Proactive Academy BD

Proactive Academy BD

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Proactive Academy BD, Education, Dhaka.

08/06/2024

আল্লাহ আমাদের সবাইকে আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন

Photos 29/01/2017

ইমেল মাকেটিং করতে গেলে কি কি বিষয় জানতে হবে?
১। আপনাকে প্রথমে একটা লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে যে আপনি ইমেইল মার্কেটিং শিখবেন কি না। কারন আজ ইমেইল মার্কেটিং বা এসইও, কাল প্রোগ্রামিং পরশু মোবাইল আপস তৈরি তার পরদিন আরেকটা বিষয় এভাবে করলে কোন দিনই কোন কিছু ভালভাবে শিখতে পারবেন না। সুতরাং যে কোন একটা বিষয়ে ফোকাস দিন তাহলে সফলভাবে শিখে আয় করতে পারবেন ।
২। কোন কিছু শেখার আগে আপনাকে একটি প্লান করতে হবে । কারন পরিকল্পনা সারা কাজ করলে বেশী দূর আগাতে পারবেন না । প্লান করার সময় চিন্তা করবেন যে, কোন কাজটি আপনি করতে চান ইমেইল টেমপ্লেট ডিজাইন, রাইটিং, লিস্ট বিল্ডিং, ইমেইল সেন্ডিং না ইমেইল মার্কেটার অ্যাডভাইজিং তা আগে ঠিক করুন এবং কাজটি শেখার জন্য কতটুকু সময় দিতে পারবেন তা হিসাব করে পরিকল্পনা তৈরি করুন । কারন আপনি যদি ৩০ মিনিট সময় দিয়ে মাসে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখেন তা হলে কোন লাভ হবে না । আপনার পরিকল্পনা ও সময়ের সমন্বয় থাকতে হবে ।
৩। পোস্টগুলো কপি করে ও ভিডিও টিউটোরিয়ালগুলো ডাউনলোড করে কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে সেভ করে রেখে দিলে বা সব একবারে শিখবেন এই চিন্তা করলে কখনই ইমেইল মার্কেটিং আর শেখা হবে না । তাই শিখতে শিখতে এগিয়ে যেতে হবে । লক্ষ্য নির্ধারণ ও প্লান করার পর আপনি আপনার নির্ধারণ করা কাজটি শেখার শুরু করে দিবেন ।
৪। আপনি কাজটি কেমন শিখলেন বা শিখতে গিয়ে কোন প্রবলেমে পরলেন তা নিয়ে গ্রুপে গ্রুপ ডিসকাশন করে সমাধান করে নিতে পারবেন আপনার সমস্যাগুলি । এতে একজন আরেকজনের প্রতি inspire হয়ে সামনে এগিয়ে যেতে পারবেন । হতে পারবেন একজন সফল ও দক্ষ ইমেইল মার্কেটার ।
ইমেইল টেম্পলেটঃ ইমেইল টেমপ্লেট তৈরিতে ফটোশপ, এইচটিএমএল ও সিএসএস এর ব্যবহার ও প্রয়োগ, MailChimp দিয়ে ইমেইল টেমপ্লেট তৈরি, টেমপ্লেট এডিট করে নতুন ইমেইল টেমপ্লেট তৈরি, ফটোশপ দিয়ে কিভাবে পিএসডি ইমেইল টেমপ্লেট তৈরি করতে হয়, এইচটিএমএল ও সিএসএস দিয়ে কিভাবে ইমেইল টেমপ্লেট তৈরি করতে হয় এবং কিভাবে পিএসডি টু এইচটিএমএল ইমেইল টেমপ্লেট তৈরি করতে হয়। ফটোশপ, এইচটিএমএল ও সিএসএস দিয়ে ইমেইল টেমপ্লেট তৈরির সকল কলাকৌশল । ভয় পাবেন না, ফটোশপ, এইচটিএমএল ও সিএসএস এ মাস্টার হতে হবে না । খুব অল্প কিছু এইচটিএমএল, সিএসএস কোড ও ফটোশপ কিছু টুলস ব্যব্যহার জানলেই হবে যা আপনি সহজে শিখতে পারবেন

Photos 29/01/2017
Photos 28/01/2017

পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসি ব্যবহার করার এক পর্যায়ে তার গতি কমতে থাকে। এ লেখায় থাকছে পিসির গতি পুনরুদ্ধারের ১০টি উপায়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।
১. ক্লিনআপ প্রোগ্রাম কম্পিউটারে জমা হওয়া অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো পিসির গতি কমিয়ে দেয়। এ গতি ঠিক করতে পারে ক্লিনআপ প্রোগ্রাম। এক্ষেত্রে ‘সিসিক্লিনার’ হতে পারে একটি ভালো সমাধান।
২. অপ্রয়োজনীয় অ্যানিমেশন ও ভিজুয়াল এফেক্ট দূর করুন খুব দ্রুতগতির কম্পিউটার ছাড়া অ্যানিমেশন ও ভিজুয়াল এফেক্ট গতি কিছুটা কমিয়ে দেয়। আর এ গতি ঠিক করতে এসব বিষয় বন্ধ করে দেওয়াই ভালো। কারণ আকর্ষণীয় থিম ও অ্যানিমেশন আপনার পিসির গতি কমিয়ে দেবে।

৩. আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করুন কম্পিউটারের অ্যান্টিভাইরাস নিয়মিত আপডেট করুন। এরপর নিয়মিত ভাইরাস স্ক্যান চালান। অন্যথায় ভাইরাসের কারণে কম্পিউটারের গতি কমে যেতে পারে।
৪. বাড়তি র‌্যাম লাগান অল্প খরচে কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর একটি উপায় হলো বাড়তি র‌্যাম যোগ করা। এতে প্রায় সব কম্পিউটারের গতিই বেড়ে যায়।
৫. সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ হার্ড ড্রাইভের গতির কারণে কম্পিউটারের গতি কমে যেতে পারে। এ সমস্যার সমাধানে কম্পিউটারে সাধারণ হার্ড ড্রাইভের বদলে লাগান সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ। এটি কম্পিউটার চালু হওয়ার গতিও বাড়াবে।
৬. স্টার্ট আপ সফটওয়্যার কমান কম্পিউটার স্টার্ট করার সময় যেসব সফটওয়্যার চালু হয় সেগুলো লক্ষ্য করুন। এখানে বেশি সফটওয়্যার থাকলে তা কম্পিউটারের গতি কমিয়ে দেবে। এজন্য স্টার্ট মেনু থেকে “msconfig” টাইপ করুন। এরপর “Startup”-এ যান। এখানেই কম্পিউটার চালুর সময়কার সফটওয়্যারগুলো পাবেন। তবে এখান থেকে যে কোনো কিছু ডিলিট করার আগে ভালোভাবে জেনে নিন। অন্যথায় তা কম্পিউটারের সমস্যা তৈরি করতে পারে।
৭. ক্লিন উইন্ডোজ ইনস্টল করুন আপনার কম্পিউটারে যদি অসংখ্য সফটওয়্যার ও ভাইরাসের ছড়াছড়ি থাকে তাহলে তার সব সফটওয়্যার নতুন করে ইনস্টল করাই ভালো। এজন্য উইন্ডোজের ইনস্টলের সিডি বা ইউএসবি স্টিক সংগ্রহ করুন। এরপর নির্দেশনা অনুযায়ী ইনস্টল করুন। সম্ভব হলে হার্ড ডিস্কের একটি পার্টিশন সম্পূর্ণ ফরম্যাট করে নতুন করে সেখানে উইন্ডোজ ইনস্টল করুন।
৮. ব্রাউজারের ক্যাশ পরিষ্কার করুন আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজারে যদি নিয়মিত ওয়েবসাইট ভিজিট করেন তাহলে এর ক্যাশে বহু ফাইল জমা হতে পারে। এ ফাইলগুলো দূর করার জন্য সেটিংস মেনু থেকে হিস্টোরিতে যান। এরপর ক্লিয়ার হিস্টোরিতে ক্লিক করুন। সেটিংসটি বিভিন্ন ব্রাউজারে বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। তবে একটু খেয়াল করলেই তা খুঁজে পাবেন।
৯. সার্চ ইনডেস্ক রিফ্রেশ কম্পিউটারে সংরক্ষিত বিভিন্ন ফাইল খুঁজে বের করার সময় কমাতে সার্চ ইনডেস্ক রিফ্রেশ করা প্রয়োজন। এজন্য উইন্ডোজের ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার নিয়মিত (সাধারণ ব্যবহারে সপ্তাহে একবার) চালাতে হবে।
১০. রিস্টার্ট করুন আপনার কম্পিউটার যদি দীর্ঘক্ষণ একনাগাড়ে চলে তাহলে গতি কমে যেতে পারে। এক্ষেত্রে সমাধান হলো রিস্টার্ট করা।

Photos 27/01/2017

প্রোগ্রামিং কি ?
কম্পিউটারকে প্রথমে প্রোগ্রামটা লিখে দেয়া হয়ে ফলে এটা কম্পিউটারকে পরে করতে বললে কম্পিউটার ওটা করতে পারে। সবচেয়ে ভাল উদাহরণ হচ্ছে ক্যালকুলেটর । ক্যালকুলেটর এর জন্য যে প্রোগ্রাম করে দেয়া আছে সেটা ক্যালকুলেটর বারবার করতে পারে। কম্পিউটার এর বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার , গেম , আপস প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে তৈরি করা হয়ে থাকে। প্রোগ্রামিং করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হয় । বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেমন
 সি (c)
 সি++(c++)
 জাভা(java)
 পাইথন(python)
 পিএইচপি(php) ইত্যাদি

সি ল্যাঙ্গুয়েজ কে বলা হয় প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর মা (mather of computer programming language)। আমাদের কম্পিউটার এর প্রায় সব ধরনের operating system সি ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে তৈরি করা। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট গুলো html,php,css,javascript ইত্যাদি দিয়ে তৈরি করা হয়ে থাকে।

Photos 26/01/2017

কম্পিউটারের সব ধরনের ভাইরাস দূর করার উপায়!

কম্পিউটার ব্যাবহারকারীর মধ্যে আমরা অনেকেই জানি উইন্ডোজ সেটাপ দিলে শুধু সিস্টেম ড্রাইভ অর্থাৎ যে ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করা আছে সেটি ফরম্যাট হয়। অন্য ড্রাইভগুলো অপরিবর্তিত থাকে। ফলে সিস্টেম ড্রাইভে যদি ভাইরাস থাকে, তা ডিলিট হয়ে যায়, কিন্তু অন্য ড্রাইভের ভাইরাস গুলো আগের মতই পিসিতে সংসার বেঁধে বসে থাকে। তার উপর অনেক ভাইরাস এতই মারাত্বক হয় যে, তার জন্য এন্টিভাইরাসই ইন্সটল করা যায় না, তাহলে পিসির এসব ভাইরাস পিসিতেই থাকবে।
আপনার প্রশ্নঃ তাহলে কিপিসি ফরম্যাট করা (কম্পিউটারের সব ডাটা জলাঞ্জলি দেয়া) ছাড়া কোনো উপায় নেই?
উত্তরঃ অবশ্যই আছে। সাধারণত যে সকল ভাইরাস আপনার পিসিতে এন্টিভাইরাস ইন্সটল করতে দেয় না বা আপনার এন্টিভাইরাস দিয়েও যায়না তার কারণ, তারা আপনার পিসিতে সক্রিয় আছে বলেই তারা আপনাকে এন্টিভাইরাস ইন্সটল করা থেকে বিরত রাখতে পারে আর আপনার এন্টিভাইরাস এর ক্ষমতাকেও হারাতে পারে। সুতরাং, এমন কিছু করতে হবে যেনো, ভাইরাসগুলো সক্রিয় না থাকে।
পিসিতে ভাইরাস তখনই সক্রিয় হয়,যখন আপনি আপনার পিসির ড্রাইভগুলো ওপেন করেন। ধরুন, আপনার পিসিতে সিস্টেম ড্রাইভ ছাড়া অন্য ড্রাইভে ভাইরাস আছে। এখন আপনি যদি ওইন্ডোজ সেটাপ দিয়ে আবার আপনার ড্রাইভগুলো ওপেন করেন, তাহলে ভাইরাসগুলো আবার সক্রিয় হবে।
ভাইরাস দূর করার উপায়
১) প্রথমেই আপনি উইন্ডোস সেটাপ দিন।
২) এখুনি মাদারবোর্ডের সিডির সফটওয়্যারগুলো (সাউন্ড,ল্যান,চিপসেট,ভিডিও) ইন্সটল করবেন না।
৩) ওইন্ডোজ সেটাপের পরে প্রথম যখন কম্পিউটারটি অন করবেন তখন “MY Computer” এ বা এর কোনো ড্রাইভেও যাবেন না। এর ফলে আপনার পিসির ভাইরাসগুলো সক্রিয় হবে না।
৪)এখন এন্টিভাইরাসের সিডি অথবা পেনড্রাইব থেকে এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যারটি ইন্সটল করুন। পেনড্রাইভ কম্পিউটারে প্রবেশ করানোর সময় shift প্রেস করে রাখুন যেনো তা নিজ থেকেই ওপেন না হয়।
৫) এখন “MY Computer” থেকে প্রত্যেকটি ড্রাইভ থেকে স্ক্যান করলেই ভাইরাস গুলো মুক্ত হয়ে যাবে। তবে সতর্ক থাকতে হবে যে স্ক্যান করার আগে যেন কোন ড্রাইব ওপেন না হয়। এতে অন্যড্রাইভের ভাইরাসগুলো সক্রিয় হয়ে যেতে পারে।
এই নিয়মে আপনার কম্পিউটারের অনেক ভাইরাস চলে যাবে আশা করি। আর আপনার উইন্ডোস এর সিডি যদি Auto-MotherBoard Software গুলো ইন্সটল করে তবে আপনাকে এমন এক সিডি নিতে হবে যেটা তা করেনা। একবার কাজটা করে ফেলে আপনি আবার আপনার পছন্দের ভার্সন এ চলে যেতে পারেন।

