20/06/2024
এন্টিগার এই মাঠেই বাংলাদেশ তাদের সুপার এইটের প্রথম দুই ম্যাচ খেলবে; প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া ও ভারত। আর এই মাঠটায় রান আসে।
এই বিশ্বকাপে সুপার এইটের এই ম্যাচটির আগে এই বিশ্বকাপে চারটি ম্যাচ হয়েছে, ম্যাচগুলোর স্কোরকার্ড-
➡️ ওমান ১৫০/৯, স্কটল্যান্ড ১৫৩ করেছে ১৩.১ ওভারে। অর্থাৎ ৩৩.১ ওভারে ৩০৩ রান এসেছে
➡️ নামিবিয়া ১৭ ওভারে ৭২ অল-আউট, অস্ট্রেলিয়া সেটা ৫.৪ ওভারে চেজ করেছে
➡️ ওমান ১৩.২ ওভারে ৪৭ রানে অল-আউট। ইংল্যান্ড সেটা চেজ করেছে ১৯ বলে অর্থাৎ ৩.১ বলে ৫০।
➡️ নামিবিয়া-ইংল্যান্ডের বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচটায় ১০ ওভারে ইংল্যান্ড করে ১২২, জবাবে নামিবিয়া করে ৮৪, অর্থাৎ সেদিন ২০ ওভারে রান এসেছে ২০৬
অর্থাৎ, ভালো ব্যাটিং লাইনাপ এখানে ভালোভাবেই রান করে, তাতে সন্দেহ থাকার কথা না। নামিবিয়া, ওমান যে ৭২ বা ৪৭ করে অল-আউট হয়েছে সেটাতে পিচের দোষ নয়, বরং ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ার বোলিং তোপেই মুখ্য কারণ। আর যদি সন্দেহ থাকেও, আজকেই দেখুন, যে দক্ষিণ আফ্রিকা গ্রুপ স্টেজে ১২০ই পার করতে পারলো না, তারা আজ করলো ১৯৪!
১৯৪ তাড়া করে আমেরিকা সফল হবে কিনা জানিনা, তবে ডালাসের পিচে এই বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় তাড়াটা ১৯৪ই, করেছে এই আমেরিকাই। তবে সেবার প্রতিপক্ষ ছিল কানাডা, আজ সামনে দক্ষিণ আফ্রিকা, দুই দলের বোলিং লাইনাপে পার্থক্য আকাশ পাতাল।
যে কথা বলার জন্য পোস্ট, এই মাঠে বাংলাদেশের সুপার এইটের প্রথম দুই ম্যাচ৷ এই ম্যাচে বাংলাদেশের বোলাররা ৪ ওভারে ৭ দিবে না, একটু বেশিই দিবে! গ্রুপ স্টেজে ৪ ওভারে ৩০ কে আমরা এক্সপেন্সিভ বলে ফেলেছি, এই গ্রাউন্ডে তা বলার সুযোগ নেই। তাই ব্যাটারদের কাছে অনুরোধ, আপনারা একটু বেটার পারফর্ম করেন। বোলাররা ঠিকই গ্রুপ পর্বে পিচের ফায়দা নিয়েছে, এবার সুপার এইটে লিটন-শান্ত-তামিম, আপনারা নিন। কারণ সুপার এইটে কোনো বোলার ৪ ওভারে ৩৫ খেয়ে গেলে আপনি উনাদের দোষ দিয়ে পার পাবেন না; বরং আপনারা যারা এতদিন ৫ বলে ৪ বা ৩ বলে ১ বা ১৩ বলে ৯ করেছেন, এরকম না আপনাদের এখন পারফর্ম করার পালা, গ্রুপ পর্বে যেমন বোলাররা ৬ এর কম ইকোনমিতে রান দিয়ে আপনাদের ব্যর্থতা ঢেকে দিয়ে জয় এনেছে, এবার আপনারা এর প্রতিদান দিন, যদিও বোলাররা এতটাও ব্যর্থ হবে না, এই ভরসাটা সবাই রাখে। ক্রিকেটটা দলগত গেইম, শুধু বোলারদের গেইম না।
বোলাররা যেমন ফায়দা নিয়েছে বোলিং পিচের, আপনারা ব্যাটিং পিচের ফায়দা নিয়েন।
শুভকামনা বাংলাদেশ দল 🇧🇩
#সুপারএইট #বাংলাদেশ