20/02/2026
ভাষা মানে শুধু কথা বলা নয়,
ভাষা মানে মায়ের ডাক, শিকড়ের টান, অস্তিত্বের পরিচয়।
১৯৫২ সালের সেই আত্মত্যাগ আমাদের শিখিয়েছে—
অন্যায়ের সামনে মাথা নত করা যায় না।
সকল ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
বাংলা আমার গর্ব, বাংলা আমার অহংকার। 🇧🇩
03/02/2026
শবে বরাত (আরবি: লাইলাতুল বারাআত) ইসলামের একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ রাত। এটি শাবান মাসের ১৪ তারিখের রাত, অর্থাৎ ১৫ শাবানের রজনী। ‘বরাত’ শব্দের অর্থ—মুক্তি, অব্যাহতি, নিষ্কৃতি। এই রাতে আল্লাহ তাআলা বান্দাদের গুনাহ থেকে মুক্তি দান করেন—এই বিশ্বাস মুসলিম সমাজে ব্যাপকভাবে প্রচলিত।
শবে বরাতের তাৎপর্য
ক্ষমা ও রহমতের রাত
হাদিসে বর্ণিত আছে—এই রাতে আল্লাহ তাআলা অসংখ্য বান্দাকে ক্ষমা করেন। যারা তাওবা করে, আল্লাহর দিকে ফিরে আসে—তাদের জন্য এটি বিশেষ সুযোগ।
ভাগ্য নির্ধারণের বিশ্বাস
অনেক আলেমের মতে, এ রাতে পরবর্তী এক বছরের রিজিক, জীবন-মৃত্যু ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ আল্লাহর হিকমতে নির্ধারিত হয় (যদিও এ বিষয়ে মতভেদ আছে)। তাই বান্দা দোয়া ও ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য কামনা করে।
নিজেকে সংশোধনের সুযোগ
শবে বরাত আত্মসমালোচনার রাত। নিজের ভুল, গুনাহ, অবহেলা—সব কিছুর জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার সময়। সম্পর্ক ঠিক করা, হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করার শিক্ষা দেয় এই রাত।
ইবাদতের গুরুত্ব
নফল নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির, দোয়া—এসবের মাধ্যমে রাতটি কাটানো উত্তম। তবে ইবাদতে অতিরঞ্জন বা বিদআত এড়িয়ে চলা জরুরি—এ বিষয়ে আলেমরা সতর্ক করেছেন।
কীভাবে এই রাত কাটানো উত্তম
বেশি বেশি ইস্তিগফার করা
আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও হেদায়াত চাওয়া
নিজের ও উম্মাহর জন্য দোয়া করা
পরদিন (১৫ শাবান) নফল রোজা রাখা (যদি ব্যক্তিগতভাবে পালন করা হয়)
সারকথা
শবে বরাত কোনো আনুষ্ঠানিকতার রাত নয়; এটি হৃদয় বদলানোর রাত। আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়ার, নিজেকে শুদ্ধ করার এবং আগামীর জন্য ভালো নিয়ত করার এক অনন্য সুযোগ।
07/01/2026
বাহারি জাতের গোলাপ পাবেন আমাদের কাছে।
বিস্তারিত কল করুন 01410711608
07/01/2026
এবার গাছে পেরেক লাগালে বা অন্য কোন ধাতব বস্তুর মাধ্যমে গাছের ক্ষতি করলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রেখে ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি। আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এ গেজেট জারি করা হয়।
এদিকে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, বাণিজ্যিক উৎপাদন ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে পেরেক বা কোনো ধাতব বস্তুর মাধ্যমে গাছের ক্ষতিসাধন করা যাবে না। এ বিধান লঙ্ঘন করলে আদালত অপরাধী ব্যাক্তিকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করতে পারবে বলেও অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, বন সংরক্ষণ কর্মকর্তার পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে ‘বন আইন, ১৯২৭’ এর ৪ ও ৬ ধারার অধীন গেজেটভুক্ত বন, অশ্রেণিভুক্ত রাষ্ট্রীয় বন, সামাজিক বন, সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গণপরিসরের বৃক্ষ কর্তন ও অপসারণ করা যাবে। এ অধ্যাদেশ বাস্তবায়নের জন্য প্রধান বন সংরক্ষক বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে বৃক্ষ সংরক্ষণ কর্মকর্তার দায়িত্ব দেবেন।
গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশিত কর্তন নিষিদ্ধ বৃক্ষের তালিকাভুক্ত অথবা বন অধিদপ্তর কর্তৃক বিপদাপন্ন ঘোষিত কোনো বৃক্ষ কর্তন করা যাবে না। তবে অনুমতি সাপেক্ষে কর্তনযোগ্য বৃক্ষের তালিকায় থাকা ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির বৃক্ষ নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে বৃক্ষ সংরক্ষণ কর্মকর্তার পূর্বানুমোদন নিয়ে কর্তন করা যাবে।
এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে বৃক্ষের প্রজাতি, সংখ্যা, আনুমানিক উচ্চতা, বুক সমান উচ্চতায় বেড়, কর্তনের কারণসহ নির্ধারিত ফরম পূরণ করে আবেদন করতে হবে। আবেদন যাচাই ও সরেজমিন পরিদর্শনের পর আবেদন প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে লিখিত সিদ্ধান্ত দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে অধ্যাদেশে। অধ্যাদেশে গাছ কাটার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি রাখা হয়েছে এক লাখ টাকা।
14/12/2025
চিনতে পারছেন কি ফুল?
#বৃক্ষমেলা #ফুলমেলা #নার্সারি #ডামুড্যা #নার্সাীরি #শরীয়তপুর #পিটুনিয়া #শীতকালীনফুল