Delta Medical College

Delta Medical College

Share

Official page of Delta Medical College . E-mail @ : [email protected]
[email protected] Own land with beautiful garden in front.

Campus at a glance

Dream institution of Delta Medical College Trust. Ten storied modern building is under construction adjacent the present one. Location : 26/2, Principal Abul Kashem Road (former Darussalam Road), Mirpur – 1, Dhaka – 1216. Year of establishment : 2006
Year commencement of academic activities : 2008
Course offered : MBBS
Course curriculum : Approved by the Bangladesh Medical & De

05/12/2022

এক কোম্পানীতে ছিলো এক পিঁপড়া। সে প্রতিদিন ৯টায় অফিসে ঢুকতো। তারপর কারো সঙ্গে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেত।

সে যে পরিমাণ কাজ করত, তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করত।

ওই অফিসের সিইও সিংহ অবাক হয়ে দেখত, এই পিঁপড়াটি কোনো ধরনের সুপারভিশন ছাড়াই প্রচুর কাজ করছে। সিংহ ভাবল, পিঁপড়াকে যদি কারও সুপারভিশনে দেওয়া হয়, তাহলে সে আরও বেশি কাজ করতে পারবে।

কয়েক দিনের মধ্যেই সিংহ একটি তেলাপোকাকে পিঁপড়ার সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দিল। সুপারভাইজার হিসেবে এই তেলাপোকাটির ছিল দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, আর সে দুর্দান্ত রিপোর্ট লিখতে পারত।

তেলাপোকাটি প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিল, এই অফিসে একটি অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম থাকা উচিত।

কয়েক দিনের মধ্যেই তেলাপোকার মনে হলো, তার একজন সেক্রেটারি দরকার, যে তাকে রিপোর্ট লিখতে সাহায্য করবে। … সে একটা মাকড়সাকে নিয়োগ দিল এই কাজে যে সব ফোনকল মনিটর করবে, আর নথিপত্র রাখবে।

সিংহ খুব আনন্দ নিয়ে দেখল যে তেলাপোকা তাকে প্রতিদিনের কাজের হিসাব দিচ্ছে আর সেগুলো বিশ্লেষণ করছে গ্রাফের মাধ্যমে। ফলে খুব সহজেই উৎপাদনের ধারা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাচ্ছে এবং সিংহ সেগুলো বোর্ড মিটিংয়ে ‘প্রেজেন্টেশন’ আকারে পেশ করে বাহবা পাচ্ছে।

কিছুদিনের মধ্যেই তেলাপোকার একটি কম্পিউটার ও লেজার প্রিন্টার প্রয়োজন হলো এবং এগুলো দেখভালের জন্য আইটি ডিপার্টমেন্ট গঠন করল। আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ পেল মাছি।

আমাদের কর্মী পিঁপড়া, যে প্রতিদিন অফিসে এসে প্রচুর কাজ করে মনের সুখে গান গাইতে গাইতে বাসায় ফিরত, তাকে এখন প্রচুর পেপার ওয়ার্ক করতে হয়, সপ্তাহের চার দিনই নানা মিটিংয়ে হাজিরা দিতে হয়।

নিত্যদিন এসব ঝামেলার কারণে কাজে ব্যাঘাত ঘটায় উৎপাদন কমতে লাগল, আর সে বিরক্ত হতে লাগল।

সিংহ সিদ্ধান্ত নিল, পিঁপড়া যে বিভাগে কাজ করে, সেটাকে একটা আলাদা ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করে সেটার একজন ডিপার্টমেন্ট প্রধান নিয়োগ দেওয়ার এটাই উপযুক্ত সময়।

সিংহ ঝিঁঝিপোকাকে ওই ডিপার্টমেন্টের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিল। ঝিঁঝিপোকা প্রথম দিন এসেই তার রুমের জন্য একটা আরামদায়ক কার্পেট ও চেয়ারের অর্ডার দিল।

কয়েক দিনের মধ্যেই অফিসের জন্য স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান তৈরি করতে ঝিঁঝি পোকার একটি কম্পিউটার ও ব্যক্তিগত সহকারীর প্রয়োজন হলো। কম্পিউটার নতুন কেনা হলেও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ঝিঁঝিপোকা নিয়োগ দিল তার পুরোনো অফিসের একজনকে।

পিঁপড়া যেখানে কাজ করে, সেখানে আগে ছিল চমৎকার একটা পরিবেশ। এখন সেখানে কেউ কথা বলে না, হাসে না। সবাই খুব মনমরা হয়ে কাজ করে।

ঝিঁঝিপোকা পরিস্থিতি উন্নয়নে সিংহকে বোঝাল, ‘অফিসে কাজের পরিবেশ’ শীর্ষক একটা স্টাডি খুব জরুরি হয়ে পড়েছে।

পর্যালোচনা করে সিংহ দেখতে পেল, পিঁপড়ার বিভাগে উৎপাদন আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।

কাজেই সিংহ কয়েক দিনের মধ্যেই স্বনামখ্যাত কনসালট্যান্ট পেঁচাকে অডিট রিপোর্ট এবং উৎপাদন বাড়ানোর উপায় বাতলে দেওয়ার জন্য নিয়োগ দিল।

পেঁচা তিন মাস পিঁপড়ার ডিপার্টমেন্ট মনিটর করল, সবার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলল। তারপর বেশ মোটাসোটা একটা রিপোর্ট পেশ করল সিংহের কাছে। ওই রিপোর্টের সারমর্ম হলো, এই অফিসে প্রয়োজনের তুলনায় কর্মী বেশি। কর্মী ছাঁটাই করা হোক।

পরের সপ্তাহেই ওই হতভাগ্য পিঁপড়াকে ছাঁটাই করা হলো।
বেশিরভাগ অফিসে হয়
ইজি কাজে বীজি বীজি কাজে লেজি।
যারা বেশি কাজ করে তাদের বেশি ভুল হয়, তাদের চাকুরী আগে যায়।

কালেক্টেড

Photos 20/09/2016

of Delta .

Photos 19/09/2016

A moment of joy in Delta !!
Doctors_Can_Dance

Photos 09/09/2016

Exchanges of knowledge and views !!
Thats the most important things in med life..
Good to see dlmcian organized such kind of events in delta .

Photo courtesy: -06

Photos 29/08/2016

Need some people from every batch....

Photos 24/08/2016

Congrats !!!

Photos 19/08/2016

Those who don't know about themselves.

Photos 16/08/2016

মুজিব কোট গায়ে তর্জনী উচিয়ে কর্কশ স্বরে বক্তৃতা দিলেই বজ্রকন্ঠের বঙ্গবন্ধু হওয়া যায় না।

বঙ্গবন্ধু হতে কলিজা লাগে, জীবনের বেশিরভাগ সময় মানুষের জন্য জেল খেটে, তবু মানুষকে অন্তর থেকে ভালোবেসে, সব ধরনের সুযোগ সুবিধা পাওয়ার নিশ্চয়তা সত্বেও শিক্ষা অর্থনীতি সামরিক সবদিক থেকে আগানো বেইমানি করা পশ্চিম পাকিস্তানের মত একটা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সকল ক্ষেত্রে অবরোধ দিয়ে কোন সামরিক প্রস্তুতি ছাড়াই নিজ অধিকার অর্জনের স্বাধীনতা আন্দোলনের ডাক দেয়ার মত বুকের পাটা থাকা লাগে।

এই দশকের স্বার্থান্ধ শোঅফের রাজনীতিতে ব্যাক্তিগত প্রাপ্তির আশায় রাজনীতি করা মানুষগুলো কেবল বঙ্গবন্ধুকে অনুকরণ করে, অথচ অনুসরণ করলেই তার মত বিশাল হওয়া যায়, দেশকেও কিছু দেয়া যায়। একটা সময় ৫০/৬০/৭০ এর দশকে দেশের জন্য কিছু করার আশায় আদর্শবান মানুষগুলো রাজনীতি করতো। আর এখন বেশিরভাগই আদর্শের চেয়ে লাভের নেশায় নানা পেশাজীবি আর ব্যবসায়ী রাজনীতি করে। তাই দুর্নীতি, চুরি, রাহাজানী রাজনীতি নামে বাঙালির রক্তে মিশে গেছে। স্বাধীনতার লগ্ন থেকেই কিছু চাটুকার আপনজন সেজে ব্যাক্তিস্বার্থের রাজনীতি করেছিলো। এখনো নীতিহীনতার ফাইনাল স্টেজের ক্যান্সার আক্রান্ত দেশে ভয়াবহ ভাবে আখের গুছাই রাজনীতি চলছে। আর এই মানুষগুলোই সকল কিছুতে বঙ্গবন্ধুর নামকরন করে তার সম্মান বাড়ানোর চাইতে খাটো করছে। আর নিজেদের আখের গুছানো মানসিকতার শিকার আমজনতার দেশকে নিয়ে গালি দেয়ার সুযোগ দিচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মানুষটাকে অনুকরণ না অনুসরণ করো। তাহলেই ব্যাক্তিস্বার্থ ছেড়ে দেশের স্বার্থ বড় হয়ে যাবে। আর তার নামের আগে একগাদা উপমার মালাও অনর্থক।

অনেক জন্ম নেয়া সন্তানের নাম মুজিবুর রহমান হবে,
ইতিহাসের পাতায় একটাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রয়ে যাবে।.......

Photos 07/08/2016

গুলশানে জঙ্গি হামলার প্রতিবাদে ডেল্টা মেডিকেল কলেজে মানববন্ধন

Photos from Delta Medical College's post 07/08/2016

Some of You may try this !
চিকিৎসা বিজ্ঞানের অনন্য বিস্ময় নাকি প্রতারণার নতুন পথ ?

বাংলাদেশের মানুষের সমস্যা হল এরা ডাক্তার আর ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া বাকি সবার কথাই বিশ্বাস করে চোখ বন্ধ করে।কবিরাজ বলেন, হুজুর বলেন, সাংবাদিক বলেন কিংবা সিস্টার বা ব্রাদার কিংবা পাড়ার ওষুধের দোকানদার। আপনি রোগ ধরার জন্য ২ টা টেস্ট দেন, দেখা যাবে বের হয়ে বলতেছে এত টাকার টেস্ট করাতে দিছে, নিশ্চয় কমিশন খায়, ডাক্তার কিছু পারেনা কিংবা আমি গরীব এত টাকার টেস্ট করাবো কিভাবে?

চিকিৎসা বিজ্ঞানের জগতে নিত্য নতুন প্রযুক্তি আসছে প্রতিদিন, সাথে সাথে মানুষকে ঠকানোর নতুন নতুন পথ উন্মোচন হচ্ছে। দেশে এখন এসে গেছে Quantum Resonance Magnetic Analyser (QRMA). ম্যাগনেটিক রেসোনেন্সের মাধ্যমে নাকি শরীরের যেকোন রোগ ধরা যায় এটা দিয়ে। সময় লাগে মাত্র ১ মিনিট। কোন কাটা ছেড়া নেই, রক্ত, প্রস্রাব বা অন্য কোন কিছু দেয়ারই ঝামেলা নেই, শুধুমাত্র হাত দিয়ে মেশিনের সেন্সর ১ মিনিট ধরে রাখলেই হয়। World Media Human Resorces নামের একটি NGO এই মেশিনের মাধ্যমে কার্‍্যক্রম পরিচালনা করছে, যাদের প্রধান অফিস নাকি যাত্রাবাড়ীতে। সারা দেশে এদের অনেক গুলো টিম নাকি কাজ করছে। তাদের ভাষ্য মতে ২ বছর আগে দেশে প্রথম এই মেশিন আনা হয়েছে, এখন প্রায় ২০০০ মেশিন আছে সারা দেশে। এরা দাবী করছে, ১ মিনিটের মধ্যে শরীরের যেকোন সিস্টেম, যেকোন অর্গানের রোগ ধরতে পারে। এর জন্য তারা নিচ্ছে মাত্র (!!!!) ৬০০ টাকা। ৬০০ টাকায় ফুল বডি চেকাপ, সাথে ডাক্তারের প্রেসকক্রিপশন। একেক দিন একেক জায়গায় প্রোগ্রাম করে।প্রোগ্রাম করার আগের দিন মাইকিং করা হয়, লিফলেট বিলি করা হয়। রোগী পায় ৪০-৫০ জন। কোন রকম ব্লাড, ইউরিন স্যাম্পল ছাড়াই মেশিনে বলে দিচ্ছে, কোন ভিটামিনের অভাব আছে, কোন মিনারেলের অভাব আছে, কোন এমিনো এসিডের অভাব আছে, জন্ডিস আছে কিনা, ব্রেইনে রক্ত চলাচল ঠিক আছে কিনা, হার্টে রক্ত চলাচল ঠিক আছে কিনা, হাড়ের ক্ষয় আছে কিনা, দাতের ক্ষয় আছে কিনা, চোখের সমস্যা আছে কিনা, বাইল ঠিক মত বের হচ্ছে কিনা, গোনাডোট্রপিন হরমোন ঠিক মত বের হচ্ছে কিনা, ঘুম ঠিক মত হচ্ছে কিনা, কন্সটিপেশন আছে কিনা, রক্তে চর্বি আছে কিনা, পেরিফেরাল ইসকেমিয়া আছে কিনা, ডায়াবেটিস আছে কিনা, সারবাইকাল, লাম্বার ক্যালসিফিকেশন আছে কিনা, থাইরয়েডের সমস্যা আছে কিনা, ইরেক্টাইল ডিস্ফাংশন আছে কিনা, মহিলাদের PID, Cystitis, Vaginitis, Leukorrhoea আছে কিনা, এই সবই এক মিনিটের মধ্যে বের হয়ে যাচ্ছে।By the way,উপরোক্ত রোগ বের করার জন্য কিন্তু কোন হিস্ট্রি নেয়া হয়না রোগী থেকে। তারা নিজেরা দাবী করছে এই রিপোর্ট নাকি ৬০-৭০% একুরেট। এখন নাকি আরো ভালো একুরেসির মেশিন বের হয়েছে। ও আরেকটা কথা হল তারা মেশিন টি আনিয়েছে নাকি জার্মানী থেকে দাম পড়েছে ৩০ হাজার টাকা। বিদেশের নাকি অনেক জনপ্রিয় এটা, দিন দিন আরো জনপ্রিয় হচ্ছে।ঢাকায় নাকি অনেক বড় বড় স্যারের চেম্বারেও এখন এই মেশিন। বুঝতেই পারছেন অবস্থাটা।

এখন আসি কিভাবে পরিক্ষা করা হয়। যেহেতু এটা ম্যাগনেটিক মেশিন, তাই কোন ম্যাগনেটিক ধর্মী জিনিস সাথে থাকা যাবেনা। তাবিজ, চুড়ী, গলার হার, চাবী, মোবাইল দূরে রেখে আসতে হবে, পায়ে জুতা থাকতে হবে, কাউকে এই সময় ছোয়া যাবেনা, কথাও বলা যাবেনা। পরীক্ষার জন্য লাগছে QRMA মেশিন সাথে একটি ল্যাপটপ । ল্যাপটপে আগেই মেশিনের দরকারী ড্রাইভার ইন্সটল করা আছে।মেশিনে প্রবেশ করানো হচ্ছে রোগীর নাম, জন্ম সাল (বয়স নির্ধারণের জন্য), উচ্চতা, ওজন। মেশিনের একটা সেন্সর হাত দিয়ে ধরে থাকতে হবে, ল্যাপটপে প্রসেসিং চলবে, ১ মিনিট পর রিপোর্ট বের হয়ে আসবে ।এই ১ মিনিটে মেশিনে লাল নীল সবুজ বাতি জলছে আর সেকেন্ড উঠছে আর ল্যাপটপে সুন্দর এনিমেশন চলছে। তারা প্রিন্টেড রিপোর্ট দিতে পারছে না কারণ, পুরো শরীরের রিপোর্ট প্রিন্ট করে দিতে নাকি ১০০-১২০ পৃষ্ঠা লাগবে। মহিলাদের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ রিপোর্টে আসছে Osteoporosis, Fe, Zn def, Multivitamin Def, Cervicitis, Vaginitis,CHronic Mastitis মাঝে মাঝে মাইট্যা জন্ডিস, বয়স একটু বেশি হলেই আসতেছে Myocardial Ischaemia, Cholesterol Crystal in heart,Cardiac Ischaemia (মায়োকার্ডিয়াল, কার্ডিয়াক ইস্কেমিয়ার মধ্যে পার্থক্য কি জানিনা) Hyperlipidemia, Reduced blood supply to brain, Peripheral Ischaemia, একটু মোটা হলেই Increased TG, Fatty liver, Hyperuracemia, Proteinuria . মাঝারী পুরুষ হলে মাঝে মাঝে Erectile Dysfunction, Fatty liver, Insomnia এইসব ।ইন জেনারেল Hyperacidity আসতেছে। এই মেশিন দিয়ে নাকি ক্যান্সার ও ধরা যায়। মেশিনের ম্যানুফ্যাকচারার রা দাবী করছে, দেহের সব কিছুরই একটা ম্যাগনেটিক ফিল্ড আছে, ওটার অবস্থা মেপেই এইসব রিপোর্ট বের হচ্ছে।(ইন্টারনেটে বলছে ক্যন্সার সেল তো আর ম্যাগনেটিক না, তাহলে কিভাবে ক্যন্সার ধরা পড়বে !!!) রিপোর্টে আসলে আসছে বিভিন্ন লেভেল, তাদের টেকনিশিয়াল সেটা দেখে উপরোক্ত ডায়াগনোসিস বলে দিচ্ছে। তারপর ডাক্তার মেডিসিন লিখে দিচ্ছে সমস্যা দেখে দেখে।

এখন আসি আসলে কি ঘটছে। কিভাবে এই ম্যাজিক হচ্ছে। তার আগে তাদের মুখের সুন্দর একটা গল্প বলে নেই। সর্বপ্রথম নাকি মহাকাশচারীদের জন্য এটা বানানো হয়। যেহেতু মহাকাশে পরীক্ষার যত্রপাতি নাই, তাই তারা এটা নিয়ে যেতো, এটার রিপোর্ট দেখে পৃথিবী থেকে বলে দিতো কি মেডিসিন খেতে হবে। 😃 😃 😃 । ইন্টারনেটের কল্যাণে এই যন্ত্রের কারসাজী ধরতে ১০ মিনিট ও লাগেনি আমার। এই মেশিন জনপ্রিয় হচ্ছে চায়নায়, বলা হচ্ছে এখানেই এর জন্ম। ইন্টারনেটের বিভিন্ন ব্লগ, ফোরামে এটাকে Scannning না বলে বলছে Scamming.ইউটিউবে অনেক ভিডিও পাবেন এটা নিয়ে।অনেক ইউটিউবার তাদের নিজ উদ্যোগে যন্ত্র কিনে পরীক্ষা করে কি হয় বের করেছেন। তাদের মতে এখানে QUantum বা Magnetic এর কিছুই নেই, পুরোটাই বোগাস।যে সেন্সর আছে সেটা খুবই সহজ একটা সুইচ বা সার্কিট এর মত কাজ করছে যেখানে ২ টি বিদ্যুৎ পরিবাহী ধাতু বা কন্ডাকটর একটা প্লাস্টিক দিয়ে আলাদা করা, হাত দিয়ে ধরলেই সার্কিট পুর্ণ হয়ে যাচ্ছে, যেটাকে মেশিন হাত বলে চিহ্নিত করছে। ড্যানিশ ইউটিউবার Jorgen A. Jacobsen নিজ দায়িত্বে মেশিন কিনে পরীক্ষা চালিয়েছেন যা আসলেই মেশিন কাজ করে কিনা। ইউটিউবে ভিডিও আছে তার। লিংক হচ্ছে । তার ভাষ্যমতে "I imported 2 different QRMA late 2012 from most renown QRMA selling companies I could find in China.They have many notes on their site warning about fake analyzers, and claim they are the manufacturers, and they display certifications, so maybe they know what they are doing. I took the analyzers through some systemic testing. I quickly found that I could use a wet paper cloth or a resistor instead of a human hand." জ্যাকবসন তার ভিডিওতে দেখিয়েছেন তিনি হাতের বদলে একটা ভেজা কাপড় ব্যবহার করেছেন সেন্সরে, আর মেশিন সেটাকে হাত ভেবে প্রসেসিং করে হেলথ রিপোর্ট দিয়ে দিয়েছে । 😃 😃 😃 তার মধ্যে ভেজা কাপড়ের টুকরোর "Moderately Abnormal Cardiovascular health" ও আছে। 😃 😃 😃 এটা নাহয় গেল সেন্সর, তাহলে রিপোর্ট আসছে কোথা থেকে ? জ্যাকবসন তার একই ভিডিওতে দেখিয়েছেন রিপোর্ট গুলো আসলে আসছে র‍্যানডমলি। মেশিনের সফটওয়ারে যে তথ্য প্রবেশ করানো হচ্ছে (নাম, জেন্ডার, বয়স, ওজন, উচ্চতা) সেগুলো থেকেই র‍্যানডমলি রিপোর্ট জেনারেট করছে।

জ্যাকবসন এর ভাষ্যমতে, "The results must display come from the data we put in; age, gender, height, weight. From that the software can make many things seem like a hit to believers. That animation running when there is contact, may look fancy, may look impressing, but I am quite sure that it is just the same animation over and over". 😃 😃 😃

আরেকজন ইউটিউবার ও পরীক্ষা নিরীক্ষা করে উপসংহার টেনেছেন এভাবে, "The sensor which is supposed to detect the very feeble electromagnetic waves is nothing more than two plates separated by an non-conductive plastic, and when held by hand, this completes the circuit due to skin resistance. I totally removed the sensor and replaced it with a resistor that stimulates the skin resistance. I found oout that my resistor is suffering from blood sugar imbalance (it's diabetic):D 😃 😃 and it has problems in its kidneys 😛 😛 😛"

বুঝতেই পারছেন দেশের স্বাস্থ্য খাতের অবস্থা। আপনাকে ২০০ টাকা দিয়ে কসাই বানাচ্ছে, আর এই ম্যাজিক মেশিনের জন্য ৬০০ টাকাও দিতে কারো একটুও কষ্ট লাগছেনা, বরং মেশিনের টেকনিশিয়ানই বলে দিচ্ছে এখানকার যেকোন ২ টা টেস্ট ক্লিনিকে করাতে গেলেই আপনার ১০০০-২০০০ টাকা চলে যাবে। পরীক্ষা করতে ৬০০ দিলো তারপর ডাক্তার ৮-১০ তা মেডিসিন লিখে দিল সেটা কিনতে ৫০০-৬০০ টাকা পেছন দিয়ে বের হয়ে গেল। কিন্তু রোগী খুবই খুশি কারন এত কম টাকায় (!!!!) পুরা বডি চেকাপ করে ফেলা গেল আবার ফ্রিতে ডাক্তারের প্রেসকিপশন ও পাওয়া গেল। চলেন সবাই পড়ালেখা বাদ দিয়ে এক খানা করে মেশিন কিনে বসে ব্যাবসা শুরু করে দেই। কোন খরচ নাই, পুরোটাই লাভ।:P 😛 :P

Photos 04/08/2016

For Govt Medical ....I guess .

Photos 30/07/2016

Be careful during your Antibiotic medication ....

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Dar-Us-Salam Road, Mirpur/1
Dhaka
1216