Spoken English and IELTS

Spoken English and IELTS

Share

Hello Guys, welcome come to Spoken English. Mail me for Sponsorship: [email protected]

23/05/2026

Best motivation...🥰

21/05/2026

Russia city ai video🌏🚙🚥

09/05/2026

কাপাসিয়ার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনিরের বাড়িতে ভাড়াটিয়া ফোরকান তার স্ত্রী সন্তানসহ ৫ জনকে জ বা ই করে হ ত্যা করে পালিয়েছে ঘা তক স্বামী

29/04/2026

'ওয়্যারলেস পাওয়ার ট্রান্সফার' গবেষণায় উল্লেখযোগ্য কৃতিত্ব দেখিয়ে এবার বানিজ্যিক যাত্রা শুরু করলেন দুই বাংলাদেশি গবেষক সাইদুল আলম চৌধুরী এবং ইউশা আরাফ।

নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে এক বছরের বেশি সময় ধরে 'স্মার্ট পাওয়ার বক্স' নামক ওয়্যারলেস চার্জিং ডিভাইস নিয়ে কাজ করছেন ড. সাইদুল আলম চৌধুরী। অন্যদিকে তরুন গবেষক ইউশা আরাফ অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়োমেডিকেল সায়েন্সে পিএইচডি করছেন।

সম্প্রতি ওয়্যারলেস পাওয়ার এবং চার্জিং প্রযুক্তির গবেষণাকে এগিয়ে নিতে অকল্যান্ডে 'রিজোলিংক' নামের কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছেন এই দুই গবেষক, যা বাংলাদেশী মালিকানাধীন প্রথম ওয়্যারলেস পাওয়ার কোম্পানি।

সহপ্রতিষ্ঠাতা ইউশা আরাফ বিজ্ঞানপ্রিয়কে জানান, 'রিজোলিংকের মূল লক্ষ্য তারবিহীন পাওয়ার সাপ্লাই নিয়ে গবেষণা এবং শিল্প পর্যায়ের সমাধান তৈরি করা। আমরা আমাদের গবেষণাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ম্যানুফ্যাকচার কোম্পানির জন্য সলুশন তৈরি করছি যা কার্যত তাদের পণ্যের মান উন্নয়নে সরাসরি ব্যবহৃত হচ্ছে। আমাদের ফোকাস পণ্য বিক্রি নয়, বরং উন্নত আরএন্ডডি এবং প্রযুক্তির বাস্তবায়ন।'

উল্লেখ্য, ড. সাইদুল আলম চৌধুরী চুয়েটে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশলে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। অন্যদিকে, ইউশা আরাফ সাস্ট থেকে জেনেটিকে স্নাতক এবং বাকৃবিতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন।

বিদেশে বসে কাজ করলেও তাঁদের চিন্তায় সবসময় রয়েছে বাংলাদেশ। ভবিষ্যতে দেশে আইওটি ডিভাইস, স্মার্ট হাসপাতাল ও স্মার্ট হোম নিয়ে কাজ করতে চান তাঁরা। সাশ্রয়ী প্রযুক্তি বানিয়ে দেশেই কিছু করার প্রবল ইচ্ছা তাঁদের। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।

25/04/2026

চাঁদ মানবজাতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে, তবুও খুব কম সংখ্যক দেশই সফলভাবে এর পৃষ্ঠে পৌঁছাতে বা অবতরণ করতে পেরেছে। ছয়টি অ্যাপোলো অভিযানের সময় চাঁদে মানুষ অবতরণকারী একমাত্র দেশ হয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে। অন্যদিকে, সোভিয়েত ইউনিয়ন এর আগেই চাঁদে প্রথম মহাকাশযান পাঠিয়ে এবং প্রথম রোবোটিক চন্দ্র অবতরণ সম্পন্ন করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল।

পরবর্তীতে চীন তার চ্যাং'ই কর্মসূচির মাধ্যমে একটি প্রধান চন্দ্র শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়, যা সফল সফট ল্যান্ডিং সম্পন্ন করে এবং এমনকি চাঁদের নমুনা পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনে। ২০২৩ সালে চন্দ্রযান-৩ চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে সফলভাবে অবতরণ করার পর ভারত এই বিশেষ তালিকায় যোগ দেয়; এই অঞ্চলটি মহাকাশযান পরিচালনার জন্য অত্যন্ত কঠিন বলে বিবেচিত হয়। জাপানও কক্ষপথীয় অভিযান এবং সাম্প্রতিক চন্দ্র অবতরণ সাফল্যের মাধ্যমে অবদান রেখেছে।

ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা উন্নত অরবিটার অভিযানের মাধ্যমে চন্দ্র অন্বেষণে সহায়তা করেছে, যা চাঁদের পরিবেশের মানচিত্র তৈরি ও অধ্যয়নে সাহায্য করেছে। সম্মিলিতভাবে, এই অভিযানগুলো প্রকাশ করে যে পৃথিবীর নিকটতম এই মহাজাগতিক প্রতিবেশীকে সফলভাবে অন্বেষণ করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি, নির্ভুলতা এবং সম্পদ মাত্র কয়েকটি দেশের কাছেই রয়েছে।

উৎস/ক্রেডিট: NASA, ESA, ISRO, CNSA, JAXA,

25/04/2026

কেবল আপনার আজকের দুপুরের বা রাতের খাবারের চাহিদা মেটাতে বিশ্বজুড়ে প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো প্রাণ প্রাণ হারাচ্ছে? পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়, প্রতিদিন কয়েক কোটি প্রাণী জবাই করা হচ্ছে কেবল মানুষের প্রোটিনের চাহিদা মেটানোর জন্য। এই বিশাল সংখ্যাটি আমাদের বৈশ্বিক খাদ্য ব্যবস্থার এক রূঢ় বাস্তবতা তুলে ধরে।
এই পরিসংখ্যানের পেছনের যুক্তি অত্যন্ত গভীর এবং জটিল। আল্লাহর সৃষ্টিতলে প্রতিটি প্রাণীর জীবনচক্র ভিন্ন হলেও, বর্তমান শিল্পায়িত পশুপালন ব্যবস্থায় সংখ্যার এই উল্লম্ফন মূলত মানুষের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ফল। প্রতিদিন গড়ে ২০.২ কোটি মুরগি জবাই করা হচ্ছে, যার অর্থ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২৩০০টি মুরগি তাদের জীবন দিচ্ছে। এছাড়া প্রতিদিন গড়ে ৯ লাখ গরু, ১৮ লাখ ছাগল এবং ১৯ লাখ ভেড়া খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এটি যেমন একটি বিশাল বায়োলজিক্যাল সাপ্লাই চেইন, তেমনি এটি পরিবেশের ওপর বিপুল কার্বন ফুটপ্রিন্ট এবং মিথেন গ্যাস নির্গমনের অন্যতম প্রধান কারণ। বাস্তুসংস্থানের ভারসাম্য বজায় রাখতে এই বিশাল উৎপাদন ও ব্যবহারের চক্রটি কীভাবে প্রকৃতিকে প্রভাবিত করছে, তা আজ এক বড় চিন্তার বিষয়।
বিপুল এই সংখ্যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, খাদ্যের অপচয় রোধ করা কেবল নৈতিক দায়িত্ব নয়, বরং এই কোটি কোটি প্রাণের ত্যাগের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি মাধ্যম। 🥩
প্রতিদিনের এই বিশাল প্রাণহানির পরিসংখ্যান কি আপনাকে নতুন করে ভাবাচ্ছে? খাদ্য অপচয় রোধে আপনার ব্যক্তিগত পদক্ষেপ কী হতে পারে? কমেন্টে আমাদের জানান।

25/04/2026

🇧🇩 “শিল্প উন্নয়নের নতুন মডেল” 🇧🇩

চিনি কল বন্ধ — কারণ দেশি চিনি দামি
বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ — কারণ জ্বালানি নাই
কারখানা বন্ধ — কারণ ম্যানেজমেন্ট ঘুমায়
রিফাইনারি দুর্বল — কারণ প্রযুক্তি নাই

কিন্তু…

👉 আমদানি চালু — কারণ কমিশন আছে
👉 চুক্তি বাড়ে — কারণ “কূটনীতি” আছে
👉 লোকসান বাড়ে — কারণ দায় নাই

দেশে এখন নতুন ইকোনমি মডেল চালু হয়েছে:

“উৎপাদন না করে, আমদানি করে, তারপর আবার দেশপ্রেমের লেকচার দাও।”

চিনি কল বন্ধ করে চিনি আমদানি,
বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসিয়ে রেখে লোডশেডিং,
কারখানা মেরে ফেলে কর্মসংস্থানের গল্প—

এটা কোনো পরিকল্পনা না,
এটা এক ধরনের “Slow Motion Suicide”।

শেষ কথা👇
দেশে সমস্যা ভারতের সাথে আতাত না,
সমস্যা হলো—
👉 ভেতরে সিস্টেম ফাঁকা
👉 বাইরে অজুহাত ফাকা না



25/04/2026

নদীর কাদামাটি থেকে তৈরি হবে মাইক্রোচিপ! যমুনার বুকে মিলল ট্রিলিয়ন ডলারের 'প্যালাডিয়াম'। 🤯📱🇧🇩

আমরা নদী থেকে বালু তুলে বাড়ি বানাই, আর কাদামাটি এড়িয়ে চলি। কিন্তু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও পরমাণু শক্তি কমিশনের গবেষকরা যমুনা নদীর সেই কাদামাটি ও বালুর নিচেই খুঁজে পেয়েছেন মহামূল্যবান বিরল ধাতু 'প্যালাডিয়াম' (Palladium)!

কেন এই কাদা ট্রিলিয়ন ডলারের খনি?
✅ সোনার চেয়ে দামি: প্যালাডিয়ামকে বলা হয় 'সাদা সোনা'। বিশ্ববাজারে এর দাম অনেক সময় সোনার চেয়েও বেশি হয়!
✅ মাইক্রোচিপের প্রাণ: আপনার হাতের স্মার্টফোন, ল্যাপটপ এবং আধুনিক এআই (AI) সার্ভার—সবকিছুর ভেতরে যে মাইক্রোচিপ আছে, তা এই প্যালাডিয়াম ছাড়া তৈরি করা অসম্ভব! এটি চিপের বিদ্যুৎ পরিবাহিতা ও স্থায়িত্ব বাড়ায়।
✅ ম্যাজিক ফর্মুলা: নদীর কাদামাটিকে বিশেষ 'ন্যানো-ফিল্টার' এবং অ্যাসিডের মিশ্রণে গলিয়ে ৯৯.৯% বিশুদ্ধ প্যালাডিয়াম বের করে আনার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন আমাদের বিজ্ঞানীরা।

বর্তমানে বাংলাদেশ মাইক্রোচিপ বিদেশ থেকে আমদানি করে। যমুনার এই গুপ্তধন যদি বাণিজ্যিকভাবে তোলা সম্ভব হয়, তবে বাংলাদেশ হবে গ্লোবাল সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের নতুন হাব।

আপনার মতে, এই কাদামাটি কি আমাদের বিদেশিদের কাছে কাঁচামাল হিসেবে বিক্রি করা উচিত, নাকি দেশেই চিপ বানানোর কারখানা করা উচিত?

Summary:
Bangladesh has struck a trillion-dollar jackpot! Researchers have discovered Palladium—a rare metal often more expensive than gold—hidden in the mud and sand of the Jamuna River. Essential for manufacturing microchips, smartphones, and AI servers, extracting this 'White Gold' could transform Bangladesh from a chip importer into a global semiconductor hub, revolutionizing its tech economy.

#নিউজ

24/04/2026

আমেরিকার মান এর পড়াশোনা এখন বাংলাদেশ এ 🐸🫣

23/04/2026

একটা ফেনী বিরিন্চি সোনা পুর এর মেয়ে নিয়ে ছাগলনাইয়ার যুবক পালানোর সময় ৩.২১ মিনিট এ মেয়ের খালাতো ভাই রেল গেইট আটক করে এলোপাতাড়ি ছেলেটিকে পিটিয়েছে।
মেয়েটি তাকিয়ে তা দেখছে। হায়রে ভালোবাসা। 🐸
ভিডিও টি করেছে 👉 Saidul Islam Bhuiyan

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka