Umme Salama R. Mahila Madrasa-Dhaka

Umme Salama R. Mahila Madrasa-Dhaka

Share

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

20/04/2024

ঢাকার মধ্যে মাদানি নেসাব মহিলা মাদরাসায় ভর্তি চলছে যারা প্রথম বর্ষে ভর্তি হবেন বা করাবেন দ্রুত যোগাযোগ করুন।

ঠিকানাঃ টিকাটুলি, ওয়ারি,ঢাকা-১২০৩

যোগাযোগঃ01707745931.01886833881

দেশের অধিকাংশ মহিলা মাদরাসায় দেখা যায় যে বাংলা কিতাব দিয়ে পড়াশোনা করে আরবি কিতাব ধরার সাহস খুব কম পায়। তবে মাদরাসা পরিচালনাকারীদের বললে তারা বলে মেয়েদের মেধা একটু দুর্বল হয় তাই এতো চাপ দেওয়া যায় না ছেলেদের মতো এ জন্য দেখা যায় অধিকাংশ মেয়েরা আলেমা হওয়ার পর কুদুরি জামাতের উপরের জামাতের কোন কিতাব পড়ানো তোহ দূরের কথা ধরার সাহস পায় না। তবে আমার চিন্তা ভাবনা সেই ছাত্র জামানায় থেকেই ভিন্ন যে ছেলেরা পারলে মেয়েরা কেন পারবে না.? স্কুল কলেজে সব জায়গায় দেখা যায় মেধা তালিকায় মেয়েরা এগিয়ে সুতরাং মাদরাসায় পারবে না কেন.? অবশ্যই পারতে হবে এবং পারবে। এই পণ নিয়ে আমি এগিয়ে যাচ্ছি। সকলকে একটি কথাই বলবো আমাদের মাদরাসায় যে মেয়েরা পড়বে তারা সকলেই ইনশাআল্লাহ নোট ছাড়া হেদায়া রাবেসহ দাওরা হাদিস এবং কওমি নেসাবের সকল আরবি কিতাব মতন দেখে পড়ার যোগ্য হবে ইনশাআল্লাহ।

আমাদের মাদরাসার সিলেবাস

প্রথম বর্ষ

(১) এসো আরবি শিখি
(২) এসো তামরিন শিখি
(৩) এসো ছরফ শিখি
(৪) কসাসুন নাবিয়্যিন ১ম খন্ড
(৫) বাংলা ৪র্থ ও ৫ম
(৬) ইংরেজি ৪র্থ ও ৫ম
(৭) গণিত ৪র্থ ও ৫ম
√ আরবদের লিখিত আরবিতে কমপক্ষে দশটি বই মুতআলা করিয়ে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ
√ হিফযুল হাদিস। ১০০ হাদিস মুখস্থ করানো হবে ইনশাআল্লাহ

দ্বিতীয় বর্ষ
জামাতে নাহবেমীর এর বোর্ড পরিক্ষার সকল কিতাব।
০১.নাহ্বেমীর (আবু তাহের মিসবাহ সাহেবের লিখিত)
০২.ইলমে ছরফ
০৩.রওযাতুল আদব
০৪.ফিকহুল মুয়াসসার
০৫.শরহে মিয়াতে আমেল
০৬.সীরাতে খাতেমুল আম্বিয়া
০৭.সাহিত্য সওগাত ৭ম+ব্যাকরণ
আর মাদানি নেসাব থেকে
(১) কেরাতে রাশেদা ১ম ও ২য়
(২) কসাসুন নাবিয়্যিন ২য়, ৩য়,ও ৪র্থ খন্ড
(৩) কোরআন তরজমা ১ম ও ২য় খন্ড মিসবাহ সাহেবের লিখিত।
√ আরবদের লিখিত আরবিতে কমপক্ষে বিশটি বই মুতআলা করিয়ে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ
√ হিফযুল হাদিস। ১০০ হাদিস মুখস্থ করানো হবে ইনশাআল্লাহ

তৃতীয় বর্ষ
কুদুরির বোর্ড পরিক্ষার সিলেবাস পূর্ণ এখনো হাতে আসেনি।
আর মাদানি নেসাব থেকে
(১) মুখতারাত ১ম খন্ড
(২) কেরাতে রাশেদা ৩য় খন্ড
(৩) এসো বালাগাত শিখি
(৪) কোরআন তরজমা আবু তাহের মিসবাহ সাহেবের লিখিত ৩য় ও ৪র্থ খন্ড
√ আরবদের লিখিত আরবিতে কমপক্ষে বিশটি বই মুতআলা করিয়ে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ
√ হিফযুল হাদিস। ১০০ হাদিস মুখস্থ করানো হবে ইনশাআল্লাহ

চতুর্থ বর্ষ
শরহে বেকায়া জামাত বেফাকের সিলেবাস অনুযায়ী পড়ানো হবে ইনশাআল্লাহ।

10/04/2024

এই জেনারেশনের মানুষদের ঈদ নিয়ে ফিলিংস হয় না!
অথচ পূজা পার্বণ,থার্টি ফার্স্ট নাইট,পহেলা বৈশাখ ইত্যাদিতে ফিলিংস উপচে পড়ে,,,

আবার দাবি করে মুসলিম,,
দুঃখজনক!

সুতরাং সকলের করনীয় আল্লাহ আমাদের যে উৎসবের দিন ঈদ দিয়েছেন সেটাতে মন খুলে আনন্দ করা যতটুকু আল্লাহ জায়েজ রেখেছেন এবং ইহুদি খৃষ্টানদের উৎসবগুলো পরিহার করা।

আল্লাহ আমাদের সকলকে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে উপভোগ করার তৌফিক দান করুক আমিন ছুম্মা আমিন 🤲

10/04/2024

عيد سعيد كل عام و انتم بالخير.! تقبل الله منا و منكم🫂

09/04/2024

মাদানি নেসাবে কেন ভর্তি হবেন?
কোথায় ভর্তি হবেন?

হিফজ যারা শেষ করে কিতাব বিভাগে ভর্তি হবেন তাদের জন্য এই দুটি প্রশ্নের উত্তর জানা জরুরী। বিশেষত যারা মাদানি নেসাবে ভর্তি হবেন তাদের জন্য। প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে কিছু কথা বলি-

যে কোন কাজের একটা উদ্দেশ্য থাকে। উদ্দেশ্য পরিষ্কার না থাকলে ঐ কাজে সফলতা আসে না।

হেফজখানায় যদি কেউ ভর্তি হওয়ার সময় ভাবে কোথায় বাংলা-অংক-ইংরেজি ভালো পড়ানো হয় সেখানে আমি ভর্তি হবো তাহলে তার হিফজুল কুরআনের উদ্দেশ্য ব্যর্থ হবে।
এর অর্থ কি এই যে জেনারেল বিষয় গুরুত্ব নেই? না, বরং অবশ্যই গুরুত্ব আছে। কিন্তু হিফজ করার সময় হিফজের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। পাশাপাশি জেনারেল বিষয় যতটুকু না হলেই নয় ততটুকু চলতে পারে।

কারণ হিফজ করাটা সাধারণ ব্যাপার নয়। রাতদিন পাগলের মত পড়েও কুরআন মুখস্থ হয় না, হলেও থাকে না। সেখানে যদি জেনারেল বিষয়ের চাপ থাকে তাহলে কি সম্ভব হিফজ করা?

কিন্তু কিছু অভিভাবক হেফজখানায় ভর্তি করাতে এসে হিফজের মান কেমন? হিফজ কতদিনে করতে পারবে? হিফজের ইয়াদ ভালো থাকবে কীভাবে? হিফজ সংক্রান্ত এমন কত জরুরী বিষয় আছে সেগুলো জিজ্ঞেস না করে সর্বপ্রথম জিজ্ঞেস করবে বাংলা অংক ইংরেজি আপনারা পড়ান কি না? কতক্ষণ পড়ান? কোন ক্লাসের বই পড়ান? বোর্ড বই নাকি অন্য বই? কিছু ইংলিশ স্পোকেন শেখান কি না? ইত্যাদি।

তখন যতই যুক্তি-প্রমাণ আপনি দেন না কেন ঐ অভিভাবকের মনঃপুত হয় না। দৌড় দেন আলিয়ার হেফজখানায়। তারপর কী হয় তা নাই বললাম।
আসলে হেফজখানায় ভর্তি হওয়ার উদ্দেশ্য ও হিফজের ব্যাপারটা তার কাছে পরিষ্কার নয়।

একই ঘটনা দেখা যায় ইদানিং মাদানি নেসাবে ভর্তি হওয়ার বিষয়ে। মাদানি নেসাবে ভর্তি হওয়ার উদ্দেশ্য কী? ইংরেজি শেখা? ইংরেজি তো আরবি শেখার সহায়কও নয়! আরবি শেখার সহায়ক হল বাংলাভাষা।

আজ আট বছর যাবত এসো আরবি শিখি পড়াই। এসো আরবি শিখি পড়ানোর জন্য কয়েকবার আমি প্রশিক্ষণও নিয়েছিলাম। তো আজ থেকে সাত আট বছর আগে -এসো আরবি শিখি কিতাব পড়ানোর প্রাথমিক জীবনে- ইংরেজিও পড়াতাম। নিজেই শীট তৈরি করে প্রথমে দ্বিতীয় বর্ষে, তারপরের বছর তৃতীয় বর্ষে, তারপরে চতুর্থ বর্ষে পড়িয়েছিলাম। তারপর বন্ধ করে দিয়েছিলাম বা যে কোন কারণেই বন্ধ হয়ে গেছে।

তখন আমার যে উপলব্ধি হল, আরবি শেখার চেয়ে ইংরেজি শেখার প্রতি ছাত্রদের প্রচুর আগ্রহ। আরবির জন্য জোর করে তামরিনে বসাতে হয় আর ইংরেজির জন্য নিজ আগ্রহে তামরিন (অনুশীলন) করতে থাকে, এমনকি অন্যান্য পড়া বাদ দিয়ে। ইন্নালিল্লাহ!

দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের ছাত্ররা যখন আরবি বাক্যের কাঠামো নিয়ে চিন্তা করবে, তারকিব শিখবে, কাওয়ালিব অনুশীলন করবে, আরবি রোজনামচা লিখবে, মাকালা লিখবে, আরবিতে কথা বলবে তখন তারা ইংরেজি নিয়ে ব্যস্ত। কী সর্বনাশ!

কোন কোন ছাত্র এসে বলল, হুজুর ইংরেজি তামরিন করতে গিয়ে আরবি তামরিন ভুলে যাচ্ছি।আরবি বলতে গিয়ে মুখে ইংরেজি চলে আসে। কী ভয়ানক ব্যাপার!

কারণ কী? কারণ হল ইংরেজির ব্যবহার বেশি হচ্ছে। আরবির অনুশীলন হচ্ছে কম। আরবি কঠিন ও ইংরেজি সহজ। আরবি বললে কেউ ফিরে তাকায় না, মূল্য দেয় না, কিন্তু ইংরেজি বললে সবাই বাহবা দেয়!

ওই বছরই আমি ইংরেজি পড়ানো বন্ধ করে দিলাম। আবার কখনও হয়ত চালু করবো। আমার ঐ ছাত্ররা এখন মেশকাত দাওরায় আছে। এখন প্রতি বছরই নিচের ছাত্ররা অনেকে এসে অনুরোধ করে, হুজুর আবার ইংরেজি শুরু করুন।

আমার ঐ শীট এখন পূর্ণ বই হয়ে পড়ে আছে কম্পিউটারে। ঐ শীট পড়ে এমন ছাত্রও ইংরেজি শিখেছে যে ছাত্র জীবনের প্রথম ইংরেজি পড়া শুরু করেছিল ঐ শীট দিয়েই। কিন্তু কেন জানি ভেতর থেকে আগ্রহ পাই না ইংরেজি পড়াতে। সত্য হল, যখনই ঐ চিত্রটা মনে পড়ে যে ছাত্ররা আলেম হতে এসে আরবি বাদ দিয়ে ইংরেজি তামরিন করছে তখন আমার সামান্যও ইচ্ছা জাগে না। এটা আমি কল্পনাতেও বরদাশত করতে পারি না।

তবে ইচ্ছা আছে ইংরেজি শুরু করবো। কিন্তু মাদানি নেসাবের প্রথম তিন বছর ইংরেজি ভাষা কখনোই না। কারণ এই তিন বছর আরবি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের বছর। ইংলিশ শিখতে ছয় মাসই যথেষ্ট। আমি মনে করি, ইংরেজি শেখার সময় নিরবচ্ছিন্নভাবে ইংরেজি শিখবে আরবি শেখার সময় সবকিছু ভুলে শুধু আরবি শিখবে। হজরত আবুল হাসান আলী নদভি রহ. এমনই করেছিলেন।

আরবি না শিখে আলেম হওয়া যায় না। সম্ভবও নয়। কিন্তু ইংরেজি না শিখে আলেম হতে অসুবিধা নেই। এখনও বিজ্ঞ ও দেশসেরা অনেক আলেম আছেন যারা হয়ত ইংরেজি জানেন না। অথচ ইংরেজি জানা লোকেরা তাদের মত হওয়ার সাহসও করে না!

আমি ইংরেজি শেখার বিরুদ্ধে বলছি না। আমি বলতে চাচ্ছি, আগে আরবি পরিপূর্ণ শেখে তারপর ইংরেজি শিখতে। অন্যথায় জগাখিচুড়ী হবে। ফার্সি আর উর্দুর গেঞ্জামে যেমন আরবি শেখা হয় না। ফলে মাদানি নেসাব সৃষ্টি হয়ে বাংলার মাধ্যমে আরবি শেখার পথ সহজ করেছে।

এখন যদি মাদানি নেসাবেই ডাকঢোল পিটিয়ে ইংরেজি শুরু হয় তাহলে এটা ঐ ফার্সির স্থান দখল করে আরবিকে গুরুত্বহীন করে দেবে, বৈকি। যতদূর জানি, মাদরাসাতুল মাদিনায় এখনও ইংরেজি নেই।

মধ্যম মেধার ছাত্রদের জন্য তো কিছুতেই উচিত নয় প্রথম তিন বছর অন্য কিছু পড়া। কিন্তু ছাত্র ও অভিভাবকরা এটা বুঝতে চায় না।

তারা ভর্তির সময় বলবে, আমার ছেলে যেন অমুক শায়খের মত ইংরেজি বলতে পারে। তমুকের মত যেন ইংরেজিতে ওয়াজ করতে পারে। তখন যতই বুঝানোর চেষ্টা করি যে দেখেন আলেমকে আগে ইলম অর্জনের ভাষা শিখতে হবে, তারপর ইলম বিতরণের ভাষা শিখবে। ইংলিশ দিয়ে ইলম বিতরণ করবে আর আরবি দিয়ে ইলম অর্জন করবে। অর্জন না থাকলে বিতরণ কী করবে? তাই আগে আরবি। আরবি মানে সাধারণ আরবি নয়, সাহিত্য মানের আরবি। এটার জন্য প্রচুর সময়, শ্রম, মেধা ও মনযোগ দরকার। একসঙ্গে সব চাইলে সব হারাতে হবে, কিছুই হবে না।

কিন্তু ছাত্র বলেন আর অভিভাবক বলেন , কেউ এই কথা শুনবে না। ইংলিশ শেখার কি টেবলেট যে খেয়ে আসে আল্লাহই জানেন, এই ধরনের লোকেরা কোন কথাই শুনবে না। ইংলিশ শেখার চটকদার বিজ্ঞাপনের পেছনে দৌড় দেবেই। তখন কী হয়???

তখন আরবি শেখাটা মাঠে মারা যায়। আরবি শেখার স্বাদ, আরবির প্রতি আগ্রহ, আরবির জন্য অতিরিক্ত পরিশ্রম, আরবির প্রতি ভালোবাসা, কোন কিছুই আর হয় না। এভাবে মাদানি নেসাবে পড়ার উদ্দেশ্যের মৃত্যু হয়। মাদানি নেসাবে পড়েও যদি আরবির প্রতি ভালোবাসা তৈরি না হয় তাহলে তো মাদানি নেসাবে পড়ার উদ্দেশ্যের মৃত্যুই হল।

মনে রাখবেন, মাদানি নেসাবে ভর্তি হওয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য হতে হবে আরবি শেখা, ইংরেজি শেখা নয়। আদব-কায়দা, আমল-আখলাক এগুলো তো জরুরিয়্যাতে ইলম বা ইলম অর্জনের অনিবার্য বিষয়। এগুলো তো শিখবেই। এগুলো না থাকলে তো ইলম মূল্যহীন।

সাথে সাথে আরবি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করা হল মাদানি নেসাবের প্রধান উদ্দেশ্য। আর এই উদ্দেশ্য অর্জন করার প্রথম ধাপ হল প্রথম বর্ষ, দ্বিতীয় ধাপ দ্বিতীয় বর্ষ, তৃতীয় ধাপ তৃতীয় বর্ষ। (যদিও আজকাল তিন বছরেও যেন প্রথম ধাপই পার হয় না।) তাই এই সময় অন্য ভাষার অতিরিক্ত চাপ অবশ্যই আরবি ভাষা শেখায় ক্ষতি বয়ে আনবে।

একটা ছাত্র ইংরেজি রিডিং পড়তে পারলে ও বুঝতে পারলে যথেষ্ট। আর এইটুকু যোগ্যতা বেফাকের সাধারণ বই দিয়ে সাধারণ ক্লাস নিলেই হয়ে যায়। অতিরিক্ত দরকার নেই।

পক্ষান্তরে দরকার হল বাংলাভাষা শেখার। অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে প্রথম বর্ষ থেকেই আরবির পাশাপাশি বাংলাভাষা ও বাংলা সাহিত্যচর্চার প্রতি মনোযোগী হওয়া। কারণ ভালো আরবি শিখতে হলে অবশ্যই ভালো বাংলা জানা আবশ্যক। এটা স্বতঃসিদ্ধ বিষয়। মাতৃভাষায় দুর্বল থেকে কেউ ভালো আরবি শিখতে পারবে না। তাছাড়া বাংলাভাষা না জেনে মাদানি নেসাবের কিতাবাদি থেকে পরিপূর্ণ উপকৃত হওয়াও সম্ভব নয়। গ্রামগঞ্জের এমন অনেক ছাত্র আসে যারা প্রথম বর্ষের আততামরিনুল কিতাবির বাংলা বাক্যগুলো ঠিকভাবে বুঝে না। ফলে ঐ বাক্যগুলোর মত বাক্য নিজ থেকে তৈরি অনুশীলন করতে পারে না।

কিন্তু ছাত্ররা কেউ বাংলা শেখার প্রতি আগ্রহবোধ করে না। মনে করে, আমি বাংলায় কথা বলছি, তার মানে তো আমি বাংলাভাষা জানিই!

অথচ তার জন্য যে বাংলাভাষার বাক্যের কাঠামো, কলাকৌশল, বাকরীতি, উপমা, উদাহরণ, লেখালেখি ইত্যাদি শেখা দরকার যাতে আরবিভাষা শেখার সময় সেগুলো প্রয়োগ করতে পারে, তুলনা করে বুঝতে পারে- এদিকে কোন খেয়াল নেই। সচরাচর মাদানি নেসাবের মাদরাসাগুলোতেও এই বিষয়ে যথাযথ গুরুত্বারোপ করতে দেখা যায় না।

ভালো বাংলা না জানলে আরবি ভাষা যতই শেখা হোক হৃদয়ঙ্গম করতে পারবে না।

যাইহোক, সবশেষে বলবো, যারা মাদানি নেসাবে ভর্তি হওয়ার ইচ্ছা করছো তোমাদেরকে স্বাগতম। তবে তোমরা আরবি শেখার মহান উদ্দেশ্য সামনে রেখেই ভর্তি হও। যেখানে আরবি ভাষা শেখানোর অভিজ্ঞ শিক্ষক আছেন, মমতা দিয়ে আরবি শেখান, আরবির প্রতি তোমার হৃদয়ে ভালোবাসা তৈরি করেন সেখানে ভর্তি হও। তাহলে তোমাদের মাদানি নেসাবে ভর্তি হওয়া সার্থক হবে। ইনশাআল্লাহ।

ইংরেজি তুমি পরেও শিখতে পারবে, কিন্তু আরবি শেখার সময়টা হারিয়ে গেলে আরবি শেখার ধৈর্য আর হবে না। তখন "আলেম হওয়া" উদ্দেশ্যটা ফওত হয়ে যাবে।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন।

Photos from Umme Salama R. Mahila Madrasa-Dhaka's post 04/04/2024

আজকে আমাদের মাদরাসার সকল বিভাগের ছাত্রীদের পরিক্ষা শেষে রেজাল্ট দিয়ে পুরুষ্কার দেওয়া হলো। এখানে শুধু প্রথম শ্রেণীর যারা পুরুষ্কার পেয়েছে তাদের ছবি তুলে ধরা হলো আর বাকিগুলো পর্দা মেইনটেইনের জন্য দেওয়া হয়নি।

বিঃ দ্রঃ আমাদের মাদরাসায় নূরানী, নাজেরা,হিফয ও কিতাব বিভাগ ( মাদানি নেসাব) এ ভর্তি চলছে।

যোগাযোগঃ 01707745931.01886833881

02/04/2024

রমজানে প্রথম দশ দিনে মসজিদে মুসল্লী
👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤

দ্বিতীয় দশ দিনে মুসল্লী
👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤

তৃতীয় দশ দিনে মুসল্লী
👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤

২৭ রমজানের রাতে মুসল্লী
👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤

ঈদের নামাজে মুসল্লী
👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤

ঈদের দিন যোহরের নামাযে মুসল্লী
👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤👤

ঈদের পরের দিনের মুসল্লী
👤👤👤👤👤👤👤

🥺😅

28/03/2024

আপনি বিকাশে এক হাজার টাকায় ২০ টাকা দিতে বাধ্য।অথচ এক হাজার টাকায়,২৫টাকা যাকাত দিতে অজুহাত খোঁজেন, তাও আবার বছরে একবার। আফসোস!!

25/03/2024

দুই ভাই বোন এক সাথে গজল বলতে গিয়ে ভাই যখন কিছুই বলতে না পারলো বোন তখন একাই গাওয়ার চেষ্টা করলো।🙂

22/03/2024

আমাদের মাদরাসার ভিজিটিং কার্ড এর ডিজাইন এখনো ছাপানো হয়নি কেমন হয়েছে বলেন কোন ভুল আছে কি না একটু জানান চলে কি না.?? আরো কিছু লেখা সংযোগ বা কমালে কি ভালো হবে নাকি ঠিক আছে আপনাদের মতামত জানান.!

Photos from Umme Salama R. Mahila Madrasa-Dhaka's post 22/03/2024

আমাদের মাদরাসার ব্যানার ও সাইনবোর্ড লাগানো হলো।

Photos from Umme Salama R. Mahila Madrasa-Dhaka's post 21/03/2024

আমাদের ভর্তি ফরমের কাজ শেষ। মাদরাসায় এসে গেছে। আর ভর্তিও শুরু হয়ে গেছে আলহামদুলিল্লাহ। ভর্তি হতে যোগাযোগ করতে পারেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


২৮/৮ এ কে এম দাস লেন টিকাটুলি Dhaka
Dhaka