ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড মুজিববর্ষে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার।
StartUp IT Institute
We are going to start Internship Batch
আপনার ডিজাইন ক্যারিয়া সফল করতে আমরা শুরু করছি
>>Internship Course - 2020
23/03/2020
#রেড_এলার্টঃ
করোনা ভাইরাস সংক্রমন ঠেকাতে না পারলে এখন থেকেই শরীরটাকে ফিট করুন করোনা ফাইটের জন্যঃ
সুত্রঃ Administrative Service পেজ
১) প্রথম কাজ হচ্ছে সুস্থ থাকা। আপনার যদি কোন রোগশোক থাকে তাহলে সবার আগে সেটা চিকিতসা করে ঠিক করে নিন।
ডায়বেটিস, ব্লাড প্রেশার ইত্যাদি থাকলে কন্ট্রোল করুন।
এলার্জি, এজমা বা সাইনাস জনিত সমস্যা থাকলে এখন থেকেই কেয়ারফুল থাকুন।
ঠান্ডা, হাঁচি কাশির প্রবনতা থাকলে এখন থেকেই ঠান্ডা থেকে দূরে থাকুন।
অর্থাৎ, আগে শরীরটাকে একদম রোগমুক্ত রাখুন। মনে রাখবেন, করোনা ভাইরাস বিপদজনক তাদের জন্যই, যাদের শরীর আগে থেকেই বিপদে আছে।
২) তারপর আপনার কাজ হচ্ছে প্রতিদিন পর্যাপ্ত এবং প্রশান্তির ঘুম। সহজ ভাষায় বললে কোয়ালিটি স্লিপ। সুন্দর গোছানো বিছানা, মশারী টানানো। বিছানায় মোবাইল বা অন্যকিছু নেই। ঘুমানোর দুই তিন ঘন্টা আগেই খাওয়া দাওয়া শেষ। বিকেলের পর কোন চা কফি না।
ঘুমহীন শরীর মানে ভাংগাচোড়া ইমিউনিটি। মনে রাখবেন, শরীর তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পূনর্গঠন করতে পারে তখনই, যখন আপনি ঘুমে মগ্ন থেকে, শরীরকে তার নিজের কাজ নিজের মতো নিশ্চিন্তে করতে দেন।
৩) মনটাকে সকল প্রকার টেনশন এবং স্ট্রেস মুক্ত করে ফেলুন। কোন টেনশন না, কোন স্ট্রেস না। মেজাজটা একদম ফুরফুরে করে ফেলুন।
টেনশন হচ্ছে আপনার শরীরের জন্য সবচাইতে ক্ষতিকর। এই টেনশন থেকেই শরীরে রোগ বাঁধা শুরু হয়। আর মানসিক স্ট্রেসের কারনে যেসব জঘন্য হরমোন আপনার শরীরের শিরায় শিরায় ধাবিত হয় তা আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একদম দূর্বল করে ফেলে।
৪) প্রচুর পানি পান করুন। ফ্লুইড পান করুন। সাদা পানি যথেস্ট। সাথে ফলের জুস, শরবত, ডাবের পানি এসব খেলে তো কথাই নেই!
তবে চা কফি ইত্যাদি পানি দিয়ে বানানো হলেও তা আপনার শরীরে পানি বাড়ায় না বরং পানি শুষে ফেলে। তাই চা কফি অর্থাৎ ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় পান করতে হিসেবী হোন।
৫) শাকসব্জি ফলমূল প্রচুর খেতে হবে। একেক রঙের শাক সব্জি ফলমূলে একেক রকম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে। অনেক রঙের শাক সবজি খেতে পারলে অনেক রকম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লাভ করবেন আপনি। যেমন লাল, হলুদ আর সবুজ রংগের ক্যাপ্সিকাল, লাল শাক, গোলাপী রঙের গাজর, কমলা রঙের কমলা, কালো আংগুর ইত্যাদি নানা রঙের রংগিন শাকসব্জি আর ফলমূল খেতে থাকুন।
ভিটামিন সি ও এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল ও সবজি খান। যেমন লেবু, আমলকি, কাঁচামরিচ ইত্যাদি প্রতিদিন খেতে হবে।
৬) বিষ খাওয়া ছেড়ে দিতে হবে। সামনের কয়েকটা দিন রাস্তাঘাটের পোড়া তেলের ভেজাল স্ন্যাক্স, হজম গন্ডগোল করে এমন অখাদ্য রিচ ফুড, অতিমাত্রায় চিনি, চর্বি এসব মুখ দিয়ে ঢুকিয়ে শরীরটাকে বিষাক্ত আর কাহিল করা যাবেনা। ঘরে তৈরী পুষ্টিকর খাবার খান।
৭) ঔষধি খাবারকে এমনি এমনি ঔষধি বলা হয়না। এসব সায়েন্টিফিক্যালি প্রমানিত তো অবশ্যই, তাছাড়া পবিত্র কোরআন শরীফেও কিছু খাদ্যদ্রব্যকে শেফা, বা রোগমুক্তির উপায় বলা আছে।
শরীরটাকে বুস্ট আপ করতে সহজলোভ্য কিছু রোগ প্রতিরোধী খাবার হচ্ছেঃ
- মধু
- কালিজিরা
- গরম দুধ দিয়ে হলুদ বাটা/ গুড়ো
- গরম দুধ আর রসুন
- গরম পানি দিয়ে লেবুর রস
- গরম পানি আর আদা
- গরম পানি, দারচিনি ইত্যাদি।
৮) মনটাকে পজিটিভ রাখুন। একদম ভালো মানুষ হয়ে যান। সবাইকে মাফ করে দিন। ইবাদত করুন। জায়নামাজে বসে তওবা করুন। রাগ, ক্ষোভ, উত্তেজনা বাদ দিন। সবার সাথে ভালো ব্যাবহার করুন। সেবা করুন, দান করুন। এতে আপনার মন স্ট্রেসমুক্ত হবে, নির্ভার হবে, ভালো ফিলিংস বা গুড মুড আসবে।
তাতে কি লাভ? স্ট্রেস হরমোন যেমন শরীরটাকে ধ্বংস করে ফেলে, ঠিক তেমনি মনের ভেতর 'ভালো ফিলিংস' শরীরে ভালো হরমোনের জোয়ার বাড়িয়ে দেয়।
ভালো ফিলিংস এর কারনে যদি আপনার শরীরে ভালো হরমোনের জোয়ার আসে, তখন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিকঠাক কাজ করতে পারে। শরীরে রোগ জীবাণুর আক্রমন করা তখন অনেক কঠিন হয়ে যায়।
৯) অলস থাকবেন না। হালকা ব্যায়াম করুন।
কাদের ক্ষেত্রে সাবধান থাকবেন?
১) শিশু ২) বৃদ্ধ ৩) অসুস্থ ৪) দূর্বল ৫) যেকোন প্রকার শ্বাসকস্টের রোগী ৬) ক্যান্সার / কেমোথেরাপী নিচ্ছে বা নিয়েছিলো এমন রোগী। ৭) প্রচন্ড শারীরিক ধকলের, জটিল রোগের ভেতর যাবার ইতিহাস আছে এমন কেউ।
যা লিখলাম সব সায়েন্টিফিক। কোন সন্দেহ রাখবেন না।
আপনার পরিবারে এমন যারা আছে, বিশেষ করে অসুস্থ বা বৃদ্ধ বাবা-মা, তাদের এখনই সকল সুবিধে সহ একটি রুমে আলাদা করে থাকতে দিন। উনাদের রুম থেকে বের হবার দরকার নেই। আপনারাও একদম পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে মাস্ক পড়ে নিরাপদ দূর থেকেই তাদের সাথে যোগাযোগ রাখুন। কয়েক সপ্তাহ এমন এক্সট্রিম সাবধানতার বিকল্প নেই।
প্রফুল্ল থাকুন, বিশ্রামে থাকুন, সঠিক খাবার খান, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থেকে সংক্রমন এড়িয়ে চলুন।
25/02/2020
লার্নিং এন্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট এর আওতায় ৬৪টি জেলায় এবং ৪৯২টি উপজেলায় ৫০ দিন ব্যাপী ২০০ ঘণ্টার ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক ডিজাইন এবং ডিজিটাল মার্কেটিং প্রশিক্ষণ কোর্সের রেজিস্ট্রেশন চলছে।
রেজিস্ট্রেশন লিংকঃ http://ledp.ictd.gov.bd/registration
17/02/2020
ফ্রিল্যান্সিং শুরুর আগে যা জানা উচিৎ ( নতুনদের জন্য)
# কেন আপনি ফ্রিল্যান্সার হবেন?
# ফ্রিল্যান্সিং ক্যাটাগরি ?
# ফ্রিল্যান্সিং কোথায় করা যায়?
# একাউন্ট করতে কি টাকা লাগে?
# ফ্রিল্যান্সার হতে কি লাগে?
# টাকা কিভাবে পাবো?
এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর ...
ফ্রিল্যান্সিং শিখে নিজেই আয় করুন || Start Successful Freelancing Career || Freelance Tech ফ্রিল্যান্সিং শিখে নিজেই আয় করুন || Start Successful Freelancing Career #ফ্রিল্যান্সিং_শিখুন Best Regards
ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে ভিডিও আপনার জন্য আমার খুদ্র প্রচেষ্টা,
ভিডিও এডিটিং চলছে.... শেখার সাথেই থাকুন
ধন্যবাদ
Happy Valentine's Day
Best Wishes to all
11/02/2020
জানলে ভালো 😍😍
আর আপনি যদি এখনো না জেনে থাকেন তবে কমেন্ট করুন।
উত্তর এর জন্য অপেক্ষা করুন ...
LEDP Registration Link >>
http://ledp.ictd.gov.bd/
09/02/2020
১। ঘর ঝাড়ু দিতে হলেও এতো ভালো করে ঝাড়ু দিবে যাতে তোমার চেয়ে ঐ কাজ বেটার কেউ করতে না পারে।
২। নিজের জীবনটা এমন ভাবে গড় যাতে তুমি ইতিহাস গড়তে পারো। ইতিহাস পড়া আর গড়া এক না।
৩। জীবনে ডিসিপ্লিনের চেয়ে বড় আর কিছু নাই। ডিসিপ্লিনের বাইরে গেলেই জীবন যুদ্ধ ও জীবন যাত্রা থেকে ছিটকে পড়ে যেতে হবে।
৪। আর ১০ জনের মতো হতে যেও না, নিজের মতো থেকো, অনুসরন করো, অনুকরন করো না।
৫। কথা কম বলো, কম লিখে সব কিছু বুঝানোর চেষ্টা করো। কোটি টাকার প্রস্তাবনাও ১ পেজে লিখো, বুলেট করে লিখো। কারো সময় নাই, দুই পেজ পড়ার।
৬। প্রত্যেকদিন পড়াশুনা করবে, নিজের ক্ষেত্রে নতুন কিছু শিখবে। নিজের সাথে কম্পিটিশন করবে।
৭। চাকরি করা মানেই দাসত্ব না, চাকরি তোমার নিজের সাথে প্রতিষ্ঠানের একটা ডিল। তুমি চুক্তিমতো কাজ করবে, নিজের সেরাটা দিবে। কেউ তোমাকে মনিটর করবে না, ফাকি দিলে নিজেই ঠকবে।
৮। চাকরি করবো না, চাকরি দিবো, বিষয়টা অহংকারের নয়, কারন চাকরি যেমন দিতে পারতে হবে, তেমনি ভালোভাবে চাকরি করতেও পারতে হবে। এগুলো নিয়ে উদ্ধত কথা বলা কেউ সফল হতে পারে না। পরস্পর পরস্পরকে সম্মান করতে হবে।
৯। বিনয় মানুষকে বড় করে, অহংকার ছোট করে। সব সময় মাটির দিকে তাকিয়ে হাটবে।
১০। লিখুন, ছোট বড় প্রতিটা জিনিস লিখুন, এতে অনেক কাজ যথাসময়ে করতে পারবেন।
- Rubana Huq
(Collected)
04/02/2020
ইউটিউব কি?
আমার মনে হয় না এই প্রশ্নের উত্তর কারো অজানা তারপরও ছোট করে বলছি। ইউটিউব হচ্ছে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় একটি ভিডিও শেয়ারিং সাইট যেখানে যে কেউ চাইলে ভিডিও আপলোড করতে পারে সম্পূর্ণ ফ্রিতে। এবং ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে আয়ও করা যায়।
কিভাবে আয় হয় ইউটিউব থেকে?
ইংলিশ তো আন্তর্জাতিক ভাষা তো সবচেয়ে ভাল হয় যদি আপনি ইংলিশে ইউটিবিং করেন কারন ইংলিশে করলে সারা বিশ্ব থেকে ভিউয়ার পাবেন। অনেকে আছেন ভাল ইংলিশ বলতে ও লিখতে পারেন তাদের জন্য বলছি যদি আপনার কন্টেন্ট ইংলিশে হয় তাহলে আপনার ভিউ পাবার সম্ভবনা অনেক বেশি। যদি ইংলিশে করতে না পারেন সমস্যা নেই হয়ত একটু দেরিতে কিন্তু ভিউয়ার পাবেন চিন্তার কিছু নেই।
ইউটিউবিং করতে হলে কি কি জানতে হবে?
একটা সময় ছিল ইউটিউবিং নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের এত আগ্রহ ছিল না এমনকি আমারও না কিন্তু বর্তমানে ইউটিউবিং নিয়ে বেশ কম্পিটিশন চলছে, মানে যার কন্টেন্ট ভাল তার ভিউইয়ার ও তত বেশি। তাই ইউটিউবিং করতে হলে আপনাকে কিছু জিনিষ অবশ্যই জানতে হবে।
যেমন -
ব্যাসিক ইংলিশ জানতে হবে।
কমপক্ষে একটি ভাষা ভালভাবে বলতে ও লিখতে জানতে হবে।
ব্যাসিক কম্পিউটার নলেজ থাকতে হবে।
ব্যাসিক ফটো এডিটিং জানতে হবে।
ব্যাসিক ভিডিও এডিটিং জানতে হবে।
ইন্টারনেট সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা থাকতে হবে।
যদি কেউ মনে করেন এগুলো ছাড়াও তো ইউটিউবিং করা যায়। হ্যাঁ আপনার কথা সত্য কিন্তু হাজারো ইউটিবারের ঝরে পড়ার পেছনে এই কারণগুলো থাকে। আমার লিখা পড়ে হয়ত একজনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে আমি ইউটিউবিং করব, কিন্তু এই বেসিক নলেজ গুলো না থাকলে ঝরে পরার সম্ভবনা বেশি। তাই আমি চাই না শুধু সুধু কাউকে মিথ্যে স্বপ্ন দেখাতে।
সিদ্ধান্ত নিন কি নিয়ে কাজ করবেন
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিষ হচ্ছে সিদ্ধান্ত নেয়া যে আসলে আপনি কি নিয়ে কাজ করতে চান। আমি সবসময় সবাইকে একটা কথা বলি যে আপনি আপনার মন থেকে কাজটি করুন। কারন প্রত্যেকটি মানুষের কিছু না কিছু গুণ অবশ্যই থাকে। যেমন যদি উদাহরন হিসেবে বলি - অনেকের প্রযুক্তি সম্পর্কে ভাল জ্ঞান আছে,অনেকের ধর্ম সম্পর্কে ভাল জ্ঞান আছে, অনেকে অভিনয়ে ভাল, আবার অনেকে ভাল গান গাইতে পারে, আবার অনেকে ভাল মোটিভেশনাল কথা বলতে পারে ইত্যাদি আপনি সেই স্কিল গুলো মিলান যদি পারেন সেগুলো দিয়ে শুরু করেন। তাহলে আপনার আর নতুন করে কোন জিনিষ শিখে তারপর ইউটিবিং করতে হবে না। আর চেষ্টা করবেন ব্যতিক্রম কিছু নিয়ে শুরু করতে। উপরের এগুলো শুধুমাত্র উদাহরনের জন্য দিলাম।
কি কি লাগবে ইউটিউবিং করতে হলে?
আমি আপনাকে ২ ভাগে ভাগ করে দিচ্ছি তাহলে বিষয়টি সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে যাবে।
১। যদি নিজেকে শো আপ করেন।
২। যদি নিজেকে শো আপ না করেন।
১। যদি আপনি নিজেকে শো আপ করেনঃ
যদি আপনি কামেরার সামনে আসেন তাহলে চেষ্টা করবেন যে যে জিনিষগুলো নিয়ে ইউটিউবিং শুরু করতে -
আমি এটাকেও ২ ভাগে ভাগ করে দেখাচ্ছি -
i. বাজেট থাকলে।
ii. বাজেট না থাকলে।
বাজেট থাকলেঃ
একটি DSLR নিয়ে শুরু করতে কারন এই ক্যামেরাটি আপনার ভিডিওর কোয়ালিটি খুব ভাল রাখবে ও আপনাকে অডিয়েন্স তারাতারি গ্রহন করবে। যদি না পারেন তাহলে চেষ্টা করবেন ভাল কোয়ালিটির একটি ডিজিটাল ক্যামেরা নিতে।
একটি ভাল মানের কম্পিউটার যা দিয়ে আপনি আপনার ভিডিওকে বিভিন্ন সফটওয়্যার দিয়ে খুব ভাল ভাবে এডিট করতে পারবেন।
একটি ভাল মানের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশন (যদি আপনার এলাকায় থাকে)। কারন হল ভিডিও কোয়ালিটি ভাল রাখতে হলে একটি ৫ মিনিটের ভিডিও অনেক সময় ৫০০-১৫০০ মেগাবইটের হয়ে যায়।অপরদিকে ভিডিও কোয়ালিটি ভাল হলে যে কেউই আপনার ভিডিও সহজে পছন্দ করবে। তাই মোবাইল কম্পানি থেকে এত ডাটা কিনে খরছ বহন করতে পারবেন না।
২ টি লাইটিং থাকলে ভাল হয় যদি আপনি ঘরে কোন ভিডিও রেকর্ড করেন তবে এই লাইট গুলো ভিডিও কোয়ালিটি আরো উন্নত করবে।
ভাল মানের একটি ক্যামেরা স্ট্যান্ড (যেগুলো মুভ করা যায়)।
বাজেট না থাকলেঃ
একটি ভাল স্মার্ট ফোন (৭-১০ হাজার টাকার ফোন হলেই চলবে)।
একটি ভাল মানের হেডফোন।
২। যদি নিজেকে শো আপ না করেন।
একটি ভাল মানের কম্পিউটার।
একটি ভাল মানের মাইক্রোফোন (ভয়েজ রেকডিংইয়ের জন্য)।
একটি ভাল মানের DSLR ক্যামেরা (যদি আউটডোরে কিছু শুট করতে চান) যেমন - নিউজ টাইপের, বা কোন প্লেস সম্পর্কে।
ভাল মানের একটি ক্যামেরা স্ট্যান্ড (যেগুলো মুভ করা যায়)।
যদি স্ক্রিন ক্যাপচার টিউটোরিয়াল বানান তাহলে ক্যামেরা ও স্ট্যান্ড না হলেও চলবে। (এক্ষেত্রে উপরের প্রথম ২ টি স্টেপ ফলো করুন)।
যে জিনিষ গুলো অবশ্যই মাথায় রাখবেন
ইউটিউবিং শুরু করার আগে টাকা টাকা করবেন না।
অন্যের ভিডিও আপলোড করে টাকা আয় করবেন ভুলেও ভাববেন না।
অন্যের ভিডিও দেখে ইন্সপায়ার হতে পারেন কিন্তু হুবহু উনার মত ভিডিও বানাবেন না।
১৮+ কোন কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করবেন এমন চিন্তা ভাবনা থেকে বিরত থাকুন।
আপলোড হবার পর থেকে ভিউ হতে শুরু করবে এমন চিন্তা ভাবনা করবেন না একটু অপেক্ষা করতে হবে।
ইউটিউব কমিউনিটি গাইডলাইন অবশ্যই ফলো করতে হবে।
04/02/2020
LEDP 2020 Registration এ যে ডাটা গুলো প্রয়োজন
Choose District (যে জেলায় প্রশিক্ষণ করতে ইচ্ছুক)
Course ( যে ক্যটাগরিতে প্রশিক্ষণ নিতে ইচ্ছুক)
Name:
Father name:
Mother Name:
Phone number:
Enail:
Date of Birth:
Address:
Village:
Post office:
Sub District:
District:
NID or Birth Reg- NO:
Photo: ( Size 2MB max)
Signature: ( Size 2MB max)
রেজিস্ট্রেশন লিঙ্কঃ- http://ledp.ictd.gov.bd/
Course Category :
1. Graphic Design
2. Digital Marketing
3. Web Design and Development
LEDP Update || ফ্রি ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ সুযোগ || LEDP 2020 Registartion Problem and Solution LEDP Update || ফ্রি ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ সুযোগ || LEDP 2020 Registartion Problem and Solution কোর্সটি সরকারীভাবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবারের LEDP তে ....
30/01/2020
আপনার আসে পাশে বড় ভাই বোন ভাবি পড়াশোনা শেষ করে বেকার বসে থাকলে তাদের এই প্রশিক্ষণের কথা জানিয়ে দিন, ঘরে বসেই ইনকাম সহ ক্যারিয়ার গঠন করতে পারবেন
LEDP 2020 || Why you join LEDP Free Training || সরকারিভাবে ফ্রি প্রশিক্ষণ LEDP 2020 || Why you need to join LEDP Training || সরকারিভাবে ফ্রি প্রশিক্ষণ কোর্সটি সরকারীভাবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবারের LEDP তে সারা বাংলাদেশ...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Address
Dhaka
1216