14/05/2026
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি টু সিটি কলেজের স্বঘোষিত অধ্যক্ষ :
" লিখিত পরীক্ষায় ০১ জন মাত্র কৃতকার্য প্রার্থীর অর্থাৎ আপনার প্রত্যেক স্তরে ২য় বিভাগ/শ্রেণি রয়েছে, কিন্তু কোন পিএইচডি ডিগ্রি নেই।
পিএইচডি ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের মধ্যে একজনও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়নি,
শুধুমাত্র আপনি ০১ জন লিখিত পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন এটি বিশ্বাসযোগ্য এবং গ্রহণযোগ্য নয়।
পর্যালোচনায় অধ্যক্ষ নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণ এবং ফলাফল তৈরির বিষয়টি উদ্দেশ্যমূলক, পরিকল্পিত এবং সাজানো বলে প্রতীয়মান হয়।"
----------------------
01/05/2026
গতকাল behind the campus নামে একটি পেজের post ঢাকা সিটি কলেজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ থেকে শেয়ার করা হয়।
এই পেজের bio পর্যালোচনা করে মনে হলো -
পরিচয় গোপন রেখে ছাত্রদের voice হতে চাচ্ছে এমন একটা প্ল্যাটফর্ম।
আবার ঢাকা সিটি কলেজের অফিসিয়াল ফেসবুক page থেকে তা সরাসরি শেয়ার করা হলো।
কেমন যেন মিলল না।
পর্ব ১ দেখে বুঝা গেল আরো কিছু পর্ব আসতে যাচ্ছে।
যে পর্বটা তারা তৈরী করেছে সেটা হলো Inside DCC সিরিজ নামে একটা অসমাপ্ত সিরিজ চালু হয়েছিল তার অনুরূপ।
এখন নিয়ামুল গং সেই আইডিয়া ব্যবহার করে কাউন্টার এট্যাক দিচ্ছে।
যাই হোক,
ভিডিও দেখতে থাকার পর মনে হলো
এর অনেক স্ক্রিনশট আমাদের page থেকে নেয়া হয়েছে।
তাই এড়ানো গেল না।
আমরা প্রায় সমস্ত অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছি।
কিন্ত আমাদের পেজ এ আরো অনেক যুক্তি খণ্ডন করে পোস্ট করা হয়েছিল সেগুলো তারা যথেষ্ট চালাকির সহিত এড়িয়ে যায়।
ভিডিওর এক পর্যায়ে একটা স্ক্রিনশটে ঢাকা সিটি কলেজের ফেসবুক পেইজের এডমিন এবং আইটির লোক আশেকুর রহমানের প্রোফাইল দেখা যায়।
অর্থাৎ সেই ব্যক্তি নিজেই স্ক্রিনশট গুলো নিচ্ছিলেন।
সাধারণত কোনো ব্যক্তি ফেসবুক পেইজের এডমিন হিসেবে থাকলে প্রোফাইল সুইচের অপশন দেখা যায়।
তো শিক্ষার্থী নামধারী একটা ফেসবুক পেজ এ আশেকুর রহমানের স্ক্রিনশট কীভাবে গেল সেই প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক।
আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে - বছর ১/দুয়েক আগে নিয়ামুল স্যারের পক্ষে কিছু ফেসবুক পোস্ট হতো।
এবং সেগুলো অপেশাদার এর মতো কলেজের page থেকে শেয়ার করা হতো।
এর একটা আপগ্রেড ভার্সন হলো সেই পেজ।
এই পেজটা ফলো করলে আপনারা পরর্বতীতে যা দেখতে পাবেন -
১.ছাত্রদের নাম দিয়ে নিয়ামুল এর পক্ষের পোস্ট। যেন সবাই মনে করে ছাত্ররাই তাদের মনের ভাষা প্রকাশ করছে।
২.নানান সময়ে বুদ্ধিমান উপায়ে ছাত্রদের উত্তেজিত করে কলেজে একটা ঝামেলা পাকানো যেন পরবর্তীতে সেই ছাত্রদের গায়ে দোষ চাপিয়ে আরো কিছুদিন কলেজ বন্ধ রাখা যায়।
৩.নিউট্রাল করার জন্য বিভিন্ন সচেতনতা মূলক এবং গাইডেন্স পোস্ট, যার অধিকাংশ আমাদের পেজ থেকে কপি মেরে দেয়া।
৪.অবৈধ জোকার ঢাকা সিটি কলেজ কর্তৃপক্ষ কতো ভালো তা শুনতে পাবেন।
৫. ঢাকা সিটি কলেজের ফান্ড ব্যবহার করে সেই পেজের বানোয়াট বুস্ট করা পোস্ট যা সারাদেশের মানুষকে জানাতে ব্যবহৃত হবে।
ইত্যাদি ইত্যাদি
এটা মূলত একটা অলটারনেটিভ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তৈরী করা হয়েছে যেন ছাত্রদের নাম দিয়ে আবেগ ব্যবহার করে নিজেদের করা পোস্টগুলো ডেলিভার করা যায়।
এই পেজটা একটা ট্র্যাপ সবার জন্য।
দুঃখের বিষয় হলো আমাদের কর্তৃপক্ষই তা ব্যবহার করছে আমাদের বিরুদ্ধে।
কলেজ কিন্ত স্বাভাবিক চলছিল ।
এর ভেতরে এরা একটা বানোয়াট কাহিনী তৈরী করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করছে।
বেশ কিছুদিনের মধ্যে তারা আরো কিছু ঘটনা ঘটাবে।
পুরনো কৌশল।
যথাযথ কর্তৃপক্ষ যখন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যায় তখনই এরা কৌশলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে কলেজ বন্ধ করে ফেলে এবং ঝামেলার দায় অন্যদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়।
আর যদি কোনোভাবে পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে শুরু করে তখনই বর্তমান ঢাকা সিটি কলেজের কিছু ফেমাস গিরগিটি গোছের শিক্ষকদের দিয়ে পরিস্থিতি ঠান্ডা করে।
টাকা কিন্ত অভিবাবকদেরই দিতে হবে।
মাইরও খাবে ছাত্ররা।
পুরোটাই হলো কিছু অতি বুদ্ধিমান ছাত্র নেতাদের বোকামির ফসল।
যার পুরো ঝাল তুলছে এখন নিয়ামুল গ্যাং
তো জনাব আশেকুর রহমান,
আপনি তো বর্তমানে বিশেষ ক্ষমতাবলে চেয়ারম্যানের চাইতেও অধিক ক্ষমতা সম্পন্ন।
চাটতে চাটতে নিয়ামূল সাহেব এবং তার দলবলের জুতা ক্ষয় করে ফেলছেন ২ বছর যাবৎ ।
আপনার প্রোফাইল ওই পেজের ভিডিওতে গেল কীভাবে?
24/04/2026
Dhaka City College Alumni Reunion 2026-এর রেজিস্ট্রেশন বন্ধ হতে যাচ্ছে খুব শিগগিরই! ⏳
সময় বদলায়, জীবন এগিয়ে যায়—
কিন্তু সেই প্রিয় ক্যাম্পাস, বন্ধুত্ব আর স্মৃতিগুলো রয়ে যায় আগের মতোই 💙
এই সুযোগ মিস করো না!
পুরনো বন্ধুদের সাথে আবার মিলিত হওয়ার, স্মৃতির পথে হাঁটার—এই আয়োজন তোমার জন্যই 🙌
👉 এখনই রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করো - https://forms.gle/4Ze2sH9cxv4jR4qg6
📅 সময় শেষ হতে আর মাত্র ৬ দিন!
16/11/2025
আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়ত নানাবিধ জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, কারো রক্তের প্রয়োজন হয়, কেউ তার প্রিয়জনকে খুঁজে বেড়ায়, আবার কোথাও জরুরী পরিস্থিতিতে কোনো স্বেচ্ছাসেবী দল দ্রুত সহায়তা প্রদানের জন্য সক্রিয় থাকে।
এই ধরনের পরিস্থিতি সামাল দেয়াটা অনেক সময়েই খুব চ্যালেঞ্জিং হয়, আর তখন সঠিক জায়গায় সঠিক তথ্য পৌঁছানোটা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
এই সমস্যাগুলোর সহজ সমাধান হিসেবেই এসেছে Emergency Bangladesh — প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো জরুরি অবস্থায় মানুষ খুব দ্রুত সাহায্য পেতে পারে।
🔰 আপাতত ৩টি সেক্টরে কাজ করছে Emergency Bangladesh
1️⃣ ব্লাড ডোনেশন 🩸
ধরুন, আপনার বা আপনার পরিচিত কারো রক্ত খুব জরুরিভাবে প্রয়োজন। শুধু ইস্যুর বিস্তারিত লিখে পাঠালেই কী হবে?
কেমন হয় যদি -
আপনার এলাকায় থাকা সেই রক্তের গ্রুপের নিবন্ধিত ডোনারদের কাছে সঙ্গে সঙ্গেই নোটিফিকেশন চলে যায়?
✅ এতে ফোন করে, মেসেজ পাঠিয়ে বা নানান গ্রুপে পোস্ট দিয়ে সময় নষ্ট করতে হয় না।
✅ যার কাছে রক্ত দেওয়া সম্ভব, সে দ্রুতই আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারে।
এতে করে জরুরি সময়ে রক্ত পেতে দেরি হয় না, আর দুশ্চিন্তাও কমে যায়।
2️⃣ লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড 🔍
আমরা প্রায়ই দেখি—কেউ তার সন্তানকে খুঁজছে, কেউ ব্যাগ হারিয়েছে, আবার কেউ রাস্তা থেকে কোনো বাচ্চা বা বৃদ্ধ ব্যক্তিকে পেয়েছে কিন্তু পরিচয় জানে না।
Emergency Bangladesh এই ব্যাপারগুলোকে অনেক সহজ করে দিয়েছে।
আপনি যদি কিছু হারান—তথ্য, ছবি আর প্রয়োজনীয় ডিটেইলস যোগ করে রিপোর্ট করলেই তা দেশের ভলান্টিয়ার ও ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছে যায়।
আপনি যদি কিছু খুঁজে পান—সেটিও একইভাবে রিপোর্ট করতে পারবেন।
এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি খুব দ্রুত খবর পেয়ে যায়, আর অনেক ক্ষেত্রেই অল্প সময়ের মধ্যেই সমাধান মিলে যায়।
3️⃣ ইমারজেন্সি রেসপন্স টিম 👥
যারা দল বেঁধে স্বেচ্ছাসেবী কাজ করেন, তাদের জন্য দারুণ একটি সুবিধা আছে—
টিম রেজিস্ট্রেশন।
আপনি চাইলে আপনার টিমের সব সদস্যকে যুক্ত করতে পারবেন,
আলাদা আলাদা দায়িত্ব দিতে পারবেন,
এবং জরুরি মুহূর্তে সবাই একসঙ্গে কাজ করতে পারবেন।
এতে একটি এলাকাভিত্তিক বা নির্দিষ্ট কাজভিত্তিক টিম খুব সংগঠিতভাবে কাজ করতে পারে।
ইমারজেন্সি বাংলাদেশের মূল উদ্দেশ্য হলো—দুই পক্ষের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ স্থাপনে সহায়তা করে একটি নিরাপদ, দক্ষ ও সমন্বিত সেবাপ্রদান ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে মানুষের জরুরি প্রয়োজন মুহূর্তের মধ্যেই উপযুক্ত ব্যক্তির কাছে পৌঁছে যায়।⏱️🤝
দেশের ভেতরে একটি সুসংগঠিত ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য।
তাদের বিশ্বাস—সমন্বিত প্রযুক্তি, দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান এবং সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ মিলেই জরুরি অবস্থায় সর্বোচ্চ সহায়তা নিশ্চিত করা যায়।
আপনিও যদি এই মহৎ কাজের অংশ হতে চান, আজই ভলান্টিয়ার হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন তাদের ওয়েবসাইটে।
আপনার একটি সাহায্য, একটি সাড়া, একটি শেয়ার—
কারো জীবন বাঁচাতে পারে, কারো পরিবার ফিরিয়ে দিতে পারে।
একটি ভালো কাজের শুরু হোক আপনার হাত থেকেই।
Website: https://emergencybd.com/
10/11/2025
ঢাকা সিটি কলেজের HSC ২৩ ব্যাচের ফাতেমা আক্তার শ্রাবণী নামের একজন আপু, লিম্ফোমা ক্যান্সারে আক্রান্ত। চিকিৎসার জন্য প্রায় ৩ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। সিটি কলেজ থেকে ৫৩৩২০ টাকা সহায়তা পেয়েছে। এবং সর্বমোট এখন পর্যন্ত ১লক্ষ ৮০ হাজার টাকা সংগ্রহ করতে পেরেছে। চিকিৎসার জন্য আরো ১ লক্ষ এর অধিক টাকা প্রয়োজন। (ওনার সমস্ত মেডিকেল রিপোর্ট কমেন্টে দেওয়া আছে)
সবাইকে যার যার সামর্থ অনুয়ায়ী সহায়তা করার অনুরোধ করা হলো। হতে পারে, আপনার ছোট্ট একটি সাহায্য, অন্য কারোর জীবনে অনেক বড় ভূমিকা রাখবে।
BKash :01540523381
Nagad:01540523381
Account Name: Fatema Akter Sraboni
Account Number: 20502246700185002
Bank Name: Islami Bank Bangladesh Limited (IBBL)
Branch Name: Agargaon Branch, Dhaka
Routing Numbe: 125262149
02/11/2025
বুয়েটের একজন বিভাগীয় প্রধান মাস কয়েক আগে সিটি কলেজের চেয়ারম্যান হিসেবে দ্বায়িত্ব পেয়েছিলেন।
তাকে সীমার বাইরে অপমান অপদস্থ এবং মিথ্যার ফুলঝুরি ছড়িয়ে কলেজ থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয়।
বুয়েট থেকে পাশকৃত আমাদের গর্বিত কতিপয় শিক্ষকদের দেখলাম না নিজের গর্বের বুয়েটের শিক্ষককে করা অপমানের প্রতিবাদ করতে।
সামান্য প্রতিবাদ তো দূরের কথা, সত্য কথাও তারা মুখ দিয়ে বের করতে পারলেন না।
আমরা যারা প্রতিবাদ করলাম সবাই হয়ে গেলাম আমাদের শিক্ষকদের ভাষ্যমতে " সেই চেয়ারম্যানের ন্যায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী"
আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকরা তাদের চাইতে কয়েকশো গুণ অযোগ্য লম্পটদের নেতা (প্রিন্সিপাল, ভাইস প্রিন্সিপাল) ভেবে সম্মান করা নিয়ে ব্যস্ত আছেন।
একটু পেছনে যাওয়া যাক -
ডা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী সাহেব কলেজ চেয়ারম্যান।
শিক্ষকদের বুক গর্বে ৬ হাত ফুলা।
আমাদের শ্রদ্ধেয় চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা । একেকজন গিয়ে তেল মালিশ করেন, ছবি তুলেন।
নোংরা রাজনীতির প্রতিবাদ করায় শুনলাম -" স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি"
সেই শিক্ষকেরা ৫ আগস্টের পর দল পাল্টে মোদাচ্ছের আলী সাহেবদের বিপক্ষে চলে গেলেন। সব ছবি ডিলেট করে ফেললেন।
নতুন চেয়ারম্যান পেলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ড এ বি এম ওবায়দুল ইসলামকে।
শিক্ষকদের গর্বে মাটিতে পা পড়ে না, বিএনপির একজন গুরুত্বপূর্ণ লোক আমাদের দায়িত্বে আছেন।
এবারও ট্যাগ পেলাম নব্য রাজাকার,স্বৈরাচারের দোসর, স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি "
বুঝলাম - আমরা সবসময়ই স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি হিসেবে থাকবো।
আর আমাদের রং পাল্টানো শিক্ষকেরা থাকবেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ,২৪ এর চেতনার পক্ষের শক্তি।
এই চেতনা ব্যবসায় ভর করে তারা তাদের সমস্ত খায়েশ পূরণ করবেন।
বুয়েটের এক বিভাগীয় প্রধান দায়িত্ব পেলেন।
তাঁকে নিয়ে শিক্ষকদের অভিযোগের শেষ নেই কিন্ত কোনো অভিযোগই প্রমাণ করতে পারলেন না।
বেচারা শেষমেশ পুরোদস্তর অপমানিত হয়ে বিদায় নিলেন।
হঠাৎ দায়িত্ব পেলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম।
শিক্ষকরা দেখলাম ফেসবুকে ব্যাপক সরব।
ব্যারিস্টার অসীমের নেতৃত্বে বিশ্বজয়ও হয়ে যেতে পারে এমন অবস্থা।
এতো ঘটনা বলার কারণ একটাই -
"সিটি কলেজে সম্মান ক্ষমতাকেন্দ্রিক ।
শিক্ষা কেন্দ্রিক না "
কিন্ত এসব কথা সরাসরি বলা যাবেনা , বললে আমাদের নীতিবান শিক্ষকদের কাছ থেকে আক্রমণের শিকার হতে হবে।
সৎ থাকার চাইতেও যদি শিক্ষকদের অবস্থা হয় যার ক্ষমতা আছে তারটা চাটবো যাতে সুবিধা পাওয়া যায় তাহলে এই প্রতিষ্ঠানের ১২ টা বাজবে না তো কাদের বাজবে।
আমরা আসলে জোর প্রতিযোগিতায় নেমেছি কত দ্রুত ডাউনফল হবার দিক থেকে আগে নাম লেখানো যায় তা নিয়ে।
ব্যারিস্টার অসীম স্যার কলেজে দায়িত্ব পাওয়ার পর বলেছিলেন - এই কলেজে ঢুকার পর থেকে তার কোনো রাজনৈতীক পরিচয় থাকবে না।
৪ মাস যেতে না যেতেই ব্যানার টানিয়ে নিজের অস্তিত্ব জানান দিতে আরম্ভ করেছেন।
একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে আছেন উনি। এতোমাস ধরে কলেজে বিশৃঙ্খলা, এসব সমাধান করার মতো সময় হয়না তার এতো জনগুরুত্বপূর্ণ কাজের ভিড়ে!
দেড় বছর আগে যখন ফেরদৌস এসেছিল নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে তখন কিন্ত আমাদের এখনকার সেই প্রতিবাদী শিক্ষকরাই ফেরদৌসের পাশে দাঁড়িয়ে তেলমর্দন করে এসেছিলেন।
এখন অবশ্য সব ভুলে গেছেন ওনারা,আমাদের স্বৈরাচার ট্যাগ দিতে ব্যস্ত আছেন ওনারা।
মাস ছয়েক পর পরিস্থিতির রদবদলে অসীম সাহেবের দুঃসময় আসলে হয়তো আমাদের শিক্ষকদের কাছ থেকে প্রতিবাদের তীব্র ধ্বনি হিসেবে এই ঘটনা নিয়ে হাকডাক শুনতে পারি ☕☕
21/10/2025
একা একা যথাযথ কম্পিটিশনের মাধ্যমে সিটি কলেজের ইতিহাসের সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়ে ফার্স্ট হওয়া স্বঘোষিত মদনা প্রিন্সিপাল, সাইন্স ল্যাবের শ্রদ্ধেয় সেক্টর কমান্ডার,
কাজী নিয়ামুল হক
কলেজের পড়ালেখার বেহাল অবস্হা তো করেছেনই এখন কফিনের শেষ পেরেক হিসেবে শিক্ষার্থী ভর্তিতেও কলেজটাকে শেষ করে দিয়েছেন।
জিপিএ ৩.০০,৪.৫০ তে নামিয়ে আনার পরও শিক্ষার্থীর পাওয়া যাচ্ছে না।
ফেসবুক পোস্টে বুস্ট করে খানিকটা আনা গেলেও বারবার আসন ফাঁকা থেকে যাচ্ছে।
এই ব্যাচেই বেহাল দশা,
চিন্তা করতে পারছেন আগামী ব্যাচ থেকে কি অবস্থা হবে?
কেউ এর বিপক্ষে কমেন্ট করলে আবার পেইজ থেকে কমেন্ট ডিলেট করে দেয়!
তবে আমাদের ভাবলেশহীন শিক্ষকদের এসব নিয়ে মাথাব্যথা নেই।
তাদেরকে এসব ধরিয়ে দিলে তারা উল্টো আক্রমণ করে বসেন।
আমরা আশাবাদী আমাদের শিক্ষকরা ( অল্প কয়েকজন বাদে)
প্রতিবারের ন্যায় এবারও " আমাদের শ্রদ্ধেয় প্রশাসন অভিজ্ঞ, যোগ্য এবং জ্ঞানী "
এই নীতিতে অধিষ্ঠিত আছেন।
নিজ ঘরের ( কলেজ) অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বাদ দিয়ে বাসায় বসে তামাম দুনিয়ার সকল সমস্যার সমাধান করা শিক্ষকদের কাছ থেকে এই পর্যন্তই আশা করতে পারি।
পাশের হারের ( একটা বিশাল প্রশ্নবোধক)
ফটোকার্ড নিয়ে গর্ব করা নিয়েই তারা খুশি আছেন !
যেখানে ১০/২০ বছর আগে যাত্রা শুরু করা কলেজও আমাদের পেছনে ফেলে চলে যাচ্ছে ।
যাই হোক,
"মূল সমস্যা সমাধানে হাত না দিয়ে
নিয়ামুলের মতো মদনার হাত ধরে সিটি কলেজ উন্নতির শিখরে পৌঁছাবে "-
আমাদের শিক্ষকদের ন্যায় আমরাও এই স্বপ্ন দেখতে থাকি.....!
হারিকেন দিয়ে খুঁজেও যেহেতু শিক্ষার্থী পাওয়া যাচ্ছে না,
তাই কাজী নিয়ামুল হককে রাস্তায় নামিয়ে নীলক্ষেত মোড়ে মাইকিং করতে লাগানো হোক-
"জরুরী অবস্থায়
আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে সিটি কলেজে ভর্তি করানো হচ্ছে...! "
05/09/2025
বিগত ২৭-৮-২০২৪ তারিখ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তাদের লিখিত এক স্মারকের মাধ্যমে জানায় যে নানা দুর্নীতি, অনিয়ম ও অপকর্মের কারণে কাজী নেয়ামুল হককে ঢাকা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের বিষয়ে অনুমতি প্রদানের সুযোগ নেই।
স্মারকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কাজী নেয়ামুল হক ও তার কুচক্রী অনুচরদের যে সমস্ত দুর্নীতির উল্লেখ করেছে তার কয়েকটি নিম্নে উল্লেখ করা হলো এবং একই সাথে এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে কাজি নেয়ামুল হককে তার বর্তমান অবৈধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদ থেকে অপসারণসহ গভর্নিং বডির তৎসময়কালের সভাপতি প্রফেসর ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অবৈধ গভর্নিং বডির সকল সিদ্ধান্ত বাতিলের অনুরোধ জানাচ্ছি।
----------
কাজী নেয়ামুল হক ও তখনকার গভর্নিং বডির দুর্নীতি ও আর্থিক অনিয়মগুলো নিম্নরূপ:
১। ১৩-৬-২০২৫ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত অধ্যক্ষ নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণ, ফলাফল তৈরির বিষয়টি উদ্দেশ্যমূলক, পরিকল্পিত ও সাজানো।
২। স্মারকে আরো বলা হয়, ১২/৭/২০২৪ ইং তারিখে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির দাখিলকৃত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে কলেজের অধিকাংশ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা কাজী নেয়ামুল হককে অধ্যক্ষ হিসেবে গ্রহণ করছেন না।
৩। কলেজে নিয়মিত গভর্নিং বডি গঠনের জন্য বিধি অনুযায়ী অভিভাবক প্রতিনিধি ও শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাজী নেয়ামুল হক তার পছন্দের লোকদের দিয়ে কমিটি গঠন করেছেন।
৪। স্মারকে উল্লেখ করা হয় যে কাজি নেয়ামুল হক ও তার অনুচররা অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে দুই মাসেরও অধিক সময় কাল কলেজ বন্ধ রেখেছেন, তাদের অবৈধ প্রভাবে কলেজের শিক্ষকরা জিম্মি হয়ে রয়েছেন, ক্লাসে শিক্ষার্থী হাজিরা ৮০% থেকে ২০% এ নেমে এসেছে, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় ৮০% শিক্ষার্থী ফেল করেছে।
৫. স্মারকে আরো লেখা হয় যে কাজী নেয়ামুল হক ও তার অনুচরদের বিরুদ্ধে নানা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।
৬. স্মারকে আরো অভিযোগ করা হয় যে কাজী নেয়ামুল হক জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলরের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করেছেন এবং বিভিন্ন অপপ্রচারের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছেন।
৭. স্মারকে আরো অভিযোগ তুলে ধরা হয় যে কাজী নেয়ামুল হক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রতিপালন করা থেকে বিরত থেকেছেন। সর্বোপরি, তার নেতৃত্বে কলেজের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে।
-------------
এ সকল অভিযোগগুলোর বিরুদ্ধে অতিসত্তর করণীয় সম্পর্কে আমাদের দাবিসমূহ নিম্নরূপ:
১। উদ্দেশ্যমূলক, পরিকল্পিত ও সাজানো অধ্যক্ষ নিয়োগ পরীক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট গভর্নিং বডির তখনকার সভাপতিসহ সকলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
২। কাজী নেয়ামুল হককে অবিলম্বে তার বর্তমান অবৈধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদ থেকে অপসারণ করা হোক।
৩। কাজি নেয়ামুল হক ও তার সহযোগীদের আর্থিক অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
৪। কাজী নিয়ামুল হক গংদের গঠিত অবৈধ গভর্নিং বডি ভেঙ্গে দিয়ে নতুন এডহক কমিটি গঠন করা হোক এবং অবৈধ কমিটি গঠনের সাথে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
৫। নিয়ম বহির্ভূতভাবে ক্লাস বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান শিক্ষাজীবন বিনষ্টকারী কাজী নেয়ামুল হক ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং যে সময়কাল ক্লাস থেকে শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হয়েছে সে সময়কালের বেতন ও অন্যান্য ফি মওকুফ করা হোক।
৬। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্যের বিরুদ্ধে যে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে তার প্রতিকারে কাজী নিয়ামুল হকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
৭। বিভিন্ন সময়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক জারিকৃত নির্দেশনাসমূহের যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হোক।
৮। সাধারণ অনার্স,প্রফেশনাল বিবিএ,সিএসই,উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে অস্বাভাবিক হারে টিউশন ফি বৃদ্ধি করা হয়েছে। ৩ মাস ক্লাস পরীক্ষা না হওয়ার পরও শিক্ষার্থীদের ঘাড়ে মোটা অংকের ফি চাপিয়ে দিয়ে তা আদায়ের জন্য চাপ দেয়া হচ্ছে।
এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হোক।
৯। আর্থিক অনিয়ম এবং আয় ব্যয়ের ব্যাপারে দুদকের পক্ষ থেকে কলেজে ফাইন্যান্সিয়াল অডিট চালানো হোক ।
১০। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং বিধিমালা ভঙ্গ করায় দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করে যত দ্রুত সম্ভব ঢাকা সিটি কলেজে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
----------
বর্তমানে সিটি কলেজে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হওয়ায় বর্তমান ছাত্রদের অপূরণীয় ক্ষতির পাশাপাশি কলেজের ব্যাপক সম্মানহানি হচ্ছে।
সিটি কলেজের এতোটা করুণ অবস্থা চোখের সামনে দেখাটা বর্তমান ছাত্রদের পাশাপাশি আলামনাইদের জন্যেও কষ্টকর বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তাই অতিদ্রুত সুষ্ঠু ব্যবস্থা নিয়ে কলেজের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করছি। এর পাশাপাশি শিক্ষকদেরও আহবান করছি এবার অন্তত এগিয়ে আসুন আপনারা।
কলেজ পুরোপুরি ধ্বংসের মুখে।
কথায় আছে,
"অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে, তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে।"
এবছর সিটি কলেজে উচ্চমাধ্যমিক এবং অনার্স পর্যায়ে শিক্ষার্থী আবেদন ও ভর্তির হার অস্বাভাবিক হারে কমে গিয়েছে।
বেশ কিছুদিন ধরে কলেজ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিভিন্ন খাতে " লেনদেন "এবং আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে।
কলেজের ফান্ডের অবস্থাও খুব একটা ভালো না বলে জানা গিয়েছে।
এভাবে চলতে থাকলে সিটি কলেজ যেভাবে ধ্বংসের মুখে এগিয়ে যাচ্ছে সেখান থেকে যত যোগ্য লোককেই দ্বায়িত্ব দেয়া হোক তাঁর পক্ষে একা কলেজকে টেনে তোলা একপ্রকার অসম্ভব কাজ হয়ে দাঁড়াবে
এবং এর সম্পূর্ণ দায়ভার কাজী নেয়ামুল হক সহ তাদের সমর্থন করে যাওয়া সংশ্লিষ্ট সকলের নিতে হবে।
03/09/2025
কলেজের নীতিনির্ধারক পর্যায়ে যে অথর্ব লোকেরা বসে আছেন,আপনাদের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার আগে বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখা দরকার ছিল।
প্রথমত,
শিক্ষাথীরা কেন আমার কলেজে ভর্তি হবে এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা প্রয়োজন ছিল।
বেশ কয়েক বছর যাবত আপনাদের অভ্যন্তরীন সিন্ডিকেট কলেজ ধ্বংসের মাথায় নিয়ে গিয়েছিল বাকিটুকু আপনারা সেরেছেন গত এক বছরে।
কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের ব্যক্তি এই মুহুর্তে সিটি কলেজে ভর্তি হতে বা ভর্তি করাতে চাবেন না এটা অনুধাবন করা উচিত ছিল।
দ্বিতীয়ত,
ঢাকা সিটি কলেজ চয়েস লিস্টে রাখার মতো কোনো অবদান বর্তমানে ঢাকা সিটি কলেজের নেই। যারা রাখতো তারা অন্যান্য কলেজে বা এলাকার কলেজে চলে যাচ্ছে।
ঢাকার বাইরে থেকে সাধারণত ছাত্ররাই বেশি আসে ছাত্রীদের চাইতেও।
তাই শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে একটা বড় অংশ ছাত্র ভর্তি হতো যেহেতু তারা হোস্টেল বা মেসে থাকতে পারছে।
কিন্ত এবার আপনারা দ্বিগুণের বেশি ছাত্রী নিতে চাইলেন।
এতো ছাত্রী ঢাকার বাইরে থেকে আসবে অন্যান্য নামকরা কলেজ বাদ দিয়ে সিটি কলেজের এই অস্থিতিশীল পরিবেশে ভর্তি হতে?
আসতে চাইলেও সিটি কলেজ পছন্দের তালিকায় রাখার কোনো কারণ নেই।
ফলাফল,
কলেজের অর্ধেকের মতো আসন খালি রয়ে গেছে।
এগুলো শেষ পর্যায়ে গিয়ে হয়তো পূরণ হবে কিন্ত ঢাকা সিটি কলেজ থেকে বরাদ্দকৃত ফলাফল অনুযায়ী না এসে জিপিএ ৪.৭৫ /৪.৫০/৩.০০ থেকে টান পড়বে কোটা পূরণের জন্য।
তাছাড়া কলেজের এই অস্থিতিশীল পরিবেশ দেখলে কেউ ভর্তি হতে চাবে?
বলদের মতো নিজেদের হোস্টেল বাণিজ্য, বই বাণিজ্য, কোচিং বানিজ্য, নষ্টামি করার চিন্তা মাথায় রেখে কলেজ চালাতে এসেছেন তারা।
আপনারা এখন এসে বুলি ছাড়ছেন -
মারামারির জন্য শিক্ষার্থী ভর্তি হতে চায় না। মারামারি হওয়ার সময়ে এগুলো মনে ছিল না আপনাদের ?
যে আশঙ্কার ক্যাসেট এতদিন ধরে বাজিয়ে আসছি আমরা সেটা তারা টের পেয়েছেন এখন।
কিছুদিন পর আবার ছাত্রীদের ব্যবহার করে কতিপয় শিক্ষকের রমরমা ব্যবসা শুরু হবে।
কলেজের এমন অবস্থা তারা করেছে কিছুদিন পর জিপিএ ২.০০ পয়েন্ট রেখে কলেজ চালাতে হবে।
এটা যে কত বড় একটা ভুল সিদ্ধান্ত হলো সেটা তারা আরো অনেকদিন পর গিয়ে টের পাবেন।
কলেজের এই দুরবস্থার মাঝেও "উন্নয়ন ও চেতনা"র গল্প শুনতে শুনতে
সিটি কলেজের রিকোয়ারমেন্টের হাল দেখে "সিটি কলেজ" নামটার প্রতি কেমন করুণা হলো।
---
বিঃদ্রঃ পোস্ট বেশ কিছুদিন আগের লেখা ছিল।