Photos 26/01/2017

বিন্দু থেকে সিন্ধু হওয়া কালজয়ীদের গল্প

সফলতার গল্প মানুষকে স্বপ্ন দেখায়।
আমাদের এই উপমহাদেশে এক সময় ক্রীতদাস বা হাবসিদের শাসন ছিল, যাদের অনেকেই প্রথম জীবনে ক্রীতদাস হিসেবে মানবেতর জীবনযাপন করেছেন। পরবর্তীকালে আপন যোগ্যতাবলে নিজেকে মেলে ধরতে সক্ষম হন। এদের মধ্যে সুলতান ইলতুৎমিশ ও কুতুবউদ্দিন আইবেক শাসক হিসেবে ইতিহাসে যথেষ্ট মর্যাদার অধিকারী।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন প্রথম জীবনে ছিলেন কাঠুরিয়া। অসামান্য মেধা ও কর্তব্যপরায়ণতা তাকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে উন্নীত করে। মার্কিনিদের মতে, লিংকন শুধু প্রেসিডেন্টই নন; এক আদর্শেরও নাম। আমেরিকায় বহু প্রেসিডেন্ট দেশ শাসন করেছেন ও করবেন। কিন্তু তাদের কেউই লিংকনকে কখনো অতিক্রম করতে পারবেন না।
এ দেশেরই আরেক প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট ছিলেন পঙ্গু। দেশের অর্থনীতি যখন বিধ্বস্ত, সে অবস্থায় তিনি হাল ধরেন। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে মিত্রশক্তির পক্ষে আমেরিকার যোগদান যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। শারীরিকভাবে অক্ষম হলেও প্রবল ইচ্ছাশক্তি রুজভেল্টকে একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তুলে ধরে।
নয়া চীনের প্রতিষ্ঠাতা মাও সেতুং ছিলেন গরিব মুদি দোকানির ছেলে। সীমাহীন দারিদ্র্যের মধ্যে বড় হয়েছেন এই বিপ্লবী নেতা। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার দিক থেকেও তিনি ছিলেন পিছিয়ে। স্কুল পর্যন্ত পড়াশোনা করেই তাকে ক্ষান্ত দিতে হয়েছে। কিন্তু রাজনীতি, সমাজতত্ত্ব ও দর্শন শাস্ত্রের ক্ষেত্রে মাওয়ের কৃতিত্ব তার কথা সমালোচকরাও স্বীকার করেন। মাওয়ের এ শ্রেষ্ঠত্ব পৈতৃক পরিচয়ের সূত্রে আসেনি। অর্জিত হয়েছে নিজের কৃতিত্ব ও অধ্যবসায়ের গুণে।
কৃষ্ণ-আফ্রিকার মুক্তি আন্দোলনের এক মহান নাম শ্যাম নাজোমা। স্বাধীন নামিবিয়ার রাষ্ট্রপিতা ও প্রেসিডেন্ট নাজোমা এক সময় ছিলেন সামান্য নাপিত। সেলুনে চুল-দাড়ি কাটতে কেউ এলে তিনি তাদের সঙ্গে কীভাবে দেশের স্বাধীনতা অর্জন করা যায়, এ নিয়ে মতবিনিময় করতেন। অবশেষে একদিন সেলুন ফেলে দেশের কাজে নেমে পড়েন। গড়ে তোলেন রাজনৈতিক দল। সশস্ত্র মুক্তি সংগ্রামও শুরু হয় তার নেতৃত্বে। অবশেষে আসে স্বাধীনতা।
দুনিয়ার অন্যতম সেরা জাতি হিসেবে ইংরেজদের পরিচিতি স্বীকৃত। এক সময় ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে সূর্য অস্ত যেত না। এই ব্রিটেনেরই সাবেক প্রধানমন্ত্রী জন মেজর। বাবা ছিলেন সার্কাস দলের সামান্য কর্মী। অর্থাভাবে অষ্টম শ্রেণীর বেশি পড়াশোনা করতে পারেনি। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি বাসের কন্ডাক্টর হওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু অংকে কাঁচা যুক্তিতে চাকরি হয়নি। পরবর্তীকালে এই জন মেজরই ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী হন। যে যুবকটি অংকে পারদর্শী নয় বলে বাসের কন্ডাক্টর হতে পারেনি, পরবর্তী সময়ে তিনিই ব্রিটেনের মতো দেশে অর্থনীতির হাল ধরেন। এখানেই থেমে যায়নি জন মেজরের অগ্রযাত্রা। পরে প্রধানমন্ত্রীর পদেও অধিষ্ঠিত হন তিনি।
ফুটবলের কিংবদন্তি পেলে, ম্যারাডোনা, রোনাল্ডো এ তিনজনই বস্তির ছেলে। এদের ছোটবেলা কেটেছে ছেঁড়া জামা-কাপড় পরে। রোনাল্ডোর বাবা-মা এতই গরিব ছিলেন যে, তার জন্মের পর নাম রেজিস্ট্রি করতে দু’দিন দেরি হয়। শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেট দলের সুপারস্টার জয়সুরিয়ার বাবা ছিলেন একজন জেলে।
বিশ্বসাহিত্যের কৃতী পুরুষ ম্যাক্সিম গোর্কি কামারশালা, এমনকি জুতার দোকানেও কাজ করেছেন। কিন্তু এ আভিজাত্যহীনতা আপন প্রতিভাকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়নি।

Photos 25/01/2017

ব্লগিং হচ্ছে এমন এক ধরনের ব্যাবসা যেখানে আপনাকে আগে ভাল মানের তথ্য সমৃদ্ধ একটি ব্লগ (ব্লগ হচ্ছে এক ধরনের ওয়েবসাইটে যেখানে নিয়মিত বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি হয়ে থাকে) তৈরি করতে হবে, যেখানে আপনি বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করবেন। এতে করে প্রতিনিয়ত আপনার শেয়ার করা তথ্যগুলো জানার জন্য অনেকেই আপনার সাইটে আসতে থাকবে। ধীরে ধীরে আপনার ব্লগ জনপ্রিয় হয়ে উঠলে আপনি সেই ব্লগে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন বসিয়ে আপনি আপনার ব্লগ থেকে আয় করতে পারেন।
ধরুন- আপনার একটি শিক্ষা বিষয়ক ওয়েবসাইট আছে। এই ওয়েবসাইটে আপনি নিয়মিত বিভিন্ন শিক্ষণীয় বিষয় নিয়ে লিখালিখি করেন। আর আপনার এই লিখা পড়ার জন্য এক জন দুজন করে রোজ আপনার সাইটে বিভিন্ন লোক আসে, কারন আপনার লিখাগুলো মানসম্মত এবং এখান থেকে মানুষেরা উপকৃত হয়। তো এমন এক সময় আসবে যখন একজন দুইজন করতে করতে প্রচুর লোক আপনার লিখা পড়ার জন্য নিয়মিত আপনার ওয়েবসাইটে আসবে।
এমতাবস্থায়, যেহেতু আপনার সাইটে বিভিন্ন ধরনের লোক প্রতিদিন ভিজিট করে তাই বিভিন্ন কোম্পানীর বিজ্ঞাপন আপনার ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করিয়ে আপনি সেখান থেকে আয় করতে পারেন। ব্যাপারটা অনেকটা সংবাদপত্রের মত। বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ পড়ার সময় আমরা বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন দেখতে পাই। যে পত্রিকার পাঠক যত বেশি তার বিজ্ঞাপন রেট তত বেশি এবং আয়ও তত বেশি। ঠিক একই ভাবে আপনার সাইটের ভিজিটর বা পাঠক যত বেশি হবে আপনার সাইটের বিজ্ঞাপন রেটও তত বেশি হবে এবং আপনার আয়ও তত বেশি হবে। পত্রিকা এবং আপনার মধ্যে পার্থক্য শুধু এই জায়গায় পত্রিকা গুলো হচ্ছে অফলাইন আর আপনার ওয়েবসাইট হচ্ছে অনলাইন। অবশ্যই এখন প্রায় সকল জাতীয় পত্রিকা গুলোরই অনলাইন ভার্শন রয়েছে এবং তাদের ওয়েবসাইট গুলোতে গেলে আপনারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেখতে পাবেন যেগুলো দিয়ে তারা আয় করে চলেছে।

Photos 25/01/2017

♣♣ মার্কেটিং এর ৫ কৌশল...

১। টার্গেটেড গ্রাহকঃ
মার্কেটিং এর প্রধান কৌশল হল টার্গেটেড কাস্টমার নিরধারন করা। আপনি কি পরিবেশন করেন তা সবসময় পরিষ্কার উত্তর দিতে হবে। একটি ভাল লক্ষ্যের দিকে মননিবেশ করা প্রথম দিকে অস্বস্তিকর মনেহতে পারে। কিন্তু এটাতে লেগে থাকুন, অনুসরণ করুন। এক হিসাব রক্ষক ২ বছর ধরে পরিবর্তন এনেছে, তার ব্যবসাকে ৩গুন করেছে। যদি আপনি মার্কেটিং এ, সময় এবং অর্থ ব্যয় করেন কিন্তু ফলাফল মানে, ভাল সেল পান না। তাহলে সমস্যাটা হল আপনার সার্ভিস । যার ফলে ভাল ফলাফল পাচ্ছেন না। আপানি আপনার সার্ভিসের উপর ভালভাবে ফোকাস করুন। আপনার ব্যবসায় ভাল ফল পাবেন।
২। ব্যবসার ধরণ/ক্যাটাগরিঃ
ক্যাটাগরি হচ্ছে ব্যবসার ধরণ বা বিবরণ যা আপনি কি করেন। কয়েকটি শব্দ বা বাক্য যা আপনার পুরো ব্যবসার বর্ণনা করবে।
অনেক ব্যবসায়ি তার কোম্পানির বর্ণনাটা সহজতর করতে পারে না। যার কারণে আপনি কি করেন মানুষ বুজতে পারে না। এটা মার্কেটিং প্রবৃদ্ধির অন্তরায়। এটা সাধারণ নিয়মঃ যদি কেউ পরিষ্কার ভাবে বুজতে না পারে আপনার ক্যাটাগরি, তাহলে আপনি কখনই ভাল সেল করতে পারবে না। ক্যাটাগরির সঠিক বর্ণনা মার্কেটিং এ সাহায্য করবে এবং সেল বৃদ্ধিতে প্রভাব পরবে। চিন্তা করুন কি হতে পারে আপনার ক্যাটাগরি । একটি প্রধান ক্যাটাগরি বাহির করুন। প্রধান ক্যাটাগরি নির্বাচন করতে পারেন নাই, তাহলে ছোট করে ফেলুন ক্যাটাগরি লিস্ট অথবা টার্গেট মার্কেট । একটি লেজার নির্দেশ দিয়ে ইস্পাত ভেদ করা যায়। কিন্তু লক্ষ্য স্থির না থাকলে কোন প্রভাবই পরবে না। লেজারটা মনে করেন আপনার ফোকাস।
৩। অন্যান্য সুবিধাঃ
অন্যান্য সুবিধা অবশ্যই হাইলাইট করতে হবে। ১টা অথবা ২টা এর বেশী না। এর মাধ্যমে টার্গেটেড কাস্টমার কি চায় তা বুঝানো। infosoft এ আমরা কাস্টমারদেরকে যারা বিক্রয় বৃদ্ধি এবং সময় বাঁচাতে চায় তাদেরকে শত বেনিফিট অফার না করে মাত্র ৩টা প্রধান বেনিফিট অফার করি। এবং বুঝিয়ে দেই যে এটা দিয়ে আরও অনেক কিছু করা হয়। এটা অনেক ভাল এবং এই মার্কেটিং অনেক কাজের।
৪। আসল প্রতিদ্বন্দ্বীঃ
যখন কেউ কোন সমাধান কিনতে চায় তখন সে খুব সহজেই আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীর সাথে আপনার পণ্যের তুলনা করে। তবে অনেক উদ্যোক্তাই জানেনা যে তাদের প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বী কারা এবং তাদের ম্যাসেজ ফোকাস করে না। ক্রেতাকে পরিষ্কার বর্ণনা/পার্থক্য উল্লেখ করে না। আপনার নিজের মনে অবশ্যই পরিষ্কার থাকতে হবে যে কে আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী। যদি আপনি একজন অ্যাকাউনটেনট হন তাহলেঃ নিজের শহরে কি অন্য আকাউনটেনট আছে? জাতীয় কর নিরীক্ষক চেইন? DIY tax software? অন্যান্য financial planner? প্রতিটি কাম্পিটিটর কে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে তুলনা করতে হবে।
৫। কিভাবে আপনি অন্যদের থেকে আলাদা?
যখন আপনি কাম্পিটিটর নির্ধারণ করে ফেলবেন তখন একটা লিস্ট করবেন। আপনি যা করেন, অন্যদের থেকে ভাল। তারপর লিস্ট টা রেংক করবেন যা টার্গেটেড কাস্তমারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, প্রথম থেকে ১ টা অথবা ২ টা নিয়ে homepage এ শো করবেন ।

