Learn & Practice

Learn & Practice বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট এক্সামের প্রস্তুতি ও আইন বিষয়ক চাকুরির বিজ্ঞপ্তি

25/09/2026

A বিচার চলাকালে ৩ বছর জেল হাজতে ছিল। বিচারে তার ৫ বছরের সাজা হয়, এক্ষেত্রে তাকে আর কত বছর কারাবাস ভোগ করতে হবে?

23/09/2026

ব্যবসায়িক লেনদেন থাকলে প্রতারনার মামলা চলবে না এই সংক্রান্ত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ‘ইসলাম আলী মিয়া ওরফে মো. ইসলাম বনাম আমল চন্দ্র মণ্ডল এবং অন্যান্য’ (Criminal Appeal No. 3 of 1992) মামলার ঐতিহাসিক রায়টির একটি বিস্তারিত পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ নিচে উপস্থাপন করা হলো:

১. মামলার সংক্ষিপ্ত পটভূমি ও ঘটনা (Factual Background)

পক্ষসমূহ: আপিলকারী হলেন মো. ইসলাম আলী মিয়া (মাছের ব্যবসায়ী, চুয়াডাঙ্গা) এবং ১ নং রেসপন্ডেন্ট হলেন আমল চন্দ্র মণ্ডল (মাছের আড়তদার, পটুয়াখালী)।

ব্যবসায়িক লেনদেন: উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। ২০ আগস্ট ১৯৮৮ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর ১৯৮৯ পর্যন্ত রেসপন্ডেন্ট আপিলকারীকে মোট ২৭,১৩,৮৬১.৫৯ টাকার ইলিশ মাছ বাকিতে সরবরাহ করেন।

দাবি ও বিরোধ: আপিলকারী এর মধ্যে ২৩,৮৮,৩৭৮.৬২ টাকা পরিশোধ করেন। বাকি ৪,০৫,৪৮২.৯৭ টাকা সঠিক হিসাব-নিকাশ (proper accounting) সাপেক্ষে পরিশোধ করার কথা ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে আপিলকারী এই বকেয়া টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান।

মামলা দায়ের: রেসপন্ডেন্ট পটুয়াখালীর উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দণ্ডবিধির ৪০৬ (criminal breach of trust) এবং ৪২০ (cheating) ধারায় একটি ফৌজদারি অভিযোগ (CR Case No. 39 of 1991) দায়ের করেন। ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিয়ে প্রসেস ইস্যু করেন।

২. হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্ত ও আপিল
আসামি (আপিলকারী) এই ফৌজদারি কার্যক্রম বাতিল করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১এ (561A CrPC) ধারায় আবেদন করেন। তাঁর যুক্তি ছিল, এটি সম্পূর্ণ দেওয়ানি প্রকৃতির বিরোধ। কিন্তু হাইকোর্ট বিভাগ আবেদনটি খারিজ করে দিয়ে বলেন যে, লেনদেন অস্বীকার করা চুক্তির লঙ্ঘন এবং এটি অপরাধ হতে পারে যা সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমে বিচার্য। পরবর্তীতে এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল করা হয়।

৩. আপিল বিভাগের আইনি বিশ্লেষণ ও পর্যবেক্ষণ
প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ মামলাটির নথিপত্র পর্যালোচনা করে হাইকোর্টের আদেশ বাতিল করেন এবং ফৌজদারি কার্যক্রমটি কোয়াশ (Quash) বা বাতিল ঘোষণা করেন। আদালতের মূল পর্যবেক্ষণগুলো ছিল নিম্নরূপ:

দেওয়ানি বনাম ফৌজদারি দায় (Civil vs Criminal Liability): আদালত স্পষ্ট করেন যে, বাকিতে পণ্য কেনা এবং পরবর্তীতে বকেয়া টাকা পরিশোধ না করা বা টাকা নিয়ে দ্বিমত পোষণ করা কোনো ফৌজদারি অপরাধ নয়, এটি একটি দেও

⚖️ ই-পারিবারিক আদালতে বিচার পদ্ধতিপ্রযুক্তির মাধ্যমে পারিবারিক আদালতের মামলা দায়ের থেকে শুরু করে বিচারকার্যের বিভিন্ন ধা...
20/09/2026

⚖️ ই-পারিবারিক আদালতে বিচার পদ্ধতি

প্রযুক্তির মাধ্যমে পারিবারিক আদালতের মামলা দায়ের থেকে শুরু করে বিচারকার্যের বিভিন্ন ধাপ অনলাইনে সম্পন্ন করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ই-পারিবারিক আদালতে মামলা পরিচালনার প্রক্রিয়াটি সংক্ষেপে নিচে দেওয়া হলো—

