25/03/2024
গ্যাস সিলিন্ডার ব্লাস্ট হয়ে কি করুণ মৃত্যু!😢
লোকেশনঃ চন্দনাইশ, চট্রগ্রাম।
একটু আগে .চট্টগ্রাম কক্সবাজার হাইওয়ে রোডের চন্দনাইশ বরুমতি ব্রিজের দক্ষিণ পাশে কলঘর হাইওয়ে পুলিশের তাড়া খেয়ে একটি সিএনজি অটোরিকশা "ডাম্পার পিকাপকে" ধাক্কা দেওয়ার পর হঠাৎ সিএনজিতে আগুন লেগে যায়। অতঃপর সিএনজির সামনে বসা একজন পুড়ে মৃত্যুবরণ করেন.
আল্লাহ পাক শহীদি মর্যাদা দান করুন আমিন ।
25/03/2024
২০২২ সালের ঘটনা। তখন আমি শহরের একটি স্বনামধন্য বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীতে পড়ি। ৪ র্থ পিরিয়ডে গণিত ক্লাসের সময় আমরা অদ্ভুত কিছু শব্দ শুনি। পাশের সিরি থেকে একটা গোঙানির মতো আওয়াজ আসছিল। আমাদের ক্লাসের শিক্ষিকা ছুটে গেলেন সেখানে। অন্যান্য ক্লাসের শিক্ষকরাও সেখানে গেলেন । আমরাও কয়েকজন গেলাম তাদের পিছুপিছু। গিয়ে দেখলাম একটা মেয়ে সিড়িতে পড়ে আছে। চুল গুলো এলোমেলো। মুখ দিয়ে অদ্ভুত শব্দ করছে। চোখের দৃষ্টি উদ্ভ্রান্ত। সবার ধারণা হলো সে অসুস্থ্য। তাই তাকে ধরে অফিস রুমে নিয়ে যাওয়া হলো।
তখন টিফিন পিরিয়ড । আমরা সবাই খাওয়া দাওয়া করে গল্প করছি। তখন পাশের ক্লাসের একটা মেয়ে এসে বললো, ওই মেয়েটা জ্বিনে ধরা । এইজন্য তখন এমন করলো। আমরা কেউ তার কথা আমলে নিলাম না। ভাবলাম সে মজা করছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুরো স্কুলে কথাটা ছড়িয়ে পড়লো। কিছুক্ষণ পর আমরা সেই ক্লাসরুমে গিয়ে দেখলাম ওই মেয়টাকে রুমে নিয়ে আসা হয়েছে। সে মূর্তির মতো বেঞ্চের এক কোণে বসে আছে। তার চোখ টকটকে লাল।
কিছু সময় পর আমরা নামায ঘরে নামাজ পড়তে গেলাম। সেখানে দেখি সেই মেয়েটাও এসেছে। আমরা যখন নামায পড়ছিলাম তখন মেয়েটা নামাযে দাঁড়ালো। ওর চোখ দুটো টকটকে লাল। মুখ ফ্যাকাশে। সে নামাযে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ উসখুস করলো। তারপর হঠাৎ গগন বিদারী চিৎকার দিয়ে ওখানেই বসে পড়লো। আমরা ভয় পাওয়া চোখে ওর দিকে তাকিয়ে আছি। এরপর সে আবার মাটিতে পড়ে কাতরাতে লাগলো। ওর চোখ উল্টে যাচ্ছিলো, হাত পা ভয়ঙ্কর ভাবে কাপছিল। কিছুক্ষণ এভাবে কাটার পর সে উঠে মুখ দিয়ে 'পাঃ ! পাঃ!' জাতীয় শব্দ করে প্রায় ছুটে বেরিয়ে গেলো। নামায রুমে থাকা প্রত্যেকেই তখন ভয়ে কাঠ।
এরপর যা ঘটেছিল তা আরো ভয়ংকর। সবার আতঙ্কিত চেহারার ছাপ পরিস্থিতিকে আরো ভয়াবহ করে তুলেছে। ওই মেয়েটার ক্লাসের দুটো মেয়ে করিডোরে দাঁড়িয়ে ছিল। সেখান থেকে আড়াআড়ি ভবনের চারতলার ছাদ স্পষ্ট দেখা যায়। ক্লাসে সেই মেয়েটার অস্বাভাবিক আচরণে ভীত হয়ে তারা সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল। হঠাৎ করেই তাদের দৃষ্টি চলে যায় চার তলায়। সেখানে তারা দেখে সাদা কাপড়ে মোড়ানো কিছু একটা সেখানে দাঁড়িয়ে আছে। তার পেছনে অনেক লম্বা ও কালো একটা ছায়ামূর্তি। তারা চিৎকার করে উঠলো। ভীত মানুষের চিৎকার যে এতটা ভয়ানক তা জানতাম না। পরে তাদের থেকে ঘটনা শুনে আমরা আরো আতঙ্কিত হয়ে পরলাম। শুধু আমরাই না, বড়রাও অনেক ভয় পেয়েছিল।
মেয়েটার অবস্থা ধীরে ধীরে অনেক খারাপ হয়ে যাচ্ছিলো। তার রক্তশূন্য, উদ্ভ্রান্ত, টকটকে লাল চোখ এবং মুখ দিয়ে করা অস্বাভাবিক শব্দে সেখানে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছিল। চারিদিকে ভ্যাপসা গরমে আমাদের দম বন্ধ হয়ে আসছিল। এরই মধ্যে ছাদে হঠাৎ ধুপধাপ শব্দ হতে লাগলো। যেনো কেউ পা টেনে টেনে হাঁটছে। ঘটনার আকস্মিকতায় আশেপাশের সব মেয়েরা একসাথে চিৎকার করে উঠলো। এতগুলো মানুষের ভীত চিৎকারে যে কারো বুক কেপে উঠবে।
ততক্ষণে ফোন করে মেয়েটার মাকে ডেকে আনা হয়েছে। মেয়েটাকে যখন আমাদের রুমের সামনে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন সে আমাদের দিকে তাকিয়ে অপ্রকৃতস্থের মতো হাসলো। তার চোখ নিষ্প্রাণ, লাল। আমার সাথে তার চোখাচোখি হতেই আমার হৃৎপিণ্ড আতকে উঠল। মেরুদন্ড বেয়ে নেমে গেলো শীতল স্রোত। তার চোখে কিছু একটা ছিল, যা বুকে কাঁপন ধরিয়ে দেয়।
পরে আমরা জানতে পারি ওই মেয়েটা আসলেই জ্বীনে ধরা রোগী। জন্মের পর থেকেই তার উপর জ্বিনের আছর ছিল। আর সেদিন সে সকালে ইলিশ মাছ খেয়েছিল এবং স্কুলে দুপুরের আযানের সময় চুল ছাড়া অবস্থায় বাথরুমে থাকায় সেখানে অনেক ভয় পেয়ে যায়। আর সেখান থেকেই মূলত এই ঘটনা শুরু।
আমাদের স্কুলের যে ম্যাম দোয়া-দরুদ পড়ে ওর চিকিৎসা করেছিলেন, তিনিও কিছু ভৌতিক ঘটনার সম্মুখীন হন। যা আমরা পরবর্তীতে জানতে পারি। সেই ঘটনার রাতে তিনি পানি খাওয়ার জন্য রান্না ঘরে যান। রান্নাঘরের দরজা খুলতেই তিনি দেখেন অবিকল তার মতো দেখতে একজন ঠিক তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি মনে মনে ভয় পেলেও চোখ বন্ধ করে আয়তুল কুরসী পাঠ করেন। আর চোখ খুলে দেখেন সেখানে কিছুই নেই। রাতে ঘুমানোর পর স্বপ্ন দেখেন কেউ একজন তাকে বলছে, এই ব্যাপার নিয়ে বেশি ঘাটাঘাটি করলে তার ফলাফল ভালো হবে না।
যাইহোক সেদিনের সেই ঘটনায় সবাই অনেক ভয় পায়। যাদের হার্ট দূর্বল তারা অনেকই অসুস্থ্য হয়ে পড়েছিল। আর সেই মেয়েটা যে বাথরুমে ভয় পেয়েছিল সেটা এখনও তালাবদ্ধ। আমি সেদিনের মত ভয় আর কখনও পাই নি।
গল্পঃ ভয়
লেখকঃ ঐশ্বর্য
অপার্থিবঃ ৭৭
18/03/2024
মধ্যবিত্তের দীঘশ্বাস বাড়ছে উন্নয়নের সমানুপাতিক হারে 💔
ভদ্রলোকের নাম মোরশেদ আলম (৪৫)। তার বাসায় চাল, তেল শেষ। একটা মুরগিও নিতে হবে। তাই ঢাকার নাজিরাবাজারে গেলেন সদাই করতে। দোকানদার পোলট্রি মুরগির কেজি চাইলো ২৩০ টাকা। তিনি বললেন, গত সপ্তাহেও তো ২০০ টাকা ছিল। দাম কমিয়ে রাখুন। দোকানদার বললো, ‘দাম প্রতিদিনই বাড়ে। কমাতে পারবো না। আরও দু-এক দোকান দেখেন একই দাম।’ তখন মোরশেদ বললাম, ‘আচ্ছা ঠিক আছে এক কেজির একটা মুরগি দাও’। তখন দোকানদার বললো, ‘এক কেজির কোনো মুরগি নেই। সব দেড় কেজির ওপরে।’ মোরশেদ বললেন, ‘ভাই, একটু দেখেন এক কেজি পাওয়া যায় কি না।’ দোকানদার দুই-তিনটা মেপে তাকে বললো, ‘এক কেজি ৪০০ গ্রাম আছে।’ মোরশেদ তখন বলেন, তাহলে থাক। দোকানদার তখন বলে উঠলো, ‘একটা মুরগি কেনার মুরদ নাই, শার্ট-প্যান্ট পরে ভাব দেখাইতে আইছে।’
-----------
(ঘটনাটি আজ প্রকাশিত একটি নিউজ থেকে উদ্ধৃত, ছবিটি পুরোনো)
-----------
বাজারে নিত্যপণ্যের দামে নাভিশ্বাসের সঙ্গে মধ্যবিত্তের কপালে জুটছে এমনই অপমান-কটূকথা। এই অপমান-অপদস্থ হওয়ার পরম্পরা চলতে থাকবে, এটা সবকিছুতে আমাদের চুপ থাকার জরিমানাই হয়তো।
15/03/2024
রমজানের বরকতময় দিন গুলোই আমাদের সুশৃঙ্খল জীবন গঠনের দ্বার উন্মোচক
15/03/2024
রামাদান মানেই চমৎকার একটা সুযোগ নিজের জীবনটা একটা ডিসিপ্লিনে নিয়ে আসার৷ ৩০টা দিন, ৩০টা বার সুযোগ পাচ্ছো পড়াশোনাটাকেও গুছিয়ে নেওয়ার। নিয়ম করে আমরা সেহরি, ইফতার করি, নামাজ পড়ি। আজেবাজে জিনিস থেকে দূরে থাকি। ঠিক তেমনি নিয়ম করে সব Distraction সরিয়ে পড়তে বসার অভ্যাস গড়বো সবাই 💙
15/03/2024
শয়তানের ওয়াস ওয়াসা থেকে আল্লাহ সকল কে হেফাজত করুন । সবাই বলি আমিন 🤲🤲