সে আজ স্কুলে দেরি করে আসছে৷
(ইংরেজি কর)
Job Zone
BCS, Primary, NTRCA, 11th to 20 th Grade Job Preparation.
19/01/2026
বাংলাদেশের সংবিধান A to Z সুন্দর গোছানো একটা নোট শেয়ার দিয়ে পড়তে শুরু করুন...........
💥 আসসালামু আলাইকুম
🌅 শুভ সকাল!
📅 ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
📜 ৪ মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৮ রজব, ১৪৪৭ হিজরি
👉 আপনি জানেন কি! আজকের এই দিনে ইতিহাসে ঘটে গেছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা—
🌍 বিশ্ব ইতিহাসে
✍️ ১৯১৯ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে প্যারিস শান্তি সম্মেলন শুরু হয়।
✍️ ১৯৪৮ – সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা নিরসনের লক্ষ্যে মহাত্মা গান্ধী তাঁর ১২১ ঘণ্টার অনশন শেষ করেন।
✍️ ২০১৫ – দক্ষিণ আফ্রিকার এবি ডি ভিলিয়ার্স বিশ্ব ক্রিকেটে দ্রুততম শতক (মাত্র ৩১ বলে) করেন।
🇧🇩 বাংলাদেশের ইতিহাসে
✍️ ১৯১৭ – বিশিষ্ট কবি ও গীতিকার আজিজুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন।
✍️ ১৯৩৫ – নাট্যকার ও অভিনেতা মমতাজউদ্দীন আহমেদ জন্মগ্রহণ করেন।
✍️ ১৯৪৫ – সাংবাদিক ও লেখক মোনাজাত উদ্দিন জন্মগ্রহণ করেন।
🧠 ইতিহাস আমাদের শেখায়—সংগ্রাম, মানবতা ও সৃষ্টিশীলতার মূল্যবোধ।
11/12/2025
10/12/2025
Answer করুন..
ক্ষুদিরাম বসুর সঙ্গী ছিলেন কে??
অরবিন্দ
বারীন্দ্র
প্রফুল্ল চাকী
সুভাষ বসু
চাকরির পরীক্ষায় রচনা লেখার কৌশল
-তারিক মনজুর স্যার
শিক্ষক, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
©
বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের রচনা লিখতে হয়। লিখিত পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি নম্বর বরাদ্দ থাকে রচনার জন্য। তাই রচনা লেখার সময় অনেকগুলো দিকে নজর দিতে হয়। বিশেষ করে কিছু কলাকৌশল অবলম্বন করলে রচনায় ভালো নম্বর পাওয়া যায়।
সাধারণ নির্দেশনা
● সব প্রশ্নের উত্তর শেষ করার পর রচনা লেখা শুরু করতে হবে।
● যে রচনাটি ভালো পারেন, সেটির উত্তর করবেন।
● বেশিসংখ্যক সংকেত (পয়েন্ট) এবং উপসংকেতের (সাব-পয়েন্টের) মাধ্যমে রচনাটি উপস্থাপন করবেন।
● একটি সংকেত বর্ণনা বা ব্যাখ্যা করার জন্য একাধিক অনুচ্ছেদ লেখা যাবে।
● রচনাটি তথ্যবহুল হবে। যত দূর সম্ভব সাম্প্রতিক তথ্য দিতে হবে। তথ্যকে সহজ করে মুখস্থ করবেন। যেমন: ‘৩ কোটি ৪৬ লাখ ২২ হাজার ৫৯৬’ এই সংখ্যাটিকে ৩ কোটি ৫০ লাখ (প্রায়) হিসেবে উপস্থাপন করুন।
● রচনার নির্দিষ্ট আয়তন নেই। সময়ের সঙ্গে তাল রেখে লিখবেন। যেমন, বিসিএস বাংলা লিখিত পরীক্ষায় রচনার জন্য ৪৫-৫০ মিনিট সময় পাওয়া যায়। সেখানে রচনার আয়তন হতে পারে ৮-১০ পৃষ্ঠা।
● রচনার প্রস্তুতি হিসেবে তথ্য সংগ্রহ করতে থাকুন এবং তথ্যগুলোকে একটি ফাইলবন্দী করুন।
● ভূমিকা ও উপসংহার শব্দ দুটি ব্যবহার করবেন না। তবে ভূমিকা ও উপসংহার অবশ্যই লিখবেন।
● প্রতিটি সংকেতকে আকর্ষণীয় শিরোনামে লিখতে পারেন। যেমন: ‘গণতন্ত্রে নির্বাচনের ভূমিকা’র বদলে লিখতে পারেন ‘তাই সবার আগে চাই সুষ্ঠু নির্বাচন’।
রচনার সংকেত
বেশিসংখ্যক সংকেত ও উপসংকেতের মাধ্যমে রচনার বিষয়টি উপস্থাপন করতে হবে। কোন কোন পয়েন্টের ভিত্তিতে রচনাটি লিখবেন, সেটি আগেই ঠিক করে রাখুন। নিচে কয়েকটি রচনার সংকেত দেওয়া হলো।
১. জলবায়ু পরিবর্তন
ভূমিকা: জলবায়ু পরিবর্তন বলতে কী বোঝায়; জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ (মানবসৃষ্ট কারণ, প্রাকৃতিক কারণ); জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক প্রভাব (মানুষের ওপর প্রভাব, প্রকৃতির ওপর প্রভাব, বাস্তুসংস্থান ও জীববৈচিত্র্যের ওপর প্রভাব, কৃষিতে প্রভাব, উদ্বাস্তু জনসংখ্যা বৃদ্ধি ইত্যাদি); বাংলাদেশে জলবায়ু পরবর্তনের প্রভাব (সুন্দরবন, কক্সবাজার, পাহাড় কাটা, খরা, নদীদূষণ, নদীভাঙন, বন্যা); জলবায়ু পরিবর্তনে দায়ী দেশ এবং ক্ষতিগ্রস্ত দেশ; আন্তর্জাতিক উদ্যোগ, সম্মেলন ও চুক্তি; জলবায়ু পরিবর্তন রোধে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ; জলবায়ু পরিবর্তন রোধে সুপারিশমালা বা ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা; সামাজিক ও ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও কর্মসূচি (বৃক্ষরোপণ করা, জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া, যেখানে–সেখানে ময়লা না ফেলা, পানির অপচয় রোধ করা, পলিথিন ব্যবহার না করা); উপসংহার।
২. বেকারত্ব ও কর্মসংস্থান
ভূমিকা; বেকারত্ব ও কর্মসংস্থান বলতে কী বোঝায়; বাংলাদেশের বেকারত্ব পরিস্থিতি; বেকারত্বের ধরন; বেকারত্বের কারণ; কর্মমুখী শিক্ষার গুরুত্ব; শিক্ষা ও জীবিকার সমন্বয়হীনতা; অর্থনীতি ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বেকারত্বের প্রভাব; জনসংখ্যা: সমস্যা না সম্ভাবনা; জনশক্তি রপ্তানি; আমাদের জনশক্তি আমাদের সম্পদ; বেকারত্ব দূরীকরণের উপায় (শিক্ষাবিস্তার করা, কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার, জনশক্তি রপ্তানি, আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি, চাকরির বাজার বড় করা, বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি ইত্যাদি); বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিস্থিতির তুলনা; সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ; যুব উন্নয়ন কর্মসূচি; বেকারত্ব দূরীকরণে চ্যালেঞ্জ; দারিদ্র্য বিমোচনের কৌশল ও সুপারিশ; একবিংশ শতাব্দীর বিশ্ব; উপসংহার।
৩. গণতন্ত্র ও বাংলাদেশ
আকর্ষণীয় সূচনা; গণতন্ত্র কী (মনীষীদের সংজ্ঞা); গণতন্ত্রের প্রকারভেদ; গণতন্ত্রের সূচক এবং এ সূচক অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান ও মূল্যায়ন; গণতন্ত্র কী কী ধারণ করে/ গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য; অন্যান্য শাসনব্যবস্থার সঙ্গে তুলনা; গণতন্ত্রের ভালো দিক; গণতন্ত্রের সমস্যা কোথায়; বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ইতিহাস (স্বাধীনতার আগে-পরে থেকে এ পর্যন্ত রাজনীতি); সংবিধান ও গণতন্ত্র; দুর্নীতি ও সুশাসন; গণতন্ত্রে নির্বাচনের ভূমিকা; গণতন্ত্রে সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা; গণতন্ত্রে সংসদ, সুশীল সমাজ ও শ্রমিকশ্রেণির ভূমিকা; গণতন্ত্রে নেতৃত্বের ভূমিকা; গণতন্ত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি; গণমাধ্যম, বিচার বিভাগ, পুলিশ: ব্যক্তিস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বলতে কী বোঝায়; গণতন্ত্রের সমস্যা; করপোরেট বাংলাদেশ অথবা তৃতীয় বিশ্বে বিদেশি হস্তক্ষেপ; বর্তমানে বিভিন্ন দেশে গণতন্ত্রের অবস্থা; গণতন্ত্রের সুফল পেতে করণীয়; উপসংহার।
ভূমিকার বদলে
রচনার শুরুতে গতানুগতিক ভূমিকার বদলে কিছু কৌশল অবলম্বন করা যায়। এ রকম চারটি কৌশল নিচে দেওয়া হলো।
কৌশল ১: দৃশ্যপট তৈরির মাধ্যমে পরিবর্তন দেখানো।
● দৃশ্য ১: ১৯৮০ সাল
গাঁয়ের পথে কৃষক চলছে লাঙল কাঁধে। শহরের রাস্তায় দু-চারটি ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল করছে। দুমুঠো অন্নের জন্য মানুষকে প্রাণান্ত পরিশ্রম করতে হচ্ছে।
● দৃশ্য ২: ২০২২ সাল
চাষাবাদে ব্যবহৃত হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি। ব্যক্তিগত গাড়ির চাপে শহরের রাস্তা স্থবির। এখনো দুমুঠো অন্নের জন্য কিছু মানুষকে প্রাণান্ত পরিশ্রম করতে হচ্ছে।
চার দশকের বেশি সময় পার হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতা দৃশ্যমান হয়েছে বিশ্ববাসীর কাছে। অথচ এখনো কিছু মানুষ ক্ষুধার সঙ্গে লড়াই করছে। অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে, বিনিয়োগ ও উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু কমেছে মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সহিষ্ণুতা ও মনুষ্যত্ব।
কৌশল ২: উক্তি উপস্থাপনের মাধ্যমে বিষয়ে ঢোকা।
● সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার আরেকজনের বক্তব্যের সূত্র ধরে বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি তলাবিহীন ঝুড়ি হতে যাচ্ছে’।
● স্বাধীনতা বলতে কী বোঝায়, এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, ‘এই স্বাধীনতা তখনই আমার কাছে প্রকৃত স্বাধীনতা হয়ে উঠবে, যেদিন বাংলার কৃষক-মজুর ও দুঃখী মানুষের সকল দুঃখের অবসান হবে।’
● ২০১৩ সালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা একটি অনুষ্ঠানে বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ খাদ্যবিপ্লবের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে এবং বিপ্লবে জয়ী হতে চলেছে।’
স্বাধীনতার পরে পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে বাংলাদেশ পেয়েছিল বিদ্রূপের হাসি। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি টিকবে কি না, এমন সন্দেহ ছিল খ্যাতনামা অনেক অর্থনীতিবিদের বিশ্লেষণে। অথচ এখন ১৯৭২ সালের ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ পৃথিবীর ৪১তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের ওপর ভর করে গড়ে ৭ শতাংশের বেশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে এগিয়ে চলেছে দেশ। ২০১৮ সালে তাই জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি জানিয়েছে, বাংলাদেশ আর স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় থাকছে না।
কৌশল ৩: কোনো গল্প বা বাস্তব ঘটনার মাধ্যমে বিষয় উপস্থাপন।
ময়মনসিংহের একটি অবহেলিত উপজেলা ফুলপুর। এ উপজেলার ভাগ্যবদলে যাওয়া এক নারীর গল্প এটা। ধরা যাক, তাঁর নাম ফুলজান বিবি। ফুলজান বিবি বিয়ের পরে নিজের ভাগ্য বদলের জন্য নিজেই উদ্যোগী হয়েছেন। তিনি তাঁর জমানো টাকা দিয়ে কয়েকটি হাঁস পালতে শুরু করেন। এরপর উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রশিক্ষণ শেষে ঋণের টাকায় ১০০ হাঁস নিয়ে একটি ছোট খামার গড়ে তোলেন। সেই ঋণ শোধ করে এখন স্বাবলম্বী। নিজের টাকায় গড়ে তুলেছেন প্রায় এক হাজার হাঁসের বিশাল খামার। ফুলজান বিবির এ সাফল্য কোনো গল্প নয়, বাস্তব। ফুলজানের মতো আরও অনেক নারী-পুরুষ উদ্যোক্তা তাঁদের ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন। এভাবেই বদলে গেছে বাংলাদেশের অর্থনীতির চিত্র।
01/12/2025
আজকেই রাত ১০ টায় ক্লাস শুরু,,, আজকের পরে আর ভর্তি নেয়া হবে না.......
🗣️🗣️🗣️ যারা ৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা দিবেন তাদের জন্য ৬০ দিনে ইংরেজি বিষয়ের একটি গোছানো পরিকল্পনা অনুযায়ী শেষ করা হবে৷ এখানে লিখিত এর ৫০%/৬০% শেষ হবে৷
🗣️ কোর্স ফি ১০০০ টাকা ( ফিক্সড)
🗣️ ক্লাস শুরু ১ তারিখ।
প্রিলিমিনারি ইংরেজি ৩০ টি প্রশ্নের মধ্যে ২৭/২৮ টি প্রশ্ন কমনের নিশ্চয়তায়৷
যোগাযোগ : 01886458829(What's app)
প্রাচীন যুগে চীনারা যখন শান্তিতে বসবাসের সিদ্ধান্ত নিল তখন তারা গ্রেট ওয়াল নির্মাণ করল। চীনারা ভেবেছিল এটার উচ্চতার জন্য কেউ টপকে তাদের আক্রমণ করতে পারবে না।
গ্রেট ওয়াল নির্মাণের প্রথম ১০০ বছরের মধ্যেই চীনারা তিনবার আক্রান্ত হয়। আশ্চর্যের বিষয় কোনোবারই আক্রমণকারীদের দেয়াল টপকানোর বা ভাঙার প্রয়োজন হয়নি। কারণ, প্রত্যেকবারই আক্রমণকারীরা দেয়াল পাহারারত রক্ষীদের উৎকোচ দিয়ে সামনের গেট দিয়ে ঢুকে গেছে। চীনারা অনেক পরিশ্রম করে মজবুত দেয়াল তৈরি করেছিল; কিন্তু তারা দেয়াল পাহারা দেওয়া রক্ষীদের চরিত্র মজবুত করতে কোনো পরিশ্রম করেনি।
তাহলে দেখা যাচ্ছে দেয়াল মজবুত করা থেকে চরিত্র মজবুত করার প্রশ্নটিই আগে আসে। শুধু দেয়াল মজবুত করার ফলাফল শূন্য।
তাই অনেক আগেই একজন প্রাচ্যদেশীয় দার্শনিক বলে গেছেন, তুমি যদি কোনো সভ্যতা ধ্বংস করতে চাও, তাহলে তিনটি কাজ করো :
১. যে জাতিকে পদানত করতে চাও তার পারিবারিক গঠন আগে ধ্বংস করো। পারিবারিক গঠন ধ্বংস করতে হলে সংসারে মায়ের ভূমিকাকে খাটো করে দেখাও, যাতে সে গৃহবধূ পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করে।
২. শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করে দাও। এটা করতে হলে শিক্ষককে প্রাধান্য দিয়ো না। সমাজে তাঁর অবস্থান নীচু করে দেখাও, যাতে তাঁর ছাত্ররাই তাঁকে উপহাস করে।
৩. তরুণসমাজ যেন অনুসরণ করার মতো কোনো রোলমডেল না পায়, তাই তাদের জ্ঞানীদের নানাভাবে অপমান করো। রোলমডেলদের নামে অসংখ্য মিথ্যা কুৎসা রটাও, যাতে তরুণসমাজ তাঁদের অনুসরণ করতে দ্বিধাবোধ করে।
সংগৃহীত পোস্ট।
(লেখাটা আমাকে খুব ভালো লেগেছে, তাই শেয়ার করলাম। তবে কোথাও লেখকের নাম খুঁজে পাইনি।)
গণিতের বেসিক সূত্র ও সংজ্ঞা:
১। গুণফল =গুণ্য × গুণক।
২। গুণক = গুণফল ÷ গুণ্য।
৩। গুণ্য= গুণফল ÷ গুণক
⏩ নিঃশেষে বিভাজ্য হলে...
৪।ভাজক= ভাজ্য÷ ভাগফল।
৫। ভাগফল = ভাজ্য ÷ ভাজক।
৬। ভাজ্য = ভাজক × ভাগফল।
⏩ নিঃশেষে বিভাজ্য না হলে...
৭। ভাজ্য= ভাজক × ভাগফল + ভাগশেষ।
৮। ভাজ্য= (ভাজ্য— ভাগশেষ) ÷ ভাগফল।
৯।ভাগফল = (ভাজ্য — ভাগশেষ)÷ ভাজক।
১০। গড়= রাশিগুলোর যোগফল ÷ রাশিগুলোর সংখ্যা।
১১। লাভ = বিক্রয়মূল্য — ক্রয়মূল্য।
১২। ক্ষতি = ক্রয়মূল্য — বিক্রয়মূল্য।
১৩। ৫৯০০ ÷ ১০০ = ৫৯
১৪। ১×.১×.০১×.০০১= ০.০০০০০১
১৫। ১০০০ গ্রাম = ১ কিলোগ্রাম।
১৬। ১০ কুইন্টাল = ১ মেট্রিক টন।
১৭। ১ কুইন্টাল= ১০০ কিলোগ্রাম (কেজি)।
১৮। ১ মেট্রিক টন = ১০০০ কিলোগ্রাম (কেজি)।
১৯। ১ এয়র = ১০০ বর্গমিটার।
২০। ১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার।
২১। আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ।
২২। সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা।
২৩। ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ( ভূমি × উচ্চতা) ÷২
২৪। দৈর্ঘ্য = ক্ষেত্রফল ÷ প্রস্থ।
২৫। প্রস্থ = ক্ষেত্রফল ÷ দৈর্ঘ্য।
২৬। ভূমি = ( ক্ষেত্রফল × ২) ÷ উচ্চতা।
২৭। উচ্চতা = ( ক্ষেত্রফল ×২) ÷ ভূমি।
২৮। পরিসীমা = ২ × ( দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)।
২৯। জনসংখ্যার ঘনত্ব = জনসংখ্যা ÷ আয়তন।
৩০। আয়তন = জনসংখ্যা ÷ ঘনত্ব।
৩১। ঘনত্ব = জনসংখ্যা ÷ আয়তন।
৩২। জনসংখ্যা = ঘনত্ব × আয়তন।
৩৩। ভাগ কী?
উত্তরঃ ভাগ হলো পুনঃ পুনঃ বিয়োগ।
৩৪। খোলা বাক্য কাকে বলে?
উত্তরঃ যখন কোনো বাক্যের সত্য না মিথ্যা যাচাই করা যায় না তাকে খোলা বাক্য বলে।
৩৫। গাণিতিক বাক্য কাকে বলে?
উত্তরঃ যখন কোনো বাক্যের সত্য না মিথ্যা যাচাই করা যায় তাকে গাণিতিক বাক্য বলে।
৩৬। অক্ষর প্রতিক কী?
উত্তরঃ অজানা সংখ্যা নির্দেশক করতে যে বিশেষ প্রতীক বা অক্ষর ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ষর প্রতীক বলে।
৩৭। গাণিতিক প্রতীক কী?
উত্তরঃ গণিতে যে প্রতীক ব্যবহার করা হয় তাই গাণিতিক প্রতীক।
৩৮। সংখ্যা প্রতীক কয়টি ও কী কী?
উত্তরঃ সংখ্যা প্রতীক ১০টি। যথা- ০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯
৩৯। প্রক্রিয়া প্রতীক কয়টি ও কী কী?
উত্তরঃ ৪টি যথা- +, —, × ,÷
৪০। সম্পর্ক প্রতীক কয়টি ও কী কী?
উত্তরঃ সম্পর্ক প্রতীক অনেক আছে তবে প্রাথমিকে ব্যবহৃত সম্পর্ক প্রতীক ৬ টি যথা—
<
=
>
= (Greater than or equal)
=/ ( Not equal)
৪১। গুণিতক কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা দ্বারা যে সকল সংখ্যাকে নিঃশেষে ভাগ করা যায়, সেই সকল সংখ্যার প্রত্যেককে ঐ নির্দিষ্ট সংখ্যার গুণিতক বলে।
৪২। লসাগু কাকে বলে?
উত্তরঃ দুই বা ততোধিক সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে ছোট সাধারণ গুণিতককে বলে লসাগু।
৪৩। গসাগু কাকে বলে?
উত্তরঃ একাধিক সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সাধারণ গুণনীয়ক হলো গসাগু।
৪৪। গুণনীয়ক কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো সংখ্যা যে সকল সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য, সেই সকল সংখ্যাকে গুণনীয়ক বলে।
৪৫। মৌলিক সংখ্যা কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো সংখ্যার গুণনীয়ক যদি ১ এবং ঐ সংখ্যা(শুধু দুইটি) হয় তাহলে সংখ্যাটিকে মৌলিক সংখ্যা বলে।
৪৬। সংখ্যারশি কী?
উত্তরঃ কতিপয় সংখ্যাকে প্রক্রিয়া চিহ্ন এবং প্রয়োজনে বন্ধনী দ্বারা যুক্ত করলে একটি সংখ্যা রশি তৈরি হয়।
যেমনঃ (৩৬÷৪)× ৫—৭
৪৭। ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো বস্তু বা পরিমানের অংশ নির্দেশ করতে যে সংখ্যা ব্যবহৃত হয় তাকে ভগ্নাংশ বলে।
৪৮। প্রকৃত ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ভগ্নাংশের লব ছোট হর বড় তাকে প্রকৃত ভগ্নাংশ বলে।
৪৯। অপ্রকৃত ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ভগ্নাংশের লব বড় হর ছোট তাকে অপ্রকৃত ভগ্নাংশ বলে।
৫০। সমহর বিশিষ্ট ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ভগ্নাংশের হর একই তাকে সমহর বিশিষ্ট ভগ্নাংশ বলে।
৫১। মিশ্র ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ভগ্নাংশে পূর্ণ সংখ্যার সাথে প্রকৃত ভগ্নাংশ যুক্ত হয়ে থাকে তাকে মিশ্র ভগ্নাংশ বলে।
৫২। গড় কাকে বলে?
উত্তরঃ রাশিগুলোর যোগফলকে রাশি গুলোর সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যে মান পাওয়া যায় তাই গড়।
৫৩। শতকরা কী?
উত্তরঃ শতকরা হলো এমন একটি অনুপাত যা ১০০ এর ভগ্নাংশ রুপে প্রকাশ করা হয়।
৫৪। আসল কী?
উত্তরঃ বিনিয়োগ কৃত টাকাকে আসল বলে।
৫৫। বৃত্ত কী?
উত্তরঃ বৃত্ত হলো একটি আবদ্ধ বক্ররেখা যার প্রত্যেক বিন্দু ভিতরের একটি বিন্দু থেকে সমান দুরে থাকে।
৫৬। পরিধি কী?
উত্তরঃ যে বক্ররেখাটি বৃত্তকে আবদ্ধ করে রেখেছে তাকে পরিধি বলে।
৫৭। জ্যা কী?
উত্তরঃ জ্যা হলো একটি বৃত্তচাপের শেষ প্রান্তে বিন্দু দুইটির সংযোজক রেখাংশ।
৫৮। ব্যাসার্ধ কী?
উত্তরঃ কেন্দ্র থেকে পরিধির দুরত্বই হলো ব্যাসার্ধ।
৫৯। কর্ণ কাকে বলে?
উত্তরঃ বিপরীত শীর্ষ বিন্দুর সংযোগকারী রেখাকে কর্ণ বলে।
৬০। রম্বস কাকে বলে?
উত্তরঃ যে চতুর্ভূজের চারটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান তাকে রম্বস বলে।
৬১। আয়ত কাকে বলে?
উত্তরঃ যে চতুভূজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল তাকে আয়ত বলে।
৬২। বর্গ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে আয়তের চারটি বাহু সমান ও কোন গুলো সমান তাকে বর্গ বলে।
৬৩। চতুর্ভুজ কাকে বলে?
উত্তরঃ চারটি বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রকে চতুর্ভূজ বলে।
৬৪। অধিবর্ষ কী?
উত্তরঃ চার দ্বারা বিভাজ্য বছরকে অধিবর্ষ বলে।
৬৫। ১ শতাব্দী কী?
উত্তরঃ ধারাবাহিক ১০০ বছর সময় কালকে ১ শতাব্দী বলে।
৬৬। যুগ কী?
উত্তরঃ ধারাবাহিক ভাবে ১২ বছর সময় কালকে ১ যুগ বলে।
৬৭। ১ দশক কী?
উত্তরঃ ধারাবাহিক ভাবে ১০ বছর সময় কাল হয় ১ দশক।
৬৮। উপাত্ত কাকে বলে?
উত্তরঃ প্রাপ্ত তথ্য সমূহকে সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করাকে উপাত্ত বলে।
৬৯। উপাত্ত কত প্রকার ও কী কী?
উত্তরঃ উপাত্ত ২ প্রকার। বিন্যস্ত উপাত্ত এ অবিন্যস্ত উপাত্ত।
৭০। বিন্যস্ত উপাত্ত কাকে বলে?
উত্তরঃ যে উপাত্ত গুলো কোনো বৈশিষ্ট অনুযায়ী সাজানো থাকে তাকে বিন্যস্ত উপাত্ত বলে।
৭১। অবিন্যস্ত উপাত্ত কাকে বলে?
উত্তরঃ যে উপাত্ত গুলো কোনো বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সাজানো থাকেনা তাকে অবিন্যস্ত উপাত্ত বলে।
৭২। লেখচিত্র কাকে বলে?
উত্তরঃ চাক্ষুষ প্রদর্শনের জন্য রেখার সাহায্যে আঁকাচিত্র হলো লেখচিত্র।
৭৩। শ্রেণি ব্যবধান কী?
উত্তরঃ শ্রেণির উর্ধ্বসীমা ও নিম্নসীমার মধ্যে পার্থক্যই হলো শ্রেণি ব্যবধান।
#অর্থনৈতিক_সমীক্ষা_২০২৫ (সর্বশেষ আপডেট)
📌চলতি মূল্যে জিডিপি: ৫৫,৪২,৭৫৩ কোটি টাকা
📌স্থির মূল্যে জিডিপি: ৩৪,৭৯,০০১ কোটি টাকা
📌স্থির মূল্যে GDP প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%
📌মুদ্রাস্ফীতি: ৮.৪৮%
✅ খাত ভিত্তিক জিডিপিতে অবদান (চলতি মূল্যে):
👉কৃষি - ১০.৯৪%
👉শিল্প - ৩৭.৪৪%
👉সেবা - ৫১.৬২%
✅ খাত ভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার (স্থির মূল্যে):
👉কৃষি - ১.৭৯%
👉শিল্প - ৪.৩৪%
👉সেবা - ৪.৫১%
✅ মাথাপিছু জিডিপি (GDP):
👉২৬৭১ মার্কিন ডলার
✅ মাথাপিছু জাতীয় আয়:
👉২৮২০ মার্কিন ডলার
✅ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান:
👉মোট বাণিজ্যিক ব্যাংক- ৬১টি।
👉সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি।
👉বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
👉বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩টি।
👉বিদেশী ব্যাংক - ৯টি।
👉ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান - ৩৫ টি।
✅ জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
👉জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন
👉জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%
👉পুরুষ:মহিলা: ৯৬.৩:১০০
👉স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন
👉স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন
👉দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%
👉চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%
✅ সাক্ষরতার হার (৭ বছর+):
👉মোট - ৭৭.৯%
👉পুরুষ - ৮০.১%
👉মহিলা - ৭৫.৮%
✅ প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল:
👉মোট - ৭২.৩ বছর
👉পুরুষ - ৭০.৮ বছর
👉মহিলা - ৭৩.৮ বছর
✅ খাত ভিত্তিক শ্রমশক্তি নিয়োজিত:
👉কৃষি - ৪৪.৬৭%
👉শিল্প - ১৭.৩৭%
👉সেবা - ৩৭.৯৬%
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka