দণ্ডবিধি, ১৮৬০ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ MCQ
১. দণ্ডবিধির কত ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহিতা (Sedition) সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
ক. ১২১ ধারা
খ. ১২৪ ধারা
গ. ১২৪এ ধারা
ঘ. ১৫৩ ধারা
উত্তর: গ. ১২৪এ ধারা
২. রাষ্ট্রপতির ওপর হামলার দণ্ড দণ্ডবিধির কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
ক. ১২১ ধারা
খ. ১২৪ ধারা
গ. ১২৫ ধারা
ঘ. ১৩০ ধারা
উত্তর: খ. ১২৪ ধারা
৩. দণ্ডবিধির ১৭১বি (171B) ধারায় নিচের কোনটি সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
ক. নির্বাচনে ছদ্মবেশ ধারণ
খ. ঘুষ বা উৎকোচ (Bribery)
গ. নির্বাচনে অবৈধ অর্থ প্রদান
ঘ. নির্বাচনের হিসাব না রাখা
উত্তর: খ. ঘুষ বা উৎকোচ (Bribery)
৪. নির্বাচনে ছদ্মবেশ ধারণ বা একজনের ভোট একাধিকবার দেওয়ার অপরাধ দণ্ডবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
ক. ১৭১সি ধারা
খ. ১৭১ডি ধারা
গ. ১৭১ই ধারা
ঘ. ১৭১এফ ধারা
উত্তর: খ. ১৭১ডি ধারা
৫. সরকারি কর্মচারীর আইনানুগ আদেশ অমান্য করার শাস্তি দণ্ডবিধির কোন ধারায় বর্ণিত?
ক. ১৭৮ ধারা
খ. ১৮১ ধারা
গ. ১৮৬ ধারা
ঘ. ১৮৮ ধারা
উত্তর: ঘ. ১৮৮ ধারা
৬. সরকারি কর্মচারীর নিকট শপথপূর্বক মিথ্যা বিবৃতি প্রদানের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
ক. ১ বছরের কারাদণ্ড
খ. ২ বছরের কারাদণ্ড
গ. ৩ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ঘ. ৬ মাসের কারাদণ্ড
উত্তর: গ. ৩ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
৭. শপথ নিতে অস্বীকার করার শাস্তি দণ্ডবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
ক. ১৭৬ ধারা
খ. ১৭৮ ধারা
গ. ১৮০ ধারা
ঘ. ১৮২ ধারা
উত্তর: খ. ১৭৮ ধারা
৮. সরকারি কর্মচারীকে সরকারি কাজে বাধা প্রদানের শাস্তি কী?
ক. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
খ. ৬ মাস কারাদণ্ড
গ. ১ বছর কারাদণ্ড
ঘ. ২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর: ক. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
৯. সরকারি কর্মচারী কর্তৃক ঘুষ (Gratification) গ্রহণের শাস্তি দণ্ডবিধির কত ধারায় বর্ণিত?
ক. ১৬০ ধারা
খ. ১৬১ ধারা
গ. ১৬৫ ধারা
ঘ. ১৭০ ধারা
উত্তর: খ. ১৬১ ধারা
১০. সরকারি কর্মচারীর পরিচয় ধারণ (Personating a public servant) করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
ক. ১ বছর কারাদণ্ড
খ. ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
গ. ৩ বছর কারাদণ্ড
ঘ. ৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর: খ. ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
১১. কোনো সরকারি কর্মচারী যদি বেআইনিভাবে ব্যবসায় যুক্ত হন, তবে তার শাস্তি কত ধারায় হবে?
ক. ১৬৭ ধারা
খ. ১৬৮ ধারা
গ. ১৬৯ ধারা
ঘ. ১৭০ ধারা
উত্তর: খ. ১৬৮ ধারা
১২. প্রতারণামূলক উদ্দেশ্যে সরকারি কর্মচারীর পোশাক বা প্রতীক ব্যবহারের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
ক. ১ মাস কারাদণ্ড
খ. ৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয়
গ. ৬ মাস কারাদণ্ড
ঘ. ১ বছর কারাদণ্ড
উত্তর: খ. ৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয়
১৩. রাষ্ট্রদ্রোহিতার (Sedition) অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
ক. ৭ বছর কারাদণ্ড
খ. ১০ বছর কারাদণ্ড
গ. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ঘ. মৃত্যুদণ্ড
উত্তর: গ. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
১৪. নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব না রাখার শাস্তি দণ্ডবিধির কোন ধারায় বর্ণিত?
