদ মিনারের স্থপতি- রবিউল হুসাইন।

41. ‘মোদের গরব’ ভাস্কর্যটির অবস্থান- বাংলা একাডেমী চত্বর।

42. মোদের গরব ভাস্কর্যটি ভাস্কর- অখিল পাল।

43. একনজরে স্থাপত্য, ভাস্কর্য ও স্থপতি এবং অবস্থান

44. স্থাপত্য/ভাস্কর্য/স্মৃতিসৌধ অবস্থান স্থপতি/ভাস্কর

45. জাতীয় স্মৃতিসৌধ-সাভার-সৈয়দ মাইনুল হোসেন

46. মুজিব নগর স্মৃতিসৌধ মেহেরপুর তানভীর কবির

47. অপরাজেয় বাংলা ঢা.বি কলাভবন সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ

48. কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঢাকা মেডিক্যাল সংলগ্ন হামিদুর রহমান

49. জাগ্রত চৌরঙ্গী জয়দেবপুর চৌরাস্তা আব্দুর রাজ্জাক

50. স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ঢা.বি টিএসসি চত্বর শামীম শিকদার

51. বিজয় উল্লাস আনোয়ার পাশা ভবন ঢাবি শামীম শিকদার

52. স্বাধীনতা সংগ্রাম উুলার রোড, ঢাবি শামীম শিকদার

53. সোনার বাংলা কৃষি বিশ্ব বিদ্যালয় ময়মনসিংহ শ্যামল চৌধুরী

54. বিজয় ’৭১ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ খন্দকার বদরুল ইসলাম নান্নু

