A.K. High School & College

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from A.K. High School & College, High School, Dhania, Dhaka.

Operating as usual

30/04/2017

True :D

আমার পরিচিত একজন ভাই আছেন , যিনি তার পুরো বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে একই মেয়েকে মোট সাতান্নটা চিঠি দিয়েছিলেন; যার একটা জবাবও তিনি পাননি।

ক্যাম্পাসে যতবার তার সাথে মেয়েটির দেখা হতো ততবার কোন এক জটিল চিন্তা মেয়েটির মাথায় ভর করত আর উদাস মেয়েটি অন্য কোন দিকে তাকিয়ে গটগট করে তার পাশ দিয়ে হেঁটে যেত ।
পাস করার পর অনেক জায়গায় অনেক চাকরির পরীক্ষা দিতে দিতে জুতোর আয়ু খরচ করেছেন , লাভ হয়নি । পুরো দুনিয়ার কাছে তিনি কিছুই না । তারপর ধুপ করে এক সন্ধ্যায় তিনি জানতে পারেন তিনি আর সাধারণ কেউ নন , এমুহুর্ত থেকে তিনি অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার অব পিপলস রিপাবলিক অব বাংলাদেশ , সোজা কথায় ম্যাজিস্ট্রেট।
ব্যাস , সবকিছু কেমন বদলে গেল । বন্ধুদের আড্ডায় তাকে বন্ধু কম আর স্যার স্যার টাইপ ট্রিট করা বেড়ে গেল । যে মেয়েটা চিঠির জবাব দিতো না সেও "congress vaiya,im so happy" লিখে মেসেজ দিতে শুরু করলো ।
আত্মীয় স্বজনদের বাসায় খালি চা এর বদলে সাত আট পদের খাবার আসতে লাগলো।

দ্রুত ঘোর কাটার পর ছেলেটা লাইফকে একবার রিওয়াইনড করে জুম করে দেখে নিল । সাতান্ন চিঠি যে কাজ পারলো না , একটা পদবী সে কাজটা যে শুধু করে দিল তাই না , বরং বলতে গেলে প্লেটে করে সামনে এনে হাজির করে দিল।

তুমি তোমার লাইফের ফোকাসটা ঠিক করো , অ্যাডিশনাল কোন ফ্যাক্টর কখনো ফোকাস হতে পারে না। শুধুমাত্র আবেগ দিয়ে একটা জীবন কখনোই সাজানো সম্ভব না। বৃষ্টিতে শখ করে ভেজা আনন্দের হতে পারে তবে বাধ্য হয়ে ছাতার অভাবে ভেজা কষ্টের , ভয়ংকর কষ্টের।
তোমার কাছে যখন মধু থাকবে তখন অসংখ্য শুভাকাংখী তোমার খোঁজ খবর নিবে , ভালো মন্দ জানতে চাইবে । এগুলোর অ্যাটিওলজী তুমি না , তোমার কাছে থাকা মধুটা। তাই নিজের কাছে থাকা এই মধুর ডিব্বাটার যত্ন নিও । মনে রেখো , ভোমরার অভাব না থাকতে পারে পৃথিবীতে, মধু কিন্তু সবার কাছে থাকে না । কষ্ট করলে ঐ মধু সংগ্রহের জন্য করো , আশে পাশের ভোমরা গুলাকে আটঁকে রাখতে করো না ।এয়ারটেলের অ্যাড দেখে বন্ধুত্ব শিখো না , তাহসান এর নাটক দেখে প্রেম শিখো না । এগুলোতে হাজারটা জ্ঞানের কথা থাকতে পারে , তবে সবার অভিভাবক টাকা কিংবা অবস্থানের কথা কখনো লেখা থাকে না ।

:P

14/04/2017

Timeline Photos

25/02/2017
28/11/2016

সাত ধরনের মানুষের সঙ্গ ত্যাগ করুন

১. যে আপনাকে নিচে নামাতে চায় : সবাই আপনার জীবনের সাফল্য চায় না। কেউ কেউ আপনাকে নিচেও নামাতে চায়। আপনার উচিত হবে, এ ধরনের মানুষকে খুঁজে বের করে তাদের সঙ্গ ত্যাগ করা।

২. যে শোনে না : অনেক মানুষ আছে যারা অন্যের কথা শোনে না। তবে নিজের বক্তব্য প্রকাশ করতে তাদের আগ্রহের শেষ নেই। এ ধরনের মানুষ ব্যক্তিগতভাবে অন্যকে মূল্যায়ন করতে মোটেই আগ্রহী হয় না। এ কারণে তাদের সঙ্গ ত্যাগ করাই ভালো।

৩. রসবোধ নেই যার : বুদ্ধিমত্তার প্রকাশ রসবোধ। এ বোধটি যার নেই তার বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে সন্দেহ করা যেতে পারে। এ ধরনের মানুষের মানসিকতায়ও কিছু ঘাটতি থাকে। তাই তাদের ত্যাগ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

৪. প্রতিদিন ভালোবাসা পাল্টায় যে : যাদের ভালোবাসার কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে স্থিতিশীলতা নেই তাদের মনোভাব কোনোভাবেই ভালো নয়। আর এ কারণে প্রতিদিন ভালোবাসা পাল্টায় যারা, তাদের সঙ্গ ত্যাগ করাই ভালো।

৫. আপনার নিত্য প্রতিযোগী : আপনি যার সঙ্গে নিয়মিত তুমুল প্রতিযোগিতা করছেন, তার সঙ্গে সব সময় মেলামেশা করা ঠিক নয়। এতে আপনার অমঙ্গল হতে পারে। তাই নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।

৬. যে চলে গেছে : আপনাকে ফেলে যে চলে গেছে, পরে ফিরে এলেও তার সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে। কারণ সে যে আবার চলে যাবে না, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।

৭. অতীতে যে আপনাকে পেছনে টেনে ধরেছিল : আপনার কি এমন কোনো বন্ধু রয়েছে যে অতীতে আপনার অগ্রযাত্রার জন্য বাধাস্বরূপ কাজ করেছিল? এ ধরনের মানুষ যদি আপনার বন্ধু তালিকায় থাকে তাহলে তাদের ত্যাগ করুন। কারণ সে আবার সেই পুরনো ভূমিকা পালন করতে পারে।

27/04/2016

Need Admin :
Present Our school student . any interest parson plz inbox .....

10/03/2016

মুখ ফস্কে অনেকেই অনেক কিছু বলে ফেলেন। বিভিন্ন ধরণের অপ্রাসঙ্গিক চুটকি, বেফাঁস কথাবার্তা বলার মতো কাজ সবাই করেন। কিন্তু এমন কিছু কথা আছে যা বলে ফেললে সবাই ধরেই নেবে আপনার বুদ্ধি কম, ব্যক্তিত্বটাও নড়বড়ে। বিশেষ করে অফিসে তো এ ধরণের কথা কখনোই বলা যাবে না।

১) মেনে নেওয়া যায় না
জীবনের অনেক ব্যাপার আছে যা কেউই মেনে নিতে পারেন না। আমাদের সাথে অনেক কিছু হয় যা মেনে নিতে কষ্ট হয় আমাদের। কিন্তু মেনে নিতে পারছেন না বলে তা নিয়ে সবার সাথে শোরগোল করাটা সমাধান তো নয়ই, বরং অন্যদের সামনে নিজের ব্যক্তিত্ব কমিয়ে ফেলা। কোনো কিছু মেনে নিতে না পারলে তার কারণটা জানবার চেষ্টা করুন। এ নিয়ে দুঃখ করে লাভ নেই।

২) এটাই তো নিয়ম
প্রযুক্তি এখন এতো দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে যে অফিস-আদালতে অনেক প্রক্রিয়াতেই নতুন নতুন পদ্ধতি চলে আসছে। আপনি যদি নতুন কোনো কাজ শিখতে অস্বীকৃতি জানান এবং বলেন আপনি যা জানেন সেটাই নিয়ম, তাহলে আপনার বুদ্ধিমত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হবে সবার মাঝে।

৩) “শুনতে খারাপ লাগলেও-”
এই কথাটা দিয়ে কোনো বাক্য শুরু করলে, এর পরে আপনি যতো বুদ্ধিদীপ্ত আইডিয়াই উপস্থাপন করুন না কেন, তা শুনতে বোকামিই মনে হবে। বাক্যের শুরুতেই যে আপনি প্রকাশ করে ফেলেছেন আত্মবিশ্বাসের অভাব! এতে আপনার কথা যারা শুনছেন তারাও আপনার ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলবেন।

৪) এখনই হয়ে যাবে
অথবা “এক মিনিটেই শেষ করে দিচ্ছি” এ ধরণের কথা বলতে গিয়ে আপনার মনে হবে আপনি খুব চটপটে। আসলে কিন্তু অন্যরা এ কথা শুনলে ভাবতে পারে আপনি কাজটা ঠিকমতো করছেন না। কোনো কাজ করতে যতো সময় লাগবে, তা সত্যি করেই বলুন।

৫) চেষ্টা করবো
এ কথাটা আপনার ওপর থেকে অন্যদের আস্থা কমিয়ে দেয়, কারণ কথাটি শুনলে মনে হয় আপনাকে দিয়ে কাজটি না হবারই সম্ভাবনা বেশি। আপনাকে কিছু করতে বলা হলে বলুন আপনি কাজতা করবেন, পছন্দ না হলে অন্য কিছু করে দেবার প্রস্তাব দিন।

৬) সে মোটেও ভালো না/আলসে/ফালতু
কারও ব্যাপারে গালমন্দ করাতে আপনার কোন লাভ নেই, একটুও না। কারণ কী জানেন? সে যদি আসলেই খারাপ হয়ে থাকে তবে সবাই তা জানে। আর যদি সে আসলে ভালোমানুষ হয়ে থাকে, তাহলে তাকে খারাপ বলায় এটাই প্রমাণ হয়ে যায় যে আপনিই আসলে খারাপ।

৭) এটা আমার কাজ না
নিজেকে অকর্মণ্য প্রমাণ করতে এই একটা কথাই যথেষ্ট। পরিবারে বা বন্ধুদের মাঝে এই কথাটা বললে আপনার কাছের মানুষেরা তো কষ্ট পাবেনই, অফিসের মতো জায়গায় এ কথাটি বলা মানে আপনি একেবারে ন্যুনতম কাজ করতে প্রস্তুত। এর চাইতে বেশি কিছু আপনাকে দিয়ে করানো সম্ভব নয়।

৮) আমার কোনো দোষ নেই
অন্য কারও ওপরে দোষ চাপানোটা কোনো ক্ষেত্রেই কাম্য নয়। আপনি যদি কোনোভাবেই ভুল একটি কাজের সাথে জড়িত থাকেন তাহলে দোষ স্বীকার করুন। যার ক্ষতি হয়েছে তার সাথে এ ব্যাপারে আলোচনা করে বোঝান যে আপনি আসলে বুঝতে পারেন নি এমন ক্ষতি হবে। অন্য কারও দোষ দেওয়া শুরু করলেই আপনাকে সন্দেহের চোখে দেখা হবে।

৯) পারবো না
এটা হলো “আমার কোনো দোষ নেই” এর সহোদর ভাই। মানুষ এই কথাটা শুনতে পছন্দ করে না। কারণ “পারবো না” এর মানে তারা ধরে নেয় আপনি কাজটি আসলে করতে চান না। আপনার যদি কোনো কাজ করার ক্ষমতা না থাকে তাহলে কি পারবেন না তার বদলে বলুন কি পারবেন। যেমন আজকে রাতে অফিসে বেশি সময় থাকতে পারবেন না, তা বলার পরিবর্তে বলুন আপনি কাল সকালে তাড়াতাড়ি এসে কাজ শেষ করে ফেলবেন।

১০) কাজ করতে ভালো লাগে না
বিশেষ করে অফিসে আপনি যদি বলেন চাকরিটা আপনার আর ভালো লাগছে না, তবে আপনার কপালে শনি আছে। এতে আপনি যে একটি নেতিবাচক ধরণের মানুষ তা প্রমাণ হয়ে যায়। আপনার সহকর্মীদের মানসিকতা খারাপ করে দিতে পারে এই একটি কথা। আর উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কানে এ কথা গেলে আপনার ছাঁটাই হয়ে যাওয়া কেবল সময়ের ব্যাপার। কারণ এই চাকরিটির জন্যই হয়তো আরও উৎসাহী কেউ অপেক্ষা করছে।

29/12/2015

How to increase your memory, get answered!
একদিকে ঝড়ের গতিতে পড়ে যাচ্ছেন আর আরেকদিকে ঠিক একইভাবে ভুলেও যাচ্ছেন। পড়াশোনার ক্ষেত্রে এমন সমস্যায় পড়েননি এমন মানুষ খুব কমই আছে। বেশিরভাগ ছাত্র ছাত্রীদের এই একটি বিষয় নিয়ে হা হুতাশ করতে শোনা যায় যে তারা পড়া পড়ে মনে রাখতে পারেন না। এক্ষেত্রে আপনাদের এই হা হুতাশ দূর করতে কিছু টিপস প্রদান করা হল।

পড়ার সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করুন (involve yourself in reading)
আপনি যা পড়ছেন সেই বিষয়ের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করুন। নিজে নিজেকে প্রশ্ন করুন ও পড়ার ভেতর থেকে উত্তর ও নিজেই খুঁজে বের করুন। যখনই আপনি কোন বিষয়ে পড়তে গিয়ে ঘটনার কারণ ও ফলাফল সম্পর্কে নিজে থেকে জানার চেষ্টা করবেন তখন সেই পড়া আপনার ভেতর খুব পাকাপোক্তভাবে বসে যাবে। তাই সহজে আপনার মন থেকে পড়া হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেকখানি কমে যায়।

নোট করে করে পড়ুন(take a note)
একটানা কোন বিষয় পড়ে না গিয়ে বরং ছোট ছোট অংশে ভেঙ্গে ভেঙ্গে বা অল্প করে করে পড়ুন। এক নাগারে কোন বিষয়ে পড়ে গেলে আপনার ভুলে যাওয়ার সুযোগ থাকে, তাই ছোট ছোট অংশে ভেঙ্গে বা নোট করে পড়লে আপনার স্মৃতিতে তা ভালোভাবে আটকে যায় আর ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

যা পড়ছেন তা কল্পনা করার চেষ্টা করুন(visualize as you read)
আপনি যে বিষয়ে পড়ছেন ভা যে ঘটনা সম্পর্কে পড়ছেন সেটা নিজে নিজে কল্পনা করার একটা চেষ্টা করে দেখুন। যদি আপনি কোন যুদ্ধ সম্পর্কে পড়তে বসেন তাহলে নিজেকে যুদ্ধ ময়দানে কল্পনা করুন, ভাবুন কেন আপনি যুদ্ধে এসেছেন আর কি নিয়েই বা এই যুদ্ধ। দেখবেন পড়ার বিষয়বস্তু আপনার মস্তিস্কে একটি স্থায়ী জায়গা দখল করে থাকবে।

একটু ব্যাতিক্রম ঘটনায় বাড়তি মনোযোগ দিন(pay extra attention to difficult information)
কোন বিষয়ে পড়তে গিয়ে হয়তো আপনার সামনে অন্য রকম কাহিনী বা ঘটনা সম্পর্কিত আলোচনা আসবে, কারণ সবটাই আপনার জানা বিষয় সম্পর্কিত আলোচনা সামনে পড়বেনা এমনটাই কাম্য। তাই এইসব সময়ে আপনি আপনার আলোচ্য বিষয়বস্তুতে বাড়তি মনোযোগ প্রদান করুন। আপনার একটু বাড়তি দেখাশোনা পড়া মনে রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

অনুশীলন করুন(practice, practice, practice)
আপনার মুখস্ত পড়া মনে রাখতে বার বার সেটি অনুশীলন করুন। সব থেকে ভালো হয় যদি আপনার আলোচ্য বিষয় পড়ার পাশাপাশি একটু একটু লিখার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। যেকোন বিষয় পড়ার সাথে সাথে লিখতে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়। তাই বার বার পড়া বিষয় অনুশীলন করুন।

পড়ার ফাঁকে ফাঁকে বিশ্রাম নিন(take regular study breaks)
আপনি যদি ভেবে থাকেন শুধু একটানা পড়ে গেলেই পড়া বিষয় আপনার মনে থাকবে তাহলে ভুল করবেন। বরং পড়ার ফাঁকে ফাঁকে বিরতি নিন, আর বিরতির পর আগের পড়াগুলো মনে মনে আওড়ানোর চেষ্টা করুন। এভাবে পড়লে দেখবেন আপনার স্মরণশক্তি এমনিতেই বাড়বে।

সবার মেধা সমান নয় আর একইভাবে একই কায়দায় পড়লে সবায় তা মনে রাখতে পারবে এটাও সম্ভব নয়। তাই নিজে নিজে পড়া মনে রাখার নতুন নতুন কৌশল আয়ত্ত করুন।

23/12/2015

পৃথিবী কাঁপানো এই বিখ্যাত মনিষীর কাহিনী পড়ে আমি স্তম্ভিত হয়ে গেছি। হায় মানব জীবন।

১৯৬১ সালে পুরো ভারতবর্ষে মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম। এরপর ১৯৬৩ সালে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া থেকে মাত্র দুবছরের মাঝে গণিতে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করে ১৯৬৯ সালে গণিতে পিএইচডি। Reproducing Kernels and Operators with a Cyclic Vector- এর জনক হিসাবে স্বীকৃতি। ১৯৬৯ সালেই নাসার গবেষক হিসাবে যোগদান করে ১৯৭৩ সালে দেশ সেবার মহানব্রত নিয়ে ফিরে আসেন ভারতে। নাসা'তে উনার অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য বলা হয়েছিলো- গণিতে যদি কোনো নোবেল পুরস্কার থাকতো তবে সেটা উনারই প্রাপ্য হতো। আইআইটি সহ ভারতের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনায় নিজেকে নিয়োজিত করেন। তারপর শুরু হতে থাকে ধীরে ধীরে উনার মানসিক ভারসাম্য হীনতা। স্ত্রী, ঘর ,সংসার সবকিছু থেকে আলাদা হয়ে যান। ১৯৮৮ সালের পর থেকে একেবারেই নিঁখোজ । কারো সাথে কোনো যোগাযোগ নেই। কেউ জানেনা উনি বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন।
তারপর, ১৯৯২ সালে উনাকে পাওয়া যায় গৃহহীন হয়ে বিহারের রাস্তার ফুটপাথে অর্ধউলঙ্গ হয়ে শুয়ে আছেন। কোনো কথা নেই, কাউকে চিনেন না। গণিতের অসংখ্য সূত্র যিনি পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা মুহুর্তেই বলে দিতে পারতেন- সেই বিদ্বান, মনিষী, গণিত বিজ্ঞানী নিজের নামটিও আর বলতে পারেননা। শুধু ভারত নয় , ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উনি একনামে পরিচিত গণিত বিজ্ঞানী হিসাবে -Dr.Vashishtha Narayan Singh। বিহারে যখন উনাকে ভবঘুরে অবস্থায় পাওয়া যায় তখনকার এই ছবি-

পুরো ভারতবর্ষের মানুষ বিশেষকরে শিক্ষিতজন উনার এই ছবি দেখে চমকে ওঠেছিলো। টাইমস অব ইন্ডিয়ায় হেডলাইন হয়। পাটনার এক ঘরে এখন তিনি বলতে গেলে একেবারে একাকী জীবন যাপন করেন। এবার, একবার কল্পনা করে দেখুন মানুষের কীসের এতো অহঙ্কার, কীসের এতো গৌরব।এই রকম জীবন্ত একটা দৃষ্টান্ত থেকে যদি শিখার কিছু না থাকে তবে আমাদের চেয়ে হতভাগা আর কেউ নেই। নিমিষেই সবকিছু চূর্ণ হয়ে যায়। আমি যা বলি আমার- আসলেই কি এসব কিছু আমার !!

06/02/2015

Mobile Uploads

21/11/2014

মৃত্যুর চেয়েও ভয়াবহ বিবাহ বিচ্ছেদ !

