IUB Notice Board

IUB Notice Board

Share

Independent University, Bangladesh (IUB) established in 1993 is the leading private university in Bangladesh with 5,500 students and 250 faculty members.

21/07/2025

আপনি কি জানেন, মাইলস্টোন থেকে মডার্ন বা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (হাসপাতালের এক্সাক্ট নাম আমি জানিনা কেননা উত্তরা এলাকাটা আমি ঠিকমতো চিনি না) যাওয়ার সিএনজি ভাড়া ২৫০ টাকা বা কিছু কম বেশি। আমার এক কলিগ জানালো অসুস্থদের বা প্রয়োজনে যারা হাসপাতালে যেতে চায়, তাদের নেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের "সাধারণ জনগণ" "খেটে খাওয়া মানুষ" কিংবা "গরীব সিএনজি ওয়ালারা" কিছু ক্ষেত্রে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া চাচ্ছে/নিচ্ছে/যাচ্ছে।

প্রায় একই ধরনের ঘটনা আমার সাবেক দুই সহকর্মী সময় টিভির সাজিদ এবং যমুনা টেলিভিশনের পিয়াল তাদের টাইমলাইনে শেয়ার করেছে।

যে ছবিটা দিয়েছি সেটা বাংলাদেশ এবং সিঙ্গাপুর ম্যাচের, স্টেডিয়ামের ভেতরের ঘটনা। চ্যানেল২৪ নিউজের একটা ভিডিও থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া। বিষয়বস্তু লেখাই আছে। এর পরের অংশের যে লেখাটা, সেটা মাস দুয়েক আগে আমি লিখেছিলাম। এবার মিলিয়ে নেন দেশের মানুষ আসলে কেমন!

আপনি/আপনারা আমাকে শেখান মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ! বাংলাদেশের মানুষকে বিশ্বাস করতে হবে! ভরসা করতে হবে!
সরি, কোন কারণই নেই!

আমি প্রয়োজনে জঙ্গলের বাঘ কিংবা সিংহকে বিশ্বাস করবো কিন্তু একজন অপরিচিত বাংলাদেশীকে অবশ্যই বিশ্বাস বা ভরসা করার ন্যূনতম কোনো কারণ নেই।

নিচের লেখাটুকু দুই মাস আগে লিখেছিলাম। পড়েন।

আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের দুর্নীতিবাজ, অর্থ লোপাট বা পাচারকারী রাজনীতিবিদ, আমলা, ব্যবসায়ী ইত্যাদি কোন বর্গকে বা কাউকেই আমি কোনদিন ঢালাওভাবে সমালোচনা করি নাই, করি না। আমার আশপাশের মানুষ এটা খুব ভালো জানে।

কেন করি না?

কারণ, আইজিপি বেনজির অথবা পিকে হালদার বা এস আলমদের জায়গায় আপনি রাস্তা থেকে ধরে যে কাউকে বসিয়ে দেন। ৯০% সম্ভাবনা ওই গড়পড়তা বাংলাদেশী সুযোগ পাওয়া মাত্র, ঘুষ-দুর্নীতি-অর্থ লোপাট-টাকা পাচার-জমি দখল কিংবা লুটপাটের যোগ্যতায় বেনজির-পিকে হালদার-এস আলমদের পেছনে ফেলবে। আশপাশে তাকালে প্রতিদিন আপনি টের পাবেন "সো কোল্ড সাধারণ মানুষ" আদতে অসভ্য-ইতর-বর্বর-মূর্খ-আপাদমস্তক অসৎ এবং সামগ্রিকভাবে নির্বোধ।

ছয় মহাদেশ ঘোরার অভিজ্ঞতায়, বাংলাদেশের চাইতে নষ্ট ও কুৎসিত সমাজ আমি কোথাও দেখি নাই। জাতি হিসেবে আমরা সম্ভবত নিকৃষ্টতম।

