Bangladesh Bridge Authority

Bangladesh Bridge Authority

Share

Aim is to the page for giving opportunity public discussion relating to Bangladesh Bridge Authority

Bangladesh Bridge Authority is responsible for development of planning (including feasibility study), implementation, monitoring and evaluation of construction of bridges of 1500m or over, toll road, flyover, expressway, causeway, link road etc.

31/05/2026

পদ্মা ও যমুনা সেতুর সুব্যবস্থাপনায় ঈদুল আযহায় ঈদে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা ছিল নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুসারে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি ও মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মো: রাজিব আহসান এমপি-এর দূরদর্শী নেতৃত্বে এবং সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ-এর সার্বক্ষণিক তত্বাবধানে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের আওতাধীন পদ্মা সেতু ও যমুনা সেতু ব্যবহার করে ঈদ উদযাপন করে কর্মব্যস্ত ঘরমুখো মানুষ নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে সেতু পারাপার করে কর্মস্থলে ফিরছেন।

ঈদুল আযহার ঈদযাত্রা উপলক্ষ্যে এক বিবৃতিতে সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের ঈদযাত্রাকে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে নিরলসভাবে কাজ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী এবং মাননীয় প্রতিমন্ত্রীও ঈদযাত্রায় সার্বক্ষণিক মনিটরিং করেন।

পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে ঈদে ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে গৃহীত সুপরিকল্পিত প্রস্তুতি এবং সমন্বিত ব্যবস্থাপনার ফলে পদ্মা সেতুতে ২১-৩০ মে ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত ১০ দিনে ৩ লক্ষ ১৮ হাজার ৫১৫ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে এবং মোট টোল আদায় হয়েছে ৩৬ কোটি ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার ৯০০ টাকা।

একইভাবে যমুনা সেতুতে ২১-৩০ মে ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত ১০ দিনে ৩ লক্ষ ৬১ হাজার ৪৮২টি যানবাহন পারাপার হয়েছে এবং মোট টোল আদায় হয়েছে ২৭ কোটি ৬৮ লক্ষ ৫৪ হাজার ৯০০ টাকা। বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবছর যানবাহনের চাপ বেশি থাকলেও এই বছর বড় কোন দুর্ঘটনা বা বড় ধরণের যানজট পরিলক্ষিত হয়নি। এই পরিসংখ্যানগুলো দেশের সড়ক অবকাঠামো ব্যবস্থাপনায় সেতু কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা এবং দক্ষতার প্রতিফলন।

এই গৌরবময় অর্জনের পেছনে যাঁদের নিরবচ্ছিন্ন পরিশ্রম ও নিষ্ঠা রয়েছে—তাঁদের মধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় মন্ত্রী, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী-এর প্রাজ্ঞ নেতৃত্ব এবং সেতু সচিব সচিবের সার্বক্ষণিক তত্বাবধান, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাবৃন্দের পেশাদারিত্ব, স্থানীয় প্রশাসন,পুলিশ বিভাগ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, পরিবহন মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, কুরবানির পশুবাহী ট্রাক, স্থানীয় সংবাদিকবৃন্দ,পরিবহন চালক-শ্রমিকগণের আন্তরিক সহযোগিতা এবং টোল আদায় ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর আন্তরিক প্রচেষ্টা বিশেষভাবে প্রশংসার দাবিদার।

এই সাফল্যের মাধ্যমে ঈদে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা আরও স্বস্তিদায়ক ও সুশৃঙ্খল হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের আন্তরিক সহযোগিতা ও দায়িত্ববোধ এই সাফল্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ঈদ-উল-আযহা সকলের জন্য আনন্দময়, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে।

মাননীয় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপকক্ষের নির্বাহী পরিচালক মহোদয়ের পক্ষ হতে দেশবাসীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

Photos from Bangladesh Bridge Authority's post 27/05/2026

পদ্মা সেতু এবং যমুনা সেতু দিয়ে নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে যানবাহন পারাপার

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুসারে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি ও মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মো: রাজিব আহসান এমপি এবং সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ এর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও কার্যকর দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের আওতাধীন পদ্মা সেতু ও যমুনা সেতু দিয়ে নির্বিঘ্নে ঈদে উদযাপন করতে ঘরমুখো মানুষ সেতু পারাপার হচ্ছে।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি আজ সকালে যাত্রীসাধারণের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে বিআরটিএ তে স্থাপিত কন্ট্রোলরুম পরিদর্শনকালে যমুনা সেতু এবং পদ্মা সেতুর কিছু লাইভ ভিডিও ফুটেজ পরিদর্শন করেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মোঃ রাজিব আহসান এমপি ঈদে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নিরাপদ করার লক্ষ্যে পদ্মা সেতু টোলপ্লাজা সরজমিনে পরিদর্শন করেন।

ঈদুল আজহায় ঈদযাত্রা উপলক্ষ্যে এক বিবৃতিতে সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থাকে সহজ ও আধুনিক করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী এবং মাননীয় প্রতিমন্ত্রীও জনসাধারণের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করে যাচ্ছেন।

পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে গৃহীত সুপরিকল্পিত প্রস্তুতি এবং সমন্বিত ব্যবস্থাপনার ফলে পদ্মা সেতুতে গত ২৪ ঘণ্টায় (২৬ মে ২০২৬) ৪৫ হাজার ৬০২টি যানবাহন পারাপার হয়েছে এবং টোল আদায় হয়েছে ৫ কোটি ৩ লক্ষ ২৪ হাজার ৪৫০ টাকা। যমুনা সেতুতে গত ২৪ ঘণ্টায় (২৬ মে ২০২৬) ৫৬ হাজার ২৩৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে এবং টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৮২ লক্ষ ৯৭ হাজার ৫০টাকা। গত বছরের তুলনায় যানবাহনের চাপ বেশি থাকলেও এই বছর বড় কোন দুর্ঘটনা বা বড় ধরণের যানজট পরিলক্ষিত হয়নি। এই পরিসংখ্যানগুলো দেশের সড়ক অবকাঠামো ব্যবস্থাপনায় সেতু কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা এবং দক্ষতার প্রতিফলন।

মাননীয় মন্ত্রী ও মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবং সচিব, সেতু বিভাগ ও নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ঈদ-উল-আযহা ২০২৬ উপলক্ষ্যে পদ্মা সেতু এবং যমুনা সেতু এলাকায় গৃহীত উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপসমূহ নিম্নরূপ:
টোল কালেক্টরদের প্রশিক্ষণ প্রদান, অত্যন্ত দক্ষ টোল কালেক্টরদের নিয়োগ, সার্বক্ষণিক টোল লেন চালুর ব্যবস্থা, মোটর সাইকেল লেন বৃদ্ধি, নন-স্টপ ETC চালু, মাওয়া বাস-বে উন্মুক্তকরণ, সার্ভেইল্যান্স ক্যামেরার মাধ্যমে উন্নত ট্রাফিক মনিটরিং, উচ্চ পর্যায়ের সার্বক্ষণিক মনিটরিং টিম গঠন, দুর্ঘটনারোধে ব্যবস্থা গ্রহণ, যাত্রীদের জরুরি সহায়তা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, এলেঙ্গা বাস-বে উন্মুক্তকরণ, সেতুর প্রতি ৩০০ মিটার পর পর সার্বক্ষনিক সিকিউরিটি গার্ড মোতায়েন,কর্ণফুলী টানেল থেকে আনা ১টি ভারী রেকারসহ মোট ৩টি রেকারের মাধ্যমে দ্রুত রেসকিউ কার্যক্রম সম্পন্নকরণ, দ্রুত টোল পরিশোধের সুবিধার্থে টোল বুথে প্রয়োজনীয় অঙ্কের ভাংতি টাকার সংস্থান রাখা, কোরবানির পশু বহনকারী গাড়িগুলোকে Weighing Scale Machine-এর আওতামুক্ত রাখা, যে-কোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস এবং মেডিক্যাল টিমকে সদা প্রস্তুত রাখা, ইমার্জেন্সি টোল লেন চালু, যাত্রীসাধারণের ব্যবহারের জন্য ওয়াশরুম ও জরুরি প্রয়োজনে টোলপ্লাজার পাশে সুপেয় পানির ব্যবস্থা ইত্যাদি।

এই গৌরবময় অর্জনের পেছনে যাঁদের নিরবচ্ছিন্ন পরিশ্রম ও নিষ্ঠা রয়েছে—তাঁদের মধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় মন্ত্রী, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এবং সেতু সচিব সচিবের প্রাজ্ঞ নেতৃত্ব, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাবৃন্দের পেশাদারিত্ব, এবং টোল আদায় ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর আন্তরিক প্রচেষ্টা বিশেষভাবে প্রশংসার দাবিদার।

এই সাফল্যের মাধ্যমে ঘরমুখো মানুষের ঈদ যাত্রা আরও স্বস্তিদায়ক ও সুশৃঙ্খল হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের আন্তরিক সহযোগিতা ও দায়িত্ববোধ এই সাফল্যকে সম্ভব করেছে। মাননীয় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপকক্ষের নির্বাহী পরিচালক মহোদয়ের পক্ষ হতে দেশবাসীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। আসন্ন ঈদ-উল-আযহা সকলের জন্য আনন্দময়, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ হোক—এই শুভকামনা রইল।

24/05/2026

আসন্ন ঈদে এলেঙ্গা-যমুনা সেতু মহাসড়কে যান চলাচল থাকবে নির্বিঘ্ন: ৪ লেনের সুবিধা পাচ্ছেন যাত্রীরা

আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও যানজটমুক্ত রাখার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অংশ সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২-এর এলেঙ্গা হতে যমুনা সেতুর পূর্ব গোলচত্বর পর্যন্ত অংশে বিশেষ ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। মহাসড়কের এই অংশে বর্তমানে যানবাহনসমূহ কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করছে।

আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা ২০২৬ উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের ঈদ যাত্রা নিরাপদ ও যানজটমুক্ত রাখতে যমুনা সেতু এলাকায় সার্বক্ষণিক মনিটরিং এর দায়িত্বে আছেন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) ও যুগ্মসচিব জনাব মোঃ ভিখারুদ্দৌলা চৌধুরী।

এলেঙ্গা হতে যমুনা সেতুর পূর্ব গোলচত্বর পর্যন্ত মহাসড়কের বর্তমান ট্র্যাফিক বিন্যাস এবং আসন্ন ঈদের প্রস্তুতি সম্পর্কে এক বিবৃতিতে সেতু বিভাগের সচিব এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, বিগত বছরগুলোতে উত্তরবঙ্গগামী সাধারণ মানুষের ঈদযাত্রায় এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত অংশটি একটি অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে এবার সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২-এর আওতাধীন চলমান উন্নয়ন কাজের অংশ হিসেবে আমরা কিছু কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এর মধ্যে অন্যতম হলো—নির্মিত ২ লেনের সার্ভিস সড়ক এবং বিদ্যমান ২ লেনের মূল সড়কের সফল সমন্বয়। এর মাধ্যমে পুরো অংশে কার্যত ৪ লেনের সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। ফলে উত্তরবঙ্গ ও ঢাকামুখী উভয় প্রান্তের যানবাহন এখন কোনো ধরনের কৃত্রিম যানজট ছাড়াই সম্পূর্ণ স্বাভাবিক গতিতে যাতায়াত করতে পারবে। এছাড়াও, যমুনা সেতুর পুর্ব গোলচত্ত্বর থেকে ইব্রাহিমাবাদ রেল স্টেশন পর্যন্ত ২ লেন বিশিষ্ট ৭০০ মিটার রিজিড পেভমেন্ট সড়ক যান চলাচলের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

আসন্ন ঈদের প্রস্তুতি বিষয়ে পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মহোদয় বলেন, এলেঙ্গা বাজার ফ্লাইওভার এলাকায় উভয় পাশে ২ লেন করে সড়ক ৪ লেনে প্রশস্তকরণ করায় এবং পর্যাপ্ত বাস-বে নির্মাণের ফলে যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামার কারণে যে যানজটের সৃষ্টি হতো, তা এবার পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব হবে। একই সাথে রাতের বেলা চালকদের সুবিধার্থে আমরা রিফ্লেকটিভ স্টিকার সহ বাশের খুঁটি ও টেকসই কংক্রিট ডিভাইডারের ব্যবস্থা করেছি। তিনি আরও বলেন, এবারের ঈদে এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত অংশে যান চলাচল সচল ও নির্বিঘ্ন রাখতে আমাদের মাঠ পর্যায়ের টিম, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং প্রকল্প প্রকৌশলীরা সার্বক্ষণিক তৎপর থাকবেন। সাধারণ মানুষের ঈদযাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২ এর আওতায় এলেঙ্গা হতে যমুনা সেতুর পূর্ব গোলচত্বর পর্যন্ত সড়কটির একপাশে পৃথক ২ লেনের সার্ভিস সড়কসহ মূল ৪ লেন অর্থাৎ সর্বমোট ৬ লেনে উন্নীতকরণের কাজ এগিয়ে চলছে। আসন্ন ঈদে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ সামলাতে মহাসড়কটিতে বর্তমানে কার্যত চার লেনের সুবিধা সচল করা হয়েছে:
উত্তরবঙ্গমুখী যানবাহন: ইতোমধ্যে সফলভাবে নির্মিত ২ লেনের নতুন সার্ভিস সড়ক দিয়ে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে উত্তরবঙ্গের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
ঢাকামুখী যানবাহন: বিদ্যমান ২ লেনের মূল সড়কটি ব্যবহার করে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই ঢাকার অভিমুখে চলাচল করছে।

নির্মাণাধীন এলেঙ্গা বাজার ফ্লাইওভার অংশে যেন ঈদে কোনো ধরনের কৃত্রিম যানজট বা গতিহ্রাস না ঘটে, সেজন্য বিশেষ নকশায় সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ফ্লাইওভারের উভয় পাশে দুই লেন করে সর্বমোট ৪ লেন সড়ক প্রশস্তকরণ নিশ্চিত করা হয়েছে, যার ফলে এই বাজার এলাকায় স্বাভাবিক গতিতেই যানবাহন চলাচল করতে পারছে।

গণপরিবহনগুলো যেন যত্রতত্র দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করিয়ে যানজটের সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য এলেঙ্গা বাজার এলাকায় উত্তরবঙ্গমুখী ও ঢাকামুখী উভয় লেনের জন্য পৃথকভাবে ২টি স্থায়ী বাস-বে নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়াও সড়কের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আরও বেশ কয়েকটি বাস-বে সচল করা হয়েছে। পাশাপাশি, বর্ষা বা আকস্মিক বৃষ্টিতে মহাসড়কে যেন জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয়, সেজন্য এলেঙ্গা বাজার এলাকায় পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। রাতের বেলা এবং ঘন ট্র্যাফিকের সময়ে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রকল্প এলাকা জুড়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

নির্মাণাধীন উত্তরবঙ্গমুখী নতুন মূল ২ লেন সড়ক এবং সচল কৃত সার্ভিস সড়কের মধ্যবর্তী অংশে টেকসই কংক্রিটের সড়ক বিভাজক স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া, মহাসড়কের সংবেদনশীল ও বাঁকযুক্ত অংশগুলোতে চালকদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বাঁশের খুঁটির সাথে উচ্চ মানের রিফ্লেকটিভ স্টিকার যুক্ত করা হয়েছে, যা রাতে দূর থেকেও দৃশ্যমান হয়।

মাননীয় মন্ত্রী ও মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবং সচিব, সেতু বিভাগ ও নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ঈদ-উল-আযহা ২০২৬ উপলক্ষ্যে পদ্মা সেতু এবং যমুনা সেতু এলাকায় আরও কিছু উল্লেখযোগ্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপসমূহ নেওয়া হয়েছে:
টোল কালেক্টরদের প্রশিক্ষণ প্রদান, অত্যন্ত দক্ষ টোল কালেক্টরদের নিয়োগ, সার্বক্ষণিক টোল লেন চালুর ব্যবস্থা, মোটরসাইকেল লেন বৃদ্ধি, নন-স্টপ ETC চালু, সার্ভেইল্যান্স ক্যামেরার মাধ্যমে উন্নত ট্র্যাফিক মনিটরিং, উচ্চ পর্যায়ের সার্বক্ষণিক মনিটরিং টিম গঠন, দুর্ঘটনারোধে ব্যবস্থা গ্রহণ, যাত্রীদের জরুরি সহায়তা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, এলেঙ্গা বাস-বে উন্মুক্তকরণ; সেতুর প্রতি ৩০০ মিটার পর পর সার্বক্ষণিক সিকিউরিটি গার্ড মোতায়েন,কর্ণফুলী টানেল থেকে আনা ১টি ভারী রেকারসহ মোট ৩টি রেকারের মাধ্যমে দ্রুত রেসকিউ কার্যক্রম সম্পন্নকরণ, দ্রুত টোল পরিশোধের সুবিধার্থে টোল বুথে প্রয়োজনীয় অঙ্কের ভাংতি টাকার সংস্থান রাখা, কোরবানির পশু বহনকারী গাড়িগুলোকে Weighing Scale Machine-এর আওতামুক্ত রাখা, যে-কোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস, মেডিক্যাল টিম, অ্যাম্বুলেন্স সদা প্রস্তুত রাখা, ইমার্জেন্সি টোল লেন চালু ও জরুরি প্রয়োজনে টোলপ্লাজার পাশে সুপেয় পানির ব্যবস্থা ইত্যাদি।

এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত অংশে বর্তমান অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং গৃহীত সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপের ফলে আসন্ন ঈদের সময়ে যানবাহন চলাচলে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা বা যানজটের আশঙ্কা নেই। আসন্ন ঈদ-উল-আযহা সবার জন্য আনন্দময়, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ হোক— এই শুভকামনা রইল।

Photos from Bangladesh Bridge Authority's post 23/05/2026

ঈদুল আযহার ঈদযাত্রায় স্বস্তি: আব্দুল্লাহপুর ইন্টারসেকশনে ১৬০ মিটারের রিজিড পেভমেন্ট যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহায় ঘরমুখো মানুষের ঢাকা থেকে বহির্গমন এবং প্রবেশ পথকে যানজটমুক্ত ও সম্পূর্ণ নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে একটি বড় অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। আজ ২৩ মে ২০২৬ তারিখ সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের অন্যতম ব্যস্ততম ও জনগুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট আব্দুল্লাহপুর ইন্টারসেকশন এলাকায় সদ্যনির্মিত ১৬০ মিটার ‘রিজিড পেভমেন্ট’ অংশটি আনুষ্ঠানিকভাবে পরিদর্শন করেন এবং জনসাধারণের যান চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করে দেন।

সড়কটি উন্মুক্তকরণ শেষে সেতু সচিব বলেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহার আর মাত্র কিছু দিন বাকি। এই চ্যালেঞ্জিং সময়ের পূর্বেই অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে ১৬০ মিটার রিজিড পেভমেন্টের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে এই সড়কটি সময়মতো চালু হওয়ায় ঈদযাত্রায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে।

সচিব সেতু বিভাগ আরও বলেন, নবনির্মিত লেনের বিপরীত দিকে অবস্থিত বিদ্যমান লেনটি যেন অনতিবিলম্বে অস্থায়ীভাবে সংস্কার ও কার্পেটিং করে মেরামত করা প্রয়োজন। ঈদে উভয়মুখী যানবাহন চলাচল যেন কোনো ধরনের যান চলাচল বাধাগ্রস্ত না হয় এবং ট্রাফিক প্রবাহ যেন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন থাকে, তা নিশ্চিত করার জন্য পরামর্শ প্রদান করেন।

আব্দুল্লাহপুর ইন্টারসেকশনটি ঢাকার অন্যতম প্রবেশদ্বার হওয়ায় এখানে প্রতিনিয়ত তীব্র যানবাহনের চাপ থাকে। আব্দুল্লাহপুর ইন্টারসেকশনের এই আধুনিক ও টেকসই রিজিড পেভমেন্ট সড়কটি সচল হওয়ার মাধ্যমে ভারী যানবাহনসমূহ কোনো প্রকার ধীরগতি ছাড়াই এলাকাটি পার হতে পারবে। এই সংস্কারের ফলে ঈদ চলাকালীন সময়ে সড়কের কারণে এই পয়েন্টে কোনো প্রকার যানজট সৃষ্টি হবে না এবং সাধারণ মানুষ অত্যন্ত স্বস্তিতে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন।

এসময় বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী ও নির্মাণ কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

Photos from Bangladesh Bridge Authority's post 23/05/2026

সেতু বিভাগের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের গাড়িচালক জনাব মোঃ আবদুল মতিন এর সাফল্যমন্ডিত চাকরিকাল শেষে পিআরএল এ গমন উপলক্ষ্যে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ, সচিব, সেতু বিভাগ ও নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। এছাড়া, অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগ এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Photos from Bangladesh Bridge Authority's post 23/05/2026

সেতু বিভাগের সচিব এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ আজ সেতু বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) সভা,বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অর্থায়নে চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সমন্বয় সভায় সভাপতিত্ব করেন। উক্ত সভায় সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকগণ উপস্থিত ছিলেন।

Photos from Bangladesh Bridge Authority's post 21/05/2026

অদ্য ২১ মে ২০২৬ তারিখ সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ আব্দুল্লাহপুর ইন্টারসেকশন এলাকায় সদ্যনির্মিত ১৬০ মিটার Rigid pavement কাজের পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে সচিব মহোদয় সদ্য নির্মিত Rigid Pavement রাস্তা আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহার আগে উম্মুক্ত করার পাশাপাশি বিপরীত লেন অস্থায়ীভাবে মেরামত করে নির্বিঘ্নে যানবাহন চলাচল করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী ও নির্মাণ কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

19/05/2026

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পদের লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ:

Photos from Bangladesh Bridge Authority's post 14/05/2026

অদ্য বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে সেতু বিভাগ এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পিআরএল-এ গমন ও বদলী জনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ, সচিব, সেতু বিভাগ ও নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও, অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগ এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Photos from Bangladesh Bridge Authority's post 13/05/2026

যমুনা সেতুর ডেক সংস্কার ও পরিত্যক্ত রেল লেন সচল করতে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং সিসিসিসি-সিআরবিসি জেভি’র মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে আজ যমুনা সেতুর পরিত্যক্ত রেল লেনকে ব্যবহারোপযোগী করতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সেতুর ডেক সংস্কার, প্রশস্তকরণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি(সিসিসিসি)-চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশন (সিআরবিসি) জেভি-এর যৌথ উদ্যোগে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। উক্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) জনাব আলতাফ হোসেন সেখ।


বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এর পক্ষে প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো: ফেরদাউস এবং সিসিসিসি-সিআরবিসি জেভি-এর পক্ষে Mr. Wang Benqian চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগ, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সিসিসিসি-সিআরবিসি-এর প্রতিনিধিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জনাব আলতাফ হোসেন সেখ বলেন, দ্রুত চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ব্রিজ সম্প্রসারণের কাজটির গুণগত মান বজায় রেখে যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করে জনদুর্ভোগ লাঘবের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান ট্র্যাফিকের চাপ এবং দেশের উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের সাথে সংযোগকারী অন্যতম প্রধান অবকাঠামো যমুনা সেতুর আধুনিকায়ন ও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জিত হবে।

অতিরিক্ত সচিব ও পরিচালক (প্রশাসন) আরও বলেন, যমুনা সেতু আমাদের জাতীয় অর্থনীতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। যমুনা সেতুতে রেল সংযোগ পৃথক হওয়ার পর থেকে অব্যবহৃত থাকা রেল লেনটিকে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে সংস্কার করা হবে, এতে সেতুর যান চলাচলের রাস্তা ৩.৫ মিটার বৃদ্ধি পাবে। সেতুর উপরিভাগের (ডেক) সংস্কার ও প্রশস্তকরণের মাধ্যমে যানবাহনের ধারণক্ষমতা বাড়ানো এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সেতুর মূল কাঠামোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, যাতে সেতুটি আরও দীর্ঘ সময় সেবা দিতে পারে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নত মান বজায় রেখে এই সংস্কার কাজ শেষ হলে উত্তরাঞ্চলের সাথে যাতায়াত আরও নির্বিঘ্ন হবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল হবে।

এছাড়াও, অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং সিসিসিসি-সিআরবিসি জেভি-এর উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য যে, এই সংস্কার কাজ সম্পন্নের মাধ্যমে যমুনা সেতু আগামী দিনগুলোতে আরও টেকসই ও কার্যকর যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট সবাই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Bangladesh Bridge Authority Building, New Airport Road, Banani
Dhaka
1213

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00