Jagannath University - JnU Unofficial

Jagannath University - JnU Unofficial

Share

Jagannath University Unofficial page. This Page is not verified bt trusted.

বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত যে কোন তথ্যের জন্য আমাদের সাথে থাকুন এবং জিজ্ঞাসা করতে ইনবক্স করুন। ধন্যবাদ

26/09/2025

হারিয়ে যাওয়া একঝাঁক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (তৎকালীন কলেজ) এর বন্ধুদের খোঁজে

হারানো বন্ধুদের খুঁজতে দু কলম লিখতে চেষ্টা করলাম।
এই পেইজটির লেখা গুলো নিয়মিত পড়ি ও মাঝে মধ্যে কমেন্টও করি।মনে মনে ভাবি কিছু লিখবো।

কিন্তু ভয় হয় লিখলে যদি সবার মত বন্ধুদের খুঁজে না পাই আশাহত হওয়ার ভয়ে লেখার সাহস পাইনা।

ছাত্র জীবনে কাটানো সেরা সময়গুলোর একঝাঁক হারানো বন্ধুদের উদ্দেশ্যে আমার এই লেখনী।যে সব বন্ধুদের সাথে ছাত্র জীবনের ইতি টেনে ছিলাম!!অনেক সময় দম বন্ধ হয়ে আসে সেই চিরচেনা মুখ গুলো আর কোনদিন দেখতে পাবো না!

১৯৯৪ সাল হতে ১৯৯৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর পযন্ত একসাথে প্রায় ৬টি বছর কাটিয়ে ছিলাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে দর্শন বিভাগে (এমএ)।১৯৯৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর ভাইভা শেষ হবার পর এই পরিচিত ক্যাম্পাস হতে বিদায় নিলাম। পরীক্ষার রেজাল্ট দিলো সেদিন কাউকে পেলাম না।
এরপরে আবার মার্কসিট আনতে গেলাম ঐ পাঁচ তলার সিড়ি বেয়ে কিন্তু সেদিন ও কাউকে পেলাম না।শুধু পেলাম আমাদের সম্মানিত শিক্ষকদের যেমন,মমতাজ মহল, আছিয়া খাতুন, সালেহা খাতুন, রাজিয়া বেগম ও আবদুল হাই স্যারদের ও অফিস সহকারীদের।ঢাকার ও মানিকগঞ্জের ৫/৬ ছাড়া সবাই হারিয়ে গেল। কিন্তু ২০ সালের পর ৭/৮ জনের সাথে হটাৎ আবার দেখা।বন্ধু রিপন একজনের মোবাইল নম্বর আমাকে দিল আমি একে একে সেই সংখ্যা এখন ১৮ তে নিয়ে গেছি। এভাবে আজও সব বন্ধুদের মিস করি।প্রিয় মুখ গুলো আজ পাশ দিয়ে হেটে গেলেও চিনবো না কারন সবার বয়স ৫৩+, চেহারায় অনেক পরিবর্তন হয়েছে।

জানি না এই পেইজ এর মাধ্যমে আমার চিরচেনা মুখ গুলো আবার দেখতে পাবো কি না? আবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বসে কাঁঠাল গাছের নিচে বসে সেই আড্ডা হবে কিনা!! চিরচেনা মুখ গুলো পাই বা না পাই তবুও আমার খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা চলবেই।
💖💖💖💖
বিঃদ্রঃ এই পেইজে যদি আমার হারিয়ে যাওয়া কোন বন্ধু থাকো তাহলে ফোন দিও।
মো: কামাল হাওলাদার
❤️❤️❤️❤️
সাবেক ছাত্র
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ
(বর্তমানে,জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়)
দর্শন বিভাগ ( এমএ)
ফাইনাল পরীক্ষা :১৯৯৯ ইং সাল।
WhatsApp number : +8801716-822-454

24/07/2025

জুনায়েদের বলা শেষ কথাগুলো 😔😭

"আম্মু আমি আজ স্কুলে যাবো না।”

৭ বছরের বয়সী জুনায়েদের কথা শুনে মা ধ'ম'কে বললেন,

“একদম না যাওয়ার বায়না ধরবে না জুনায়েদ। যেতে হবে, চলো রেডি হও।”

“মা, ভালো লাগছে না আমার। কাল থেকে যাই?”

“না, বাবা এখনি যেতে হবে। স্কুল থেকে আসার পর, তোমাকে নিয়ে ঘুরতে যাব। কেমন?”

জুনায়েদের চোখ চকচক করে উঠল। বলল,

“সত্যি!”

“হ্যাঁ, সত্যি।”

জুনায়েদকে স্কুলের জন্য রেডি করে মা, আর ছেলে বেরিয়ে পড়লো। স্কুল গেইটে জুনায়েদকে নামিয়ে মা হেসে বললেন,

“আম্মু, বাসায় গিয়ে চিকেন রান্না করব, তোমার জন্য। ঠিক আছে?”

“ওকে, আম্মু।”

জুনায়েদের মা, রান্না করছিল। হঠাৎ নিউজ পেল, জুনায়েদের স্কুলে বিমান ক্র্যাশ করেছে। হাত থেকে চিকেনের পাতিলটা পড়ে গেল। কাঁ'পা কাঁ'পা হাতে জুনায়েদের বাবাকে কল দিলো। তারপর, ছুটে বেরুলো ছেলেকে খুঁজতে। “জুনায়েদ, ঠিক আছেতো?”
তারপর? তারপর, ২ ঘন্টা খোঁজার পর, হঠাৎ দেখতে পেলো, “পো/ড়া দে'হ নিয়ে জুনায়েদ তার আম্মুর দিকেই এগিয়ে আসছে। মুহুর্তেই পড়ে গেল মা'টিতে। শেষ নি’শ্বা’স ত্যাগ করলো জুনায়েদ। কলিজা কাঁ/পি/য়ে দেওয়ার মত চিৎ’কা’র করে উঠল জুনায়েদের বাবা-মা। মা কান্না করতে করতে বললেন,

“আমার বাজান, আমার বাজানে, না করছিল আম্মু আজ আমি স্কুলে যাব না। আমি জো'র করে পাঠিয়েছি। আমার বাজানে আজকে বিকেলে ঘুরতে যাওয়ার কথা ছিল আমার সাথে। ওহ বাজান, চিকেন খাইবা না তুমি? আব্বা, আমারে নিঃস্ব করে তুমি কই চইলা গেলা আব্বা?”

জুনায়েদের আর বাসায় ফেরা হলো না, চিকেন খাওয়া হলো না, তার আম্মুর সাথে ঘুরা হলো না, আর, হোমওয়ার্কও করা হলো না। 🥺

© মারশিয়া জাহান মেঘ

মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা উত্তরা।
২১ জুলাই ২০২৫ ( ইতিহাসের কালো অধ্যায়)

23/07/2025

কবরের পাশে বসে আছে যে মেয়েটি। এটি অন্য কোনো মেয়ে নয়",এটি আমার একমাত্র বোন খাদিজা আক্তার (হুমায়রা) গত ৪ তারিখ আমার বোনের স্বামী রোড এক্সিডেন্টে ইন্তেকাল করেছেন। আমার বোনের হাজবেন্ড ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর একটি থানার সেক্রেটারি; তিনি নিজ থানার একজন রুকন ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে মূলত নিজে প্রাণ হারালেন। আর এরাই হলো ইসলামী আন্দোলনের কর্মী।

আমার বোন এ মৃ-ত্যু কোনভাবেই মেনে নিতে পারছেনা, স্বামীর মৃ-ত্যুর খবর শুনে হুঁশ হারিয়ে প্রায় ৮ ঘন্টা বেহুঁশ ছিলেন। দাপন সম্পন্ন করলাম। দাপনের পরের দিন কাউকে না জানিয়ে গোপনে আমার বোন সন্ধ্যার সময় স্বামীর কবরে গিয়ে স্বামীর কবরের সব মাটি নিজে সরিয়ে কবর থেকে স্বামীকে উঠিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরে রাখেন। পথিমধ্যে কয়েকজন পরিচিত ও এলাকাবাসী কান্নার আওয়াজ শুনে দৌড়ে যান। গিয়ে দেখতে পায় আমার বোন তার স্বামীকে কবর থেকে উঠিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরে কান্না করছেন। সাথে সাথে আমাদের কল দেয় সবাই দৌড়ে গেলাম। বোনকে শান্তনা দিয়ে জোর করে তুললাম। আবার মসজিদের ইমাম সাহেবকে এনে দাপনের ব্যবস্থা করলাম। দাপন করে বোনকে বাসায় আনার পর থেকে কড়া নিরাপত্তায় রাখলাম। অলটাইম বোনকে চোখে চোখে রাখি। প্রতিদিন ভাইয়ার কবর জিয়ারত করার সময় ফজরের সময় বোনকে নিয়ে যাই তার স্বামীর কবর জিয়ারত করার জন্য। ইচ্ছে মতো কান্না করে স্বামীর জন্য দু'আ করে বোন।

কিন্তু বোনকে সেদিন কবরের পাশে থেকে আনার পর থেকে আজ পর্যন্ত আমাদের কারো সাথে বোন আর কথা বলেনি। প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে বোন রবের কাছে দুহাত তুলে জাস্ট একটা দু'আ করতে শোনা যায় "হে আল্লাহ আপনি আমাকে আমার জানের কাছে আমার প্রিয়তমর কাছে নিয়ে যান। আমি আত্নহত্যা করতে চাইনা আল্লাহ, কিন্তু আমি আমার স্বামীকে ছাড়া থাকতে চাইনা। আল্লাহ আপনি যদি রহমান হয়ে থাকেন দযাকরে আমাকে আমার স্বামীর কাছে নিয়ে যান।

আজ ভোর ৫:১৫ এ আমার বোন নামাজের সিজদায় থাকা অবস্থায় চলে যান রবের জিম্মায়। বোনের দু'আ আল্লাহ তাআ'লা খুব দ্রুত কবুল করেছেন। এটি আমার ও আমার পরিবারের জন্য অনেক বেশি কষ্টের এবং শুন্যস্থান।

ভাবছিলাম এটি ফেসবুকে জানাবনা,তবুও কৌতূহল থেকে জানালাম। কেমন স্বামী ভক্ত স্ত্রী ছিলেন আমার বোন একবার চিন্তা করলে চোখ বন্ধ হয়ে আসে আর বর্তমান আমার দেশের নারীদের কথা চিন্তা করলে ঘৃণা জন্মায়। স্বামী দুনিয়ার জমিনে জীবিত থাকা অবস্থায় কোনোদিন স্বামী বাসায় আসার আগ পর্যন্ত খাবার গ্রহণ করেনি আমার বোন। স্বামীর আদেশ ছাড়া কখনো কোন কাজ সম্পাদন করেনি, কোন পুরুষের সাথে দেখা/কথা বলেনি আমার কলিজার বোন।

আজ সেই বোন আবারো স্বামীর সাথে মিলিত হলেন। বোনকে রাত ১১:৩০ এ জানাজা ও দাপন সম্পন্ন করব। আমি ঢাকার সমাবেশ থেকে গিয়ে বোনের জানাজা হবে এবং দাপন হবে। বোনের জন্য দু'আ চাই।😊

©©

23/07/2025

এই দুটো স্যাটেলাইট ইমেজ হচ্ছে উত্তরা এবং আশেপাশের এলাকার। একটা ২০০৫ আরেকটা ২০২৫ এর। বিশ বছর আগে মাইলস্টোনের ক্যাম্পাস সহ দিয়াবাড়ি এলাকা পুরোটা ছিল বিল। আজ সেখানে বসতি গড়ে উঠছে। কিন্তু সে সময় এখান দিয়ে বিমান নেমে আসতো, এখনো আসে (দুই ছবিতে লাল রেখাগুলো)। তাই "জনবসতি পূর্ণ এলাকায় বিমান কেন" প্রশ্ন না তুলে, "বিমান নামার পথটাকে জনবসতিপূর্ণ কেন করা হল" প্রশ্ন তুলেন!

©

22/07/2025

আরেকজন শিক্ষক মারা গেলেন। উনার নাম মাসুকা বেগম নিকু, ইংরেজি মাধ্যমের ইংরেজি শিক্ষক। অভিভাবক এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে সামনে আসা শেষ সময়ে ছাত্রদের বাঁচাতে উনার লড়াইয়ের গল্পটাও মেহেরীন চৌধুরী ম্যামের মতো।

আগুনে দগ্ধ শরীর নিয়ে একে একে বের করেছেন অনেক ছেলে-মেয়েকে। এক পর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যান রুমের ভেতর। উদ্ধারকর্মী সেনা সদস্যরা উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। শরীরের ৮৫ শতাংশ বার্ন হয়েছিল। প্রায় ১২-১৩ ঘন্টা সার্ভাইব করে বিদায় নিতে হলো পৃথিবী থেকে।

পঁচিশে মাইলষ্টোনে বিমান ক্র্যাশের ট্র্যাজিডিতে মেহেরীন ও মাসুকা ম্যাম সন্তানতুল্য ছাত্রদের বাঁচাতে গিয়ে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে আমাদের জন্য মানবতার শিক্ষা রেখে গেলেন। তাদেরকে পরম শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করব আমরা।

তারা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন আমাদের কাছে। নিজের কথা না ভেবে, মৃত্যু ঝুঁকি নিয়েও অসংখ্য শিক্ষার্থীর জীবন বাঁচিয়ে নিজেরা পরপারে পাড়ি জমালেন; এর মধ্য দিয়ে উনারা সেই উক্তিটি প্রমাণ করলেন ‘শিক্ষক বাবা-মায়ের মতো’।

আল্লাহ তাদের পরকালে উত্তম প্রতিদান দান করুক।

©- মইনুল ইসলাম রাসেল

Photos from Jagannath University - JnU Unofficial's post 22/07/2025

“হাডসনের মিরাকল” নামটা হয়তো অনেকেরই শুনে থাকবেন , এইটা এয়ার ক্র্যাস ইতিহাসের বিখ্যাত ঘটনা ।
২০০৯ সালে ১৫৫ জন যাত্রীবাহী একটি এয়ারবাস এ ৩২০ এর দুইটি ইঞ্জিন নিউ ইয়র্কের লা গারডিয়া এয়াপোর্ট থেকে উড্ডয়নের কিছু ক্ষণের মধ্যেই পাখির ঝাকের আঘাতে বিকল হয়ে যায়।
কিন্তু সেই বিকল হওয়া ইঞ্জিন সহ, ১৫৫ জন যাত্রি নিয়ে পাইলট ক্যাপ্টেন সালি সুলেনবার্গার (Sully), নিউইয়র্ক শহরের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া হাডসন নদীর বরফঠান্ডা জলে অবতরণ করেন। বিমানের প্রতিটি যাত্রী ও ক্রু বেঁচে যান। কেউ মারা যায়নি।
দুইটি উদ্ধারকারী ফেরি প্রায় সঙ্গে সঙ্গে এসে যাত্রীদের উদ্ধার করে।

৮–১০ বছর আগে এই ঘটনাটা আমাকে অসম্ভব টেনেছিল।
ভিডিও, ডকুমেন্টারি, রিপোর্ট—যা পেয়েছি সব দেখেছি।
পাইলট সালির একটা লেকচার শুনেছিলাম, যেটা এখনো মনে গেঁথে আছে।

তিনি বলেছিলেন, “Miracle on the Hudson কোনো অলৌকিক ঘটনা ছিল না।”

তিনি ব্যাখ্যা করছিলেন—

“ আমি আর কোপাইলট যেফ্রি স্কাইলসের ফ্লাইট রেকর্ডার পরবর্তীতে চেক করা হয় । আমরা দুই জন প্রায় কথাই বলি নাই। স্কাইলস জানতো আমার কি কাজ, আমি জানতাম স্কালির কি দায়িত্ব।

ইঞ্জিন লুজ করার পর বা পানিতে ল্যান্ডিনে এর বিষয়ে আমাদের চেকলিস্ট ছিল, আমরা দুই জনেই ঠিক সেই অনুযায়ী কাজ করেছি।

এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার সঙ্গে সঙ্গে নির্দেশ দেয়—‘২০০ ডিগ্রি বাঁ দিকে ঘুরুন’, যেটা Laguardia-র ইমার্জেন্সি রুট।