20/04/2025

গেছিলাম কাপড় কিনতে... পছন্দ করে দাম দেওয়ার সময় দেখি দামের সাথে ১৫% ভ্যাট যোগ করেছে।
সাথে সাথে ধরলাম, এই ভ্যাট কিসের?
- এটা সরকারকে দিতে হয়।
- ঠিক আছে। আপনাদের ভ্যাট নাম্বার কত?
একটা নাম্বার দেখাল লোকটা।
এবার আমি বললাম, মুসক ১১ ফর্ম অর্থাৎ ভ্যাট চালান দেন।
সেলসম্যান অবাক।
আবার বললাম, কি হল? আমি সরকারকে ভ্যাট দিচ্ছি, আর সরকার আমাকে এর রিসিপ্ট দিবে না? যান, নীল রঙয়ের ভ্যাট চালানটি নিয়ে আসুন।
এরপর সে তাদের বসকে ডাকল। তিনি এসে,
- কি সমস্যা ভাই?
- সমস্যা তো আপনার। মুসক বিধিমালা ২০১২ অনুযায়ী আমি আপনার মাধ্যমে সরকারকে ভ্যাট দিলাম, আর আপনি আমাকে চালানের কাগজ তো দিলেন না।
- এটা তো নাই আমাদের কাছে?
- নাই মানে? তাহলে কোন আইনে আপনি আমার কাছে ভ্যাট আদায় করলেন? আপনার বিরুদ্ধে তো ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
লোকটি চুপ। পরে ১৫% ভ্যাট ছাড়াই কাপড় দিল।
শুধু এটি নয় হাজার হাজার শপ, রেস্টুরেন্ট, হোটেল ইত্যাদি এভাবে ভ্যাটের নামে অর্থ আত্মসাৎ করছে। আর সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকা নিজেদের পকেটে ঢুকাচ্ছে।
নিয়ম হল, যখনি কেউ আপনার বিলে ভ্যাট হিসেবে টাকা কেটে নিবে, সাথে সাথে সে আপনাকে একটি চালানের সরকারি কাগজ (নীল রঙয়ের) দিয়ে দিব। আপনি যে সরকারকে ভ্যাট দিলেন, আর সরকার যে বুঝিয়ে পেল সেটার প্রমাণ এটি। ভ্যাট নিবন্ধিত প্রত্যেক দোকান বা রেস্টুরেন্টে এই সরকারি কাগজ থাকে।
অনেক সময় শুধু প্রিন্ট করা বিল আমাদের দেয় যেখানে ভ্যাটের টাকার পরিমাণও উল্লেখ থাকে... কিন্তু এটি ভ্যাটের সরকারি কাগজ নয়। নীল রঙয়ের চালান কাগজটিই হল ভ্যাটের কাগজ।
কেউ যদি প্রিন্টেড বিলে ভ্যাট নিয়ে আলাদাভাবে এই চালান কাগজ না দেয়, তাহলে বুঝবেন সেই টাকা সেই প্রতিষ্ঠান নিজের পকেটে ঢুকালো, অথচ আপনি সরকারকে ঠিকই ভ্যাট দিলেন। খাবার রেস্টুরেন্টগুলোতে এই দুই নম্বরি কাজগুলো বেশি করে।
আবার অনেক প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন নাম্বারই নেই, তারাও অযথা ভ্যাটের নামে টাকা আদায় করে।
কেউ চালান কাগজ দিতে অস্বীকার করলে, তাকে আইনের কথা উল্লেখ করে আর ভ্যাট দিবেন না। বেশি তেড়িবেড়ি করলে এনবিআরে সরাসরি ফোন (16555) দিয়ে অভিযোগ করবেন।
আমরা কষ্টের ইনকামের টাকা থেকে প্রতিনিয়ত সরকারকে ভ্যাট দিচ্ছি কিন্তু সে টাকা সরকার পর্যন্ত যাচ্ছেই না, কারণ বেশিরভাগ লোকই এটা জানে না...আর এই সুযোগে এসব দুষ্ট লোকগুলো সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকা মেরে দিচ্ছে চোখের সামনে।
নীল রঙয়ের চালান কাগজটির একটা নমুনা ছবি দিলাম...

(সংগ্রহকৃত)
@সেরা ফ্যান

10/03/2025

ক্যাটাগরি ‘এ‍+’ (মাসে বেতন ১০ লাখ টাকা)
তাসকিন আহমেদ
ক্যাটাগরি ‘এ’ (মাসে বেতন ৮ লাখ টাকা)
নাজমুল হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম (মার্চ থেকে বি ক্যাটাগরিতে যাবেন)
ক্যাটাগরি ‘বি’ ( মাসে বেতন ৬ লাখ টাকা)
মুমিনুল হক, তাইজুল ইসলাম, মাহমুদউল্লাহ (মার্চ থেকে থাকবেন না), মোস্তাফিজুর রহমান, তাওহিদ হৃদয়, হাসান মাহমুদ ও নাহিদ রানা
ক্যাটাগরি ‘সি’ (মাসে বেতন ৪ লাখ টাকা)
সাদমান ইসলাম, সৌম্য সরকার, জাকের আলী, তানজিদ হাসান , শরীফুল ইসলাম, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান ও মেহেদী হাসান
ক্যাটাগরি ‘ডি’ (মাসে বেতন ২ লাখ টাকা)
নাসুম আহমেদ ও সৈয়দ খালেদ আহমেদ

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Dhaka
1229