★সাব্জেক্ট রিভিউ -০১
আজকের সাবজেক্ট : এপ্লাইড ক্যামিস্ট্রি এন্ড ক্যামিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (ACCE)
অনেকেই কেমিস্ট এবং কেমিকেল ইঞ্জিনিয়ারদের একই ভেবে থাকেন। আসলে তারা কিন্তু এক না। তাদের মাঝে পার্থক্য হল প্রায়োগিক ক্ষেত্রে দক্ষতা।
একজন কেমিস্ট মূলত কাজ করেন ল্যাবে, তার কাজ রসায়নের বিভিন্ন মৌল-যৌগের মাঝে পারস্পরিক সম্পর্ক, তাদের পারস্পরিক ক্রিয়াকৌশল নিয়ে।
অন্যদিকে একজন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের কাজ প্রধানত ইন্ডাস্ট্রিতে। কেমিস্ট তার ল্যাবে স্বল্প পরিসরে যে প্রক্রিয়াঘটান, সেটিকে একজন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার নিয়ন্ত্রিত ওশিল্পসম্মত উপায়ে ইন্ডাস্ট্রির প্লান্টে ঘটান।
কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং মূলত পদার্থবিজ্ঞান, রসায়নশাস্ত্র আর লাইফ সাইন্স, অর্থাৎ জৈব রসায়ন, অণুপ্রাণবিজ্ঞান ও প্রাণরসায়নকে সাথে নিয়ে কীভাবে অর্থনৈতিকভাবে সুবিধাজনকভাবে প্রয়োজনীয় সামগ্রী তৈরি করা যায়, তা নিয়ে কাজ করে।
কোথায় পড়ানো হয়
প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয় গুলো সহ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামি বিশ্বাবিদ্যালয় সহ, JUST,SUST,NSTU Etc সহ দেশের বাইরে উন্নত দেশসমূহের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়েই এই বিষয়ে পড়াশুনার ব্যাপক সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।
কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিস্তৃতির ক্ষেত্রগুলো একটু দেখে নেই –
-♣ প্রোসেস কন্ট্রোল, ডিজাইন
অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট
♣ কেমিক্যাল রি-অ্যাক্টর
ইঞ্জিনিয়ারিং
♣ তড়িৎ রসায়ন
♣ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং
♣ পলিমার রসায়ন ও প্লাস্টিকস
♣ বায়োকেমিক্যাল
ইঞ্জিনিয়ারিং
♣ বায়োমেডিকেল
ইঞ্জিনিয়ারিং
♣ বায়োইনফরমেটিক্স
♣ সিরামিকস
♣ রাসায়নিক ক্ষেপণাস্ত্র
♣ নিউক্লিয়ার রি-প্রোসেসিং
♣ ন্যানো-টেকনোলজি
♣ পেট্রোলিয়াম মাইনিং
ইঞ্জিনিয়ারিং
♣ মিনারেল ইঞ্জিনিয়ারিং
♣ তেল অনুসন্ধান
♣ তেল শোধন
♣ ধাতুবিদ্যা
♣ ইউনিট অপারেশান
♣ ট্রান্সফরমেশান ও
ট্রান্সপোর্টেশান
♣ গ্যাস অ্যান্ড এয়ার হ্যান্ডলিং
♣ থার্মাল অ্যান্ড এনার্জি
ম্যানেজমেন্ট
♣ কম্পিউট্যাশনাল ফ্লুইড
ডাইনামিকস
♣ করোসান ইঞ্জিনিয়ারিং
♣ ইনভায়ারনমেন্টাল
ইঞ্জিনিয়ারিং
♣ প্রোজেক্ট ইঞ্জিনিয়ারিং
♣ খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান
♣ ফার্মাসিউটিক্যালস
♣ পেপার টেকনোলজি
♣ পানি প্রকৌশল
♣ সেফটি ইঞ্জিনিয়ারিং
♣ ফার্টিলাইজার
জব মার্কেট
একজন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার যে বিষয়গুলোর উপর পড়াশোনা করে আসে, এরপর আসলে তার চাকরির বাজারটাও তার পড়াশোনার বিস্তৃত বিষয়বস্তুর মতই বিশাল!
আর যতদিন এই পৃথিবীতে শিল্প কারখানা থাকবে ততদিন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের চাহিদা থাকবেই।
বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ, শিল্পক্ষেত্রে সে দিনদিন দ্রুত যতই অগ্রসর হচ্ছে। কাজেই এখানে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের চাহিদাও দ্রুত
বাড়ছে।
কিন্তু সে হিসেবে দেশে অত কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার কিন্তু আসছে না। এর কারণ হল, আমাদের দেশে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ার সুযোগ খুব কম বিশ্ববিদ্যালয়ই দেয়।
দেশের বাইরেও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের দারুণ চাহিদা।
AlChE এর এক জরিপ অনুযায়ী ২০১১
সালে যুক্তরাষ্ট্রে কেমিক্যালইঞ্জিনিয়ারিং এ একজন গ্রাজুয়েট এর বার্ষিক বেতন প্রায়
110000 ডলার!!!
যুক্তরাজ্যে টাকার অঙ্কটা গড়ে প্রায় 28000 পাউন্ডস, যা সর্বোচ্চ 70000 পাউন্ড পর্যন্ত হতে পারে! এজন্যেই বলা হয়ে থাকে,
“Chemical Engineering is one of the highest paid job at any level among the engineering jobs all over the world. They’ve got the third highest paid range of salary among all the
jobs!!”
বাংলাদেশে একজন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার যেসব জায়গায় কাজ করতে পারে, সেগুলো হল
–✅ সার কারখানা,
✅ পেপার মিল,
✅ সুগার মিল,
✅ গ্লাস ও সিরামিক শিল্প,
✅ পেইন্টস কারখানা,
✅ ঔষধ শিল্প,
✅ ফুড এন্ড বেভারেজ কোম্পানি,
✅ টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি,
✅ কসমেটিকস কোম্পানি,
✅ পেট্রোলিয়াম রিফাইনারি ইন্ডাস্ট্রি,
✅ পারমাণবিক প্ল্যান্ট,
✅ সিমেন্ট কারখানা,
✅ ট্যানারি কারখানা,
✅ বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণ কেন্দ্র ইত্যাদি ইত্যাদি … …
আসলে সীমিত সম্পদ এবং সময়ের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহারের মাধ্যমে মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন কিংবা সুদূরপ্রসারী উৎপাদন পরিকল্পনা করাটাই তো ইঞ্জিনিয়ারিং।
সোজা কথায় বলতে গেলে, যেকোনো ইঞ্জিনিয়ারের জন্যেই প্রধানতম কাজ হল অপটিমাইজেশন (Optimization)।
আর একজন কেমিক্যালইঞ্জিনিয়ারকে যেহেতু
শিল্পকারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়াগুলোকে সরাসরি ডিজাইন বা তদারক করতে হয়, সেহেতু তাকে ইলেক্ট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল, মেটালার্জিক্যাল, প্রোগ্রামিং – মোটামুটি সবধরনের বিষয়ই ধারণা রাখতে হয়।
এমনকি অর্থনীতি,ব্যবস্থাপনা,সমাজবিজ্ঞান,
সাচিবিক বিদ্যাও জানতে হয় তাদের।
আর এজন্যেই তাদের চাহিদা জব মার্কেটে অনেক বেশী। খাবার চিপস থেকে শুরু করে কম্পিউটারের মাইক্রোচিপস তৈরির কারখানা – সব জায়গাতেই কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের পদচারণা।
বড় বড় মিল/ইন্ডাস্ট্রি এই কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের হাত ধরেই চলে।এদের হাতেই নিয়ন্ত্রিত হয় বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান।
দেশের অর্থনীতিকে প্রগতির পথে চালিত করবার এত বড় চ্যালেঞ্জ নিতে আপনি প্রস্তুত তো???
#গুচ্ছ_ভর্তি_পরীক্ষা
Equity Research Club
We're an Edtech startup that focuses on helping students in Bangladesh get into University.
GST গুচ্ছের A ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার(২০২৩-২০২৪) ফল প্রকাশিত...
১ম স্থান অর্জন করেছেন রেজওয়ানুল হক মারুফ, স্কোর- ৭৭.২৫, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ, ময়মনসিংহ।
গুচ্ছে (২০২৩-২৪) এবার
৭৫+ পেয়েছে ২ জন
৭০+ পেয়েছে ৪ জন
৬০+ পেয়েছে ৮৪ জন
৫৫+ পেয়েছে ৪১৬ জন
৫০+ পেয়েছে ২০০০ জন
৪০+ পেয়েছে ১৬০০০ জন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন ফি (২০২৩-২৪)
প্রাথমিক আবেদন সময়সীমা - ৮-১৭ জানুয়ারি
প্রাথমিক আবেদন ফি - ৫৫ টাকা (৫০ টাকা+১০% সার্ভিস চার্জ)
প্রাথমিক আবেদনে ইউনিটভিত্তিক আলাদা ফি নেই।।এক্ষেত্রে ৫৫ টাকা সব ইউনিটের জন্যই প্রযোজ্য হবে। কেউ এক ইউনিট বা দুই ইউনিটের করার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চাইলে বাকি ইউনিটগুলোতেও আবেদন করতে পারবে। সেক্ষেত্রে আলাদাভাবে কোনো ফি লাগবে না।
চূড়ান্ত আবেদন সময়সীমা - সার্কুলার দিলে জানানো হবে।
চূড়ান্ত আবেদন ফি:
---------------------------
▪️A ইউনিটের জন্য - ১৩২০ টাকা (১২০০ টাকা+১০% সার্ভিস চার্জ)
▪️B ইউনিটের জন্য - ১১০০ টাকা (১০০০ টাকা+১০% সার্ভিস চার্জ)
▪️C ইউনিটের জন্য - ১৩২০ টাকা (১২০০ টাকা+১০% সার্ভিস চার্জ)
15/12/2023
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় (BSMRMU) ভর্তি পরীক্ষা ২ ও ৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। সেকেন্ড টাইম আছে।
পরীক্ষার কেন্দ্র: ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, বরিশাল, সিলেট ও পাবনা।
◽আবেদন : ২৪ ডিসেম্বর থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত
◽যোগ্য শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি
◽প্রবেশপত্র ডাউনলোড : ২১ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি
14/12/2023
বিউপি ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি পরিবর্তন করে, নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত করেছে
FBS পরীক্ষা - ৭৫ মার্কস।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্রাজুয়েট (স্নাতক) প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে। কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের পরীক্ষা দিয়ে শুরু হবে এবারের ভর্তিযুদ্ধ। এরপর ২৪ ফেব্রুয়ারি বিজ্ঞান, বাণিজ্য ১ মার্চ এবং ২ মার্চ চারুকলা অনুষদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (০৫ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এবারও ঢাকাসহ মোট আট বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা।
২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট আসনসংখ্যা প্রায় ৬৪ হাজার এবং পরীক্ষার্থী প্রায় ৮ লাখ।
গুচ্ছভুক্ত ২২টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রম প্রায় শেষের দিকে রয়েছে।
শেষ পর্যায়ের ভর্তি কার্যক্রমে এখন অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শূন্য আসনে মেধার ভিত্তিতে ভর্তি নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। চূড়ান্ত পর্যায়ের এ কার্যক্রমে অপেক্ষমাণ তালিকার ভর্তিচ্ছুরা শুধুমাত্র একটি বিশ্ববিদ্যালয় চয়েস দিতে পারবেন।
গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন ফাঁকা প্রায় দুই হাজার।
দুই পর্যায়ের চূড়ান্ত ভর্তির পরেও মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসন ফাঁকা ৬২ টি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka