হাদিস - Hadith

হাদিস - Hadith

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from হাদিস - Hadith, Education Website, Dhaka.

31/03/2023
30/03/2023

নবীজির (সা) চোখে শ্রেষ্ঠ মানুষ যারা

আসুন মিলিয়ে নিই নিজেদের সাথে

আমাদের চোখে সেরা মানুষের সংজ্ঞা কী? অনেক পড়াশোনা জানা, অনেক সম্পদের অধিকারী ইত্যাদি। চলুন দেখে নিই আমাদের প্রাণপ্রিয় রাসূলের (সা) চোখে সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষের গুণাবলীগুলো। রাসূলের (সা) বিভিন্ন হাদীস থেকে সেরা মানুষের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য আমরা জানতে পারি। হাদীসগুলো থেকে কয়েকটি নিচে তুলে ধরা হলো।

১।
তোমাদের মধ্যে সর্বসেরা সে, যে কুরআন শিখে এবং শেখায়।
(বুখারী, পর্ব: ফাজায়েলুল কুরআন, অধ্যায়: ২১ হাদীস নং: ৫০২৭)

২।
নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ সে, যে তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম আচরণের অধিকারী।
(বুখারী, পর্ব: শিষ্টাচার, অধ্যায়: উত্তম চরিত্র, হাদীস নং: ৬০৩৫)

৩।
তোমাদের মধ্যে সর্বসেরা ব্যক্তি সে, যে ঋণ পরিশোধের বেলায় ভালো।
(বুখারী, পর্ব: উকীল নিযুক্তকরণ, অধ্যায়: ৬, হাদীস নং: ২৩০৫)

৪।
তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সে যার কাছ থেকে সবাই কল্যান আশা করে, অনিষ্টের আশংকা করে না।
( তিরমিজী, পর্ব: ফিতান, অধ্যায়: ৭৬, হাদীস নং: ২২৬৩/২৪৩২)

৫।
তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ সে, যে তার পরিবারের নিকট ভালো।
(ইবনে হিব্বান, পর্ব: বিবাহ, অধ্যায়: স্বামী-স্ত্রীর জীবনাচার, হাদীস নং: ৪১৭৭)

৬।
তোমাদের মধ্যে সে সর্বোত্তম, যে খাদ্য দান করে এবং সালামের জবাব দেয়।
(সহীহুল জামে’, হাদীস নং: ৩৩১৮)

৭।
তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ সে ব্যক্তি, যে সালাতে কোমল-স্কন্ধ। (অর্থাৎ কেউ নামাজের কাতারে প্রবেশ করতে চাইলে কাঁধ নরম করে তাকে সুযোগ করে দেয়)।
( আবূ দাঊদ, পর্ব: সালাহ, অধ্যায় ৯৬, হাদীস নং:৬৭২ )

৮।
সেরা মানুষ সে যার বয়স দীর্ঘ এবং কর্ম ভালো হয়।
(জা-মিউল আহাদীস, হাদীস নং: ১২১০১ )

৯।
সেরা মানুষ সে যে মানবতার জন্য অধিক কল্যানকর উপকারী।
(সহীহুল জা-মি’, হাদীস নং: ৩২৮৯ )

১০।
আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম সঙ্গী সে, যে তার সঙ্গীর কাছে উত্তম। আর আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম প্রতিবেশী সে, যে তার প্রতিবেশীর কাছে উত্তম।
(তিরমিজী, পর্ব: সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক, অধ্যায়: ২৮, হাদীস নং: ১৯৪৪)

১১।
শ্রেষ্ঠ মানুষ হলো যার অন্তর পরিচ্ছন্ন এবং মুখ সত্যবাদী। সাহাবীগন প্রশ্ন করলেন-সত্যবাদী মুখ বুঝা গেলো, কিন্তু পরিচ্ছন্ন অন্তরবিশিষ্ট কে?
নবীজি ইরশাদ করেন, যে অন্তর স্বচ্ছ-নির্মল, মুত্তাক্বী, যাতে কোন পাপ নেই, বাড়াবাড়ি বা জুলুম নেই, নেই খেয়ানত ও বিদ্বেষ।
(সহীহুল জা-মি’, হাদীস নং: ৩২৯১)

আল্লহ তা’আলা আমাদেরকে সর্বোত্তম মানুষের সবগুলো গুণ দান করুন এবং প্রকৃত ঈমানদার মানুষ হওয়ার তাউফীক দান করুন। আমিন।।

30/03/2023

যে সকল কারণে রোজা ভাঙে না

এ কাজগুলো সম্পাদন হলে রোজা চালিয়ে নিতে হবে। ভাঙা যাবে না

কিছু কাজ এমন আছে যার কারণে রোজা ভাঙে না। এ কার্যগুলো সম্পাদন হলে রোজা চালিয়ে নিতে হবে। রোজা ভেঙে গেছে মনে করে পানাহার করা যাবে না। এরকম কিছু কাজ নিচে সংক্ষেপে দেয়া হলো। যেগুলোর কারণে রোজা নষ্ট হয় না।

# রোজার কথা ভুলে গিয়ে পানাহার করলে রোজা ভাঙে না। তবে স্মরণ হওয়া মাত্রই পানাহার ছেড়ে দিতে হবে।

# চোখে ওষুধ-সুরমা, মাথায় বা শরীরে তেল লাগালে রোযার কোনো ক্ষতি হয় না। আতর-সুগন্ধি ব্যবহার করলেও অসুবিধা নেই।

# অনিচ্ছাকৃত বমি হলে (মুখ ভরে হলেও) রোযা ভাঙ্গবে না। তেমনি বমি মুখে এসে নিজে নিজে ভেতরে চলে গেলেও রোযা ভাঙ্গবে না।

# মশা-মাছি, কীট-পতঙ্গ ইত্যাদি অনিচ্ছাকৃত পেটের ভেতর ঢুকে গেলেও রোযা ভাঙ্গবে না। অনুরূপভাবে ধোঁয়া বা ধুলোবালি অনিচ্ছাকৃতভাবে গলা বা পেটের ভেতর ঢুকে গেলে রোযা ভাঙ্গবে না।

# স্বপ্নদোষ হলে রোযা ভাঙ্গবে না।

# চোখের দু’ এক ফোটা পানি মুখে চলে গেলে রোযার ক্ষতি হয় না। তবে তা যদি গলার ভেতর চলে যায় তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে।

# সুস্থ অবস্থায় রোযার নিয়ত করার পর যদি অজ্ঞান বা অচেতন হয়ে যায় তাহলে রোযা নষ্ট হবে না।

# রোজা অবস্থায় ইনসুলিন নিলে রোজা ভঙ্গ হবে না।

# রোযা অবস্থায় শরীর থেকে রক্ত বের হলে বা ইনজেকশন ইত্যাদি দ্বারা রক্ত বের করলে রোযা ভাঙ্গবে না। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে এ পরিমাণ রক্ত বের করা মাকরূহ, যার দ্বারা রোযাদার খুব দুর্বল হয়ে যায়।

# রাত্রে স্ত্রী সহবাস করলে বা স্বপ্নদোষ হলে সুবহে সাদিকের আগে গোসল করতে না পারলেও রোযার কোনো ক্ষতি হবে না। তবে কোনো ওযর ছাড়া, বিশেষত রোযার হালতে দীর্ঘ সময় অপবিত্র থাকা অনুচিত।

# বীর্যপাত ঘটা বা সহবাসে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা না থাকলে স্ত্রীকে চুমু খাওয়া জায়েয। তবে কামভাবের সাথে চুমু খাওয়া যাবে না। আর তরুণদের যেহেতু এ আশঙ্কা বেশি থাকে তাই তাদের এ থেকে বেঁচে থাকা উচিত।

# শুধু যৌন চিন্তার কারণে বীর্যপাত হলে রোযা ভাঙ্গবে না। তবে এ কথা বলাই বাহুল্য যে, সব ধরনের কুচিন্তা তো এমনিতেই গুনাহ আর রোযার হালতে তো তা আরো বড় অপরাধ।

# কামভাবের সাথে কোনো মহিলার দিকে তাকানোর ফলে কোনো ক্রিয়া-কর্ম ছাড়াই বীর্যপাত হলে রোযা ভাঙ্গবে না। তবে রোযা অবস্থায় স্ত্রীর দিকেও এমন দৃষ্টি দেওয়া অনুচিত। আর অপাত্রে কু-দৃষ্টি তো গুনাহ। যা রোযা অবস্থায় আরো ভয়াবহ। এতে ঐ ব্যক্তি রোযার ফযীলত ও বরকত থেকে মাহরূম হয়ে যায়।

এসব বিষয়ে রোজার কোনো ক্ষতি হয় না। অনেকেই অজ্ঞতাবশত এগুলোকে রোজা ভঙ্গের কারণ মনে করে থাকেন। ফলে এসবের কোনো কিছু ঘটে গেলে রোজা ভেঙ্গে গেছে মনে করে ইচ্ছাকৃত পানাহার করেন। আবার কেউ কেউ এসব থেকে বেঁচে থাকার জন্যে অযথা কষ্ট করেন। আশা করি, ছোট এ পোস্টের মাধ্যমে উভয় শ্রেণির ভুল দূর হয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Culinary Team

Attire

Website

Address


Dhaka