উত্তরা রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে ভর্তির জন্য লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষার্থী ও শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা ।
ভর্তির জন্য ২৩/১২ /২০২৪ তারিখের মধ্যে নিম্নলিখিত ডকুমেন্টস সহ স্কুলের ভর্তি বুথে রিপোর্ট করুন।
১। শিক্ষার্থীর জন্ম সনদের ফটোকপি।
২। পিতা মাতার আইডি কার্ড এর ফটোকপি
৩। পিতা মাতা ও শিক্ষার্থীর এক কপি করে পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
৪। শিক্ষার্থীর বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলের মার্কশিট এর ফটোকপি।
৫। ভর্তির আবেদনের কপি।
বি:দ্র: নির্ধারিত তারিখে উপস্থিত না হলে শূন্যস্থান পূরণের জন্য ওয়েটিং লিস্ট থেকে অন্য শিক্ষার্থীকে ডাকা হবে ।
আপনারও আপনার সন্তানের সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনায়
উত্তরা রেসিডেন্সিয়াল কলেজ
ঈশা খাঁ এভিনিউ, সেক্টর ৬, উত্তরা, ঢাকা ১২৩০
যোগাযোগ:
01798049129
01785076021
01876529095
DHAKA Home Tutor
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from DHAKA Home Tutor, Education, Dhaka.
12/12/2024
আর মাত্র তিন মাস!
আগামী ১০ এপ্রিল থেকে এসএসসি শুরু হওয়া পরীক্ষা, চলবে ৮ মে পর্যন্ত। তত্ত্বীয় পরীক্ষা হবে নির্ধারিত তারিখে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। ১০ মে থেকে ১৮ মে পর্যন্ত হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সব বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে ১০ মে এবং ১৮ মে এর মধ্যে সব ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে।
07/12/2024
আপনি কি আপনার সন্তানের জন্য অভিজ্ঞ টিউটর পাওয়া নিয়ে চিন্তিত?
আমরা দিচ্ছি সমগ্র ঢাকায় সবচেয়ে সেরা টিউটরের নিশ্চয়তা। একবার ডিটেইলস কথা বলেই দেখুন!
আমাদের রয়েছে বুয়েট, রুয়েট, মেডিকেল, ঢাবি, জাবির অভিজ্ঞ টিউটর মিলে স্পেশাল টিম৷
সিভি, টিচারের অভিজ্ঞতা, ডেমো ক্লাস দেখে যাকে ভালো মনে হবে তাকে চাইলে টিচার হিসেবে নিতে পারবেন।
দক্ষ টিচার পেতে প্রয়োজনে নিচের কার্ড টি সংরক্ষণ করতে পারেন অথবা ফোন দিতে পারেন 01795628958 / 01537701737 এই নম্বরে।
সবাই সমানে শেয়ার করেছেন সকাল থেকে পুরো ভাইরাল তাই আমিও একটু মজা নিয়েছিঃ
২০২৫ সাল থেকে শনিবার স্কুল কলেজ খোলা থাকবে |
এটা গুজব |সাপ্তাহিক ছুটি ২ দিনই থাকবে।
১৯৯০ সালের দিকে তাকালে দেখা যায়, মাধ্যমিক পর্যায়ের পাবলিক পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ১১টি বিষয়ে মোট এক হাজার নম্বরের পরীক্ষা হতো। এর মধ্যে বিজ্ঞানের বিষয়গুলোর জন্য মোট নম্বর ছিল ৩০০, যা মোট নম্বরের ৩০ শতাংশ। ২০০০ সালে এসএসসিতে বিষয় ছিল ১১টি, নম্বর ছিল ১১০০। তার মধ্যে বিজ্ঞানের বিষয়গুলোর জন্য বরাদ্দকৃত নম্বর ছিল ৪০০। ওই সময়ে মোট নম্বরের ৩৬ শতাংশ ছিল বিজ্ঞানে। ২০১৭ সালে মোট বিষয় ছিল ১৪টি। এর মধ্যে বিজ্ঞানের জন্য মোট নম্বর ছিল ৪০০। অর্থাৎ মোট নম্বরের ৩১ শতাংশ। নুতন কারিকুলামে নবম-দশম শ্রেণিতে মোট বিষয় রাখা হয়েছে ১০টি। ১০০০ নম্বরের পরীক্ষায় বিজ্ঞানে থাকছে ১০০ নম্বর, অর্থাৎ মোট নম্বরের ১০ শতাংশ। এটি বিজ্ঞান শিক্ষা সংকোচনের নমুনা নয় কি?
