11/07/2024
একটা ছোট্ট গ্রামে এক মেয়ে থাকতো, নাম তার মেঘলা। মেঘলার মা ছিলো গ্রামের স্কুলের শিক্ষিকা। মা-মেয়ের মধ্যে ছিল গভীর ভালোবাসা আর গভীর বন্ধন। মা তার কাজের ফাঁকে মেয়েকে সবসময় সময় দিতো, পড়াশোনায় সাহায্য করতো, গল্প শুনাতো।
মেঘলার বাবা ছোটবেলাতেই মারা যায়। মা তাকে একাই বড় করে তুলেছে। মা সবসময় বলতো, "মেঘলা, জীবনে যতই কঠিন সময় আসুক না কেন, মনের জোর হারাবি না।"
মেঘলা যখন বড় হলো, সে মায়ের মতোই শিক্ষিকা হতে চাইল। মা তাকে সাহস দিয়ে বলতো, "তুই পারবি, আমার মেয়ে।" মা-মেয়ের সেই ভালোবাসা আর উৎসাহ মেঘলাকে একদিন সফল শিক্ষিকা করে তুলল।
মেঘলা মায়ের মতোই গ্রামের ছেলেমেয়েদের শিক্ষার আলো দেখাতে শুরু করলো। মা গর্বিত চোখে মেঘলাকে দেখতো, আর মেঘলা মায়ের পায়ের তলে বসে প্রতিদিনই মায়ের আশীর্বাদ নিতো।
মেঘলা বুঝতে পারতো, মা তাকে জীবনের সবকিছু দিয়েছে। মা-মেয়ের সেই ভালোবাসা, সেই উৎসাহ, সেই অঙ্গীকার তাদের সম্পর্ককে অবিচ্ছেদ্য করে তুলেছিল। মেঘলা আর তার মা, তারা ছিলো একে অপরের জীবন, একে অপরের গল্প।