Realia BD

Realia BD

Share

Legal and advisory service Realia is the best BCS Preparation Center for your goal. We are committed to make you a BCS Cadre. Feel free to discuss with us.

We have best teacher and education materiel for your BCS and IELTS exam preparation. Our faculty members from Dhaka University and Top Ranked BCS Cadre. Not only BCS preparation, Realia has another center for IELTS Preparation. We are committed to make you a IELTS 7+ Holder. REALIA served for Bank Job Preparation and Other Competitive Exam Preparation. Realia is trusted Career Consultation for your next achievement.

30/09/2024

আমাদের দেশের ভ্যাট আইনে মোট ৭৭টি মূসক ফরম রয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে ভ্যাটের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। যদিও আমরা সবাই এই ফরমগুলো সম্পর্কে জানি, তবে কোন ফরমের কী কাজ তা সবসময় মনে রাখা সহজ নয়।

তাই, আপনাদের সবার সুবিধার্তে ফরমগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ এখানে তুলে ধরছি, যাতে নিয়মিত রেফারেন্স হিসেবে এটি আপনাদের কাজে আসে।

মূসক ফরমগুলোর বিস্তারিত :

১. মূসক-২.১ : VAT/ Turnover Tax নিবন্ধনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

২. মূসক-২.২ : বিদেশি নিবাসীদের জন্য ভ্যাট নিবন্ধন ফরম।

৩. মূসক-২.৩ : নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত করদাতার সংক্ষিপ্ত বিবরণ।

৪. মূসক-২.৪ : ভ্যাট নিবন্ধন বা টার্নওভার করের তালিকা সাময়িক স্থগিত বা বাতিলের আবেদনপত্র।

৫. মূসক-২.৫ : নিবন্ধনের পর তথ্যের পরিবর্তন বা নতুন তথ্য সংযোজনের অবহিতকরণ ফরম।

এই পোস্টের মাধ্যমে আমি আপনাদের সবাইকে ভ্যাট ফরমগুলোর কাজ সম্পর্কে নিয়মিতভাবে মনে করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি। আশা করি, এই পোস্ট আপনাদের দৈনন্দিন কাজে সহায়তা করবে। চলমান পোস্ট----------------

24/09/2024

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

আজ আমরা নির্মাণ সংস্থা সেবা (এস০০৪) এবং মেরামত বা সার্ভিস সেবা (এস০৩১) এর একটা overlapping বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো, ইন শা আল্লাহ।

নির্মাণ সংস্থা সেবার সংজ্ঞার মধ্যে নির্মাণ, মেরামত বা রক্ষণাবেক্ষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অর্থাৎ maintenance সেবা হলো নির্মাণ সেবা। আবার, নির্মাণ সংস্থা সেবার সংজ্ঞার মধ্যে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, ফলস সিলিং, লিফট ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অর্থাৎ এসি, লিফট, ফলস সিলিং ইত্যাদি কোনো অবকাঠামোর সাথে স্থাপন করার পর তা অবকাঠামোর অংশ হয়ে যায়। তাই, অবকাঠামোর সাথে সংযুক্ত এসি, ফলস সিলিং, লিফট ইত্যাদি যদি মেরামত বা রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়, তাহলে তা হবে নির্মাণ সংস্থা সেবা, ৭.৫% ভ্যাট প্রযোজ্য হবে। এস০৩১ কোডের আওতায় মেরামত বা সার্ভিস হিসাবে ১০% ভ্যাট প্রযোজ্য হবে না।

আশা করি বিষয়টা স্পষ্ট হয়েছে।

ধন্যবাদ এবং শুভ সকাল।

ড. মোঃ আব্দুর রউফ
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪।

24/09/2024

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

আজ আমাদের দেশের ভ্যাট ব্যবস্থায় সুদের হার ও প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করবো, ইন-শা-আল্লাহ। ভ্যাট আইনের ধারা ১২৭ এ সুদের বিষয়ে বিধান রয়েছে। ইতোপূর্বে বিধান ছিল যে, প্রদেয় কর যথাসময়ে পরিশোধ করা না হলে মাসিক ২ শতাংশ সরল হারে সুদ পরিশোধ করতে হবে। প্রদেয় হওয়ার তারিখ থেকে পরিশোধ করার তারিখ পর্যন্ত সুদ হিসাব করতে হবে। অর্থ আইন, ২০২১ এর মাধ্যমে জুলাই-২০২১ থেকে সুদের হার ২ শতাংশ সংশোধন করে ১ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়। তখনও পরিশোধের তারিখ পর্যন্ত সুদ হিসাব করার বিধান ছিল। ২০২২ সালের অর্থ আইনের মাধ্যমে যা জুলাই-২০২২ মাসে কার্যকর হয়েছে সর্বোচ্চ ২৪ মাস সুদ হিসাব করার বিধান করা হয়। অর্থাৎ পরিশোধের দিন পর্যন্ত সুদ হিসাব করতে হবে না, সর্বোচ্চ ২৪ মাস সুদ হিসাব করতে হবে। আমরা জানি যে, যখন আইনের বিধান করা হয়েছে তখন থেকে বিধান কার্যকর হবে। অর্থাৎ আগের বিষয়ের ক্ষেত্রে নতুন বিধান প্রযোজ্য হবে না। এই হলো, সাধারণ প্রদেয় পরিশোধ করা না হলে সে ক্ষেত্রে সুদ সংক্রান্ত বিধান।

তবে, উৎসে ভ্যাট কর্তন সংক্রান্ত বকেয়ার ক্ষেত্রে সুদের হার দীর্ঘদিন ধরে ৬ মাসে ২ শতাংশ সরল সুদ কার্যকর ছিল যা এখনো বহাল রয়েছে। এক্ষেত্রেও জুলাই-২০২২ মাস থেকে সর্বোচ্চ ২৪ মাসের সুদ হিসাব করতে হবে। আশা করি বিষয়টা স্পষ্ট হয়েছে।

ধন্যবাদ এবং শুভ সকাল।

ড. মোঃ আব্দুর রউফ
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪।

24/09/2024

অর্থের সংজ্ঞা এবং ভ্যাট প্রযোজ্যতা : সহজ ব্যাখ্যা।

ধারা ২-এর উপ-ধারা (৫) অনুযায়ী, "অর্থ" বলতে বোঝানো হয়েছে বাংলাদেশ বা অন্য যে কোনো দেশের প্রচলিত মুদ্রা (legal tender) এবং আরও কিছু দলিল, যেমন :

- বিনিময়যোগ্য দলিল (Negotiable Instrument),
- বিল অব এক্সচেঞ্জ, প্রমিসরি নোট, ব্যাংক ড্রাফট, পোস্টাল অর্ডার, মানি অর্ডার বা সমতুল্য দলিল,
- ক্রেডিট কার্ড বা ডেবিট কার্ড,
- অ্যাকাউন্ট ডেবিট বা ক্রেডিটের মাধ্যমে প্রদত্ত অর্থের সরবরাহ।

অর্থের সংজ্ঞা দেওয়ার কারণ :

আইনের শুরুতে “পূর্বকথা” অংশে উল্লেখ করা হয়েছে যে সরবরাহের মধ্যে অর্থ অন্তর্ভুক্ত নয়। এর মূল কারণ হলো, অর্থের সরবরাহের ওপর ভ্যাট প্রযোজ্য নয়। ভ্যাট মূলত পণ্য, সেবা, এবং স্থাবর সম্পত্তির সরবরাহের ওপর প্রযোজ্য হয়।

যেমন, যদি একটি এনজিও আরেকটি এনজিওকে শুধু অর্থ প্রদান করে, সেটি ভ্যাটযোগ্য নয়। কারণ, এটি শুধুমাত্র অর্থের লেনদেন এবং এর ওপর ভ্যাট প্রযোজ্য হয় না।

21/08/2024

ভ্যাট টিপস-১২৯/২০২৪:

বিষয়: ডাল ক্রয়ের বিল পরিশোধ করার সময় উৎসে ভ্যাট কর্তন করতে হবে কি না।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহএকজন জানতে চেয়েছেন যে, ডাল ক্রয়ের বিল পরিশোধ করার ক্ষেত্রে উৎসে ভ্যাট কর্তন (ভিডিএস) করতে হবে কি না। ভ্যাট আইনের প্রথম তফসিল দ্বারা ০৭.১৩ হেডিং এর অধীন ১০টি এইসএস কোডের আওতাভুক্ত পণ্যকে ভ্যাট অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তন্মধ্যে এইচএস কোড ০৭১৩.২০.৯০ হলো ছোলার ডাল, ০৭১৩.৩১.৯০ হলো মুগ ডাল, ০৭১৩.৪০.৯০ হলো মসুর ডাল। .৯০ এর স্থলে .১০ হলে সেগুলো ২.৫ কেজি পর্যন্ত মোড়কজাত বা টিনজাত। তাই, এইচএস কোডের শেষে .১০ থাকলে সেগুলো প্রথম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত নেই। অর্থাৎ ডাল ২.৫ কেজি পর্যন্ত মোড়কজাত বা টিনজাত হলে ভ্যাট প্রযোজ্য হবে। আর এইচএস কোডের শেষে .৯০ থাকলে সেগুলো হলো এর বাইরে। অর্থাৎ ২০.৯০, ৩১.৯০, ৪০.৯০ এর আওতাভুক্ত লুজ মসুরির ডাল, ছোলার ডাল ও মুগডাল এবং ২.৫ কিজির ওপরে প্যাকেটজাত বা টিনজাত মসুরি, ছোলা ও মুগডাল বা বস্তাভর্তি এসব ডাল ভ্যাট আইনের প্রথম তফসিল দ্বারা ভ্যাট অব্যাহতিপ্রাপ্ত। তাছাড়া, আরো অনেক ডাল রয়েছে যা এই এইচএস কোডসমূহের আওতায় শ্রেণীবিন্যাসিত হবে, যেমন: মটর ডাল, মাষকলাই ডাল, বিউলির ডাল, রাজমা ডাল, অড়হর ডাল, খেসারির ডাল ইত্যাদি। অর্থাৎ অধিকাংশ ডাল বিশেষ করে যে ডালগুলো মূলত আমরা ব্যবহার করি সে ডালগুলো ভ্যাট আইনের প্রথম তফসিলের এই কোডগুলোর আওতায় অন্তর্ভুক্ত হয়। তাই, ডালের ওপর কোনো পর্যায়ে ভ্যাট প্রযোজ্য হবে না। আমদানি, উৎপাদন, ট্রেডিং, যোগানদার সকল স্তরে ডাল ভ্যাটমুক্ত হবে। উক্ত এইচএস কোডভুক্ত ডাল টেন্ডারের বিপরীতে ক্রয় করার ক্ষেত্রে বিল পরিশোধ করার সময় উৎসে ভ্যাট কর্তন করতে হবে না। তবে, উক্ত ডাল যদি ২.৫ কেজি পর্যন্ত মোড়কজাত বা টিনজাত হয় তাহলে ভ্যাট প্রযোজ্য হবে।

ধন্যবাদ ও শুভ কামনা।
ড. মোঃ আব্দুর রউফ
০৮.০৮.২০২৪

21/06/2024

যে ১০টি কারণ আমাদের ক্যারিয়ারকে ধ্বংস করে দিচ্ছে?
আমাদের ক্যারিয়ারকে ধ্বংস করে দেওয়ার মতো ১০টি কারণ আজকে আলোচনা করব, আপনারা পুরোপুরি সাবধান থাকবেন এই সমস্ত কারণগুলো থেকে

👉 বিভ্রান্তি: সোশ্যাল মিডিয়া, ইমেইল, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের নোটিফিকেশন আমাদেরকে পুরোপুরি বিভ্রান্তি করে দিচ্ছে, আমাদেরকে ক্যারিয়ারের লক্ষ্যে অর্জন করার জন্য।

👉 গড় মাসি: আমরা অযথা কাজগুলোকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্ব করি এমনকি শেষ মিনিট পর্যন্ত। আজ শুরু করব, কাল শুরু করব অর্থাৎ ভালো সময়ের জন্য অপেক্ষা করি। সময় আসে না।

👉 দুর্বল পরিকল্পনা: কি করতে হবে এটা তো জানি, কিন্তু কবে নাগাদ শেষ করতে হবে এটা জানি না? এরকম দুর্বল পরিকল্পনা আমাদের ক্যারিয়ারকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।

👉 মাল্টিটাস্কিং: একসাথে অনেকগুলি কাজ করার চেষ্টা করা উত্পাদনশীলতা হ্রাস করতে পারে এবং ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

👉 মিটিং: উদ্দেশ্য ছাড়া অযথা মিটিং, মিছিল এবং বন্ধু-বান্ধবের সাথে গেদারিং জীবনকে নষ্ট করে দেওয়ার বড় একটি হাতিয়ার।

👉 গুরুত্বহীন কাজ: আমাদের লক্ষ্যের সাথে গুরুত্বপূর্ণ বা প্রাসঙ্গিক নয় এমন কাজে সময় ব্যয় করা সময়ের অপচয় হতে পারে।

👉 মনোযোগের অভাব: একাগ্রতা বা মনোযোগের অভাব উত্পাদনশীলতা হ্রাস করতে পারে এবং সময় নষ্ট করতে পারে।

👉 সবকিছুতে নিখুঁত খোঁজা: সবকিছু নিখুঁত করার চেষ্টা করা সময়সাপেক্ষ হতে পারে এবং অপ্রয়োজনীয় চাপের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

👉 সব কাজ নিজে করতে যাওয়া: অন্যদের কাছে কাজ অর্পণ করতে ব্যর্থ হলে অপ্রয়োজনীয় চাপ এবং সময়ের অপচয় হতে পারে।

👉 অপেক্ষা করা: অন্যদের জন্য অপেক্ষা করা বা কিছু হওয়ার জন্য অপেক্ষা করা সময় নষ্ট করতে পারে যা অন্য কোথাও ব্যবহার করা যেতে পারে।

আমি বিশেষভাবে আশা করব আপনারা এই সমস্ত কাজগুলো থেকে পুরোপুরি নিজেকে প্রস্তুত রাখবেন এবং উপরের ১০ টি পয়েন্টের বিরুদ্ধে সব সময় একশন নিতে হবে।

21/06/2024

QQQ-কোন জিনিস সবসময় গোপন রাখা উচিত?

1-নিজের দুর্বল পয়েন্টগুলো গোপন রাখা উচিত।
2-নিজের অভিষ্ট লক্ষ্য সম্পর্কে কাউকে বলতে নেই।
3-নিজের আপন-গোপন কোনো ইনফরমেশন কাউকে দেয়া যাবে না।
4-নিজের পকেট এ কয় টাকা আছে কিংবা ব্যাংক ব্যালেন্স কত আছে,এসব তথ্য কাউকে দেয়া যাবে না।

5-নিজের গার্লফ্রেন্ড অথবা বয়ফ্রেন্ড সম্পর্কিত কোন তথ্য কাউকে শেয়ার করা যাবে না।
6-নিজের হতাশার গল্প সব সময় গোপন রাখতে হবে।
7-অতীতে নিজের জীবনের উপর দিয়ে কোন ঝড় বয়ে গেলেও সেটা একান্তই নিজের মধ্যে রাখতে হবে।
8-আত্মীয়-স্বজন,বন্ধু-বান্ধব এবং পরিবারের কোনো সদস্যদের নিয়ে অন্য কারো কাছে নেতিবাচক আলাপ করা যাবে না।
9-অন্যের শেয়ারকৃত যেকোনো তথ্য গোপন রাখতে হবে।

21/06/2024

কিভাবে নিজের মধ্যে একটা ব্যক্তিত্ব নিয়ে আসবো? এবং তাকে ক্রমাগত আরও উন্নত করব?
ব্যক্তিত্ব ধরে রাখবেন কিভাবে ?

১/ শুনুন বেশি বলুন কম
২/ কৌতুক করে হলেও মিথ্যা বলবেন না
৩/কথা দিয়ে কথা রাখার চেষ্টা করুন
৪/ ভুল হলে তর্ক না করে সরি বলুন
৫/ অকারনে এবং অপ্রয়োজনে হাসবেন না
৬/ ঘন কথা না বলে ধীরে ধীরে কথা বলুন
৭/ যা জানেন না তা নিয়ে বলতে যাবেন না
৮/ অজানা বিষয়ে তর্কে জড়াবেন না
৯/ কাউকে বোঝাতে যাবেন না আপনিই শ্রেয়
১০/ অন্যকে বলতে দিন তার কথা অগে শুনুন
১১/ শব্দ করে খাবার খাবেন না
১২/ রাগ হলে নিজেকে নিয়ন্ত্রন করুন
১৩/ কেউ ভুল করলে সহজে ক্ষমা করে দিন
১৪/ ছেড়া জামা জুতা পরবেন না
১৫/ সহজে কারো কাছে হাত পাতবেন না
১৬/ পারলে খাওয়ান কিন্তু দাবী করে খাবেন না
১৭/ খাবার সামনে এলে আগে অন্যকে দিন
১৮/ ছোট বড় সবাইকে সন্মান করে কথা বলুন
১৯/ মুখ ও শরীরের দুর্গন্ধ থেকে মুক্ত থাকুন
২০/ নিজেকে সব সময় ছোট ভাবুন,

21/06/2024

ভ্যাট টিপস-১১৮/২০২৪:

বিষয়: আন্তর্জাতিক শিপিং লাইন কর্তৃক রেয়াত গ্রহণ।

একজন পাঠক আমার কাছে প্রশ্ন করেছেন যে, তার প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক শিপিং লাইনের মাধ্যমে পরিবহন সেবা প্রদান করে বৈদেশিক মুদ্রায় পেমেন্ট পায়। প্রতিষ্ঠানটির কোনো স্থানীয় ভ্যাট প্রদেয় হয় না। বেশ কিছু উপকরণের ওপর তারা ভ্যাট পরিশোধ করে যা তারা রেয়াত নেয়। যেমন: জাহাজ ভাড়া, পোর্ট এ্যান্ড পাইলটিং চার্জ, জেটি চার্জ ইত্যাদি। তাদের কোনো স্থানীয় ভ্যাট প্রদেয় হয় না, সেহেতু দাখিলপত্রে নেগেটিভ ব্যালান্স হয়ে যায় যা তারা রিফান্ডের আবেদন করেছে। কিন্তু ভ্যাট অফিস থেকে ভ্যাট আইনের ধারা ২৪(১১) এর উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, পোর্ট এ্যান্ড পাইলটিং চার্জ, জেটি চার্জ ইত্যাদি হলো আনুষঙ্গিক পরিবহন সেবা। আনুষঙ্গিক পরিবহন সেবার বিপরীতে রেয়াত পাওয়া যাবে না।

প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য হলো, পোর্ট এ্যান্ড পাইলটিং চার্জ, জেটি চার্জ ইত্যাদি হলো বন্দর সেবা যা রেয়াতযোগ্য। পাঠক আইনসঙ্গত মতামত চেয়েছেন। আমাদের দেশের ভ্যাট ব্যবস্থায় রেয়াত পায় মূলত দুই ধরনের প্রতিষ্ঠান। এক. যেসব প্রতিষ্ঠানের সরবরাহের ওপর প্রদেয় ভ্যাট ১৫%। দুই. যেসব প্রতিষ্ঠানের সরবরাহের ওপর প্রদেয় ভ্যাট শূন্য শতাংশ। আলোচ্য প্রতিষ্ঠানটি সেবা রপ্তানি করে। তাই, প্রতিষ্ঠানটি রেয়াত পাবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের কি কি ক্রয় উপকরণ হিসেবে গণ্য হবে তা ভ্যাট আইনের ধারা ২(১৮ক)তে উল্লেখ রয়েছে। সেসব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান রেয়াত পাবে। কোন কোন ক্ষেত্রে রেয়াত পাওয়া যাবে না তা ভ্যাট আইনের ধারা ৪৬ এ উল্লেখ রয়েছে। বন্দর সেবার বিপরীতে রেয়াত পাওয়া যাবে।

আনুষঙ্গিক পরিবহন সেবার বিপরীতে রেয়াত পাওয়া যাবে না, এমন কোনো বিষয় ভ্যাট আইনে নেই। ভ্যাট আইনের ধারা ২৪(১১)তে উল্লেখ রয়েছে যে, কোন কোন ক্ষেত্রে শূন্য হার প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ ভ্যাট প্রদান করতে হবে না। তবে, যদি এসব সেবার ক্ষেত্রে কোনো কারণে কেউ ভ্যাট প্রদান করে তাহলে সে ভ্যাট ফেরৎ পাবে। ভ্যাট আইনের ধারা ৭২ এ উল্লেখ রয়েছে যে, অতিরিক্ত পরিশোধিত কর সমন্বয় করা যাবে বা ফেরৎ নেয়া যাবে। বন্ড লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানকে বন্ড লাইসেন্স দেয়া হয় এজন্য যে, প্রতিষ্ঠানটি শুল্ক-কর পরিশোধ না করে উপকরণ ক্রয় বা আমদানি করবে। তারপরও কখনও কখনও বন্ড লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান শুল্ক-কর পরিশোধ করে উপকরণ ক্রয় বা আমদানি করে। সেগুলো প্রত্যর্পণ বা ফেরৎ নেয়া যাবে। একইভাবে ভ্যাট আইনের ধারা ২৪(১১)তে যেসব ক্ষেত্রে শূন্যহার প্রয়োগ করতে বলা হয়েছে, যদি সেসব ক্ষেত্রে ভ্যাট পরিশোধ করা হয়, সে ভ্যাট যথানিয়মে রেয়াত, রিফান্ড নেয়া যাবে। বিস্তারিত দয়া করে সংযুক্তিতে দেখুন।

ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা
ড. মোঃ আব্দুর রউফ
ভ্যাট বিশেষজ্ঞ।
২৭.০২.২০২৪

21/06/2024

ভ্যাট টিপস-১১৯/২০২৪:

বিষয়: রেয়াত বাতিল করা হলে সুদ প্রযোজ্য হবে কিনা।
নানা কারণে রেয়াত বাতিল করা হয়। রেয়াত বাতিল করা হলে সুদ প্রযোজ্য হবে কিনা এ বিষয়টি নিয়ে মাঠ পর্যায়ে জটিলতা রয়েছে। কেউ কেউ বলে থাকেন যে, রেয়াত হলো একটা সুবিধা যা আইনে দেয়া হয়েছে। উপকরণ ক্রয় করার বিপরীতে যে অর্থ রেয়াত নেয়া হয় তা অনেক আগেই সরকারি কোষাগারে পরিশোধ করা হয়েছে। তাই, রেয়াত বাতিল হলে সুদ প্রযোজ্য হবে না। আবার কারো কারো মতে, অবৈধভাবে রেয়াত নেয়া হলে সুদ প্রযোজ্য হবে। তবে, অতিরিক্ত রেয়াত নেয়া হলে সুদ প্রযোজ্য হওয়া উচিৎ নয়। আবার, কেউ কেউ বলে থাকেন যে, অনিয়মিতভাবে রেয়াত গ্রহণকারীর যদি দাখিলপত্রে নেগেটিভ ব্যালান্স থাকে, তাহলে সুদ প্রযোজ্য হওয়া সমীচীন নয়।

রেয়াত পাওয়ার অধিকারী না হওয়া সত্ত্বেও যদি রেয়াত গ্রহণ করা হয় তাহলে আইনের ধারা-৪৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর মেয়াদে প্রকৃত নীট কর পরিশোধ করা হয় না। পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত গৃহিত রেয়াত বাতিল করা হলেও সরকার যথাসময়ে সরকারি কোষাগারে প্রাপ্তব্য রাজস্ব হতে বঞ্চিত হয়েছে। প্রদেয় কর বলতে প্রদেয় নীট কর বোঝায়। আইনের ধারা ৪৫ অনুসারে, হিসাব-নিকাশ করার পর যে ব্যালান্স পাওয়া যাবে সেটা হলো প্রদেয় নীট কর। অনিয়মিতভাবে রেয়াত গ্রহণ করা হলে প্রদেয় নীট কর হ্রাস পায়, অর্থাৎ নীট কর পরিশোধ করা হয় না। তাই, অনিয়মিতভাবে রেয়াত নেয়া হলে আইনের ধারা ১২৭(১) অনুযায়ী সুদ প্রযোজ্য হবে।

এ বিষয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে জেনেছি। আদালতের চূড়ান্ত আদেশ পাওয়া গেলে প্রয়োগে সমতা প্রতিষ্ঠিত হবে। তাছাড়া, রেগুলেটরী কর্তৃপক্ষ থেকে ইতোমধ্যে কোনো নির্দেশনা পাওয়া গেলে তা পরিপালন করতে হবে। তবে, এ পর্যন্ত সার্বিক বিষয়াদি বিশ্লেষণে বলা যায় যে, অনিয়মিতভাবে রেয়াত গ্রহণ করা হলে প্রদেয় নীট কর অপরিশোধিত থাকে। তাই, আইনের ধারা ২৭(১) অনুসারে সুদ প্রযোজ্য হবে। তবে, অনিয়মিতভাবে রেয়াত নেয়ার পরেও যদি দাখিলপত্রে নেগেটিভ ব্যালান্স থাকে তাহলে সুদ প্রযোজ্য হবে না। কারণ, প্রদেয় নীট কর সৃষ্টি হয়নি। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে দয়া করে সংযুক্তি দেখুন।

ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা।

ড. মোঃ আব্দুর রউফ
ভ্যাট বিশেষজ্ঞ।
৩১.০৩.২০২৪

21/06/2024

ভ্যাট টিপস-১২০/২০২৪:

বিষয়: কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ কর্তৃক প্রদত্ত সেবার ওপর ভ্যাটের প্রযোজ্যতা।

আজ আমরা মাঠ পর্যায়ের একটা জটিলতা নিয়ে আলোচনা করবো, ইন-শা-আল্লাহ। সেটা হলো, কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ কর্তৃক প্রদত্ত সেবার ওপর ভ্যাট প্রযোজ্য হবে কি না। মূল বিষয় হলো “কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ কর্তৃক প্রদত্ত সেবা” বলতে কী বোঝায়? কম্পিউটার জগতে আমরা দেখি হার্ডওয়ার, সফটওয়্যার, ডাটা সেন্টার, ব্যাক-আপ সিস্টেম, নেটওয়ার্কিং, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ বা সমজাতীয় অন্য কোনো ডিভাইস, সোশ্যাল মিডিয়া ইত্যাদি। এই সব তৈরি, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনা করতে যে সেবা প্রদান করা হয়, সেই সেবা হলো কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ সেবা। এসআরও নং-১৮৬-আইন/২০১৯/৪৩-মূসক, তারিখ: ১৩ জুন, ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ এ বর্ণিত সেবার সংজ্ঞা অনুসারে, কনসালট্যান্সি সেবার পরিধি হলো: সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রকল্প প্রণয়ন, বাস্তবায়ন, পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে পরামর্শ দেয়া ও তদারকি করা।

প্রথম তফসিলের দ্বিতীয় খন্ডের অনুচ্ছেদ ৬(খ)তে কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ ‍উল্লেখ করা হয়েছে এবং ব্র্যাকেটে বলা হয়েছে যে কনসালট্যান্সি সেবা ব্যতীত। কনসালট্যান্সি সেবার যে পরিধি রয়েছে সেই পরিধি অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রকল্প প্রণয়ন, বাস্তবায়ন, পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন বা তদারকি কাজ করেন, তাহলে তা হবে কনসালট্যান্সি সেবা। আর কোনো ব্যক্তি যদি হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সমষ্টি তথা ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, তথ্য প্রযুক্তি সিস্টেম তথা ডাটা সেন্টার, ব্যাকআপ সিস্টেম, নেটওয়ার্কিং, সোশ্যাল মিডিয়া কাঠামো ইত্যাদি নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালন ইত্যাদি কাজে সেবা প্রদান করেন তাহলে তা হবে কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ কর্তৃক প্রদত্ত সেবা। আইনের প্রথম তফসিল অনুসারে, ব্যক্তিগতভাবে কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ সেবা প্রদান করা হলে তা ভ্যাটমুক্ত হবে।

কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ কর্তৃক ব্যক্তিগতভাবে প্রদত্ত সেবা ভ্যাট আইনের প্রথম তফসিল অনুযায়ী ভ্যাটমুক্ত হবে। তবে, রেগুলেটরী এজেন্সী যদি এ বিষয়ে অন্যবিধ কোনো নির্দেশনা দেয় বা দিয়ে থাকে, তাহলে তা পরিপালন করতে হবে। বিস্তারিত জানার জন্য দয়া করে সংযুক্তি দেখুন।

ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা।

ড. মোঃ আব্দুর রউফ
ভ্যাট বিশেষজ্ঞ।
০৬.০৪.২০২৪

21/06/2024

বিষয়: তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ভ্যাট।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

গত কয়েক দিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সরকার ভ্যাট আরোপ করতে যাচ্ছে এমন কয়েকটা পোস্ট লিংকডইনে দেখলাম। পোস্টে বলা হয়েছে যে, এই খাতটা এখনো বিকশিত হয়নি। এই খাতে বর্তমানে অনেক বেকার মানবসম্পদ রয়েছে। এই খাতে ঋণ পাওয়া যায় না। এই খাতে এখন বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ করা দরকার। তাই, এই খাতকে এখন ভ্যাটমুক্ত রাখা দরকার ইত্যাদি।

বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর সেবার ওপর ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপিত আছে। বর্তমানে সফটওয়্যার উৎপাদনে ৫ শতাংশ, ট্রেডিং এ ৫ শতাংশ এবং আমাদনিতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপিত রয়েছে। তাই, পোস্ট অনুসারে কোথায় ভ্যাট আরোপিত হতে যাচ্ছে, কোন অংশ ভ্যাটমুক্ত রাখতে বলা হচ্ছে, এসব বিষয় আমার কাছে স্পষ্ট নয়। যাহোক, ধরে নিলাম যে, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ভ্যাট আরোপ করার সম্ভাবনা আছে এবং ধরে নিলাম যে, উপরের সব কথা সঠিক। তবে, আমার কিছু অতিরিক্ত বক্তব্য রয়েছে। সেটা হলো, সামগ্রিকভাবে আমাদের দেশে কম কর আহরণ করা হয়। কর আরোপের ভিত্তির একটা বড় অংশ করমুক্ত রাখা হয়েছে। ভ্যাটের ক্ষেত্রেও তাই। আমাদের ভ্যাট আহরণ বাড়াতে হবে- একথা ভুলে গেলে হবে না। তাই, এই খাতকে ভ্যাটমুক্ত করতে হবে, ওই খাতকে ভ্যাটমুক্ত করতে হবে- এমন দাবি সরকারের পক্ষে মেনে নেয়া সম্ভব হয় না। যদি দাবিটা এমন হয় যে, আমরা ভ্যাট দেবো, আমরা ভ্যাট দিতে চায়। তবে, এই এই কারণে এই খাতে এখন বেশি হারে ভ্যাট দেয়া সম্ভব নয়। আমরা এখন কম হারে ভ্যাট দিতে চায়। ধরুন ৩ বা ৪ বা ৫ শতাংশ। প্রতি বছর ১ শতাংশ করে বাড়িয়ে ক্রমে ক্রমে আমরা স্ট্যান্ডার্ড হারে নিয়ে যাবো, ইন-শা-আল্লাহ্। আর একটা বিষয় হলো, ভ্যাট আহরণের সাথে কিছু আনুষঙ্গিক জটিলতা আছে, যা বাস্তবতা যা অস্বীকার করা যায় না। সেক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির জাইয়েন্টরা বলতে পারেন যে, আমরা নিজেরা সিস্টেম স্থাপন করে ভ্যাট কালেকশন করে সরকারকে দিয়ে দেবো। সরকারের কোনো কালেকশান কস্ট হবে না। এভাবে আনুষঙ্গিক জটিলতা পরিহার করা যাবে। আমার মনে হয়, এমন একটা প্রস্তাব যদি তথ্যপ্রযুক্তি জাইয়েন্টরা দেন, তাহলে তা হয়তো অধিকতর বাস্তবসম্মত হয় যা সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

এ বিষয়ে আপনার ভাবনা কি তা জানালে কৃতার্থ হবো।

ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা।

ড. মোঃ আব্দুর রউফ
ভ্যাট বিশেষজ্ঞ
২০ এপ্রিল, ২০২৪

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Malek Tower, 31, Tejkunipara, Farmgate
Dhaka
1215