যখন আমি বলি ‘Brace for impact’—তখন ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টরা নিজেরাই পুরো ক্যাবিনকে প্রস্তুত করে ফেলে।
যখন বলি ‘Evacuate’—দরজা খোলে, রাফট বের করে।
তারা জানতও না যে আমরা নদীর ওপর, দরজা খুলে হাডসন দেখে কমান্ড পাল্টায়—‘লাইফ ভেস্ট পরুন, এইদিকে আসুন’।

ফেরি বোট চালকেরা যারা প্রতি মাসে ট্রেনিং নেয়, বছরে একবার সিমুলেটর দিয়ে রেসকিউ ড্রিল করে।
ফায়ারবোট, পুলিশ হেলিকপ্টার, এক ফ্রগম্যান (সে কোথা থেকে এলো জানি না, কিন্তু সে ছিল),
এবং এমনকি শহরের হাসপাতালগুলো—সবাই প্রস্তুত ছিল।
তারা অফ-ডিউটি ডাক্তার, নার্সদের পর্যন্ত ডেকে এনেছিল।

সালি আর আমি আমাদের কাজ করেছি, কিন্তু ডোনা, ডোরিন, শীলা (ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট), ১৫০ জন যাত্রী—সবাই তাদের কাজ নিখুঁতভাবে করেছে। কেউ হট্টগোল করেনি, সবাই একে অন্যকে সাহায্য করেছে।

উদ্ধারকারী বোটগুলো সঙ্গে সঙ্গে আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে,
জল ও স্থল উভয় জায়গার ফার্স্ট রেসপন্ডাররা সাড়া দিয়েছেন নিখুঁতভাবে।

হয়তো আপনি বলবেন এটা মিরাকল,
কিন্তু বাস্তবে এখানে এতগুলো মানুষকে তাদের কাজ নিখুঁতভাবে করতে হয়েছে যেন একটা ফলাফল পাওয়া যায়।
সেই নিখুঁত প্রস্তুতির ফলাফলই ছিল ‘মিরাকল’।”
এই মিরাকল ছিল ‘দশকের পর দশক ধরে চলে আসা প্রস্তুতির ফলাফল’।"

আর আজ, বাংলাদেশে আমরা দেখলাম মাইলস্টোন স্কুলে বিমান দুর্ঘটনার সেই হৃদয়বিদারক ঘটনা।
একটি ট্রেনিং জেট ভেঙে পড়ল স্কুলের ওপর। শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের জীবন, ভবিষ্যৎ এক মুহূর্তে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল।

কিন্তু তার পরে যা হলো, তা যেন "হাডসনের মিরাকল"–এর সম্পূর্ণ বিপরীত এক চিত্র।
উদ্ধার ব্যবস্থায় সমন্বয় নেই, জরুরি চিকিৎসা নেই, সেনাবাহিনী শিক্ষার্থীদের মারধর করছে, ,দুর্ঘটনার সময় উদ্ধার না করে, ছবি তুলেছে অনেকে ,
সেনাবাহিনীর হাতে মৃতদেহ গুম করার গুজব এসেছে , আইসিইউ রোগীদের নিয়ে হাসপাতাল দখলে রাজনৈতিক শো করেছে দেশের শীর্ষ নেতারা ।

দুর্ঘটনা যে কোনো দেশে ঘটতে পারে।
কয়েক দিন আগেই ভারতের বিমান একটি ক্যাফেটেরিয়ায় ভেঙে পড়েছিল।

কিন্তু আসল প্রশ্ন হল—দুর্ঘটনার পর সমাজ ও রাষ্ট্র কিভাবে রিএক্ট করে।
কোনো কোন দেশ প্রস্তুত থাকে, যাতে প্রাণহানি কমানো যায়, আর কোন কোন দেশে বিশৃঙ্খলা, অব্যবস্থা আর দায়িত্বহীনতার কারণে আরও বেশি ক্ষতি হয়।

পাইলট সালি বলেছিলেন—
“১৫৫ জন যাত্রী নিয়ে হাডসনে বিমান নামানোর পরেও কোন প্রান হানি না হওয়া কোনো অলৌকিকতা ছিল না।
এটা ছিল সিস্টেম, বছরের পর বছর ট্রেনিং, প্রস্তুতি আর দায়িত্বশীলতার ফলাফল!

আর আমাদের আজকের বাস্তবতা—
একটি স্কুলের ছাদে বিমান পড়ার পর যা দেখেছি, সেটাই হয়েছে
বছরের পর বছরের প্রস্তুতিহীনতা, অব্যবস্থা আর অযোগ্যতার বাস্তব প্রতিচ্ছবি।

মাইলস্টোনের নিহত শিক্ষার্থীদের পরিবার এই শোক কীভাবে সহ্য করবে, আমরা জানি না!
যেসব শিক্ষক ও শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন,তারা যেন সর্বোচ্চ চিকিৎসা, সেবা পান। আল্লাহ সবাইকে দ্রুত আরোগ্য দান করুন , এই দোয়া করি।
আমিন।
©

22/07/2025

উত্তরার মাইলস্টোন স্কুলের ৪২ বছর বয়সী শিক্ষিকা মাহরীন চৌধুরী, উত্তরা বিমান দুর্ঘটনার সময় শিশুদের উদ্ধার করতে গিয়ে গুরুতর দগ্ধ হয়ে মর্মান্তিকভাবে মারা যান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন যে বিমানটি আগুনে পুড়ে যাওয়ার আগে তিনি কমপক্ষে ২০ জন শিক্ষার্থীকে স্কুলের গেটের কাছে নিরাপদ স্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন।

শরীরের ৮০% দগ্ধ হওয়া সত্ত্বেও, তিনি তার স্বামীকে বলতে সক্ষম হন যে তিনি ভেঙে পড়ার আগে শিশুদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হওয়ার পর, পরে তিনি মারা যান। তার সাহসিকতা এবং নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ জাতিকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে, ছাত্রছাত্রী, সহকর্মী এবং বৃহত্তর সম্প্রদায় একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষিকা এবং বীরের মৃত্যুতে শোকাহত, যিনি তার শিক্ষার্থীদের জীবনকে নিজের জীবনের চেয়ে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন। #বাংলাদেশ #বিমান দুর্ঘটনা

22/07/2025

দৌড়াও, ভয় পেয়ো না। আমি আছি।
মাইলস্টোনের টিচার মেহরিন চৌধুরী নিজে ৮০% দগ্ধ হয়েছেন। কিন্তু নিজের ছাত্রছাত্রীদের ফেলে বেরিয়ে যাবার মতো বুদ্ধিমতী ছিলেন না। শুধু বলছিলেন, দৌড়াও, ভয় পেয়ো না। আমি আছি।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষিকা মেহরিনের সাহসিকতায় অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থীর প্রাণ রক্ষা সম্ভব হয়েছে।

উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া এক সেনা সদস্য বলেন, “ম্যাডাম ভিতরে ঢুকে গিয়ে বাচ্চাগুলারে বের করে দিছেন, তারপর উনিই বের হতে পারেন নাই।”

নিজের জীবন উৎসর্গ করে ২০টি তাজা প্রাণ বাঁচালেন এই মহীয়সী নারী।

বাংলাদেশ ধন্য সকল বাংলাদেশি ধন্য এমন একজন শিক্ষিকা তাদের দেশে জন্মেছে।

শত শত সালাম সেই মায়ের প্রতি যার গর্ভে মেহরীন চৌধুরী নামক রত্নটি জন্মেছে।❤️

মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুন।🥺

22/07/2025
20/07/2025

Marketing 🔥🔥

14/07/2025

স্টকহোম ইউনিভার্সিটিতে পড়তে গিয়ে দেখি, আমার সহপাঠীরা বাসায় গিয়ে তেমন পড়ে না।

ইউনিভার্সিটি শেষে দেখতাম ওরা পার্টিতে চলে যায়। যতো কঠিন পরীক্ষাই হোক, ওরা উইকেন্ডে আনন্দ বাদ দিয়ে, পরীক্ষার জন‍্য পড়তে চায় না।

আমার কাছে বিষয়টা প্রথম প্রথম অদ্ভুত লাগতো। যেহেতু, আমি বাংলাদেশের কালচারে বড়ো হওয়া।

আমার সহপাঠীদের জিজ্ঞেস করলাম, তোমরা বাসায় গিয়ে তেমন স্টাডি করো না? ওরা উল্টো আমাকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলো—বাসায় গিয়ে যদি পড়ি, তাহলে স্কুলে (ইউনিভার্সিটি) আসি কেন? এখানে তো পড়তেই আসি!

ভাবলাম, কথায় তো যুক্তি আছে। আমাকে বললো, তুমি যদি স্কুলেই ৭-৮ ঘন্টা কাটাও, এটা তো পড়াশুনার জন‍্যই। তাইলে আবার বাসায় গিয়ে কখন পড়বে? কেন পড়বে?

আমি চিন্তা করলাম—আমাদেরকে এভাবে কখনো বলেনি কেন? এভাবে ভাবতে শেখায়নি কেন?

স্কুল থেকে বিশ্ববিদ‍্যালয় পর্যন্ত উল্টো আমাদেরকে বলা হয়েছে—পড়ো। সারাদিন পড়ো। দুনিয়ার কোন কিছু চিন্তা না করে শুধু পড়ো। আদা-জল খেয়ে পড়ো। ঘুম, খাওয়া আর বাথরুম ছাড়া শুধু পড়ো। ভোর বেলায় উঠে পড়ো—তখন মাথা ঠাণ্ডা থাকে। গভীর রাতে পড়ো। পড়তে পড়তে গায়ের জামা-কাপড়ের কথাও ভুলে যাও।

১২-১৪ ঘন্টা পড়া, আর পরীক্ষার সময় ৬-৭ টা লুজ পেপার নেয়া হলো—আমাদের স্ট‍্যান্ডার্ডে একটা পড়ুয়া স্টুডেন্টের লক্ষ‍ণ!

যাই হোক, পরে আরো গভীরভাবে জেনে দেখলাম, ওরা তো ছোটবেলা থেকেই এই চর্চায় বড়ো হয়। স্কুলে যায় পড়তে। শিখতে। স্কুলে বসেই শিখে। ফলে কলেজ-বিশ্ববিদ‍্যালয়েও একই চর্চার ধারাবাহিকতা থাকে। কেউ কেউ যে একটু বেশি পড়ুয়া হয় না, তা না। কিন্তু গড় চিত্রটা এমনই। বিদ‍্যাপীঠে তো পড়তেই যায়, তাহলে বাসায় এসে কেন আদা-জল খেয়ে পড়বে?

এখন আমার ছেলেকে দিয়ে বুঝি। কোন প্রাইভেট নাই। বাসায় এসে পড়ার চাপ নাই। এমনকি হোম ওয়ার্কও তেমন দেয় না। যদিও, আমি ওকে বাসায় মাঝে মাঝে কিছুটা শিখাই।

আমি ওর ক্লাস টিচারকে জিজ্ঞেস করলাম—ওদেরকে প্রতিদিন হোম ওয়ার্ক দাও না কেন? টিচার বললো, বোর্ড থেকে নিষেধ আছে। বাচ্চারা যেনো বাসায় গিয়ে পড়ার চাপে আগ্রহ না হারিয়ে ফেলে অর্থাৎ “বার্ন আউট” না হয়, সেজন‍্য। সে নিজেই বললো, স্কুলে তো ওরা শিখতেই আসে। এখানেই যদি না শিখে—তাইলে স্কুলের দরকারটা কি? It defeats the purpose!

মনে মনে বলি—শালার পড়াশুনা এরাই করলো! প্রাইভেটের দৌঁড়াদৌঁড়ি নাই। বইয়ের বোঝা ভর্তি চাপ নাই। হোম ওয়ার্কের তীব্র প‍্যারা নাই। বাসায় কেউ বলে না—পড়তে বসো। আবার এরাই দুনিয়ার সব আবিষ্কার-উদ্ভাবন করে বসে থাকে।

আর আমরা বীজতলা ঠিক না করে, বীজতলার দোষ না দিয়ে—প্রজন্মের পর প্রজন্ম শুধু পড়েই গেলাম! এভাবে পড়েই যাবো। গোড়ার গলদটুকু কখনোই সমাধান করবো না।
…………………
©RAUFUL ALAM

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Jagannath University
Dhaka
1111