শিপন আহমেদ

শিপন আহমেদ

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from শিপন আহমেদ, Tutor/Teacher, Dhaka.

Photos from শিপন আহমেদ's post 28/11/2025

১১ থেকে ২০ গ্রেডের জব প্রিপারেশন যারা নিবেন তারা সাড়া দিন। ফ্রি এক্সাম, ফ্রি পিডিএফ দিয়ে দিব। গুরুত্বপূর্ণ অংকের সমাধান ক্লাস নিব একদম ফ্রিতে ই, ইনশাআল্লাহ।

Photos from শিপন আহমেদ's post 21/11/2025

মেগা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি - 2025 🔥🔥

আবেদন শুরু: ২৫ নভেম্বর ২০২৫

আবেদনের শেষ: ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫

Photos from শিপন আহমেদ's post 23/10/2025

আজকে হিমুর বিয়ে
পর্ব : ৩
পড়ার সুবিদার্থে এভাবে দেওয়া হলো। চোখ ব্যথা হবে না।
যারা প্রথম দুই পর্ব পড়েননি তারা আমার প্রোফাইলে দেখে নিতে পারেন।

22/10/2025

📖 িমুর_বিয়ে (দ্বিতীয় পর্ব)
✍️ হুমায়ূন আহমেদ

প্রিয় পাঠক,
যে মোবাইলে আমি কথা বলছি, সেটা আমার না। যোগাযোগের যন্ত্র পকেটে নিয়ে হিমুরা ঘোরে না। হিমুরা বিশ্বাস করে, যোগাযোগ যখন হবে আপনাতেই হবে। যন্ত্র লাগবে না।

বর্তমানে যে যন্ত্র হাতে আমি ঘুরে বেড়াচ্ছি সেটা পেয়েছি মাজেদা খালার কাছ থেকে। তাঁর সংসারে যখনই কোনো নতুন জটিলতা তৈরি হয়, তখনই তিনি একটি মোবাইল টেলিফোন সেট আমার জন্যে বরাদ্দ করেন। জটিলতা কেটে গেলে যন্ত্র ফেরত।

তাঁর সাম্প্রতিক জটিলতা রেনুবিষয়ক। জটিলতা চলাকালীন সময়ের জন্যে আমি যোগাযোগ যন্ত্রের বরাদ্দ পেয়েছি এবং লক্ষ্মী ছেলের মতো যন্ত্র হাতে ঘুরে বেড়াচ্ছি। যখন-তখন এই যন্ত্র বেজে উঠছে।

কত কায়দার রিংটোনই না আছে! আমারটায় বিড়ালের ডাকের মিঁউ মিঁউ শব্দ হয়। এই শব্দে আমি অভ্যস্ত হইনি। রিংটোন বেজে উঠলেই আশপাশে বিড়াল খুঁজি।

মিঁউ মিঁউ মিঁউ মিঁয়াও।
– হ্যালো, মাজেদা খালা।
– তুই কোথায়?
– একটু আগে যেখানে ছিলাম, সেখানেই আছি।
– একটু আগে কোথায় ছিলি?
– আমার মেসে। বিছানায় আধশোয়া অবস্থায় আছি। চায়ের জন্য অপেক্ষা করছি। বিসমিল্লাহ রেস্টুরেন্ট থেকে কোকের বোতলে করে চা নিয়ে আসে। এখনো কেন আসছে না বুঝতে পারছি না। যে ছোকরা চা নিয়ে আসে, তার নাম বাদল। সে মনে হয় ক্যাশবাক্স ভেঙে পালিয়েছে। ছোকরা মহা চোর।

– এত কথা বলছিস কেন? একটা জরুরি কথা বলার জন্য টেলিফোন করলাম, তুই শুরু করলি রাজ্যের কথা।
– জরুরি কথাটা কী?
– তুই এক্ষুনি চলে যা। একটা সিএনজি নিয়ে চলে আয়।
– সিএনজি নিয়ে কিভাবে আসব? ভাড়া লাগবে না?
– একটা টেক্সির ভাড়া দেয়ার টাকাও তোর কাছে নেই?
– না। টেপ-মারা একটা দশ টাকার নোট ছাড়া কিছুই নেই। সেই টেপ-মারা বস্তু কেউ নিতে চাচ্ছে না।

– টেপ-মারা টাকা মানে?
– ছেঁড়া টাকা স্কচ টেপ দিয়ে জোড়া লাগানো। কেউ নিতে চায় না। ফকিরকে ভিক্ষা দিলে ফকির বলে, “বাবা, এইটা বদলিয়ে দেন।”
খালা, তুমি কি জানো—স্কচ টেপ মারা দশ টাকা ফকিরকে দিলে বেহেশতে তুমি এর ৭০ গুণ পাবে। সাতশ’ টাকা। সবই কিন্তু স্কচ টেপ মারা টাকা।

– তুই অকারণে কথা বলে যাচ্ছিস, ব্যাপারটা কী?
– যে ছেলে রাত ন’টায় বিয়ে করবে সে কি স্বাভাবিক আচরণ করবে? সে সময় কাটাবে ঘোরের মধ্যে। বেশি কথা বলবে। বেশি হাসবে।
– তুই এক্ষুনি টেক্সিতে উঠ। এক সেকেন্ড দেরি করবি না। বিরাট সমস্যা হয়ে গেছে।
– কী সমস্যা?
– হারামজাদাটা বাসার সামনের ফুটপাতে পা ছড়িয়ে বসে আছে। মনে হয় কোকেন টোকেন খাচ্ছে।
– রেনুর প্রেমিকের কথা বলছ?
– হ্যাঁ। আর রেনু বলছে, তাকে যদি ছেলেটার সঙ্গে কথা বলতে না দেওয়া হয় তাহলে ব্লেড দিয়ে বাম হাতের রগ কেটে স্যুইসাইড করবে।
– খালা, আমি কি ব্লেড কিনে নিয়ে আসব?
– ব্লেড কেনে আনবি কী জন্য? তুই ঐ হারামজাদা ছেলের সঙ্গে কথা বলবি। ঐ বদকে এখান থেকে সরাবি। বকবক বন্ধ করে চলে আয়।
– ঐ হারামজাদাটার চেহারা কেমন?
– তিনতলা থেকে চেহারা কীভাবে দেখব? তবে বেঁটে, থলথলে মোটা, হনুমানের মতো দেখতে।

– খালা, তুমি কোনো চিন্তা করবে না। আমি এক্ষুনি একহালি কলা নিয়ে চলে আসব। কলার লোভ দেখিয়ে হনুমান আউট করে নিয়ে যাব। আমি কলা নিয়ে রিকশায় উঠব। হনুমানটাও লাফ দিয়ে উঠবে। তারপর দ্রুত রিকশা চালিয়ে পগার পার।

খালার ফ্ল্যাট বাড়ির সামনে পা ছড়িয়ে হনুমানটাইপ কাউকে বসে থাকতে দেখা গেল না। এক চটপটিওয়ালা চাক্কাওয়ালা দোকান নিয়ে বসে আছে। তার হাতে ঘণ্টি। সে মাঝে মাঝে ঘণ্টি বাজাচ্ছে। চানাচুরওয়ালারা ঘণ্টি বাজায়। এই প্রথম চটপটিওয়ালাকে ঘণ্টি বাজাতে দেখলাম।

মোবাইল ফোন বের করে তার ছবি নিয়ে ফেললাম। মাজেদা খালার এই যন্ত্র অতি উচ্চ শ্রেণীর—একটিতে অনেক কিছু! ছবি তোলা যায়, কথাবার্তা রেকর্ড করা যায়, ই-মেইল পাঠানো যায়।

লাইলী-মজনুর আমলে এই যন্ত্র থাকলে তাদের এত কষ্ট করতে হতো না। বর্তমানকালের প্রেমিক-প্রেমিকারা বিরাট ভাগ্য নিয়ে এসেছে। মোবাইল কোম্পানিগুলোও প্রেমের ইজারা নিয়ে নিয়েছে।

প্রেমিক-প্রেমিকারা যাতে রাতভর কথা বলতে পারে, তার জন্যেও কত ব্যবস্থা! কলরেট অতি সামান্য। বিশেষ বিশেষ রাতে আবার ফ্রি।

মোবাইল টেলিফোন কোম্পানিগুলোর একটাই মটো—
‘বাঙালি জাতি! প্রেম করো। প্রেম।’
‘হে বাঙালি! প্রেমে ধর হাত মম।’

কলিংবেলে চাপ ঠিকমতো পড়ার আগেই খালা দরজা খুলে হাসিমুখে বললেন,
“হারামিটাকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। তোর খালু সাহেবকে টেলিফোন করেছিলাম। তাঁর এক বন্ধু আছে—পুলিশ কমিশনার সাউথ। তাকে বলা মাত্র এক গাড়ি পুলিশ চলে এসেছে। হনুমানটাকে মারতে মারতে গাড়িতে নিয়ে তুলেছে। দশ মিনিট আগে এলে দৃশ্যটা দেখতে পেতি।”

পরের পর্ব পেতে কমেন্ট করুন।

21/10/2025

হিমু সমগ্র থেকে
িমুর_বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

এটি আমার অত্যন্ত পছন্দের একটি উপন্যাস। পড়তে পারেন আশা করছি ভালো লাগবে। পর্ব আকারে সম্পূর্ণ উপন্যাস দেওয়া হবে। পরের পর্ব পাওয়ার জন্য লাইক কমেন্ট করে রাখুন।

প্রথম পর্ব
হিমু সমগ্র থেকে
িমুর_বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

মাজেদা খালাকে আপনাদের মনে আছে তো? কঠিন মহিলা। ইংরেজিতে এই ধরনের মহিলাদের বলা হয় Hard Nut — কঠিন বাদাম। কঠিন বাদাম জাতীয় মানুষদের মাথায় কিছু ঢুকে গেলে বের হয় না। মাথার ভেতর ঘুরপাক খেতে থাকে।

মাজেদা খালার মাথায় এখন ‘বিবাহ’ ঘুরপাক খাচ্ছে। তিনি আমাকে বিয়ে দেবার মহান দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন।

ভোরবেলাতেই টেলিফোন। তাঁর উত্তেজিত গলা—
“হ্যালো! কে হিমু? হিমু শোন, আজ তোর বিয়ে!”

আমি আনন্দে খাবি খাওয়ার মতো করে বললাম, “কখন বিয়ে?”

“রাত ন’টার মধ্যে মগবাজারের কাজি সাহেব চলে আসবেন। লেখালেখিতে পাঁচ-দশ মিনিট যাবে। রাত দশটার মধ্যে কর্ম সমাধান—ইনশাল্লাহ।”

“আমি কখন আসব?”

“তুই অবশ্যই আটটার আগে চলে আসবি। বাসায় এসে হট ওয়াটার শাওয়ার নিবি। পায়জামা-পাঞ্জাবি আমি আনিয়ে রাখব।”

“মেয়ে আসবে কখন?”

“মেয়ে আসবে কখন মানে? মেয়ে তো এসেই আছে। আমার শোবার ঘরে তালাবন্ধ করা আছে। যথাসময়ে খুলে বের করা হবে।”

একটু থমকে যেতে হলো। বিয়ের কনেকে তালাবন্ধ করে রাখা হয়েছে কেন বোঝা যাচ্ছে না। মাজেদা খালা কোনো একটা প্রকল্প হাতে নিলে তাতে রহস্য থাকবে না—তা হয় না। রহস্য অবশ্যই আছে।

আমি বললাম, “ঠিক সময়ে কবুল বলবে তো?”

“বলবে না মানে? থাপড়ায়ে দাঁত ফেলে দেব না! বদমেয়ে। আমাকে চেনে। সে বুনো ওল, আর আমি ঘেতুল।”

“ঘেতুল কী?”

“ঘেতুল হলো বাঘা তেঁতুলের মা।”

“মেয়ের নাম কী?”

“নাম রেনু।”

“রেনুকে পেয়েছ কোথায়?”

“সে এক বিরাট ইতিহাস। এই মেয়ে ড্রাগ অ্যাডিক্ট এক ছোকরার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছিল। তাকে বিয়ে করার জন্য বাড়ি থেকে পালিয়েছিল। কমলাপুর রেলস্টেশনে ধরা পড়েছে। আমি তালাবন্ধ করে রেখেছি। এখন সেই মেয়ে দরজায় মাথা ঠুকছে। শব্দ শুনতে পাচ্ছিস না?”

কাঠঠোকরা পাখি গাছে ঠোকর দিলে যেমন শব্দ হয়, সে-রকম শব্দ হচ্ছে।

আমি বললাম, “পাত্রী তো খুবই ভালো। আমার পছন্দ হয়েছে।”

“তোর পছন্দ-অপছন্দ ব্যাপার না। মেয়েটাকে বদ ড্রাগ অ্যাডিক্টের হাত থেকে বাঁচানোর জন্যেই তড়িঘড়ি বিয়ের ব্যবস্থা। বুঝেছিস?”

“বুঝেছি।”

“রেনুর সঙ্গে কথা বলবি?”

“কীভাবে কথা বলব? তুমি না বললে, মেয়ে দেয়ালে মাথা ঠুকাঠুকি করছে?”

মাজেদা খালা বললেন, “আধঘণ্টার মধ্যে তোর সঙ্গে কথা বলিয়ে দেব। Stand by থাক।”

“আমি Stand by।”

মাজেদা খালা কুড়ি মিনিটের মাথায় ব্যবস্থা করে ফেললেন। কিশোরী টাইপ গলায় একটি মেয়ে বলল, “অ্যাই, তুই কে?”

আমি বললাম, “আমার নাম হিমু।”

“ও আচ্ছা, তুই! তুই আমাকে বিয়ে করবি?”

আমি বললাম, “মাজেদা খালা চেপে ধরলে করব। আমি আবার খালার অনুরোধ ফেলতে পারি না।”

রেনু বলল, “আমি তোর চোখ গেলে দেব।”

“বাসররাতেই গেলে দিবে? না এক-দুই দিন পরে গালবে?”

“আমার সঙ্গে ফাইজলামি করিস, শালা!”

মেয়েদের মুখে ‘শালা’ গাল সচরাচর শোনা যায় না। আমি মোহিত হয়ে গেলাম এবং কিছুক্ষণের জন্য চুপ মেরে গেলাম।

রেনু বলল, “এই শালা, কথা বলছিস না কেন?”

আমি গলার স্বর যথাসম্ভব মধুর করে বললাম, “এমন রেগে যাচ্ছ কেন, রেনুসোনা? এস, স্বাভাবিকভাবে কিছুক্ষণ কথা বলি। তোমার পছন্দের রঙ কী? তোমার রাশি কী?”

রেনু বলল, “শালা, তুই একবার আয় আমার সামনে! কামড় দিয়ে তোর কান যদি আমি ছিঁড়ে না আনি, তাহলে আমার নাম রেনু না। আমার নাম কেনু! শালার বাচ্চা শালা!”

“রেনু, তুমি সম্পর্কে গণ্ডগোল করে ফেলছ। ‘শালার বাচ্চা শালা’ হবে না—ভাতিজা হবে। তুমি বলতে পারো, ‘শালার বাচ্চা ভাতিজা।’”

“চুপ!”

