Abc Method

Abc Method It's a education related page.

02/03/2026

GRE Vocabulary # # #
গল্প:
একবার একটি অফিসে subordinateরা খুব obsequious হয়ে বসের সামনে হেসে খেলে। বস তাদের admonish করলেন যে, শুধু চাটুকারির জন্য conduct ঠিক থাকবে না। কিন্তু কর্মচারীরা endure করছিলেন বসের রাগ।
একজন কর্মচারীর deftness দেখে সবাই তাকাতে লাগল। তিনি খুব malleable ছিলেন, তাই যে কোনো কাজে মানিয়ে নিতে পারতেন। তবে একদিন অফিসে কেউ affectation করে বসের সামনে বড় বড় কথা বলল।
বস খুব contentious ছিলেন, তাই পরিস্থিতি হয়ে উঠল hostile। কিন্তু কর্মচারীরা ধীরে ধীরে rationalize করে বসের রাগ mitigate করার চেষ্টা করল।
শেষে সবাই এক consensus এ পৌঁছল। কিন্তু কিছু লোকের avarice শেষ হলো না। বস তাদের diatribe দিয়ে চুপ করালেন। আর অফিসে এত volatile পরিস্থিতির পরও, তাদের tractable মনোভাব দেখে সবাই হাসি আটকাতে পারল না। অবশেষে অফিসে plethora কাগজপত্র ছড়িয়ে পড়ল, আর বস খুব emphatic ভাবে সবাইকে impudent আচরণ না করতে বললেন।
শব্দের অর্থ (সিরিয়াল ক্রমে):
subordinate – অধস্তন, কর্মচারী
admonish – সতর্ক করা, উপদেশ দেওয়া
obsequious – চাটুকার
endure – সহ্য করা
deftness – দক্ষতা
malleable – নমনীয়
affectation – ভান, অভিনয়
tractable – অনুগত, নিয়ন্ত্রণযোগ্য
contentious – বিতর্কপ্রিয়
volatile – অস্থির, বদলপ্রবণ
consensus – সম্মতি, সমঝোতা
avarice – লোভ
diatribe – কঠোর বক্তৃতা, সমালোচনা
mitigate – হ্রাস করা, কমানো
impudent – অশিষ্ট, দুঃসাহসী
hostile – শত্রুতাময়, বিরোধপূর্ণ
conduct – আচরণ
rationalize – যুক্তি দেখানো, সমর্থন দেওয়া
plethora – অতিরিক্ত পরিমাণ, আধিক্য
emphatic – জোরালো, দৃঢ়
@@

02/03/2026

Vocabulary @ #@@
এক ছিল রাজা “গোলমাল সিং”। একদিন তার রাজ্যে এমন dire অবস্থা হলো যে রাজকোষ এতটাই diminish হয়ে গেল যে রাজা নাকি নিজের মুকুট ভাড়া দেওয়ার কথা ভাবলেন!
কিন্তু রাজার নিজের সিদ্ধান্তের উপর অদ্ভুত রকমের conviction ছিল। তিনি বললেন, “এটা সাময়িক ব্যাপার!” যদিও সবার কাছেই বিষয়টা পুরোপুরি foreseeable ছিল—কারণ রাজা প্রতিদিন নতুন নতুন ফোয়ারা বানাচ্ছিলেন।
তার এক চতুর মন্ত্রী খুব specious যুক্তি দিয়ে বলল, “মহারাজ, খালি কোষ মানেই হালকা রাজ্য!” সবাই মাথা চুলকালো। তখন এক তরুণ ও খুব articulate ছেলে এগিয়ে এসে বলল, “মহারাজ, এত materialistic চিন্তা বাদ দিন। প্রজাদের পেট ভরান!”
এই কথা শুনে এক caustic দরবারী বলল, “বাহ! এখন আবার প্রজাদেরও খাওয়াতে হবে?” কিন্তু প্রজাদের কাছে ন্যায়বিচার ছিল সবচেয়ে paramount বিষয়।
তরুণটি খুব brevity বজায় রেখে বলল, “কোষ ফাঁকা। পেট ফাঁকা। সমস্যা স্পষ্ট।” এতেই সবাই বুঝে গেল। রাগান্বিত প্রজারা সেই বাজে মন্ত্রীকে সিংহাসন থেকে oust করে দিল (সে যদিও সিংহাসনে বসেই চা খাচ্ছিল!)।
রাজা তখন প্রজাদের appease করতে ফ্রি জিলাপি বিতরণ শুরু করলেন। এদিকে এক intrepid সৈন্য সামনে এসে বলল, “আমরা সব হিসাব বের করে সত্য substantiate করব!”
সে খুব austere জীবনযাপন করত—শুধু ডালভাত আর সোজা কথা। শেষে রাজা বুঝলেন ভুল করেছেন। তিনি প্রজাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সব ভুল reconcile করলেন।@ #

Dire – ভয়াবহ, মারাত্মক

Diminish – কমে যাওয়া, হ্রাস পাওয়া

Conviction – দৃঢ় বিশ্বাস

Foreseeable – পূর্বানুমেয়

Specious – ভ্রান্ত কিন্তু দেখতে যুক্তিসংগত

Articulate – স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে সক্ষম

Materialistic – বস্তুবাদী, ধনসম্পদকেন্দ্রিক

Caustic – কটূ, তীব্র সমালোচনামূলক

Paramount – সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ

Brevity – সংক্ষিপ্ততা

Oust – অপসারণ করা, ক্ষমতা থেকে সরানো

Appease – শান্ত করা, তুষ্ট করা

Intrepid – নির্ভীক, সাহসী

Substantiate – প্রমাণ করা

Austere – কঠোর, সাদামাটা

Reconcile – মিটমাট করা, পুনর্মিলন ঘটানো

"শেষ পর্যন্ত অপেক্ষার অবসান! প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগের নতুন সার্কুলার এখন প্রকাশিত। যারা স্বপ্ন দেখছেন, এবার সুযোগ হাতছাড়...
06/11/2025

"শেষ পর্যন্ত অপেক্ষার অবসান! প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগের নতুন সার্কুলার এখন প্রকাশিত। যারা স্বপ্ন দেখছেন, এবার সুযোগ হাতছাড়া করবেন না।@ 💼📚"

26/06/2025

দক্ষতা সব যুগেরই বড় সম্পদ।
কালের পর কাল বদলেছে, প্রযুক্তি বদলেছে, পেশার ধরন বদলেছে কিন্তু যে মানুষ দক্ষ, সে কখনোই পিছিয়ে পড়ে না।

বর্তমান দুনিয়াটা খুব দ্রুত বদলে যাচ্ছে। আজকের দুনিয়ায় শুধু ডিগ্রি নয়, দরকার বাস্তব দক্ষতা। এখন শুধু চাকরির ধরন না, বরং কাজ করার পদ্ধতিটাও বদলে যাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), অটোমেশন, রিমোট ওয়ার্ক, আর বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতা সব মিলিয়ে সময় এখন একটু ভিন্নভাবে ভাবার।

কিন্তু আশার কথা হলো চেষ্টা করলে এখন থেকেই নিজেকে তৈরি করে ফেলা যায়।

চলুন জেনে নেই ২০২৬ সালের জন্য দরকারি ১৫টা স্কিল, কেন এগুলো এত গুরুত্বপূর্ণ আর কীভাবে আজ থেকেই সহজভাবে শেখা শুরু করা যায়।

১. Analytical Thinking (বিশ্লেষণধর্মী চিন্তাভাবনা)
What: সমস্যাগুলো ভেঙে সমাধান বের করা ও পরিষ্কার সিদ্ধান্ত নেওয়া।
Why: তথ্যের জোয়ারে বুদ্ধিমান চিন্তাভাবনাই টিকে থাকবে।
How: একটা জটিল সমস্যা নিন, কারণ ও পরবর্তী পদক্ষেপগুলো নকশা করুন।

২️. Emotional Intelligence (আবেগগত বুদ্ধিমত্তা)
What: অন্যকে বোঝা ও গুরুত্ব দেওয়া।
Why: যত অটোমেশন বাড়বে, তত মানুষের সাথে সংযোগই হবে আসল শক্তি।
How: প্রতিদিন মনোযোগ দিয়ে শোনার চর্চা করুন, বেশি প্রশ্ন করুন।

৩️. Lifelong Learning (আজীবন শেখার মানসিকতা)
What: নতুন স্কিল, জ্ঞান, দৃষ্টিভঙ্গি শেখা।
Why: স্কিলগুলো দ্রুত পুরনো হয়ে যাবে, শেখার আগ্রহই আপনাকে আপডেট রাখবে।
How: প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিট নতুন কিছু শেখার সময় রাখুন।

৪️. Agility (অভ্যস্ততা ও মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা)
What: দ্রুত মানিয়ে নেওয়া ও শান্ত থাকা।
Why: পরিবর্তন হবে নিত্যদিনের সঙ্গী, টিকে থাকতে হলে মানিয়ে নিতে হবে।
How: যখন পরিকল্পনা বদলাবে, নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন: “এখন আমার সেরা পদক্ষেপ কী?”

৫️. Self-Motivation (আত্ম-প্রেরণা)
What: কি কাজ আপনাকে চালিয়ে রাখে তা জানা।
Why: হাইব্রিড ও রিমোট কাজের জগতে নিজে থেকেই এগিয়ে আসা লাগবে।
How: প্রতিদিন লক্ষ্য করুন কোন কাজ আপনাকে এনার্জি দেয় আর কোনটা খরচ করে।

৬️. Creative Thinking (সৃষ্টিশীল চিন্তাভাবনা)
What: সমস্যা সমাধানে নতুনত্ত্ব খোঁজা।
Why: AI সাধারণ কাজ করবে, মানুষকে করতে হবে অসাধারণ।
How: একটা সমস্যা নিয়ে ১০ টা অপ্রচলিত সমাধান ভাবুন।

৭️. Leadership (নেতৃত্ব)
What: অন্যকে অনুপ্রাণিত করা এবং কাজে যুক্ত করা।
Why: দূর থেকে কাজ পরিচালনা করতে হলে প্রভাব তৈরি করতে জানতে হবে।
How: ছোট একটা প্রজেক্টের দায়িত্ব নিন এবং নেতৃত্বের অনুশীলন করুন।

৮️. Technological Literacy (প্রযুক্তিগত সচেতনতা)
What: শুধু ব্যবহার নয়, প্রযুক্তি কীভাবে কাজ করে সেটাও বোঝা।
Why: প্রতিটি পেশায় টেক ফ্লুয়েন্সি অপরিহার্য হয়ে উঠবে।
How: যেকোনো এক টেকনোলজি টপিকের ভিডিও দেখে বোঝার চেষ্টা করুন।

৯️. System Thiking (ব্যবস্থাপনাগত চিন্তাধারা)
What: আপনার সিদ্ধান্ত কীভাবে অন্যদের ও প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে তা বোঝা।
Why: ভবিষ্যৎ সেই মানুষদের চাইবে যারা পুরো চিত্র দেখতে পারে।
How: প্রতিদিন ভাবুন, “এই সিদ্ধান্তের ফলে আর কি কি ঘটতে পারে?”

১০. Talent Management (যোগ্যতা বিকাশ ও পরিচালনা)
What: ভালো মানুষদের বড় করে তোলা ও ধরে রাখা।
Why: বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এটিই বড় সুবিধা।
How: নিজের টিমের জুনিয়র কারও সঙ্গে সময় নিয়ে কথা বলুন তার উন্নয়ন নিয়ে।

১১️. AI ও বিগ ডেটা
What: তথ্য বিশ্লেষণ করে আরও ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া।
Why: যারা AI ব্যবহার করবে, তারাই এগিয়ে থাকবে।
How: ChatGPT বা এ ধরনের টুল ব্যবহার করুন স্কিল বাড়াতে।

১২️. গ্লোবাল অ্যাওয়ারনেস (Global Awareness)
What: বিভিন্ন দেশ, সংস্কৃতি ও আন্তর্জাতিক ঘটনাগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা।
Why: আপনি যেখানেই কাজ করুন না কেন, বৈশ্বিক সংযোগ থাকবে। বুঝতে হবে বিশ্ব কিভাবে কাজ করছে।
How: প্রতিদিন অন্তত ৫–১০ মিনিট সময় দিন আন্তর্জাতিক খবর, সংস্কৃতি বা বৈশ্বিক সমস্যা জানার জন্য। BBC, DW, বা Al Jazeera-এর মত আন্তর্জাতিক সোর্স ফলো করুন।

১৩️. কমিউনিকেশন লিটারেসি (Communication Literacy)
What: স্পষ্ট, প্রভাবশালী এবং সংবেদনশীলভাবে কথা বলা ও লেখার দক্ষতা।
Why: একসাথে কাজ করতে গেলে বোঝাতে পারাটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আজকের দুনিয়ায় কমিউনিকেশন মানেই শুধু কথা বলা না, বুঝিয়ে বলা।
How: প্রতিদিন লিখুন বা কথা বলার প্র্যাকটিস করুন। মিরর প্র্যাকটিস, ভয়েস রেকর্ডিং, বা পাবলিক স্পিকিং ক্লাস কাজে লাগাতে পারেন।

১৪️. ফিনান্সিয়াল লিটারেসি (Financial Literacy)
What: নিজের টাকা-পয়সা, আয়-ব্যয়, সঞ্চয়, বিনিয়োগ ও বাজেট বোঝা এবং পরিচালনা করতে পারা।
Why: যতই ইনকাম হোক না কেন, সঠিকভাবে ম্যানেজ করতে না পারলে সাফল্য ধরে রাখা যায় না।
How: মাসিক খরচ ট্র্যাক করুন, বাজেট বানান। YouTube-এ Basic Finance, Investment, বা Personal Budgeting সম্পর্কে ভিডিও দেখুন।

১৫️. শোকেসিং মেন্টালিটি (Showcasing Mentality)
What: আপনি কী করছেন, কী শিখছেন, কী অর্জন করছেন তা সাহসের সাথে শেয়ার করা এবং নিজেকে উপস্থাপন করার অভ্যাস।
Why: কাজ করলেই চলবে না, সেটার মূল্যও তৈরি করতে হবে। মানুষ তখনই আপনাকে চিনবে, যখন আপনি নিজেই নিজের উপস্থিতি জানান দেবেন।
How: নিজের শেখা, কাজ, অর্জন ছোট হোক বা বড় সেগুলো সামাজিক মাধ্যমে (LinkedIn, Facebook, Portfolio) নিয়মিত শেয়ার করুন। ভয় পাবেন না, আত্মবিশ্বাসের সাথে বলুন: “আমি শিখছি, আমি করছি।”

আপনি যদি ভাবেন “এত কিছু, শুরু কোথা থেকে করবো?”, তাহলে আজই একটা স্কিল বেছে নিন, প্রতিদিন মাত্র ২০ মিনিট সময় দিন। সময় অপেক্ষা করে না, কিন্তু আপনি প্রস্তুত থাকলে ভবিষ্যৎ আপনারই।

মনে রাখবেন:
চাকরি পাল্টাবে, প্রযুক্তি পাল্টাবে কিন্তু শেখার ক্ষমতা আপনাকে অদ্বিতীয় করে তুলবে।@@@

15/01/2025

মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দেওয়ার পদ্ধতি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908) অনুযায়ী পরিচালিত হয়। এই প্রক্রিয়াটি ফার্স্ট আপিল (First Appeal) নামে পরিচিত এবং সাধারণত নিম্ন আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে আবেদন জানানো হয়।

মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করার সাধারণ নিয়মাবলি:

১. আপিল করার অধিকার:

যে পক্ষ আদালতের ডিক্রিতে অসন্তুষ্ট, তারা আপিল করতে পারে।

মূল ডিক্রি চূড়ান্ত হতে হবে; অন্তর্বর্তী আদেশের (Interlocutory Order) বিরুদ্ধে আপিল সাধারণত সম্ভব নয়।

২. সময়সীমা:

আপিল দাখিলের নির্ধারিত সময়সীমা ৯০ দিন, যা সংশ্লিষ্ট ডিক্রি জারি হওয়ার দিন থেকে গণনা করা হয়।

এই সময়সীমা অতিক্রান্ত হলে, যথাযথ কারণ দেখিয়ে আদালতে সময় বৃদ্ধি (Condonation of Delay) চাওয়া যেতে পারে।

৩. আপিলের পিটিশন:

আপিলকারী একটি মেমোরেন্ডাম অব আপিল (Memorandum of Appeal) দাখিল করেন, যেখানে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি উল্লেখ থাকে:

ডিক্রি বা আদেশের তারিখ।

মূল আদালতের নাম।

আপিলকারীর আপত্তির কারণ এবং যুক্তি।

৪. কোর্ট ফি জমা:

দেওয়ানি মামলায় আপিল দাখিলের সময় নির্ধারিত কোর্ট ফি জমা দিতে হয়।

৫. আপিল গ্রহণ এবং নোটিশ জারি:

আদালত আপিল গ্রহণ করলে বিবাদীকে নোটিশ জারি করে।

নোটিশে আপিলের বিষয়ে বিবাদীকে তার বক্তব্য জমা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

৬. আপিল শুনানি:

আদালত উভয় পক্ষের যুক্তি শুনেন এবং নথিপত্র পুনঃপর্যালোচনা করেন।

যদি আদালত মনে করেন যে নিম্ন আদালত কোনো আইনি ত্রুটি করেছেন, তবে তিনি ডিক্রি সংশোধন, বাতিল, বা পুনর্গঠন করতে পারেন।

৭. রায় (Judgment):

আপিল শুনানির পর উচ্চতর আদালত তার রায় প্রদান করেন।

আদালত মূল ডিক্রিকে বহাল রাখতে, সংশোধন করতে, বা বাতিল করতে পারেন।

---

কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক:

1. মূল নথিপত্রের বাধ্যতামূলক দাখিল:
আপিলের সাথে মামলার প্রাসঙ্গিক নথিপত্র যুক্ত করতে হয়।

2. অবস্থান স্থগিতাদেশ (Stay of Ex*****on):

আপিলের সময় যদি মূল ডিক্রি কার্যকর হতে থাকে, তাহলে আপিলকারী আদালতে অবস্থান স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করতে পারেন।

3. উচ্চতর আদালতের পর্যবেক্ষণ:

উচ্চতর আদালত শুধু নিম্ন আদালতের আইনি ও প্রমাণগত ভুল খুঁজে দেখেন।

আপিলের উদ্দেশ্য মূলত নিম্ন আদালতের রায়ের যথার্থতা যাচাই করা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।

15/01/2025

দেওয়ানি আদালতে বিচার পদ্ধতি সাধারণত সিভিল প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিষয়গুলোর সমাধানের জন্য প্রযোজ্য। এর মধ্যে সম্পত্তি, চুক্তি, উত্তরাধিকার, এবং অন্যান্য সিভিল অধিকারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত। দেওয়ানি আদালতে বিচার পদ্ধতি সাধারণত নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করে:

১. মামলা দায়ের (Institution of Suit):

মামলার আবেদন দায়ের করা হয় দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC) এর ২৬ ধারার অধীনে।

আবেদনকারী (Plaintiff) আদালতে একটি লিখিত দরখাস্ত জমা দেন, যেখানে মামলার বিবরণ, দাবি এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য উল্লেখ থাকে।

২. নোটিশ জারি (Issuance of Summons):

আদালত বিবাদীকে (Defendant) নোটিশ জারি করে মামলার বিষয়ে উত্তর দেওয়ার জন্য।

বিবাদী নির্ধারিত সময়ে তার জবাব (Written Statement) জমা দেয়।

৩. মোট বিষয় নির্ধারণ (Framing of Issues):

মামলার প্রধান বিষয় এবং প্রশ্ন নির্ধারণ করা হয়।

উভয় পক্ষের দাবিগুলো পর্যালোচনা করে আদালত বিষয় নির্ধারণ করেন।

৪. প্রমাণ সংগ্রহ (Collection of Evidence):

উভয় পক্ষ তাদের সাক্ষ্য এবং প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করে।

প্রমাণের মধ্যে দলিলপত্র, সাক্ষীর বক্তব্য, এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক উপাদান অন্তর্ভুক্ত।

৫. বিচার (Hearing):

উভয় পক্ষ তাদের যুক্তি উপস্থাপন করে।

আদালত যুক্তি শোনেন এবং মামলার মূল বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করেন।

৬. রায় (Judgment):

আদালত সমস্ত প্রমাণ ও যুক্তি পর্যালোচনা করে রায় দেন।

রায়ে মামলার নিষ্পত্তি এবং আদালতের আদেশ উল্লেখ থাকে।

৭. ডিক্রি জারি (Decree and Ex*****on):

রায় কার্যকর করার জন্য আদালত ডিক্রি জারি করেন।

যদি ডিক্রি বাস্তবায়নে কোনো সমস্যা হয়, তখন আদালত বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

আপিলের সুযোগ:

যদি কোনো পক্ষ আদালতের রায়ের সাথে সন্তুষ্ট না হয়, তাহলে তারা উচ্চতর আদালতে আপিল করতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ নীতি:
দেওয়ানি আদালতের বিচার পদ্ধতি ভারতীয় দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908) এর অধীনে পরিচালিত হয়।

25/11/2024

এখন হয়তো পরীক্ষা কম কিন্তু আবার যখন শুরু হবে তখন দিক ও পাওয়া যাবে না, আগে থাকতে প্রস্তুতি নিন।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abc Method posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share