05/08/2020
অনেক বিষয়ে ছিলেন স্ববিরোধী
তিনি নগরে বাস করতেন, কিন্তু পছন্দ করতেন গ্রামীণ জীবন।
ঘরসংসার পছন্দ করতেন, তবে সংসারী হতে চাইতেন না।
সাধারণ বাড়িঘর তাঁকে স্বস্তি দিত, কিন্তু বাস করতেন বহুতল ভবনে।
অতি সাধারণ জীবনযাপনে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন, তবে অর্থ উপার্জনে ছিলেন মরিয়া।
সহজ করে সরল বাক্যে লিখতে পছন্দ করতেন, কিন্তু নিজের জন্য পছন্দ করতেন উন্নত ক্ল্যাসিক সাহিত্য।
সুখী হতে চেষ্টা করতেন, তবে ভালোবাসতেন দুঃখ পেতে।
হইচই-আড্ডাবাজি ভালোবাসলেও পছন্দ করতেন নির্জনতা।
হিমু চরিত্র পছন্দ করতেন, কিন্তু কেউ হিমুর মতো হোক, এটা তিনি চাইতেন না।
জীবন নিয়ে নানা ধরনের এক্সপেরিমেন্ট পছন্দ করতেন হুমায়ূন স্যার, কিন্তু জীবন নিয়ে তাঁর কোনো আগ্রহ ছিল না।
হুমায়ূন আহমেদের অজানা পাঁচ
নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে আমার পরিচয় এক উজ্জ্বল সকালে। তখন আমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি আর ত.....
24/04/2020
করোনা সংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে ভিজিট করুন সরকারি এই সাইট।
করোনা ইনফো
করোনা ইনফো
19/04/2020
এরা ভুল বলছে। এখনও দেশ দেখি নাই।
হলুদ দাগ দেওয়া বেশির ভাগ জেলার কোন এক স্থানে কোন এক দিন গিয়েছিলাম বটে! তাকে কি দেখা বলে? একদিনের এক বেলায় না চেনা যায় মানুষ না চেনা যায় মাটি। এরা বলছে আমি দেশের ৬৬% জায়গায় গিয়েছি।
এখনও আমার নিজ জন্মস্থানই চিনি নাই। আমার বসতবাড়ি এখনও অজানাই আমার কাছে। কয়টা আমগাছ, কাঁঠাল গাছ, কয়টা মেহগনি, গুল্মলতা, কি চিনি? কোন দেওয়ালে নোনা, শ্যাওলা, প্লাস্টার খসে পরেছে, রং ফিকে হয়েছে, নারকেলগাছের শেকড় কতটা গভীরে পৌঁছুলো জানি কি কিছুই তার?
গাছের কত লক্ষ-কোটি পাতা ঝরে পরে পচে মাটি হয়ে আমার বাস্তুভিটার মাটি হয়ে গেল, তার কতকটা জানি আমি!
অজানা। পুরোটা অজানা। অথচ ভেবে বসে থাকি জানি তো কত!
জানি কি নিজের শরীর নামক জমিনখানার এক ইঞ্চি! পেট, পিঠ, উরু, বুক, পদতল?
চিনি ঠিকঠাক? আমার আমাকে? দেশ চিনব, হুহ!
টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া মাটির রঙের পার্থক্য বুঝি? ভাষার? একটু একটু করে কদমে কদমে ভাষার জায়নামাজ পাল্টে যায় তার কতটা বুঝি?
মায়ের শাড়ি পাল্টায় টেকনাফ থেকে তেতুলিয়ায়, মাঠ পাল্টায়, ঘাট পাল্টায়, পানির স্বাদটা পর্যন্ত পাল্টে যায় এই ৫৬ হাজার বর্গমাইলে! জানি সব?
জানি- তাদের গানগুলো? ধানগুলো?
মানুষগুলো? তাদের স্বাদগুলো? শখগুলো? সুখগুলো? স্বপ্নগুলো?
- তারেক খান
১৯ এপ্রিল ২০২০
13/04/2020
অভ্যাস যেমন একদিনে হয় না, তেমনি একদিনে যায়ও না। আবার, একবার যখন কোন কিছু অভ্যাস হয়ে যায়, সেটা তখন ব্যক্তির ভেতর স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে। সেটা ভালো কাজ কিংবা মন্দ কাজ দুটোর ক্ষেত্রেই সমান প্রযোজ্য। আর, যে কোন অভ্যাস গঠনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে ব্যক্তির মূল্যবোধ। আমাদের বেশিরভাগ মূল্যবোধের সূতিকাগার হচ্ছে পরিবার, প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রতিবেশী, বন্ধুবান্ধব। মনোবিজ্ঞানের মতে, একজন শিশু ৩-৭ বছরে যা শেখে, তা সারাজীবন ধরে ব্যক্তির মৌলিক চিন্তাভাবনা ও অভ্যাস গঠনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। তাই, এরা আজকের চাল চোর হলেও তার জন্য দায়ী আমাদের সমাজ ব্যবস্থা, আমাদের জাতিগত মূল্যবোধের ক্রমাগত অবক্ষয়, দূর্নীতি, প্রকৃত শিক্ষার অভাব, সর্বোপরি আইনের শাসনের অভাব। তবে, শুরুটা আমাদের এখনই করতে হবে। সেটা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই হোক আর আমাদের সামষ্টিক মূল্যবোধের তৈরিতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমেই হোক।
অভ্যাস যেমন একদিনে হয় না, তেমনি একদিনে যায়ও না। আবার, একবার যখন কোন কিছু অভ্যাস হয়ে যায়, সেটা তখন ব্যক্তির ভেতর স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে। সেটা ভালো কাজ কিংবা মন্দ কাজ দুটোর ক্ষেত্রেই সমান প্রযোজ্য। আর, যে কোন অভ্যাস গঠনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে ব্যক্তির মূল্যবোধ। আমাদের বেশিরভাগ মূল্যবোধের সূতিকাগার হচ্ছে পরিবার, প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রতিবেশী, বন্ধুবান্ধব। মনোবিজ্ঞানের মতে, একজন শিশু ৩-৭ বছরে যা শেখে, তা সারাজীবন ধরে ব্যক্তির মৌলিক চিন্তাভাবনা ও অভ্যাস গঠনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। তাই, এরা আজকের চাল চোর হলেও তার জন্য দায়ী আমাদের সমাজ ব্যবস্থা, আমাদের জাতিগত মূল্যবোধের ক্রমাগত অবক্ষয়, দূর্নীতি, প্রকৃত শিক্ষার অভাব, সর্বোপরি আইনের শাসনের অভাব। তবে, শুরুটা আমাদের এখনই করতে হবে। সেটা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই হোক আর আমাদের সামষ্টিক মূল্যবোধের তৈরিতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমেই হোক।
- তারেক খান
১৩ এপ্রিল ২০২০
10/04/2020
without a change in consciousness, the only outcome will be more catastrophes.
A Way to End the Coronavirus Catastrophe - OSHOTimes
It is clear that if the world were managed by intelligent people with expertise, instead of the current domination of society by priests and politicians, the outcome of today's COVID 19 pandemic would be very different. A radical proposal to manage the pandemic more consciously.
26/03/2020
এই যে, এ দেশে, এতো বাজে বাজে ঘটনা ঘটে। অনেক ঘটে। সব্বাইই ঘটায়ঃ শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ধনী-গরিব, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, তরুণ, বৃদ্ধ--- সবাই। তারপরেও, বড় ভালোবাসি এই দেশ! এখনও এ দেশে অসংখ্য মানুষ আছেন যারা সকল সংকটে দেশকে, এ দেশের সাধারণ মানুষকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেন, সাহায্যে এগিয়ে আসেন কোন দ্বিধা ছাড়াই।
এখনও এ দেশে এমন অনেক মানুষ আছেন, শুধু রাষ্ট্রের পরিচালনাকারীদের হাতে দেশকে ছেড়ে না দিয়ে যার যার অবস্থান ও সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ ক-তে যান বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য। করোনাভাইরাসের এই কঠিনতম সময়েও এর নজির রেখেছেন এ দেশের সকল শ্রেণির মানুষ। তাই, সবকিছুর পরেও, আমি আমার বাংলাদেশকে নিয়ে গর্বিত। স্যালুট সেইসব বীরদের যারা শুধু নিজের জীবনের কথা না ভেবে পরের সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন নির্দ্বিধায়। শ্রদ্ধা বাংলাদেশের সকল চিকিৎসককে, সরকারি/বেসরকারি বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ যারা জীবন বাজি রেখে সেবা কার্য চালিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ তোমায় ভালোবাসি। ❤💚❤
মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা। ❤💚❤
জয় বাংলা। ❤🏆❤
23/03/2020
>> অবিলম্বে শ্বেতপত্রের মাধ্যমে করোনাভাইরাস মহামারী রোধের পরিকল্পনা ও তা কার্যকর প্রণালী জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।
>> অবিলম্বে দেশের সর্বত্র বিনামূল্যে টেস্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় কিটসহ বিভিন্ন সামগ্রী সরবরাহ এবং তার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। মাস্ক, সাবান, স্যানিটাইজার জোগান নিশ্চিত রাখতে হবে। কিট তৈরির কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে দ্রুত খালাস ও ট্যাক্স-মওকুফের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে
>> দেশের সকল প্রবেশ পথ- বিমান, নৌ, স্থলবন্দর, রেল স্টেশন, নৌঘাট সতর্ক নজরদারির আওতায় নিতে হবে।
>> কোয়ারেন্টিনের জন্যে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে দূরে বড় হোটেল-মোটেল-রিসোর্টসহ উপযোগী ভবনগুলো অস্থায়ীভাবে ব্যবহারের জন্যে নির্দিষ্ট করতে হবে।
>> স্বাস্থ্যকর্মীদের দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার জন্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের আয়োজন করতে হবে। দেশের গার্মেন্টস কারখানা ব্যবহার করে স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তার জন্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে পিপিই (পারসোনাল প্রটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট ) সরবরাহ করতে হবে।
>> গণপরিবহন ও গণপরিসরগুলো এবং সংক্রমণের হটস্পট নিয়মিত জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা নিতে হবে। জেলখানার ঝুঁকিপূর্ণ জনচাপ দূর করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে, জনচাপ কমাতে বিনা বিচারে আটক, মেয়াদ উত্তীর্ণদের মুক্তি দিতে হবে। বস্তিবাসীদের নিরাপত্তায় প্রতিটি বস্তিতে পরিচ্ছন্নতার উপকরণ সরবরাহ এবং করোনা মনিটর সেল/ ক্যাম্প স্থাপন করতে হবে। রোহিঙ্গা আশ্রয়কেন্দ্রেও অনুরূপ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
>> করোনাভাইরাস সংক্রান্ত জরুরি কাজ ছাড়া পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকদের আপদকালীন সময়ে সবেতন ছুটি দিতে হবে। ছুটিকালীন শ্রমিকদের মজুরি যাতে ঠিকমতো পরিশোধ হয়, সরকারকে তা নিশ্চিত করতে হবে।
>> নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মজুতদারী বন্ধ করে ন্যায্যমূল্যে বিক্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।
>> বিশেষজ্ঞ, স্বাস্থ্যকর্মী, ধর্মীয় নেতাদের সাহায্যে পাড়ায় পাড়ায় স্থানীয় ক্লাব, সংগঠন ও কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ ও পর্যাপ্ত সুরক্ষা সরঞ্জাম প্রদান করে তাদের প্রচার ও রোগ প্রতিরোধে কাজের সুযোগ দিতে হবে।
>> পাশাপাশি ডেঙ্গু এবং চিকুনগুনিয়া মোকাবেলায় সরকারের কী পরিকল্পনা তা প্রকাশ করতে হবে।
করোনাভাইরাস: প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি
বৈশ্বিক মহামারীতে রূপ নেওয়া কভিড-১৯ রোগের বিপর্যয় সামলাতে ‘উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মাল্টি-ফাংশনাল ওয়ার্কিং কমিটি’ গ....
17/03/2020
বাংলাদেশ মানে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ।
চিরন্তন সত্য হয়ে পৃথিবীর ইতিহাসে এ কথা লেখা থাক। দুর্নীতি আর সকল সুবিধাভোগীর পরাজয় আসন্ন। বাংলাদেশ সোনার বাংলা হচ্ছে। শুধু রাষ্ট্র নয়- সরকার নয়, আমরা এ দেশের ১৮ কোটি মানুষ সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশকে সোনার বাংলা তৈরির জন্যে কাজ করে যাচ্ছি প্রতিদিন। আমাদের প্রত্যেককে শুধু মনে রাখতে হবে, আমিই এ দেশের বীর সেনা। আমি আমি মিলেই আমরা- আর আমরাই পারি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলতে।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু।
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
14/03/2020
গোয়ার্তুমির ফলাফল ভয়াবহ হতে পারে, জাস্ট মাইন্ড ইট ...
একটু আগেই খবর এলো অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পিটার ডাটন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। অস্ট্রেলিয়াতে অভিনয় করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন হলিউড অভিনেতা টম হ্যাঙ্ক ও তার স্ত্রী রিটা। সকালে খবর পেলাম কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর বউ সোফি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। গতকাল আক্রান্ত হয়েছেন ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাদিন ডরিস। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই আক্রান্ত হন বলে। বেশ কয়েকজন ইরানের সংসদ সদস্য ইতোমধ্যেই মারা গেছেন আর আক্রান্ত অবস্হায় আছেন প্রায় ডজন খানেক। ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবতেকার, উপস্বাস্থ্যমন্ত্রী ইরাজ ও উচ্চপর্যায়ের অনেকেই করোনায় আক্রান্ত। চীনের যে ডাক্তার করোনা ভাইরাসটি প্রথম আবিষ্কার করেছেন তিনিও করোনায় মারা যান। ইরানের বিখ্যাত আলেম মোদাররেসি যিনি করোনাকে চীনের উপর আল্লাহর গজব বলে আখ্যায়িত করেছিলেন খোদার লীলায় আজ তিনি নিজেও আক্রান্ত। ইতালির সেনাবাহিনীর প্রধান করোনায় আক্রান্ত।
কারণটা কি জানেন?
কারণটা হলো 'হ্যান্ডসেক' এবং এদেরকে প্রচুর মানুষের সাথে কথা বলতে হয়।
এখন দেখা যাচ্ছে কথা বললেও করোনা ছড়াচ্ছে, হাসাহাসি করলেও করোনা ছড়াচ্ছে। কার সাথে কথা বলছেন, কার সাথে হাসছেন, হ্যান্ডসেক করছেন একটু নজর রাখুন। এই মহামারীর শুরু থেকে দেশে প্রায় ৫০০,০০০ লোক এয়ারপোর্ট দিয়ে প্রবেশ করেছে। এই বিরাট সংখ্যক মানুষদেরকে সেল্ফ কোয়ারেন্টাইনে নেয়া সম্ভব না। আর বাঙালি কথা শুনে না, ফলে সেল্ফ কোয়ারেন্টাইন অনেক সময় কাজে আসে না। নিজের ঝুঁকি নিজেই ম্যানেজ করুন কারণ জ্ঞানে-বিজ্ঞানে উন্নত এবং ধনী দেশগুলোও এই মহামারী সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে আর আমরা তো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর একটি গরীব দেশ মাত্র। দেখলাম ইতালিতে বয়স্কদের বলা হচ্ছে যে বাসায় চিকিৎসা নিতে কারণ আইসিইউতে জায়গা নেই, অপেক্ষাকৃত তরুণদেরকে জায়গা দিতে হচ্ছে। মানে বুঝলেন তো? মানে হচ্ছে আপনারা বয়স হয়ে গেছে আপনি মরেন। তরুণদের বাঁচতে দেন। এ কী হৃদয়বিদারক অবস্থা চিন্তা করেন! এদিকে সারা দেশে আমাদের আইসিইউ আছে মাত্র ৫০০ যার মাত্র ১০% সরকারী বাকী ৯০% বেসরকারী। এদের মধ্যে আবার ক্লোজ আইসিইউ ৫% বাকিটা ওপেন। এদের সবার আবার নিরবিচ্ছিন্ন অক্সিজেন সাপ্লাই নাই। এদের ৮৫%ই আবার ঢাকায়। এছাড়া আইসিইউর বিল কে দিবে? এখন বুঝেন।
বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত যে ভদ্রলোক ব্রিটেনে করোনায় মারা গেছেন তাকে তার পরিবারের লোকদের সাথে একটা শেষ হ্যালো পর্যন্ত বলতে দেয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। লাশও পরিবারের সদস্যদের কাছে দিবে না বলেছে। সমস্যাটা এখানেই। যারা ফ্লু ফ্লু বলছেন আল্লাহ তাদেরকে মাফ করুন।
(যেহেতু আমাদের লেভেল ২ এবং বিশ্বব্যাপী মহামারী ঘোষণা এসে গেছে, সেহেতু সেফ ফিল না করলে বাচ্চার স্কুলে যাওয়া বন্ধ রাখতে পারেন এক সপ্তাহের জন্য। এতে আপনার বাচ্চার জজ-ব্যারিস্টার ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার পথ বন্ধ হবে না, ঘরে পড়ান)।
(কপি করে শেয়ার করতে পারেন)।
আমান
১৩/০৩/২০২০
10/03/2020
আমাদের সবার জীবনেই ২৪ ঘন্টা। কে কিভাবে এই মহা মূল্যবান সময় কাটাবে তা ব্যক্তির আওতাধীন। আমরা শুধু ৯টা - ৫টা অফিস করে, খেয়ে আর ঘুমিয়ে এই ২৪ ঘন্টা পার করে দিয়ে পারি জীবনভর। আর, দিনের শেষে এক রাশ দুঃখ, না পাওয়া আর আফসোস নিয়ে বিছানায় যেতে পারি। আবার, পরের দিন সকালেও ঘুম থেকে উঠে ধুর ভাল্লাগে না কিংবা কি আর করা, বেঁচে থাকলে তো অফিস করাই লাগবে এই ভেবে আবারও নিজের খারাপ লাগা নিয়ে একটি দিন শুরু করি!
আমি মধ্য বয়স্ক বেশ কিছু চাকুরেদের জিজ্ঞেস করেছিঃ
আচ্ছা ভাই, এই যে প্রতিদিন একই কাজ করেন, একভাবে করেন। সেই একই জীবন, একই টেবিল বছরের পর বছর--- আপনার ভালো লাগে?
দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে মুখটা মলিন করে ট্রেডিশনাল চাকুরের ট্রেডিশনাল উত্তরঃ
কি আর করা ভাই! বাচতে হলে, বউ বাচ্চা পালতে হলে তো করাই লাগবে! নাইলে টাকা পামু কই!
আমি কষ্ট পাই, অনেক কষ্ট পাই এই ধরনের উত্তর শুনে। কিন্তু বুঝতে দেই না।
কি আশ্চর্য! এই জীবন কি শুধুই বেঁচে থাকার জন্য?
# টাকার জন্য?
# শুধুই বউ বাচ্চা পালার জন্য?
এগুলো অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু, এগুলোই তো সব নয়! নিশ্চয়ই নয়। এই জীবনে আমাদের শুধু নিজের কথা ভাবলে চলবে না।
# জীবনের উদ্দেশ্য কি তা অনুভব করতে হবে।
# জীবনে ক্রমশ ভালোর দিকে চালিত করতে হবে।
# কল্যাণের দিকে অগ্রসর হতে হবে।
# মানুষের জন্য কাজ করতে হবে।
# মহান সৃষ্টিকর্তার এই উপহারটি হেলায় ফেলায় অতিবাহিত করা ঠিক হবে না।
# সর্বোপরি জীবনে ভালো থাকার উপাদান নিজেকেই খুঁজে বের করতে হবে।
চারপাশে খুব গভীরভাবে তাকিয়ে দেখুন। খুশি হওয়ার কত শত-সহস্র উপাদান, নেয়ামত লুকিয়ে আছে আমাদেরই চারপাশে! শুধু দরকার একটুখানি ইচ্ছা, সদিচ্ছা। তাহলেই আমরা প্রত্যেকেই খুঁজে পাবো আমাদের সুখের জীবন। খুঁজে পাবো সেই জীবন যে জীবন আমি চাই।
হাজার হাজার বছর এই পৃথিবী ছিল, আছে, থাকবে হয়ত আরও অনেকদিন, অনেক কাল। কিন্তু আপনি আমি একবারই জন্মেছি। মরে যাবো যে কোন মূহুর্তে! এমনকি শতায়ু হলেও সময়ের হিসাবে সেটা খুবই কম!
কালিক হিসেবে, এই এতো অল্প সময় আমরা বাঁচি!
- তবে কেন শুধুই বেচে থাকা জন্য বেঁচে থাকব!
- কেন শুধুই টাকার জন্য বাঁচব!
- কেন শুধুই হা হুতাশ করে, অতৃপ্তিতে, আফসোসে এই জীবন কাটাবো!
তাই, আমার বিশেষ অনুরোধ- এই জীবন যেন হেলায় ফেলায় নষ্ট না হয়ে যায়।
দিন শেষে- বেলা শেষে যেন দীর্ঘশ্বাস ছাড়তে না হয়।
প্রতিটি মুহূর্ত আমরা যেন সুখে বাঁচি, হাসি আর আনন্দের মাঝে বাঁচি, বর্তমানের জন্য বাঁচি, সম্মান নিয়ে বাঁচি, মানুষকে ভালোবেসে বাঁচি। প্রতিদিন আমরা যেন কল্যাণের দিকে অগ্রসর হই। সকলের জন্য শুভ কামনা।
08/03/2020
May the Supreme Being save us. Stay safe.
মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের সবাইকে নিরাপদ রাখুন। আমিন।
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়
দেশে প্রথমবারের মতো করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধ এবং এতে আক্রান্ত হওয়ার ঝ....