🌐 ওয়েবসাইট: efamilycourt.judiciary.gov.bd

ই-পারিবারিক আদালত ব্যবস্থায় মোট ৫ ধরনের অ্যাকাউন্ট রয়েছে—

১। বিচারপ্রার্থী
২। আইনজীবী
৩। সেরেস্তাদার
৪। পেশকার
৫। বিচারক

🔹 মামলা দায়েরের ধাপ

মামলা দায়ের করতে প্রথমে বিচারপ্রার্থী হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরপর বিচারপ্রার্থী নিজস্ব অ্যাকাউন্টে লগইন করে মামলা দায়েরের কার্যক্রম শুরু করবেন।

বাদী ও বিবাদীর প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করার পর বিচারপ্রার্থী একজন বিজ্ঞ আইনজীবী নির্বাচন করবেন। নির্বাচিত আইনজীবীর অ্যাকাউন্টে মামলার প্রস্তাবটি চলে যাবে।

🔹 আইনজীবীর কার্যক্রম

বিজ্ঞ আইনজীবী ই-পারিবারিক আদালতে নিজ অ্যাকাউন্টে লগইন করে মামলা গ্রহণে সম্মতি প্রদান করবেন এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ওকালতনামা দাখিল করবেন।

এরপর আইনজীবী মামলার বিস্তারিত তথ্য প্রদান করবেন। যেমন—

• আরজির বক্তব্য প্রদান
• আরজির সমর্থনে প্রয়োজনীয় দলিলাদির সফট কপি আপলোড
• সাক্ষীদের তালিকা প্রদান

মামলাটি আদালতে দাখিলের পূর্ব পর্যন্ত প্রয়োজন অনুযায়ী এসব তথ্য সম্পাদন বা সংশোধন করা যাবে।

সকল তথ্য প্রদান শেষে আইনজীবী অনলাইনে কোর্ট ফি প্রদান করবেন।

🔹 সেরেস্তাদারের কার্যক্রম

কোর্ট ফি প্রদান ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হলে মামলাটি সেরেস্তাদারের অ্যাকাউন্টে যাবে।

সেরেস্তাদার মামলার সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ও অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করবেন। পর্যালোচনা শেষে প্রয়োজনীয় নোটসহ মামলাটি বিচারকের কাছে প্রেরণ করবেন।

🔹 বিচারকের কার্যক্রম

বিজ্ঞ বিচারক নিজ অ্যাকাউন্টে অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা মামলাটি দেখতে পারবেন। সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে মামলা গ্রহণযোগ্য হলে বিচারক তা গ্রহণ করবেন।

মামলা গ্রহণের পর মামলার নম্বর প্রদান করা হবে। একই সঙ্গে বিচারপ্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট আইনজীবী মামলাটি গৃহীত হওয়ার বিষয়ে নোটিফিকেশন পাবেন।

🔹 বিবাদীপক্ষকে সমন

মামলা গ্রহণের পর বিবাদীপক্ষের কাছে প্রচলিত পদ্ধতিতে সমনের পাশাপাশি SMS ও Email-এর মাধ্যমেও সমন পাঠানো হবে।

বিবাদীপক্ষ বিচারপ্রার্থীর অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে মামলার প্রয়োজনীয় তথ্য দেখতে পারবেন।
বিবাদীপক্ষের নির্বাচিত আইনজীবীও একই প্রক্রিয়ায় লিখিত জবাব দাখিল করতে পারবেন।

🔹 বিচারকার্য চলাকালীন কার্যক্রম

মামলার বিচারকার্য চলাকালীন বিভিন্ন তারিখে আইনজীবী নিজ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে—

• বিভিন্ন ধরনের দরখাস্ত দাখিল

• হাজিরা প্রদান

• কোর্ট ফি প্রদানসহ

প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন।

🔹 আদেশ ও রায় সংরক্ষণ

মামলার শুনানি শেষে আদালতের পেশকার মামলার নথি উপস্থাপন করে বিচারকের কাছে প্রেরণ করবেন।

বিজ্ঞ বিচারক আদেশ লিখে তা সংরক্ষণ করবেন। এই আদেশ স্থায়ী রেকর্ড হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে।

এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ, ভার্চুয়াল শুনানি, রায় প্রদানসহ পারিবারিক মামলার বিচারকার্যের বিভিন্ন ধাপ অনলাইনে সম্পন্ন করার সুযোগ রয়েছে।

ফলে পারিবারিক আদালতের বিচারপ্রক্রিয়া আরও সহজ, স্বচ্ছ ও গতিশীল করার ক্ষেত্রে ই-পারিবারিক আদালত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

15/09/2026
07/09/2026

#নামজারি

#মিউটেশন
#জমাভাগ
#জমাএকত্রকরন

 #নামজারি  #মিউটেশন  #জমাখরচ #জমাএকত্রকরন
07/09/2026

#নামজারি

#মিউটেশন
#জমাখরচ
#জমাএকত্রকরন

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Learn & Practice posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share