25/09/2014

হুমায়ূন আহমেদের সব বইয়ের লিস্টঃ
( কিছু বাদ পড়লে জানাবেন)
(১৩ নভেম্বর, ১৯৪৮ — ১৯ জুলাই, ২০১২)
১-অচিনপুর
২-অনিল বাগচীর একদিন
৩-অপেক্ষা
৪-অয়োময়
৫-অন্ধকারের গান
৬-অদ্ভুত সব উপন্যাস
৭-আগুনের পরশমণি
৮-অরন্য
৯-আশাবরী
১০-আয়নাঘর
১১-আয়না
১২-অনন্ত নক্ষত্রবিথী
১৩-আকাশজোড়া মেঘ
১৪-আকাশ পরী
১৫-আমার আছে জল
১৬-অঁহক
১৭।-আনন্দ বেদনার কাব্য
১৮-আমানুষ
১৯ আজ চিত্রার বিয়ে
২০ আজ আমি কোথাও যাব না
২১ আমি এবং কয়েকটি প্রজাপতি
২২ আজ দুপুরে তোমার নিমন্ত্রন
২৩ আসমানীরা তিন বোন
২৪ আমার প্রিয় ভৌতিক গল্প
২৫ আমাদের শাদা বাড়ি
২৬ অপরাহ্ন
২৭ আমরা কেউ বাসায় নেই
২৮ ইরিনা
২৯ ইমা
৩০ ইস্টিশন
৩১ উড়ালপঙ্খী
৩২ উপন্যাস সমগ্র (১মখণ্ড)
৩৩ উপন্যাস সমগ্র (২য় খণ্ড)
৩৪ উপন্যাস সমগ্র (৩য় খণ্ড)
৩৫ উপন্যাস সমগ্র (৪র্থ খণ্ড)
৩৬ উপন্যাস সমগ্র (৫ম খণ্ড)
৩৭ উপন্যাস সমগ্র ( ৬ষ্ঠ খণ্ড)
৩৮ উপন্যাস সমগ্র (৭ম খণ্ড)
৩৯ উপন্যাস সমগ্র (৮ম খণ্ড)
৪০ উপন্যাস সমগ্র (৯ম খণ্ড)
৪১ উপন্যাস সমগ্র (১০মখণ্ড)
৪২ উদ্ভট গল্প
৪৩ এলেবেলে
৪৪ একি কান্ড
৪৫ এই শুভ্র এই!
৪৬ একজন মায়াবতী
৪৭ এই মেঘ রৌদ্র ছায়া
৪৮ একা একা
৪৯ একটি মামদো ভূতের গল্প
৫০ এপিটাফ
৫১ এই সব দিনরাত্রি
৫২ একটি ভয়ঙ্কর অভিযানের গল্প
৫৩ একটি সাইকেল ও কয়েকটি ডাহুক পাখি
৫৪ এসো করো স্নান
৫৫ ওমেগা পয়েন্ট
৫৬ কূহক
৫৭ কৃষ্ণপক্ষ
৫৮ কিছুক্ষন
৫৯ কুটু মিয়া
৬০ কুহুরানী
৬১ কে কথা কয়
৬২ কবি
৬৩ কোথাও কেউ নেই
৬৪ কালো যাদুকর
৬৫ কানী ডাইনী
৬৬ কাক ও কাঠ গোলাম
৬৭ কিশোর সমগ্র
৬৮ কুদ্দুসের একদিন
৬৯ গৌরীপুর জংশন(জার্মানঅনুবাদ,হিন্দিঅনুবাদ)
৭০ গল্পপঞ্চাশৎ
৭১ গল্পসমগ্র
৭২ চক্ষে আমার তৃষ্ণা
৭৩ চাঁদের আলোয় কয়েকজন যুবক
৭৪ চেরাগের দৈত্য এবং বাবলু
৭৫ চৈত্রের দ্বিতীয় দিবস
৭৬ ছেলেটা
৭৭ ছায়াবিথী
৭৮ ছোট গল্প
৭৯ ছবি বানানোর গল্প
৮০ ছোটদের সেরা গল্প
৮১ ছোটদের জন্য এক ব্যাগ হুমায়ূন
৮২ জলপদ্ম
৮৩ জল জোছনা
৮৪ জলিল সাহেবের পিটিশন
৮৫ জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল হাই স্কুল
৮৬ জোছনা ও জননীর গল্প
৮৭ জলকন্যা
৮৮ জোৎস্নাত্রয়ী
৮৯ জনম জনম
৯০ জয়জয়ন্তী
৯১ টগর এন্ড জেরী
৯২ তোমাকে
৯৩ তারা তিন জন
৯৪ তেঁতুল বনে জোছনা
৯৫ তিথীর নীল তোয়ালে
৯৬ তোমাদের জন্য ভালবাসা
৯৭ তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রনে
৯৮ তিনি ও সে
৯৯ তাহারা
১০০ তিন পুরুষ
১০১ তোমাদের জন্য রূপকথা
১০২ দুই-দুয়ারী
১০৩ দ্বিতীয় মানব
১০৪ দারুচিনি দ্বীপ
১০৫ দি এক্সরসিস্ট
১০৬ দাঁড় কাকের সংসার মাঝে মাঝে তবো দেখা পাই
১০৭ দূরে কোথায়
১০৮ দ্বৈরথ
১০৯ দেখা না দেখা
১১০ দিনের শেষে
১১১ দিঘির জলে কার ছায়াগো
১১২ নির্বাসন
১১৩ নীল হাতি
১১৪ নীল অপরাজিতা
১১৫ নির্বাচিত ভূতের গল্প
১১৬ নন্দিত নরকে(স্যারের প্রথম উপন্যাস)
১১৭ নি
১১৮ নবনী
১১৯ নলিনীবাবু B.S.C
১২০ নক্ষত্রের রাত
১২১ নৃপতি
১২২ নিশিকাব্য
১২৩ নির্বাচিত কিশোর উপন্যাস
১২৪ নির্বাচিত গল্প
১২৫ নীল মানুষ
১২৬ নির্বাচিত সায়েন্স ফিকশন
১২৭ নুহাশ এবং আলাদিনের আশ্চর্য চেরাগ
১২৮ নয় নম্বর বিপদ সংকেত
১২৯ নিউটনের ভুল সূত্র
১৩০ পাপ
১৩১ প্রথম প্রহর
১৩২ পোকা
১৩৩ পুতুল
১৩৪ পাখি আমার একলা পাখি
১৩৫ পারুল ও তিনটি কুকুর
১৩৬ পরেশের ‘হইলদা’ বড়ি
১৩৭পলী বেগম
১৩৮ রীর মেয়ে মেঘবতী
১৩৯ ঞ্চকন্যা
১৪০ প ন্সিলে আঁকা পরী
১৪১ প্রিয তমেষু
১৪২ প্রিয় ভয়ংকর
১৪৩ ফেরা
১৪৪ ফীহা সমীকরণ
১৪৫ ফজলুল করিম সাহেবের ত্রাণকার্য
১৪৬ বিপদ
১৪৭ বাসর
১৪৮ বহুব্রিহী
১৪৯ বৃষ্টিবিলাস
১৫০ ব্যাঙ কন্যা এলেং
১৫১ বোতল ভূত
১৫২ বৃষ্টি ও মেঘমালা
১৫২ বাদল দিনের দ্বিতীয় কদম ফুল
১৫৩ বিরহগাথা –১
১৫৪ বিরহগাথা-২
১৫৫ বিরহগাথা –৩
১৫৬ বোকাভু
১৫৭ বৃক্ষকথা (বৃক্ষবিষয়ক)
১৫৮ বোকা রাজার সোনার সিংহাসন
১৫৯ বনের রাজা
১৬০ বাদশাহ নামদার
১৬১ ভুত মন্ত্র
১৬২ ভূতসমগ্র
১৬৩ ভূত ভূতং ভূতৌ
১৬৪ ভালবেসে যদি সুখ নাহি
১৬৫ মন্দ্র সপ্তক
১৬৬ মৃন্ময়ী
১৬৭ মানবী
১৬৮ মজার ভূত
১৬৯ মেঘের ছায়া
১৭০ মৃন্ময়ীর মন ভালো নেই
১৭১ মধ্যাহ্ন -১
১৭২ মধ্যাহ্ন -২
১৭৩ মধ্যাহ্ন অখণ্ড
১৭৪ মহাপুরুষ
১৭৫ মেঘ বলেছে যাব যাব
১৭৬ মুক্তিযুদ্ধেরউপন্যাসসমগ্র ॥ ১
১৭৭ মাতাল হাওয়া
১৭৮ মীর খাইয়ের অটোগ্রাফ
১৭৯ মীরার গ্রামের বাড়ি
১৮০ ম্যজিক মুনসি
১৮১ মেঘের ওপারে বাড়ি
১৮২ যদিও সন্ধ্যা
১৮৩ যশোহা বৃক্ষের দেশে
১৮৪ যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
১৮৫ রূপার পালঙ্ক
১৮৬ রুপা
১৮৭ রাক্ষস খোক্কস এবং ভোক্ষস
১৮৮ রজনী
১৮৯ রুমালী
১৯০ রূপালী দ্বীপ
১৯১ লিলুয়া বাতাস
১৯২ লীলাবতী
১৯৩ শুভ্র
১৯৪ শূন্য
১৯৫ শ্যামল ছায়া
১৯৬ শঙ্খনীল কারাগার(স্যারের দ্বিতীয় বই)
১৯৭ শীত ও অন্যান্য গল্প
১৯৮ শ্রাবণ মেঘের দিন
১৯৯ শ্রেষ্ঠগল্প
২০০ শ্রেষ্ঠ প্রেমের উপন্যাস
২০১ শুভ্র গেছে বনে
২০২ সৌরভ
২০৩ সাজঘর
২০৪ সূর্যের দিন
২০৫ সম্রাট
২০৬ সে ও নর্তকী
২০৭ সেদিন চৈত্রমাস
২০৮ সুমদ্র বিলাস
২০৯ সেই মেয়েটি
২১০ সে আসে ধীরে
২১১ সবাই গেছে বনে
২১২ স্বপ্ন ও অন্যান্য (মঞ্চ নাটক সমগ্র)
২১৩ সায়েন্স ফিকশান সমগ্র (১মখণ্ড)
২১৪ সানাউল্লার মহাবিপদ
২১৫ হুমায়ূন ৫০
২১৬ হুমায়ূন ৬০
২১৭ হলুদ পরী
২১৮ হুমায়ূন আহমেদের হাতে ৫টি নীলপদ্ম
২১৯ হুমায়ূন আহমেদ রচনাবলী-১
২২০ হুমায়ূন আহমেদ রচনাবলী-২
২২১ ১৯৭১
২২২ ৭০দশকের ৫টি উপন্যাস
২২৩ ৮০দশকের ৫টি উপন্যাস
২২৪ ৯০দশকের ৫টি উপন্যাস
২২৫ Ants & Other Stories
২২৬।Love You All
২২৭।In Bissful Hell
২২৮।A Few Youths In The Moon
২২৯।Flowers of Flame (অনুবাদঃ শঙ্খনীল কারাগার)
২৩০।To the woods Dark & Deep
মূল :হুমায়ূনআহমেদ (সবাইগেছেবনে)
অনুবাদ :ফারিহাসুলতানা
২৩১।Gouripur Junction
মূল :হুমায়ূনআহমেদ (গৌরিপুরজংশন)
অনুবাদ :শফিক-উল-করিম
২৩২।Equation Fiha
মূলঃ হুমায়ূনআহমেদ (ফিহাসমীকরণ)
অনুবাদ :নুহাশ হুমায়ুন
হিমু সমগ্রঃ
২৩৩ ময়ূরাক্ষী
২৩৪ দরজার ওপাশে
২৩৫ হিমু
২৩৬ পারাপার
২৩৭ এবং হিমু...
২৩৮ হিমুর হাতেকয়েকটি নীল পদ্ম
২৩৯ হিমুর দ্বিতীয় প্রহ
২৪০ হিমুর রূপালী রাতরি
২৪১ একজন হিমু কয়েকট ঝিঁ ‍ঝিঁ পোকা
২৪২ তোমাদের এই নগর
২৪৩ চলে যায় বসন্তেরদিন
২৪৪ সে আসে ধীর
২৪৫ আঙ্গুল কাটাজগলু
২৪৬ হলুদ হিমু কালোর্যাব
২৪৭ আজ হিমুর বিয়ে
২৪৮ হিমু রিমান্ডে
২৪৯ হিমুর মধ্যদপুর
২৫০ হিমুর নীল জছনা
২৫১ হিমুর আছে জ
২৫২ হিমু এবং এটি রাশিয়ান পরী
২৫৩ হিমু এবং হার্ভার্ড পিএইচডি ল্টু ভাই
২৫৪ শ্রেষ্ঠ হিম
২৫৫ হিমু অমনিবাস
২৫৬ হিমু ও কয়েটি ঝিঝি পোকা
২৫৭ ময়ূরাক্ষীর তীরে প্রথম হিম
২৫৮ হিমু মাম
২৫৯ হিমুর কান্ত সাক্ষাতকার ও অন্যান্য
২৬০ হিমুর বাবার কথামাল
মিসির আলি সমগ্রঃ
২৬১দেবী
২৬২নিশথিনী
২৬৩ নিষাদ
২৬৪ অন্যভুবন
২৬৫ বৃহন্নলা
২৬৬ ভয়
২৬৭ বিপদ
২৬৮ অনীশ
২৬৯ মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য
২৭০ আমি এবং আমরা
২৭১ তন্দ্রাবিলাস
২৭২ আমিই মিসির আলি
২৭৩ বাঘবন্দী মিসির আলি
২৭৪ কহেন কবি কালিদাস
২৭৫ হরতন ইশকাপন
২৭৬ মিসির আলির চশমা (২০০৮)
২৭৭ মিসির আলি! আপনি কোথায়? (২০০৯)
২৭৮ মিসির আলি আনসলভ (২০১০)
২৭৯ যখন নামিবে আঁধার (২০১২)
২৮০ মিসির আলি UNSOLVED
২৮১ মিসির আলি অমনিবাস-১
২৮২ মিসির আলী অমনিবাস-২
২৮৩ পুফি
আত্মজীবনীসমগ্র ও অন্যান্য ঃ
২৮৪ বলপয়েন্ট
২৮৫ কাঠপেন্সিল (২০১০)
২৮৬ ফাউন্টেইন পেন
২৮৭ রংপেনসিল (২০১১)
২৮৮ নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ (২০১২)
২৮৯ হোটেল গ্রেভার ইন
২৯০ আমার ছেলেবেলা
২৯১ কিছু শৈশব
২৯২ উঠোন পেরিয়ে দুই পা
২৯৩ মে ফ্লাওয়ার
২৯৪ আপনারে আমি খুজিয়া বেড়াই
২৯৫ অনন্ত অন্বরে
২৯৬ এই আমি
২৯৭ সকল কাঁটা ধন্য করে
২৯৮ আমার আপন আঁধার
২৯৯ রাবনের দেশে আমি ও আমরা
৩০০ পায়ের তলায় খড়ম
৩০১ দেখা না দেখা
৩০২ পায়ের তলায় খড়ম
৩০৩ রদনা ভরা এ বসন্ততা
৩০৫ কওয়ানটাম রসায়ন

07/06/2014

LOL

28/06/2013

MY UV

17/05/2013

ইন্টারনেটের দাম কমানোর জন্য এবার শুরু
হয়েছে নতুন আন্দোলন। আপনাদের সবার
অংশগ্রহণ, মেইল কামনাকরছি।
এবার আমরা ইন্টারনেটের দামের বিষয়ে মিডিয়ার
দৃষ্টি আকর্ষণ করবো। নিচের
মেইলটি সবগুলো চ্যানেলকে গনহারে পাঠান।
চ্যানেল সমুহের মেইল এড্রেস নিচে দেয়া হল।
_______________ ___________ ______

Sub: বাংলাদেশে ইন্টারনেটের দাম কমানোর জন্য
সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংবাদ প্রকাশের
আহবান।

জনাব CNE,
আমার শুভেচ্ছা গ্রহন করুন ।
একটি জরুরি বিষয়ে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ
করতেই আমার এই মেইল প্রেরন।
এক হিসেবে দেখা যায় GP এবং অন্যান্য মোবাইল
অপারেটররা প্রতি জিবি ডাটা সরকারের কাছ
থেকে ক্রয় করে মাত্র ৫ থেকে ১৫ টাকার মধ্যে..
কিন্তু গ্রাহকরা পাচ্ছি সেটি ৩০০টাকায়!! এ
ব্যাপারটি যদি মিডিয়া ফলাও করে প্রচার
করে তবে নিশ্চিত ভাবে এটি আমাদের জন্য ভাল
ফলাফল বয়ে আনবে। এটাস্যোসাল মিডিয়ার
দায়িত্ব ও বটে। ১৫ মেগাবাইট ইন্টারনেট
এখনো আমাদের কিনতে হয় ৩৫ টাকা দিয়ে,
বাংলালিংকে ২০ মেগা ২৩ টাকা, রবিতে ১ জিবি ২৭৫ টাকা অথচ ভারতে ১ জিবি দেয়া হয় ৭০
টাকা থেকে ও কমে। আমাদের অত সুবিধা দরকার
নেই কিন্তু আমরা এত অভাগা যে আমরা সামান্য
সুবিধা টুকুও পাচ্ছিনা।বতর্মান সরকার ডিজিটাল
বাংলাদেশ গড়তে চায় কিন্তু তারা শুধু ব্যন্ডউইথ
এর দাম কমিয়েই পগারপার হয়ে যাচ্ছে, একটু
দেখছেও না যে এদিকে অপারেটররা জনগনের উপর
কিভাবে চড়াও!! জিপি সবসময় আনলিমিটেডের
নামে ফেয়ার ইউজেস পলিসি লাগায়
দিয়ে বেরাচ্ছে সেই জন্মসূত্রে ! ৯৭৭ টাকার
একটি আনলিমিটেড মাসিক প্যকেজ আছে এদের।
শর্ত হচ্ছে ৫ জিবি ইউজেসের পর স্পিড পাবেন
দুই কেবিপিএস। এতগুলা টাকা দিয়ে কিনছি অথচ
ব্যবহার করতে দিচ্ছে ৫জিবি।
এগুলা দেখার মত কি কেউ নেই?
আপনার কাছে আমার বিশেষ অনুরোধ এই যে, এই
বিষয়ে বিশদ তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিবেদন
প্রকাশের মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ
করে ইন্টারনেটের দাম কমিয়ে এই
প্রযুক্তিটি আমাদের কাছে সহজলভ্য
করতে সহায়তা করুন। এটা স্যোসাল মিডিয়ার
দায়িত্বও বটে।
_______________ ___________ _______

Bangladeshi Chanels mail addreses.
1. ATN NEWS: [email protected]
2. NTV: [email protected]
3. RTV: [email protected]
4. BANGLA VISION: [email protected]
5. ETV: [email protected]
6. SHOMOY: [email protected]
7. MASRANGA: [email protected]
8. BOISHAKHI: [email protected]
9. INDEPENDENT: [email protected]
10. CHANEL 24: [email protected]
11. DESH: [email protected]
12. 71: [email protected]
13. ATN B: [email protected]
14. Mohona: [email protected]
15. MY TV: [email protected]

27/04/2013

বিশ্ব ফ্যাশনে সেই ৭০-এর দশকের শেষ দিক থেকে দাপটের সঙ্গে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন বাংলাদেশি ডিজাইনার বিবি রাসেল।সম্প্রতি ২০১৩ সালে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক জনপ্রিয় ফ্যাশন ব্লগ “ফ্যাশন কম্প্যাশন” ফ্যাশনে ব্যাপক পরিবর্তনে ভুমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে ১০ নারী ফ্যাশন ডিজাইনারের নামের তালিকা ঘোষণা করে। তাদের মধ্যেও ওপরের দিকেই আছে বিবি রাসেলের নাম।
আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাংলাদেশি এই ফ্যাশন মডেল এবং ডিজাইনার বিবি রাসেল, বিশ্ব ফ্যাশন জগতে নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান। শুধুমাত্র পোশাক তৈরি করেই তিনি নিজের দায়িত্ব শেষ করেননি, দেশীয় হস্তশিল্পকে দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্ব ফ্যাশন দরবারে তুলে ধরেছেন। কয়েক হাজার গ্রামীণ দরিদ্র নারীর কাজের সুযোগ করে দিয়েছেন তিনি।
এই এপ্রিলে এ কলোম্বো ফ্যাশন সপ্তাহে নিজস্ব বেশ কিছু ডিজাইন নিয়ে শো তে অংশ নেন বিবি।
বিবি রাসেল বলেন,“আমি বেশির ভাগ সময়ই ব্যয় করি ডিজাইন নিয়ে গবেষণার কাজে। ছয় বছর আগে একটি প্রকল্প শুরু করি। যেখানে বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়া উত্তরবঙ্গের অসংখ্য দরিদ্র নারী কাজ করে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছে। আমি চাই আমাদের দেশীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ করতে।”
বিশ্ব সংস্কৃতিতে আমাদের দেশের জামদানি, মশলিন, খাদি এবং সুতি কাপড়ের পোশাক সম্মানের জায়গা দখল করে নেবে বলে বিশ্বাস করেন বিবি। আর এজন্য তিনি রাতদিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
বিশ্বসেরা এই ডিজাইনার ২০০৪ সালে জাতিসংঘের শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। বিবি রাসেলের ডিজাইন করা পোশাক পরেছেন নানা দেশের রানী, রাজ পরিবারের সদস্য, বিশ্ব সেরা মডেল, অভিনেত্রীসহ অনেকেই। তবে নিজের জন্য সব সময় তিনি বেছে নেন সুতি এবং তাঁতের কুর্তা বা শাড়ি।
তিনি বাংলাদেশে নিজের ফ্যাশনহাউস বিবি প্রোডাকসন্স শুরু করেন ১৯৯৫ সালে।

23/04/2013

লুঙ্গি, জাতীয় সংসদ ও বারিধারা

চাইলে সাংসদেরা লুঙ্গি পরে জাতীয় সংসদেও যেতে পারেন। পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর স্থাপত্যশৈলী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে লুঙ্গি পরে অধিবেশনে যোগ দেওয়ায় আইনি কোনো বাধা নেই। অথচ অভিজাত বলে পরিচিত রাজধানীর বারিধারা এলাকায় লুঙ্গি পরা রিকশাচালকদের চলাচলে বাধা দেওয়া এবং এ-সংক্রান্ত আদালতের নেওয়া পদক্ষেপের সংবাদ জেনেছি সবাই। ইতিমধ্যে প্রতিবাদী কিছু তরুণ লুঙ্গি পরে বারিধারা এলাকায় সাইকেল চালানোর উদ্যোগ নিলে তাঁরাও বাধার সম্মুখীন হন দারোয়ান ও পুলিশের। তরুণদের মতে, বারিধারা সোসাইটির হর্তাকর্তাদের পূর্বপুরুষেরা লুঙ্গি পরেই চাকরি-বাকরি-ব্যবসা-বাণিজ্য করতেন। বাসায় এখনো সবাই লুঙ্গি পরেন। এসব তথ্য ও খবর শোনার পর মনে হলো, বাংলাদেশের জাতীয় পোশাক কী, তা জেনে নিই। অনেকের কাছে প্রশ্ন রাখলেও সুনির্দিষ্ট উত্তর কেউ দিতে পারেননি। কারণ, জাতীয় পোশাক সুনির্দিষ্ট করা নেই। তবে লুঙ্গি নিয়ে যা জানতে পেরেছি, তা একটু বলে নিই। মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর লুঙ্গির কথা আমরা সবাই জানি। আর্থিকভাবে সচ্ছল না হলেও ভাসানী অসামাজিক ছিলেন, এমন কথা কেউ বলতে পারবেন না। লুঙ্গির আদি উৎপত্তিস্থল সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া গেল না। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ইয়েমেন, সোমালিয়া, কেনিয়া, ইথিওপিয়াসহ আরও কোনো কোনো দেশে লুঙ্গি ব্যাপক ব্যবহূত। জাপানে লুঙ্গি একটা উৎসবের পোশাক। দক্ষিণ ভারতের কোথাও লুঙ্গিকে মুন্ডা, কাইলি ও সারং বলা হয়। মিয়ানমারে বার্মিজ ভাষায় লুঙ্গিকে লোঙ্গাই বলে ডাকা হয়। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়ায়ও লুঙ্গিকে ‘সারং’ বলে, ইয়েমেন-সোমালিরা বলে ‘মাআউইস’। সোমালিয়ায় প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী থেকে সাধারণ জনতা—সবাই অফিস সময়ের বাইরে লুঙ্গি পরে ঘুরে বেড়ান। আর মজার ব্যাপার হচ্ছে, এঁরা লুঙ্গির সঙ্গে বেল্ট পরেন। ইন্দোনেশিয়ান-মালয়েশিয়ানরা লুঙ্গির মধ্যে জামা ইন করে পরেন। ওপরে বেল্ট থাকে। লুঙ্গির উৎপত্তি যেখানেই হোক না কেন, লুঙ্গিকে আমরা আত্তীকরণ করেছি বিভিন্ন সংগত কারণে। যেমন আরামদায়ক, সহজেই বায়ু চলাচল উপযোগী, দামও সাধারণের সাধ্যের মধ্যে। সহজে খোলা বা পরার সুবিধা তো রয়েছেই। আমার জানামতে, কোনো জাতীয় ‘জিনিস’ই নির্ভেজালভাবে বাংলাদেশের নয়। যেমন ইলিশ, শাপলা, কাঁঠাল, দোয়েল ইত্যাদি অন্য কয়েকটি দেশেও পাওয়া যায়। মুরব্বিদের কাছে অবশ্য শুনেছি, আগের দিনে বাংলার মানুষ বেশি পরতেন ধুতি, শর্ট পাঞ্জাবি (‘ব্যাপারী পাঞ্জাবি’ নামে যেটা পরিচিত, দুই পাশে আর বুকে পাঞ্জাবির মতো পকেট), হাতাকাটা ফতুয়া ও ঢোলা পাজামা। মূল কম্বিনেশন ছিল পাজামার সঙ্গে ব্যাপারী পাঞ্জাবি আর ধুতির সঙ্গে ব্যাপারী পাঞ্জাবি ও হাতাকাটা ফতুয়া দুটোই। এ লেখার মূল প্রসঙ্গে ফিরি, জাতীয় সংসদে লুঙ্গি পরে যেতে কোনো বাধা নেই। ব্যক্তিগত কৌতূহল থেকে কথা বলি সাংসদদের কয়েকজনের সঙ্গে। তাঁরা জানান, নিকট অতীতে কাউকে লুঙ্গি পরে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে দেখেননি। স্বাধীনতার পর পর কয়েক বছর অনেক সাংসদকে লুঙ্গি পরে অধিবেশনে যোগ দিতে দেখা গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন তাঁরা। ১৯৮৬ সালে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত সাংসদ যশোরের খালেদুর রহমান টিটো একটা চমৎকার তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি কাউকে দেখিনি লুঙ্গি পরে অধিবেশনে যেতে। আইনি কোনো বাধাও নেই। তবে ১৯৮৬ সালে যিনি জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধি ছিলেন, তিনি লুঙ্গি পরেই সেখানে অধিবেশনে যোগ দিতেন।’ ১৯৯১ সালের ১ আগস্টের দৈনিক বাংলার খবরে জানা যায়, ওই সময়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি জাতিসংঘের মহাসচিব পেরেজ দ্য কুয়েলারের সঙ্গে প্রথম দিনে লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি পরে দেখা করতে গিয়েছিলেন। ১৯৭৩ থেকে ৭৫ সাল পর্যন্ত জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আমলে ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি উপজেলা নিয়ে গঠিত সংসদীয় আসনের আওয়ামী লীগের সাংসদ ছিলেন আবদুল মকিম। শুনেছি, বঙ্গবন্ধু সংসদ অধিবেশনে লুঙ্গি পরিহারের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। সবকিছু ঠিকঠাক হলেও শেষ মুহূর্তে আবদুল মকিম বঙ্গবন্ধুকে বলেন, ‘মুই (আমি) ঠোঙ্গার (পাজামা) মধ্যে হানতে (ঢুকতে) পারমু না। আপনি আইন-ফাইন যা করেন, ওসব হবে না।’ বাতিল হয় সংসদে লুঙ্গি বন্ধের উদ্যোগ। জানা গেছে, প্রয়াত মকিমের মতামতের সমর্থক ছিলেন ঢাকার আরও কয়েকজন সাংসদ। সবশেষে একটা দাবি উত্থাপন করতে চাই, লুঙ্গি ও ফতুয়া অথবা লুঙ্গি ও ব্যাপারী পাঞ্জাবিকে বাংলাদেশের জাতীয় পোশাক হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হোক।

সিদ্দিকুর রহমান খান: সাংবাদি (prothom-alo)

23/04/2013

রাত্রি হয়ে গেলে তার উৎসারিত অন্ধকার জলের মতন
কী এক শান্তির মতো স্নিগ্ধ হয়ে আছে এই মহিলার মন।
হেঁটে চলি তার পাশে, আমিও বলি না কিছু, কিছুই বলে না সে;
প্রেম ও উদ্বেগ ছাড়া অন্য-এক স্থির আলোচনা
তার মনে;- আমরা অনেক দূর চলে গেছি প্রান্তরের ঘাসে,
দ্রোণফুল লেগে আছে মেরুণ শাড়িতে তার-নিম-আমলকিপাতা
হালকা বাতাসে
চুলের উপরে উড়ে উড়ে পড়ে- মুখে চোখে শরীরের সর্বস্বতা
কঠিন এ সামাজিক মেয়েটিকে দ্বিতীয় প্রকৃতি মনে করে।

27/01/2013

A.K. High School & College

27/01/2013

Untitled Album

26/01/2013
23/01/2013

What is Fashion Studies

Fashion studies

Is fashion a code, a message, sumptuarism or a protocol? What is the difference between costume, dress and fashion? These are some of the questions we investigate within Fashion Studies at Stockholm University. Text by Professor Peter McNeil

Peter McNeil

Writers have speculated upon dress since the ancient world. Tacitus in Germania, for example, suggested that the German tribes used costume to differentiate social class. But it would be foolhardy to suggest that Tacitus’ focus as a writer was fashion.

Individual Explanations or a Broader Understanding?
Costume books have existed since the Renaissance; the Enlightenment published numerous texts that attempted to explain the derivation of costume details in every field from wigs to cod-pieces, and the nineteenth-century produced ambitious compendia of costume conducted as a branch of antiquarianism. Such works tended to focus upon individual explanations for wildly different items of clothing and they were not systematic attempts to synthesise dress and costume scholarship with broader understandings of history or social forms.

From Hain, Bogatyrev and Bakhtin
This endeavour probably began with the publications of Matilda Hain (a dissertation written under the linguist J. Schwietering) and Petr Bogatyrev, a member of the Prague Linguistic Circle. Bogatyrev criticised existing costume studies and interrogated the existing body of ethnographic research in order to develop abstractions.

The great twentieth-century cultural history scholars including Johan Huizinga, Fernand Braudel and Mikhail Bakhtin investigated fashion and dress as a structuring social practice, although they wrote against a backdrop of inadequate scientific understandings of the economics and the aesthetics of dress. Economic history from the post-war period also argued that fashion, and the textiles that make fashions possible, represent an under-studied aspect of both important cultural endeavour and enormous financial investment from both family units and states.

New Histories
In the 1960s the art historical communities recognised the study of dress, costume and fashion as necessary tools for the understanding of visual culture and as a subject in its own right. The Women’s Studies and ‘Victorian’ studies of the 1970s and early 1980s probably represent the point at which an identifiable fashion studies emerged, although semioticians such as Roland Barthes had produced significant studies of fashion as popular culture as early as the 1950s.

Fashion in the University
Some of the first independent courses in the field of fashion studies within an under-graduate Humanities Faculty were conducted in Australia from c1980-2007, by British-trained academics, Assoc. Professor Margaret Maynard (The University of Queensland), and Dr Michael Carter (The University of Sydney), both now retired.

The work of gender-studies scholars, which was particularly strong in the North American, British and Australian universities in the 1980s and 1990s, also coincided with the growth of the tertiary design sector in the UK. Students and staff required sophisticated ways of reading everyday life as well as understanding the fashion design practices that they were teaching and studying themselves. It is for this reason that many of the current fashion studies programs take place within the context of the British art and design school sector, and in North America, within schools of design, marketing and apparel.

Producing Fashion
The French and the Italians are notable for their sophisticated historical analyses of the economics of fashion production and the socio-cultural meanings of fashions that can be extrapolated from inventories, wills and other archival documents. This approach is exemplified in the work of Professor Daniel Roche.

Businesses such as accessory and shoe-manufacturers sponsor some fashion studies research in Italy. Parts of that research takes place within the context of the investigation of business practices such as the invention of the post-war concept ‘Made in Italy’. There are centres or courses for the academic study of fashion at Bari, Milan, Padua and Rimini.

Philosophy and Fashion
The German and Russian universities produce important scholarship from fields including Philosophy and Comparative Literature whose outcomes include research on the relationship of fashion to modern and post-modern thought and the history of ideas. Japanese scholarship on fashion often takes place within the history of cultural forms and urban life. All of the European and many Asian countries have traditions of fashion research conducted within the museum sector, with colloquia at events such as ICOM (International Council of Museums). Such study generally engages with the artefact.

19/01/2013

A.K. High School & College's cover photo

16/01/2013

Anisul Hoque

গদ্যকার্টুন "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ইউটিউব খুলে দিন..."

28/12/2012

wards for Shanto Mariam University of Creative Technology

Shejan lincon- BCB Grameen phone jersey uthshob champion 2011(design for ICC world cup jersey 2011)

Humaira Sarwat Binti - style guru champion (fashion designer)

Nigara - robi jamdani jadukor( champion product catagory 2012)

Nafiza Binte Seraj tithi- veet chn i top model
Best skin awards 2012

So at da last moment of 2012 SMUCT boss..

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Dhania
Dhaka
1236
Other High Schools in Dhaka (show all)
Government Laboratory High School, Dhaka Government Laboratory High School, Dhaka
Dhaka, 1205

Govt. Lab. (as it is popularly known) was established on 3 September 1961. The boys' school is a leading public school of the region.

The Aga Khan School, Dhaka The Aga Khan School, Dhaka
Road 6A, Sector 4, Uttara
Dhaka, 1230

Mohammadpur Government High School Mohammadpur Government High School
হুঁমায়ূন রোড, মোহাম্মদপুর, Humayun Road, Mohammadpur
Dhaka, 1207

আপনাদের কাছে যদি ছবি থাকে তবে অবশ্ব্য?

St. Joseph Higher Secondary School St. Joseph Higher Secondary School
97 Asad Avenue, Mohammadpur
Dhaka, 1207

Home of all Josephites

Birshreshtha Noor Mohammad Public College Birshreshtha Noor Mohammad Public College
Peelkhana (Near Gate # 5 Of BGB Headquarters)
Dhaka, 1205

Bir Shreshtha Noor Mohammad Public College at Peelkhana, Dhaka is one of the most reputed educationa

YWCA Higher Secondary Girls' School YWCA Higher Secondary Girls' School
12, Greensquare, Greenroad
Dhaka, 1205

a fan page created by the ex-YWCA students

International Hope School Bangladesh International Hope School Bangladesh
Plot:7, Road:6, Sector:4, Uttara
Dhaka, 1230

International Hope School Bangladesh was established in Dhaka in 1996.

Mohammadpur Govt. High School Mohammadpur Govt. High School
Shajahan Road, Mohammadpur
Dhaka, 1207

Mohammadpur Govt. Boys High School a name of historic reputations...

BIAM Model School & College BIAM Model School & College
63, New Eskaton
Dhaka, 1000

Welcome to Biam Model School and college (Dhaka) page. BMSC comprises of the class 6-12. Fo

Notre Dame College, Dhaka Notre Dame College, Dhaka
Motijheel Circular Road, Arambagh, Motijheel
Dhaka, 1000

Notre Dame College; it's not just an institute, it's a place for making human

Dhanmondi Govt. Boys High School Dhanmondi Govt. Boys High School
Road No#27, Dhanmondi
Dhaka, 1207

D'boyz Used to rock!