04/05/2017
SSC Result 2017 All Education Board BD
ssc result 2017, ssc result 2017 bd, ssc result 2017 bangladesh, bd ssc result 2017 full mark sheet, dakhil result 2017, technical results 2017, ssc result 2017 with marks, ssc exam result 2017, ssc result comilla board bd ssc result rajshahi board bd ssc result jessore board bd ssc result chittagon...
30/04/2017
True :D
আমার পরিচিত একজন ভাই আছেন , যিনি তার পুরো বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে একই মেয়েকে মোট সাতান্নটা চিঠি দিয়েছিলেন; যার একটা জবাবও তিনি পাননি।
ক্যাম্পাসে যতবার তার সাথে মেয়েটির দেখা হতো ততবার কোন এক জটিল চিন্তা মেয়েটির মাথায় ভর করত আর উদাস মেয়েটি অন্য কোন দিকে তাকিয়ে গটগট করে তার পাশ দিয়ে হেঁটে যেত ।
পাস করার পর অনেক জায়গায় অনেক চাকরির পরীক্ষা দিতে দিতে জুতোর আয়ু খরচ করেছেন , লাভ হয়নি । পুরো দুনিয়ার কাছে তিনি কিছুই না । তারপর ধুপ করে এক সন্ধ্যায় তিনি জানতে পারেন তিনি আর সাধারণ কেউ নন , এমুহুর্ত থেকে তিনি অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার অব পিপলস রিপাবলিক অব বাংলাদেশ , সোজা কথায় ম্যাজিস্ট্রেট।
ব্যাস , সবকিছু কেমন বদলে গেল । বন্ধুদের আড্ডায় তাকে বন্ধু কম আর স্যার স্যার টাইপ ট্রিট করা বেড়ে গেল । যে মেয়েটা চিঠির জবাব দিতো না সেও "congress vaiya,im so happy" লিখে মেসেজ দিতে শুরু করলো ।
আত্মীয় স্বজনদের বাসায় খালি চা এর বদলে সাত আট পদের খাবার আসতে লাগলো।
দ্রুত ঘোর কাটার পর ছেলেটা লাইফকে একবার রিওয়াইনড করে জুম করে দেখে নিল । সাতান্ন চিঠি যে কাজ পারলো না , একটা পদবী সে কাজটা যে শুধু করে দিল তাই না , বরং বলতে গেলে প্লেটে করে সামনে এনে হাজির করে দিল।
তুমি তোমার লাইফের ফোকাসটা ঠিক করো , অ্যাডিশনাল কোন ফ্যাক্টর কখনো ফোকাস হতে পারে না। শুধুমাত্র আবেগ দিয়ে একটা জীবন কখনোই সাজানো সম্ভব না। বৃষ্টিতে শখ করে ভেজা আনন্দের হতে পারে তবে বাধ্য হয়ে ছাতার অভাবে ভেজা কষ্টের , ভয়ংকর কষ্টের।
তোমার কাছে যখন মধু থাকবে তখন অসংখ্য শুভাকাংখী তোমার খোঁজ খবর নিবে , ভালো মন্দ জানতে চাইবে । এগুলোর অ্যাটিওলজী তুমি না , তোমার কাছে থাকা মধুটা। তাই নিজের কাছে থাকা এই মধুর ডিব্বাটার যত্ন নিও । মনে রেখো , ভোমরার অভাব না থাকতে পারে পৃথিবীতে, মধু কিন্তু সবার কাছে থাকে না । কষ্ট করলে ঐ মধু সংগ্রহের জন্য করো , আশে পাশের ভোমরা গুলাকে আটঁকে রাখতে করো না ।এয়ারটেলের অ্যাড দেখে বন্ধুত্ব শিখো না , তাহসান এর নাটক দেখে প্রেম শিখো না । এগুলোতে হাজারটা জ্ঞানের কথা থাকতে পারে , তবে সবার অভিভাবক টাকা কিংবা অবস্থানের কথা কখনো লেখা থাকে না ।
:P
28/11/2016
সাত ধরনের মানুষের সঙ্গ ত্যাগ করুন
১. যে আপনাকে নিচে নামাতে চায় : সবাই আপনার জীবনের সাফল্য চায় না। কেউ কেউ আপনাকে নিচেও নামাতে চায়। আপনার উচিত হবে, এ ধরনের মানুষকে খুঁজে বের করে তাদের সঙ্গ ত্যাগ করা।
২. যে শোনে না : অনেক মানুষ আছে যারা অন্যের কথা শোনে না। তবে নিজের বক্তব্য প্রকাশ করতে তাদের আগ্রহের শেষ নেই। এ ধরনের মানুষ ব্যক্তিগতভাবে অন্যকে মূল্যায়ন করতে মোটেই আগ্রহী হয় না। এ কারণে তাদের সঙ্গ ত্যাগ করাই ভালো।
৩. রসবোধ নেই যার : বুদ্ধিমত্তার প্রকাশ রসবোধ। এ বোধটি যার নেই তার বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে সন্দেহ করা যেতে পারে। এ ধরনের মানুষের মানসিকতায়ও কিছু ঘাটতি থাকে। তাই তাদের ত্যাগ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
৪. প্রতিদিন ভালোবাসা পাল্টায় যে : যাদের ভালোবাসার কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে স্থিতিশীলতা নেই তাদের মনোভাব কোনোভাবেই ভালো নয়। আর এ কারণে প্রতিদিন ভালোবাসা পাল্টায় যারা, তাদের সঙ্গ ত্যাগ করাই ভালো।
৫. আপনার নিত্য প্রতিযোগী : আপনি যার সঙ্গে নিয়মিত তুমুল প্রতিযোগিতা করছেন, তার সঙ্গে সব সময় মেলামেশা করা ঠিক নয়। এতে আপনার অমঙ্গল হতে পারে। তাই নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।
৬. যে চলে গেছে : আপনাকে ফেলে যে চলে গেছে, পরে ফিরে এলেও তার সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে। কারণ সে যে আবার চলে যাবে না, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।
৭. অতীতে যে আপনাকে পেছনে টেনে ধরেছিল : আপনার কি এমন কোনো বন্ধু রয়েছে যে অতীতে আপনার অগ্রযাত্রার জন্য বাধাস্বরূপ কাজ করেছিল? এ ধরনের মানুষ যদি আপনার বন্ধু তালিকায় থাকে তাহলে তাদের ত্যাগ করুন। কারণ সে আবার সেই পুরনো ভূমিকা পালন করতে পারে।
10/03/2016
মুখ ফস্কে অনেকেই অনেক কিছু বলে ফেলেন। বিভিন্ন ধরণের অপ্রাসঙ্গিক চুটকি, বেফাঁস কথাবার্তা বলার মতো কাজ সবাই করেন। কিন্তু এমন কিছু কথা আছে যা বলে ফেললে সবাই ধরেই নেবে আপনার বুদ্ধি কম, ব্যক্তিত্বটাও নড়বড়ে। বিশেষ করে অফিসে তো এ ধরণের কথা কখনোই বলা যাবে না।
১) মেনে নেওয়া যায় না
জীবনের অনেক ব্যাপার আছে যা কেউই মেনে নিতে পারেন না। আমাদের সাথে অনেক কিছু হয় যা মেনে নিতে কষ্ট হয় আমাদের। কিন্তু মেনে নিতে পারছেন না বলে তা নিয়ে সবার সাথে শোরগোল করাটা সমাধান তো নয়ই, বরং অন্যদের সামনে নিজের ব্যক্তিত্ব কমিয়ে ফেলা। কোনো কিছু মেনে নিতে না পারলে তার কারণটা জানবার চেষ্টা করুন। এ নিয়ে দুঃখ করে লাভ নেই।
২) এটাই তো নিয়ম
প্রযুক্তি এখন এতো দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে যে অফিস-আদালতে অনেক প্রক্রিয়াতেই নতুন নতুন পদ্ধতি চলে আসছে। আপনি যদি নতুন কোনো কাজ শিখতে অস্বীকৃতি জানান এবং বলেন আপনি যা জানেন সেটাই নিয়ম, তাহলে আপনার বুদ্ধিমত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হবে সবার মাঝে।
৩) “শুনতে খারাপ লাগলেও-”
এই কথাটা দিয়ে কোনো বাক্য শুরু করলে, এর পরে আপনি যতো বুদ্ধিদীপ্ত আইডিয়াই উপস্থাপন করুন না কেন, তা শুনতে বোকামিই মনে হবে। বাক্যের শুরুতেই যে আপনি প্রকাশ করে ফেলেছেন আত্মবিশ্বাসের অভাব! এতে আপনার কথা যারা শুনছেন তারাও আপনার ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলবেন।
৪) এখনই হয়ে যাবে
অথবা “এক মিনিটেই শেষ করে দিচ্ছি” এ ধরণের কথা বলতে গিয়ে আপনার মনে হবে আপনি খুব চটপটে। আসলে কিন্তু অন্যরা এ কথা শুনলে ভাবতে পারে আপনি কাজটা ঠিকমতো করছেন না। কোনো কাজ করতে যতো সময় লাগবে, তা সত্যি করেই বলুন।
৫) চেষ্টা করবো
এ কথাটা আপনার ওপর থেকে অন্যদের আস্থা কমিয়ে দেয়, কারণ কথাটি শুনলে মনে হয় আপনাকে দিয়ে কাজটি না হবারই সম্ভাবনা বেশি। আপনাকে কিছু করতে বলা হলে বলুন আপনি কাজতা করবেন, পছন্দ না হলে অন্য কিছু করে দেবার প্রস্তাব দিন।
৬) সে মোটেও ভালো না/আলসে/ফালতু
কারও ব্যাপারে গালমন্দ করাতে আপনার কোন লাভ নেই, একটুও না। কারণ কী জানেন? সে যদি আসলেই খারাপ হয়ে থাকে তবে সবাই তা জানে। আর যদি সে আসলে ভালোমানুষ হয়ে থাকে, তাহলে তাকে খারাপ বলায় এটাই প্রমাণ হয়ে যায় যে আপনিই আসলে খারাপ।
৭) এটা আমার কাজ না
নিজেকে অকর্মণ্য প্রমাণ করতে এই একটা কথাই যথেষ্ট। পরিবারে বা বন্ধুদের মাঝে এই কথাটা বললে আপনার কাছের মানুষেরা তো কষ্ট পাবেনই, অফিসের মতো জায়গায় এ কথাটি বলা মানে আপনি একেবারে ন্যুনতম কাজ করতে প্রস্তুত। এর চাইতে বেশি কিছু আপনাকে দিয়ে করানো সম্ভব নয়।
৮) আমার কোনো দোষ নেই
অন্য কারও ওপরে দোষ চাপানোটা কোনো ক্ষেত্রেই কাম্য নয়। আপনি যদি কোনোভাবেই ভুল একটি কাজের সাথে জড়িত থাকেন তাহলে দোষ স্বীকার করুন। যার ক্ষতি হয়েছে তার সাথে এ ব্যাপারে আলোচনা করে বোঝান যে আপনি আসলে বুঝতে পারেন নি এমন ক্ষতি হবে। অন্য কারও দোষ দেওয়া শুরু করলেই আপনাকে সন্দেহের চোখে দেখা হবে।
৯) পারবো না
এটা হলো “আমার কোনো দোষ নেই” এর সহোদর ভাই। মানুষ এই কথাটা শুনতে পছন্দ করে না। কারণ “পারবো না” এর মানে তারা ধরে নেয় আপনি কাজটি আসলে করতে চান না। আপনার যদি কোনো কাজ করার ক্ষমতা না থাকে তাহলে কি পারবেন না তার বদলে বলুন কি পারবেন। যেমন আজকে রাতে অফিসে বেশি সময় থাকতে পারবেন না, তা বলার পরিবর্তে বলুন আপনি কাল সকালে তাড়াতাড়ি এসে কাজ শেষ করে ফেলবেন।
১০) কাজ করতে ভালো লাগে না
বিশেষ করে অফিসে আপনি যদি বলেন চাকরিটা আপনার আর ভালো লাগছে না, তবে আপনার কপালে শনি আছে। এতে আপনি যে একটি নেতিবাচক ধরণের মানুষ তা প্রমাণ হয়ে যায়। আপনার সহকর্মীদের মানসিকতা খারাপ করে দিতে পারে এই একটি কথা। আর উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কানে এ কথা গেলে আপনার ছাঁটাই হয়ে যাওয়া কেবল সময়ের ব্যাপার। কারণ এই চাকরিটির জন্যই হয়তো আরও উৎসাহী কেউ অপেক্ষা করছে।
29/12/2015
How to increase your memory, get answered!
একদিকে ঝড়ের গতিতে পড়ে যাচ্ছেন আর আরেকদিকে ঠিক একইভাবে ভুলেও যাচ্ছেন। পড়াশোনার ক্ষেত্রে এমন সমস্যায় পড়েননি এমন মানুষ খুব কমই আছে। বেশিরভাগ ছাত্র ছাত্রীদের এই একটি বিষয় নিয়ে হা হুতাশ করতে শোনা যায় যে তারা পড়া পড়ে মনে রাখতে পারেন না। এক্ষেত্রে আপনাদের এই হা হুতাশ দূর করতে কিছু টিপস প্রদান করা হল।
পড়ার সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করুন (involve yourself in reading)
আপনি যা পড়ছেন সেই বিষয়ের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করুন। নিজে নিজেকে প্রশ্ন করুন ও পড়ার ভেতর থেকে উত্তর ও নিজেই খুঁজে বের করুন। যখনই আপনি কোন বিষয়ে পড়তে গিয়ে ঘটনার কারণ ও ফলাফল সম্পর্কে নিজে থেকে জানার চেষ্টা করবেন তখন সেই পড়া আপনার ভেতর খুব পাকাপোক্তভাবে বসে যাবে। তাই সহজে আপনার মন থেকে পড়া হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেকখানি কমে যায়।
নোট করে করে পড়ুন(take a note)
একটানা কোন বিষয় পড়ে না গিয়ে বরং ছোট ছোট অংশে ভেঙ্গে ভেঙ্গে বা অল্প করে করে পড়ুন। এক নাগারে কোন বিষয়ে পড়ে গেলে আপনার ভুলে যাওয়ার সুযোগ থাকে, তাই ছোট ছোট অংশে ভেঙ্গে বা নোট করে পড়লে আপনার স্মৃতিতে তা ভালোভাবে আটকে যায় আর ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
যা পড়ছেন তা কল্পনা করার চেষ্টা করুন(visualize as you read)
আপনি যে বিষয়ে পড়ছেন ভা যে ঘটনা সম্পর্কে পড়ছেন সেটা নিজে নিজে কল্পনা করার একটা চেষ্টা করে দেখুন। যদি আপনি কোন যুদ্ধ সম্পর্কে পড়তে বসেন তাহলে নিজেকে যুদ্ধ ময়দানে কল্পনা করুন, ভাবুন কেন আপনি যুদ্ধে এসেছেন আর কি নিয়েই বা এই যুদ্ধ। দেখবেন পড়ার বিষয়বস্তু আপনার মস্তিস্কে একটি স্থায়ী জায়গা দখল করে থাকবে।
একটু ব্যাতিক্রম ঘটনায় বাড়তি মনোযোগ দিন(pay extra attention to difficult information)
কোন বিষয়ে পড়তে গিয়ে হয়তো আপনার সামনে অন্য রকম কাহিনী বা ঘটনা সম্পর্কিত আলোচনা আসবে, কারণ সবটাই আপনার জানা বিষয় সম্পর্কিত আলোচনা সামনে পড়বেনা এমনটাই কাম্য। তাই এইসব সময়ে আপনি আপনার আলোচ্য বিষয়বস্তুতে বাড়তি মনোযোগ প্রদান করুন। আপনার একটু বাড়তি দেখাশোনা পড়া মনে রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
অনুশীলন করুন(practice, practice, practice)
আপনার মুখস্ত পড়া মনে রাখতে বার বার সেটি অনুশীলন করুন। সব থেকে ভালো হয় যদি আপনার আলোচ্য বিষয় পড়ার পাশাপাশি একটু একটু লিখার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। যেকোন বিষয় পড়ার সাথে সাথে লিখতে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়। তাই বার বার পড়া বিষয় অনুশীলন করুন।
পড়ার ফাঁকে ফাঁকে বিশ্রাম নিন(take regular study breaks)
আপনি যদি ভেবে থাকেন শুধু একটানা পড়ে গেলেই পড়া বিষয় আপনার মনে থাকবে তাহলে ভুল করবেন। বরং পড়ার ফাঁকে ফাঁকে বিরতি নিন, আর বিরতির পর আগের পড়াগুলো মনে মনে আওড়ানোর চেষ্টা করুন। এভাবে পড়লে দেখবেন আপনার স্মরণশক্তি এমনিতেই বাড়বে।
সবার মেধা সমান নয় আর একইভাবে একই কায়দায় পড়লে সবায় তা মনে রাখতে পারবে এটাও সম্ভব নয়। তাই নিজে নিজে পড়া মনে রাখার নতুন নতুন কৌশল আয়ত্ত করুন।
23/12/2015
পৃথিবী কাঁপানো এই বিখ্যাত মনিষীর কাহিনী পড়ে আমি স্তম্ভিত হয়ে গেছি। হায় মানব জীবন।
১৯৬১ সালে পুরো ভারতবর্ষে মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম। এরপর ১৯৬৩ সালে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া থেকে মাত্র দুবছরের মাঝে গণিতে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করে ১৯৬৯ সালে গণিতে পিএইচডি। Reproducing Kernels and Operators with a Cyclic Vector- এর জনক হিসাবে স্বীকৃতি। ১৯৬৯ সালেই নাসার গবেষক হিসাবে যোগদান করে ১৯৭৩ সালে দেশ সেবার মহানব্রত নিয়ে ফিরে আসেন ভারতে। নাসা'তে উনার অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য বলা হয়েছিলো- গণিতে যদি কোনো নোবেল পুরস্কার থাকতো তবে সেটা উনারই প্রাপ্য হতো। আইআইটি সহ ভারতের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনায় নিজেকে নিয়োজিত করেন। তারপর শুরু হতে থাকে ধীরে ধীরে উনার মানসিক ভারসাম্য হীনতা। স্ত্রী, ঘর ,সংসার সবকিছু থেকে আলাদা হয়ে যান। ১৯৮৮ সালের পর থেকে একেবারেই নিঁখোজ । কারো সাথে কোনো যোগাযোগ নেই। কেউ জানেনা উনি বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন।
তারপর, ১৯৯২ সালে উনাকে পাওয়া যায় গৃহহীন হয়ে বিহারের রাস্তার ফুটপাথে অর্ধউলঙ্গ হয়ে শুয়ে আছেন। কোনো কথা নেই, কাউকে চিনেন না। গণিতের অসংখ্য সূত্র যিনি পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা মুহুর্তেই বলে দিতে পারতেন- সেই বিদ্বান, মনিষী, গণিত বিজ্ঞানী নিজের নামটিও আর বলতে পারেননা। শুধু ভারত নয় , ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উনি একনামে পরিচিত গণিত বিজ্ঞানী হিসাবে -Dr.Vashishtha Narayan Singh। বিহারে যখন উনাকে ভবঘুরে অবস্থায় পাওয়া যায় তখনকার এই ছবি-
পুরো ভারতবর্ষের মানুষ বিশেষকরে শিক্ষিতজন উনার এই ছবি দেখে চমকে ওঠেছিলো। টাইমস অব ইন্ডিয়ায় হেডলাইন হয়। পাটনার এক ঘরে এখন তিনি বলতে গেলে একেবারে একাকী জীবন যাপন করেন। এবার, একবার কল্পনা করে দেখুন মানুষের কীসের এতো অহঙ্কার, কীসের এতো গৌরব।এই রকম জীবন্ত একটা দৃষ্টান্ত থেকে যদি শিখার কিছু না থাকে তবে আমাদের চেয়ে হতভাগা আর কেউ নেই। নিমিষেই সবকিছু চূর্ণ হয়ে যায়। আমি যা বলি আমার- আসলেই কি এসব কিছু আমার !!
21/11/2014
মৃত্যুর চেয়েও ভয়াবহ বিবাহ বিচ্ছেদ !