A H Health Solution

A H Health  Solution Dear friend AH Golden Life Chemistry. This page is open for you only. Research education examination will be discussed here and various data will be presented.

জোকের গায়ে লবণ ছিটালে কেন কুস্কে যায়? কখনো কি ভেবে দেখেছেন রসায়ন টা কি? উত্তর :জোকের (leech) গায়ে লবণ দিলে যে কারণে স...
16/10/2025

জোকের গায়ে লবণ ছিটালে কেন কুস্কে যায়? কখনো কি ভেবে দেখেছেন রসায়ন টা কি?
উত্তর :জোকের (leech) গায়ে লবণ দিলে যে কারণে সেটা কুচকে যায় বা মরে যায়, সেটা আসলে osmosis (অমিসিস) নামের একটি রসায়নিক-জীববৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ার ফল।

চলুন সহজভাবে বুঝি 👇

---

🧪 মূল রসায়ন:

জোকের শরীরের কোষগুলোর ভিতরে অনেক জল (water) থাকে।
কিন্তু যখন তার গায়ে লবণ (NaCl) দেওয়া হয়, তখন লবণ জলে গলে খুব বেশি ঘনত্বের (hypertonic) পরিবেশ তৈরি করে।

এখন অসমোসিস (Osmosis) নিয়ম অনুযায়ী,
👉 জল সবসময় কম ঘনত্বের দিক (inside the leech) থেকে বেশি ঘনত্বের দিকে (outside with salt) যায়।

---

⚗️ ফলে যা ঘটে:

1. জোকের শরীরের ভেতরের জল দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসে।

2. তার কোষগুলো জল হারিয়ে কুঁচকে যায় (shrink)।

3. কোষের ভেতরে চাপ (turgor pressure) কমে যায়।

4. ফলাফল— জোক কুঁচকে যায়, নড়াচড়া বন্ধ হয়ে যায়, এবং অতিরিক্ত জল হারালে মরে যায়।

🔍 সংক্ষেপে:

লবণ দেয়ার ফলে: বাহিরে লবণের ঘনত্ব বেড়ে যায়

অসমোসিসের কারণে: কোষ থেকে জল বেরিয়ে যায়

ফলে: কোষ কুঁচকে যায় → জোক কুঁচকে যায় ও মারা যায়

দাঁদ কি?ছত্রাক জনিত ত্বকের রোগ।ডার্মাটোফাইট নামক ছত্রাকের সংক্রমণে দাঁদ হয়।একে দাউদ, রিং ওয়ার্ম (Ring warm) এবং মেডিকেলি...
24/04/2025

দাঁদ কি?
ছত্রাক জনিত ত্বকের রোগ।ডার্মাটোফাইট নামক
ছত্রাকের সংক্রমণে দাঁদ হয়।একে দাউদ, রিং ওয়ার্ম
(Ring warm) এবং মেডিকেলিও ভাষায় টিনিয়া
(Tinea) বলা হয়।
লক্ষণসমূহঃ
আক্রান্ত স্থানে প্রথমে ছোট ছোট লাল গোটা দেখা যায় এবং সামান্য চুলকায়।আস্তে আস্তে আক্রান্ত স্থানে বাদামী বর্ণের ফুসকুড়ি দেখা যায় এবং স্থানটি বৃত্তাকার (গোলাকার চাকার ন্যায়) ধারন করে যার কিনারাগুলো সামান্য উঁচু হয়।দিনদিন চাকার আকৃতি বাড়তে থাকে আর কেন্দ্রের বা মাঝখানের দিকে ভালো হয়ে যেতে থাকে।ক্ষতস্থান থেকে খুঁশকির মত চামড়া উঠতে থাকে।কখনো কখনো পানি বা পুঁজ ভর্তি গোঁটা দেখা যায়।ক্ষতস্থান অত্যন্ত চুলকায়।
কোথায় হয়ঃ
চামড়ার যে জায়গায় সংক্রমণ হয় সেই জায়গার নামানুসারে দাঁদের নামকরণ করা হয়। উদাহরণ স্বরুপঃ
১)টিনিয়া কর্পোরিসঃশরীরের যেকোন জায়গায়
ছত্রাকের সংক্রমণ হলে তাকে সাধারণত টিনিয়া
কর্পোরিস বলা হয়।
২)টিনিয়া ক্যাপিটিসঃ মাথার তালুতে ছত্রাক সংক্রমণ।
৩)টিনিয়া ক্রুরিসঃকুঁচকিতে ছত্রাকের সংক্রমণ।
৪)টিনিয়া আঙ্গুইয়ামঃ নখের ছত্রাক সংক্রমণ।
৫)টিনিয়া ম্যানুমঃ হাতের ছত্রাক সংক্রমণ।
৫)টিনিয়া পেডিস(অ্যাথলেটস ফুট):পায়ের ছত্রাক
সংক্রমণ।
দাদ বা রিংওয়ার্ম এর কারণঃ
১)সাধারণত ভেঁজা,স্যাঁতস্যাঁতে ও আদ্র জায়গা ও
আবহাওয়াতে,যেখানে পর্যাপ্ত আলোবাতাস পৌছায় না, এধরনের জায়গায় ছত্রাক জন্ম নেয়।
২)একই কাপড় না ধুঁয়ে দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে,নোংরা, অপরিস্কার কাপড়চোপড় পরিধান করলে।
৩)আক্রান্ত রোগীর জামা-কাপড়,গামছা,তোয়ালে,চিড়ুনি ইত্যাদি ব্যবহারেও দাঁদ হয়ে থাকে।
৪)আঁটসাঁট কাপড়চোপড় ও আঁটসাঁট অন্তর্বাস ব্যবহার করলে।
৫) পায়ের পুরনো মোজা দ্বারা সংক্রমণ হতে পারে।
৬)যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম,তারা সহজেই
আক্রান্ত হতে পারেন।
৭)যারা বেশী ঘামেন।
৮)পোষ্য প্রাণী থেকেও ছড়াতে পারে।
রোগ নির্ণয়ঃ
সাধারণত লক্ষণ দেখেই রোগ নির্ণয় করা যায়।তবে কোন কোন ক্ষেত্রে স্কিন স্ক্র‍্যাপিং এবং অন্যান্য টেস্ট
করার প্র‍্যয়োজন হতে পারে।

দাঁদ অত্যন্ত ছোঁয়াচে একটি রোগ।দ্রুত এর চিকিৎসা শুরু না করলে পরিবারের অন্য সদস্যরাও সংক্রমিত
হতে পারে।তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে যেন এটি আর না ছড়াতে পারে এবং রিইনিফেকশন না হতে পারে।সাধারণত এন্টিফাঙ্গাল ক্রিম, মলম, ওয়েন্টমেন্ট, শ্যাম্পু, সলিউশন লাগালে ২ থেকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে সংক্রমণের নিরাময় হয়।কিন্তু সংক্রমণ দেহের অনেক জায়গায় ছড়িয়ে পড়লে এবং
নখের সংক্রমণের ক্ষেত্রে মুখে খাবার এন্টি ফাঙ্গাল
ওষুধ খেতে হয় ক্ষেত্র বিশেষে ১ থেকে ৩ মাস পর্যন্ত।মাথার তালুর দাঁদের চিকিৎসার জন্য ওষুধ খাওয়ার সাথে সাথে সেলেনিয়াম সালফাইড/
২%কিটোকোনাজোল মিশ্রিত এন্টি-ফাঙ্গাল শ্যাম্পু
ব্যবহার করতে হয়। ফাঙ্গাল ওষুধ সেবনের আগে লিভারের কোনো সমস্যা আছে কিনা তা পরীক্ষা করে নিতে হয়।চিকিৎসা শুরুর আগে ৩/৪ মাসের মধ্যে
জন্ডিস হওয়ার ইতিহাস থাকলে তা ডাক্তারকে জানাতে হবে।

প্রতিরোধঃ
জীবন ধারা বা লাইফস্টাইলের পরিবর্তনের মাধ্যমে দাঁদ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।স্বাস্থ্যকর কিছু অভ্যাস এবং
দৈনন্দিন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে দাঁদ সংক্রমণ রোধ
করা যায়ঃ
১) আক্রান্ত স্থান শুকনো রাখুন।
২)পরিস্কার,ঢিলেঢালা এবং শুষ্ক কাপড় (বিশেষত সুতি কাপড়) এবং অন্তর্বাস পড়িধান করুন।
৩) ব্যক্তিগত ব্যবহার্য জিনিসপত্র অন্যকে ব্যবহার করতে দিবেন না,অন্যের ব্যবহার্য জিনিসপত্রও ব্যবহার করবেন না।
৪)আক্রান্ত স্থানে তেল,ক্রিম,লোশন,কসমেটিক সাবান ইত্যাদি ব্যবহার পরিহার করুন।
৫)আক্রান্ত স্থান স্পর্শ করার পর সাবান-পানি দিয়ে হাত ধুয়ে নিন,যাতে সংক্রমণ দেহের অন্যত্র না ছড়ায়।
৬) সংক্রমণের জায়গাটা যতটা সম্ভব খোলা রাখতে
হবে।
৭) প্রতিদিনের পরিহিত কাপড়চোপড়, গেঞ্জি,মোজা,
আণ্ডারওয়্যার প্রতিদিন ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে।
৮)আক্রান্ত স্থান কুসুম গরম পানি ও ভালো অ্যান্টিসেপ্টিক সাবান দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে, শুকিয়ে
ওষুধ ব্যবহার করতে হবে।
৯) পোষ্য-প্রাণীর সংস্পর্শে আসার পর হাত ধুয়ে ফেলুন।
১০) নিয়মিত ব্যায়াম করুন এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ করুনিত'
"গবেষণা পত্র থেকে সংগ্রহীত"

30/03/2025

ঈদ মোবারক, সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।

29/03/2025

পবিত্র মাহে রমজানের খাবার বিষয়ে কিছু কথা

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A H Health Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share