55. অংশুমান (জনতার রায়) রংপুর অনীক রেজা

56. কমলাপুর রেল স্টেশন কমলাপুর, ঢাকা বব বুই

57. তিন নেতার মাজার সোহরাওর্য়াদী উদ্যানের দক্ষিণে মাসুদ আহমেদ

58. দুর্জয় রাজারবাগ, ঢাকা মৃণাল হক

59. দুরন্ত শিশু একাডেমী, ঢাকা সুলতানুল ইসলাম

60. সংগ্রাম সোনারগাঁও নারায়ণগঞ্জ জয়নুল আবেদীন

61. বিজয় বিহঙ্গ আমতলা, বরিশাল হামিদুজ্জামান ও আমিনুল হাসান লিটু

62. স্বাধীনতা ভাষা ইন্সটিটিউট সেগুনবাগিচা, ঢাকা

63. রক্ত সোপান রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস

64. বীরের প্রত্যাবর্তন বাড্ডা, ঢাকা সুদীপ্ত রায়

65. প্রত্যাশা ফুলবাড়িয়া, ঢাকা, মৃণাল হক

66. প্রতিরোধ মাসদাইর, নারায়ণগঞ্জ মৃণাল হক

67. চির দুর্জয় রাজারবাগ, ঢাকা মৃণাল হক

68. স্বাধীনতার ডাক গগনবাড়ী, সাভার ইীল উৎপল কর

•আরওকিছুতথ্য:
১। গারো ক্যাপিটাল বলা হয়- নেত্রকোনা জেলার দূর্গাপুর উপজেলাকে।
২। বাংলাদেশ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালিত হবে- ২০২১ সালে।
৩। দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ প্রথম জেগে ওঠে- ১৯৭০ সালে।
৪। জাফর পয়েন্ট অবস্থিত- খুলনা জেলায়।
৫। ব্রিটিশ বাংলার ৬৪ শতাংশ এলাকা নিয়ে গঠিত হয়- বাংলাদেশ।
৬। ‘জঙ্গলবাড়ি দুর্গ’ টি- কিশোরগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
৭। আগুনমুখা- পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানায় অবস্থিত।
৮। ‘নয়াগ্রাস্থা ভূ-খণ্ডটি অবস্থিত- সিলেট সীমান্তে।
৯। জাহাজ মারা- একটি ইউনিয়নের নাম যা নোয়াখালীতে অবস্থিত।
১০। রূপসী বাংলাদেশ হিসাব ঘোষণা করা হয়েছে- সোনার গাঁয়ের যাদুঘর এলাকাকে।
১১। ‘সোযাচ অব নো গ্রাউন্ড’ খাতটি অবস্থিত- বঙ্গোপসাগরে।
১২। বাংলাদেশ ও ভারতের অমীমাংসিত সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৬.৫ কি.মি.।
১৩। বাংলাদেশ মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৫১৩৮ কি.মি.।
১৪। বাংলাদেশের মোট স্থলসীমা ৪৪২৭ কি.মি.।
১৫। বাংলাদেশ ও মায়ানমারের সীমান্ত দৈর্ঘ্য ২৮৩ কি.মি. বা ১৭৬ মাইল।
১৬। বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য ৭১১ কি.মি.।
১৭। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্র সীমা- ১২ নটিক্যাল মাইল।
১৮। ১ নটিক্যাল মাইল সমান ১.৮৫৩ কি.মি.।
১৯। তিন বিঘা করিডোর- তিস্তা নদীর তীরে অবস্থিত।
২০। জনসংখ্যায় বাংলাদেশের বড় থানা- বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।
২১। বাংলাদেশের যে স্থান টি ৩০ বছর পর বি.ডি.আর, বিএস,এফ এর নিকট থেকে উদ্ধার করেছে- পদুয়া।
২২। ‘পদুয়া’ নামক স্থানটি বি.ডি.আর পুনরুদ্ধার করে- ১৫ এপ্রিল ২০০১ সালে।
২৩। বি.ডি.আর এবং বি.এস.এফ এর মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষ হয়- রৌমারীতে ২০০১ সালে।

18/08/2020

August 18, 2020
The Daily Star Editorial
**************************
শিরোনাম: Another case of embezzlement in the healthcare sector
=অর্থ আত্মসাতের আরেকটি ঘটনা স্বাস্থ্যসেবা খাতে;
=স্বাস্থ্যসেবা খাতে আবারও অর্থ আত্মসাতের ঘটনা;
Public procurement must be cleansed of corruption
=সরকারি কেনাকাটা অবশ্যই দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে;
*********************
প্রথমে শব্দার্থগুলি জেনে নিই
===================
১। Another case-আরেকটি ঘটনা;
২। of embezzlement-অর্থ আত্মসাতের;
৩। in the healthcare sector-স্বাস্থ্যসেবা খাতে;
৪। Public procurement-সরকারি কেনাকাটা;
৫। must be cleansed of corruption-অবশ্যই দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে;
৬। A report published-প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন;
৭। in this newspaper-এই সংবাদপত্রে;
৮। sheds light on-আলোকপাত করে; দেখা যায়; ফুটিয়ে তুলছে;
৯। the recent enquiry-সম্প্রতি তদন্ত;
১০। by the Anti-Corruption Commission (ACC)-দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক);
১১। at Sheikh Hasina Medical College in Habiganj-হবিগঞ্জের শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজে;
১২। It was revealed that-এটা প্রকাশ পেয়েছিল যে; এটা জানা গেছে যে;
১৩। the principal of the college-কলেজের অধ্যক্ষ;
১৪। along with two other suppliers-দুই ঠিকাদার সহ;
১৫। pocketed-আত্মসাৎ করে (করেছিল);
১৬। nearly Tk 3.43 crore-প্রায়/আনুমানিক ৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা;
১৭। back in 2018-২০১৮ সালের শেষের দিকে;
১৮। through inflating prices-(প্রকৃত দামের চেয়ে) বেশি দাম দেখানোর মাধ্যমে/
দেখিয়ে;
১৯। of items purchased-জিনিসপত্র ক্রয়ে;
২০। The ACC filed two separate cases-দুদক পৃথক দুইটি মামলা করেছেন (করলেন);
২১। against the principal and the two other proprietors-অধ্যক্ষ এবং আরো ২জন সত্ত্বাধিকারীর বিরুদ্ধে;
২২। On May 15, 2018-২০১৮ সালের ১৫ই মে;
২৩। according to the case statement-মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়;
২৪। the principal floated tenders-অধ্যক্ষ দরপত্র ছাড়ছিলেন;
২৫। in two packages-দুইটি প্যাকেজে;
২৬। for medical and sports equipment-চিকিৎ
সা ও খেলাধুলা সামগ্রীর জন্য;
২৭। chemical reagents-রাসায়নিক বিকারক;
২৮। furniture, computers and books-আসপাবপত্র, কম্পিউটার ও বই;
২৯। without following an annual procurement plan-বাৎসরিক কেনাকাটা পরিকল্পনা অনুসরণ না করেই;
৩০। and later awarded the tenders to two suppliers-এবং পরে দুইটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দরপত্র দেন (দিয়েছিলেন);
৩১। Unlike the usual snail's pace at-প্রচলিত ধীরগতির চেয়ে ভিন্ন;
৩২। such processes-এমন প্রক্রিয়া;
৩৩। are completed-সম্পন্ন হয়েছৈ;
৩৪। this time-এই সময়;
৩৫। the products were supplied-পণ্য সরবরাহ করা হয়েছে (হয়েছিল);
৩৬। bills approved-বিল অনুমোদন দেয় হয়েছৈ;
৩৭। paid for very speedily-খুব তাড়াতাড়ি/
দ্রুততার সাথে/তাড়াহুড়া করে পরিশোধ করা হয়েছে;
৩৮। which raised suspicions-যেটা সন্দেহ, সংশয়, অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে/ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে;
৩৯। By inflating the price-বেশি দাম দেখিয়ে;
৪০। of each and every product-প্রত্যকটি পণ্যের;
৪১। various types of-বিভিন্ন ধরণের;
৪২। microscopes, LED TV and A/C-মাইক্রোস্কোপ, এলইডি টেলিভিশন এবং এসি;
৪৩। digital weighing machines-ডিজিটাল ওজন পরিমাপক যন্ত্র;
৪৪। books and journals, etc-বই, জার্নাল ইত্যাদি;
৪৫। by multiple folds-একাধিক উপায়ে;
৪৬। the named culprits-উক্ত অপরাধীরা;
৪৭। managed to embezzle-অর্থ আত্মসাৎ করার ব্যবস্থা করেছে (করেছিল);
৪৮। We commend the ACC-আমরা দুদকের প্রশংসা করছি;
৪৯। for unraveling-উন্মোচন/প্রকাশ করার জন্য;
৫০। this shameful scam -এই লজ্জাজনক কেলেঙ্কারী;
৫১। for taking steps -ব্যবস্থা নেয়ার জন্য;
৫২। against those involved-জড়িতদের বিরুদ্ধে;
৫৩। but it also reveals-তবে এটা আরো ব্যক্ত করে;
৫৪। the level of corruption-দুর্নীতির মাত্রা;
৫৫। in these institutions-এসব প্রতিষ্ঠানে;
৫৬। where accountability seems to have disappeared completely-যেখানে জবাবদিহিতা মনে হয় একদম অনুপস্থিত আছে;
৫৭। How could such bills be approved-এমন বিল কীভাবে অনুমোদন পায়?
৫৮। when the prices were so obviously inflated-যখন দাম স্পষ্টভাবে অত্যধিক বাড়ানো হয়েছে (হয়েছিল);
৫৯। It's a shame that-এটা লজ্জার ব্যাপার যে;
৬০। intend for-সংকল্প করা; উদ্দেশ্য থাকা;
৬১। funds that -তহবিল যেটা;
৬২। were intended for a rightful purpose-ন্যায়সঙ্গত পরিকল্পনা করা হয়েছিল;
৬৩। were deliberately misdirected-উদ্
দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিপথে চালানো হয়েছে (হয়েছিল);
৬৪। in order to maximise the benefits-সর্বোচ
্চ /বেশি লাভ করার জন্য;
৬৫। of an authority figure and his cohorts-কর্তৃপক্ষের এক ব্যক্তি ও তার সহযোগীদের;
৬৬। Obviously-স্পষ্টত প্রতীয়মান;
৬৭। the hyped up prices-বিজ্ঞাপিত মূল্য;
