Dept. of Islamic Studies, Jagannath University

Dept. of Islamic Studies, Jagannath University Official page of Islamic Studies Department, Jagannath University, Dhaka-1100

ফিকহুল যিলযাল: ভূমিকম্পে করণীয়বিভিন্ন সময় পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্প হয়। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে কঠি...
07/06/2026

ফিকহুল যিলযাল: ভূমিকম্পে করণীয়

বিভিন্ন সময় পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্প হয়। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে কঠিন শিলাত্বকে চ্যুতি বা স্থানান্তরের কারণে ভূমিকম্প হয়। পবিত্র কুরআনে ভূত্বকের খণ্ডগুলোতে পারস্পরিক আঘাতের কারণে সৃষ্ট ঝাঁকুনি ‘দাক্কা’ [সুরা আল-ফাজর: ২১] ধারণাটি তার সমার্থক। পবিত্র কুরআনে ভূমিকম্পকে ‘রাজফাহ’ বলা হয়েছে [সুরা আরাফ:৭৮]। ভূমিকম্পের আরেকটি পরিভাষা ‘যিলযাল’, যার তীব্র প্রতিক্রিয়ায় কোনো অঞ্চল ধ্বংসস্তুপে পরিণত হতে পারে [সুরা যিলযাল : আয়াত ১-২]। ভূমিকম্পের তীব্রতা কোথাও বেশি, কোথাও কম। পবিত্র কুরআন অনুযায়ী এগুলো মানুষের জন্য সতর্কবার্তা। আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি ভীতি প্রদর্শনের জন্যই নিদর্শন প্রেরণ করি [সুরা ইসরা: ৫৯]। ভূমিকম্পের সময় উচ্চ ইমারাতে বসবাসকারীরা বাইরে বেরিয়ে আসার জন্য তাড়াহুড়া করে এবং প্রতিযোগিতায় মেতে উঠে। কেউ কেউ ভয়ে ভূমিকম্প ভূমিকম্প বলে চিৎকার করে এবং কেউ কেউ উপর থেকে লাফিয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে আমাদের করণীয় সম্পর্কে ইসলামের আলোকে তুলে ধরা হলো:

এক. সালাত আদায়: সাধারণ সূর্য গ্রহণ ও চদ্রগ্রহণের সালাতের ক্ষেত্রে নবীজি (সা.) থেকে সালাত আদায়ের সুন্নাহ প্রমাণিত হয়েছে। ভূমিকম্পও একই প্রকৃতির বিপদ; বরং ভয়াবহ বিপদ। আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা.) ভূমিকম্পের সময় বসরায় সালাতে দাঁড়িয়ে যেতেন [বাইহাকী, আস-সুনান, ৩/৩৪৩]। ইবন কুদামা বলেন, ইসহাক ও আবু সাওরের মাযহাব অনুযায়ী সালাতুল যিলযাল আদায়ের পদ্ধতি চন্দ্র-সূর্য গ্রহণের মতো। ইমাম শাফিঈ (র.) মনে করেন, মানুষদের জন্য তীব্র ঝড়. ঝঞ্চা বায়ু, ভূমিকম্প, উল্কাপাতের সময় কোনো জামাত ছাড়া একাকি সালাত পড়া আমি পছন্দ করি [ইবন কুদামা, আল-মুগনী, ৩/৩৩২-৩৩৩]।

দুই. অনুশোচনা ও তওবা করা: ভূমিকম্পের সময় পাপ এবং অবাধ্যতার জন্য অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর নিকট তওবা করা মুস্তাহাব। ভূমিকম্প আল্লাহর ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ এবং সতর্কীকরণ আয়াত বা বার্তা । এ আয়াতের পিছনে তা ইচ্ছা বান্দাগণ তাঁর কাছে ফিরে যাবে এবং অনুতপ্ত হয়ে পাপ ত্যাগ করবে। কুফায় এক ভূমিকম্পের সময় ইবন মাসউদ (রা.) বলেন, হে জনতা! তোমাদের প্রভু তোমাদেরকে তাঁর সন্তুষ্টির দিকে ফিরিয়ে আনতে চান, তোমরা তাঁর ন্তুষ্টি অনুসন্ধানে আসো’ [ইবন কাসীর, তাফসীরুল ‍কুরআনিল আযীম, ৩/৪৮]।

তিন. যিকর, ‍দোয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা করা: দোয়ার অর্থ আল্লাহকে ডাকা। ইমাম আল-কুস্তালানী বলেন, বজ্রপাত, প্রবল বাতাস এবং ভূমিধসের মতো ভূমিকম্পের সময় দোয়া ও ইস্তিগফার করা প্রত্যেকের জন্যই মুস্তাহাব বা বাঞ্ছনীয় [আল-কুস্তালানী, ইরসাদুস সারী, ২/২৫৭]। নবীজি (সা.) বলেন, “এগুলো আল্লাহর নিদর্শন যা তিনি পাঠিয়ে থাকেন কারো মৃত্যু বা জন্মের জন্য নয়; বরং আল্লাহ তার দ্বারা তাঁর বান্দাদের সতর্ক করেন। কাজেই যখন তোমরা এমন কিছু দেখতে পাবে, তখন ভীত বিহ্বল অবস্থায় আল্লাহর যিকর, দোয়া এবং ইসতিগফারের দিকে অগ্রসর হবে [বুখারী, আস-সহীহ, ১০০০]। ইবন হাজার (র.) উক্ত হাদীস দ্বারা সূর্যগ্রহণসহ যে কোনো বিপদে যিকর, দোয়া ও ইস্তিগফারের মুস্তাহাব হওয়ার প্রমাণ গ্রহণ করেছেন [ইবন হাজার, ফাতহুল বারী, ২/৬৩৫]।

চার. তাকবীর দেওয়া ও যিকর: আইশা (রা.) হতে বর্ণিত হাদীসে এসব নিদর্শন বা বিপদের সময় তাকবীর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে [বুখারী, আস-সহীহ, ১০৪৪]। ইবন আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত হাদীসে যিকর করার কথা বলা হয়েছে [মুসলিম, আস-সহীহ, ৯০৭]। বিপদের সময় সংক্ষিপ্ত দোয়া বারবার পড়া মুস্তাহাব। যেমন, ”ইয়া হাইয়্যু, ইয়া কাইয়্যুম, বি-রাহমাতিকা আস্তাগিস” [তিরমিযী, আস-সুনান, ৩৫২২] অথবা “আল্লাহ, আল্লাহ, রাব্বি, লা উসরিক বিহি শাইয়্যা” [আবূ দাউদ, আস-সুনান, ১৫২৫]। তবে ভূমিকম্পের সময় সবচেয়ে সুন্নাহ সম্মত দোয়া হচ্ছে, ‘আউযু বি-ওয়াজহিকা’ বলা [বুখারী, আস-সহীহ, ৬৮১৫]। শব্দ যৌগিকটির অর্থ, ”হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি”।

পাঁচ. সাদাকাহ করা: ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রন্থদের জন্য রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা থাকা অপরিহার্য। উমর ইবন আবদুল আজিজ (র.) তাঁর গভর্নরদের সিরিয়ার ভূমিকম্পের ক্ষতিপূরণে সদকার আদেশ দিয়ে লিখে চিঠি লিখেছিলেন। তাতে তিনি সাধারণ জনগণকেও ভূমিকম্পের সময় দান-খয়রাত করতে উৎসাহিত করেছেন [ইবন আবি শাইবা, আল-মুসান্নাফ, ৮৪১৪]। ফলে ভূমিকম্পের পর সাদাকাহ করা মুস্তাহাব।

ছয়. মানবতার মুক্তি: ভূমিকম্প মানবতার জন্য একটি ভয়াবহ বিপদ যা সূর্যগ্রহণের চেয়েও ভীতিকর। আসমা (রা.) হতে বর্ণিত, নবীজি (সা.) সূর্যগ্রহণের সময় গোলাম আযাদ করার নির্দেশ দিয়েছেন [বুখারী, আস-সহীহ, ৯৯৬]। ভূমিকম্পের সকল বিধানে আলিমগণ চন্দ্র-সূর্যগ্রহণের পরিস্থিতির সাথে তুলনা করেছেন। ভূমিকম্পের ক্ষয়-ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া একটি জাতীয় নিস্কৃতি। ফলে তার বিনিময় হচ্ছে জীবন রক্ষার বিনিময়। অতএব ভূমিকম্প পরবর্তী সময়ে মানবতার প্রতি আরোপিত বাধ্যবাধতার পরিস্থিতি সহজতর করা ইসলামের শিক্ষা। গোলাম আজাদের স্থলে বৈদিশিক ঋণমুক্তি, বন্দী বিনিময়, কারামুক্তি কিংবা ঋণমুক্তি ইত্যাদি মানবতার মুক্তির সমতুল্য।

সাত. সতর্কতা ও জরুরী বার্তা: খলীফা উমরের (রা.) সময় মদীনায় ভূমিকম্প হয় এবং এমনকি বিছানা-পত্র এলোমেলো হয়ে যায়। আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা.) সালাতরত ছিলেন, কিন্তু কিছু-ই টের পেলেন না! তারপর উমর (রা.) জনতার উদ্দেশ্যে খুতবা দিয়েছেন [ইবন আবি শাইবা, আল-মুসান্নাফ, ২/৪৭৩; বাইহাকী, আস-সুনান, ৩/৩৪২]। ভূমিকম্প সম্পর্কে অবহিত করে জনগণের উদ্দেশ্যে খুতবা দেওয়া মুস্তাহাব। নবীজি (সা.) সময়কালে মদীনায় কোনো ভূমিকম্পের অভিজ্ঞতা নেই। তবে তিনি চন্দ্র-সূর্যগ্রহণের সময় দ্রুত মসজিদে অগ্রসর হতে নির্দেশনা দিয়েছিলেন [বুখারী, আস-সহীহ, ১০৪৭]। ভূমিকম্পসহ যে কোনো বিপদাপদের সতর্কীকরণ আগাম বার্তা জনগণের উদ্দেশ্যে প্রচার ও জরুরী পদক্ষেপ গ্রহণ ইসলামে বৈধ।

ভূমিকম্প একটি ভয়াবহ আপদ যা জাতিগত কারণে আবর্তিত হয়ে জাতীয় বিপর্যয় সৃষ্টি করে। তার থেকে নিস্কৃতির জন্য জাতির সামগ্রিক নৈতিক মান উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় পদক্ষেপ প্রয়োজন। আমাদের জাতীয় সংকটগুলোতে আরো মনোযোগ দেয়া এ সময়ের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় পদক্ষেপ হতে পারে।

ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক, অধ্যাপক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

 #ভর্তি  #জবি  #মাস্টার্সএম.এ ইন ইসলামিক স্টাডিজ (প্রফেশনাল) মাস্টার্স প্রোগ্রাম ১৪তম ব্যাচে ভর্তির আবেদন গ্রহণ চলছে।◾অন...
26/05/2026

#ভর্তি #জবি #মাস্টার্স
এম.এ ইন ইসলামিক স্টাডিজ (প্রফেশনাল) মাস্টার্স প্রোগ্রাম ১৪তম ব্যাচে ভর্তির আবেদন গ্রহণ চলছে।

◾অনলাইন আবেদন ফরম: https://istp.jnu.ac.bd/index.php/portal/apply
◾ভর্তির আবেদন সংগ্রহ ও জমার সময়: ২৫ জুন ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন ফরম সংগ্রহ করে জমা দেওয়া যাবে।
◾ভর্তি পরীক্ষা: ২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, সকাল ১০টা।
◾অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ: অনলাইনে গুগল ফরম পূরণের জন্য প্রথমে 01824799530 (বিকাশ/নগদ) নম্বরে ১০২০/- টাকা সেন্ড মানি করে লিংক ওপেন করে ফরম পূরণ করতে হবে।
◾আবেদনের যোগ্যতা: এসএসসি, এইচএসসি, অনার্স বা ডিগ্রি অথবা দাখিল, আলিম, ফাজিল প্রত্যেক স্তরে ন্যূনতম ২.০০/দ্বিতীয় বিভাগ থাকতে হবে। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্টাডি গ্যাপ গ্রহণযোগ্য।
◾সবার জন্য ২ বছরের মাস্টার্স: ২ বছরে ৪টি সেমিস্টার। প্রতি ৬ মাসে ১টি সেমিস্টার। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই ডিগ্রি কমপ্লিট হবে, ইনশাআল্লাহ। ১ বছরের মাস্টার্স চালু নেই।
◾ক্লাস সময়: জুমাবার ও শনিবার (সকাল-দুপুর)।
◾হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ: https://chat.whatsapp.com/FPFnw7zoPy2Kh8pJgtS6b1

◾WhatsApp: +8801818288305 (Program Director)

26/05/2026

লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক লা শারিকা লাকা লাব্বাইক...

ISDC Weekly Debate SessionISDC Weekly Debate for another engaging battle of logic, wit, and intellect.
21/05/2026

ISDC Weekly Debate Session

ISDC Weekly Debate for another engaging battle of logic, wit, and intellect.

জবি ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে পিএইচডি ও এমফিল সেমিনার অনুষ্ঠিতজগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে আজ সোমবা...
18/05/2026

জবি ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে পিএইচডি ও এমফিল সেমিনার অনুষ্ঠিত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে আজ সোমবার (১৮ মে ২০২৬) বিভাগীয় শ্রেণিকক্ষে পিএইচডি ও এমফিল সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় বিভাগের দুজন পিএইচডি এবং এমফিল গবেষক তাঁদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্‌দীন। তিনি তাঁর বক্তব্যে গবেষণার গুণগত মান নিশ্চিত করতে অধিক সময় প্রদান, একাগ্রতা ও মনোনিবেশের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের সেমিনার আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক গবেষণার নতুন রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে, যা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণার প্রতি স্বতঃস্ফূর্ততা ও আগ্রহ বৃদ্ধি করবে।
উপাচার্য আরও বলেন, গবেষণার পরিধি কেবল প্রচলিত বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জাগতিক ও বহুমাত্রিক বিষয়ে বিস্তৃত করতে হবে। তিনি বাঙালি সংস্কৃতিতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, ভিন্ন সংস্কৃতি ও সমাজের মানুষের সঙ্গে মেলামেশা এবং তাদের চিন্তাধারা অনুধাবনের মাধ্যমে সামাজিক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়, যা ইসলামের দৃষ্টিতেও উৎসাহিত করা হয়েছে।
তিনি কোরআন ও হাদিসভিত্তিক গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এসব গবেষণার ফলাফল সমাজে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হলে একটি আদর্শ সমাজ গঠন সম্ভব হবে। পাশাপাশি সমাজে ইসলাম নিয়ে বিদ্বেষমূলক ও কটাক্ষপূর্ণ অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা, স্বচ্ছতা এবং গঠনমূলক সমালোচনার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব।

সেমিনারে পিএইচডি গবেষক মাসউদুর রহমান ‘বাংলাদেশে শিক্ষাক্ষেত্রে নৈতিক স্থলনজনিত অপরাধ: প্রতিকারে ইসলামি নির্দেশনা’ শীর্ষক গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। তাঁর গবেষণাপত্রের ওপর আলোচনা করেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আশেক মাহমুদ।

এমফিল গবেষক মো. আতাউল্লাহ ‘ক্ষুদ্র গারো নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান ও ধর্মীয় মূল্যবোধ: পরিপ্রেক্ষিত ময়মনসিংহ জেলা’ শীর্ষক গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। এ প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন লোক প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আয়শা জাহান।
আলোচকবৃন্দ গবেষণাপত্র দুটিকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সমালোচনা, পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। উল্লেখ্য, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্‌দীন এমফিল গবেষকের তত্ত্বাবধায়ক এবং অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নুরুল আমিন পিএইচডি গবেষকের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নূরুল্লাহ-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. আরজুমন্দ আরা বানু।

সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন বিভাগের গবেষণা উপকমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক। এ সময় বিভাগের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

পিএইচডি ও এমফিল সেমিনারে আমন্ত্রণ
17/05/2026

পিএইচডি ও এমফিল সেমিনারে আমন্ত্রণ

এম. এ প্রফেশনাল শিক্ষার্থীদের মিড পরীক্ষা চলাকালীন কিছু স্থির চিত্র
15/05/2026

এম. এ প্রফেশনাল শিক্ষার্থীদের মিড পরীক্ষা চলাকালীন কিছু স্থির চিত্র

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে অদ্য ১৩.০৫.২০২৬ তারিখে এম. ফিল সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
13/05/2026

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে অদ্য ১৩.০৫.২০২৬ তারিখে এম. ফিল সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

12/05/2026
ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে মাস্টার্স প্রফেশনাল প্রোগ্রামের ১৩তম ব্যাচের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত আজ শুক্রবার (৮ মে ২০২৬) জগন্নাথ বিশ...
08/05/2026

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে মাস্টার্স প্রফেশনাল প্রোগ্রামের ১৩তম ব্যাচের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

আজ শুক্রবার (৮ মে ২০২৬) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মাস্টার্স প্রফেশনাল প্রোগ্রামের ১৩তম ব্যাচের নবীনবরণ অনুষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের নিচতলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থী ও নবাগতরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্‌দীন। তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদানকালে বলেন, ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে মৌলিক জ্ঞান অর্জনে শিক্ষার্থীদের মনোযোগী হতে হবে এবং কোরআন ও হাদিস থেকে সঠিকভাবে জ্ঞান আহরণ করা প্রত্যেকের দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, সমাজে ইসলাম সম্পর্কে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তার একটি বড় অংশ ইসলামিক ব্যাকগ্রাউন্ডসম্পন্ন কিছু মানুষের ভুল ব্যাখ্যা ও অপব্যাখ্যার কারণে সৃষ্টি হচ্ছে। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যারা ইসলামিক স্টাডিজকে ধারণ করবে, তাদের মাধ্যমে যেন ইসলামের কোনো ক্ষতি না হয়, সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রফেশনাল প্রোগ্রামের পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হকের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নূরুল্লাহ। এছাড়াও বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষে বিভাগের পক্ষ থেকে নবাগত শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।

Address

Arts Building (GF), Jagannath University
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dept. of Islamic Studies, Jagannath University posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Dept. of Islamic Studies, Jagannath University:

Shortcuts

Share