ক. ১৭১জি ধারা
খ. ১৭১এইচ ধারা
গ. ১৭১আই ধারা
ঘ. ১৭১জে ধারা
উত্তর: গ. ১৭১আই ধারা
১৫. সরকারি কর্মচারী কর্তৃক বেআইনিভাবে সম্পত্তি ক্রয় বা নিলামে ডাক দেওয়ার শাস্তি কী?
ক. ১ বছর কারাদণ্ড
খ. ২ বছর কারাদণ্ড এবং ক্রয়কৃত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হবে
গ. ৩ বছর কারাদণ্ড
ঘ. শুধু জরিমানা
উত্তর: খ. ২ বছর কারাদণ্ড এবং ক্রয়কৃত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হবে
Bhuiyan Law Academy-ভূঁইয়া ল' একাডেমী
বার কাউন্সিল আইনজীবী তালিকাভুক্তি প্রস্তুতি MCQ, WRITTE & VIVA কোর্সে ভর্তি।
03/05/2026
কোন জমির উপর ব্যাংক লোন (মর্টগেজ) আছে কিনা যাচাই করার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন—
১. যে এলাকার জমি, সেই এলাকার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে এনকাম্বারেন্স সার্টিফিকেট (Encumbrance Certificate) বা দলিল অনুসন্ধান করুন। এখানে দেখা যাবে জমিটি ব্যাংকের কাছে বন্ধক (Mortgage) রাখা হয়েছে কিনা।
২. সর্বশেষ বিক্রয় দলিল, হেবা, দানপত্র বা বন্ধক দলিলের নকল তুলুন। যদি ব্যাংক লোন থাকে, অনেক ক্ষেত্রে মর্টগেজ দলিল বা নিবন্ধিত বন্ধক দলিল পাওয়া যায়।
৩. খতিয়ান ও নামজারি যাচাই করুন আরএস, এসএ, বিএস, সিটি জরিপ এবং নামজারি (Mutation) রেকর্ড মিলিয়ে দেখুন। কখনও কখনও সরকারি নথিতে দায় বা বিরোধের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
৪. যদি জানা যায় কোন ব্যাংকে লোন নেওয়া হয়েছে, তবে মালিকের সম্মতি নিয়ে সেই ব্যাংকে লিখিতভাবে অনুসন্ধান করা যায়।
৫. একজন অভিজ্ঞ ভূমি আইনজীবীর মাধ্যমে ১২ বছর / ২৫ বছরের টাইটেল সার্চ করালে জমির উপর ঋণ, মামলা, বন্ধক, জব্দ—সব পরিষ্কারভাবে জানা যায়।
জমি কেনার আগে ১৫ টি চেকলিস্ট-
১. বিক্রেতা আসল মালিক কি না
জাতীয় পরিচয়পত্র মিলিয়ে নিন। দলিলের নামের সাথে পরিচয় মিলছে কি না দেখুন।
২. রেজিস্ট্রি দলিল যাচাই করুন ও মূল দলিল দেখুন। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের সত্যতা যাচাই করুন ও তল্লাশি করুন।
৩. বর্তমান মালিকের নামে নামজারি আছে কি না দেখুন। এস এ রেকর্ডীয় মালিক হতে প্রয়োজন বোধে সি এস রেকর্ডীয় মালিক হতে বর্তমান মালিক পর্যন্ত চেইন মিলান।
৪. CS / SA / RS / BS খতিয়ান মিলিয়ে দেখুন ও যাচাই করে নিন।
৫. খাজনা পরিশোধ হয়েছে কি না
সর্বশেষ ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) রসিদ দেখুন।
৬. দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর মিলান
দলিল, খতিয়ান ও ম্যাপে একই তথ্য আছে কি না দেখুন।
৭. মৌজা ম্যাপ দেখে জমির সঠিক অবস্থান ও সীমানা বুঝুন।
৮. সরেজমিনে জমি দেখুন শুধু কাগজ নয়, বাস্তবে জমি আছে কি না যাচাই করুন।
৯. দখল কার কাছে ও বাস্তবে কে জমি ভোগদখল করছে তা নিশ্চিত করুন।
১০. জমি নিয়ে মামলা আছে কি না
আদালতে মামলা চলমান কি না খোঁজ খবর নিন। প্রয়োজন হলে ভাল আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
১১. জমি বন্ধক আছে কি না ব্যাংক বা অন্য কারও কাছে বন্ধক রাখা কি না যাচাই করুন।
১২. সরকারি খাস জমি কি না এসিল্যান্ড অফিসে বা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাচাই করুন।
১৩. সব ওয়ারিশের সম্মতি আছে কি না
উত্তরাধিকার সূত্রে হলে সব ওয়ারিশ রাজি কি না অবশ্যই জেনে নিবেন। এজমালি জমি হলে অবশ্যই জমির অবস্থান চিহ্নিত ও দখল বুঝে নিবেন।
১৪. পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সত্য কি না
প্রতিনিধি বিক্রি করলে POA সত্যতা যাচাই করুন। এটা যাচাই করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
১৫. প্রতিবেশী, চেয়ারম্যান, স্থানীয় মানুষদের কাছ থেকে জমির সব তথ্য নিন জমির ইতিহাস জানুন।
“জমি কেনার আগে ৭ দিন তদন্ত করুন, না হলে ৭ বছর মামলা চলতে পারে।” তাড়াহুড়া করে জমি কিনবেন না। “দলিল দেখে নয়, যাচাই করে জমি কিনুন।"
#ভূমিসেবা #জমি #ক্রয় #বিক্রয়
12/03/2026
আয়কর আইনজীবী-২০২৬
পরীক্ষার প্রস্তুতি: কী কী পড়তে হবে?
যারা আয়কর আইনজীবী (Income Tax Practitioner) – ২০২৬ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য সিলেবাস অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো। সঠিক পরিকল্পনায় পড়াশোনা করলে এই পরীক্ষায় ভালো করা সম্ভব।
🔹 ১. আয়কর আইন, ২০২৩
বর্তমান আয়কর ব্যবস্থার মূল আইন। কর নির্ধারণ, করদাতা, করযোগ্য আয়, কর রেয়াত, রিটার্ন ইত্যাদি বিষয় ভালোভাবে পড়তে হবে।
🔹 ২. অর্থ আইন, ২০২৫
প্রতি অর্থবছরে কর সংক্রান্ত যে পরিবর্তন ও সংশোধন আসে, তা অর্থ আইনের মাধ্যমে কার্যকর হয়।
🔹 ৩. আয়কর বিধিমালা, ১৯৮৪
আইন বাস্তবায়নের জন্য প্রণীত বিভিন্ন নিয়ম ও প্রক্রিয়া এখানে উল্লেখ রয়েছে।
🔹 ৪. উৎসে কর বিধিমালা, ২০২৫
উৎসে কর কর্তন, জমা ও রিটার্ন সংক্রান্ত বিধানগুলো এখানে পাওয়া যায়।
🔹 ৫. এডিআর (ADR) বিধিমালা, ২০২৫
কর সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির বিকল্প পদ্ধতি সম্পর্কে জানা জরুরি।
🔹 ৬. দানকর আইন, ১৯৯০
দান ও উপহারের উপর কর আরোপ এবং এর বিধানসমূহ।
🔹 ৭. আয়কর আইন ও বিধির বাস্তব প্রয়োগ
প্র্যাকটিক্যাল কেস, রিটার্ন প্রস্তুত, কর হিসাব নির্ণয় ইত্যাদি বিষয়ে বাস্তব জ্ঞান প্রয়োজন।
🔹 ৮. হিসাব বিজ্ঞান (Accounting)
মৌলিক হিসাব, আয়-ব্যয় হিসাব, ব্যালেন্স শিট, লাভ-ক্ষতি হিসাব ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।
🔹 ৯. বাংলা ও ইংরেজি
আইন বোঝা ও লেখার জন্য উভয় ভাষায় মৌলিক দক্ষতা থাকা প্রয়োজন।
✅ পরামর্শ:
নিয়মিত পড়াশোনা, আইন ধারা বোঝা এবং পূর্ববর্তী প্রশ্নপত্র অনুশীলন করলে আয়কর আইনজীবী পরীক্ষায় সফল হওয়া অনেক সহজ হবে।
⚖️ সঠিক প্রস্তুতিই আপনাকে একজন দক্ষ আয়কর আইনজীবী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।
েতনতা
#আয়কর েয়াত
দলিলে ব্যবহত ১০০ টি শব্দ যা জানলে দলিল পড়তে পারবেন সহজে।
1️⃣ মৌজা 🏨 (গ্রাম)
➡️ যে নির্দিষ্ট এলাকা বা গ্রামকে সরকারিভাবে ভূমি রেকর্ডে চিহ্নিত করা হয়, তাকে মৌজা বলে। জমির পরিচয় সবসময় মৌজা দিয়ে শুরু হয়।
2️⃣ জে.এল. নং 🔢 (মৌজা নম্বর/গ্রামের নম্বর)
➡️ প্রতিটি মৌজার একটি আলাদা নম্বর থাকে। দলিলে “জে.এল. নং” উল্লেখ থাকে যাতে মৌজা সঠিকভাবে চিহ্নিত করা যায়।
3️⃣ ফর্দ 📑 (দলিলের পাতা)
➡️ জমির দাগ, পরিমাণ, সীমা ইত্যাদি যেসব বিবরণী দলিলের আলাদা অংশে লেখা থাকে, তাকে ফর্দ বলে।
4️⃣ খং 📖 (খতিয়ান)
➡️ খতিয়ান মানে জমির রেকর্ডবুক। জমির মালিক, দাগ নম্বর, পরিমাণ ইত্যাদি সেখানে লেখা থাকে।
5️⃣ সাবেক ⏳ (আগের/পূর্বের)
➡️ পূর্ববর্তী জরিপ বা পুরোনো রেকর্ড বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন: সাবেক দাগ, সাবেক খতিয়ান।
6️⃣ হাল 📅 (বর্তমান)
➡️ সর্বশেষ জরিপে জমির যে রেকর্ড হয়েছে তাকে হাল বলা হয়। যেমন: হাল দাগ, হাল খতিয়ান।
7️⃣ বং ✍️ (বাহক)
➡️ পুরোনো দলিলে নিরক্ষর ব্যক্তি হলে, অন্য কেউ তার হয়ে নাম লিখতো। সেই লেখককে বং (বাহক) বলা হতো।
8️⃣ নিং 🚫📚 (নিরক্ষর)
➡️ যিনি লিখতে পড়তে জানেন না, তাকে দলিলে “নিং” বলে উল্লেখ করা হতো।
9️⃣ গং 👥 (অন্যান্য অংশীদার)
➡️ একাধিক মালিক বা অংশীদার থাকলে তাদের বোঝাতে শেষে “গং” লেখা হতো।
🔟 সাং 🏘️ (সাকিন/গ্রাম)
➡️ যে গ্রামে দলিলে উল্লেখিত ব্যক্তি বসবাস করেন, তাকে বোঝায়।
1️⃣1️⃣ তঞ্চকতা ⚠️ (প্রতারণা)
➡️ কারো সাথে প্রতারণা করে দলিল তৈরি করলে তা তঞ্চকতা দলিল বলে।
1️⃣2️⃣ সনাক্তকারী 👤 (চেনেন এমন ব্যক্তি)
➡️ বিক্রেতাকে যিনি ব্যক্তিগতভাবে চিনেন এবং সাক্ষী দেন।
1️⃣3️⃣ এজমালি 🤝 (যৌথ)
➡️ একাধিক অংশীদারের সম্মিলিত মালিকানা বোঝাতে ব্যবহৃত শব্দ।
1️⃣4️⃣ মুসাবিদা 🖊️ (দলিল লেখক)
➡️ যিনি দলিল লিখতেন, তাকে মুসাবিদা বলা হতো।
1️⃣5️⃣ পর্চা 📃 (প্রাথমিক খতিয়ান কপি)
➡️ খতিয়ানের অফিসিয়াল নকল, যা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
1️⃣6️⃣ বাস্তু 🏠 (বসতভিটা)
➡️ যে জমিতে বাড়িঘর তৈরি হয়েছে।
1️⃣7️⃣ বাটোয়ারা ⚖️ (সম্পত্তির বণ্টন)
➡️ যৌথ সম্পত্তিকে অংশীদারদের মধ্যে ভাগ করার প্রক্রিয়া।
1️⃣8️⃣ বায়া 🏷️ (বিক্রেতা)
➡️ যিনি জমি বিক্রি করেন।
1️⃣9️⃣ মং ➕ (মোট)
➡️ যোগফল বোঝাতে ব্যবহার হয়।
2️⃣0️⃣ মবলক 🧮 (মোট পরিমাণ)
➡️ জমির মোট পরিমাণ বা মূল্য।
2️⃣1️⃣ এওয়াজ 🔄 (সমমূল্যের বিনিময়)
➡️ কোনো জমি বিক্রি না করে বিনিময়ের মাধ্যমে দেওয়া হলে তাকে এওয়াজ বলে।
2️⃣2️⃣ হিস্যা 🔹 (অংশ)
➡️ একাধিক অংশীদারের জমির নির্দিষ্ট ভাগকে হিস্যা বলে।
2️⃣3️⃣ একুনে ➗ (যোগফল)
➡️ জমির পরিমাণ, দাগ নম্বর বা টাকার হিসাব যোগ করলে যা দাঁড়ায়।
2️⃣4️⃣ জরিপ 📏 (ভূমি পরিমাপ)
➡️ সরকারি পরিমাপের মাধ্যমে জমির রেকর্ড তৈরি করার কাজ।
2️⃣5️⃣ চৌহদ্দি 📐 (সীমানা)
➡️ জমির চারপাশের সীমা বা গণ্ডি।
2️⃣6️⃣ সিট 🗺️ (মানচিত্রের অংশ)
➡️ নকশার মধ্যে নির্দিষ্ট ভাগ বা অংশকে সিট বলে।
2️⃣7️⃣ দাখিলা 🧾 (খাজনার রশিদ)
➡️ জমির সরকারি খাজনা পরিশোধ করলে যে রশিদ দেওয়া হয়।
2️⃣8️⃣ নক্সা 🗺️ (মানচিত্র)
➡️ জমির পরিমাপের চিত্র।
2️⃣9️⃣ পিং 👨 (পিতা)
➡️ দলিলে “পিং” মানে বিক্রেতা/ক্রেতার পিতা।
3️⃣0️⃣ জং 👨👩👧 (স্বামী)
➡️ নারীর দলিলে তার স্বামীকে “জং” হিসেবে লেখা হতো।
3️⃣1️⃣ দাগ নং 🔢 (জমির নম্বর)
➡️ প্রতিটি জমির নিজস্ব আলাদা নম্বর থাকে, যা দাগ নং নামে পরিচিত।
3️⃣2️⃣ স্বজ্ঞানে 🧠 (নিজের জ্ঞানে)
➡️ কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছায় ও নিজের জ্ঞানে দলিলে সাক্ষর করেছেন।
3️⃣3️⃣ সমুদয় 🌍 (সব কিছু)
➡️ সব মিলিয়ে বোঝাতে ব্যবহার হয়।
3️⃣4️⃣ ইয়াদিকৃত 🙏 (আল্লাহর নামে শুরু)
➡️ পুরোনো দলিলে “বিসমিল্লাহ”র পরিবর্তে এই শব্দ ব্যবহৃত হতো।
3️⃣5️⃣ পত্র মিদং ✉️ (চিঠির মাধ্যমে)
➡️ পত্র বা ডকুমেন্টের মাধ্যমে কিছু করা বোঝায়।
3️⃣6️⃣ বিং 📜 (বিস্তারিত)
➡️ পুরো বিবরণ লিখতে গেলে “বিং” দিয়ে শুরু হতো।
3️⃣7️⃣ দং 🏞️ (দখলকারী)
➡️ জমি যার দখলে আছে।
3️⃣8️⃣ পত্তন ⏱️ (সাময়িক বন্দোবস্ত)
➡️ অস্থায়ীভাবে জমির ব্যবহার করার অনুমতি।
3️⃣9️⃣ বদলসূত্র 🔁 (জমি বিনিময়)
➡️ জমি বিক্রি না করে বিনিময়সূত্রে আদান-প্রদান।
4️⃣0️⃣ মৌকুফ 🙌 (মাফকৃত)
➡️ খাজনা বা কোনো দায় মওকুফ করা হলে।
4️⃣1️⃣ দিশারী রেখা ➡️ (দিক নির্দেশক রেখা)
➡️ জরিপে জমির অবস্থান নির্ধারণের রেখা।
4️⃣2️⃣ হেবা বিল এওয়াজ 🎁 (বিনিময়ে জমি দান)
➡️ বিনিময়ের ভিত্তিতে দানকৃত জমি।
4️⃣3️⃣ বাটা দাগ ✂️ (বিভক্ত দাগ)
➡️ একটি বড় দাগ ভাগ করে ছোট ছোট অংশে নেওয়া হলে।
4️⃣4️⃣ অধুনা 📆 (বর্তমান)
➡️ বর্তমানে যা আছে।
4️⃣5️⃣ রোক 💰 (নগদ অর্থ)
➡️ নগদ টাকার বিনিময়ে লেনদেন।
4️⃣6️⃣ ভায়া 📄 (পূর্বের দলিল)
➡️ জমির আগের মালিকানার দলিল বোঝাতে ব্যবহৃত।
4️⃣7️⃣ দানসূত্র 🕊️ (দানকৃত সম্পত্তি)
➡️ দান হিসেবে দেওয়া জমি।
4️⃣8️⃣ দাখিল-খারিজ 🔄 (মালিকানা পরিবর্তন)
➡️ নতুন মালিকের নামে সরকারি খতিয়ান সংশোধন।
4️⃣9️⃣ তফসিল 📝 (সম্পত্তির বিবরণ)
➡️ জমির আকার, পরিমাণ, সীমা ইত্যাদির বিস্তারিত তালিকা।
5️⃣0️⃣ খারিজ ✔️ (খাজনা আলাদা করা)
➡️ যৌথ খাজনা আলাদা করে প্রত্যেক মালিককে আলাদা রশিদ দেওয়া।
5️⃣1️⃣ খতিয়ান 📖 (ভূমির রেকর্ড)
➡️ জমির মালিকানার অফিসিয়াল রেকর্ড।
5️⃣2️⃣ এওয়াজসূত্র 🔄 (বিনিময়ের সূত্রে পাওয়া জমি)
➡️ জমি বিনিময়ের মাধ্যমে পাওয়া মালিকানা।
5️⃣3️⃣ অছিয়তনামা 🪦 (উইল)
➡️ মৃত্যুকালে সম্পত্তি বণ্টনের নির্দেশ।
5️⃣4️⃣ নামজারি 🖊️ (মালিকানা রেকর্ড পরিবর্তন)
➡️ দলিল অনুযায়ী নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করা।
5️⃣5️⃣ অধীনস্থ স্বত্ব 📉 (নিম্ন মালিকানা)
➡️ মূল মালিকের অধীনে ভোগ করা মালিকানা।
5️⃣6️⃣ আলামত ❌ (চিহ্ন)
➡️ মানচিত্র বা জমির উপর দাগ/চিহ্ন।
5️⃣7️⃣ আমলনামা 🧾 (দখল দলিল)
➡️ জমি কার দখলে আছে, সেই প্রমাণ দলিল।
5️⃣8️⃣ আসলি 🏡 (মূল জমি)
➡️ আসল বা প্রাথমিক জমি।
5️⃣9️⃣ আধি 🌾 (ফসল ভাগ)
➡️ জমি চাষ করে অর্ধেক ফসল মালিক ও অর্ধেক চাষির মধ্যে ভাগ হতো।
6️⃣0️⃣ ইজারা 📑 (সাময়িক চুক্তি)
➡️ নির্দিষ্ট খাজনা বা ভাড়া দিয়ে জমি ভোগ করার চুক্তি।
6️⃣1️⃣ ইন্তেহার 📢 (ঘোষণা)
➡️ জমি বিক্রি/বন্দোবস্ত সংক্রান্ত প্রকাশ্য ঘোষণা।
6️⃣2️⃣ এস্টেট 🏰 (জমিদারি সম্পত্তি)
➡️ জমিদারের অধীনে থাকা বৃহৎ সম্পত্তি।
6️⃣3️⃣ ওয়াকফ 🕌 (ধর্মীয় সম্পত্তি)
➡️ মসজিদ, মাদরাসা বা ধর্মীয় কাজে উৎসর্গকৃত জমি।
6️⃣4️⃣ কিত্তা 🪧 (ভূমিখণ্ড)
➡️ ছোট অংশে বিভক্ত জমি।
6️⃣5️⃣ কিস্তোয়ার জরিপ 📏 (ভূমি পরিমাপ)
➡️ কিত্তা ধরে জমির মাপজোখ।
6️⃣6️⃣ কায়েম স্বত্ব ⛓️ (চিরস্থায়ী মালিকানা)
➡️ স্থায়ীভাবে জমির মালিকানার অধিকার।
6️⃣7️⃣ কবুলিয়ত 🖋️ (স্বীকার দলিল)
➡️ জমি ভোগ বা চুক্তি স্বীকার করে লেখা দলিল।
6️⃣8️⃣ কান্দা ⛰️ (উঁচু জমি)
➡️ উঁচু জায়গায় অবস্থিত জমি।
6️⃣9️⃣ কিসমত 🔹 (ভাগ করা অংশ)
➡️ জমি ভাগ হয়ে যে অংশ দাঁড়ায়।
7️⃣0️⃣ খামার 🚜 (নিজস্ব জমি)
➡️ মালিকের নিজের দখলে থাকা জমি।
7️⃣1️⃣ খিরাজ 💵 (খাজনা)
➡️ জমির বিনিময়ে সরকারকে প্রদেয় ট্যাক্স।
7️⃣2️⃣ খসড়া 📝 (প্রাথমিক রেকর্ড)
➡️ জরিপের প্রথম খসড়া নথি।
7️⃣3️⃣ গর বন্দোবস্তি 🚫 (অবণ্টিত জমি)
➡️ কোনো বন্দোবস্ত করা হয়নি এমন জমি।
7️⃣4️⃣ গির্ব 🏦 (বন্ধক)
➡️ জমি বন্ধক দিয়ে টাকা নেওয়া।
7️⃣5️⃣ জবরদখল 🚷 (জোর করে দখল)
➡️ অনুমতি ছাড়া অন্যের জমি দখল করা।
7️⃣6️⃣ জোত 👨🌾 (প্রজাস্বত্ব)
➡️ কৃষকের ভোগদখল অধিকার।
7️⃣7️⃣ টেক 🏞️ (পলি জমি)
➡️ নদীর পলি জমে নতুন জমি তৈরি।
7️⃣8️⃣ ঢোল সহরত 🥁📢 (প্রকাশ্য ঘোষণা)
➡️ ঢোল পিটিয়ে জমি সংক্রান্ত ঘোষণা।
7️⃣9️⃣ তহশিল 📍 (রাজস্ব এলাকা)
➡️ খাজনা সংগ্রহের জন্য বিভক্ত এলাকা।
8️⃣0️⃣ তামাদি ⏰ (সময়সীমা অতিক্রান্ত)
➡️ নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে গেলে দলিল বা দাবি অকার্যকর হয়ে যায়।
8️⃣1️⃣ তফসিল 📃 (বিবরণ)
➡️ সম্পত্তির বিস্তারিত তালিকা।
8️⃣2️⃣ নামজারি 📜 (মালিকানা পরিবর্তন)
➡️ নতুন মালিকের নাম অন্তর্ভুক্তি।
8️⃣3️⃣ নথি 📑 (রেকর্ড)
➡️ সরকারি অফিসে জমির কাগজ।
8️⃣4️⃣ দেবোত্তর 🛕 (দেবতার সম্পত্তি)
➡️ মন্দির বা দেবতার নামে উৎসর্গ করা জমি।
8️⃣5️⃣ দখলী স্বত্ব ✊ (দখল মালিকানা)
➡️ দীর্ঘদিন ভোগদখল করে মালিকানা অর্জন।
8️⃣6️⃣ দশসালা বন্দোবস্ত 📅 (১০ বছরের বন্দোবস্ত)
➡️ দশ বছর মেয়াদে জমির চুক্তি।
8️⃣7️⃣ দাগ নম্বর 🔢 (ক্রমিক জমি নম্বর)
➡️ নির্দিষ্ট প্লটের নম্বর।
8️⃣8️⃣ দরবস্ত 🌐 (সব কিছু)
➡️ সামগ্রিকভাবে বোঝাতে ব্যবহৃত।
8️⃣9️⃣ দিঘলি 🏞️ (খাজনা প্রদানকারী)
➡️ নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা দেওয়া মালিক।
9️⃣0️⃣ নক্সা ভাওড়ন 🗺️ (পূর্ব জরিপ মানচিত্র)
➡️ আগের জরিপে আঁকা মানচিত্র।
9️⃣1️⃣ নাম খারিজ ❌ (পৃথককরণ)
➡️ যৌথ জমি থেকে কারও নাম বাদ দেওয়া।
9️⃣2️⃣ তুদাবন্দি 📏 (সীমানা নির্ধারণ)
➡️ জমির সীমানা ঠিক করার কাজ।
9️⃣3️⃣ তরমিম 🛠️ (সংশোধন)
➡️ দলিল বা রেকর্ডে ভুল থাকলে তা সংশোধন।
9️⃣4️⃣ তৌজি 📕 (স্থায়ী বন্দোবস্ত রেকর্ড)
➡️ জমিদারির স্থায়ী রেকর্ড।
9️⃣5️⃣ দিয়ারা 🌊 (চর জমি)
➡️ নদীর পলিতে গঠিত নতুন জমি।
9️⃣6️⃣ ট্রাভার্স 📐 (জরিপ রেখা)
➡️ জরিপে জমি মাপার জন্য আঁকা রেখা।
9️⃣7️⃣ খাইখন্দক 🕳️ (গর্ত/জলাশয় জমি)
➡️ জমিতে প্রাকৃতিক গর্ত বা জলাশয় থাকলে।
9️⃣8️⃣ চর 🏝️ (পলি জমি)
➡️ নদীর তীরে নতুন তৈরি জমি।
9️⃣9️⃣ চৌহদ্দি 🔲 (সীমানা)
➡️ জমির চারপাশের সীমা।
1️⃣0️⃣0️⃣ খাস 🏛️ (সরকারি জমি)
➡️ যেসব জমির মালিকানা সরকারের অধীনে।
#তথ্য সংগৃহীত
= ''খতিয়ান'' কি?
= ''সি এস খতিয়ান'' কি?
= ''এস এ খতিয়ান'' কি?
= ''আর এস খতিয়ান'' কি?
= ''বি এস খতিয়ান'' কি?
=“দলিল” কাকে বলে?
=“খানাপুরি” কাকে বলে?
= ''নামজারি'' কাকে বলে ?
=“তফসিল” কাকে বলে?
=“দাগ” নাম্বার/''কিত্তা'' কাকে বলে?
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
= ''পর্চা'' কাকে বলে ?
= ''চিটা'' কাকে বলে ?
= ''দখলনামা'' কাকে বলে ?
= “খাজনা” ককে বলে?
= ''বয়নামা'' কাকে বলে ?
= ''জমাবন্দি'' কাকে বলে ?
= ''দাখিলা'' কাকে বলে ?
= ''DCR'' কাকে বলে ?
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে ?
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
= ''হুকুমনামা'' কাকে বলে ?
= ''জমা খারিজ'' কাকে বলে ?
= ''মৌজা'' কি/ কাকে বলে ?
= “আমিন” কাকে বলে?
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
= “সিকস্তি” কাকে বলে ?
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
10/04/2024
28/02/2024
'বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ভাইভা'
অবশিষ্ট পরীক্ষার্থীদের বিষয়ে নোটিশ.
24/12/2023
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাক্টিশনারস ও বার কাউন্সিল অর্ডারে কয়টি প্রতিষ্ঠানের উল্লেখ আছে?
ক) ৩ ধরণের
খ) ২ ধরণের
গ) ৪ ধরণের
ঘ) ৬ ধরণের
04/12/2023
#নোটিশ
লিখিত পরীক্ষার্থীদের জন্য!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Zigatola
Dhaka
1209