28/06/2023
AC = Alternating current
DC = Direct current
#Basic Electrical Knowledge
#Electrical Question
#Electrical circuits
#Electrical key
#Ac Dc Power
28/06/2023
AC = Alternating current
DC = Direct current
12/05/2023
Eliectical Inprotant Knowledge
কতটা সহজ-সরল ছিলেন ডঃ জাফরুল্লাহ স্যার! পরতে ৩০ বছরের পুরনো শার্ট। উঠতেন ভাঙা গাড়িতে 😭 বিদায় হে কিংবদন্তি…
11/04/2023
কিভাবে PFI এর স্টেপ ভাগ করতে হয়?
PFI স্টেজ ভাগ করাঃ
100KVA থেকে 250KVA পর্যন্ত 6 step.
315KVA থেকে 2000KVA পর্যন্ত 12 step.
2500KVA থেকে 4000KVA পর্যন্ত (12+12) step
বাজারে ১৪ স্টেপের ক্যাপাসিটর পাওয়া যায়,তবে এটি ব্যবহারে সুবিধার থেকে অসুবিধাই বেশি।
কিভাবে PFI সিলেকশন করতে হয়?
আমাদের লো-ভোল্টেজ লাইনের মোট পাওয়ারের ৬০% পাওয়ার নিয়ে PFI সিলেকশন করে থাকি।কারন আমরা যেহেতু Reactive Power নিয়ে কাজ করবো তাই Reactive Power এর ফরমূলা অনুযায়ি-
Reactive Power P=√3 VI sin∅ (KVAR)
Power factor, P=Active Power/Total power=KW/KVAR=cos∅
cos∅=∅=36.86 (loss)
sin∅=36.86
=0.6=60%
ধরি আমাদের লাইন পাওয়ার হচ্ছে,100KVA এর 60% হলো 60KVAR
কিভাবে PFI ডিজাইন করতে হয়?
আমরা যেহেতু PFI এর ক্যাপাসিটরের সাইজ এবং PFI এর স্টেপ জানি তাহলে আমরা PFI ডিজাইন করতে পারবো ইনশা-আল্লাহ।
আমরা জনি লাইন পাওয়ারের ৬০% হচ্ছে PFI সিলেকশন,তাই ধরি আমাদের লাইন পাওয়ার হচ্ছে 100KVA এর 60% হলো 60KVAR
আমরা 60KVAR এর PFI ডিজাইন করবো। এখানে 60KVAR কে ৭ ভাগে ভাগ করবো।
Direct 5KVAR
1 5KVAR
2 5KAVR
3 5KVAR
4 10KAVR
5 10KVAR
6 20KVAR
Total= 60 KVAR
এখানে Direct Capacitor কি কারনে ব্যবহার করা হয়েছে?
কারন হচ্ছে আমরা যখন PFI ডিজাইন করবো আমরা সবসময় Direct Capacitor টা ব্যবহার করি ব্রেকাপ হিসাবে। এবং স্টেপ অনুযায়িবাকি ক্যাপাসিটর গুলো ব্যবহার করা হয়।যদি ৬স্টেপের PFI হয় তাহলে ৬টা ক্যাপাসিটর ব্যবহার করবো এর যদি ১২স্টেপের ক্যাপাসিটর হয় তাহলে ১২টা ক্যাপাসিটর ব্যবহার করবো।এখানে ৬টা ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়েছে এবং সাথে Direct Capacitor একটা মোট ৭টা ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়েছে।
Direct Capacitor এর মান আপনার ইচ্ছে মত করে ধরে নিতে পারেন তবে কোন পয়েন্ট(৩.৫) সংখ্যা হবে না। এবং Direct Capacitor এর পরের ক্যাপাসিটরের মান Direct Capacitor থেকে সমান বা বেশি মানের ক্যাপাসিটর ব্যবহার করতে হবে।তার পর বাকি গুলো ইচ্ছে মত।মানে হলো 60KVAR কে Direct Capacitor সহ মোট ৭টা ক্যাপাসিটর দিয়ে ভাগ দিবেন।উপের মত করে
এখন PFI ডিজাইন করতে ক্যাপাসিটরের পাশাপাশি ১টি ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর,১টি HRC Fuse,১টি CT এবং PT এবং বাসবার প্রয়োজন।উপরের ডিজাইন টি লক্ষ্য করুন,ক্যাপাসিটর,ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর ,HRC Fuse দেখা যাচ্ছে।
এখন যে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়েছে তা অন্য ক্যাপাসিটরের মত, চার্জ ধরে রেখে পাওয়ার সাপ্লাই দেয়া। তবে এই ক্যাপাসিটরের মান খুব বেশি।
11/04/2023
#আপনার_জানা_প্রয়োজন
আমার কাছে যে প্রশ্ন গুলো বেশি আসে।
১-একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার কোথায় কাজ করেন?
২– একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার কী ধরনের কাজ করেন?
৩– একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?
৪– একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?
৫– কোথায় পড়বেন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং?
৬– একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের মাসিক আয় কেমন?
৭– একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে?
১। একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার কোথায় কাজ করেন?
বিদ্যুৎ বিভাগ-যেমন Bangladesh Power Development Board (BPDB), Dhaka Power Distribution Company (DPDC), Dhaka Electricity Supply Company (DESCO), Rural Electrification Board (REB), Bangladesh Water Development Board of Bangladesh (BWDB)
শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র
মোবাইল ফোন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান
প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
বাংলাদেশ সেনা, নৌ বা বিমান বাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর
২। একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার কী ধরনের কাজ করেন?
প্রতিষ্ঠান অনুযায়ী ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কাজ আলাদা হয়ে থাকে।
বিদ্যুৎ বিভাগঃ উৎপাদন বিভাগে উচ্চক্ষমতার জেনেরেটর এর নিয়ন্ত্রণ ও উৎপাদন পর্যবেক্ষণ
বিতরণ বিভাগঃ ট্রানমিশন লাইনের রক্ষণাবেক্ষণ
বিপণন বিভাগঃ বিল তৈরি
নতুন ভোক্তাদের সেবা প্রদান
ট্রান্সফরমারের রক্ষণাবেক্ষণ
টেলিফোন বিভাগঃ নতুন সংযোগ প্রদান
নতুন নেটওয়ার্ক নির্মাণ
বিল তৈরি করা
শিল্পকারখানাঃ অটোমেটেড মেশিনের মেইন্টেনেন্স
ওভারহোলিং করা
ব্যবস্থাপনাঃ উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা, মান নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি।
৩। একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক বা ডিপ্লোমা ডিগ্রি থাকতে হবে।
বয়সঃ প্রতিষ্ঠানসাপেক্ষে বয়সের সীমা নির্ধারিত হয়। সাধারণত আপনার বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।
অভিজ্ঞতাঃ এ পেশায় অভিজ্ঞদের প্রাধান্য রয়েছে। সাধারণত ১-২ বছরের অভিজ্ঞতা কাজে আসে।
৪। একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?
পাওয়ার সেক্টরে পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে জ্ঞান
টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানিতে কমিউনিকেশন বিষয়ে জ্ঞান
PLC (Programmable Logic Controller), Microcontroller বিষয়ে জ্ঞান
C++ Programming language জানা
নন-টেকনিক্যাল জ্ঞানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো –
সৃজনশীল উপায়ে ও যৌক্তিকভাবে সমস্যা সমাধানের দক্ষতা;
বিশ্লেষণী ক্ষমতা, যা খুঁটিনাটি বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণে সাহায্য করতে পারে;
অন্যদের সাথে কাজ করার মানসিকতা থাকা;
বিভিন্ন ধরনের কাজ একসাথে সামলানোর দক্ষতা;
বড় কারখানায় ভারি যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজ করার মানসিকতা থাকা;
৫।কোথায় পড়বেন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং?
বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উপর বিএসসি ডিগ্রি নিতে পারেন। আবার ডিপ্লোমা কোর্সেও পড়াশোনার ব্যবস্থা আছে। এছাড়া বাংলাদেশে বহু সরকারি-বেসরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে, যেখানকার বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ আপনাকে নির্দিষ্ট কিছু কারখানা ও শিল্পাঞ্চলে কাজ পেতে সাহায্য করবে।
৬।একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের মাসিক আয় কেমন?
সরকারি বিদ্যুৎ বিভাগ: ৩২০০০
সরকারি মালিকানাধীন লিমিটেড কোম্পানি: ৫২০০০
বেসরকারি প্রতিষ্ঠান (টেলিকম/ ব্যাংক/ বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান) : ৩৫০০০- ৪০,০০০
অভিজ্ঞতা ও কারিগরি যোগ্যতা এবং বিশেষায়িত প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত বিদ্যুৎ প্রকৌশলীরা বেসরকারিখাতে বা কনসালটেন্সি করে মাসে ১- ২ লক্ষ টাকাও আয় করতে পারেন।
৭।একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে?
যেহেতু ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাজের পরিধি অত্যন্ত ব্যাপক তাই ক্যারিয়ারের শুরুতেই নিজের পছন্দের ক্ষেত্র নির্বাচন খুব জরুরি। কেউ যদি সরকারি পরিদপ্তরে কাজ করতে চান তবে বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবেশন বা সংরক্ষণ বিভাগে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কাজে যোগ দান করলে সেই বিভাগে পদোন্নতি সাপেক্ষে প্রধান প্রকৌশলী পর্যন্ত হতে পারেন যা অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ পেশা। এছাড়া বেসরকারি কারখানা গুলোতেও সহকারী প্রকৌশলী থেকে ম্যানেজার কিংবা জেনারেল ম্যানেজার, হেড অফ অপারেশন পর্যন্ত পদোন্নতি পাওয়া সম্ভব। সামরিক বাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে সরাসরি মেজর পদে নিয়োগ দেয়া হয় যা থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের প্রধান মেজর জেনারেল পর্যন্ত পদোন্নতি পাওয়া সম্ভব। ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পেশা অত্যন্ত বৈচিত্রময়- আপনার মেধা, সততা আর সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ আপনাকে সরকারি কিংবা বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে একজন অনন্য উপাদানে পরিনত করবে।
11/04/2023
#পাওয়ার_ফ্যাক্টর ক্যালকুলেশন
ধরুন 100 KVA লোডের একটা পাওয়ার প্ল্যান্ট এর পাওয়ার ফ্যাক্টর 0.6 এবং এটাকে 0.95 এ উন্নতি করতে হবে, তাহলে কত KVAR রেটিং এর ক্যাপাসিটি ব্যবহার করতে হবে?
উত্তরঃ
Initial পাওয়ার ফ্যাক্টর = 0.6
পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নতি করতে হবে = 0.95
লোড KVA তে = 100
আমরা জানি,
Load In KW = (KVA * বর্তমান পাওয়ার ফ্যাক্টর) KW
= ( 100 * 0.6 ) KW
=60 KW
নিচের চার্ট থেকে প্রয়োজনীয় পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান নিয়ে লোডকে (KW) গুন করলেই কত মানের ক্যাপাসিটর (KVAR) ইউজ করতে হবে সেটা বের করা যাবে।
তাহলে চার্ট থেকে পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান 0.6 থেকে 0.95 উন্নতি করতে হলে মাল্টিপ্লাইয়িং ফ্যাক্টর দিয়ে গুণ করতে হবে। তাহলে Initial power factor 0.6 ও Proposed power factor 0.95 এ মাল্টিপ্লায়িং ফ্যাক্টর 1.005
তাহলে,
KVAR Rating of capacitor = ( Load in KW * Multiplying Factor )
= ( 60 * 1.005 )
= 60.3
= 60 KVAR
অর্থাৎ 60 KVAR রেটিং এর ক্যাপাসিটর লাগবে।
ক্যালকুলেশন ২ঃ
এই ক্যালকুলেশনটি বিস্তারিত করা হচ্ছে যাতে করে সহজে জটিল হিসাব করা যায়।
ধরেন, আপনি একটি ফ্যাক্টোরিতে চাকুরী করেন। আপনার বস টোটাল লোড 20,000 W, Power factor = 0.8 দিয়ে বলে দিলো কত মানের ক্যাপাসিটর দিয়ে PFI বানাতে হবে তার বিস্তারিত হিসাব দিন। এবার কি করবেন???
উত্তরঃ
প্রথমে Load কে KW থেকে KVA তে নিবেন,
Load In KW 20,000/1000 )
= 20 KW
KW to KVA = KW / Power factor
= 20 / 0.8
= 25 KVA
তাহলে ইনপুট ট্রান্সফরমার হবে KVA এর 50% বেশি কেননা ভবিষ্যতের লোড বাড়ার সম্ভাবনা থেকে এটা ধরে নিতে হবে।
অর্থাৎ KVA 25 এর 50% = 25 * 50% = 12.5
তাহলে যোগ করি, 25 + 12.5 = 37.5 যেহেতু দশমিক ভ্যালু, তাই হিসাব করার সুবিধার্থে 37 নেই।
“এই 37 কেভিএ ট্রান্সফরমার আমাকে ইনপুটে বসাতে হবে”
এবার পাওয়ার ফ্যাক্টর cos(θ) বের করতে হবে।
cos(θ) = Load in KW / Input Transformer KVA
cos(θ) = 20 / 37
= 0.54
তাহলে এই পাওয়ার ফ্যাক্টর ল্যাগিং না লিডিং, কোনটা হবে???
ল্যাগিং হবে কারন ইন্ড্রাস্ট্রিতে বা ফ্যাক্টারিতে কয়েল কানেকশন এর লোড বেশি হয়। যেমন ৩ ফেজ মোটর।
এখন আপনাকে 0.54 এর ল্যাগিং মানকে ইউনিটি 1 এর কাছাকাছি নিতে হবে। একারনে স্ট্যাটিক ক্যাপাসিটর সংযোগ করতে হবে।
এবার তো ক্যাপাসিটরের মান জানা লাগবে?? আমরা জানি, Ic = V * 2 π fc
তাহলে এই সুত্র ধরেই সামনে এগোই, কেমন
এখানে যা মান জানা থাকবে,
ইনপুট ভোল্টেজ = 400 v
Power, P = 20,000 W
ফ্রিকুয়েন্সি = 50 Hz
পাওয়ার ফ্যাক্টর, cos(θ1) = 0.54 lagging
আমরা জানি,
P = √3 * V * I * cos(θ1)
তাহলে I = P / √3 * V * cos(θ1)
I = 20,000 / 1.73 * 400 * 0.54
I = 53.45 Amp
এবার পাওয়ার,
P = √3 * 400 * 53.45 * 0.54
P = 19996.97 W বা 20 KW
এখন cos(θ1) = 0.54
বা, (θ) = Cos ^-1 (0.54)
(θ) = 57.31
কিন্তু পাওয়ার ফ্যাক্টরের আদর্শ মান 0.95, তাহলে আমাকে এই মানে নিতে হবে মানে Power factor improve করতে হবে। তাহলে ক্যালকুলেশন করতে হবে।
11/04/2023
for Sub-Station
VCB-
☑️ ভ্যাকুয়াম সার্কিট ব্রেকারঃ যে সার্কিট ব্রেকার ভ্যাকুয়াম বা শূন্য মাধ্যম সৃষ্টি করে আর্ক অবদমন করে তাকে ভ্যাকুয়াম সার্কিট ব্রেকার।বলে।
আর্কঃ আর্ক হল একধরনের ইলেকট্রিক্যাল ডিসার্জ যা ২ টি পরিবাহী ইলোকটর্ডের মধ্যে সৃষ্টি হয় এবং স্পার্ক তৈরি করে।
আর আর্ক সৃষ্টির জন্য যে ভোল্টেজ সৃষ্টি হয় তাকে আর্ক ভোল্টেজ বলে।
সাধারণত ১১কেভি/৩৩ কেভি সাবস্টেশনের জন্য এ সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়। এ ব্রেকারের ভোল্টেজ রেটিং ৩ থেকে ৩৮ কেভি পর্যন্ত হয়।
ভ্যাকুয়াম সার্কিট ব্রেকারে এক ধরনের চেম্বার থাকে যা ভ্যাকুয়াম ইন্টারপ্টার নামে পরিচিত।
☑️ভ্যাকুয়াম ইন্টারপ্টার চেম্বারঃ যে চেম্বারে বিদ্যুৎ পরিবাহী পাত খোলা বা বন্ধ এবং আর্ক অবদমিত হয় তাকে তাকে ভ্যাকুয়াম ইন্টারপ্টার বলে। এটি সিরামিকের আবরণ দেওয়া ইস্পাত দিয়ে গঠিত।
☑️ভ্যাকুয়াম সার্কিট ব্রেকারের কার্য পদ্ধতিঃ
ভ্যাকুয়াম সার্কিট ব্রেকার যে পাওয়ার সিস্টেম এর অন্তর্ভুক্ত সেখানে ফল্ট দেখলে তা ইন্টারাপ্টার চেম্বারে পরিবাহী পাত ২ টি একে অপর থেকে বিছিন্ন হয়ে যায়। বিছিন্ন হবার সময় ধাতব অংশ হতে বাষ্প তৈরি হয়। এ বাষ্প হতে আর্ক সৃষ্টি হয়। যখন আর্ক সৃষ্টি হয় তখন ইলেক্ট্রনগুলো সরে গিয়ে পাতের ২ পাশে অবস্থান করে। আর এতে ডাইইলেক্ট্রিক ফিল্ড তৈরি হয়ে আর্ক প্রশমিত করে পুনরায় আগের জায়গায় ফিরে আসে।
☑️ভ্যাকুয়াম সার্কিট ব্রেকার এর সুবিধাঃ
১. বদ্ধ অবস্থায় আগুনের কোন ঝুঁকি নেই।
২. বর্জ্য পাত সহ্য করতে পারে।
৩. রক্ষনাবেক্ষণ তেমন প্রয়োজন হয় না। নিঃশব্দে কাজ করে।
৪. দীর্ঘস্থায়ী এবং ক্ষতিকর কোন গ্যাস তৈরি করে না।
ভ্যাকুয়াম সার্কিট ব্রেকার এর অসুবিধাঃ
১. ব্রেকারের সাথে প্যারালালে ম্যাগনেটাইজিং কারেন্ট অবদমনের জন্য যন্ত্র সংযুক্ত করা লাগে।
২. ৩৬ কেভি এর উপর এ ব্রেকার রক্ষনাবেক্ষণ অনেক ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে খোলা জায়গায় রাখলে আগুন ধরে যেতে পারে।
11/04/2023
(Vacuum Circuit Breaker)
HT-High tension side মূলত, 33 KV to 11 KV লাইন। এই HT সাইডে মূলত VCB (Vacuum Circuit Breaker) সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়।
HT Switchgear Capacity Selection বলতে এখানে মুলত Breaker Selection কে বুঝায় । Transformer 630 KVA এর নিচে হলে LBS আর Transformer 630 KVA বা তার বেশি হলে (VCB- Vacuum Circuit Breaker) ব্যবহার করতে হবে।
সুতরাং এখানে 800 KVA Transformer এর জন্য (VCB- Vacuum Circuit Breaker) ব্যবহার করতে হবে।
☑️ ভ্যাকুয়াম সার্কিট ব্রেকারঃ যে সার্কিট ব্রেকার ভ্যাকুয়াম বা শূন্য মাধ্যম সৃষ্টি করে আর্ক অবদমন করে তাকে ভ্যাকুয়াম সার্কিট ব্রেকার।বলে।
আর্কঃ আর্ক হল একধরনের ইলেকট্রিক্যাল ডিসার্জ যা ২ টি পরিবাহী ইলোকটর্ডের মধ্যে সৃষ্টি হয় এবং স্পার্ক তৈরি করে।
আর আর্ক সৃষ্টির জন্য যে ভোল্টেজ সৃষ্টি হয় তাকে আর্ক ভোল্টেজ বলে।
সাধারণত ১১কেভি/৩৩ কেভি সাবস্টেশনের জন্য এ সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়। এ ব্রেকারের ভোল্টেজ রেটিং ৩ থেকে ৩৮ কেভি পর্যন্ত হয়।
ভ্যাকুয়াম সার্কিট ব্রেকারে এক ধরনের চেম্বার থাকে যা ভ্যাকুয়াম ইন্টারপ্টার নামে পরিচিত।
☑️ভ্যাকুয়াম ইন্টারপ্টার চেম্বারঃ যে চেম্বারে বিদ্যুৎ পরিবাহী পাত খোলা বা বন্ধ এবং আর্ক অবদমিত হয় তাকে তাকে ভ্যাকুয়াম ইন্টারপ্টার বলে। এটি সিরামিকের আবরণ দেওয়া ইস্পাত দিয়ে গঠিত।
☑️ভ্যাকুয়াম সার্কিট ব্রেকারের কার্য পদ্ধতিঃ
ভ্যাকুয়াম সার্কিট ব্রেকার যে পাওয়ার সিস্টেম এর অন্তর্ভুক্ত সেখানে ফল্ট দেখলে তা ইন্টারাপ্টার চেম্বারে পরিবাহী পাত ২ টি একে অপর থেকে বিছিন্ন হয়ে যায়। বিছিন্ন হবার সময় ধাতব অংশ হতে বাষ্প তৈরি হয়। এ বাষ্প হতে আর্ক সৃষ্টি হয়। যখন আর্ক সৃষ্টি হয় তখন ইলেক্ট্রনগুলো সরে গিয়ে পাতের ২ পাশে অবস্থান করে। আর এতে ডাইইলেক্ট্রিক ফিল্ড তৈরি হয়ে আর্ক প্রশমিত করে পুনরায় আগের জায়গায় ফিরে আসে।
☑️ভ্যাকুয়াম সার্কিট ব্রেকার এর সুবিধাঃ
১. বদ্ধ অবস্থায় আগুনের কোন ঝুঁকি নেই।
২. বর্জ্য পাত সহ্য করতে পারে।
৩. রক্ষনাবেক্ষণ তেমন প্রয়োজন হয় না। নিঃশব্দে কাজ করে।
৪. দীর্ঘস্থায়ী এবং ক্ষতিকর কোন গ্যাস তৈরি করে না।
ভ্যাকুয়াম সার্কিট ব্রেকার এর অসুবিধাঃ
১. ব্রেকারের সাথে প্যারালালে ম্যাগনেটাইজিং কারেন্ট অবদমনের জন্য যন্ত্র সংযুক্ত করা লাগে।
২. ৩৬ কেভি এর উপর এ ব্রেকার রক্ষনাবেক্ষণ অনেক ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে খোলা জায়গায় রাখলে আগুন ধরে যেতে পারে।
11 KV ABB Vacuum Circuit Breaker.
Stock available 630, 1250, 2000, 3150, 4000 A.
Product Specification
Phase Three
Number of Pole 3 & 4 Pole
Operation Range 11 kV
Rated Duration of SC 3 sec
Operating Current Range: 630, 1250, 2000, 3150, 4000 A।
ধন্যবাদ।
11/04/2023
প্রশ্নঃ এসি কারেন্টকে ডিসি কারেন্ট থেকে বেশি বিপদজনক বলা হয় কেন?
DC কারেন্ট 50 A শক মানে 50 A কনস্ট্যান্ট থাকে।
AC 50 A শক মানে 50 A নয় এর চেয়ে কম বেশি হয়ে থাকে। সর্বোচ্চ বা শূন্য লেভেলের উপর ভিত্তি করে AC প্রতি সেকেন্ডে ৫০- ৬০ বার দিক বদলায় যার ফলে যখন মানুষের হার্টের মধ্য দিয়ে যায় তখন এই কম্পন হার্টের স্বাভাবিক কম্পোনের উপর আরোপিত হয়। ফলে শরীরে স্বাভাবিক রক্ত চলাচলের বাঁধাগ্রস্থ করে।
DC মুলত এই ঘটনা ঘটায় না। Dc এর দিক বদলায় না ফলে কম্পাঙ্ক শূন্য তাই DC কারেন্ট হার্টকে ফ্রিজ বা স্ট্যাচু করে দেয়। কারেন্ট থেকে মুক্ত হবার পরেই একটা স্ট্যাচু হার্ট দ্রুত ও সহজে আগের অবস্থানে ফিরে আসতে পারে। কিন্তু আমরা দেখি যে AC কারেন্ট আক্রান্ত রোগিকে হাসপাতালে DE Fibrillating দিয়ে হার্ট স্বাভাবিক কম্পাঙ্কে আনার জন্য চেষ্টা করা হয়। এটা দেখতে দু'টি বাটির মত জিনিস বুকের দুপাশে ধরে শক দিয়ে থাকে। অনেক মুভিতে দেখেছেন হয়তো।
যদি AC কারেন্ট হার্ট দিয়ে না গিয়ে ব্যক্তির হাত দিয়ে ঢুকে পা দিয়ে যায় সেক্ষেত্রেও AC মারক্তক। মানুষের শরীরে রোদ DC কারেন্টের জন্য সমান থাকলেও AC জন্য কমে যায়। AC কারেন্টে ফ্রিকুয়েন্সি এই বিশেষ রোধ ইম্পিডেন্সকে কমিয়ে দেয়। ফলে AC শকের প্রভাব DC কারেন্টের চেয়ে বেশি হয়।
AC ফ্রিকুয়েন্সি শরীরের পেশি গুলোকে সংকোচন করে ফেলে যার ফলে শরীরকে কারেন্ট লাইন এর সাথে আটকে রাখতে সাহায্য করে।
DC প্রথম থেকে কনস্ট্যান্ট গতিতে চলে তাই কারেন্ট শুরুতেই হঠাৎ করেই দেহকে টেনে ধরে এবং সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া বলের কারনে মানুষ ছিটকে পড়ে।