Doctor's Desk

Doctor's Desk

Share

**"Where Medical Knowledge Meets Everyday Life."**

22/04/2026

একদিনে ৯৫ টা সফল মেজর অপারেশন মানে ৯৫ টা পরিবারে স্বস্তি। আউটডোরে সেবা পেয়েছে ৫ হাজারেরও বেশি রোগী। হাসপাতালের নির্ধারিত বেড সংখ্যার চেয়ে প্রায় ২০০০ জন অতিরিক্ত রোগী ভর্তি আছে। নানান সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ডাক্তাররা এই পরিবেশে সেবা দেন। বিপুল সংখ্যক মানুষ আমাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েই হাসপাতাল ত্যাগ করেন। নিজের খেতের লাউ,লেবু,কলা নিয়ে হাজির হন কেউ কেউ।

তবে ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া চটকদার শিরোনামের পোস্টগুলোর কমেন্ট সেকশন দেখলে মনে হয়- এই হাসপাতাল থেকে কেউ কখনো সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেনি! আমরাও রূপকথার জগতের কিছু রোগীর সেবা করে গেছি। মনটা ভেঙে যায় আসলে। কিছু বলার থাকে না।

ভুল ইঞ্জেকশনে রোগীর মৃত্যু হয়? বাঁচা-মরার মাঝ পর্যায়ে রোগীর জীবন বাঁচানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে আমরা কিছু ওষুধ ব্যবহার করি। মৃত্যুর মুখে এই ইঞ্জেকশনেও যদি কাজ না হয়, যদি রোগী মারা যায়, এটাকে কি ভুল চিকিৎসা বলা হয়?

অন্ধের দেশে নাকি আয়না বিক্রি করা যায় না। এমন এক দিন আসবে- ডাক্তাররা মুমূর্ষু রোগীর সেবা করতেই ভয় পাবেন। যদি কিন্তুর মারপ্যাঁচে এতো ঝুঁকি নিয়ে জীবন বাঁচানোর ওষুধগুলো দিতে দুইবার ভাববেন! কেননা এদেশে সিপিআর দিয়ে জীবন বাঁচানোকে বুকে চাপা দিয়ে রোগী মেরে ফেলার শিরোনাম করা হয়। জীবন বাঁচানোর তাগিদে ইঞ্জেকশন দেওয়াকে বানানো হয় ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু! ডায়রিয়ার রোগীকে কেন কলেরা স্যালাইন দেওয়া হলো- এসব নিউজও আমাদের মেইনস্ট্রিম মিডিয়া প্রচার করে!

কিছু নিবেদিত প্রাণ ডাক্তারদের জন্য মায়া হয়। বিদেশের লাক্সারি জীবন আর অন্য পেশায় চলে যাওয়ার হাতছানি থাকা সত্ত্বেও যারা এখনো এই ঝুঁকির পেশায় আছেন, খুব শীঘ্রই আমরা তাদের জন্য আফসোস করব! ততদিনে হয়তো অনেক দেরি হয়ে যাবে!

#ইন্টার্ন_চিকিৎসকের_ডায়েরি

©Abdullah Abu Sayed

19/04/2026

আমাদের মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দিনে প্রায় ৪০/৪৫ টা মতো বড় অপারেশন হয় সব ডিপার্টমেন্ট মিলায়ে। তাইলে মাসে ১০০০+ বড় অপারেশন হচ্ছে।ফ্রি তে এতো গুলা লোক সুস্থ হচ্ছে।

এছাড়াও ছোট অপারেশন (EOT তে) হয় দিনে ৫০+/- টা।মাসে ১২০০+ ছোট অপারেশন হচ্ছে ফ্রিতে।

তাইলে ৫০০ শয্যার হাসপাতালে শুধু অপারেশন ই হচ্ছে মাসে ২৩০০+

নামে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল কিন্তু রোগী ভর্তি থাকে ১৫০০+, আউটডোরে দৈনিক সেবা নেয় আরো ১৫০০ মতো রোগী।

তাইলে ৫০০ রোগীর পরিবর্তে ৩০০০ রোগীর সেবা দিয়ে যাচ্ছে ডাক্তার রা। এখন আমরা যদি বলি আমরা ৫০০ জনের বাইরে একজন কেও ট্রীটমেন্ট দিতে পারবো না। ফাউ ফাউ এতো রোগীর চাপ নিতে পারবো না। তাইলে রোগী গুলা কই যাবে। মানবিক দিক বিবেচনা করে আমরা এই অতিরিক্ত কাজ করি,কোনো অতিরিক্ত টাকা পয়সা বা সুযোগ সুবিধা ছাড়াই।

কিন্তু এটার জন্য কি সরকার অতিরিক্ত বেতন দিচ্ছে?? দিচ্ছে না। অন্যপেশায় তো ওভারটাইম করলে, এক্সট্রা বেতন দেয়, কিন্তু আমাদের পেশায় এটা নাই । আমাদের ডিঊটি শুরুর টাইম আছে, কিন্তু ডিউটি শেষের টাইম নাই। কারণ রোগীর রোগ ম্যানেজ না করে তো ফেলে রাখা যায় না। এজন্য সকাল ৮ টাই শুরু করে,রাত ১০/১১ টা ও বেজে যায় রোগী ম্যানেজ করে বাসায় পৌঁছাইতে।

তার উপর চিকিৎসার সরঞ্জাম নাই, সরকারী ওষুধ সাপ্লাই নাই, পর্যাপ্ত লোকবল নাই.... তারপরও আমাদের ডাক্তার রা যেভাবে সেবা দিয়ে যান....এটার জন্য বাংলাদেশের মানুষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত।

হ্যা ডাক্তার রাও মানুষ, ডাক্তারের ভুল হতে পারে। অস্বাভাবিক কিছু না। কিন্তু কোনো ডাক্তার ই রোগীর খারাপ চান না। কিন্তু এতো কাজের চাপ সামলাইতে গিয়ে ডাক্তারের মনোযোগ আর কতোটুকু ঠিক থাকে সেটার প্রশ্ন রেখে গেলাম আপনাদের কাছে?

এটা শুধু আমাদের মুগদা হাসপাতাল না।সারা বাংলাদেশের সবগুলা সরকারী হাসপাতালে একই সমস্যা। এগুলা ঠিক করার, অবকাঠামো নির্মাণ করার, পর্যাপ্ত লোকবল নিয়োগ দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের । ডাক্তারের না। সরকার সব ব্যবস্থা করে দিবে, ডাক্তার সেবা দিবে।সিম্পল।

কিন্তু দোষ শুধু ডাক্তারেই হয়। সরকার রে গিয়ে কেউ বলে না যে হাসপাতালে পর্যাপ্ত সরঞ্জাম নাই, পর্যাপ্ত লোকবল নাই। অথচ ডেইলি ডেইলি এমপি মন্ত্রীরা হসপিটালে ভিজিট করে।

পাসপোর্ট অফিসে যে সীমাহীন দুর্নীতি হয় সেখানে কেউ ভিজিট করে না, ট্রাফিক পুলিশ যে রাস্তায় চাঁদাবাজি করে সেখানে কেউ ভিজিট করে না, পুলিশ যে ঘুষ নিয়ে মামলা ঘুরায়ে দেয় সেখানে কেউ ভিজিট করে না, কারওয়ান বাজারের যে দৈনিক ১কোটি টাকা চাঁদাবাজি হয় সেখানে কারো নজর নেই, মহাসড়ক বানাতে গিয়ে যে মহাদূর্নীতি হচ্ছে সেখানে কারো নজর নাই,একটা পোস্টিং এর জন্য সচিব রা ৩০/৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিচ্ছে সেদিকে কোনো ভিজিট নাই। ভিজিট শুধু হাসপাতালে। হ্যা কোন ডাক্তার যদি অপরাধ করে, শাস্তির ব্যবস্থা করুন,লেট করে আসলে শাস্তি দিন।

ভিজিট করুন সমস্যা নাই, কিন্তু হাসপাতালের ঘাটতি গুলার কথা সংসদে উপস্থাপন করেন। আমাদের পর্যাপ্ত সরঞ্জাম সাপ্লাইয়ের ব্যবস্থা করেন, লোকবল নিয়োগ দেন।সেগুলাও তো করেন না

-Dr. Mehedi Hasan Sagor

Photos from Doctor's Desk's post 14/04/2026

ভদ্রলোকের নাম নুর ইসলাম, উনি একজন "সাপুড়িয়া" । জীবনের দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে এই কাজে ব্যয় করেছেন।

গত ২-৪-২৬ তারিখে এক বাসায় সাপ ধরতে গিয়ে, উনি এই সাপের কামড়ের শিকার হন । উনি আর দেরি না করে, তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে চলে আসেন । উনার কথামতো এটি বিষাক্ত King kobra সাপ।

উনাকে সাপের বিষ ধ্বংসকারী "এন্টি-ভেনম" দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয় , আলহামদুলিল্লাহ উনি এখন ভালো আছেন । আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম - আপনি কেন হাসপাতালে আসলেন? আপনারাই তো অসংখ্য মানুষের সাপের বিষ নামান ।
ভদ্রলোক: বাবা, এটা তো বিষাক্ত সাপ ।
আমি: তার মানে আপনারা যে সাপগুলোর বিষ নামান, সেই সাপগুলোর বিষ থাকে না ??
ভদ্রলোক: না বাবা, সেগুলো অবিষাক্ত সাপ ।
আমি: তাহলে তো ঐ সাপগুলোর বিষ না নামালেও, কোনো সমস্যা হওয়ার কথা না ।
ভদ্রলোক: হ্যা বাবা , ঐগুলোর বিষ না নামালেও সমস্যা নাই । কিন্তু বিষাক্ত সাপ হলে, হাসপাতালে যেতে হবে ।

সেদিন যেই ৪-৫ বার উনার সাথে কথা বলছিলাম , প্রতিবারই বলছেন - বাবা, হাতটা কঠিন যন্ত্রণা করছে । আর প্রতিবারই গভীর উদ্বেগের সাথে একটাই প্রশ্ন - বাবা,কোনো আশংকা আছে কি??

মূল মেসেজ:
আমার-আপনার আশেপাশের যাকেই সাপে কামড়ায়, আমরা আর ওঝার কাছে না গিয়ে, সরাসরি হাসপাতালে নিয়ে যাবো..... কারণ, বিষাক্ত সাপ কামড় দিলে, এন্টিভেনম দেওয়া ছাড়া রোগীকে বাঁচানো সম্ভব নয়...
আমরা মাঝেমধ্যেই দেখতে পাই, ওঝার বিষ নামাতে গিয়ে অনেক মনুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে...

অনেক সরকারি হাসপাতালে ফ্রিতে এন্টিভেনম পাওয়া যায়, বাইরে হতে কিনতে গেলে শুধু এন্টিভেনম বাবদই সর্বনিম্ন ১০হাজার+ টাকা লাগে ...

বি:দ্র: আজকে এই ভদ্রলোক আমাকে দেখতে পেয়ে, ডেকে নিয়ে তার শারীরিক পরিস্থিতি জানায় এবং আমি তার ঘটনাটা জনসচেতনতার উদ্দেশ্যে শেয়ার করার অনুমতি চাইলে, তার ছবি ব্যবহার করে পোস্ট করার অনুমতি দেন ।

~ ডা. গোলাম আহাদ খাঁন

03/04/2026

ব্যাচে আমার রোল ২১১। আর ছবিতে যার জানাজার দৃশ্য দেখা যাচ্ছে তার রোল ২৫৯।

মেয়েটার নাম সুমাইয়া সাবরি মাহি। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের ১৭ তম ব্যাচের আমাদেরই সহপাঠী।

আজ নিজের ব্যাচের একটা জলজ্যান্ত মানুষের জানাজার নামাজ থেকে বাসায় ফিরছি।

এখনো মাথায় প্রসেস করতে পারছি না মানুষটা গতকালকেও আমাদের সাথেই ক্লাস করতো।

খুব সম্ভবত গতকাল রাতেও আমাদের মত নানাবিধ ভবিষ্যতের ভার নিয়েই ঘুমিয়েছিলো।

পড়ার চিন্তা, ক্যারিয়ারের চিন্তা। নানান প্ল্যান, নানান পরিকল্পনা।

অথচ আজ এক নিমিশে তার সকল চিন্তার অবসান ঘটলো।

গতকাল মধ্যরাত সাড়ে ৩ টা নাগাদ ডায়রিয়া থেকে কিডনি ফেইলার হয়ে মানুষটা মা*রা গেলো।

আমরা সবাই থাকব। মেয়েটা থাকবে না।

পৃথিবীর সকল ভার মুক্ত করে, সকল প্ল্যান, সকল পরিকল্পনা, সকল কিছু্র সমাপ্তি ঘোষণা করে সে বিদায় নিলো।

জীবন কতটা অনিশ্চিত!

আমরা ভাবি আমাদের অনেক সময় আছে, অথচ আমরা কেউই জানি না সেই সময় কতখন।

আমরা কত তুচ্ছ আয়োজনে নিজেদের ব্যস্ত রাখি, অথচ জীবনের এই ধূসর পাণ্ডুলিপিতে কখন কার শেষ শব্দটা লিখা হয়ে যায়, তা আমরা কেউ জানি না।

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর এবং নিশ্চয়ই আমরা তাঁরই দিকে ফিরে যাবো।

Photos from Doctor's Desk's post 02/04/2026

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের সার্জারি বিভাগে অপারেশন করে রোগীর পেট থেকে রড বের করা হয়।
খেলতে গিয়ে ছাদ থেকে পড়ে রড গিথে যায়। ফায়ার সার্ভিস রড কেটে রোগীকে উদ্ধার করে রডসহ রোগীকে নিয়ে আসে।
পরে সফলভাবে অস্ত্রপাচার সম্পন্ন হয় এবং রোগী আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছে।

বিদ্রঃ রডটি রুট অব পেনিস ও স্ক্রুটামের ডান দিক দিয়ে ঢুকে, পিউবিস এর উপর দিয়ে যায়। ইউরিনারি ব্লাডারের উপর দিয়ে গিয়ে বাম পাশে ক্রস করে এবডোমিনাল ক্যাভিটিতে ঢুকে। পরে প্যারাইটাল ওয়াল বরাবর বাম কিডনির উপর দিয়ে গিয়ে স্প্লিনের ল্যাটেরাল এসপেক্ট দিয়ে বের হয়ে যায়। ডায়াফ্রামের এটাচমেন্ট ঘেষে এক্সিট নেয়। পুরো ট্র্যাক এক্সপ্লোর করে সব চেক করে কোন অর্গান ইন্জুরি না করেই রডটি অপসারন করা হয় এবং প্রয়োজনীয় রিপেয়ার করা হয়।

-Dr. Sohanur Rahman

কমেন্টে আপনার মতামত জানান আমাদের। ❤️
©

06/03/2026

ইফতারের আয়োজন সাজিয়ে সবাই বসা,,দুটো অপারেশন শেষ ফ্রেশ হয়ে ইফতারে যোগ দিব,, এমন সময় হঠাৎ এক গর্ভবতী মা এলো,প্রচন্ড ব্যথা,,,কুকড়ে যাচ্ছে মা,দুই দিনের ব্যথা,,ডাক্তারি ভাষায় obstructed labour,,,ইমারজেন্সি সিজার লাগবে,,,
দ্রুত অবেদনবিদ কে রাজি করালাম,সিজারে দাড়ালাম,,, আজান পড়ে গেলো। একটু পানি খাইয়ে দিলেন খালা,,ব্যাস আবার যুদ্ধে নামলাম।মাকে বাচাও বাচ্চা বাচাও,,,,,
যাক,,,, অবশেষে আল্লাহর রহমতে সব ভালো,,৷ মায়ের মুখের হাসিতেই আমার সারাদিনের ক্লান্তি র অবসান।

প্রসুতি ডাক্তারদের এ যেন নিয়মিত আয়োজন 💔💔💔❤💔

special thanks to dr Mokbul Hossain sir

~ একজন ডাক্তার আপুর প্রোফাইল থেকে নেয়া

16/02/2026

ভোটের কালি যাচ্ছেই না?

প্রথম কথা হলো...এই কালি তোলার চেষ্টা না করাই ভাল...আপনি সাবান, লেবু, পেস্ট যাই দেন না কেন...দাগ হালকা হবে...কিন্তু একেবারে যাবেনা! অপেক্ষা করতে হবে নিজে থেকে চলে যাওয়ার জন্যে!
কিভাবে ভোটের কালি তৈরি হয়?

ভোটের কালি (অমোচনীয় কালি) সাধারণত এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে এটি সহজে মুছে না যায় এবং কয়েকদিন পর্যন্ত আঙুলে দৃশ্যমান থাকে।
১. সিলভার নাইট্রেট (Silver Nitrate) – মূল কার্যকর উপাদান যা ত্বকের উপরের স্তরের প্রোটিনের সাথে বিক্রিয়া করে গাঢ় দাগ তৈরি করে। আলো ও বাতাসের সংস্পর্শে এসে কালচে রঙ ধারণ করে।
অ্যালকোহল (যেমন আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল) যা দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে।
রঙ/ডাই। তাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান করার জন্য হালকা বেগুনি বা নীল রঙ যোগ করা হয়।

ইতিহাস:
ভোটের কালি প্রথম ব্যাপকভাবে ব্যবহার শুরু হয় ভারতে।
১৯৬২ সালের সাধারণ নির্বাচনে এটি প্রথম ব্যবহার করা হয়, যাতে একজন ভোটার একাধিকবার ভোট দিতে না পারেন।

এই কালি তৈরি ও সরবরাহ করে থাকে Mysore Paints and Varnish Limited—যা ভারত সরকারের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান। পরবর্তীতে তারা বিশ্বের বহু দেশে এই কালি রপ্তানি করে।
পরবর্তীতে এ পদ্ধতি ব্যবহার শুরু করে:
বাংলাদেশ, নেপাল, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইন্দোনেশিয়া।
এছাড়াও আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বহু দেশেও এটি ব্যবহৃত হয়।

কেন এটা সহজে ওঠে না?

সিলভার নাইট্রেট ত্বকের মৃত কোষের সাথে রাসায়নিক বন্ধন তৈরি করে। তাই সাবান বা পানি দিয়ে সহজে উঠে না। দাগ সাধারণত ৫–৭ দিন পর্যন্ত থাকে, যতদিন না ত্বকের উপরের স্তর ঝরে যায়।
এটা তাই তোলার চেষ্টা না করাই ভাল।

বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশন ব্যবহৃত কালি মান নিয়ন্ত্রিতভাবে তৈরি করে, যাতে এটি নিরাপদ ও ত্বকের জন্য ক্ষতিকর না হয়।

17/01/2026

একটা পেশেন্ট ৩ টা বছর ধরে ঘুরতেছে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া আর পিঠের পেছনের ব্যথা নিয়ে।
এন্টিবায়োটিক এর পর এন্টিবায়োটিক আর ব্যথার ট্যাবলেটের পর ব্যাথার ট্যাবলেট কোন কিছুতেই তার এই রোগ যাচ্ছে না।
রোগী আমার বন্ধুর মা ,আমার কাছে আসলেন আমার প্রথম দিনের চেম্বারে।
রোগীর হিস্ট্রি নিয়ে যখন বুঝলাম রোগীর বারবার প্রস্রাবের রাস্তার ইনফেকশন (Recurrent UTI ) হচ্ছে তখন আমার কাছে মনে হল ,There should be some obstruction along her Urinary Tract.কিন্তু কোন ক্লু নাই।
আমি আগের সব প্রেসক্রিপশন চেক করে দেখলাম,কেউ কেউ Lower Back Pain হিসেবে Treat করেছে ,কেউ কেউ শুধু Non complicated UTI ধরে ট্রিটমেন্ট দিয়েছে।
যখন সব প্রেসক্রিপশন দেখে কোন ক্লু পাওয়া গেল না,আমি রোগীর ডিটেইলস হিস্ট্রি নেওয়া শুরু করলাম।
জানতে পারলাম রোগীর ২০২২ সালের দিকে একটা অপারেশন হয়েছিল,কোন রোগের অপারেশন সেটা ভাল করে বলতে পারে না।
তাই আমি সেই অপারেশনের কোন কাগজ আছে কিনা সেটা দেখাতে বললাম।
অনেক খোঁজাখুঁজি করে একটা কাগজে অপারেশন নোট পাওয়া গেল,রোগীর আসলে ২০২২ সালের দিকে PUJ obstruction (রোগীর কিডনী থেকে যেই প্রস্রাবের নালি আসে সেটা সরু হয়ে গিয়েছিল) এর অপারেশন হয়েছিল।
তাই স্বভাবতই আমার মাথায় আসল তাহলে অপারেশনের সময় কোন কম্পলিকেশন কি হয়েছিল অথবা সেই Obstruction কি রয়েই গেল কিনা।
তার পাশাপাশি আরো কয়েকটা সম্ভাবনা যেমন কিডনীতে অথবা মূত্রথলিতে পাথর বা এরকম কিছু আছে কিনা সেটা জানার জন্য একটা Xray দিলাম।
তখন রোগী বলল,রোগী কিছুদিন আগে মানে ১০-১৫ দিন আগে একজন ডাক্তারের কাছে গিয়েছিল,তখনো এক্সরে দিয়েছিল,তাই নতুন করে এক্সরে করার দরকার হবে কিনা সেটা জিজ্ঞাসা করল।
আমি বললাম,আচ্ছা তাহলে আগের এক্সরে দেখান।
আমি এক্সরে টা হাতে নিয়ে দেখি রোগীর ডান পাশে একেবারে মূত্রনালী থেকে কিডনী পর্যন্ত একটা টিউবের মত কিছু।
ছবিটা আমি তখন তুলে রাখতে পারি নি ,তাই অন্য একটা ছবি এরকম সেইম গুগল থেকে কমেন্টে দিলাম।
কিন্তু অপারেশনের এতদিন পরে এখনো এইখানে টিউব কেন?
এরকম কোন ইন্ডিকেশনের কথাও তার অপারেশন নোটে লিখা নাই বরং লিখা ছিল ১ মাস পরে প্রস্রাবের নল খুলবেন।
তো খুলেছিল কিনা সেটা জিজ্ঞাসা করার পর রোগী বলল,রোগী নল খুলেছিল।কিন্তু সমীকরণ তো মিলে না ,নল যদি খোলা হয়েই থাকে তাহলে এখনো এখানে নল কেন।
পরে জানতে পারলাম রোগী আসলে ঐ সার্জনের কাছে না গিয়ে লোকাল কোয়াক দিয়ে নল খুলিয়েছিল।
আমার মাথায় হিট করল আসলে নল পুরোটা সে খুলতে পারে নাই।
পরে অবশ্য বুঝতে পারলাম সে যতটুকু বের করতে পারছিল ততটুকু বের করে সেই অংশে কেটে দিয়েছিল।
মানে সে পুরোটা বের করতে পারে নাই,যতটুকু পারছে ,পারছে ,শেষে যখন বের করতে পারে না তখন সেইখানে কেটে দিয়ে বলছে পুরোটা বের করে দিয়েছে।
ঘটনাটা যতটা সম্ভব এমনেই হওয়ার কথা।
এই নল এইখানে থেকে যাওয়ার কারণেই রোগীর বারবার প্রস্রাবের ইনফেকশন হচ্ছে ( Recurrent UTI).
যদি এই নল খুলা যায় তাহলে রোগী সম্পূর্ণভাবে এই ইনফেকশন থেকে মুক্তি পাবে ,নাহলে সারা জীবন যতই এন্টিবায়োটিক খাক না কেন ,যতই ব্যথার ঔষধ খাক না কেন লাভ নাই ,কমবে না।
তাই আমি ডায়াগনোসিস লিখলাম:

Forgotten right-sided DJ

ureteric stent with chronic

irritative urinary symptoms following surgery for PUJ obstruction and HTN and Hypothyroidism and Iron Deficiency Anaemia.

এবং একজন ইউরোলজিস্ট এর কাছে রেফার করলাম নল খুলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য।
রোগী আজকে একজন ইউরোলজিস্ট এর কাছে গেলে ,উনি নল খুলার সিদ্ধান্ত নেন এবং আমার বন্ধু সেটা আমাকে ফোন করে জানায়।
চিন্তা করতে পারেন?
একটা রোগী ৩ টা বছর ধরে ঘুরল,৩ টা বছর ,এন্টিবায়োটিক এর পর এন্টিবায়োটিক ,ব্যাথার ট্যাবলেট এর পর ব্যাথার ট্যাবলেট খেল,কেউ একটাবার একটু হিস্ট্রি নিল না।
এক দুইজন এক্স রে টা দেখে পর্যন্ত ইগনোর করল।
আই মিন হোয়াই?
এইজন্যেই কোন প্রেসক্রিপশনে ডায়াগনোসিস না লিখা দেখলে আমার মেজাজ গরম হয়।
মাঝেমধ্যে মনে হয়,ডায়াগনোসিস লিখা নাই মানে ,The Doctor is not sure about the diagnosis,By eliminating the diagnosis he or she is trying to hide the lack of his or her knowledge..
©

Photos from Doctor's Desk's post 29/12/2025

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় যুক্ত হলো।
সম্প্রতি সংঘটিত একটি জটিল দুর্ঘটনায় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া মানবদেহের হাত সফলভাবে পুনঃসংযোগ করার মাধ্যমে চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এই প্রতিষ্ঠানের দক্ষ চিকিৎসকবৃন্দ।
বিশেষ করে অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. প্রবীর কুমার দাস, বিভাগীয় প্রধান ডা. বি. কে. মন্ডল, এবং তাঁদের নেতৃত্বাধীন পুরো মেডিকেল টিমের প্রতি রইল আন্তরিক অভিনন্দন ও গভীর শ্রদ্ধা। প্রায় ছয় ঘণ্টাব্যাপী জটিল মাইক্রোসার্জারির মাধ্যমে রোগীর হাত পুনরায় সচল করা নিঃসন্দেহে চিকিৎসাবিজ্ঞানের এক অনন্য সাফল্য।
এই অর্জন শুধু একটি অপারেশনের সাফল্য নয়—এটি সাতক্ষীরা ও আশপাশের অঞ্চলের মানুষের জন্য আশার আলো, ভরসার নাম। এতদিন যেসব জটিল চিকিৎসার জন্য ঢাকামুখী হতে হতো, আজ সেগুলো নিজ জেলাতেই সম্ভব হচ্ছে—এটাই সবচেয়ে বড় অর্জন।
আল্লাহ তায়ালা যেন এই চিকিৎসকদের জ্ঞান, দক্ষতা ও মানবসেবার পথ আরও প্রশস্ত করেন।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এই সাফল্য আমাদের সবার গর্ব। 🤍

Result 14/12/2025

কিছুক্ষণের মধ্যেই এমবিবিএস ও বিডিএস পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ।
ফলাফল দেখার লিংক :

Result

19/10/2025

১১ বছর বয়সী এক মেয়ের মুখে স্বাভাবিক ৩২টি নয়, বরং ৮১টি দাঁত পাওয়া যায়! 😳
চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় Multiple Hyperdontia — যেখানে অস্বাভাবিকভাবে অতিরিক্ত দাঁত (supernumerary teeth) গজাতে থাকে।

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, মেয়েটির কোনো বড় ধরনের জেনেটিক সমস্যা বা সিনড্রোম ছিল না। কেবলমাত্র অতি বিরল এক ডেন্টাল অ্যানোমালি বা দাঁতের গঠনগত ত্রুটি।

তার চিকিৎসায় বছরের পর বছর ধরে একাধিক সার্জন ও অর্থোডন্টিস্ট একসাথে কাজ করেছেন — ধীরে ধীরে অতিরিক্ত দাঁতগুলো অপসারণ, চোয়াল পুনর্গঠন, এবং কথা বলা ও খাওয়ার স্বাভাবিক ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া ছিল বিশাল এক চ্যালেঞ্জ।

এই কেসটি American Journal of Orthodontics & Dentofacial Orthopedics-এ প্রকাশিত হয় এবং এখন পর্যন্ত এটি মানুষের মুখে পাওয়া সর্বোচ্চ দাঁতের রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত।
©

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka