জানা,না জানা কিছু বিষয় known & unknown some info

জানা,না জানা কিছু বিষয় known & unknown some info

Share

জানা,না জানা কিছু বিষয় known & unknown some info

30/12/2012

মৃত্যু (ইংরেজি: Death) বলতে জীবনের সমাপ্তি বুঝায়। জীববিজ্ঞানের ভাষায় প্রাণ আছে এমন কোন জৈব পদার্থের (বা জীবের) জীবনের সমাপ্তিকে মৃত্যু বলে। অন্য কথায়, মৃত্যু হচ্ছে এমন একটি অবস্থা (state, condition) যখন সকল শারিরীক কর্মকাণ্ড যেমন শ্বসন, খাদ্য গ্রহণ, পরিচলন, ইত্যাদি থেমে যায়। কোন জীবের মৃত্যু হলে তাকে মৃত বলা হয়।

মৃত্যু বিভিন্ন স্তরে ঘটে থাকে। সোমাটিক মৃত্যু হল সামগ্রিকভাবে কোন জীবের মৃত্যু। নির্দিষ্ট অঙ্গ, কোষ বা কোষাংশের মৃত্যুর আগেই এটি ঘটে। এতে হৃৎস্পন্দন, শ্বসন, চলন, নড়াচড়া, প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও মস্তিষ্কের কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যায়। সোমাটিক মৃত্যু ঠিক কখন ঘটে তা নির্ণয় করা দুরূহ, কেননা কোমা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, এবং ঘোর বা ট্রান্সের মধ্যে থাকা ব্যক্তিও একই ধরনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে থাকেন।

সোমাটিক মৃত্যুর পর অনেকগুলি পরিবর্তন ঘটে যা থেকে মৃত্যুর সময় ও কারণ নির্ণয় করা যায়। মারা যাবার পরপরই পার্শ্ববর্তী পরিবেশের প্রভাবে দেহ ঠান্ডা হয়ে যায়, যাকে বলে Algor mortis। মারা যাবার পাঁচ থেকে দশ ঘণ্টা পরে কংকালের পেশীগুলি শক্ত হয়ে যায়, যাকে বলে Rigor mortis, এবং এটি তিন-চার দিন পরে শেষ হয়ে যায়। রেখে দেয়া দেহের নীচের অংশে যে লাল-নীল রঙ দেখা যায়, তাকে বলে Livor mortis; রক্ত জমা হবার কারণে এমন হয়। মৃত্যুর খানিক বাদেই রক্ত জমাট বাঁধতে শুরু করে। আর তারপরে দেহের যে পচন শুরু হয়, তার জন্য দায়ী এনজাইম ও ব্যাক্টেরিয়া।

দেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিভিন্ন হারে মারা যায়। সোমাটিক মৃত্যুর ৫ মিনিটের মধ্যেই মস্তিষ্কের কোষগুলির মৃত্যু ঘটে। অন্যদিকে হৃৎপিণ্ডের কোষগুলি ১৫ মিনিট এবং বৃক্কেরগুলি প্রায় ৩০ মিনিট বেঁচে থাকতে পারে। এই কারণে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সদ্যমৃত দেহ থেকে সরিয়ে নিয়ে জীবিত ব্যক্তির দেহে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব।

30/12/2012

জীবন

জীবন বা প্রাণ এমন একটি অবস্থা (state, condition) যা একটি অর্গানিজমকে জড় পদার্থ (প্রাণহীন) ও মৃত অব্স্থা থেকে পৃথক করে। খাদ্য গ্রহণ, বিপাক, বংশবৃদ্ধি, পরিচলন ইত্যাদি কর্মকান্ড জীবনের উপস্থিতি নির্দেশ করে। জীবন বা প্রাণ বিষয়ক শিক্ষা জীববিজ্ঞানে আলোচিত হয়। প্রোটোপ্লাজমের ক্রিয়াকলাপকে জীবন বলা হয়।

29/12/2012

♥♥আজ রাতের গল্প♥♥
''বৃদ্ধাশ্রম''

মা মা, এভাবেই ডাকতে ডাকতে ঘরে প্রবেশ করল শফিক,
- কি হয়েছে রে শফিক, এভাবে ডাকছিস কেন?
-অনেক খোজার পর মনের মত একটা বৃদ্ধাশ্রম খুজেপেয়েছি মা, ঢাকার অদূরেই গাজীপুরে। অনেক সুযোগ সুবিধা । তোমার কোন কষ্টই হবেনা মা। সময় না হতেই খানা পেয়ে যাবে, অনেক যত্ন নেয় তারা। কাছেই তো আমরা মাসে মাসে গিয়ে দেখে আসবতোমায়। আর আমার পুরাতন মোবাইল টা তো তোমাকে দিয়ে দেব চাইলেই ফোনে কথা বলতে ও পারবে। এক নাগাড়ে মাকে সব শুনালো শফিক।
মা, আর দুইদিন পর আমার বস আসছে আমাদের বাসায়। আমি তাকে দাওয়াত করেছি। বস কে খুশি করতেই পারলে বড় একটা কাজ পেয়ে যাব। আমার বাসায় তো তখন মানুষের যাতায়াত বেড়ে যাবে মা। আমি ভেবে দেখেছি তোমায় বৃদ্ধাশ্রম এ রেখে আসব। কদিন থেকে আমি তাই খুজেঁ বেড়াচ্ছিলাম যাক আজ মিলে গেল। তুমি ভালই থাকবে মা সেখানে, দারুন সব সুযোগ সুবিধা, সব ভদ্রলোক ছেলেদের মা 'রা থাকে সেখানে!! আমাদের পাশের বিল্ডিংয়ের মারুফ ভাইয়ের মা ও তো সেখানে থাকে। তা শুনে পাশ থেকে শফিকের বউ বলে উঠলো - শুনলেন তো মা? আপনার ছেলে কেমন বৃদ্ধাশ্রম দেখে এসেছে আপনার জন্য? যাবার আগেই তো বান্ধবী পেয়ে গেলেন, মজাতেই কাটবে আপনাদের সময়।
চারদিকে সুযোগ সুবিধার কথা শুনেও মমতার বেগমের মন খুশি হতে পারছেনা। মনে পড়ে যায় শফিকের ছোট বেলার সে কথা, সেদিন শফিক তার মামার সাথে মামার বাড়ি গিয়েছিল, মাঝ রাতে ঘুমভেঙ্গে গেলে মাকে কাছে না পেয়ে কান্না শুরু করে দেয়, শেষে শফিকের মামা রাত একটার সময় তাকে মমতা বেগমের কাছে নিয়ে আসে।
আজ শফিক আর ছোট নেই এখন একা থাকতে পারবে সে, তার এখন অনেক প্রেস্টিজ মা বাসায় থাকলে আবার প্রেস্টিজে যদি আঘাত আসে। শফিকের বাবা মারা যাবার পর গ্রামের সব জায়গা জমি মাকে দিয়ে বিক্রি করিয়ে শহরে ফ্ল্যাট কিনে নিজের নামে।এক বেড এক বাথ এক ড্রইং এক কিচেন এর ফ্ল্যাটে মায়ের থাকার জায়গাটা ই নেই। ড্রইংরুমে গেস্টরা আসা যাওয়া করতে হয়। নতুন ব্যবসা শুরু করেছে কতজন ই তো আসা যাওয়া করে বাসায়। মা 'র জন্য ভালোভাবে সময় দিতেই কষ্ট হয়, পড়তে হয় বিড়ম্বনায়, মা বৃদ্ধাশ্রম চলে গেলে আর এ সমস্যায় পড়তে হবেনা। তাইতো বস আসার আগেই মাকে সেখানে রেখে আসার সব কিছু ঠিক করে এসছে।
মা, কাল আমার বস আসবে আমার বাসায় আমি আজ তোমাকে রেখে আসব বৃদ্ধাশ্রম এ। আমি দেখে আসব মাঝে মাঝে। আমি বড় ফ্ল্যাট নিলে আবার না হয় তুমি চলে এসো। তুমি ভালই থাকবে মা।
মমতা বেগম কিছু না বলে চোখের জল মুছতে মুছতে প্রস্তুত হতে থাকলেন। যাবার বেলায় ছেলে ছেলেবউ কে দোয়া দিয়ে গেলেন যেন অনেক ভাল থাকে। শফিক মাকে রেখে আসল। বাসায় এসে আগামী দিন বস কে আপ্যায়নের ব্যাবস্থা নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পড়ল। বসের সেক্রেটারির কাছ থেকে জেনে নিল বসের পছন্দ অপছন্দ। এ কাজটা পেয়ে গেলে শফিকের ঘুরে দাড়াতে মোটেও সময় লাগবেনা। তাইতো বস কে রাজি খুশি করাতে উঠেপড়ে লেগেছে শফিক।
পরদিন - শফিক তার বস আসার অপেক্ষায় ছিল। একসময় বসের গাড়ি এসে থামলো। গাড়ি থেকে নেমে এলেন মহসিন সাহেব। নেমেই গাড়ির পিছনের দরজা খুলে কাকে যেন বের হতে সাহায্য করছিলেন তার ওয়াইফ ও ধরছিলেন, শফিক ও এগিয়ে গেল। একজন ষাটোর্দ্ধ মহিলা, মহসিন সাহেব শফিক কে পরিচয় করিয়ে দিল।
-আমার মা শফিক, তোমার বাসায় তো অনেকক্ষণ থাকা হবে, মা বাসায় একলা থেকে কি করবে তাই নিয়ে এলাম। শফিক বস কে বলে উঠল অনেক ভাল করেছেন স্যার। চলেন ভিতরে চলেন। মহসিন সাহেব এ বাসায় আসা মানে গরীবের ঘরে হাতির পা পড়ার মতইব্যাপার। শফিকের বউ এসে কুশল বিনিময় করে গেল।
-তোমার মাকে দেখছিনা যে শফিক? প্রশ্ন টা শুনেশফিকের চার বছরের মেয়েটি বলে উঠলো দাদু মনি তো বৃদ্ধাশ্রম চলে গেছেন। আব্বু রেখে এসেছে কাল। জানেন আঙ্কেল এখন আমার সাথে খেলার কেউ নাই। আমি একা একা কম্পিউটার গেমস খেলি।
তোমার মাকে বাসায় না রেখে বৃদ্ধাশ্রম এ রেখেছো শফিক, এটা কেমন কথা!!? কোন সভ্য সন্তানএমন করতে পারে? জানো ব্যবসা কে ও আমি আমার মায়ের মত সম্মান করি। যে মানুষ নিজের মায়ের সম্মান করতে পারেনা সে কি করে ব্যাবসা কে সম্মান দিবে? ভেবেছিলাম তোমাকে নতুন প্রজেক্ট টা দিয়ে দিব, কাগজ পত্র ও নিয়ে এসেছিলাম কিন্তু আমি স্যরি শফিক যে সন্তান নিজের মায়ের দেখভাল করতে পারেনা সে কি করে আমার ব্যাবসা দেখভাল করবে??
শফিকের বস কে কিছু বলার মুখ ও রইলোনা। চলে গেলেন মহসিন। চলে যেতেই শফিকের বউ এসে বকবক শুরু করল - এই বুড়ি বাড়ি ছেড়ে গিয়েও শান্তি দিচ্ছেনা, বুড়ি টার জন্য আজ কাজ টা পেলেনা।শফিকের মাথা এমনিতে গরম ছিল বউয়ের কথা শুনে ঠাস করে একটা চড় লাগিয়ে বেরিয়ে গেল মাকে ফিরিয়ে আনতে.....
(বন্ধুরা আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ সবাই এই গল্পটি শেয়ার করবেন এতে করে আপনার সব বন্ধুরা পিতা-মাতা সম্পর্কে আরও সচেতন হবে)

Photos 27/12/2012

ভালোবাসা একটি মানবিক অনুভূতি এবং আবেগকেন্দ্রিক একটি অভিজ্ঞতা। বিশেষ কোন মানুষের জন্য স্নেহের শক্তিশালী বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে ভালোবাসা। তবুও ভালোবাসাকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ভাগ করা যায়। আবেগধর্মী ভালোবাসা সাধারণত গভীর হয়,বিশেষ কারো সাথে নিজের সকল মানবীয় অনুভূতি ভাগ করে নেয়া, এমনকি শরীরের ব্যাপারটাও এই ধরনের ভালোবাসা থেকে পৃথক করা যায়না। ভালোবাসা বিভিন্ন রকম হতে পারে, যেমন: নিস্কাম ভালোবাসা, ধর্মীয় ভালোবাসা, আত্মীয়দের প্রতি ভালোবাসা ইত্যাদি। আরো সঠিকভাবে বলতে গেলে, যে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর প্রতি অতিরিক্ত স্নেহ প্রায় সময় খুবই আনন্দদায়ক হতে পারে...এমনকি কোন কাজ কিংবা খাদ্যের প্রতিও। আর এটাই অতি আনন্দদায়ক অনুভূতিই হলো ভালোবাসা।
দেখাও

26/12/2012

সাকিব আল হাসান

ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম সাকিব আল হাসান
জন্ম ২৪ মার্চ ১৯৮৭
মাগুরা জেলা, যশোর, বাংলাদেশ
ডাকনাম সাকিব
ব্যাটিংয়ের ধরন বামহাতি
বোলিংয়ের ধরন বামহাতি অর্থোডক্স
ভূমিকা অলরাউন্ডার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব বাংলাদেশ
প্রথম টেস্ট (ক্যাপ ৪৬) ১৮ মে ২০০৭ বনাম ভারত
শেষ টেস্ট ২১ নভেম্বর ২০১২ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
প্রথম ওডিআই (ক্যাপ ৮১) ৬ আগস্ট ২০০৬ বনাম জিম্বাবুয়ে
শেষ ওডিআই ২২ মার্চ ২০১২ বনাম পাকিস্তান
ওডিআই শার্ট নং ৭৫
প্রথম টি২০আই (ক্যাপ ১১) ২৮ নভেম্বর ২০০৬ বনাম জিম্বাবুয়ে
শেষ টি২০আই ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১২ বনাম পাকিস্তান
দেশীয় দলের তথ্য
বছর দল
২০০৪–বর্তনাম খুলনা বিভাগ
২০১০–বর্তনাম ওর্চেস্টারশায়ার
২০১১–বর্তনাম কলকাতা নাইট রাইডার্স
২০১২–বর্তনাম খুলনা রয়েল বেঙ্গলস
কর্মজীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি লিস্ট এ
ম্যাচসমূহ ২৮ ১২৬ ৬৩ ১৫৩
রানের সংখ্যা ১,৮৩৫ ৩,৬৩৫ ৩,৭৩৭ ৪,২৮৫
গড় ব্যাটিং ৩৫.৯৮ ৩৫.৬৩ ৩৪.৯২ ৩৩.৭৪
১০০/৫০ ২/১১ ৫/২৫ ৫/২১ ৫/৩০
সর্বোচ্চ রান ১৪৪ ১৩৪* ১৪৪ ১৩৪*
বল বোল্ড ৬,৯৬৩ ৬,৪৫২ ১৩,০১৭ ৭,৫৬৭
উইকেট ১০২ ১৬০ ২০১ ১৮৯
গড় বোলিং ৩২.৫৬ ২৮.৮৫ ৩০.০৮ ২৮.৪০
ইনিংসে ৫ উইকেট ৯ ০ ১৪ ০
ম্যাচে ১০ উইকেট ০ ০ ০ ০
সেরা বোলিং ৭/৩৬ ৪/১৬ ৭/৩২ ৪/১৬
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১১/– ৩৫/– ৩৪/– ৪৬/–
উত্স: ক্রিকেট আর্কাইভ ডট কম, ১২ ডিসেম্বর ২০১২

সাকিব আল-হাসান ( জন্ম: ২৪ মার্চ ১৯৮৭) একজন বাংলাদেশী ক্রিকেটার। ২০০৬ সালের আগস্ট মাসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে অভিষেক। তিনি বামহাতি মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান এবং বামহাতি অর্থোডক্স স্পিনার। সাকিব ছিলেন বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর প্রাক্তন শিক্ষার্থী। তাঁর খেলার মান আর ধারাবাহিকতা তাঁকে নিয়ে গেছে এক নতুন উচ্চতায়, হয়েছেন দলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য একজন খেলোয়াড়-"দ্যা ওয়ান ম্যান আর্মি"। এছাড়াও রয়েছে বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার হওয়ার কৃতিত্ব।

26/12/2012

সাইকোলজির একটি শিক্ষা : ¤ যখন কেউ সামান্য কোন ব্যাপারেও হাসে , তাহলে বলা যায় যে তার জীবনে গভীর দুংখবোধ আছে । ¤ যদি কেউ অতিরিক্ত ঘুমায় , তাহলে বলা যায় যে সে অনেকটা নিঃসঙ্গ। ¤ যদি কেউ সবসময় চুপচাপ থাকে এবং যখন কথা বলে ,তখন খুব দ্রুত বলতে থাকে , তাহলে বলা যায় যে সে নিজের ভিতর কথা লুকিয়ে রাখে। ¤ যদি কেউ খুব অদ্ভূত ভাবে খাবারখায় , তাহলে বলা যায় যে তার ভিতরেসবসময় টেনশন কাজ করে । ¤ যদি কেউ শত ব্যস্ততার মাঝেও আপনার কুশলাদি জিজ্ঞাস করে, তাহলে মনে রাখবেন যে , আপনার কথা ভাবার লোক রয়েছে ।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Sreepur, Gazipur
Dhaka
1740