Tanzil Academy

Tanzil Academy

Share

Tanzil Academy dedicated to nurturing knowledge, character, and faith through Quranic teachings and prophetic guidance.

22/12/2025

প্রথম আলো ও ডেলিস্টার ইস্যুতে যেসব নিরীহ মানুষদের রাজনৈতিক ও দলীয় সাপোর্ট নাই, এমনকি রাজনীতি করার হিস্ট্রিও নাই তাদেরকে ধরে ধরে গায়েব করা হচ্ছে। রাষ্ট্র ও তার বাহিনী ভাবতেছে এসব মোল্লা-মুসল্লিদের আগে-পিছে কেউ নাই, নির্বাচনের পরে যারা আসতে যাচ্ছে ক্ষমতায় তারাও কিছু বলবে না, তাই ধইরা ধইরা গায়েব কইরা ফালাও। পলিটিশিয়ান ভগবানদের দলের কাউরে তো ধরতেছি না তাই কিছুই হবে না।

রাষ্ট্র ও তার বাহিনী হয়তো ভুইলা যাইতাছে যে, জুলাইয়ের বিপ্লব কোনো রাজনৈতিক দল করে নাই। রাজনৈতিক দলের সাপোর্ট লাগে না, খোদা তায়ালার কৃপায় জনতার সাপোর্টে জুলুমশাহির মসনদ আবার তখত-তরাজ হইতে পারে। অতএব জনতারে ভয় পান, রাজনীতিবিদদের না। আল্লাহরে তো ভয় এমনিতেও পান না।

যারা আইনের দোহাই দিয়ে প্রআ ও ডিজেস্টারের পাশে দাঁড়াইয়া যুদ্ধ করছিলেন এখন দেখব তাদের মানবতা কতটা পক্ষপাতহীন। জানি বরাবরের মতো তারা এবারও সুশীলতার ঘনকালো ছায়ায় আত্মগোপন করবেন। তবুও তারাও তো মানুষ, আশরাফুল মাখলুকাত, হয়তোবা হৃদয়ের কোনো গহীন কোণে একটু আলোর ঝলকানিতে জেগে উঠতে পারে কারো মনুষ্যতার দায়বোধ।

এরপরও যদি কেউ বলেন প্রআ ও ডিজেস্টার জাস্ট নিরীহ-নিপাট সংবাদমাধ্যম তাইলে বলার আর কিছু নাই।

© কামরুল হাসান নকীব

15/04/2025
11/04/2025

Stop Murdering Journalists

Israel murdered 257 journalists in 553 days

11/04/2025

একটি খবর আপনাদের নজর এড়িয়ে গেছে হয়তো।
চাদপুর কারাগারে একটি কক্ষ আধুনিকায়ন হচ্ছে।
সেখানে টাইলস লাগানো হচ্ছে, হাইকমোড লাগাচ্ছে।
এসিও লাগাবে নিশ্চয়ই।

এই উন্নয়নের কারণ হলো...
চাদপুর কারাগারে সাবেক অবৈধ মন্ত্রী দীপুমনি থাকবে।
ফার্স্টক্লাস বন্দি বলে কথা। সাবেক সাংসদ, মন্ত্রী।
গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
নিজের পছন্দের খাবার খেতে পারবেন।
পরবেন পছন্দের পোশাক।
থাকবে লেখালেখি, বইপড়া এবং সংবাদপত্র পড়ে....
দেশ ও দুনিয়া সম্পর্কে আপ টু ডেট থাকার সুযোগও।

দুনিয়াটা খুব অদ্ভুত।
আপনি হাজার হাজার মানুষ খু*নের অংশ হবেন....
কোটি কোটি মানুষের ভোটাধিকার হরণ করবেন...
লাখো মানুষকে পরিবার ছাড়া করবেন...
গুম খু*নের কুশীলব হবেন তাতেও সমস্যা নাই।
যেভাবেই হোক- আপনি একবার সংসদ সদস্য যেহেতু হয়েছেনই...
আপনি বন্দি থাকলেও আয়েশেই থাকবেন।
আপনার জন্য সব ব্যবস্থা থাকবে চকচকে।

আমি অনেক মানুষকে দেখেছি....
যাদের টাকা পয়সা যশ সম্মানের অভাব ছিলোনা।
তারপরেও তারা কেন ক্ষমতার পেছনে ছুটে। হয়তো এজন্যেই।
ক্ষমতা আপনাকে একটা ইটারনাল বিলাসির নিশ্চয়তা দেয়।
সেটা কারাগারে হলেও।
এবং সেই ক্ষমতা যেভাবেই অর্জিত হোক, তাতে সমস্যা নাই।

অথচ এই দীপুমনিদের পাপের ফিরিস্তি বিরাট লম্বা।
প্রথম দফায় ছিলেন- পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সর্বদা উড়তেন।
৪ বছরে ১৮৭ বার নাকি বিদেশ ভ্রমণে গিয়েছিলেন রাষ্ট্রীয় খরচে।
এগুলা তো সামান্য বিষয়।
দীপুমনির ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে দেয়া হলফনামা আর ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে দেয়া হলফনামার একটা বিশ্লেষণ করলে দেখবেন- মহিলার কি দারুণ উন্নতি ঘটেছে।
যদিও হলফনামায় বাস্তবে যত সম্পদ আছে তার হয়তো ১% প্রকাশ করে৷ সাইফুজ্জামান জাবেদের হলফনামায় তো আর লন্ডনে শয়ে শয়ে বাড়ি কিনে রাখার উল্লেখ ছিলোনা।

দীপুমনি ২০০৮ সালে হলফনামায় লিখেছিল-
- তার বার্ষিক আয় ৩ লাখ।
- ৩০ হাজারের আসবাবপত্র।
- ২ লাখ ৭০ টাকা নগদ এবং ১ লাখ টাকার স্বর্ণ আছে।
- ১ লাখ টাকা দামের একটা গাড়ির উল্লেখও ছিল তার সেই হলফনামায়।
- ছিলোনা কোন ফ্ল্যাট বা অন্যান্য সম্পদ।

জাস্ট এতটুকুই।
সেই দীপুমনি ২০২৪ সালের নির্বাচনী হলফনামায় জানিয়েছে-
- শেয়ার থেকে বার্ষিক আয় ৩ লাখ টাকা।
- অন্যান্য খাত থেকে আয় ১কোটি ২০ লাখ ৯ হাজার ৭০ টাকা
- নগদ আছে- ৬৬ লাখ ৮৯ হাজার দুইশত আটানব্বই টাকা
- বিদেশী টাকা আছে- ৪৪০ ডলার, ২২৫ পাউন্ড।
- ব্যাংক ডিপোজিট- ৬ লাখ ৬০ হাজার ৭৮৬ টাকা
- ডিপিএস- ১ কোটি ৪৪ লাখ ২২ হাজার ২৫৭ টাকা
- গাড়ি ৬০ লাখ টাকা টয়োটা হার্ড জীপ ঢাকা মেট্রো-ঘ-২১-২৯৯২
- স্বর্ণ ৯ লাখ টাকার
- আসবাব আছে ১ লাখ টাকার।
- অকৃষিজমি আছে- ৩৪ লাখ ১ হাজার ৯৫৭ টাকার
- তিনটা ফ্ল্যাট আছে যার মূল্য ৩ কোটি ৬০ লাখ।

কোন ঋণ নাই। এগুলা হলো দীপুমনির নিজের সম্পদ।
তার আত্মীয়স্বজন বা স্বামীর সম্পদ এখানে উল্লেখ করা হয়নি।
এই দীপুমনি মেঘনা নদী থেকে ৬ হাজার কোটি টাকার বালু অবৈধভাবে বিক্রি করাইছে তার পাপের সহযোগী লক্ষীপুর ইউপির চেয়ারম্যান অভিনেতা শান্ত খানের বাপ সেলিম খানকে দিয়ে।

(সেলিম খান আর শান্ত খানকে ৫ অগাস্ট জনতা গণধোলাই দিয়ে মে/ রে ফেলছে)

চাদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬২ একর জমি অধিগ্রহণে দীপুমনির বিরুদ্ধে ৩৫৯ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ আছে। এটা নিয়ে ২৩ সালে চাদপুরের তৎকালীন ডিসি অঞ্জনা খান মজলিসের সাথে দীপুমনির ঝামেলাও হয়েছিল।

যাইহোক, দীপুমনিদের পাপ বিস্তৃত, বিশাল।
একজন সাধারণ অপরাধীর পক্ষে দীপুমনিদের পাপের লক্ষভাগের এক ভাগ করাও সম্ভব না। কিন্তু তারপরেও দীপুমনিরা রাষ্ট্রের ১ম শ্রেণীর বন্দি। বন্দিকালেও তাদের ভালো রাখতে রাষ্ট্রের তোড়জোড়ের অভাব নাই।

অথচ এই দীপুমনিদের লাগামহীন লুটপাটের কারণেই দেশের মানুষ কারাগারের বাইরেও দীপুমনিরা কারাগারে যেমন জীবন কাটাবে তেমন জীবনের স্বপ্নও দেখতে পারছেনা।

দীপুমনিরা দেশের মানুষের সম্পদ এবং স্বপ্ন দুইই কেড়ে নিয়েছে।
তাও দীপুমনিদের ভালো রাখতে রাষ্ট্রের তৎপরতা চলতে থাকুক।
আমরা তাদের ভালো রাখতে কুকুরের জীবন কাটিয়ে ট্যাক্স দিয়ে যাব।

© Khan Vai

09/04/2025

আশিক চৌধুরীকে নিয়োগ দেয়া হয় ড. ইউনুসের ব্যক্তিগত চয়েজে। নভেম্বরের ৬ তারিখ এক পোস্টে আশিক চৌধুরী বলেছিলেন- "দিনে প্রায় ১৮ ঘন্টা তিনি কাজ করতেছেন। ব্যবসায়ী, সিইও-সবার সাথে কথা বলতেছেন, সবকিছু বুঝার চেষ্টা করতেছেন- নতুন ইনভেস্টমেন্ট আনার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করতেছেন....." মন থেকে চাইলে কোনকিছুই অসম্ভব নয়। মাত্র ৫ মাসের মাথায় প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ইনভেস্টমেন্ট তিনি বাংলাদেশের জন্য গেইন করেছেন!!!...

শুধু তাই নয়- বঙ্গোসাগরীয় অঞ্চলে কিভাবে বিজনেস ডেভেলপ করা যায়, ইনভেস্টমেন্ট বাড়ানো যায় তার একটা দূর্দান্ত প্রেজেন্টেশন এবং রূপরেখা তিনি উপস্থাপন করেছে।
নেক্সট বছর গুলাতে এটা ফলো করলে দারুণ কিছু করা সম্ভব।

আশিক চৌধুরী শুরু একজন সফল বিজনেস গ্রেজুয়েট নন, তিনি একজন প্রফেশনাল স্কাইডাইভার। দেশের পতাকা বুকে নিয়ে ৪১,০০০ ফুট উপর থেকে জাম্প দিয়ে যিনি গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছিলেন, তার পক্ষে দেশের জন্য যেকোনো কিছুই করা সম্ভব!

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এই আশিক চৌধুরীদের কাজে লাগাবে কে? ড. ইউনুস আশিক চৌধুরীকে চিনেছিলেন। বাকিরাও কি চিনবে ? নাকি হ্যালির ধুমকেতুর মত আবির্ভাব হওয়া আশিক চৌধুরীরা ধুমকেতুর মতই হারিয়ে যাবেন?!

09/04/2025

72 Arrested Nationwide in Bangladesh for Vandalism, Looting During Anti-Israel Gaza Protests

09/04/2025

অনেক বিবাহিত পুরুষই জানে না, নারীরা কথা বলতে চায় মানসিক চাপ কমানোর জন্য। পুরুষরা ভাবে, নারী কথা বেশি বলে। এতে অনেকে বিরক্ত হয়ে যায় এবং তখন জীবনসঙ্গিনীর কথা মন দিয়ে শুনে না।
আবার কেউ কেউ মনে করে, নারী কোনো অভিযোগ দিচ্ছে মানেই সে সমস্যার সমাধান দিতে হবে। তবেই সেটা সহানুভূতি প্রকাশের সেরা উপায়। কিন্তু অনেক সময় নারীরা কোনো সমাধান চায় না, শুধু অনুভূতি ভাগাভাগি করতে চায়। বরং সমাধান দিতে গেলে হিতে বিপরীত হয়ে যায়। এইভাবেই ভুল বোঝাবুঝি থেকে শুরু হয় সম্পর্কের টানাপোড়েন। পুরুষ ভাবে, নারী অযথা অভিযোগ করছে। আর নারী ভাবে, পুরুষ তার অনুভূতিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না।

তাহলে সমাধান কী?
পুরুষকে বোঝা দরকার: সব কথা শুধু সমাধানের জন্য নয়—অনুভূতি বোঝার জন্যও শোনা দরকার। শুধু বলুন, "হ্যাঁ, বুঝতে পারছি, এটা আসলেই কঠিন!"—অনেক সময় এটুকুই যথেষ্ট।
নারীদের বোঝা দরকার: পুরুষের স্বভাবই হলো সমাধান দেওয়া। তাই কথা বলার সময় একটু দিকনির্দেশনা দেওয়া যেতে পারে—"আমি আসলে শুধু তোমার সাথে শেয়ার করছি, এর বেশি কিছু না।"
একজন শুনতে শিখলে এবং আরেকজন বুঝতে শিখলে সংসারের ভুল বোঝাবুঝিগুলো সহজেই কেটে যাবে। কারণ সম্পর্ক টিকে থাকে বোঝাপড়ার ওপর, বিতর্কের ওপর নয়।

নারী-পুরুষের এই যে সাইকোলজিকাল পার্থক্য, এই বিষয়টি নিয়ে দারুণ একটি বই হলো 'মেন আর ফ্রম মার্স, উইমেন আর ফ্রম ভেনাস'।
দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে রচিত বিশ্বব্যাপী সাড়া জাগানো বইগুলোর একটি এই বই। ১৯৯২ সালে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে বইটি প্রায় বিক্রিত হয়েছে দেড় কোটি কপি। অনূদিত হয়েছে প্রায় ৪০টি ভাষায়। বাংলায় এনেছে প্রচ্ছদ প্রকাশন।

06/04/2025

সৌদি আরব এবং আরব আমীরাত চায় গাযা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাক। ওরা চাইলে এই যুদ্ধ প্রথম মাসেই বন্ধ করে ফেলা যেত।
কিন্তু ওরা চায় ক্ষমতা।

সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত আরব লীগ এবং ওইআইসির যৌথ সম্মেলনে ৪টি প্রস্তাব আনা হয়েছিল।

১.আরব দেশের ভূমি ব্যবহার করে গাযায় হামলা করা যাবে না।

২. ইজ্রাইলের সাথে থাকা দেশগুলোর সাথে সামরিক, কুটনৈতিক এবং ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত করা।

মোস্ট ইম্পোর্ট্যান্ট ছিল ৩ নংঃ
অয়েল এম্বারগো বা তেল নিষেধাজ্ঞা।
আরব দেশ গুলো যুদ্ধ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত সমস্ত তেলের সাপ্লাই বন্ধ করে রাখবে। ফলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় চাপে পড়ে যুদ্ধ থামানোর পদক্ষেপ নেবে।

এই প্রস্তাবনা রেজ্যুলিউশন আকারে পাশের জন্য ভোটাভোটি হয়।

সেখানে এই প্রস্তাবের বিপক্ষে ভেটো এবং ভোট দেয় কারা জানেন?
দেশগুলোর নাম নিচে দিচ্ছি।

সৌদি আরব, জর্দান, মিশর, আরব আমীরাত।

লানত।

Tahmidul Islam

06/04/2025

**তেল আবিবের আকাশে গাজা ও ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্রের মিলন, কাসেম ব্রিগেডের হুঁশিয়ারি**

তেল আবিব: আজ (রবিবার) তেল আবিবের আকাশে গাজা এবং ইয়েমেন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র একত্রে বিস্ফোরিত হয়, যা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেয়। ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ আন্দোলনের অন্যতম মুখ কাসেম ব্রিগেডের সামরিক মুখপাত্র আবু ওবাইদা এ ঘটনাকে "গাজা একা নয়" — এই বার্তার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

আবু ওবাইদা বলেন, "গাজার পেছনে রয়েছে উম্মাহর স্বাধীন মানুষরা, যারা গাজাকে দখলদারদের হাতে তুলে দেবে না। আমরা আল-আকসা রক্ষার লড়াইয়ে জাতির সকল মুক্তিকামী মানুষকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।"

তিনি আরও বলেন, “এখন সময় এসেছে একসাথে দাঁড়ানোর, নির্বাসনে থাকা ভাইদের পাশে থাকার, এবং দখলদার অপরাধী ইসরায়েলকে তার আগ্রাসন বন্ধে বাধ্য করার।”

**বন্দিদের জীবন হুমকির মুখে, কাসেম ব্রিগেডের সতর্ক বার্তা**

অপর এক বিবৃতিতে কাসেম ব্রিগেড জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সাম্প্রতিক নির্দেশে যেসব এলাকা খালি করার আহ্বান জানানো হয়েছে, তার মধ্যে অর্ধেক জীবিত ইসরায়েলি বন্দি অবস্থান করছে।

“আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বন্দিদের ওই এলাকা থেকে সরানো হবে না। তাদের কড়া নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হবে, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ তাদের জীবনের জন্য,” বলেন আবু ওবাইদা।

তিনি সতর্ক করেন, “যদি শত্রুপক্ষ বন্দিদের জীবনের বিষয়ে আন্তরিক হয়, তবে তাদের অবিলম্বে আলোচনায় বসতে হবে। সময়ের আগে আমরা সতর্ক করেছি।”

তিনি আরও দাবি করেন, নেতানিয়াহু সরকার বন্দিদের জীবন নিয়ে সত্যিই উদ্বিগ্ন হলে জানুয়ারিতে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুসরণ করত। “তাহলে আজ তাদের অনেকেই হয়তো নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যেত।”

04/04/2025

সময় এখন থেকে ২৪ ঘন্টা!
দেখি আমার ফ্রেন্ডস-ফলোয়ারদের মনোভাব!

31/03/2025

গাজা থেকে প্রকাশিত একটি নতুন প্রতিবেদনে চলমান যুদ্ধের গভীর মানসিক প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে, বিশেষত আহত, প্রতিবন্ধী, পরিবারের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন বা একা থাকা শিশুদের উপর।

প্রতিবন্ধী, আহত এবং বিচ্ছিন্ন বা একা থাকা শিশুদের প্রয়োজনীয়তার মূল্যায়ন শীর্ষক এই গবেষণাটি কমিউনিটি ট্রেনিং সেন্টার ফর ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট (CTCCM) এর উদ্যোগে এবং ওয়ার চাইল্ড অ্যালায়েন্সের সহায়তায় পরিচালিত হয়েছে। এটি ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ এবং অবরোধের মধ্যে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে একটি বিধ্বংসী চিত্র উপস্থাপন করে।
“আমরা আহত, বিচ্ছিন্ন এবং প্রতিবন্ধী শিশুদের এবং তাদের যত্নশীলদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি, তাদের কাছ থেকে যুদ্ধের প্রভাব সম্পর্কে শুনতে। যা তারা শেয়ার করেছে তা বিধ্বংসী ছিল—কিন্তু দুঃখজনকভাবে, তা আশ্চর্যজনক ছিল না। এই গবেষণাটি আমাদের এক বছর ধরে যা দেখেছি, শুনেছি এবং সাক্ষী হয়েছি, তা আরও দৃঢ় করেছে। এই যুদ্ধ শিশুদের ওপর গভীর মানসিক আঘাত ফেলেছে, এবং আমাদের ত্বরিত প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে,” বলেন CTCCM-এর গাজা প্রকল্পের একজন মুখপাত্র এবং প্রযুক্তিগত সমন্বয়ক।

গবেষণার ফলাফলগুলো অত্যন্ত উদ্বেগজনক। যত্নশীলরা জানান, ৯৬% শিশু মনে করে তাদের মৃত্যু অতি সন্নিকটে, এবং প্রায় অর্ধেক শিশু বিশ্বাস করে তারা যুদ্ধের কারণে মারা যাবে। অনেক শিশুর মধ্যে আক্রমণাত্মক আচরণ, ভীতি, সঙ্কুচিত হয়ে যাওয়া এবং প্রবল উদ্বেগের লক্ষণ দেখা গেছে, যার সঙ্গে একে অপরের প্রতি একটি ব্যাপক নিরাশার অনুভূতি যুক্ত রয়েছে। একাধিক বছরের বাস্তুচ্যুতি, ক্ষতি এবং অবিরাম বোমাবর্ষণ শিশুদের মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং তাদের পরিবারগুলো চরম দুর্দশায় পড়েছে।

৫০৪টি পরিবারের একটি জরিপে দেখা গেছে, ৮৮% পরিবার একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে, এবং ২১% পরিবার ছয়বার বা তারও বেশি বার স্থানান্তরিত হয়েছে। বেশিরভাগ পরিবার মাসে ১২২ ইউরো বা তার কম আয়ে জীবিকা নির্বাহ করছে, এবং চলমান অবরোধ ও মানবিক সাহায্যের ওপর বিধিনিষেধের কারণে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম আকাশছোঁয়া হয়ে উঠেছে। এদিকে, ৮০% উপার্জনকারী বেকার, যা যুদ্ধের অর্থনৈতিক পরিণতির ভয়াবহতা প্রতিফলিত করে।

“গাজার শিশুদের জন্য, কোথাও নিরাপদ নয়। তারা বাড়ি ধ্বংস হতে, প্রিয়জনদের মরতে এবং স্কুল ভেঙে যেতে দেখেছে। এমনকি তথাকথিত উদ্ব evacuation অঞ্চলও বোমাবর্ষণ থেকে মুক্ত নয়। গাজার শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য অবিরাম আক্রমণের শিকার,” বলেন ওয়ার চাইল্ড অ্যালায়েন্সের সিইও রব উইলিয়ামস।

প্রতিবেদনের ফলাফলগুলো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে। যুদ্ধবিরতি অপরিহার্য, যাতে মানবিক সহায়তা অবাধে পৌঁছাতে পারে। চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং পুষ্টির পরিপূরক সহ জরুরি সরবরাহ তত্ক্ষণাত্ প্রয়োজনস্থানে পৌঁছাতে হবে। শিশু এবং তাদের পরিবারগুলোর ব্যাপক মানসিক আঘাত মোকাবেলা করার জন্য মানসিক স্বাস্থ্য ও মনোসামাজিক সহায়তা বাড়ানো প্রয়োজন।

এই বিধ্বংসী পরিস্থিতির মধ্যে, ওয়ার চাইল্ড এবং তাদের সহযোগীরা জীবন রক্ষাকারী সহায়তা প্রদান করতে এগিয়ে এসেছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তাদের প্রচেষ্টা ১ লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষকে পৌঁছেছে, যার মধ্যে ১১৮ হাজার শিশু রয়েছে। এতে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন কিট, গরম পোশাক এবং কম্বল সহ জরুরি সরবরাহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

গম্ভীর মানসিক স্বাস্থ্য সংকটের কথা চিন্তা করে, ওয়ার চাইল্ড, CTCCM এবং অন্যান্য সহযোগীরা ১৭,০০০ এরও বেশি শিশুর মানসিক আঘাতের চিকিত্সা শুরু করেছে। মনোসামাজিক প্রথম সহায়তা, টিমআপের উপযোগী সংস্করণ এবং শিশু-বন্ধুত্বপূর্ণ স্থানে বিনোদনমূলক কার্যক্রমের মতো প্রোগ্রামগুলি এক বিশাল স্বস্তির মুহূর্ত প্রদান করছে, যা শিশুদের তাদের অনুভূতিগুলি প্রক্রিয়া করতে এবং অবর্ণনীয় মানসিক চাপের মুখেও সহনশীলতা তৈরি করতে সাহায্য করছে। ওয়ার চাইল্ড বিচ্ছিন্ন এবং একা থাকা শিশুদের প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্যও কাজ করছে, যাদের ওপর বিশেষ ঝুঁকি রয়েছে। এখন পর্যন্ত ৫৮০টিরও বেশি শিশুকে সরাসরি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে, এবং তাদের প্রয়োজনীয় সেবা এবং যত্নশীলদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

31/03/2025
Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka
1216