17/12/2018
Micron Techno Institute Offer a Brilliant Web Development Course.
ওয়েব ডেভলপমেন্ট:
ওয়েব ডেভলপমেন্ট হচ্ছে একটি ওয়েবসাইটের জন্য এপ্লিলিকেশন তৈরি করা । একজন ওয়েব ডিজাইনার যে ডিজাইন তৈরি করেন তার প্রতিটা উপকরণকে কোডিং এর মাধ্যমে উপস্থাপন করাটাই হচ্ছে ওয়েব ডেভলপমেন্ট । একটা ওয়েবসাইটকে তিনটা ভাগে ভাগ করা যায় যেমন:
টেমপ্লেট ডিজাইন
কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
ডাটাবেজ তৈরী করা
এই তিনটি বিষয়ের মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে পুরো সিস্টেমটিকে তৈরী করা হয় ।
একজন ওয়েব ডেভেলপার কাজ হচ্ছে ডাটা প্রসেসিং , ডাটাবেজ নিয়ন্ত্রণ ও সিকিউরিটি প্রদান এবং এডমিনের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করা , অ্যাপ্লিকেশনের সকল ফিচার কে ফাংশনাল করে সমগ্র সিস্টেমকে ব্যবহার যোগ্য করা
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শেখার জন্য যা যা জানা লাগতে লাগবে , HTML,CSS JavaScript JQuary যে কোন একটি CMS Wordpress,Joomla ইত্যাদি
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে হলে যা লাগবে :
০১. প্রথমে আপনাকে ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট কি সে সম্বন্ধে ধারণা থাকতে হবে ব্যাপারটা ভালোভাবে বুঝতে হবে
০২. ধৈয্য থাকতে হবে এবং পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকতে হবে
০৩. পর্য়াপ্ত সময় দিতে হবে সময় না থাকলে আপনি কোনভাবেই এ ক্ষেত্রে সফল হতে পারবেন না
০৪. সৃজনশীল চিন্তা করার যোগ্যতা থাকতে হবে ও মনোযোগ থাকতে হবে
এছাড়া কিছু গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার থাকতে হবে যেমন নোটপ্যাড প্লাস প্লাস সাবলাইম টেক্সট এডোবি ড্রিমওয়েভার তবে আমরা ব্যক্তিগত পরামর্শ প্রাথমিক শিক্ষা নবিশ অবস্থায় শুধু নোটপ্যাড প্লাস প্লাস ব্যবহার করে উত্তর
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে হলে যা জানতে হবে :
০১. ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা থাকতে হবে,
০২. জাভা স্ক্রিন জানতে হবে
০৩ জেকুয়েরী
০৪. HTML,CSS
০৫. PHP জানতে হবে PHP একটি সার্ভার সাইড cross-platform
০৬. ডাটাবেস সম্পর্কে জানতে হবে PHP দিয়ে কিভাবে ডাটাবেজ সংযত করার সংযোগ করা হয় SQL দিয়ে ডাটাবেজ বানানো অর্থাৎ ডাটাবেজের চালিত সাইট তৈরি করতে জানতে হবে
০৭. PHP এর যেকোন একটা ফ্রেমওয়ার্ক যেমন, CodeIgniter আরো আছে যেমন কেক পিএইচপি Zand Yii ফ্রেমওয়ার্ক ইত্যাদি একটা শিখলে চলবে সম্পর্কে জানতে হবে
ফ্রেমওয়ার্ক ছাড়াও ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরি করতে পারবেন তবে এতে বেশি সময় লাগবে এবং অনেক বেশি কোড লিখতে হবে
XML জানতে হবে এর অর্থ হচ্ছে এক্সটেন্সাইবেল মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ এটা ডাটা বহন ট্রান্সপোর্ট এবং সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহার করা হয় এটা জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু শেখা খুব সহজ এর সাহায্যে সহজেই নিজের মত করে ডাটা কে সংজ্ঞায়িত করা যায় নিজের মতো করে মানে এর ভিতরে লেখা এবং বাইরের ট্যাগ নিজের মতো করে লেখা যায় XML শেখার আগে আপনাকে HTML এবং JavaScript জানতে হবে
এছাড়া ওয়েব ডেভলপিং এর নিজেকে উন্নত করতে আরো যেসব জিনিস জানা লাগবে:
CMS সম্পর্কে জানতে হবে সিএমএস হচ্ছে কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম অর্থাৎ এটি দিয়ে কোন কোডিং ছাড়াই ওয়েবসাইট নিয়ন্ত্রণ করা যায়
Micron Techno Institute
263, Mahei Hasan Tower(Near Dhaka Biggan College)
Level #03,Suite #403,Dhaka
Telephone # 02-9339334
Mobile: 01865858312
02/12/2018
ওয়েব ডিজাইন কি ?
ওয়েব ডিজাইন হচ্ছে একটা সাইটের বাহ্যিক আউটলুক দেখতে কেমন হবে । আপনার ওয়েব সাইটটি কোন ধরনের অর্থাৎ কিসের জন্য বানাবে তা আগে ঠিক করে ডিজাইনারে কাজ মনোযোগ দিয়ে সাইটের জন্য টেমপ্লেট বানানো, এখানে কোন এপ্লিকেশন থাকবেনা।যেমন লগিন সিস্টেম, নিউজলেটার সাইনআপ, পেজিনেশন, ফাইল আপলোড করে ডেটাবেসে সেভ করা, ইমেজ ম্যানিপুলেশন, যদি সাইটে বিজ্ঞাপন থাকে তাহলে প্রতিবার পেজ লোড হওয়ার সময় বিজ্ঞাপনের পরিবর্তন এগুলি এপ্লিকেশন, ওয়েব এপ্লিকেশন।এসব তৈরী করতে হয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ দিয়ে । কোন প্রকার এপ্লিকেশন ছাড়া একটা সাইট তৈরী করা এটাই হচ্ছে ওয়েব ডিজাইন, এধরনের ডিজাইনকে বলা হয় স্টাটিক ডিজাইন ।
ওয়েব ডিজাইন শিখতে যেসব জানতে হবে
HTML (Hyper Text Markup Language): এটা একটা মার্ক আপ ল্যাংগুয়েজ, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নয়, শেখা খুব সহজ।
CSS(Cascading Style Sheets) : এটাও মার্ক আপ ল্যাংগুয়েজ
ফটোশপ : এখানে যে মুল কাজটি শিখতে হবে তাহল পিএসডি থেকে এইচটিএমএল টেমপ্লেট (PSD to HTML) বানানো এছাড়া ব্যানার, বাটন, এনিমেশন তৈরী করা এসব জানতে হবে।
অতিরিক্ত হিসেবে ফ্ল্যাশ দিয়ে এনিমেশন তৈরী করা শিখতে পারেন।
যেভাবে ওয়েব ডিজাইন শিখবেন
বিভিন্ন ওয়েব সাইটের টিউটোরিয়াল থেকে ওয়েব ডিজাইন ভালভাবে শিখতে পারবেন। বাংলা ইংরেজি অনেক সাইট আছে এসব শেখার।ওয়েব ডিজাইন শেখা বেশ সহজ, কয়েকমাসেই শেখা সম্ভব।ভালভাবে শিখতে পারলে ওয়েব ডিজাইনের উপর প্রচুর চাকরি এবং ফ্রিল্যান্সিং এ হাজার হাজার কাজ পাওয়া যায়।
18/11/2018
ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য গ্রাফিক ডিজাইন কিভাবে শিখবেন
যারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে গ্রাফিক ডিজাইন পেশায় যেতে চান তাদের প্রথমেই একটা বিষয় পরিস্কার করে নেয়া ভাল । ইন্টারনেটে কাজ পাওয়ার জন্য আপনাকে প্রতিযোগিতা করতে হবে সারা বিশ্বের ডিজাইনারদের সাথে ।
গ্রাফিক ডিজাইন শেখার জন্য কি শেখা প্রয়োজন সেটা আগে জানা প্রয়োজন। একজন শিল্পীকে কয়েক বছর পড়াশোনা করে ছবি আকা শিখতে হয়। এই দীর্ঘ সময়ে তাকে শেখানো হয় রং কি, রেখা কি। কিভাবে একাধিক রঙের মিশ্রনে বিশেষ রং পাওয়া যায় ।
ডিজিটাল ডিজাইনের ক্ষেত্রে কারিগরী বিষয় আরো বেশি গুরুত্বপুর্ন । ডিসপ্লেতে রং কিভাবে কাজ করে, কাগজে প্রিন্ট করার সময় কিভাবে কাজ করে, ইন্টারনেটে কিভাবে কাজ করে এ বিষয়ে ভাল জ্ঞান না থাকলে আপনি ভাল ডিজাইনার হতে পারেন না । সেইসাথে বিভিন্ন ধরনের ইমেজ ফরম্যাট, তাদের সুবিধে-অসুবিধে, বিভিন্ন সফটঅয়্যার এবং ডিভাইস সম্পর্কে স্পষ্ট জ্ঞান থাকা প্রয়োজন ।
তারপর কোন টুল ব্যবহার করে কি কাজ করবো । প্রথম ধাপটিই এড়িয়ে যাওয়া হয় । ফলে ভাল গ্রাফিক ডিজাইনার হওয়া সম্ভব হয় না এ জন্য অবশ্যই পড়াশোনা করতে হবে। বর্তমানে পড়াশোনার সুযোগ অনেক বেশি। ইন্টারনেটে খোজ করলে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য পাওয়া যায় বিনামুল্যে বই ডাউনলোড করা যায় ।
নিজেকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলুন সহজে টাকা আয়ের চিন্তা বাদ দিন সেইসাথে ভালো কোন প্রতিস্ঠানের অভিজ্ঞ কোন ট্রেনার দ্বারা ট্রেনিং গ্রহনের মাধ্যমে গ্রাফিক ডিজাইনে নিজের ক্যারিয়ার গড়ুন ।
মাইক্রোন টেকনো ইনষ্টিটিউট অভিজ্ঞ প্রফেশনাল ট্রেনার দ্বারা গ্রাফিক ডিজাইন ট্রেনিং প্রদান করে থাকে ।
আপনাকে Micron Techno Institute এ স্বাগতম ।
12/11/2018
Micron Techno Institute
মাইক্রোন টেকনো একটি সু-প্রতিষ্ঠিত সফটওয়্যার কোম্পানি । দীর্ঘ্ ১২ বছর যাবৎ সরকারী ও বেসরকারী স্বনাম ধন্য প্রতিষ্ঠিতর সফটওয়্যার তৈরী করে সুনাম অর্জ্ন করেছে ।
মাইক্রোন টেকনোর অগ্রগতির এই ধারাবাহিকতায় মাইক্রোন টেকনোর অঙ্গপ্রতিষ্ঠিান ”মাইক্রোন টেকনো ইনষ্টিটিউ “
যাত্রা শুরু করে ।
IT তে ক্যারিয়ার গড়তে Micron Techno Institute হতে পারে একমাত্র সমাধন । যুগের সাথে চলতে ক্যারিয়ার গড়তে IT–র বিকল্প নেই । মাইক্রোন টেকনো ইনষ্টিটিউ দক্ষ্য প্রোগ্রামার দ্বারা প্রফেশনাল IT কোর্সের ট্রেনিং প্রদান করা হয় Professional Course সমূহ :
• Oracle Sql/plsql(Advanced Level)With Project
• Oracle Certified Professional(OCP 18c:DBA)
• Oracle Certified Professional(OCP 12c:Forms)
• Oracle Application Express(APEX 18.1,Database 18c) With Project
• ASP.NET Using C # and SQL Server With Project
• Dynamic Web Developing Using PHP &MySQL With Project
• Cisco Certified Network Professional(CCNP)
• ISP Setup and Administrator Using LINUX
• Android Application Development
16/12/2015
যেকোন অফিস, কোম্পানি, বীমা করপোরেশন, ছোট বাচ্চা, স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র ও ছাত্রী, গরীব,গার্মেন্টস কর্মী, গ্রীহিণি সহ সকলকে কম্পিউটার এর সকল বিষয় যেমন ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, কম্পিউটার হার্ডওয়ার,সফ্টওয়ার ইন্সটলেশন, মাইক্রোসফট অফিস শিখানো হয়। কোণ কোচিং ও ইন্সটিটিউট এর চেয়ে কম খরচে প্রফেশনাল উপায়ে বাসায় গিয়ে শিখানো হয়, দূর্বলদেরকে আরও কেয়ার করে শিখানো হয়।
08/09/2015
Job Post:
Need a Professional Oracle developer
Must be expert on 10g & 11g
Salary: Negotiable
Interested Candidate please drop your cv
E-mail: [email protected]
02/09/2015
গ্রাফিকস ডিজাইনার হিসেবে নিজেকে প্রস্তুত করতে কিছু ব্লগের নাম
লোকাল চাকুরীর বাজার কিংবা আউটসোর্সিং প্লাটফরম দুই জায়গাতেই গ্রাফিক ডিজাইনারদের চাহিদা সবচাইতে বেশি। হবেনা কেন? খুজে বের করুনতো কোন জায়গাতে গ্রাফিকস ডিজাইনারের ছোয়া লাগেনা? খুব কম প্রতিষ্ঠানই হয়ত খুজে পাবেন। ভাল গ্রাফিকস ডিজাইনার হিসেবে নিজেকে প্রস্তুত করার জন্য দরকার ভাল ট্রেনিং সেন্টারের সহযোগিতা।
ট্রেনিং করার পর যদি অনলাইনে এ ব্যপারে বিশেষজ্ঞদের কাছ হতে বিভিন্ন টিপস পাওয়া যায়, তাহলে নিজেদের আরও অনেকদুর এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজটি সহজ হয়ে উঠে। নতুন গ্রাফিকস ডিজাইনারদের বিশ্বের সেরা ৫ গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে লেখালেখি করা ব্লগারদের ব্লগগুলোর সাথে পরিচয় করে দিব।
১। ডেভিড এরে (David Aireyডেভিড গ্রাফিক্স ডিজাইন সম্পর্কিত লেখা নিয়ে অনেকগুলো ব্লগ চালান, যার মধ্যে তার নিজের ডিজাইন ব্লগ DavidAirey.com , logodesignlove.com and identitydesigned.com অন্যতম।২। পল জারভিজ (Paul Jarvis)
একই সাথে ওয়েবডিজাইনার এবং গ্রাফিক্স ডিজাইনার- এরকম অনেক লোক রয়েছে।
যেমন ক্রিয়েটিভ আইটির Zumanur Rahman। যাই হোক পল জারভিজ তাদের মতই একজন। তার ডিজাইন নিয়ে লেখাগুলো খুজে পাওয়া যাবে লিংকটিতে। pjrvs.com/articles
৩। জেসিকা হিসে (Jessica Hische) জেসিকার ডিজাইন সম্পর্কিত তার নিজের লেখা আর্টিকেলগুলো শেয়ার করেন তার নিজের ব্লগে। তার ব্লগের ঠিকানা হল :jessicahische.is/thinkingthoughts ।
৪। গ্রাহাম স্মিথ (Graham Smith) গ্রাহাম স্মিথের লেখাগুলো আমার খুবই পছন্দের। তিনি অনুপ্রেরণামূলক আর্টিকেল লিখেন। আমার লেখাগুলো তার মত করেই লিখা হয়। তার ব্লগটির ঠিকানা:imjustcreative.com
৫। ক্রিস স্পুনার (Chris Spooner) ক্রিস স্পুনার বর্তমানে সেরা গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের মধ্যে অন্যতম। এরকম সেরা ডিজাইনারের টিপস সবার জন্যই অত্যন্ত জরুরী। তার টিপসগুলো খুজে পাওয়ার জন্য দুটি ওয়েবসাইটের ঠিকানা দিচ্ছি। blog.spoongraphics.co.uk এবং line25.com
Article Archives
Articles
02/09/2015
শুধু মাত্র নতুনদের জন্য!!
একজন ডিজাইনার কেন বিহেন্স এবং ড্রিবল কে পোর্টফোলিও হিসেবে ব্যবহার করবেন??
একজন ফ্রিল্যন্সাররের জন্য পোর্টফোলিওর গুরুত্ব আশা করি তা সবাই জানেন। বিহেন্স এবং ড্রিবল হলো ডিজাইনার নির্ভর নেটওয়ার্কিং সাইট (এক ধরনের মার্কেট প্লেস / জব সার্চ ইঞ্জিনও বটে)। যেখানে ওয়ার্ল্ডের বাঘা বাঘা ডিজাইনাররা তাদের প্রজেক্ট শো করে এবং তাতে অন্যরা মতামত প্রদান + নাইসু হইলে এ্যাপ্রিসিয়েট করে বা লাইক দেয়। আপনি কি জানেন যে এখানে আপনার ডিজাইনও জমা রাখতে পারবেন ;) ?? তাহলে আগে একাউন্ট করে নেন । :)
ওয়েব সাইট : ********ড্রিবল : https://dribbble.com/ বিহেন্স : https://www.behance.net/
কেন আপনি ড্রিবল / বিহেন্স ব্যবহার করবেন??***********************প্রথম কথা হলো ডিজাইনে উৎসাহ এবং আইডিয়া পাওয়ার জন্য। বাঘা বাঘা ডিজাইনারদের ডিজাইন দেখে আপনি কাজে উৎসাহ পাবেন। সাইটগুলোতে সার্চ করে মোষ্ট পুপলার / আপডেট ডিজাইন গুলো দেখতে পারবেন। এবং আপনার পছন্দনীয় ডিজাইন গুলো কালেকশন / বাকেট করে রাখতে পারবেন।
আপনিও আপনার ডিজাইন সুন্দর ভাবে প্রেজেন্টেশন করে রাখতে পারবেন। যেখানে যে কেউ লাইক বা ডিজাইন নিয়ে মতামত দিতে পারবে। এটা হল সেল্ফ মার্কেটিং এর জায়গা । সো আপনি আপনার ডিজাইন গুলোকে যত সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করবেন তত বেশি ভিজিটর এবং লাইক / এ্যাপ্রিসিয়েট পাবেন। জেনে রাখা ভালো যে ফেসবুকের সত লাইক থেকে এখানে একটি লাইক বা এ্যাপ্রিসিয়েটের মুল্য অনেক বেশি। কেননা এটা আপনার কাজ পেতে সহায়তা করবে।
বিহেন্সে প্রজেক্ট অাপলোডের টিউটোরিয়ালটি দেখে নিতে পারেন : https://www.youtube.com/watch?v=gqeG0jvN3iQ
ড্রিবলে আপনি চাইলেই ডিজাইন আপলোড করতে পারবেন না। এখানে আপনাকে একজন ড্রিবলার Invite করতে হবে। আর চাইলেই কোন ড্রিবলার কাউকে ইনভাইট করতে পারবেনা যাদি না ড্রিবল কর্তৃপক্ষ সেই সুযোগ দেয়। ইনভাইট পাওয়ার জন্য আপনি নিচের দুটি পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।
এক.***আপনি একাউন্ট করে বাংলাদেশি ডিবলারদের ফলো করে তাদের কাছে সিরিয়াল দিয়ে রাখেন । তারা ইনভাইটেশন পেলে আপনি যদি ভালো ডিজাইনার হন তাহলে আপনাকে ইনভাইট করবে।
দুই***ড্রিবলে Invitation লিখে সার্চ দিলে যাদের হাতে ইনভাইটেশন আছে তাদের shot পাবেন এবং তাদের কথা অনুসরন করেন তাহলেও invitation পেতে পারেন। আমি এভাবেই পেয়েছি। এ সাইট গুলো মার্কেটপ্লেস হিসেবেও কাজ করে । যেখান থেকে আপনি জব পেতে পারেন। আমি আমার তিন জন ফিক্সড ক্লায়েন্ট এখান থেকে পেয়েছি এবং যাদের কাজ কন্টিনিউ করে যাচ্ছি। তাছাড়া মার্কেটপ্লেস গুলোর প্রোফাইলে বিহেন্স এবং ড্রিবল এর লিংক দেওয়ার ফলে নিয়মিত কাজের ইনভাই পাচ্ছি।যার ফলে বিড নিয়ে আমাকে বেশি দুশ্চিন্তা করতে হয়না। আমি বলেছিনা যে আপনি বিড করবেন না। আপনার এমনটা না ও হতে পারে। তবে আপনি বিড করার সময় যদি ক্লায়েন্ট কে আপনার বিহেন্স অথবা ড্রিবল এর লিংক দেন তাহলে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। কেননা ক্লায়েন্ট এখানে আপনার কাজের মান এবং জনপ্রিয়তা যাচাই করতে পারবে।
যারা Envato ( গ্রাফিকরিভার + থিমফরেষ্ট) এর আইটেম মার্কেটিং-এর জন্য ও ব্যবহার করতে পারেন। আপনার shot / project এর সাথে যদি আইটেম এর লিংক দিয়ে দেন তাহলে আইটেম সেল এর সম্ভাবনা বেড়ে যা্য়।
আহমেদ নাফিস কবির
হেড অফ গ্রাফিক্স ডিপার্টমেন্ত
Dribbble - Show and tell for designers
16/08/2015
গ্রাফিক ডিজাইনে শুরু হোক পথচলা
কাজের কিছু শর্ত আছে।
• আপনাকে ধৈর্যশীল হতে হবে।
• অবশ্যই কাজের প্রতি আগ্রহ থাকতে হবে। আপনি কতটা ভাল পারেন তার থেকে কতটা যত্ন করে কাজটা করবেন সেইটাই মুল কথা।
• ইংলিশ আপনার দুর্বল হতে পারে, কিন্তু ইংলিশ কে ভয় পাওয়া চলবে না।
• সহনশীল হতে হবে। আপনার কাজ দেখে অনেকে ভুল ধরিয়ে দিবে, হাসি মুখে শুধরে নিবেন।
এই বিষয় গুলা আপনার মাঝে থাকলে শুরু করেন যাত্রা।
দীর্ঘ পথচলা শুরু হোক ছোট্ট কদমেঃ
প্রথমে নিজের মত পথচলা শুরু করুন। দোকান থেকে ডিভিডি কিনে ফটোশপ আর
ইলাসট্রেটর ইন্সটল করুন।নিজের মতো করে ছবি ওপেন করেন, টুলস গুলি নাড়েন,
সব গুলা অপশন নিয়ে খেলা করেন।
এখন সাথে সাথে প্রশ্ন আসে, কোন ভার্সন চালাব?
উঃ আপনি স্বাধীন, তবে সর্ব আধুনিক বা Latest ভার্সন
ব্যবহার করা উচিত। কিন্তু সত্যি বলতে সিএস৬ আপডেট হলেও সিএস৫ আমার প্রথম
পছন্দ। কারন, এটা অনেক ইউজার ফ্রেইনডলি।
এইভাবে কয়েকদিন চালান, জায়গাই জায়গাই হোচট খাবেন তবে অনেক উপকার হবে।
কদম ছাড়ুন, বাসের টিকেট কিনুনঃ
এখনও আপনার মূল যাত্রার আগে প্রস্তুতি একটু বাকি, ব্যাসিক জানা চাই এবং বাংলাতে হলে সুবিধা। এই জন্য আল-হেরা মাল্টিমিডিয়া বা আইটি নেক্সট থেকে ওদের ভিডিও টিউটোরিয়ালগুলা দেখে ফেলুন। ৩০০/= মত লাগতে পারে। তবে একটা কথা না বললেই নয়,
ওদের টিউটোরিয়াল এর মান খুব ভাল নয় এবং একদম ব্যাসিক। কিন্তু আমাদের তো
ব্যাসিকটাই শিখতে হবে।আর মান নিয়া চিন্তার কিছু নাই, এসি বাসের টিকেট
ভালো-মন্দ হতে পারে, টিকেট পাইলেই হইল...। J
বাসে এইবার পা রাখুনঃ
এখন শুরু হতে যাবে আপনার মূল যাত্রা, চলে যান আইডিবি মালটিপ্লান-এ কয়েকটা ডিভিডি কিনতে হবে।lynda.com,totaltraining.com,kelbytraining.com এর essential
শিরোনামের ডিভিডি কিনে ফেলুন।খরচ ১৫০/= থেকে ২০০/= টাকার মত পরতে পারে।
এর ঢাকার বাইরে যারা তারা খোঁজ করুন্ন আশে-পাশে কিংবা পরিচিত কাওকে দিয়ে
আনান। এইখানে বলে রাখি আমি মফঃস্বলের ছেলে, গত দুই বছর ঢাকা যাই না। ভালো কিছু করতে ঢাকাতেই থাকতে হবে এই রকম কোন কথাও নেই।
আইগুলা দেখতে থাকলে আপনার ভিতরে একটা পরিপক্কতা চলে আসবে। এখন গুগল করে
প্রোজেক্ট আকারে লিখিত অনেক টুটস পাবেন, ওইগুলা দেখেন এবং করতে থাকেন। আর
গুগল করার যোগ্যতা না থাকলে ডিজাইন শিখা একটু কষ্টকর।
তবু আমি একটা ঠিকানা দিচ্ছি ঢু মেরে আসেনঃ http://psd.tutsplus.com/
এছাড়াও বাংলাতে বেশ কিছু ভালো লিখা টিটি তে পাবেন, তা ছাড়াও http://bdgeeks.com/ ,http://www.chobirdokan.com/bangla এই দুই জাইগাতে দেখতে পারেন।
তো আর কি? প্র্যাকটিস চালু রাখেন......... কি অনেক কিছু শিখে ফেলতেছেন, তাইনা?
বাস কিন্তু কেবল ছাড়ল.........
হা!হা! আপনি যখন এই জাইগাতে আসলেন কি বুঝলেন?=> কি কমু ভাই কিছু তো করতে পারলাম না!! অথচ এই খানে আসতে মিনিমাম এক বছর তো লাগবেই।
তো এখন কি করব? এখন আমিও তো এই জাইগাতে আছি। সামনে কি আছে কেম্নে বলি,
তবে এখন আমাদের উচিত সরাসরি মার্কেট প্লেস এ না গিয়ে ভালো কিছু কাজ দেখা
পাশাপাশি এই সব সাইট এর কাজ দেখা ও কিছু জমা দেওয়া। আতে উদ্দিপনা বারবে,
কিছু টাকাও হাতে হবে এবং সর্বপরি অভিজ্ঞতা হবে। আর একটা কাজ করা দরকার
মিনিমাম ৩০ টা করে হুবহু নকল করতে হবে।তারপর নিজের মত করে কাজ শুরু করতে
হবে। পাশাপাশি নেট ঘেঁটে ডিজাইন এর প্রিঞ্চিপাল কালার, টাইপোগ্রাফি সহ
বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত জানা। এই জন্য এই সাইট টি আমার প্রথম পছন্দঃhttp://smashingmagazine.com/
আর আপনার কাজ গুলয়া বিভিন্ন ফেবু গ্রুপ এ জগ দিন এবং কাজ শেয়ার করেন ,
দেখেন। নিজেকে পরিপক্ক করে ডিজাইন এর অসীম জগতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে
তুলুন।
মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।যেকোনো উপদেশ দিতে চাইলে বা কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট বক্স আপনার জন্য।
বস হ্যাপি ডিজাইন ক্যারিয়ার.........!
Tuts+ Free Design & Illustration Tutorials
Tuts+ teaches creative and technical skills across many topics to millions of people worldwide. We offer tutorials, articles, news and insights that help you take your knowledge to the next level.
16/08/2015
গ্রাফিক্স রিসোর্স
By Ahmed Nafis K
কোয়ালিটিফুল গ্রাফিক্স রিসোর্স লাগবে?
গত বছর DeviantART তাদের গ্রুপ প্লাটফর্ম চালু করার পর থেকে ফ্রি এবং কোয়ালিটিফুল গ্রাফিক আর্ট ডাওনলোডের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। এমনি একটি গ্রুপ হল AI-Resources যারা এডোবি ইলাষ্ট্রেটর এর উপর অসাধারণ গ্রাফিক আর্ট ফ্রি ডাওনলোড করার সুযোগ দিয়ে থাকে। আজ সেখান থেকে কিছু ভাল লাগা কনটেন্ট আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। যারা গ্রাফিক্স ডিজাইনের মত একটি অসাধারণ ক্রিয়েটিভ প্লাটফর্মে কাজ করছেন তাদের কাজে আসবে আশা করি।
এখানে যে কনটেন্ট গুলো শেয়ার করবো সেগুলো মূলত ৫ টি বিভাগে বিভক্তঃ
টিওটোরিয়া, ব্রাশ, প্যাটার্ন, ডাওনলোডেবল ফাইল এবং কন্টেন্টস।
চলুন তবে রিসোর্সগুলো দেখে নিইঃ
১। টিউটোরিয়ালঃ
এই গ্রুপটি মূলত ফ্রি টেক্সট টিউটোরিয়াল প্রোভাইড করে।
লিংকঃ http://deviantjc.deviantart.com/art/Adam-s-Apple-Walkthroutorial-106139812
ভেক্টর পেইন্টিং: http://ryannzha.deviantart.com/art/Vector-painting-Tutorial-109514192
প্যাটার্ন ব্রাশ টিউটোরিয়ালঃ http://carinareis.deviantart.com/art/Pattern-Brush-Tutorial-113820550
২. ব্রাশঃ ইলাষ্ট্রেটরে স্পেশাল ইফেক্ট দিতে গেলে ব্রাশ বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চলুন কিছু ব্রাশ দেখে নিইঃ
ব্রাশঃ http://ai-resources.deviantart.com/gallery/23919763
এবষ্ট্রাক্ট ব্রাশঃ http://humannature84.deviantart.com/art/Abstract-brushes-2-0-152985121
ইলাষ্ট্রেটর ব্রাশ সেটঃ http://nrmb.deviantart.com/art/illustrator-brush-set-3-105937495
ক্যান্ডি কেইন ব্রাশঃ http://pica-stock.deviantart.com/art/Candy-Cane-Brush-145084683
৩. প্যাটার্ণঃ ইলাষ্ট্রেটর এ টেক্সচার কিংবা ব্যাকগ্রাউন্ডের কাজে প্যাটার্ণের ভূমিকা অনস্বীকার্য। এটা যেন আর্টের ভেতরের আর্ট।
ফিফটিস ওয়ালপেপার প্যাটার্ণঃ http://asseyedee.deviantart.com/art/Fifties-Wallpaper-Pattern-78384317
52হাফটোন প্যাটার্ণঃ http://faeriedreamer.deviantart.com/art/52-Halftone-Patterns-88266989
ইলাষ্ট্রেটর সাসিকো প্যাটার্ণঃ http://shoriameshiko.deviantart.com/art/Illustrator-Sashiko-Patterns-23518999
R2010 প্যাটার্ণ প্যাকঃ http://r2010.deviantart.com/art/r2010-pattern-pack-1-130513836
৪. ডাওনলোডঃ আইকন থেকে শুরু করে আর্ট পিস এখান থেকে ডাওনলোড করতে পারবেন। তবে বেশিরভাগ ফাইলই শেখার কাজে ব্যবহার যোগ্য। এক্সপার্ট্রা কিভাবে কাজ করে সেটা পার্ট বাই পার্ট দেখার সুযোগ পাবেন।
ব্লু ভেক্টর রিমিক্সঃ http://chewedkandi.deviantart.com/art/Blonde-on-Blue-Vector-Remix-110496917
নোটবুক ষ্টকঃ http://enigmasi.deviantart.com/art/Notebook-Stock-ai-164706362
মাশরুম ভেক্টর প্যাকঃ http://pixelworlds.deviantart.com/art/Mushroom-Vector-Pack-164777308
এ আই ফাইলঃ http://limkis.deviantart.com/art/Ai-file-Hall-of-shame-116723983
এ আই রিসোর্সঃ http://ai-resources.deviantart.com/
তবে মনে রাখবেন, কিছু রিসোর্সের ক্ষেত্রে হয়তো ডেভিয়েন্ট আর্টের মেম্বারশীপ চাইতে পারে, সেক্ষেত্রে একটু সময় নিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করে মেম্বার হয়ে যাবেন। এতে আপনার এক কড়িও খরচ হবে না। আর রিসোর্স ব্যবহার করার আগে সেগুলোর রিসোর্স রুলসগুলো পড়ে নিবেন। কারণ কিছু কিছু ফাইল এডুকেশন পারপাস দেয়া আছে।
Adam's Apple: Walkthroutorial
Despues de una semana larga trabajandole a esto, mientras a la vez estudiaba, por fin, a peticion de muchos, un walkthrough/tutorial de mi autoria. Espero lo disfruten y aprendan aunque sea algo, a...
12/08/2015
মার্কেট প্লেস বিষয়ক কিছু কথা
ডিজাইন বেসড কাজের জন্য মার্কেটপ্লেসে ঢুকার ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম কাজ হল ডিজাইন ভালো করে শিখা, অনেক উদাহারন দেখা যায় যেক্ষেত্রে অনেকেই কাজ পায় না বলে মুখ গোমড়া করে থাকেন। তাদের সাথে কথা বলে দেখেছি অনেকে আছেন কালার কোড বুঝেন না, অনেকে আছেন CMYK কি তা জানেন না, অনেকে পেনটুলের কাজ পারেন না, এমন কি অনেকে আছেন ফটোশপে স্মার্ট ফিল্টার, লেয়ার ব্লেন্ড মোড এসব সম্পর্কেও তেমন জানেন না।
যেক্ষেত্রে আপনি ইন্টারন্যাশনাল লেভেলে কাজ করতে যাবেন সেক্ষেত্রে ইন্টারন্যাশনাল ডিজাইনারদের যা যা জ্ঞান আছে তা আপনার ও থাকতে হবে। কমপক্ষে ফটোশপ আর ইলাস্ট্রেটর এর ভালো ধারনা থাকতেই হবে। যারা যারা মার্কেট প্লেসে কাজ পান না তারা নিচের প্রশ্ন গুলি পড়তে পারেন।
১ আপনি কি কালার কত প্রকার তা জানেন ?
২ আপনি দৈনিক ডিজাইনে বেশি সময় দেন নাকি ফেসবুকে বেশি থাকেন ?
৩ মার্কেট প্লেসে কয় জন সফল ফ্রিলান্সার দের প্রোফাইল ঘুরে দেখেছেন ?
৪ বিড করার সময় কি চিন্তা করেছেন যেই ক্লায়েন্ট ডলার খরচ করে আপনাকে হায়ার করবে সে কি দেখে হায়ার করবে ?
৫ বড় বড় সাইটে নিয়মিত কাজ দেখেন ?
৬ ডিজাইনের ট্রেন্ড সম্পর্কে কতটুকু খবর রাখেন ?
৭ আপনার কি মানসম্মত পোর্টফলিও আছে ?
প্রশ্নের উত্তর গুলি হ্যাঁ বোধক হলে বিড করতে থাকেন কাজ আপনি এক সময় পাবেন, আর না হলে আগে উপরের পয়েন্ট গুলি হ্যাঁ বোধক করে আসুন
প্রথমে ডিজাইনের প্রায় সব ধরনের কাজ ই শিখবেন তবে মার্কেট প্লেসে বিড করার সময় যেই কাজে আপনি সবচে বেশি ভালো সেটা দিয়ে বিড করাই উত্তম
আপনার প্রোফাইল অবশ্যই সুন্দর হতে হবে, ওভারভিউ সুন্দর করে লিখুন, পোর্টফলিওতে কাজ গুলি আপলোড করুন (অবশ্যই সেই কাজ যা আপনার মনে হবে যে এইটা আপনার ভালো কাজ গুলির একটি এবং প্রফেশনাল, সব কাজ ভুরি ভুরি করে আপলোড দিয়ে প্রোফাইল নষ্ট করবেন না)। প্রোফাইল সাজানোর ক্ষেত্রে বেষ্ট সাজেশন হল সফল ফ্রিলান্সার দের প্রোফাইল দেখা, সেখান থেকে আইডিয়া নিয়ে প্রোফাইল তৈরি করুন । আর একটি কথা ইংলিশ ভালো জানতে হবে আপনাকে, কমিউনিকেশন করার জন্য।
আপনি কাজ ও পারেন প্রোফাইল ও ঠিক ভাবে সাজিয়েছেন এখন কি করবেন, এর উত্তর হল পোর্টফলিও সাইট। অবশ্যই একটা আলাদা সাইটে পোর্টফলিও রাখবেন, পারলে বাঘা বাঘা ডিজাইনার দের পোর্টফলিও দেখে ইন্সপিরেশন নিতে পারেন। আবার অনেকে ডিভিয়ান্ট আর্ট, বেহান্স সহ বিভিন্ন সাইটে ফুল ফ্রি পোর্টফলিও তৈরি করেন। পোর্টফলিও সাইট লিঙ্কঃ http://behance.net/http://deviantart.com/
এখন শেষ কথা হল কভার লেটার, এই ক্ষেত্রেই সমস্যা দেখা দেয়, অনেকে স্যার, ম্যাডাম লিখে ভরিয়ে ফেলেন, অনেকে কাজের জন্য অনুরোধ করেন। এসব কিছু এভয়েড করুন। বি স্মার্ট, সহজ সরল ভাষায় একটা কভার লেটার লিখুন আর সাথে আপনার বাঘা পোর্টফলিওর একটা লিঙ্ক সাম্পল হিসেবে দিয়ে দেন। Odesk, Elance এ পোর্টফলিও লিঙ্ক দিলে সমস্যা করে না তবে পিপিএইচ এ অবশ্যই লিঙ্ক দিবেন না।
কভার লেটার লিখার একটা স্যাম্পল
"হাই জন,
আমি তোমার জব পোস্ট টা পড়েছি, এবং আমি এই কাজ টা করতে পারবো, এই দেখো কাজের স্যাম্পল।
থ্যাংকস
পোর্টফলিও লিঙ্ক"