12/11/2022
ফ্রি ইথিক্যাল হ্যাকিং ১৭ তম ক্লাস | *System Hacking* | Free Ethical Hacking 17th Class
Video Link:
ফ্রি ইথিক্যাল হ্যাকিং ১৭ তম ক্লাস | *System Hacking* | Free Ethical Hacking 17th Class
ফ্রি ইথিক্যাল হ্যাকিং ১৭ তম ক্লাস | *System Hacking* | Free Ethical Hacking 17th ClassHello Everyone in this video I have talked about System Hacking. In thi...
10/11/2018
Elisa Leonida Zamfirescu was one of the world's first female engineers.
Zamfirescu, born on 10 November, 1887, made history as one of the world's first female engineers.
In her 86 years of life, Zamfirescu carved herself a spot in a male-dominated field, led geology labs, and studied Romanian mineral resources.
Here are five things you should know about Zamfirescu as her legacy is being honoured:
1. She was rejected from her first school of choice due to discrimination against women
Zamfirescu, who grew up with 10 siblings, wanted to study at the School of Bridges and Roads in Bucharest after graduating high school but was rejected due to her gender.
Instead, she went to the Royal Technical University of Charlottenburg, now known as the Technical University of Berlin, where she studied mechanical engineering.
Zamfirescu enrolled in 1909 and graduated in 1912, becoming one of the first female engineers to do so in Europe.
2. She once worked for the Red Cross
Following her graduation, Zamfirescu went to work at Bucharest's Geological Institute, where she was the head of her laboratory.
During World War I, she worked for the Red Cross as a hospital manager around the small town of Mărășești, which was the site of the final major battle between Romania and Germany on the Romanian front in 1917.
3. She was a passionate and innovative worker
As part of her work as the head of her lab, Zamfirescu brought in new methods and new analysis techniques to study minerals and substances such as water, coal, and oil, according to Assistant Lecturer PhDc. Eng Iulia-Victoria Neagoe.
She is remembered as a dedicated engineer who worked long hours from morning to evening.
Zamfirescu kept working past retirement age and didn't fully retire until the age of 75 years old after a four-decade career, according to Neagoe.
4. There is a street named after her
The street where Zamfirescu lived in Bucharest was renamed after her in 1993, 20 years after her death.
This isn't the only way the engineer's name still resonates today: an award named after was created in 1997.
The "Premiul Elisa Leonida-Zamfirescu" honours female contributors to the fields of technology and science.
5. She was an advocate for international disarmament
In addition to her work as a chemical engineer, Zamfirescu took a stance in favour of disarmament, according to Neagoe.
She filed a complaint with the disarmament committee at London's Lancaster House, with a focus on nuclear threat.
5 things you should know Elisa Leonida Zamfirescu, one of the world's first female engineers
The Romanian engineer is being honoured by a Google Doodle on 10 November, 2018
13/08/2018
মোবাইল ফোন ধংস করছে আপনার মুল্লবান সময়.
28/07/2018
Bangladesh 3rd ODI Live cricket
14/07/2018
পাওয়া না পাওয়ার গল্প - ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া
আজ সুপ্তির বিয়ের সাত বছর পূর্ণ হলো। ওদের দু’জনেরই দিনটির কথা মনে আছে, কিন্তু কেউই এ ব্যাপারে সকাল থেকে কোন উচ্চবাচ...
09/07/2018
Voltage Lab এর পক্ষ থেকে সালাম ও শুবেচ্ছা জানায় সকল পাঠক বন্ধুদের
আজকে ভিন্ন একটা বিষয় নিয়ে লেখব,আশা করি সবার উপকারে আসবে
# #ভাইভা বোর্ডে সফলতার ১০টি টিপস # #
একটি সফল ইন্টারভিউ হলো একজন চাকরি প্রার্থীর জীবনের সফলতার জন্য অপরিহার্য একটি অধ্যায়। তাই ভাইভা চলাকালীন সময় প্রার্থীকে অবশ্যই কিছু বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়, যাতে ভাইভাটা সবদিক থেকে সাফল্য মন্ডিত হয়। নিজেকে যথা সম্ভব সংযত রেখে ধীরস্থির ভাবে প্রশ্নকর্তার উত্থাপিত সমস্যার সমাধান দিতে হবে। নিজেকে প্রকাশ করতে হবে সাবলীলভাবে। ভাইভা বোর্ডে প্রবেশ, বসা, বেরোনো ও উত্তর দেয়ার সময় প্রার্থীর আচরন ও কথোপকথন দ্বারা নির্ধারিত হয় প্রার্থীর সফলতা বা ব্যর্থতা। নাটক বা যাত্রার শিল্পীরা মাসের পর মাস ধরে নাটক যাত্রার অনুশীলন করে শুধুমাত্র একদিন নাটক বা যাত্রাটি দর্শকদের সামনে উপস্থাপনের জন্য। একজন চাকরি প্রার্থী হিসেবে নিয়োগকর্তার সামনে নিজেকে উপস্থাপনের জন্য আপনার প্রস্তুতি কতটা নিখুঁত বা কতটা পূর্ব প্রস্তুতিমূলক? এখানে ভাইভা বোর্ডে অবশ্য পালনীয় গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় তুলে ধরা হলো যা একজন চাকরি প্রার্থীর সফলতার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
১• অনুমতি নিয়ে কক্ষে প্রবেশ করে সালাম
জানাতে হবে। পরীক্ষকগন বসতে বললে বসতে হবে এবং বসতে না বললে একটু অপেক্ষা করে অনুমতি নিয়ে বসতে হবে। অনুমতি ব্যতিত বসা যাবে না। বসার সঙ্গে সঙ্গে ধন্যবাদ জানাতে হবে। সোজা হয়ে বসুন, পায়ের উপর পা তুলে অথবা পা দুটো আড়াআড়ি করে বসা যাবে না। হাত দুটো টেবিলের উপরে রাখা যাবে না। ভাইভা যারা নিবেন তাদের দিকে সোজাসুজি তাকান, মাটির দিকে বা ঘরের কোণ বা ছাদের দিকে তাকাবেন না।
২• নিজেকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করুন।
আত্নবিশ্বাসের সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করুন।
৩• একজন প্রশ্নকর্তার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার
সময় অন্যদের দিকে তাকাতেও ভূলবেন না। অতি সুকৌশলে নিজের বুদ্ধিমত্তা এবং উত্তম গুনাবলী ও জ্ঞানের পরিধি সম্পর্কে পরীক্ষকগনকে ধারনা প্রদানের চেষ্টা করুন।
৪• মনোযোগ দিয়ে প্রথমে প্রশ্নটি শুনুন ও বোঝার চেষ্টা করুন। প্রথমবারে যদি প্রশ্নটি বুঝতে না পারেন তবে অত্যন্ত বিনয়ের সাথে আর একবার প্রশ্নটি করতে বলুন।
৫• উত্তর দেয়ার সময় প্রত্যেকটি শব্দ স্পষ্ট
করে এমনভাবে উচ্চারন করুন যেন সবাই শুনতে পায় এবং খেয়াল রাখুন উত্তরের সাথে যেন আপনার আত্মবিশ্বাস প্রতিফলিত হয়। সময় নষ্ট না করে উত্তর দিন। জানা না থাকলে কালক্ষেপন না করে দ্রুত বলুন, দুঃখিত আমার জানা নেই। অগোছালো ভাবে এদিক সেদিক না ঘুরিয়ে যথাযথ উত্তর দিতে হবে। যুক্তির সাথে বক্তব্যকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
৬•আচরনে কোন প্রকার জড়তা রাখা যাবে
না। গোমরা মুখে থাকবেন না। নিজেকে হাসি হাসি মুখ করে রাখুন। ভাইভা যারা নিচ্ছেন তাদের সঙ্গে ভুলেও (যদি ঐ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার ইচ্ছা থাকে) তর্কে জড়িয়ে পড়বেন না। নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধ মত জানানোর আগে বিনয়ের সাথে বলবেন- মাফ করবেন বা কিছু মনে করবেন না বলে নিন। কর্কশভাবে প্রশ্নের উত্তর দেয়া বাঞ্চনীয় নয়। উঁচু গলায় প্রশ্ন এলেও উচু গলায় উত্তর দেয়া যাবে না। স্বাভাবিক স্বরে উত্তর দিন।
৭• মুদ্রাদোষ গুলো সম্পর্কে অত্যন্ত সচেতন
থাকুন। গোঁফে হাত বুলানো, চুল ঠিক করা, নাক চুলকানো, টাই ঠিক করা, গলা দিয়ে শব্দ করা বা জামা কাপড় ঠিক করবেন না। নিজে নিজে হ্যান্ডশেক করার জন্য আগে হাত বাড়াবেন না। নিয়োগকর্তাগন যদি করমর্দনের জন্য হাত বাড়ান তাহলে মোলায়েম ভাবে করর্মদন করুন।
৮• আবেগ তাড়িত হয়ে কোন প্রশ্নের উত্তর দেয়া যাবে না। উত্তর দেয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন কোন ব্যক্তি, সমষ্টি, জাতি, ধর্ম বা রাষ্ট্র সম্পর্কে কোন প্রকার অবমাননাকর বা অপ্রীতিকর কথা বেয়িয়ে না যায়।
৯• যে কোন বিষয়ে কোন অজুহাত না দেখিয়ে এবং কোন তথ্য সম্পর্কে ছলনার আশ্র্রয় না নিয়ে সততার পরিচয় দিন।
১০• নিজেকে উপস্থাপন করুন
আকর্ষণীয়ভাবে। যেমনটি কোন পণ্যের দক্ষ বিক্রেতা করে থাকেন। যেমনঃ
– নিয়োগকর্তা কি কি গুণ আপনার মধ্যে খুঁজে পাবেন।
– গুন ও মূল্যগত দিক দিয়ে প্রার্থী হিসেবে আপনি কেন অন্যদের থেকে আলাদা এবং আপনাকে নিলে নিয়োগকর্তা কিভাবে লাভবান হবেন।
– প্রতিষ্ঠানের উন্নতির জন্য আপনি কতটা অপরিহার্য হয়ে উঠতে পারেন।
– আপনার উল্লেখ করার মতো কোন সাফল্যের বিষয় থাকলে বিনয়ের সাথে বলুন।
পরিশেষে বিদায় নেবার সময় সবাইকে ধন্যবাদ দেয়ার পর, সালাম দিয়ে বিদায় নিন।
# #ভাইবা বোর্ডে স্যারদের ম্ন দেখে চাকুরী যে হবেনা তা বুঝার লক্ষণ # #
তবে কিছু কিছু লক্ষণ আছে দেখলে বোঝা যাবে চাকরি অনিশ্চিত। সেগুলো নিচে দেয়া হল-
১) খেয়াল রাখুন কতক্ষণ ধরে ইন্টারভিউ নেয়া হচ্ছে? সেটা যদি খুব অল্পসময়ের জন্য হয় তাহলে বুঝতে হবে চাকরিটা অনিশ্চিত। সেক্ষেত্রে আপনাকে শুধু নামধাম জিজ্ঞেস করে বিদায় করে দেবে।
২) যে পদের জন্য আপনি ইন্টারভিউ দিতে এসেছেন, সে বিষয়ে কোনো প্রশ্ন নিয়ে আলোচনাই করছে না, বরং অবান্তর কিছু প্রশ্ন করেছে? এর অর্থ হল আপনার চাকরিটা হচ্ছে না। শুধু একটু সময় নষ্ট করে ছেড়ে দেবেন।
৩) পরপর প্রশ্ন করা হচ্ছে কিনা, সেটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যদি ঠিকঠাক প্রশ্ন আসে, তাহলে ঠিকই আছে। কিন্তু যদি একই প্রশ্ন পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে করতে থাকে তাহলে কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বুঝে নিতে হবে। আপনাকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা চলছে।
৪) আপনাকে যদি নেয়ার ইচ্ছে থাকে, তাহলে যারা নিচ্ছেন তারা ইন্টারভিউয়ে চোখে চোখ রেখে কথা বলবেন। আপনার চোখে চোখ রেখে কথা না বললে বুঝতে হবে সমস্যা রয়েছে।
৫) খেয়াল রাখুন, যিনি ইন্টারভিউ নিচ্ছেন, তার ভাবভঙ্গি কেমন। তিনি যদি পেছনে গা এলিয়ে দেন, আপনার কথা শুনেও না শোনার ভান করেন, তাহলে বুঝে নিন আপনার চাকরিটা আর হচ্ছে না।
৬) প্রশ্নকর্তা যদি আপনার মঙ্গল কামনা করে তাহলে বুঝবেন সেটা মোটেও মঙ্গলের জন্য নয়। সামান্য কথা বলার পরই আপনাকে ‘ধন্যবাদ’ দেয়া হল এবং আপনার সঙ্গে পরে যোগাযোগ করা হবে। আপনার মঙ্গল কামনা করছি। এ ধরনের কথা বললে বুঝবেন সেই যোগাযোগ আর হবে না।
৭) আপনি কেন প্রতিষ্ঠানটিতে যোগ দিতে চান? ভবিষ্যতে আপনি নিজেকে কোন জায়গায় দেখতে চান? এ ধরনের প্রশ্ন না করলে বুঝবেন ইন্টারভিউ ভালো হচ্ছে না।
৮) ইন্টারভিউ শেষে সাধারণত একটি হাসি বিনিময় হয়। ইন্টারভিউ ভালো হলে সেই হাসি হয় উজ্জ্বল। কিন্তু খারাপ হলে হাসি হয় সৌজন্যতার কিংবা বিদ্রুপের।
Collected
By Abubakar
05/07/2018
Introduction of Oracle - Urdu / Hindi
Welcome to my channel. This is my first video I do my best to teach you Oracle. Support me. Databases are superior to spreadsheets since they permit numerous...