28/06/2017
সচিব--
জনাব অশোক কুমার বিশ্বাস
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব হিসেবে ২৫মে যোগ দিয়েছেন যুগ্ম-সচিব জনাব অশোক কুমার বিশ্বাস । তিনি বিসিএস ১৯৮৬ (৮ম ব্যাচ) প্রশাসন ক্যাডার এর কর্মকর্তা । ১৯৮৯ সালের ২০ ডিসেম্বর তাঁকে চাকরিতে পদায়ন করা হয়। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব হিসেবে যোগ দেওয়ার পর পর্যায়ক্রমে তিনি বাগেরহাটের সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিস্ট্রেট, রাজবাড়ী কালেক্টরেটের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা, নারায়ণগঞ্জ কালেক্টরেটের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিস্ট্রেট, ঢাকা কালেক্টরেটের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর, কুড়িগ্রমের উলিপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বরিশালের বাবুগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ভোলা কালেক্টরেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, বিআরটিসির ডেপুটি জেনারেল ম্যানাজার, ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক, কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও বরিশালের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে কর্মজীবনের শুরুতে তিনি ১৯৮৮ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত পটুয়াখালী কৃষি কলেজ, বর্তমানে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক ছিলেন। জনাব অশোক কুমার বিশ্বাসের জম্ম ১৯৬১ সালের ১৬ জুন নড়াইলে। তিনি ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি কৃষি (সম্মান) -এ প্রথম শ্রেণী এবং এশিয়ান ইউনিভার্সিটি থেকে এমএসএস (সরকার ও রাজনীতি)-এ প্রথম শ্রেণী অর্জন করেন। পেশাগত কাজে তিনি যুক্তরাজ্য,সিঙ্গাপুর,ভারত,মালয়েশিয়া,কম্বোডিয়া,চীন সফর করেন। তিনি বিবাহিত ও দুই পুত্রের জনক।
28/06/2017
মাননীয় ভাইস চেয়ারম্যান
02-Arif-Khan-Joy
নেত্রকোণা জেলার সদর ও বারহাট্টা উপজেলা নিয়ে গঠিত ১৫৮ নেত্রকোণা-২ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কর্তৃক মনোনীত নির্বাচিত সংসদ সদস্য জনাব আরিফ খান জয় ১৯৭৪ সালের ১৫ জুন নেত্রকোণা জেলার নিউটাউনে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম আলহাজ্ব আবদুস সাত্তার খান পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। মাতা মরহুমা তমজিদা খানম একজন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত (মরণোত্তর) শ্রেষ্ট নারী সংগঠক। জনাব আরিফ খান জয় নেত্রকোণা জেলার চন্দ্রনাথ উচ্চ বিদ্যালয় হতে এসএসসি, নেত্রকোণা সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ হতে এইচএসসি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এমএ পাশ করেন।
নাব আরিফ খান জয় মূলত একজন জাতীয় ফুটবলার। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক। ১৯৯১ সালে নেত্রকোণা জেলার হয়ে শেরেবাংলা কাপ জাতীয় ফুটবলে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৯২-১৯৯৩ সালে ঢাকা ১ম বিভাগ ফুটবলে, ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবলে এবং ১৯৯৪ সালে যুব জাতীয় ফুটবল দলে তাঁর অভিষেক ঘটে। ২০০৫ সালে তিনি ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটি কর্তৃক এবং ২০০৬ সালে বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতি কর্তৃক বর্ষসেরা খেলোয়াড় নিবার্চিত হন। ২০০৩ সালে দক্ষিন এশিয়ান ফুটবল (সাফ) চ্যাম্পিয়নশীপে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের চ্যাম্পিয়নশীপ; দক্ষিণ এশিয়ার সেরা মিড ফিল্ডার এবং ৮ জাতি ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপে বাংলাদেশ ফুটবলের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্ট নির্বাচিত হওয়া তাঁর খেলোয়াড় জীবনের বিশেষ অর্জন।
এছাড়া ১৯৯২ সালে ৭ম প্রেসিডেন্ট গোল্ডকাপে বাংলাদেশ জাতীয় সবুজ দলে অংশগ্রহণ এবং ২০০৩ সালে বাংলাদেশ দলের হয়ে মালদ্বীপের বিরুদ্ধে ৮৯ মিনিটে তাঁর একমাত্র গোলে ১৭ বছর পর মালদ্বীপকে পরাজিত করা তাঁর জীবনের স্মরণীয় ঘটনা।
বাংলাদেশ ফুটবল দলের হয়ে তিনি দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, ভূটান, নেপাল, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিংগাপুর, হংকং, তুর্কেমিনিস্থান, কাজাগিস্থান, তাজিকিস্থান, উজবেকিস্থান, ইংল্যান্ড, আমেরিকাসহ প্রায় ৪০/৪৫টি দেশ ভ্রমণ করেছেন।
ছাত্রজীবন থেকেই জনাব আরিফ খান জয় রাজনীতিতে সক্রিয়। তিনি ১৯৯০ সালে জনতার মঞ্চ শহীদ মিনার প্রাঙ্গন, নেত্রকোণায় গণ আন্দোলনের ক্রোড়পত্র পাঠক ছিলেন। তাছাড়া নেত্রকোণা কলেজ ছাত্র সংসদে (নেকসু) ১৯৯০ সালে ছাত্র মিলনায়তন সম্পাদক, ১৯৯১ সালে এজিএস, ১৯৯০-৯৫ সালে সহ-সম্পাদক, জেলা ছাত্রলীগ, নেত্রকোণায় দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সম্মানিত সদস্য।
জনাব আরিফ খান জয় বর্তমানে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এর নির্বাচিত সহ-সভাপতি। তাছাড়া তিনি বাংলাদেশ পাইওনিয়র ফুটবল লীগ কমিটির চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ক্লাব কাপ চ্যাম্পিয়নশীপ ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ফুটবল খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক, মিডফিল্ড সকার ক্লাবের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশনের পরিচালক পদেও নিযুক্ত ছিলেন।
পারিবারিক জীবনে জনাব জয় এক পূত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক।
জনগনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন তথা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামে জনাব আরিফ খান জয় আত্মনিবেদিত। তিনি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন।এর সুবাদে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে মনোনিত হন।
28/06/2017
মাননীয় চেয়ারম্যান
Chairman
মাগুরা জেলার মহম্মদপুর, শালিখা উপজেলার ও মাগুরা সদর উপজেলার চার ইউনিয়ন পরিষদ নিয়ে গঠিত ৯২ মাগুরা-২ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কর্তৃক মনোনীত নির্বাচিত সংসদ সদস্য এ্যাডঃ ড. শ্রী বীরেন শিকদার-এর জন্ম ১৯৪৯ সালের ১৬ অক্টোবর শালিখা উপজেলার সিংড়া গ্রামে। পিতার নাম মৃত বিহারী লাল শিকদার এবং মাতা শ্রীমতি সরস্বতী শিকদার। পিতা পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন।
ড. শ্রী বীরেন শিকদার ঝিনাইদহ জেলার হাটবারবাজার হাইস্কুল হতে এস এস সি, মাগুরা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ হতে এইচ এস সি ও যশোর মাইকেল মধুসূদন কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হতে আইনশাস্ত্রে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ড. শ্রী বীরেন শিকদার পেশায় একজন আইনজীবী।
ছাত্রজীবন থেকেই ড. শ্রী বীরেন শিকদার রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তিনি ১৯৬৮-৬৯ সালে বৃহত্তর যশোর জেলার ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনে তিনি ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ, বৃহত্তর যশোর এর আহবায়ক ছিলেন। ১৯৭১ সালে তিনি মুজিব বাহিনীর সদস্য হিসেবে নিজ এলাকায় মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
ড. শ্রী বীরেন শিকদার ১৯৮৫ সালে শালিখা উপজেলার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে এলাকায় বহু উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডে নেতৃত্ব দেন। ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে তিনি এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করেন। ওই সময় তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কীত স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি ও সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির সম্মানিত সদস্য এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
অনেক জনহিতকর কাজেই ড. শ্রী বীরেন শিকদার এর অংশ গ্রহণ রয়েছে। তিনি তাঁর নিজ গ্রাম শালিখার সিংড়ায় তাঁর মায়ের নামে সরস্বতী শিকদার স্কুল এ্যান্ড কলেজ, পিতার নামে বিহারীলাল শিকদার ডিগ্রি কলেজ এবং আড়পাড়া ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা। মহম্মদপুর সদরে তার নিজ নামে ড. শ্রী বীরেন শিকদার আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া এলাকায় বহু রাস্তাঘাট, সেতু, কালভার্ট নির্মাণ, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার সংস্কার কাজে তিনি ব্যাপক ভূমিকা রাখেন।
স্ত্রী শ্রীমতি শান্তিলতা শিকদার শিক্ষিতা এবং গৃহবধু। এ পরিবারের এক ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলে অমিতাভ শিকদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসা প্রশাসন ইনষ্টিটিউট হতে এমবিএ পাস করেছেন। মেয়ে বিউটি শিকদার স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রাপ্ত। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরি করছেন।
ড. শ্রী বীরেন শিকদার জাপান, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভারত, নেপাল, ভূটান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ কোরিয়া, ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, সৌদি আরব, অষ্ট্রেলিয়া ও আমেরিকা সফর করেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে কম্বোডিয়া সফর করেন। জনগনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন তথা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামে ড. শ্রী বীরেন শিকদার আত্মনিবেদীত। শিক্ষা ও সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখার কারণে ভারতের কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে বি আর আন্বেদকর পুরস্কারে ভূষিত করে।
সচ্চরিত্রের অধিকারী হয়ে যোগ্য নাগরিকরূপে নিজেদের গড়ে তুলে দেশ সেবায় আত্মনিয়োগের জন্য তিনি নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের উপদেশ দেন। একজন বিশিষ্ট ভদ্রলোক ও মেধাবী সমাজনেতা হিসেবে দেশে বিদেশে ড. শ্রী বীরেন শিকদার বিশেষভাবে সমাদৃত। তিনি ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং ১২ জানুয়ারী যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন।
bhaluka upa
28/04/2017
"হাওর অঞ্চলের বন্যা দুর্গতদের জন্য ইতোমধ্যেই ওএমএস চালুসহ সরকার বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা প্রদান করে যাচ্ছে।"
- খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম