02/11/2025
Indian Double Entry Visa🇮🇳
ভারতের ডাবল এন্ট্রি ভিসা করার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র-
1. মূল পাসপোর্ট (মিনিমাম ৭ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)।
2. NID Card এর ফটোকপি।
3. 2/2 ইঞ্চি রঙিন ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড)
4. ইউটিলিটি বিল এর ফটোকপি।
5. পেশা প্রমাণের জন্য-
ক. চাকরিজীবী হলে এন.ও.সি।
খ. ব্যবসায়ী হলে আপডেট ট্রেড লাইসেন্স।
গ. যদি কৃষক থাকেন তাহলে জমির পর্চা।
ঘ. স্টুডেন্ট হলে স্টুডেন্ট আইডি কার্ড।
6. আর্থিক সচ্ছলতা প্রমানের জন্য MTE ব্যাংক স্টেটমেন্ট মিনিমাম ছয় মাস অথবা ডলার androcement মিনিমাম ১৫০ ডলার সমপরিমাণ। অথবা এসবিআই ট্রাভেল কার্ড।
7. পূর্বের ভিসা থাকলে সেই ভিসার কপি।
8. লস্ট পাসপোর্ট থাকলে জিডি কপি, নোটারি এবং লস্ট সার্কুলেশন ( এটা পাবেন আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস থেকে অথবা আপনি যেখানে পাসপোর্ট করেছেন সেখানে গেলেও পাবেন।)
9. ওয়ার্ক পারমিট// অফার লেটার
10. কন্ট্রাক্ট লেটার
11. এপয়েন্টমেন্ট লেটার।
12. পুলিশ ক্লিয়ারেন্স।।
13. বিদেশ থেকে পাওয়ার কাগজগুলো নোটারি করতে হবে।। অর্থাৎ ইংলিশে ট্রান্সলেট করতে হবে অ্যাডভোকেট দিয়ে।
14. ডিক্লারেশন পেপারস যেটা কোর্ট কর্তৃক এফিডেভিট করা।।
04/12/2024
যারা ইউরোপে ভ্রমণ করতে যেতে চান, তাদের জন্য খুব কাজে আসবে এই পোস্টটা। সেইভ করে রাখতে পারেন
এখন থেকে ১৪ দিনের মধ্যে শেনজেন ভিসা পাওয়া যায়, যার মাধ্যমে ইউরোপের ২৭ টি দেশ ঘুরতে পারবো।
এখন অনেকেরই ভিসা হচ্ছে আবার অনেকের বিভিন্ন কারণে হচ্ছে না।
আমি এপ্লাই করার আগে, গুছিয়ে একজায়গায় সব ইনফরমেশনস কোথাও পাইনি। তাই ভাবলাম, গুছিয়ে লিখে দেই। সবার উপকারে আসবে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
১. শেনজেন ভিসাতে এপ্লাই করার জন্য, বেশিরভাগ জায়গাতেই আপনার আগে Appointment নিতে হয়। আর এখন Appointment এর জন্যই অনেক ক্ষেত্রে ২-৩ মাস লেগে যায়।
তাই যারা ভ্রমণ করতে যেতে চাচ্ছেন, তাদের জন্য Sweden embassy বেশ ভালো চয়েস। Appointment এর কোনো ঝামেলা নাই। পাশাপাশি ১৪ দিনের মধ্যেই পজিটিভ বা নেগেটিভ মেসেজ দিয়ে জানিয়ে দিবে।
২. আমি কমেন্টস সেকশনে VFS Global Sweden এর website এর লিংক দিয়ে দিচ্ছি। Check list অনুযায়ী সব কাগজপত্র গুছিয়ে সোজা ওদের অফিসে চলে গেলেই হবে।
বনানী শেরাটন হোটেলের উল্টো দিকের বিল্ডিংয়ের (Borak Mehnur) ৭ম তলায় ওনাদের অফিস।
৩. সকাল ৯ টা থেকে Application জমা নেয়া হয়। কিন্তু বিল্ডিংয়ের বাইরে সকাল ৮ টা থেকেই সিরিয়াল পড়ে যায়। আর খুবই সুশৃঙ্খলভাবে ঐ সিরিয়াল মেইনটেইন করে সকাল ৯ টা থেকে লোকজন ভেতরে নেয়া হয়।
৪. বর্তমানে ভিসা ফিস প্রায় ১০,৩৫০ জন প্রতি। ক্যাশ টাকা নিয়ে যেতে হয়। কার্ডে পেমেন্ট হয় না। এইটা একটা ঝামেলা।
৫. একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন, ৩৫x ৪৫ ছবি নতুন করে তুলে নিয়ে যাওয়া ভালো। আগে ভিসা পেয়েছেন এমন ছবি ব্যাবহার করা উচিৎ না।
৬. ভিসা ফর্ম আর কাভার লেটারটা খুব যত্ন করে করা উচিৎ।
কাভার লেটারটা খুব প্রফেশনাল হতে হবে। কোন কোন দেশের কোথায় কোথায় যাবেন, কবে যাবেন, কেন যাবেন সুন্দর করে উল্লেখ করতে হবে। আমি একটা টেম্পলেট দিয়ে দিবো দরকার হলে।
৭. মনে রাখবেন শেনজেন ভিসায় আপনি কবে যাবেন আর কবে ফিরে আসবেন, তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আপনি যদি উল্লেখ করেন যে, আপনি ১৫ দিন ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ঘুরবেন, তাহলে ওরা ঠিক ১৫ দিনের জন্যই দিবে।
তাই খুব বুঝে শুনে এই তারিখ উল্লেখ করবেন।
চেষ্টা করবেন, যে দেশের এম্বাসি হয়ে এপ্লাই করছেন সেই দেশে বেশি সময় থাকার।
৮. বুকিং ডট কম থেকে যেখানে যেখানে যাবেন সব জায়গার হোটেল বুকিং দিয়ে সুন্দর করে প্রিন্ট করে নিতে হবে। ফ্রি কেন্সেলেশন আছে এমন হোটেল বুকিং দিতে পারেন। ভিসা হলে cancel করে দিতে পারেন, আপনার প্ল্যান অনুযায়ী।
৯. ইন্সুরেন্স কপিগুলো অবশ্যই এক সেট ফটোকপি করবেন। অরজিনালটা আপনার কাছেই থাকবে।
১০. আগের সব শেনজন ভিসার ফটোকপি জমা দিতে হবে।
১১. অবশ্যই বাচ্চাদের school থেকে ভ্রমণের তারিখ উল্লেখ করে একটা NOC নিতে হবে।
১২. আপনি যতদিন ভ্রমণের চিন্তা করেছেন, তার estimated cost অনুযায়ী আপনার Bank Statement এ সামঞ্জস্যপূর্ণ Amount থাকতে হবে।
১৩. আপনি যে দেশ দিয়ে ঢুকবেন, চাইলে অন্যদেশ দিয়ে ফেরত আসতে পারবেন। তাই ফ্লাইটের মেইন টিকেট বুকিং দেখালেই চলবে। Internal flight বা bus, train এর টিকেট না দেখালেও চলবে।
১৪. অবশ্যই আপনার আগের পাসপোর্টগুলো সাথে রাখবেন।
১৫. ১৪ দিন পর মেসেজ আসলে একই বিল্ডিংয়ে দুপুর ৩-৪ টার মধ্যে সিরিয়াল ধরেই কালেক্ট করতে হবে। ওরা একটা প্যাকেটের মধ্যে পাসপোর্ট ভরে ফেরত দিবে।
যদি প্যাকেটটির ভেতরে পাসপোর্টের পশাপাশি কোনো কাগজ আছে মনে হয়, তাহলে বুঝবেন ভিসা হয়নি। সেটি explanation letter . আর প্যাকেটে শুধু পাসপোর্ট থাকলে বুঝে নিবেন ভিসা হয়ে গেছে।
লেখাটি যদি আপনাদের কোন উপকারে আসে আইডিটি ফলো এবং শেয়ার করে দিবেন এবং অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিবেন
ধন্যবাদ সবাইকে।
28/11/2024
ইউরোপের সেনজেন দেশ ক্রোয়েশিয়ার 🇭🇷 সম্পূর্ণ ভিসা প্রসেসঃবিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
আজকে ইউরোপের সেনজেন দেশ ক্রোয়েশিয়ার 🇭🇷 সম্পূর্ণ ভিসা প্রসেস নিয়ে আলোচনা করব। যারা নতুন এপ্লাই করবেন বা করেছেন, অথবা ধারনা নিতে চান তারা পড়ুন।
১. আবেদন করতে পাসপোর্ট, অরিজিনাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স,ছবি লাগে। বাংলাদেশের বাইরে বসবাসরত থাকলে অই দেশের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এবং ইকামা/আইডি কপি লাগবে।
২. অরিজিনাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিকটস্থ বাংলাদেশ এম্বাসি+ ক্রোয়েশিয়া এম্বাসি থেকে এটাস্টেশন করতে হবে। বাংলাদেশ থেকে দিল্লিতে করতে হয়।
৩. পাসপোর্ট কপি, এটাস্টেশন করা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, ছবি, অন্য দেশে থাকলে ইকামা/ইকামা/আইডির কপি, কাজের অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট থাকলে সব সহ কোম্পানিতে জমা করতে হয়।
৪. কোম্পানি কাজের ভেকেন্সি অনুযায়ী কনট্রাক্ট লেটার রেডি করবে এবং ওয়ার্ক পারমিটের জন্য HZZ ( Harvatski Zavod za Zaposlzavanje ) পোর্টালে অনলাইন করবে।
৫. ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু হতে ২-৬ মাস সময় লাগবে। শহর ভেদে কমবেশি হয়। অনেক সময় পারমিট রিজেক্ট হতে পারে।
৬. পারমিট, কন্ট্রাক্ট লেটার, একোমোডেশন ডকুমেন্টস, গ্যারান্টি লেটার এসব আনুষাঙ্গিক ডকুমেন্টস দিবে। যা আপনার এজেন্ট//এজেন্সি ভিএফএস বা এম্বাসির সাবমিশনের সময় আপনাকে দিবে।
৭. ওয়ার্ক পারমিটের ইস্যু তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে এম্বাসিতে জমা দিতে হবে। সেই জন্য এম্বাসির এপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে।
৮. এপয়েন্টমেন্ট নরমাল ও আর্জেন্ট সিস্টেম আছে। যে দেশের যে সিস্টেম আর কি। নরমাল এপয়েন্টমেন্ট ইন্ডিয়া বা নেপালের জন্য ১৫/২৫ হাজার লাগতে পারে।বাংলাদেশ থেকে অ্যাপার্টমেন্ট নিতে হলে ১২০৯০ টাকা অথবা ৯৩ ইউরো জমা দিতে হবে। ইমেইল/আর্জেন্ট এপয়েন্টমেন্ট নিতে মোটা দাগে টাকা লাগে। সুতরাং একান্ত সমস্যা না থাকলে নরমাল এপয়েন্টমেন্ট করুন।বাংলাদেশে নরমাল এপয়েন্টমেন্ট নিতে হলেও ফ্রি দিতে হবে।
৯. ভিএফএস/ এম্বাসিতে জমার পর কোম্পানিতে ইনকোয়ারি করবে এম্বাসি থেকে। সব কিছু ঠিক থাকলে এবং এম্বাসি যদি চায় তাহলে ভিসা ইস্যু করবে। মনে রাখবেন, সব ঠিক থাকার পরেও এম্বাসি রিজেক্ট করার ক্ষমতা রাখে। এটা সম্পুর্ন এম্বাসির হাতে।
১০. একেক দেশে ডেলিভারি একেক সময় লাগে। ইন্ডিয়া//নেপাল বর্তমানে ২ মাস লাগতেছে।বাংলাদেশ এর সময় এখনও যানা নেই।
১১. ভিসা নিয়ে বাংলাদেশ BMET (Bureau of Manpower, Employment and Training) থেকে ক্লিয়ারেন্স কার্ড করতে হবে। যাকে আমরা ম্যানপাওয়ার বলি।
১২. ক্রোয়েশিয়ার সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ১ লক্ষ টাকা জামানত হিসেবে নিজের একাউন্টে দেখাতে হবে। যা ১ বছর পর তুলতে পারবেন।
১৩. যারা বাংলাদেশের বাইরে থেকে আসবেন তাদের নিয়ম ১০, ১১ লাগবেনা।
১৪. কোম্পানির সাথে আলোচনা করে এজেন্সি তারিখ অনুযায়ী টিকেট ইস্যু করে দিবে। আপনার মত ফ্লাই করবেন।
১৫. এয়ারপোর্টে রিসিভ করুক বা না করুক ইমিগ্রেশন কোন সমস্যা করবেনা।
১৬. কোম্পানির কাছে আসার পর ইমিগ্রেশনে/পুলিশ স্টেশনে আপনার ফিংগারের এপয়েন্টমেন্ট নিবে। সেই অনুযায়ী উপস্থিত থেকে ফিংগার দিবেন।
১৭. নরমালি ১৫-২০ দিন এবং আর্জেন্ট হলে ৩ দিনের মধ্যে ক্রোয়েশিয়ার TRC কার্ড হাতে পাবেন।
১৮. মনে রাখবেন, কার্ড পাওয়ার আগে কাজ করার অনুমতি নাই। তবে কোম্পানি যদি দায়িত্ব নেয় তাহলে সমস্যা নেই।
১৯. কোম্পানিতে কাজ না পেলে অন্য কোম্পানির কাজ করতে পারবেন। সেই ক্ষেত্রে নতুন কোম্পানি ট্যাক্স, কনট্রাক্ট দিবে।
২০. প্রতিবছর কোম্পানি TRC রিনিউ করে দিবে।
টোটাল প্রসেস মিনিমাম ১ বছর সময় ধরে ফাইল জমা দিবেন।
18/10/2024
একদম নতুনদের শুন্য থেকে সম্পূর্ণ IELTS প্রস্তুতি শুরু করার গাইডলাইন।
আন্তর্জাতিক ইংরেজি ভাষা পরীক্ষা ব্যবস্থা (IELTS) বিশ্বব্যাপী ইংরেজি ভাষার দক্ষতা যাচাই করার জন্য একটি জনপ্রিয় পরীক্ষা। উচ্চশিক্ষা, বিদেশে কর্মসংস্থান এবং অভিবাসনের জন্য IELTS স্কোর প্রয়োজন হয়। আপনি যদি IELTS পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে চান, তবে কোথায় থেকে শুরু করবেন তা জানা কঠিন হতে পারে।
এই পোস্টে, আমরা নতুনদের জন্য IELTS প্রস্তুতি শুরু করার জন্য একটি ধাপে ধাপে গাইড প্রদান করব।
1. প্রথমত , আপনার লক্ষ্য নির্ধারণ করুন:
প্রথমত, আপনার IELTS পরীক্ষা দেওয়ার কারণ নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ। আপনি কি উচ্চশিক্ষার জন্য আবেদন করছেন বা কর্মসংস্থানের জন্য নাকি অভিবাসনের জন্য? আপনার লক্ষ্য নির্ধারণ করলে আপনাকে আপনার প্রয়োজনীয় স্কোর এবং আপনার প্রস্তুতির উপর ফোকাস করতে সাহায্য করবে।
2. পরীক্ষার ফর্ম্যাট সম্পর্কে জানুন:
IELTS দুটি প্রধান ফর্ম্যাটে উপলব্ধ: একাডেমিক এবং জেনারেল ট্রেনিং। একাডেমিক টেস্ট উচ্চশিক্ষার জন্য আবেদনকারীদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যখন জেনারেল ট্রেনিং টেস্ট কর্মসংস্থান এবং অভিবাসনের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। আপনার জন্য কোন ফর্ম্যাটটি সঠিক তা নির্ধারণ করুন এবং সেই অনুযায়ী আপনার প্রস্তুতির উপর ফোকাস করুন।
3. একটি প্রস্তুতি পরিকল্পনা তৈরি করুন:
আপনার লক্ষ্য এবং পরীক্ষার ফর্ম্যাট জানার পরে, একটি প্রস্তুতি পরিকল্পনা তৈরি করুন। আপনার কত সময় আছে তা বিবেচনা করুন এবং প্রতিটি বিভাগের জন্য আপনি কতটা সময় ব্যয় করবেন তা নির্ধারণ করুন। আপনার শেখা এবং অনুশীলনের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সূচী তৈরি করুন।
4. IELTS প্রস্তুতির Material সংগ্রহ করুন:
IELTS প্রস্তুতির জন্য শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় রিসোর্স সংগ্রহ করুন। বই, অনলাইন কোর্স, ভিডিও লেকচার, এবং প্র্যাকটিস টেস্ট ব্যবহার করতে পারেন।
যেমনঃ
📓 IELTS প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় বই হল (Cambridge 10-19), এবং (The Official Cambridge Guide to IELTS)
📓 IELTS Speaking এর জন্য Kiran এর MAKKAR IELTS Latest Final Version
📓 Writing এর জন্য Rachel Mitchell: IELTS Writing Task1 + Task2
🛑 IELTS প্রস্তুতিতে একগাধা বই লাগে না,উপরোক্ত বইগুলা ছাড়া আর কোন বইয়ের প্রয়োজন নাই।
👉🏻 সবগুলো Materials সবগুলো আমাদের কাছ থেকে একসাথে পেতে কমেন্ট করে জানান "Need IELTS Materials"।
5. দক্ষতা উন্নয়ন করুন:
IELTS এর প্রতিটি অংশে আপনার দক্ষতা উন্নয়ন করুন। Listening এবং Reading এর জন্য প্রতিদিন প্র্যাকটিস টেস্ট দিন। Writing এর জন্য বিভিন্ন টপিক নিয়ে প্র্যাকটিস করুন এবং আপনার লেখার দক্ষতা উন্নত করুন। Speaking এর জন্য প্রতিদিন কিছু সময় আলাদা করে নিজেই ইংরেজিতে কথা বলার প্র্যাকটিস করুন বা বন্ধুদের সাথে আলোচনা করুন।
6. দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করুন:
মক টেস্টের মাধ্যমে আপনার দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করুন এবং সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিন। যদি কোনো নির্দিষ্ট অংশে সমস্যা হয় তবে সেই অংশে বেশি মনোযোগ দিন।
⚠️ ফ্রীতে বাসায় বসে কীভাবে Online Mock TEST দিবেন, তা জানতে কমেন্ট করুন "Free Mock Test"।
7. Time Management শিখুন:
IELTS পরীক্ষায় Time Management অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি অংশের জন্য নির্দিষ্ট সময় রয়েছে, তাই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করুন।Time Management এর জন্য প্র্যাকটিস টেস্ট দিন এবং প্রতিটি টেস্টে সময় মেনে চলার চেষ্টা করুন।
সঠিক পরিকল্পনা এবং প্রচেষ্টার মাধ্যমে আপনি সহজেই IELTS পরীক্ষায় ভালো ব্যান্ড স্কোর পেতে পারেন।
28/08/2023
লিথুনিয়া এম্বাসী ইন্টার্ভিউ🇱🇹 (সম্ভাব্য কিছু প্রশ্ন)
1) Are you applicant? আপনি আবেদনকারী?
Ans:- Yes I am applicant
হ্যাঁ আমি আবেদনকারী
2) what is your name? Or What's name
তোমার নাম কি ? or Introduction yourself? Or Tell me about yourself ?
Ans:- My name is....
3) what is your Father name or what's father name? Or Mother's name?
Ans;- My father name --------- or my mother name ------
4) What is your passport number?
Ans :- My passport number....
5) what is the name of your company? Or what's your company name?
তোমার কোম্পানির নাম কি?
Answer :- UAB forsika
ইউএবি, ফরসিকা
6) what is your company location? Or where is your company located in Lithuania? Or What is the address of your company?
তোমার কোম্পানির ঠিকানা কোথায়?
Answer :- I. Simonaitytes g. 17-74, Klaipeda, Lithuania
আই. সিমোনাইটিস জি ১৭-৭৪ ক্লাইপেদা, লিথুনিয়া
7) Which District will you job or join in Lithuania?
আপনি কোন জেলায় চাকরি বা লিথুনিয়াতে যোগদান করবেন?
Ans:- Klaipeda, Lithuania
ক্লাইপেদা, লিথুনিয়া
8) How many hours do you have to work everyday? How hours your duty per day?
তোমার প্রতিদিন কয়ঘন্টা কাজ করতে হয়?
Answer :- 8 hours
৮ ঘন্টা।
9) How many earns will you receive per month? Or How much salary per month? Or How much is your monthly salary?
তুমি প্রতিমাসে কত ইউরো পাবে?
Answer :- My monthly salary is 950 euro. আমার মাসিক বেতন ৯৫০ ইউরো
10) ) How many days a week do you work?
তুমি সপ্তাহে কয়দিন কাজ করবে?
Answer :- 5 Days
৫ দিন
11) Where will you work?
তুমি কোথায় কাজ করবে?
Answer :- I. Simonaitytes g. 17-74, Klaipeda, Lithuania
আই. সিমোনাইটিস জি ১৭-৭৪ ক্লাইপেদা, লিথুনিয়া
12) What kind of work will you do?
তুমি কি ধরনের কাজ করবে?
Answer :- Pipe Fitter
পাইপ ফিটার
13) How months / Days would you work trial period
আপনি কত মাস বা দিন ট্রায়াল পিরিয়ড কাজ করবেন? How long is the probation poriod?
Answer :- 3 months
৩ মাস
14) How many years contract with the company?
কোম্পানির সাথে কয় বছর চুক্তি?
Answer :- 1 year
১ বছর
15) What is name of your company director ?
Answer :- Ms Ela Zutautiene
মিসেস এলা জুটাউটিয়েন( পরিচালক)
16) Where are you from?
তুমি কোথায় থেকে আসছেন?
Bangladesh
17) How did you get company address ( আপনি কোম্পানির ঠিকানা কিভাবে পেয়েছেন? How did you find out about the job?
Ans:- From Google. Or I got company name from internet or I find out company name from Internet গুগল হতে বা আমি ইন্টারনেট থেকে কোম্পানির নাম পেয়েছি বা আমি ইন্টারনেট থেকে কোম্পানির নাম খুঁজে পেয়েছি।
18) Why did you Choice this company? কেন আপনি এই কোম্পানি পছন্দ করেছেন?
Ans:- This company will give me good salary minimum 950 euro per month? এই কোম্পানি আমাকে ভাল বেতন দেবে প্রতি মাসে নূনতম ৯৫০ ইউরো
19) Why did company selected to you? কেন কোম্পানি আপনাকে নির্বাচিত করেছে?
Ans:- Company selected because I am 5 years experience in pipe fitter? কোম্পানি নির্বাচিত করেছেন কারণ আমি পাইপ ফিটারে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা।
20) How many years work experience, do you have? আপনার কত বছরের কাজের অভিজ্ঞতা আছে?
Ans:- 5 years
21) Which relatives do you have of Lithuania?
( লিথুনিয়ায় আপনার কোন আত্মীয় আছে?
Ans:- No
22) where did you file submit?
আপনি কোথায় ফাইল জমা দিয়েছেন?
Ans:- VFS global ( Kolikata, or new delhi)
23) where do you birth place? ( আপনার জন্মস্হান কোথায়?
And :- Dhaka or Chittagong
24) why do you want move to Lithuania? আপনি কেন লিথুনিয়া যেতে চান? Or Why do you want to go to Lithuania? Why are you going to Lithuania?
Ans:- Lithuania is a beautiful country and Baltic region of Europe. It is one of three Baltic states and lies on the eastern shore of the Baltic sea,
Or I am going to for work and earn money
লিথুনিয়া একটি সুন্দর দেশ। ইউরোপের বাল্টিক অংচল। এটি তিনটি বাল্টিক রাজ্যের একটি এবং বাল্টিক সাগরের পূর্ব তীরে অবস্থিত।
অথবা আমি কাজ করতে যাচ্ছি এবং অর্থ উপার্জন করব।
25) What is your date of barth? Or which day your birthday? কোন তারিখে তোমার জম্ম?
And :- 15 May 1985
26) Are you married or single? আপনি বিবাহিত নাকি অবিবাহিত?
Ans:- I am married or unmarried আমি বিবাহিত বা অবিবাহিত
27) When did you married? আপনি কখন বিবাহ করেছেন?
Ans:I am married 30 may 2022 আমি ৩০ মে ২০২২ বিবাহ করেছি।
28) Where do you live Currently? আপনি বর্তমানে কোথায় থাকেন?
Ans:- Presently I live in dhaka বর্তমানে আমি ঢাকায় থাকি।
29) What is your profession? Or What's profession? তোমার পেশা কি?
Ans:- I am a pipe fitter worker আমি পাইপ ফিটারের কর্মী।
30) what type of work will you do there? আপনি সেখানে কি ধরনের কাজ করবেন?
Ans:- I will work pipe fitter আমি পাইপ ফিটারে কাজ করব।
31) Who will bear food and accommodation? খাবার এবং বাসস্থান কে বহন করবে?
Ans:- Company wil bear accommodation and not food allowance কোম্পানি বাসস্থান বহন করবে কিন্তু খাদ্য ভাতা নয়।
32) How long will you work in this company? আপনি এই কোম্পানিতে কতদিন কাজ করবেন?
Ans:- I will be working in the company for one year আমি ১ বছর কোম্পানিতে কাজ করব।
33) After one year finished if your company not renew then will you do? এক বছর শেষ হবার পর যদি আপনার কোম্পানি রিনিউ না করে তাহলে আপনি কি করবেন?
Ans:- Then I will come back Bangladesh. তারপর বাংলাদেশে ফিরে আসব।
04/03/2023
বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিবেন যেভাবে
The daily Campus
১.পাসপোর্ট
বাইরে পড়াশোনা করতে যাবেন এই চিন্তা আপনার মাথায় আসার সাথে সাথেই আপনাকে দেখতে হবে আপনার পাসপোর্ট করা আছে কিনা। বাইরে আবেদনের ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই আবেদন করার কিছু সময় আগে থেকেই পাসপোর্ট করে রাখতে হবে যাতে করে আবেদনের ক্ষেত্রে আপনার বেশি তাড়াহুড়া করতে না হয়। আবার বেশি সময় হাতে রেখে পাসপোর্ট করলে আপনি পাসপোর্ট বানানোর ক্ষেত্রে বাড়তি খরচও কিছুটা কমাতে পারবেন।
২. ইংরেজি দক্ষতা যাচাই
বিদেশে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে আপনাকে যে জিনিসটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তা হল ভাষা-গত দক্ষতা যাচাই করা। প্রত্যেকটি দেশে ভিন্ন ভিন্ন ভাষা রয়েছে। আপনি যখন যে দেশে যাবেন তখন আপনাকে সে ভাষার দক্ষতা যাচাই স্কোরের উপর ভিত্তি করে আপনি আপনার পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপ কিংবা ভিসার জন্য নির্বাচিত হবেন। তাহলে বুঝতেই পারছেন যে ভাষা-গত দক্ষতা যাচাই করা ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আপনার যদি টার্গেট থাকে ইউরোপ, আমেরিকা,কানাডা যাওয়ার তাহলে আপনাকে অবশ্যই ইংরেজি দক্ষতা যাচাই পরীক্ষার জন্য ভালো স্কোর অর্জন করতে হবে। বর্তমানে সারা-বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত ইংরেজি দক্ষতা যাচাইয়ের পরীক্ষার নাম হল IELTS, GRE, GMAT, TOFEL ইত্যাদি। উপযুক্ত পরীক্ষার স্কোর দিয়ে আপনার স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন করতে হবে। তাই স্বপ্ন যদি থাকে বিদেশে উচ্চশিক্ষার তাহলে ভাষা দক্ষতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার জন্য প্রস্তুতি নিন এখনই।
৩. টার্গেট ঠিক রাখা:
অমুক এইচএসসি-র পর বিদেশে পড়তে যাচ্ছে দেখে আপনারও যেতে হবে, ব্যাপারটা এমন না। জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে আমরা অনেকেই বাইরে যেতে চাই ৷ কিন্তু এটা যেহেতু জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত, সেহেতু এটা নিতে হবে অনেক ভেবেচিন্তে। আপনার বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, অর্থ, পরিবারের সম্মতিসহ সবকিছুই বিবেচনায় রাখতে হবে।
৪. সিজিপিএ
বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনের শিক্ষার মূল্যায়ন যাচাই কারক হিসেবে পরিচিত হল সিজিপিএ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্রায়শই বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে উচ্চ সিজিপিএ এর কথা বলে। তবে হ্যাঁ ভালো স্কলারশিপ পেতে হলে আপনাকে আপনার রেজাল্ট এর দিকে নজর দিতে হবে। তাই অন্তত ৩.৫০ রাখার চেষ্টা করুন। কারণ রেজাল্ট ভালো হলে স্কলারশিপ পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় অনেকাংশে।
৫.ক্রেডিট ট্রান্সফার
দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো একটি কোর্সে কিছুদিন পড়াশোনা করেছেন বা করছেন। এখন আপনি ওই কোর্সই বিদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আগ্রহী। সেই ক্ষেত্রে দেশে করা কোর্সটির ক্রেডিট গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে অব্যাহতি পত্র দাবি করতে পারেন। আপনার কোর্সটির জন্য কতটুকু ক্রেডিট পাবেন তা নির্ধারণ করবে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ। এরজন্য যা যা লাগবে:
একাডেমিক সার্টিফিকেট, ট্রান্সক্রিপ্ট, প্রত্যয়নপত্র।
কোর্সের আউটলাইন ও পাঠ্যতালিকা।
কোর্স লেভেল সম্পর্কিত তথ্যাদি।
কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় অনুষদ কর্তৃক সুপারিশনামা।
কোর্স অ্যাসেসমেন্টের পদ্ধতি।
গ্রেডিং সিস্টেম সংক্রান্ত তথ্য।
কোর্সের মেয়াদ, লেকচার-ঘণ্টা, ল্যাবরেটরিতে কাজের ঘণ্টা, ফিল্ডওয়ার্ক ইত্যাদি।
পরীক্ষা, রচনা, প্রজেক্ট ওয়ার্ক ইত্যাদি।
৬. কোথায় যেতে চাই: আমাদের দেশ থেকে মূলত দুই শ্রেণীর মানুষ বাইরে পড়াশোনা করতে যান— এক শ্রেণী যেতে চান ফুল বৃত্তি নিয়ে এবং অন্য শ্রেণী যেতে চান নিজের খরচে। এছাড়াও আরো একটি শ্রেণী রয়েছে যারা ইদানিং কম খরচে বাইরে থেকে ভালো পড়াশোনার সুযোগ খুঁজে থাকেন।
যারা ফুল বৃত্তি নিয়ে HSC এর পর দেশের বাইরে পড়তে যান,তারা নিচের বৃত্তিগুলো দেখতে পারেন.
* ইন্ডিয়ান গভর্নমেন্ট বৃত্তি
* ইন্দোনেশিয়া গভর্নমেন্ট বৃত্তি
* মিশর গভর্নমেন্ট বৃত্তি
* রাশিয়ান গভর্নমেন্ট বৃত্তি
* আজেরবাইজান গভর্নমেন্ট বৃত্তি
* চাইনিজ গভর্নমেন্ট বৃত্তি
*জাপান গভর্নমেন্ট বৃত্তি
* রোমানিয়ান গভর্নমেন্ট বৃত্তি
* হাঙ্গেরিয়ান গভর্নমেন্ট বৃত্তি
* ব্রুনেই দারুসসালাম গভর্নমেন্ট বৃত্তি
* তুর্কিশ গভর্নমেন্ট বৃত্তি
বৃত্তিগুলোর আবেদনের সাধারণ সময়কাল ডিসেম্বর থেকে মে এর মধ্যে প্রতি বছর। তাই এইচএসসি পাস করার পর আপনি হাতে বেশকিছু দিন সময় পাবেন। আবার যারা কম খরচে ভালো মানের লেখাপড়া করতে চান তারা মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া পার্লিস এবং ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া সারাওয়াক দেখতে পারেন।
ব্যবসায় এবং মানবিকের বিষয়গুলোতে পড়াশোনা করতে আপনার টিউশন ফী এবং হোস্টেল ফী বাবদ মোট ৭-১০ লক্ষ টাকা এবং ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিষয়গুলোতে পড়াশোনা করতে ১০-১৪ লক্ষ টাকার মতো খরচ হতে পারে। এই দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ই কিউএস টপ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০ এর ৮০০ এর মধ্যে রয়েছে।
৭. কি কি পরীক্ষা দেয়া লাগবে
উচ্চমাধ্যমিকের পরে বাইরে পড়াশোনার ক্ষেত্রে মনে হয় সবচাইতে বেশি দ্বিধা-দ্বন্দ্ব থাকে এই বিষয়টি নিয়ে। কেবল আমেরিকার ক্ষেত্রে স্যাট লাগে তাও ক্ষেত্র বিশেষে। এছাড়া পৃথিবীর বাকি দেশগুলোতে আপনি কেবল IELTS পরীক্ষা দিয়েই আবেদন করতে পারবেন। আবার কিছু কিছু দেশ যেমন চীন, জাপান, কোরিয়া, রাশিয়া, তাইওয়ান এই দেশগুলোতে আবেদনের ক্ষেত্রে আপনাকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের নিজেদের ভাষায় পড়াশোনা করতে হবে। তাই এই সব ক্ষেত্রে IELTS এর দরকার নেই।
কিন্তু মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, হংকং ইত্যাদি দেশগুলোতে আবেদনের ক্ষেত্রে আবার IELTS এর দরকার রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে আবার একটি অপসন রয়েছে এমন আপনি যদি ওই সব দেশে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজেদের ইংলিশ কোর্স করেন আপনার পড়াশোনার পাশাপাশি কিংবা তার আগে সেই ক্ষেত্রে IELTS স্কোর লাগে না আবেদন করতে। তবে এই ইংলিশ কোর্স বাবদ বেশকিছু টাকা খরচ হবে আপনার।
৮. প্রফেশনাল রাইটিং
আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের একটি ভীতি হলো এক্যাডেমিক রাইটিং অথবা প্রফেশনাল রাইটিং।বিভিন্ন ভার্সিটিতে বৃত্তির জন্য আবেদন করার পূর্বে আপনার এসওপি,কিছু রিটেন স্যাম্পল ওদের দিতে হয় যেমন আপনি যে স্টেটমেন্ট অফ পারপাস টা দিবেন, সেটাতেও আপনার অনেক এক্যাডেমিক রাইটিং লিখতে হবে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের রিটেন স্যাম্পল,রিটেন এসএ দেওয়ার দরকার হয়ে থাকে, এবং এই রিটেন স্যাম্পল গুলোই একাডেমিক হয় যা অনেক বেশি প্রফেশনাল।তাই এর ভালো প্র্যাকটিস থাকা অনেক জরুরী।
৯. কিভাবে ডকুমেন্ট পাঠাবো
বাইরে আবেদনগুলোগুলো বেশিরভাগ অনলাইন নির্ভর কিন্তু তারপরও অনলাইনে আবেদন করে আবার সেই আবেদনের প্রিন্ট কপি এবং সাথে আরো কিছু ডকুমেন্ট (সাধারণত পয়েন্ট ৪ এ বর্ণিত) এক করে আপনাকে বাইরে পাঠাতে হবে অনেক ক্ষেত্রে। যারা ঢাকার বাইরে থাকেন তাদের জন্যও এই কুরিয়ার বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। আপনি ঢাকার বাইরে থেকে যে কোনো ভালো কুরিয়ার যোগে আপনার ডকুমেন্টগুলো এদের কাছে পাঠিয়ে দিবেন এবং চার্জ বিকাশ করে দিয়ে দিবেন।
কুরিয়ারের মাধ্যমে প্রেরণ করতে হলে আপনার খরচ পড়বে-
* এশিয়ার দেশগুলোর ক্ষেত্রে ১৩০০ টাকা
* ইউরোপের দেশগুলোর ক্ষেত্রে ১৪০০ টাকা
* আমেরিকা, কানাডা এবং মেক্সিকোর ক্ষেত্রে ১৫০০ টাকা
আবার ডেলিভারি সময় লাগবে -
* এশিয়ার দেশগুলোর ক্ষেত্রে ২-৩ দিন (ওয়ার্কিং ডে)
* ইউরোপ এবং আমেরিকার ক্ষেত্রে ৪-৫ দিন (ওয়ার্কিং ডে)
১০. সর্বমোট কত খরচ পড়তে পারে
বাইরে পড়াশোনার ক্ষেত্রে আপনি যদি নিজের টাকায় পড়াশোনা করতে যান তাহলে আপনার খরচ একদম কম করে পড়বে ৬.৫ থেকে ৭.৫ লক্ষ টাকা ব্যবসায় শিক্ষা শাখা এবং মানবিকের বিষয়গুলো নিয়ে পড়াশোনা করতে আর ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা যাবে বিজ্ঞানের বিষয়গুলো পড়াশোনা করতে। তবে এই খরচের পরিমান মালয়েশিয়া এবং চীন হিসেব করে দেয়া। অন্য দেশগুলোর ক্ষেত্রে এই খরচ আরো বাড়ার সম্ভাবনা আরো বেশি বিশেষ করে ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া ইত্যাদি দেশগুলোতে। আবার যারা পড়াশোনা করবেন ফুল বৃত্তি নিয়ে তাদের ক্ষেত্রে ক্ষেত্র বিশেষে বিমান ভাড়া এবং কিছু হাত খরচ লাগবে তবে সব মিলে এই পরিমান ৫০ হাজার থেকে ৬০ হাজারের উপর পড়বে না বলে আশা করা যায়।
১১. রিকোমেন্ডেশন
বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে লেটার অফ রিকমেন্ডেশনকে বেশ গুরুত্বের সাথে দেখা হয়। মূলত আপনার সম্পর্কে জানে, আপনাকে ভালো চিনে এমন ২ থেকে ৩ জন ব্যক্তির কাছ থেকে রিকোমেন্ডেশন আপনার প্রয়োজন হবে। তবে অবশ্যইপরিবারের কোন ব্যক্তির কাছ থেকে আপনি রিকমেন্ডেশন না চেয়ে আপনার কোন শিক্ষক, কোন মেন্টর, কোথাও জব করলে সেক্ষেত্রে উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে আপনি রিকমেন্ডেশন লেটার নিতে পারেন। কারণ কারা রিকমেন্ডেশন দিচ্ছে তা মূল ব্যাপার নয়। বরং কি লিখছে সেটা মূল ব্যাপার।
১২. কিভাবে স্কলারশিপের খোজ পাবেন
একেক দেশের বৃত্তির জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতার ধরন একেকরকম। তাই প্রথমেই জেনে নিতে হবে কোন দেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আপনি আবেদন করতে চান। প্রথমেই খোজ করতে হবে বিভিন্ন দেশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এ। নানা দেশের বাংলাদেশের দূতাবাসেও বৃত্তির সব তথ্য দেয়া থাকে।দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করেও ওই দেশের রাষ্ট্রীয় বৃত্তি গুলো সম্পর্কে ধারণা নিতে পারবেন। আমাদের দেশের মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক এর ওয়েবসাইটেও থাকে বিভিন্ন দেশের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তির তথ্যসমূহ।
বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে কি ধরণের সুবিধা রয়েছে?
বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী ঠিক কি ধরণের সুযোগ সুবিধা অর্জন করতে পারবেন চলুন জেনে নেওয়া যাক সে সম্পর্কে।
* আত্ননির্ভরশীলতা
বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আপনি পরিপূর্ণভাবে আত্ননির্ভরশীলতা অর্জনের সুযোগ পাবেন। পূর্বে যেখানে আপনি পরিবারের উপর নির্ভরশীল থাকতেন, এখন আপনাকে আপনার জীবনের সকল ধরণের সিদ্ধান্ত আপনাকে নিতে হবে। বিদেশে কোন ধরণের হেল্পিং হ্যান্ড নেই বিধায় আপনার ব্যক্তিগত কাজগুলো আপনাকে করতে হবে।
* আধুনিক শিক্ষা অর্জন
বিদেশে উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে আপনি উন্নত এবং আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে পরিচিত হবার সুযোগ পাবেন। দেশের পুঁথিগত বিদ্যা থেকে আপনি গবেষণালব্ধ শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে সমন্বয় সাধন করতে পারবেন। নতুন পরিবেশ, নতুন জীবনযাত্রার সাথে আপনি বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হবার পরিপূর্ণ সুযোগ পাবেন।
* ক্যারিয়ার
দেশের বাজারে বিদেশে উচ্চশিক্ষার কদর দিন দিন বেড়েই চলেছে। বড় বড় প্রতিষ্ঠানসমূহে আপনি বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ফলে খুব সহজে নিজের পছন্দের পজিশনে চাকরি করতে পারছেন। পাশাপাশি একটি ডিগ্রী পাচ্ছেন যা আপনার বিদেশের মাটিতেও ক্যারিয়ার বুস্ট করতে বেশ সাহায্য করবে।
* পার্ট টাইম চাকরি
বিদেশে উচ্চশিক্ষার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল পার্ট টাইম চাকরি। আপনি বিদেশে উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে পড়াশোনার পাশাপাশি নিজে আয় করতে পারবেন। বেশিরভাগ দেশে শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট রয়েছে। তাই পড়াশোনার পাশাপাশি বাড়তি আয়ের সুযোগ পেতে শিক্ষার্থীরা পাড়ি জমাচ্ছে বিদেশে।
* একটি নিশ্চিত ভবিষ্যৎ
বর্তমান বাজারে বিদেশে উচ্চশিক্ষার চাহিদা রয়েছে তুঙ্গে। আপনি যদি একটি ভালো মানের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি অর্জন করতে পারেন তাহলে আপনাকে চাকরি খুঁজতে হৰে না বরং চাকরি আপনাকে খুঁজে নিবে। তাই একটি ভালো মানের চাকরি, উন্নত জীবনযাপনে অভ্যস্ত হতে চাইলে বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আপনাকে স্বাগতম।
বিদেশে পড়াশোনার জন্য বেশিরভাগ শিক্ষার্থীরাই প্রথমে বৃত্তি লাভের জন্য নানা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে পারেন। এবং যে দেশগুলোতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি আবেদন করতে দেখা যায় সেই দেশগুলো হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি,কানাডা।
Source: The daily Campus
20/02/2023
💢 রোমানিয়া গভমেন্ট স্কলারশিপঃ
এটি হতে পারে আপনার জন্য সুবর্ণ সুযোগ Without IELTS এ রোমানিয়াতে সম্পূর্ণ ফ্রি-তে এবং প্রতিমাসে স্টাইপেন পেয়ে পড়াশোনা করার।
🎓 প্রোগ্রামঃ ব্যাচেলর , মাস্টার্স এবং পিএইচডি
💢 সুবিধাসমূহঃ
💥 সম্পূর্ণ বিনাবেতনে পড়াশুনা করবার সুযোগ।
💥 মাসিক ভাতা প্রদান করা হবে।
💥 বিনাখরচে আবাসন এর সুবিধা প্রদান করা হবে।
💥 IELTS / MOI কিছুই লাগবেনা।
💢 প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসঃ
১. একাডেমিক পেপারস
২. পাসপোর্ট / NID/ বার্ড সার্টিফিকেট
৩. মোটিভেশন লেটার
৪. ছবি
৫. সিভি/রিজিউম
📌 আবেদন করবার শেষ তারিখঃ 1 March 2023
📌 সেশনঃ সেপ্টেম্বর, 2023
📌 Details :
Scholarships offered by the Romanian State to foreign citizens through the MFA | Ministry of Foreign Affairs
Each year, the Romanian Government, through the Ministry of Foreign Affairs, provides a number of scholarships to citizens from non-EU countries. Only candidates having good results in education, respectively an average of the study years, for the last graduated school, of at least 7 (seven) corresp...
20/02/2023
✈️যারা রোমানিয়ার🇷🇴 ভিসা নিয়ে টেনশন এ ছিলেন আসল নাকি ফেক
✈️আলহামদুলিল্লাহ 🇷🇴🇷🇴 তাদের জন্য সুখবর দিলো রোমানিয়ান🇷🇴 ফরেন মিনিস্ট্রি অ্যাফেয়ার!
✈️এখন থেকে নিজে নিজেই মোবাইল দিয়ে চেক করতে পারবেন আপনার বিষয়টি কি অরজিনাল নাকি নকল!
✈️প্রতারকের প্রতারণার দিন শেষ
✈️এখন থেকে রোমানিয়ার🇷🇴 ভিসা নিয়ে কেউ প্রতারণা করতে পারবে না।
✈️ধন্যবাদ জানাই রোমানিয়ার🇷🇴 সরকার এবং ইমিগ্রেশন, ফরেন মিনিস্ট্রিকে!
✈️মানুষকে প্রতারণার হাত থেকে বাঁচানোর জন্য সুন্দর একটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য 🇷🇴
এখন থেকে রোমানিয়ার🇷🇴 স্টিকার ভিসা চেক করা যাবে
Link:💁♀️
https://eviza.mae.ro/CheckVisaSticker
✈️আশা করি হয়তো পারমিট চেক করার এরকম একটি অনলাইন সিস্টেম বের হতে পারে 🇷🇴
সবার জন্য শুভকামনা রইল 🇷🇴
©️
eViza | Ministerul Afacerilor Externe