৬৮। were "overlooked"-উপেক্ষা করা হয়েছে (হয়েছিল);
৬৯। to serve the interests-স্বার্থে দেয়ার জন্য;
৭০। of certain individuals-নির্দিষ্ট ব্যক্তিবর্গের;
৭১। In fact-বস্তুত; আসলে;
৭২। oft-ঘন ঘন; প্রায়ই; বহুবার;
৭৩। Time and again-বারবার; পুন:পুন; প্রায়শ;
৭৪। we read reports -প্রতিবেদন পড়ি;
৭৫। in the paper -পত্রিকায়;
৭৬। of procurement of equipment or machines-উপকরণ অথবা যন্ত্রপাতি কেনাকাটার;
৭৭। at exorbitant prices-মাত্রাতিরিক্ত মূল্যে; গলাকাটা দামে;
৭৮। It begs for greater monitoring-এটা বড় ধরণের তদারকি/পর্যবেক্ষণের দাবি রাখে;
৭৯। by the government -সরকারের;
৮০। basic accountability of these institutions-এসব প্রতিষ্ঠানের মৌলিক জবাবদিহিতা;
৮১। If these institutions-যদি এসব প্রতিষ্ঠানের;
৮২। were properly audited-যথাযথভাবে হিসাব নিরীক্ষা করা হতো;
৮৩। their procurement activities monitored-তাদের কেনাকাটার কার্যক্রম তদারকি করা হতো;
৮৪। such large scale corruption-এরূপ/এমন বড় মাপের দুর্নীতি;
৮৫। could not have occurred-হতো না; ঘটতো না;
৮৬। Unfortunately as we have seen-দুর্ভাগ্যক
্রমে/দু:খজনকভাবে আমরা টো বুঝতে পারছি;
৮৭। there is rampant corruption-অবাধ দুর্নীতি আছে/রয়েছে;
৮৮। in both public and private institutions-সর
কারি ও বেসরকারি উভয় প্রতিষ্ঠানে;
৮৯। happen in the health sector-স্বাস্থ্য খাতে ঘটা;
৯০। continue even during this pandemic-এমনকি এই মহামারী কালেও চলছে/চলমান;
৯১। when all healthcare resources-যখন সকল স্বাস্থ্যসেবার উপায়;
৯২। overstretch-মাত্রাতিরিক্ত সুবিধা গ্রহণ করা; অত্যাধিক বৃ্দিধ করা;
৯৩। indeed-সত্যিই; অবশ্য;
৯৪। It is reassuring that-এটা আশার বাণী যে;
৯৫। these fraudulent activities-এসব প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড;
৯৬। install efficient oversight -কার্যকর সজাগ দৃষ্টি দেয়অ;
৯৭। public procurement-সরকারি কেনাকাটা;
৯৮। large sums of money-বড় অংকের টাকা/ মোটা অংকের অর্থ;
**************************
Prepared by: Md Mohiuddin
********এবার মূল সম্পাদকীয়টি পড়ি********
Another case of embezzlement in the healthcare sector
Public procurement must be cleansed of corruption
************************
A report published in this newspaper sheds light on the recent enquiry by the Anti-Corruption Commission (ACC) at Sheikh Hasina Medical College in Habiganj. It was revealed that the principal of the college, along with two other suppliers, pocketed nearly Tk 3.43 crore back in 2018 through inflating prices of items purchased. The ACC filed two separate cases against the principal and the two other proprietors.
On May 15, 2018, according to the case statement, the principal floated tenders in two packages for medical and sports equipment, chemical reagents, furniture, computers and books without following an annual procurement plan, and later awarded the tenders to two suppliers. Unlike the usual snail's pace at which such processes are completed, this time the products were supplied, and bills approved and paid for very speedily, which raised suspicions. By inflating the price of each and every product—various types of microscopes, LED TV and A/C, digital weighing machines, books and journals, etc—by multiple folds, the named culprits managed to embezzle nearly Tk 3.43 crore.
We commend the ACC for unraveling this shameful scam and for taking steps against those involved, but it also reveals the level of corruption in these institutions where accountability seems to have disappeared completely. How could such bills be approved when the prices were so obviously inflated? It's a shame that funds that were intended for a rightful purpose, were deliberately misdirected in order to maximise the benefits of an authority figure and his cohorts.
Obviously, the hyped up prices were "overlooked" to serve the interests of certain individuals. In fact, this seems to be a theme oft repeated in many of our public institutions. Time and again, we read reports in the paper of procurement of equipment or machines at exorbitant prices. It begs for greater monitoring by the government and basic accountability of these institutions. If these institutions were properly audited and their procurement activities monitored, such large scale corruption could not have occurred. Unfortunately as we have seen, there is rampant corruption in both public and private institutions. That this should happen in the health sector and continue even during this pandemic when all healthcare resources are overstretched, is indeed an added tragedy. It is reassuring that the ACC is going after these fraudulent activities, but the government must install efficient oversight of all such institutions where public procurement entails large sums of money.

18/08/2020

# #আজকের_প্রথম_আলো_থেকে # #
১৮ আগস্ট ২০২০ ( মঙ্গলবার)
৩ ভাদ্র ১৪২৭
২৭ জিলহজ ১৪৪১
১) চীনে করোনাভাইরাসের টিকা উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠান – ক্যানসিনো বায়োলজিকস
২) পিপলস ডেইলি – চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র
৩) করোনা ভাইরাসের চীনা টিকার নাম – “ অ্যাড৫-এনসিওভি”
৪) নিউজিল্যান্ডের আসন্ন সংসদ নির্বাচন – ১৭ অক্টোর ২০২০
৫) নিউজিল্যান্ডের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী – জেসিন্ডা আরডার্ন
৬) “ বান্দা আচেহ প্রদেশটি “ – মালেশিয়ায়
৭) “ ডেমোক্রেসি মনুমেন্ট “ রয়েছে – ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
৮) “পিটিআই” – ভারতের সংবাদ সংস্থা
৯) ভারত নেপালের মধ্যে বিরোধ যে অঞ্চল নিয়ে – লিপুলেখ, কালাপানি ও লিম্পিয়াধুরা
১০) নেপালের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী – কে পি শর্মা ওলি
১১) সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরায়েলের সাথে চুক্তি করেছে যে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে – “ আরব পিস ইনিশিয়েটিভ, ২০০২ ( আরবলিগ অনুমোদিত চুক্তি)
১২) বেলারুশের রাজধানী – মিনস্ক
১৩) বেলারুশের বর্তমান প্রেসিডেন্ট – আলেক্সান্দর লুকাশেঙ্কোর
১৪) আলেক্সান্দর বেলারুশের ক্ষমতায় রয়েছেন – প্রায় ২৬ বছর ধরে
১৫) বাংলাদেশে থানাকে উপজেলা নামকরন করা হয় – ১৯৮২ সালে
১৬) ইউনিয়ন পরিষদের নাম ৫ বার পরিবর্তন হয় – ১৮৭০-১৯৭২ সালে
১৭) ১৮৭০ সালে ইউনিয়ন পরিষদের নাম ছিল – চৌকিদার পঞ্চায়েত
১৮) ইউনিয়নের নাম “ ইউনিয়ন বোর্ড “ করা হয়েছিল – ১৯০৯ সালে, প্রধানের নাম – প্রেসিডেন্ট ছিল
১৯) ইউনিয়ন বোর্ড থেকে ইউনিয়ন কাউন্সিল নামকরণ হয় – ১৯৫৯ সালে, আইয়ুব খানের আমলে। এবং প্রেসিডেন্টের পদবি করা হয় - চেয়ারম্যান
২০) ইউনিয়ন কাউন্সিলের নাম ইউনিয়ন পরিষদ হয় – ১৯৭২ সালে, এবং প্রধান – চেয়ারম্যান
২১) ২০২০ সালে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন প্রস্তাবিত ইউনিয়ন পরিষদের নাম – পল্লী পরিষদ, প্রধানের পদবি – পল্লী পরিষদ প্রধান
২২) লেবাননে গৃহযুদ্ধ হয়েছিল – ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত
২৩) ১৯৪৩ সালের চুক্তি অনুযায়ী লেবাননের প্রধানমন্ত্রী হন – একজন সুন্নি মুসলিম, প্রেসিডেন্ট হন- একজন খ্রিষ্টান ও স্পিকার হন – একজন শিয়া মুসলিম
২৪) লেবাননের প্রথম প্রধানমন্ত্রী – রিয়াদ আল সোলে
২৫) ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে মোট প্রবাসী আয় এসেছিল – ১ হাজার ৬৪১ কোটি ডলার
২৬) ২০১৯-২০ অর্থ বছরে এসেছিল – ১,৮২০ কোটি ডলার।

13/08/2020

#বাংলা সাহিত্য_১
১।বাংলা গদ্যের আদি নিদর্শন কী?
ক) চর্যাপদ
খ) শেখ শুভোদয়া
গ) নরোত্তম দাসের দেহকড়চা
ঘ) কোচবিহার রাজ্যের লেখা চিঠি√
২।বাংলা সাহিত্য ধারার প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ হলেন-
ক) কাজী নজরুল ইসলাম
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) প্যাঁরিচাদ মিত্র
ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় √
৩।বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নাট্যকারের নাম কী?
ক) মীর মশাররফ হোসেন√
খ) শামসুর রহমান
গ) সুফিয়া কামাল
ঘ) শাহ মুহম্মদ সগীর
৪। বাংলা কথ্য ভাষার আদি গ্রন্থ কোনটি ?
ক) ফুলমণি ও করুণার বিবরণ
খ) কৃপা শাস্ত্রের অর্থভেদ √
গ) কথোপকথন
ঘ) রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
৫।বাংলা সাহিত্যের প্রথম কমেডি নাটক কোনটি ?
ক) কীর্তিবিলাস
খ) কৃষ্ণকুমারী
গ) শর্মিষ্ঠা
ঘ)ভদ্রার্জুন √
৬। চর্যাপদের ইংরেজি অনুবাদকৃত বইয়ের নাম কী?
ক) Buddist Mystic Songs
খ) Mystic Poetry of Bangladesh √
গ) Origin of Language and Religion Practice
ঘ) কোনটি নয়
৭।বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলির আদি রচয়িতা কে ?
ক) বিদ্যাপতি
খ) চণ্ডীদাস √
গ) গোবিন্দদাস
ঘ) জ্ঞানদাস
ব্যাখ্যা : বিদ্যাপতি বৈষ্ণব পদাবলির আদি রচয়িতা,বাংলা ভাষায় নয় ।
৮। নিচের কোন জন মধ্যযুগের কবি নন ?
ক) আলাওল
খ) জ্ঞানদাস
গ) মাগনঠাকুর
ঘ)কায়কোবাদ √
ব্যাখ্যা: কায়কোবাদ হলেন আধুনিক কবি ।
৯। 'বীরভানের চৌতিশা' কার কাব্য?
ক) মরদন
খ) কোরেশী মাগন ঠাকুর √
গ) দৌলত কাজী
ঘ) ফকির গরীবুল্লাহ
১০। 'দেওয়ানা মদিনা'র রচয়িতা কে ?
ক) দ্বিজ কানাই
খ) মনসুর বয়াতি √
গ) নয়ানচাঁদ ঘোষ
ঘ) ড. চন্দ্র কুমার দে
১১।বাংলার মুসলমান সাহিত্যকদের স্বর্ণযুগ বলা হয় কোন যুগকে?
ক/প্রাচীন যুগ
খ/আধুনিক যুগ
গ/মধ্যযুগ
ঘ/প্রাগৈতিহাসিক যুগ
১২।ব্রজবুলি কোন যুগের সাধারন মানুষের ভাষা?
ক. মধ্যযুগ
খ. আদিযুগ
গ. অন্ধকার যুগ
ঘ। কোনটিই নয় √
ব্যাখা: যুগসন্ধি ক্ষণের (১৬৭০-১৮৬০)কবিয
়াল ও শায়েরদের ভাষা
১৩।বাংলা গদ্য কোন যুগের ভাষার নিদর্শন ?
a) মধ্যযুগ
b) অন্ধকার যুগ
c) প্রাচীন যুগ
d) আধুনিক যুগ√√
১৪।কোন শতকে বাংলা সাহিত্যের জন্ম?
ক)দশম শতকের মাঝামাঝি। √√
খ) ৮ম শতকের মাঝামাঝি।
গ) ৯ম শতকের মাঝামাঝি।
ঘ)৭ম শতকের মাঝামাঝি।
১৫।মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম নিদর্শন -----?
ক)মঙ্গলকাব্য √√
খ) শূণ্যপুরাণ
গ) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
ঘ)চৈতন্য ভাগবত
১৬।শূণ্যপুরাণ' হলো ------?
ক) গদ্য
খ)গদ্য-পদ্য মিশ্রিত চম্পুকাব্য √√
গ) পদ্য
ঘ) পাচালি
১৭।চৈতন্য জীবনী কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি ---?
ক)বৃন্দাবন দাশ
খ)কৃষ্ণদাস কবিরাজ √√
গ)জয় নন্দী
ঘ) শেররাজ
১৮।মধ্যযুগের প্রথম কাব্য ----?
ক)মঙ্গলকাব্য
খ) শূণ্যপুরাণ
গ) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন √√
ঘ)চৈতন্য ভাগবত
১৯) পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি কে ছিলেন?
ক)ফকির গরীবুল্লাহ, √√
খ)সৈয়দ হামজা,
গ)মালে মুহম্মদ, আয়েজুদ্দিন, মুহম্মদ মুনশী,
ঘ) শাহ মুহাম্মদ সগির
২০) চর্যাপদের সবচেয়ে সুন্দর কবিতাটি কে লিখেছেন?
ক)শবরীপা √√
খ) কাহ্নপা
গ)ভুসুকু পা
ঘ)লুইপা
২১) মধ্য যুগে বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন কে?
ক) তুর্কি শাসকগন
খ) পাঠান শাসক গন
গ)মুঘলরা
ঘ)সংস্কৃত পন্ডিত গন
উত্তর:খ
২২."কাশিমের লড়াই " গ্রন্থ টির রচয়িতা কে?
ক)শেররাজ
খ) আলাওল
গ) সৈয়দ সুলতান
ঘ)দৌলত উজির
উত্তর:ক
২৩.”আপনা মাংসে হরিণা বৈরি” প্রবাদটি চর্যাপদের কত নং পদ?
ক) ৬
খ) ৮
গ) ৩৩
ঘ) ২৪
উত্তর:ক
২৪. বাংলাদেশের ভূখণ্ড থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র কোনটি?
ক)দিগদর্শন
খ)ঢাকা প্রকাশ
গ) সমাচার দর্পন
ঘ) রংপুর বার্তা বহ
উত্তর:ঘ
২৫.জঙ্গনামা কোন শ্রেণির সাহিত্য?
ক)মর্সিয়া
খ) নাথ
গ)মঙ্গল কাব্য
ঘ) পুথি সাহিত্য
উত্তর:ক
২৬.আলাওল মৃত্যুবরণ করে কবে?
ক) ১৬৭৫
খ)১৬৭৭
গ)১৬৮০
ঘ)১৬৭৮
উত্তর:গ
২৭.সুনন্দ কার ছদ্মনাম?
ক)নারায়ম গঙ্গোপাধ্যায়ের
খ)মানিক বন্দ্যপাধ্যায়
গ)শেখ আজিজুর রহমান
ঘ)বিনয় কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
উত্তর:ক
২৮.আরাকান সভার প্রথম বাঙালি কবি কে?
ক) দৌলত কাজী
খ)আলাওল
গ)মাগন ঠাকুর
ঘ)দৌলত উজির
উত্তর:ক
২৯.চম্পু কাব্যের নিদর্শন কোনটা?
ক)পদাবলী
খ)শূন্য পুরাণ
গ)রামায়ণ
ঘ) মহাভারত
উত্তর:খ
৩০. বাংলাভাষার প্রথম মহাকবি কে?
ক)বড়ু চন্ডীদাস
খ)আলাওল
গ)মাগন ঠাকুর
ঘ)কায়কোবাদ
উত্তর:ক
৩১.মধ্য যুগের কবি নন কে?
ক) রামাই পন্ডিত
খ) সহদেব
গ) কৃষ্ণ চন্দ্র কবিরাজ
ঘ)ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত
উত্তর:ঘ
৩২.পূর্ণেন্দু উপাধি কার?
ক) শাহাদাত হোসেন
খ)সমর সেন
গ) সজনী কান্ত দাস
ঘ) সুধীন্দ্রনাথ
উত্তর:ক
৩৩.বাংলা সাহিত্যে শেলী নামে পরিচিত কে?
ক)নজরুল
খ) বঙ্কিম
গ)আলাওল
ঘ)মাইকেল
উত্তর:ক
৩৪. কালুগাজী ও চন্দ্রাবতী কোন ধরনের সাহিত্য?
ক)গীতিকা
খ) মর্সিয়া
গ)নাথ সাহিত্য
ঘ) পুথি সাহিত্য
উত্তর:ঘ
৩৫. মৈমনসিংহ-গীতিকায় কোন এলাকার গীতিকা স্থান পেয়েছে?
ক)জামালপুর
খ) কিশোরগঞ্জ
গ)ময়মনসিংহ
ঘ)গাজীপুর
উত্তর:খ
৩৬. আলাওলের নীতিকাব্য কোনটা?
ক)রাগতালনামা
খ) তোহফা
গ)সিকান্দার নামা
ঘ) হপ্তপয়কর
উত্তর:খ
৩৭. চর্যাপদের শ্রেষ্ঠ কবি কে?
ক) কান্হপা
খ) শবর পা
গ) ভুসুকুপা
ঘ)লুইপা
উত্তর:ক
৩৮.গিয়াসউদ্দিন আযম শাহের রাজসভার কবি কে?
ক)বিদ্যাপতি
খ) মালাধর বসু
গ)শাহ মুহাম্মদ সগির
ঘ) যশোরাজ খান
উত্তর: গ
৩৯.শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন কাব্যের পদসংখ্যা কয়টি?
ক) ৩১০
খ)৩৫৩
গ) ৪০১
ঘ)৪১৮
উত্তর:ঘ
৪০.এন্টনি ফিরিঙ্গি জাতি তে কি ছিলেন?
ক) ফরাসি
খ) ইংরেজ
গ)বাঙালি
ঘ) পর্তুগিজ
উত্তর : ঘ
৪১) নিচের কে মনসামঙ্গলকাব্যের কবি নয়?
ক) বিজয় গুপ্ত
খ) বিপ্রদাস
গ) হরি দত্ত
ঘ) মকুন্দরাম চক্রবর্তী,
উত্তর: ঘ
৪২) বাংলা মৌলিক নাটকের সুত্রাপাত হয় কত সালে?
ক. ১৮৫৭ সালে
খ. ১৮৫৬ সালে
গ. ১৮৫২ সালে
ঘ. ১৭৯২ সালে
উত্তর: গ
৪৩) মর্সিয়া সাহিত্যের আদি কবি কে ?
ⓐ হায়াৎ মামুদ ⓑ শেখ ফয়জুল্লাহ ⓒ সৈয়দ সুলতান ⓓ মুহাম্মদ খান
উত্তর: খ
৪৪) নিচের কে চন্ডীমঙ্গলকাব্যের কবি নয়?
ক)মাণিক দত্ত,
খ)দ্বিজ মাধব,
গ) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
ঘ) ময়ুরভট্ট
উত্তর:গ ঘ
৪৫) হাকন্দ পূরাণ" এর রচয়িতা কে?
ক. শ্যামপন্ডিত
খ. মুকুন্দরাম
গ.ময়ূরভট্ট
ঘ. নারায়ন দেব
উত্তর:গ
৪৬) চর্যাপদ যে বাংলা ভাষায় রচিত এটা কে প্রথম প্রমাণ করেন?
ক. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
খ. ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
গ. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ঘ. সুকুমার সেন
উত্তর:গ
৪৭) ছান্দসিক কবি কার উপাধি?
ক. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
খ. আব্দুল কাদির
গ. জীবনানন্দ দাস
ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর:খ
৪৮) চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতা কাহ্নপার অন্যনাম কী?
ক)কৃষ্ণাচার্য
খ)তন্ত্রী পা
গ) লাডীডোম্বী পা
ঘ) শ্রীবসন্ত্রঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ
উত্তর:ক
৪৯) বাংলা টপ্পা গানের জনক কে?
ক. নিতাই বৈরাগী
খ. রামনিধি গুপ্ত
গ. এন্টনি ফিরিঙ্গি
ঘ. ফকীর গরীবুল্লাহ
উত্তরঃ খ
৫০) শায়েররা যে সাহিত্য রচনা করেছেন তাকে কি বলে?
ক. পুঁথি
খ. উপকথা
গ. দোভাষী সাহিত্য
ঘ. নাথ সাহিত্য
উত্তরঃ গ।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


14/1, Road#6, Mirpur
Dhaka
1216