08/09/2024
শেখ হাসিনার জুলুম, অন্যায় অবিচার, গুম, খুন শুরু হয়েছিলো পীলখানা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে।
আমরা জানি পীলখানায় ৫৭ জন সেনা অফিসার কে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে আজ পর্যন্ত ৬ জন অফিসার নিখোজ আছেন, তাদের লাস পর্যন্ত খুজে পাওয়া যায়নি। এবং এরপর বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগে হাসিনা প্রায় ২০০ জন অফিসারদের আর্মি থেকে বের করে দিয়েছে। বিডিআর, আর্মি এক সাথে ধ্বংস।
কি ধরণের কারন দেখিয়ে অফিসার দের বের করে দেয়া হতো যদি একটা উদাহরণ বলি:
- মেজর রেজাউল করিম তাকে চাকরিচ্যুত করা হয় তাপসের উপর বোমা হামলা করার অভিযোগ এনে, অথচ আসল কাহিনি ছিলো তাপসের বাসার পাসে একটা এসি বিস্ফোরণ হয় তাতে কেউ হতাহত হয়নি, মেজর রেজাউল করিম কে পাচ বছর জেলও খাটানো হয়। জেল থেকে বেড় হলেও তাকে কোনো চাকরি বা ব্যাবসা করতে দেয়া হয়নি সর্বশেষ তিনি রাজ মিস্ত্রীর কাজ করে জিবিকা নির্বাহ করছেন। একজন কমান্ডো তিনি।
-ক্যাপ্টেন ড. খান সুবায়েল বিন রফিক তিনি ছিলেন পিল খানা হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কর্মকর্তা। তদন্ত রিপোর্ট শেখ হাসিনার মনমতো হয়নি। রিপোর্টে তাপস, জাহাঙ্গীর কবির নানক, এমপি রেজা সহ বেশ কয়েকজনের নাম থাকায় রিপোর্ট তার মুখে ছুড়ে মারে হাসিনা। এরপর তাকে ৩৬১ দিন আয়না ঘরে কাটাতে হয়।
নতুন বাংলাদেশে ছাত্র জনতা সামরিক বাহিনীকে যেমন দেখতে চাইবে-
১. পীলখানা হত্যাকাণ্ডের পরে অকারণে যেসকল চৌকস অফিসারদের আর্মি, বিডিআর থেকে বের করে দেয়া হয়েছে তাদের চাকরিতে পুনর্বহাল করা হবে এবং যথাযথ সম্মান ও মর্জাদার সাথে।
২. হাসিনার জুলুমের শিকার, পদন্নোতি আটকে থাকা অফিসারদের যথাযোগ্য পদোন্নতি অতি দ্রুতই দেয়া।
৩. দূর্নীতিবাজ, খুনি হাসিনার সহোযোগি অফিসারদের অতি দ্রুত সামরিক বাহিনী ও পুলিশ থেকে বর্খাস্ত করে বিচারের মুখোমুখি করা।
৪. সামরিক বাহিনীতে, পুলিশ বাহীনিতে পদন্নোতি দিতে হবে সার্ভিস লাইফের স্কোর, কাজের সফলতা, দক্ষতা ও সক্ষমতার ভিত্তিতে এবং যারা সর্বোচ্চ পদে যাবেন তাদের স্কোর, যোগ্যতা জনগণের সামনে প্রকাশ করা। কেনো তাকে সেনা প্রধান, বিমান বাহিনী প্রধান, নৌবাহিনীর প্রধান বা পুলিশ বাহিনীর প্রধান করা হলো। যেকোনো ভাবে পলিটিক্যাল নিয়োগ, পদোন্নতি বন্ধ করা। পলিটিক্যাল কোটা সামরিক বাহিনীতে জনগণ আর দেখতে চায় না।
-মো: রাজন সিকদার
কোওর্ডিনেটর: ইন্টারন্যাশনাল পলিসি রিসার্চ সেন্টার