25/01/2017
Photos 24/01/2017

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট করার জন্য কি কি শেখা প্রয়োজন ?
• HOME
• WEB DEVELOPMENT


ওয়েব ও সফটওয়্যার ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট এর জন্য প্রথমতো আমাদের যে দুটি ল্যাংগুয়েজ জানা প্রয়োজন তা হলো –
১। এইচটিএমএল এবং
২। সিএসএস
এই দুটোই মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ, কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নয়। এ দুটো ল্যাংগুয়েজ দিয়ে আপনি একটি Static ওয়েব সাইট বা সফটওয়্যার তৈরি করতে পারবেন।
পরবর্তিতে আপনি যখন
৩। পিএইচপি এবং
৪। এসকিউএল
এখানে পিএইচপি একটি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এবং এসকিউএল ডাটাবেস ল্যাংগুয়েজ। এই দুটোই ল্যাংগুয়েজ শিখলে আপনি একটি Dynamic ওয়েব সাইট অথবা সফটওয়্যার তৈরি করতে পারবেন।
এরপর আপনি
৫। জাভাস্ক্রিপ্ট ল্যাংগুয়েজ শিখলে আপনি একটি আকর্ষনীয় ও দৃষ্টি নন্দন ওয়েব সাইট অথবা সফটওয়্যার তৈরি করতে পারবেন।
তাছাড়া ওয়েব ও সফটওয়্যার ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট করার সময় আপনাদের বিভিন্ন গ্রাফিক্স এর কাজ করার প্রয়োজন হবে।
সেজন্য- PhotoShop, Illustrator বা Graphics এর কাজ মোটামুটি জানা থাকা উত্তম।
এছাড়াও আমরা চাইলে সি, পাইথন অথবা ভিজুয়াল বেসিক দিয়ে সফটওয়্যার তৈরি করতে পারি। তবে Speed এর কথা ভাবলে সি দিয়ে সফটওয়্যার অথবা Application তৈরি করা সব ছেয়ে উত্তম।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Dhaka
1205