“রেনু, ধমকাধমকি করছ কেন? মিষ্টি করে কথা বলো। স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া হবে বিয়ের পর, বিয়ের আগে না।”

এইটুকু কথার পর বিকট শব্দ করে মোবাইল অফ হয়ে গেল। আমার ধারণা, রেনু মেঝেতে ছুড়ে ফেলেছে। টেলিফোন ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাবার কথা। তা হলো না—নিশ্চয়ই দামি যন্ত্র।

কারণ কিছুক্ষণের মধ্যেই একই মোবাইল থেকে খালা টেলিফোন করলেন। তাঁর গলা খুশি খুশি, আনন্দ ঝরে পড়ছে।

“হিমু, মেয়েটার তেজ দেখেছিস? বাঙালি মেয়ে হলে এত তেজ হতো না। হাফ বাঙলা বলেই তেজ বেশি।”

আমি বিস্মিত হয়ে বললাম, “হাফ বাঙলা মানে?”

“বাবা আমেরিকান, মা বাঙালি।”

“তোমার সঙ্গে পরিচয় কিভাবে?”

“রেনুর বাবার সঙ্গে তোর খালু সাহেবের পরিচয়। রেনুর বাবা-মা তোর খালুকে খুব মানে।”

“তুমি যে আমার সঙ্গে রেনুর বিয়ের ব্যবস্থা করছ, এটা কি খালু সাহেব জানেন? পাত্র হিসেবে আমি খালু সাহেবের পছন্দের মধ্যে পড়ি না। উনি রাজি হবেন বলে মনে হয় না।”

“তোর খালুকে আমি রাজি করাব। তাকে রাজি করানো কোনো ব্যাপার না। তুই রাজি কি না বল।”

“খালা, আমি চার পায়ে খাড়া।”

“চার পায়ে খাড়া মানে কী? মানুষের পা তো দু’টা!”

“আমি হামাগুড়ি দিয়ে খাড়া।”

“হিমু শোন, আমার সঙ্গে হাংকি-পাংকি কথা বলবি না। তোর হাংকি-পাংকি কথা আমি বছরের পর বছর শুনেছি। এইসব কথায় আমার কিছু হয় না। তুই তোর মোবাইলটা সারাক্ষণ সঙ্গে রাখবি। চার্জ যেন থাকে। আজ দিনের মধ্যে তোর সঙ্গে অনেকবার কথা হবে। আমি এখন রাখলাম।”

#হিমু #হুমায়ূনআহমেদ

18/10/2025

সোবাহান সাহেব পড়তে শুরু করলেন- রুই, কাতল, মৃগেল, পাঙ্গাশ, চিতল, বোয়াল, কালি বাউস, নানিদ, চিংড়ি, কৈ, মাগুর, শিং, পুঁটি, শোল, মহাশোল, রিঠা, ভেটকি, টেংরা, খইলসা, কাইক্যা, পাবদা, লাটি, বাতাসী, আইড়, বাইম, তপসে, নলা, ফইল্যা, দাঁড়কিনি, পিতল্ল্যা- কিছু কি বাদ পড়ল আনিস?

-

আনিস কিছু বলার আগেই নিশা বলল- ইলিশ বাদ পড়েছে স্যার। সোবাহান সাহেব অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলেন। সত্যি সত্যি ইলিশ বাদ পড়েছে। এটা কি করে হল? আসল মাছটাই বাদ পড়ে গেল। সোবাহান সাহেব ক্ষীণ স্বরে বললেন, এটা কেমন করে হল আনিস? এত বড় ভুল কি করে করলাম?

আনিস হাসিমুখে বলল, এটা কোন বড় ভুল না, খুবই সাধারণ ভুল-যা আমরা সব সময় করি। যে জিনিস চোখের সামনে থাকে তাকে আমরা ভুলে যাই। যে ভালবাসা সব সময় আমাদের ঘিরে রাখে। তার কথা আমাদের মনে থাকে না। মনে থাকে হঠাৎ আসা ভালবাসার কথা।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Culinary Team

Attire

Telephone

Website

Address


Dhaka