নতুন শিক্ষাক্রমের বাস্তবায়ন মানে হচ্ছে উচ্চতর পর্যায়ে বিজ্ঞান শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরো কমবে বলে আশঙ্কা রয়েছে। বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা এত দিন ধরে নবম-দশম শ্রেণিতে পৃথকভাবে তুলনামূলক বড় পরিসরে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান ও উচ্চতর গণিতের মতো বিষয়গুলোয় পড়াশোনা করে আসত। মাধ্যমিকের পর যত ওপরের স্তরে যাবে, বিজ্ঞানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের হার তত কমে যেতে পারে। কাজেই মাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান শিক্ষার সুযোগ সংকোচন করার প্রভাব অনেক বেশি এবং সুদূরপ্রসারী।
বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞানের পরীক্ষার্থীর হার ছিল যথাক্রমে ৩১ শতাংশ, ৩১.৯৪, ৩০.৯২, ২৮.১৯ ও ৩১.৯৩ শতাংশ। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে এ হার অনেকখানি কমে গেছে। ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞানের পরীক্ষার্থী ছিল যথাক্রমে ২২.২৯ শতাংশ, ২৩.৩৫ শতাংশ, ২৩.৪২ শতাংশ, ২২.৫০ শতাংশ ও ২৪.৫৪ শতাংশ। ২০১৮ সালে স্নাতক পর্যায়ের চূড়ান্ত পরীক্ষায় বিজ্ঞানভিত্তিক বিষয়গুলোর অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীর হার ছিল ১৭.৪৮ শতাংশ। ২০১৯ সালে এই হার ছিল ১৬.০৬ শতাংশ। ২০২০ সালে এর হার দাঁড়ায় ২৩.২৮ শতাংশ। যদিও কভিডের কারণে এটি হয়েছিল, কিন্তু চিত্র তো বলে দিচ্ছে যে বিজ্ঞান শিক্ষার কী হাল আমাদের দেশে!
এসব বিষয়ে এনসিটিবি বলছে, এ শিক্ষাক্রমের নবম ও দশম শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিষয়ের অধীনে অনুপাত ও পরিমাণ, সিস্টেম, সিস্টেমের অভ্যন্তরীণ সজীব এবং বস্তুগুলোর গঠন ও আচরণ, পদার্থের গঠন ও আচরণ, বস্তু ও শক্তির মিথস্ক্রিয়া, স্থিতি ও পরিবর্তন, জীববিজ্ঞান এবং পৃথিবী ও মহাকশবিজ্ঞান সম্পর্কে পাঠ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। শিক্ষার্থীদের এসব বিষয় এমনভাবে পড়ানো হবে, যাতে তারা বৈজ্ঞানিক সাক্ষরতা অর্জন করে, বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানে আগ্রহী হয় এবং তাদের মধ্যে বৈজ্ঞানিক দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়।’ এটি তো সেই আশার কথা, ভাবনার কথা কিন্তু বাস্তবতা কী? সব শিক্ষার্থীই কি এগুলো বোঝার পর্যায় থাকবে যে সবার জন্যই বিজ্ঞানের একই বিষয়, এমনভাবে পড়ানো হবে। কে পড়াবেন এমনভাবে? সব বিদ্যালয়ে কি এমন বিজ্ঞান শিক্ষক আছেন?
আমাদের কাছাকাছি দেশ চীনে ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সে জুনিয়র মাধ্যমিক স্কুল সম্পন্ন করতে হয়, যেখানে শিক্ষার্থীদের গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানের মতো বিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়গুলো তুলনামূলক বিস্তারিতভাবে শেখানো হয়। ইংল্যান্ডের মতো উন্নত দেশেও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দে অধ্যয়ন করতে পারে এবং তারা সে অনুযায়ী বিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান ও কলা বিভাগের যেকোনো একটি বেছে নিতে পারে। এভাবে বিশ্বের প্রযুক্তিনির্ভর অনেক দেশেই মাধ্যমিক পর্যায়েই শিক্ষার্থীদের পছন্দের বিষয় নির্বাচনের সুযোগ রয়েছে এবং সমন্বিত বিজ্ঞান শিক্ষার পরিবর্তে পৃথকভাবে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও গণিত পড়ানো হয়। কিন্তু আমাদের হচ্ছে কী?
২০২৩ সাল কেটে গেল। নভেম্বরে শিক্ষার্থীরা তাদের ফল পাবে, কিন্তু পুরো বছরে লিখিত কোনো পরীক্ষাই হলো না, সবটাই শিক্ষকরা বুঝে আর না বুঝে সার্কেল, চতুর্ভুজ আর পিরামিড দিয়েছেন। কোনো বিষয় কী জানল সেটির প্রকাশ করার জনপ্রিয় মাধ্যমে হচ্ছে লিখে প্রকাশ করা। লিখে প্রকাশ করা মানে ভাষাজ্ঞান দেখা, ধারণা কতটা পেল সেটি দেখা, একটি বিষয় গুছিয়ে কতটা লিখতে পারে একজন শিক্ষার্থী ইত্যাদি দেখা, কিভাবে যুক্তি, তর্ক, উপস্থাপন এবং মনের ভাব সুন্দরভাবে প্রকাশ করা—এগুলোরই কাঙ্ক্ষিত মাধ্যম হচ্ছে লেখা। দৈহিক ভাষা, মুখের ভাষারও একটি অংশ থাকবে, কিন্তু সেটি সব নয়। এখন দেখা যাচ্ছে আসল বিষয়কে আমরা সেভাবে গুরুত্ব না দিয়ে অন্যটিকে বেশি জোর দিচ্ছি। এতে কি আমাদের জাতীয় মূল কারিকুলামে ভবিষ্যৎ বংশধরদের যেভাবে বেড়ে ওঠার কথা সেটি অর্জিত হবে?
---->> লেখক : শিক্ষা গবেষক ও সাবেক কান্ট্রি ডিরেক্টর, ভলান্টিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন ফর বাংলাদেশ
13/10/2023
জীবনে আমাদের অসংখ্য জায়গায় কষ্টের সাথে সংগ্রাম করে টিকে থাকতে হয়!
আমরা দেখিঃ
১. জন্মের সময় অনেকের মা মারা যায়।
২. অনেকের বাবা-মা আলাদা থাকেন।
৩. অনেকে ছোটবেলায় অনেক বুলিং হয়। টিচাররাও অনেক বুলিং করে। দেখা গেছে, কাছের মানুষ এবিউজ করে।
৪. অনেকে বড় হয়; এফেয়ার হয়। GF,BF চিট করে। অনেকের বিয়ে হয় না। (২,৪ বছরে যত গুরুত্বপূর্ণই হোক রিলেশনে জড়িয়ে আছে ১০০% আবেগ। বিয়েতে সোসাইটি, ফ্যামিলির স্বীকৃতি থাকে। দায়িত্ববোধের ব্যাপার থাকে। রিলেশনে যেটা থাকে না। লুকিয়ে আবেগ মেটাতে হয়! এখনকার রিলেশন অধিকাংশই ফেইক ; অনেকটা ড্রেস পাল্টানোর মত করে GF,BF পাল্টায়! )
৫. বিয়ে হয়;বাচ্চা হয় না। বাচ্চা হয়; বাচ্চাটা অটিস্টিক হয় ; বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হয়।
৬. অনেকের হঠাৎ করে পা ভেঙে যায়।
৭. অনেকের চাকরি হয় না। চাকরি হলেও প্রমোশন হয় না। অনেকের বসটা খারাপ আসে।
জীবনে কখনো না কখনো এসব ঘটনার মধ্যে দিয়ে হারতে হয়। দেখা গেছে, শেষ বয়সে কিডনী রোগ হয়, ক্যান্সার, ডায়বেটিস হয়৷
সুইসাইডাল থটকে যেভাবে চিহ্নিত করা যায়ঃ
১. হোপলেস কথাবার্তা বলা।
২. কন্সট্যান্টলি Anxious থাকা।
৩. ঘুম কমে যায় বা বেড়ে যায়।
৪. ক্ষুধা কমে যায়।
৫. ওয়েট লস হওয়া।
আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো অহংকারী করে তোলে ; ইগো ইস্টিক করে তোলে। কেউই রিজেকশন আশা করে না। এক ডিপার্টমেন্ট অন্য ডিপার্টমেন্টকে ছোট ভাবে। অনেকে হীনমন্যতায় ভোগে।
মা-বাবা তাদের অতৃপ্ত আশা চাপিয়ে দেয় ছেলেমেয়ের উপর৷ অমুক জব, এত বেতন এই সেই হতে হবে না হলে জীবন শেষ!
আমরা অনেক কিছুই চাই;কিন্তু আমরা তা পাবো না; এটাই লাইফের ভিত্তি।
সমস্যা, যন্ত্রনা একাকীত্ব কমবেশি সবারই তো আছে। মৃত্যু কি কখনো সলুশন হতে পারে?
আমাদের জীবনটা এক অর্থে তুচ্ছ। কারণ,মৃত্যুর পর পোকামাকড় খাবে।
২য় অর্থে, জীবনটা মূল্যবান।কারণ, আল্লাহ আমাদের তৈরি করেছেন। তার মানে এই না যে, আপনি যা চান আল্লাহ তাই আপনাকে দিবে। হতে পারে, আল্লাহ আপনাকে ফ্যামিলির জন্য, এলাকার জন্য তৈরি করেছেন।
লাইফ নিয়ে আরেকটু ভেবে দেখা যেতে পারে।
জীবনের সবকিছু ছেড়েছুড়ে দিয়ে,, একটু এলেমেলো ঘুরে আশেপাশে দেখা যেতে পারে। কত মানুষ জীবনে শুধু টিকে থাকার জন্য নিরবে সব সহ্য করে যাচ্ছে।
১. মানসিক সেন্টারে যাওয়া যায়।সেখানে গিয়ে হতে পারে আপনার চেয়ে অনেক বেশি সমস্যা/অসহ্য যন্ত্রনার মানুষের কথা শুনে আপনার নিজের সমস্যাকে হয়ত তেমন সমস্যাই মনে হচ্ছে না৷
২. হাসপাতাল যাওয়া যায়। একটুকু অক্সিজেন দিয়ে আর কয়েক সেকেন্ড পর যিনি মারা যাবে তাকে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে।
৩. ধর্মীয় উপাসনালয়ে যাওয়া যায়।
৪. কবরস্থানে যাওয়া।
আর যা যা করা যায় মানসিকভাবে ভালো থাকার জন্যঃ
১. স্বেচ্ছাসেবী কাজ করা যায়।
২. পথশিশুদের নিয়ে """।
৩. উইমেন রাইটস """'।
৪. বাচ্চাদের শিক্ষা """"।
৫. যা ভালো পারি তাই নিয়ে সেবামূলক কাজ করা যায়।
৬. সোশ্যাল মিডিয়া, ইউটিউবে স্মার্টলি ব্যবহার করা যায়।
বি.দ্রঃ ইউটিউবের একটা লেকচার থেকে লেখাগুলো নেওয়া হয়েছে।
12/10/2023
মাথা কাটা ডাব নয়! ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের ছিমছাম মোহনীয় কুটির! 🏝️🏝️
ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
11/10/2023
আপনি কি আপনার সন্তানের জন্য অভিজ্ঞ টিউটর পাওয়া নিয়ে চিন্তিত?
আমরা দিচ্ছি সমগ্র ঢাকায় সবচেয়ে সেরা টিউটরের নিশ্চয়তা।
আমাদের রয়েছে বুয়েট, রুয়েট, মেডিকেল, ঢাবি, জাবির অভিজ্ঞ টিউটর মিলে স্পেশাল টিম৷ ডেমো ক্লাস দেখে যাকে ভালো মনে হবে তাকে চাইলে টিচার হিসেবে নিতে পারবেন।
সেরা টিউটরের সান্নিধ্যে আপনার সন্তান সেরা স্টুডেন্ট হয়ে উঠবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
দক্ষ টিচার পেতে প্রয়োজনে নিচের কার্ড টি সংরক্ষণ করতে পারেন অথবা ফোন দিতে পারেন 01795628958 /01580522785 এই নম্বরে।
11/10/2023
৫ম - ৯ম শ্রেণির মেয়ে শিক্ষার্থীদের সম্মানিত অভিভাবকমণ্ডলীর দৃষ্টি আকর্ষণ।
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতন হই।
16/08/2023
এসএসসির ফল বিপর্যয়ে ক্ষোভ জোরালো হচ্ছে, তদন্তের দাবি রাজধানীর খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে এবার এসএসসি পরীক্ষার ফলে বিপর্যয় ঘটেছে বলে মন...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka