Mahfuz Mahbub Virtual Classroom

Mahfuz Mahbub Virtual Classroom

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mahfuz Mahbub Virtual Classroom, Education, Dhaka.

Photos from Mahfuz Mahbub Virtual Classroom's post 25/05/2025

ফল
১।ফল কাকে বলে?
ফুলের গর্ভাশয় নিষিক্ত, পরিপুষ্ট ও পরিণত হয়ে যে অঙ্গ গঠন করে তাকে ফল বলে। অর্থাৎ নিষিক্তকরণ প্রক্রিয়া গর্ভাশয়ে যে উদ্দীপনা সৃষ্টি করে তার কারণে ধীরে ধীরে গর্ভাশয়টি ফলে পরিণত হয়।
২।প্রকৃত ফল কাকে বলে?
প্রকৃত ফলঃ শুধু গর্ভাশয় ফলে পরিণত হলে তাকে প্রকৃত ফল বলে।
যেমন: আম, কাঁঠাল।
৩।অপ্রকৃত ফল কাকে বলে?
অপ্রকৃত ফলঃ গর্ভাশয় ছাড়া ফুলের অন্যান্য অংশ পুষ্ট হয়ে যখন ফলে পরিণত হয় তখন তাকে অপ্রকৃত ফল বলে। যেমন: আপেল, চালতা ইত্যাদি।
৪।প্রকৃত ও অপ্রকৃত ফলকে কয়ভাগে ভাগ করা যায় কীকী?
প্রকৃত ও অপ্রকৃত ফলকে ৩ভাগে ভাগ করা যায়ঃ
1. সরল ফল(সরল ফল দুই প্রকার: রসাল ফল, নীরস ফল)
2. গুচ্ছ ফল
3. যৌগিক ফল
৫।সরল ফল কত প্রকার?কী কী?
সরল ফল দুই প্রকার:
1. রসাল ফল
2. নীরস ফল
৬।প্রকৃত ফল কোথায় উৎপন্ন হয়?
: গর্ভাশয় থেকে উৎপন্ন হয়।
যেমন- আম, জাম, লিচু।
৭।অপ্রকৃত ফল কোথায় উৎপন্ন হয়?
অপ্রকৃত ফল: গর্ভাশয় ব্যতীত অন্য অংশ থেকে উৎপন্ন হয়। যেমন- আপেল।
৮।সরল ফল কাকে বলে?
সরল ফল: একটি পুষ্প হতে একটি মাত্র ফল উৎপন্ন হয়। যেমন- আম।
৯। গুচ্ছিত ফল কাকে বলে?
গুচ্ছিত ফল: একটিমাত্র পুষ্পের মুক্ত গর্ভাশয়গুলো হতে একগুচ্ছ ফল উৎপন্ন হয়।
যেমন- আতা।
১০।যৌগিক ফল কাকে বলে?
যৌগিক ফল: সমগ্র পুষ্পমঞ্জরী হতে একটি মাত্র ফল উৎপন্ন হয়।
যেমন- কাঁঠাল।
১১। লিগিউম কাকে বলে?
লিগিউম: ফল উপর থেকে নিচে দুটি কপাটে বিদীর্ণ হয়।ডাল জাতীয় ফল।
ছোলা,মশুর,
১২।ক্যাপসিউল কাকে বলে?
ক্যাপসিউল: ফল উপর থেকে নিচে বহু কপাটে বিদীর্ণ হয়।
যেমন- ধুতরা, ঢ়েঁড়স, পাট।
১৩।ক্যারিঅপসিস কাকে বলে?
ক্যারিঅপসিস: ফল এক প্রকোষ্টবিশিষ্ট এবং একটি মাত্র বীজযুক্ত। ফলত্বক ও বীজত্বক পরস্পর সংলগ্ন থাকে।
যেমন- ধান।
১৪।সিলিকুয়াকাকে বলে?
সিলিকুয়া: শুষ্ক বিদারী ফল যা পরিপক্ব হলে নিচ থেকে উপরের দিকে ক্রমশ ফেটে যায়। এই ফল লম্বা ও নলাকার হয়। যেমন- সরিষা।
১৫।বেরি কাকে বলে?
বেরি: ফল এক বা একাধিক গর্ভপত্রী এবং বহুবীজী। অন্তত্বক ও মধ্যত্বক সংযুক্ত থাকে। যেমন- কলা, টমেটো।
১৬।সাইজোকার্প কাকে বলে?
সাইজোকার্প: শুষ্ক অবিদারী ফল। যেমন- ধনে।
১৭।সরোসিস কাকে বলে?
সরোসিস: স্পাইক, স্প্যাডিক্স মঞ্জরীটি একটি রসালো যৌগিক ফলে পরিণত হয়। যেমন- কাঁঠাল, আনারস।

05/12/2024

যেমন কর্ম তেমন ফল,
শিক্ষনীয় গল্প
😍




এক গ্রামে একজন কৃষক ছিল।
তিনি দুধ থেকে দই ও মাখন তৈরি করে বিক্রি করতেন।
একদিন কৃষকের স্ত্রী মাখন তৈরি করে
কৃষককে দিলেন বিক্রি করতে।

কৃষক তা বিক্রি করার জন্য
গ্রাম থেকে শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হলেন।

মাখনগুলো গোল-গোল রোল আকৃতিতে রাখা ছিল।
যার প্রত্যেকটির ওজন ছিল ১ কেজি করে।
শহরে পৌঁছে কৃষক প্রতিবারের ন্যায়
পূর্ব নির্ধারিত দোকানে মাখনগুলো দিয়ে,
পরিবর্তে চা চিনি তেল ও তার সংসারের
প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি নিয়ে আসতেন।

আজ কৃষক চলে যাওয়ার পরে
দোকানদার মাখনের রোলগুলো
একটা একটা করে ফ্রিজে রাখার সময় ভাবলেন
মাখনের ওজন সঠিক আছে কিনা
আজ একবার পরীক্ষা করে দেখা যাক।

মাখনের রোলগুলো ওজন করতেই
উনি দেখলেন মাখনের ওজন
১ কেজি নয় তা প্রতিটা আছে ৯০০ গ্রাম করে।

পরের সপ্তাহে আবার কৃষক
উক্ত দোকানে মাখন বিক্রি করতে গেলেন।
দোকানের সামনে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে
দোকানদার কৃষকের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে বললেন,
বেরিয়ে যাও আমার দোকান থেকে।

এবার থেকে কোন বেঈমান চিটিংবাজের সাথে ব্যবসা কর।
আমার দোকানে আর কোনদিন পা রাখবে না।
৯০০ গ্রাম মাখন ১ কেজি বলে বিক্রি করা
লোকটার মুখ আমি দেখতে চাইনা।

কৃষক বিনম্রভাবে কম্পিত স্বরে দোকানদারকে বললেন ”দাদা!
দয়া করে রাগ করবেন না।
আসলে আমি খুবই গরিব মানুষ,
দাড়িপাল্লার বাটখারা কেনার মতো পয়সা আমার নেই।
তাই আপনার থেকে প্রতিবার যে
এক কেজি করে চিনি নিয়ে যেতাম,
সেটা দাড়িপাল্লার একপাশে রেখে
অন্য পাশে মাখনের রোল মেপে নিয়ে আসতাম!!

শিক্ষা
আপনি অপরকে যেটা দেবেন,
সেটা কোন না,কোন ভাবে আপনার কাছে ফিরে আসবেই,?
নেট থেকে নেয়া
#মাহফুজ স্যার

05/12/2024

জাপানের তাকামায়া গ্রামে এক বৃদ্ধ কৃষক বাস করত। তার একটি তেজী ঘোড়া ছিল। কৃষিকাজে, ভারী জিনিস বহনে ও নিত্যদিনের চলাফেরায় ঘোড়াটিকে সে ব্যবহার করত।

একদিন ঘোড়াটি হারিয়ে গেলো। তাকে আর কোথাও খুঁজে পাওয়া গেল না।

কৃষকের স্ত্রীর খুব মন খারাপ। কিন্তু কৃষকের কোনো অস্থিরতা বা আফসোস নেই। হারিয়ে যাওয়া ঘোড়ার জন্য তার কোনো দুশ্চিন্তাও নেই। তাকে দেখে মনে হচ্ছিল যেন কিছুই হয়নি।

আশেপাশের প্রতিবেশীরা এসে বলল, তোমার কি দুর্ভাগ্য! একটা মাত্র ঘোড়া তাও হারিয়ে গেল।

এ কথা শুনে কৃষক একটু মৃদু হেসে বলল, হতে পারে!

তার কিছুদিন পর ঘোড়াটি আবার কৃষকের বাড়ি ফিরে আসলো এবং তার সাথে আরোও তিনটি বন্য ঘোড়া।

কৃষকের বাড়িতে অনেক আনন্দ। শুধু হারানো ঘোড়াটাই ফিরে আসেনি, তার সাথে আরও তিনটা ঘোড়া।

প্রতিবেশীরা আবার দেখতে আসলো। সবাই লোকটিকে বলতে থাকল, তোমার কি সৌভাগ্য, হারানো ঘোড়া ফিরে পেয়েছ, সেই সাথে আবার তিনটা বাড়তি ঘোড়া!

কৃষক আগের মতই হাসিমুখে বলল, হতে পারে!

দুই দিন পর কৃষকের একমাত্র ছেলে বন্য ঘোড়াগুলোর একটিতে চড়তে গিয়ে ছিটকে পড়ে গেল। দুর্ঘটনায় তার পা গেল ভেঙে।

এই খবর শুনে প্রতিবেশীরা এসে খুব আফসোস করল। দুঃখ করে কৃষককে বলল, এমন করে ছেলের পা ভেঙে গেল, সত্যিই বড় দুর্ভাগ্য!

কথা শুনে কৃষক লোকটি মুচকি হেসে বলল, হতে পারে!

এর পরদিন গ্রামে রাজার সৈন্যরা এসে হাজির। যুদ্ধের জন্য তারা গ্রামের যুবক ছেলেদেরকে ধরে নিয়ে যেতে এসেছে। সবাইকে নিয়ে গেলেও কৃষকের ছেলের ভাঙা পা দেখে তাকে নেওয়া হল না।

এইবার প্রতিবেশীরা এসে বলল, তোমার তো দেখছি অনেক বড় সৌভাগ্য, ছেলেকে আর যুদ্ধে গিয়ে মরতে হবে না।

মৃদু হেসে কৃষকের একই উত্তর, হতে পারে।

শিক্ষণীয় দিক:
১. জীবনের ভালো বা খারাপ ঘটনাগুলো সাময়িক এবং পরিবর্তনশীল।

২. এখন যা দুর্ভাগ্য মনে হয়, পরবর্তীতে তা সৌভাগ্যে পরিণত হতে পারে, এবং এর বিপরীতটাও সত্য।

৩. জ্ঞানীর ধর্ম হচ্ছে কষ্টের দিনে ভেঙে না পড়া এবং আনন্দের মুহূর্তে উদ্বেলিত না হওয়া। যেকোনো পরিস্থিতিতে শান্ত ও নির্মোহ থাকার গুরুত্ব অপরিসীম।

৪. সবকিছুই আপেক্ষিক এবং আমাদের বর্তমান দৃষ্টিভঙ্গি হয়তোবা ভবিষ্যতের প্রকৃত চিত্র প্রকাশ করে না। জীবনের অপ্রত্যাশিত ফলাফলগুলি আমাদের চমকে দেয়।

৫. এক জীবনে আমাদের ভালো-মন্দ সবকিছুই মেনে নিতে হয়। জীবনের সকল পরিবর্তনকে সহজভাবে নেওয়া আমাদের মানসিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
Collected

05/12/2024

সফল হতে চান?

২৭ বছর বয়সে যখন হন্যে হয়ে ব্যাংকে চাকরি খুঁজছেন,তখন আপনারই বয়েসি কেউ একজন সেই ব্যাংকেরই ম্যানেজার হয়ে বসে আছেন। আপনার ক্যারিয়ার যখন শুরুই হয়নি,তখন কেউ কেউ নিজের টাকায় কেনা দামি গাড়ি হাঁকিয়ে আপনার সামনে দিয়েই চলে যাচ্ছে।

প্রথমেই আসে পরিশ্রমের ব্যাপারটা-
যারা আপনার চাইতে এগিয়ে,তারা আপনার চাইতে
বেশি পরিশ্রমী।এটা মেনে নিন। ঘুমানোর আনন্দ আর ভোর দেখার আনন্দ একসাথে পাওয়া যায় না।
শুধু পরিশ্রম করলেই সব হয় না।তা-ই যদি হত,তবে গাধা হত বনের রাজা।শুধু পরিশ্রম করা নয়,এর পুরস্কার পাওয়াটাই বড় কথা।
only your results are rewarded,not your efforts!!!!
আপনি এক্সট্রা আওয়ার না খাটলে এক্সট্রা মাইল এগিয়ে থাকবেন কীভাবে?সবার দিনই তো ২৪ ঘণ্টায়।আমার বন্ধুকে দেখেছি,অন্যরা যখন ঘুমিয়ে থাকে তখন সে রাত জেগে আউটসোর্সিং করে।ও রাত জাগার সুবিধা তো পাবেই!

আপনি বাড়তি কী করলেন,সেটাই ঠিক করে দেবে,আপনি বাড়তি কী পাবেন।আপনি ভিন্ন কিছু করতে না পারলে ভিন্ন কিছু পাবেন না।বিল গেটস রাতারাতি বিল গেটস হননি।শুধু ইউনিভার্সিটি ড্রপআউট হলেই স্টিভ জবস কিংবা জুকারবার্গ হওয়া যায় না।
আউটলায়ার্স বইটি পড়ে দেখুন।বড় মানুষের বড় প্রস্তুতি থাকে।
নজরুলের প্রবন্ধ গুলো পড়লে বুঝতে পারবেন,উনি কতটা স্বশিক্ষিত ছিলেন।শুধু রুটির দোকানে চাকরিতেই নজরুল হওয়া যায় না।কিংবা স্কুল কলেজে না গেলেই রবীন্দ্রনাথ হয়ে যাওয়া যাবে না।সবাই তো বই বাঁধাইয়ের দোকানে চাকরি করে মাইকেল ফ্যারাডে হতে পারে না,বেশিরভাগই তো সারাজীবন বই বাঁধাই করেই কাটিয়ে দেয়।

স্টুডেন্ট লাইফে কে কী বলল,সেটা নিয়ে মাথা ঘামাবেন না। যে ছেলেটা প্রোগ্রামিং করতেই পারত না,সে এখন একটা সফটওয়্যার ফার্মের মালিক।যাকে নিয়ে কেউ কোনদিন স্বপ্ন দেখেনি,সে এখন হাজার হাজার মানুষকে স্বপ্ন দেখতে শেখায়।কেরিয়ার নিয়ে যার তেমন কোন ভাবনা ছিল না,সে সবার আগে পিএইচডি করতে আমেরিকায় গেছে।সব পরীক্ষায় মহা উৎসাহে ফেল করা ছেলেটি এখন একজন সফল ব্যবসায়ী। আপনি কী পারেন,কী পারেন না,এটা অন্য কাউকে ঠিক করে দিতে দেবেন না।

সরকারী ইউনিভার্সিটিতে চান্স পাননি? প্রাইভেটে পড়ছেন? সবাই বলছে,আপনার লাইফটা শেষ?আমি বলি,আরে!আপনার লাইফ তো এখনো শুরুই হয়নি।আপনি কতদূর যাবেন,এটা ঠিক করে দেয়ার অন্যরা কে?লাইফটা কি ওদের নাকি?
আপনাকে ডাক্তার- ইঞ্জিনিয়ার হতেই হবে কেন?যেখানেই পড়াশোনা করেন না কেন,আপনার এগিয়ে যাওয়া নির্ভর করে আপনার নিজের উপর।
শুধু 'ওহ শিট','সরি বেবি','চ্যাটিং ডেটিং' দিয়ে জীবন চলবেন না।আপনি যার উপর ডিপেনডেন্ট,তাকে বাদ দিয়ে নিজের অবস্থানটা কল্পনা করে দেখুন।যে গাড়িটা করে ইউনিভার্সিটিতে আসেন,ঘোরাঘুরি করেন,সেটি কি আপনার নিজের টাকায় কেনা?

একদিন আপনাকে পৃথিবীর পথে নামতে হবে।তখন আপনাকে যা যা করতে হবে,সেসব কাজ এখনই করা শুরু করুন। জীবনে বড় হতে হলে কিছু ভাল বই পড়তে হয়,কিছু ভাল মুভি দেখতে হয়,কিছু ভাল মিউজিক শুনতে হয়,কিছু ভাল জায়গায় ঘুরতে হয়,কিছু ভাল মানুষের সাথে কথা বলতে হয়,কিছু ভাল কাজ করতে হয়।জীবনটা শুধু হাহাহিহি করে কাটিয়ে দেয়ার জন্য নয়।একদিন যখন জীবনের মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে,তখন দেখবেন,পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে,মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ছে। স্কিল ডেভেলাপমেন্টের জন্য সময় দিতে হয়। এসব একদিনে কিংবা রাতারাতি হয় না।"আপনার মত করে লিখতে হলে
আমাকে কী করতে হবে?আমি আপনার মত রেজাল্ট করতে চাই। আমাকে কী করতে হবে?"এটা আমি প্রায়ই শুনি।আমি
বলি,"অসম্ভব পরিশ্রম করতে হবে।নো শর্টকাটস্।সরি!"
রিপ্লাই আসে,"কিন্তু পড়তে যে ভাল লাগে না। কী করা যায়?"এর উত্তরটা একটু ভিন্ন ভাবে দিই।

আপনি যখন স্কুল কলেজে পড়তেন,তখন যে সময়ে আপনার ফার্স্ট বয় বন্ধুটি পড়ার টেবিলে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকত,সে সময়ে আপনি তাকে দেখে হাসতেন।এখন সময় এসেছে, আপনি পড়ার টেবিলে বসে থাকবেন।
জীবনটাকে যে সময়ে চাবুক মারতে হয়,সে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করলেন,যে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করার কথা,সে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করতে পারবেন না,এটাই স্বাভাবিক।এটা মেনে নিন।
মেনে নিতে না পারলে ঘুরে দাঁড়ান।এখনই সময়!
কষ্ট করুন,লক্ষ্য ঠিক রাখুন,ব্যর্থ হবেন
কিন্তু থামবেন না,এগিয়ে যান--
১০০০ বার ব্যর্থ হলে তা থেকে ১০০০টা
শিক্ষা নিন,তারপর সফলতা পান।

04/12/2024

"ইয়ে মানে আপনি নোবেল পাচ্ছেন বটে, কিন্তু প্রাইজটা নিতে আসবেন না প্লিজ। এমন চরিত্রহীনা নারী পুরস্কার নিতে এলে খুব বদনাম হবে আমাদের! আমরা.... আমরা আপনাকে বাড়িতে পৌঁছে দেব প্রাইজ।"

১৯১১ সাল। সারা দুনিয়াকে চমকে দিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য নোবেল প্রাইজ ঘোষণা হল বিজ্ঞানী মাদাম মেরি কুরির নামে। তার আগে দ্বিতীয়বার নোবেল কেউ পাননি। তাও আবার দুটো আলাদা বিভাগে!

অথচ কী আশ্চর্য, নাম ঘোষণা করেই স্টকহোমের নোবেল কমিটি তড়িঘড়ি মেরি কুরিকে চিঠি লিখল,“দয়া করে আপনি কিন্তু পুরস্কার নিতে আসবেন না। আমরা আমাদের বদনাম চাইছি না। প্লিজ মাদাম! আমরা আপনাকে পুরস্কারটি পাঠিয়ে দেব যথাসময়ে।"

মেরি কুরি বিস্মিত। আহতও। আটবছর আগে স্বামী পিয়েরের সঙ্গে যৌথভাবে যখন প্রথম নোবেল প্রাইজটি পেয়েছিলেন, অসুস্থতায় দুজনের কেউই যেতে পারেননি, এবার কেন যাবেন না? তিনি তো কোন অন্যায় করেননি! দৃঢ়ভাবে তিনি জানিয়ে দিলেন,“আমি পুরস্কার নিতে যাব। যাবই। ধন্যবাদ।”

নোবেল কমিটি পড়ল মহা ফ্যাসাদে। মেরি কুরির নাম যখন ইন্টারনাল কমিটিতে চূড়ান্ত হয়েছে, তখনো অবধি যে তাঁদের হাতে এসে পড়েনি হাতে গরম ফরাসী সংবাদপত্রগুলো! কিন্তু সেগুলোয় যে এখন ছেয়ে যাচ্ছে কেচ্ছা। বিশ্বের অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী মাদাম মেরি কুরি নাকি পরকীয়ায় লিপ্ত! তাও আবার মৃত স্বামীর ছাত্র পলের সঙ্গে।

নানারকম কাল্পনিক প্রতিবেদনে তখন ফরাসী মিডিয়া লাগাতার আক্রমণ করে চলেছে দেশের সবচেয়ে প্রতিভাবান নারীটিকে। দেশের নাগরিকরা জঘন্যতম বিশেষণে ছিছিক্কার করছে। সবার মনেরই চাপা অসন্তোষ ফেটে বেরোচ্ছে এখন উল্লাসে। আহা, গত কয়েকদশক ধরে যতই দেশের নাম উজ্জ্বল করুক, মেয়ে হয়ে এত বাড়বাড়ন্ত কি ভাল বাপু? মেয়ে হয়েছ, আর্ট পড়ো, তা নয় সায়েন্সে গেছে। দেশের পুরুষগুলো বসে আছে, আর যত রাজ্যের পুরস্কার থেকে বড় বড় বিজ্ঞান সংস্থার মাথায় কিনা একটা মেয়েমানুষ …!

বিখ্যাত প্যারিস বিশ্ববিদ্যালয়ে তাবড় তাবড় অধ্যাপকরা পড়ানোর সুযোগ পান না। সেখানে কিনা প্রথম মহিলা অধ্যাপক হিসেবে জয়েন করেছেন। না, এতটা মেনে নেওয়া যায় না। সুযোগ যখন একটা পাওয়া গেছে, সেটা কেউ ছাড়ে? তার ওপর মেরি ফ্রান্সের ভূমিকন্যা নন, পোল্যান্ডে জন্ম তাঁর। অন্য দেশ থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসায় জনসাধারণের আক্রোশ হয়ত আরো বেশি।

নিজের জগতে এমনিই বহু পুরুষ বিজ্ঞানী সহ্য করতে পারতেন না মেরিকে, তাঁরাও পরোক্ষ সমর্থনে তাতাতে লাগলেন জনতাকে। কেউ পল মেরির পরকিয়া নিয়ে আজগুবি সাক্ষাতকার দিয়ে লাইমলাইটে আসতে চাইছিলেন, কেউ অন্য কোনভাবে। বিংশ শতকের গোড়ার রক্ষণশীল ইউরোপীয় সমাজ ফুঁসছিল। এই মেয়েই কিনা আগে গর্বোদ্ধত সুরে বলেছিল, "মানুষ হওয়ার যাবতীয় অধিকার আমাদের সমাজে পুরুষরাই মনোপলি নিয়ে রেখেছে।"

উদ্ধত মেয়েটাকে এবার বাগে পাওয়া গেছে।

মেরির স্বামী পিয়ের শুধু তাঁর জীবনসঙ্গী ছিলেন না, ছিলেন গবেষণার সহকর্মী থেকে সবচেয়ে কাছের বন্ধু। সেই পিয়েরের হঠাৎ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে মেরি একেবারে ভেঙে পড়েছিলেন। কাজে হারিয়ে ফেলেছিলেন উৎসাহ।

সেই সাংঘাতিক মানসিক বিপর্যয়ে তিনি হয়ত মানসিক আশ্রয় খুঁজে পেয়েছিলেন পদার্থবিদ পল লজেভঁ-র কাছে। পল ছিলেন পিয়ের কুরিরই ছাত্র, মেরির চেয়ে বছরপাঁচেকের ছোট। পলের সঙ্গে মানসিক আদানপ্রদানে মেরি ক্রমশই জীবনের মূল স্রোতে ফিরে আসছিলেন। পল নিজেও বিবাহিত ছিলেন, যদিও স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ হয়ে গেছে আগেই। আলাদা থাকেন বহুদিন।

দুই একাকীত্বে ভোগা বিজ্ঞানীর বন্ধুত্ব হয়ত দুজনকেই শান্তি দিচ্ছিল। কিন্তু পলের প্রাক্তন স্ত্রী জেনি কী করে যেন পেয়ে গেলেন দুজনের কিছু চিঠিপত্র! রাগে ক্ষোভে উন্মত্ত জেনি মেরিকে খুনের হুমকি তো দিলেনই, দেশের কাছে দেবীস্বরূপা মেরির ইমেজ একেবারে টুকরো টুকরো করে দিতে সেই চিঠিগুলো তুলে দিলেন মিডিয়ার হাতে।

© 𝗗𝗲𝗯𝗮𝗿𝗮𝘁𝗶 𝗠𝘂𝗸𝗵𝗼𝗽𝗮𝗱𝗵𝘆𝗮𝘆

ব্যাস, আর কি! মিডিয়া লুফে নিল। সাধারণ চিঠির ওপর ক্রমাগত রঙ চড়িয়ে পরিবেশিত হতে লাগল রগরগে কেচ্ছা। এমনকি কিছু কিছু কাগজে কিস্তিতে ছাপা হতে শুরু করল মেরি – পলের কাল্পনিক প্রেমকাহিনী। প্রকাশিত হতে লাগল পলের স্ত্রী ও শ্বাশুড়ির সাক্ষাৎকারও। পল যে আগে থেকেই বিবাহবিচ্ছিন্ন, সেই তথ্যটাকে ‘ফুটেজ’ এর লোভে ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে যাওয়া হতে লাগল, বারবার বলা হতে লাগল, মেরি পলের সংসার ভাঙছেন।

সাংবাদিক গুস্তেভ টেরি আরো একধাপ এগিয়ে গিয়ে লিখলেন,“আসলে পিয়ের বেঁচে থাকতেই এই পরকীয়া শুরু। পিয়েরের মৃত্যু মোটেই অ্যাক্সিডেন্ট নয়, স্ত্রীর এই বিশ্বাসঘাতকতায় পিয়ের নিজেই ঘোড়ার গাড়ির তলায় ঝাঁপ দিয়ে সুইসাইড করেন।”

এমন জলজ্যান্ত মিথ্যাচারে মেরি হতবাক। স্বামী পিয়ের জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ছিলেন মেরির প্রিয়তম বন্ধু। তিনি জীবিত থাকার সময়ে পলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তো দূর, ভালভাবে পরিচয়ও ছিল না মেরির।

কিন্তু উত্তেজিত জনতা আর কবে যুক্তি দিয়ে কিছু বুঝতে চেয়েছে? যুক্তির চেয়ে গুজবের শক্তি বরাবরই বেশি। সাংবাদিক গুস্তেভ টেরির ওই প্রতিবেদনে আগুনে ঘি পড়ল যেন। জ্যান্ত মানুষের সম্মানের চেয়ে মরা পিয়েরকে ছদ্ম সমবেদনা জানানোর লোক কয়েকশো গুণ বেশি।

যে মানুষটা বিশ্বদরবারে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন, সেই মেরি কুরিরই বাড়ি ঘেরাও করে চলল উন্মত্ত জনতার বিক্ষোভ আর তাণ্ডব। সঙ্গে অশ্রাব্য গালিগালাজ আর হুমকি। সন্তানদের নিয়ে তখন ভয়ে কুঁকড়ে রয়েছেন নোবেলজয়ী কিংবদন্তী বিজ্ঞানী মেরি। মানসিকভাবে একেবারে তলানিতে তিনি।

ওদিকে বিজ্ঞানী পলের কাজ রিসার্চ সবই গেছে। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যেতে যেতে ঘুরে দাঁড়ালেন তিনি, বললেন,“সাংবাদিক গুস্তেভ টেরি সাংবাদিকতার লজ্জা। উনি সংবাদ নয়, মিথ্যে রগরগে কেচ্ছা পরিবেশনে সিদ্ধহস্ত। আমি ওঁকে আমার সঙ্গে ডুয়েল যুদ্ধে লড়ার জন্য আহ্বান করছি।”

মুখোমুখি দাঁড়ালেন সাংবাদিক ও বিজ্ঞানী। দুজনের হাতেই আগ্নেয়াস্ত্র। কিন্তু শেষমেশ ডুয়েল লড়া হল না। সাংবাদিক টেরি অবজ্ঞাভরে লিখলেন,“চাইলেই আমি এক গুলিতে পলকে হারাতে পারতাম, কিন্তু আমি চাই না দেশ একজন বরেণ্য বিজ্ঞানীকে অকালে হারাক!”

তারই মাঝে এল মেরির দ্বিতীয়বারের নোবেল প্রাপ্তির সংবাদ। লোকজন গর্বিত হওয়ার বদলে আরো ক্ষেপে উঠল। বাইবেলে আছে, চরিত্রহীনা নারী হল ঘোর পাপিষ্ঠা, এমন একজন কিনা সুইডেনের রাজার হাত থেকে পুরস্কার নেবেন? তাতে বুঝি রাজার হাতের পবিত্রতা থাকবে? হতেই পারে না।

কাগজে ছেয়ে যেতে লাগল শ্লোগান। ‘মেরি কুরিকে কিছুতেই নোবেল প্রাইজ নিতে দেওয়া যাবে না। ব্যান করা হোক মেরি কুরিকে। এখুনি। আমাদের রাজার হাত অপবিত্র হতে দেওয়া যাবে না।'

এদিকে নোবেল সংগঠকরা মহা ফ্যাসাদে। ভেতরে ভেতরে পুরোপুরি ভেঙে গিয়েও ঘুরে দাঁড়িয়েছেন মেরি। ছোট থেকে ভয়াবহ দারিদ্র্যের সঙ্গে সংগ্রাম করে উঠে এসেছেন তিনি। এত সহজে নিজেকে ফুরিয়ে যেতে দেবেন না। জ্যেষ্ঠা কন্যা আইরিন ও দিদি ব্রোনিয়াকে নিয়ে মাথা উঁচু করে স্টকহোম পৌঁছলেন তিনি। যাবতীয় বিক্ষোভকে হাওয়ায় উড়িয়ে দিয়ে সুইডেনের রাজার হাত থেকে বিশ্বের সর্বপ্রথম মানুষ হিসেবে নিলেন দ্বিতীয় নোবেল পুরষ্কার। নোবেল প্রাইজ বক্তৃতায় বারবার বললেন স্বামী পিয়েরের কথা।

ফরাসী মিডিয়া যদিও পাত্তাই দিল না এতবড় গৌরবটিকে। মেরির ওপর জঘন্য আক্রমণ চলতেই থাকত। নারী, তার ওপর সফল নারীকে চারিত্রিক দোষ দিয়ে টুকরো করে দেওয়ার মত বিজয়োল্লাস আর কিছুতেই নেই।

চরম মানসিক জোর থাকা মানুষগুলোর শরীর কখনো কখনো তাঁদের মানসিক দৃঢ়তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারে না। মন লড়ে গেলেও শরীর বিদ্রোহ করে। প্রবল প্রতিবাদের মধ্যে দেশে ফিরে মেরিরও তাই হল। ফেরার সঙ্গে সঙ্গে এতটাই অসুস্থ হয়ে পড়লেন, ভর্তি হতে হল হাসপাতালে।

দিনরাত তেজস্ক্রিয় পদার্থের সংস্পর্শে থাকতে থাকতে মেরির শরীরের অনেক কোষ তখন ক্ষতিগ্রস্থ, লিভার সাংঘাতিকভাবে ড্যামেজড। মিডিয়াকে এড়াতে অন্য নামে কেবিন বুক করতে হল।

কিন্তু সাংবাদিকরা আর দেশের জনতা তাতেও তাঁকে রেহাই দিল না। রটিয়ে দেওয়া হল, মেরি আসলে পলের অবৈধ সন্তানের মা হতে যাচ্ছিলেন, তাই গর্ভপাত করাতে গোপনে ভর্তি হয়েছেন হাসপাতালে। ছি ছি কী লজ্জা!

এতকিছুর পরও ভগ্নদেহে বাড়ি ফিরলেন মেরি। ধীরে ধীরে ফিরলেন কাজেও। রেডিয়াম ইন্সটিটিউটের ভবন তৈরি করা শুরু করলেন। ধীরে ধীরে যেতে লাগলেন নানা দেশের কনফারেন্সে। চলতে লাগল তাঁকে নিয়ে আজকের ভাষায় ট্রোলও।

তারপর শুরু হল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। যে ফরাসী জনতা তাঁকে ছিঁড়ে খেয়েছে, সেই ফরাসী সেনাদেরই সেবাশুশ্রূষায় আঠেরোটি ভ্যানে এক্স রে মেশিন নিয়ে মেরি পড়ে রইলেন যুদ্ধক্ষেত্রে। এ মাথা থেকে ও মাথা ছুটোছুটি করে দ্রুত রেডিওঅ্যাক্টিভ এক্স রে মেশিনে নির্ণয় করতে লাগলেন অসুখ, বাঁচাতে লাগলেন তাঁদের। কিন্তু এই লাগাতার নোংরা আক্রমণে ভেতরে ভেতরে প্রচণ্ডভাবে অবসাদগ্রস্থ হয়ে পড়ছিলেন তিনি। একেই ভীষণ দরিদ্র পরিবারে জন্মেছিলেন, ছোট থেকে অকল্পনীয় সংগ্রাম করে উঠে এসেছিলেন। তারপর আর শরীর নিতে পারছিল না।

মেরির যুদ্ধক্ষেত্রে অত কর্মকাণ্ডে মিডিয়া একটু থমকাল বটে, কিন্তু থামল না। বলল, "লোকের কাছে ভাল সাজতে চাইছে এসব করে।"

এরপর যতদিন বেঁচেছিলেন, মনের দিক থেকে কোনদিনও স্বাভাবিক হতে পারেননি মেরি কুরি। মৃত্যুর আগে মেয়েদের বলে গিয়েছিলেন, তাঁকে যেন কবর দেওয়া হয় স্বামী পিয়েরের কবরের ওপরেই। তাই হয়েছিল। বিস্ময়ের ব্যাপার, পল ও মেরির প্রেম পূর্ণতা পায়নি, কিন্তু কয়েকদশক পরে পলের নাতি মাইকেল ও মেরি কুরির নাতনি হেলেন একে অন্যকে বিবাহ করে সুখী দম্পতি হয়েছিলেন।

এই নভেম্বরেই সেই বিশ্ববরেণ্য বৈজ্ঞানিক মাদাম মেরি কুরির জন্মদিন। ৭ই নভেম্বর। তাঁর যুগান্তকারী আবিষ্কারগুলোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে আজকের বিজ্ঞান। চারিত্রিক দোষে প্রত্যক্ষভাবে দুষ্ট কত পুরুষ তাঁর কর্মজগতে নন্দিতই হয়েছেন। হয়ে চলেন। ক্রেডিটও নেন কেউ কেউ। অথচ ভাবতেও আশ্চর্য লাগে, এত বড় বিজ্ঞানীও মহিলা হওয়ার 'অপরাধ' এ কতবড় যাতনা সহ্য করেছেন।

সব ধর্মগ্রন্থেই চরিত্রহীনা নারীর জন্য কড়া শাস্তির বিধান রয়েছে। কিন্তু চরিত্রহীন পুরুষের জন্য নেই যে!

শুভ জন্মদিন মাদাম মেরি কুরি। আপনি লড়াইয়ের দ্বিতীয় নাম। তখনকার পুরুষ শাসিত সমাজে এক মেধাবিনীর রাজত্ব করার দ্যোতক। আপনি যদি অতবছর আগে পেরে থাকেন, আমরা তার ১ শতাংশ হলেও পারব।

আরো একটা কথা। তাঁর কাজ, প্রথম মানুষ হিসেবে দুবার নোবেলজয়ের কৃতিত্বই রয়ে গেছে ইতিহাসে, সেইসব কুৎসা, আঘাত, গুজব মুছে গেছে, ঝরে গেছে আবর্জনাময় মেদের মত। এটাই হয়। আঘাত পেলেও থামবেন না, জানবেন, আপনার কাজগুলো ঠিক রয়ে যাবে। বাকি সব হারিয়ে যাবে।

তথ্যসূত্রঃ
১. Marie Curie: the woman who changed the course of science, Philip Steele.
২. Madame Curie: A Biography, Eve Courie.
৩. Marie Curie: A life, Susan Quinn.
৪. Obsessive Genius, inner life of Marie Curie, Barbara Goldsmith ইত্যাদি।

03/12/2024

উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত উক্তি সমূহঃ

১.যাহা তুমি দেখাও, তার চেয়ে বেশি তোমার থাকা উচিত। যা তুমি জান, তার তুলনায় কম কথা বলা উচিত।!

২.সততার কাছে দুর্নীতি কোন দিন জয়ী হতে পারে না।

৩.দুটো জিনিস খুবই কষ্টদায়ক। একটি হচ্ছে, যখন তোমার ভালোবাসার মানুষ তোমাকে ভালোবাসে কিন্তু তা তোমাকে বলে না। আর অপরটি হচ্ছে, যখন তোমার ভালোবাসার মানুষ তোমাকে ভালোবাসে না এবং সেটা তোমাকে সরাসরি বলে দেয়।

৪.বিপদের সময়ে যে হাত বাড়িয়ে দেয় সেই সত্যিকারের বন্ধু।

৫. দু:খ কখনও একা আসে যখন আসে তখন তার দলবল নিয়ে-ই আসে।

৬.আমি সবসময় নিজেক সুখী ভাবি, কারণ আমি কখনো কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করি না, কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করাটা সবসময় এ দুঃখের কারণ হয়ে দাড়ায়।

৭.অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায়, ভালবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়।

৮.কাউকে সারা জীবন কাছে পেতে চাও। তাহলে প্রেম দিয়ে নয় বন্ধুত্ব দিয়ে আগলে রেখো। কারন, প্রেম একদিন হারিয়ে যাবে কিন্তু বন্ধুত্ব কোনদিন হারায় না।

৯.যে তার ভালবাসা প্রকাশ করতে পারে না, সে ভালোবাসতেই জানে না।

১০.আনন্দ ও কাজ সময়কে সংক্ষিপ্ত করে।

১১.সাফল্যের ৩টি শর্তঃ - অন্যের থেকে বেশী জানুন! - অন্যের থেকে বেশী কাজ করুন! - অন্যের থেকে কম আশা করুন!

১২.তোমার একটু অভিমানের জন্য যদি কারো চোঁখে জল আসে, তবে মনে রেখো, তার চেয়ে বেশি কেউ তোমাকে ভালোবাসে না।

১৩.তোমার বন্ধু যখন বিপদে থাকবে, তখন সে না ডাকলেও তাকে সাহায্য কর। কিন্তু, যখন সে খুশিতে থাকবে, তখন সে না ডাকলে যেওনা।

১৪.শেক্সপিয়ার কে একজন জিজ্ঞেস করলো "তুমি বিয়ে করেছ তোমার চেয়ে বেশি বয়সের একটি মেয়েকে। তোমার লজ্জা করেনা।" শেক্সপিয়ার তাকে একটি ক্যালেন্ডার এনে দেখালেন আর বললেন "আপনি বলতে পারবেন সপ্তাহের সাতটি দিনের মধ্যে কোনটা যুবক আর কোনটা বৃদ্ধ?" আসলে ভালবাসার কোন বয়স হয়না আপনি যে কাউকেই ভালবাসতে পারেন।

১৫.প্রয়োজন খারাপ কেও ভাল করে তোলে।

১৬.মহত্ত্বের প্রতীক হচ্ছে ক্ষমাশীলতা।

১৭.জীবন জীবন মানেই অনিশ্চিত ভ্রমণ।

১৮.আমি নষ্ট করেছি সময়, এখন সময় নষ্ট করছে আমায়।

১৯.ভীরুরা তাদের প্রকৃত মৃত্যুর আগেই বহুবার মরে, কিন্তু সাহসীরা জীবনে মাত্র একবারই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করে থাকে|

21/08/2023

জাপানের তাকামায়া গ্রামে একজন জ্ঞানী ও বৃদ্ধ কৃষক বাস করতেন।
কৃষক লোকটির একটা সুন্দর ও শক্তিশালী ঘোড়া ছিল।
কৃষি কাজে , ভারী জিনিস বহনে ও নিত্যদিনের চলা ফেরায় ঘোড়াটিকে তিনি ব্যবহার করতেন।

একদিন ঘোড়াটি হারিয়ে গেলো। তাকে আর খুঁজে পাওয়া গেলো না।

কৃষকের স্ত্রীর খুব মন খারাপ।কিন্তু কৃষক লোকটির কোন অস্থিরতা নেই। তার কোন আফসোস নেই।
হারিয়ে যাওয়া ঘোড়ার জন্য তার কোন দুঃচিন্তা নেই। তাকে দেখে মনে হচ্ছে কোন কিছুই যেন হারায়নি।

আসে পাশের প্রতিবেশীরা এসে বললো,
"তোমার কি দুর্ভাগ্য ! একটা মাত্র ঘোড়া তাও হারিয়ে গেলো "

এই কথা শুনে কৃষক লোকটি একটু মৃদু হেসে বললো , "হতে পারে "

তার কিছুদিন পর ঘোড়াটি আবার কৃষকের বাড়ি ফিরে আসলো এবং তার সাথে আরোও তিনটি বন্য ঘোড়া।

কৃষকের বাড়িতে অনেক আনন্দ।

শুধু হারানো ঘোড়া ফিরে আসেনি , তার সাথে আবার আরোও তিনটা ঘোড়া।

প্রতিবেশীরা আবার দেখতে আসলো , সবাই লোকটিকে বলতে থাকলো ,
"তোমার কি সৌভাগ্য , হারানো ঘোড়া ফিরে পেয়েছো সেই সাথে আবার তিনটা বাড়তি ঘোড়া "

কৃষক আগের মতই হাসি মুখে বললো , "হতে পারে"

দুই দিন পর কৃষকের একমাত্র ছেলে একটা বন্য ঘোড়ায় চড়তে চেষ্টা করে। কিন্তু ঘোড়া থেকে ছিটকে পড়ে যায়।
এবং পড়ে গিয়ে তার পা ভেঙে ফেলে।

এই খবর শুনে প্রতিবেশীরা এসে খুবই আফসোস করলো।
কৃষককে দুঃখ করে বললো ,
"এমন করে ছেলের পা ভেঙে গেলো , সত্যিই বড় দুর্ভাগ্য ! "

কথা শুনে কৃষক লোকটি মুচকি হেসে বললো , "হতে পারে"

পরদিনই কৃষকের বাড়িতে রাজার সৈন্যরা এসে হাজির।
যুদ্ধের জন্য তারা গ্রামের যুবক ছেলেদেরকে ধরে নিয়ে যেতে এসেছে।

কিন্তু কৃষকের ছেলের ভাঙা পা দেখে তাকে না নিয়েই চলে গেলো।

এইবার প্রতিবেশিরা এসে সবাই বললো ,
"তোমারতো দেখছি অনেক বড় সৌভাগ্য , ছেলেকে আর যুদ্ধে গিয়ে মরতে হবে না "

মৃদু হেসে কৃষকের একই উত্তর , "হতে পারে "

বৃদ্ধ কৃষকই ঠিক। এক জীবনে ভালো -মন্দ সবকিছুকেই মেনে নিতে হয়।

21/08/2023

CO (কার্বন মনোক্সাইড), যেটাকে নিরব ঘাতক বলা হয়। এটা বাতাসের চেয়ে ওজনে ভারী হওয়ায়, এটা বাতাসে না থেকে সহজেই বিভিন্ন গর্ত, সেপটিক ট্যাংক, কুয়ায় গিয়ে জমা হয় (যেগুলো সাধারণত অব্যবহৃত অবস্থায় থাকে, বা দীর্ঘদিন যাবৎ নাড়াচাড়া করা হয় নি এমন)। এই গ্যাসটা বর্নহীন ও গন্ধহীন গ্যাস, তাই নিশ্বাসের মাধ্যমে কারো শরীরে প্রবেশ করলেও সে নিজে বুঝতে পারে না।

আমাদের শরীরে যখন অক্সিজেন প্রবেশ করে, সেটা রক্তের হিমোগ্লোবিনের সাথে বিক্রিয়া করে ❛অক্সি-হিমোগ্লোবিন❜ নামক একটা যৌগ তৈরি হয়, যেটার মাধ্যমে সারাদেহে অক্সিজেন পরিবাহিত হয়।

সমস্যা হলো....
নিঃশ্বাসের সাথে CO যখন প্রবেশ করে, তখন এটা অক্সিজেনের বদলে নিজে হিমোগ্লোবিনের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বোক্সি-হিমোগ্লোবিন তৈরি করে, যেটা একটা বিষাক্ত যৌগ এবং যেটা আমাদের দেহে অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি করে ফেলে। কিন্তু, আমাদের নাক এটা ধরতে পারে না, যেহেতু এই গ্যাসের কোনো গন্ধ নেই।

এভাবে, জাস্ট কয়েক মিনিটের মধ্যেই শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ শূন্যের কোটায় নেমে আসে। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই আক্রান্ত ব্যক্তি মারা যায়। আর, যারা এসব না জেনে আক্রান্ত ব্যক্তিদেরকে উদ্ধার করতে যায়, তারাও একই ভাবে মারা যায়।

এখন এটা থেকে বাঁচার উপায় বলি :--
দমকল বাহিনী সবসময় এ ধরনের পরিবেশে কাজ করতে গিয়ে ❛অক্সিজেন ডিটেক্টর❜ যন্ত্র ব্যবহার করে থাকে।
তবে সহজ কিছু উপায়ে সেপটিক ট্যাংক, কুয়ো বা গভীর কোনো গর্ত কতটা নিরাপদ সেটা বোঝা সম্ভব।

১। একটা হারিকেন বা কুপি জ্বালিয়ে দড়ি দিয়ে বেঁধে তা সেপটিক ট্যাংক বা কূপের ভেতর নামিয়ে দিলে সেটি যদি দপ করে নিভে যায়, তাহলে বুঝতে হবে সেখানে অক্সিজেনের স্বল্পতা রয়েছে।

২। অথবা, ছোটো একটা মুরগির বাচ্চার পায়ে দড়ি ঝুলিয়ে গর্তের মধ্যে নামিয়ে দিলে যদি সেটি মারা যায় বা মরণাপন্ন অবস্থা তৈরি হয়, তাহলেও সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। তবে, এটা অনৈতিক কাজ বলে মনে করি। জীব হত্যা মহাপাপ।

৩। বদ্ধ যেকোনো কূপ বা গর্তে ঢোকার সময় অক্সিজেন মাস্ক ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ। নেহাতই যদি অক্সিজেন মাস্ক না থাকে, তাহলে পাতাসহ গাছের ডাল কেটে তা দড়িতে বেঁধে গর্তের ভেতরে অনেকবার ওঠানামা করালে বিষাক্ত গ্যাস কিছুটা বের হয়ে আসবে এবং ভিতরে কিছুটা অক্সিজেনসমৃদ্ধ বাতাস ঢুকবে।

তবে, পুরোপুরি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গেলে অক্সিজেন মাস্কের বিকল্প নেই। (C)

15/08/2023
Photos from Mahfuz Mahbub Virtual Classroom's post 08/06/2023

এইচ এস সি রুটিন-২৩

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Dhaka
1000