Celebrating my 5th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
Al Quran Search And Browse
Educational Tafsir App on Google Play Store.
08/09/2024
Very Interesting Question:
16/05/2024
আলহামদুলিল্লাহ,
দ্বীন যেভাবে চায়, এবং আহমাদুল্লাহ সাহেবও সেদিন এক ভিডিওতে বলেছেন, পুরো রাতকে সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত মোট সময়কে তিন ভাগে ভাগ করে প্রথম ভাগ ইশার নামাজের উত্তম সময়।
আর দ্বিতীয় ভাগ তাহাজ্জুদ এবং ইশার নামাজের দুর্বল সময়।
আর তৃতীয় ভাগ তাহাজ্জুদ, ইশার নামাজের মাকরূহ সময়, সেহরীর শেষ সময় এবং ফজর।
আলহামদুলিল্লাহ তাফহীম এ্যাপে নামাজের সময় বিভাগে ঠিক এভাবেই সময়কে দেখানো হচ্ছে বিস্তারিত, যাতে আপনার সুবিধা হয় ইনশাআল্লাহ।
আরেকটি বিষয় থাকছে যারা রাতে তাহাজ্জুদ পড়তে চান তারা অন ক্লিকেই মোবাইলের ডিফল্ট এ্যালার্ম এ্যাপে অটো সেট হয়ে যাবে, রাতের ২য় অংশ অথবা ৩য় অংশের সময়। যারা এ্যালার্ম সেট করতে পারেন না, তাদের জন্য বিষয়টি উপকারী হবে ইনশাআল্লাহ। একক্লিকেই ওয়াক্তের নাম সহ প্রতিদিনের জন্য এ্যালার্ম সেট হয়ে যাবে, এবং ফজর, সেহরী এবং অন্যান্য নামাজের জন্যও চাইলেই এক ক্লিকে এ্যালার্ম সেট করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়কে তিনভাগ করে প্রতিটি সময়ের শুরু ও শেষ, মোট ছয়টি সময়ের হিসাব বের করার কোডিংটি নিচে দিয়ে দিলাম, যারা পরবর্তীতে এ বিষয়ে কোডিং করবেন, তাদের উপকার হতে পারে ইনশাআল্লাহ। এখানে সময়ের হিসাব করার জন্য মোট সময়কে এক সেকেন্ডের এক হাজার ভাগের একভাগ তথা মিলিসেকেন্ডে পরিণত করা হয়েছে এবং এর পূর্বে টুয়েলভ আওয়ার ক্লককে টুয়েন্টিফোর আওয়ার ক্লকে রূপান্তরিত করে হিসাব শেষে সেটাকে আবার টুয়েলভ আওয়ার ক্লকে রূপান্তরিত করা হয়েছে। মেথডগুলোতে Time class, Date Class, Calendar Clase, int, long (for millisecond) ব্যবহার করা হয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ, ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ।
মহান আল্লাহ আমাদের ইশা, তাহাজ্জুদ ও ফজর নামাজকে সহজ করে দিন, আমীন।
public static ArrayList getPartOfTime_Night(String sunSetTime, String sunRiseTime) {
long totalNight = diffBetweenTwotimesInMillis( get24From12(sunSetTime), get24From12(sunRiseTime));
System.out.println("33333 1 totalNight : "+ totalNight);
long part = totalNight / 3;
System.out.println("33333 2 part : "+ part);
String p1Start = sunSetTime;
String p1End = deductOrAdTime12(p1Start, millisToMinuteHour(part));
System.out.println("33333 3 p1Start : "+ p1Start + " p1End: "+p1End);
String p2Start = p1End;
String p2End = deductOrAdTime12(p2Start, millisToMinuteHour(part));
String p3Start = p2End;
String p3End = deductOrAdTime12(p3Start, millisToMinuteHour(part)); // part Three ends befor 10 minutes of Fajr Time ;
ArrayList ar = new ArrayList();
ar.add("No_Time");
ar.add(p1Start);
ar.add(p1End);
ar.add(p2Start);
ar.add(p2End);
ar.add(p3Start);
ar.add(p3End);
return ar;
}
public static long diffBetweenTwotimesInMillis(String currentTime, String endTime) {
//all time must be 24 hour format :
System.out.println("uuu currentTime: " + currentTime + " endTime: " + endTime);
int hours;
int min = 0;
int days;
long difference = 1;
try {
SimpleDateFormat simpleDateFormat = new SimpleDateFormat("HH:mm:ss", Locale_us);
Date date1 = simpleDateFormat.parse(currentTime);
Date date2 = simpleDateFormat.parse(endTime);
if (date1 == null && date2 == null) {
return 0;
}
assert date2 != null;
assert date1 != null;
difference = date2.getTime() - date1.getTime();
if (difference
Atiqur Rahman
যদি ৪ জন লোক একটি একক হারিয়ে যাওয়া মানিব্যাগ দাবি করে। স্পষ্টতই তাদের মধ্যে অন্তত ৩ জন ভুয়া মালিক। মানিব্যাগের প্রকৃত মালিক কেবলমাত্র তিনি যিনি তার মানিব্যাগের ভিতরে কি রয়েছে তা বলতে সক্ষম হবেন।
আপনি যদি সত্য সন্ধানী হন তবে অনুগ্রহ করে কোরআন পড়ুন, বুঝু। কোরআনে মানব ভ্রূণবিদ্যা, জ্যোতির্বিদ্যা, ভূতত্ত্ব, সমুদ্রবিদ্যা, ইতিহাস ইত্যাদির সত্যতা দেখে আপনি বিস্মিত হবেন। এই সবই গত শতাব্দীতে আবিষ্কৃত হয়েছে। অথচ ১৪০০+ বছর আগে কোরআনে এ সত্য উধৃত হয়েছে।
স্রষ্টা এই সমস্ত সত্যকে তাঁর গ্রন্থে (কোরআন) মানবজাতির জন্য একটি নিদর্শন হিসাবে রেখেছেন যাতে মানুষ চিনতে পারে সত্য পথ কী এবং কী অনুসরণ করা দরকার। এটি একটি মানিব্যাগের প্রকৃত মালিকের মতো যিনি প্রমাণ করেন যে তিনিই এর প্রকৃত মালিক, অন্য কেউ নয়।
নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদেরকেই পথ দেখান যারা হেদায়েত অন্বেষণ করে।
আমাদের গ্রামের ভাষায় এটাকে ডন্ডি বলে। এইমাত্র ৫ টাকা ডন্ডি গেল।
একভাই ফোন দিয়ে বললেন আমার বিকাশে ভুলে কিছু টাকা পাঠিয়েছেন। চেক করে দেখলাম ঠিকই।
ফোন ব্যাক করলাম, একটু কস্ট করে যে নাম্বার থেকে এসেছে সেই নাম্বারে সেন্ড করে দিতে বললো। সেন্ড মানি করে দিলাম টাকাটা।
আমার ৫ টাকা ব্যয় হলো, খামাখা। লোকটার ভুলের কারণে আমার পাচটাকা ডন্ডি গেল!
আসলেই কি পাচটাকা ডন্ডি গেল।
আসলে নিজেত প্রচারণার জন্য পোস্ট দিলাম এমন না, বরং নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশের জন্য পোস্ট দিলাম।
সামান্য একটু সততার কি পরিমাণ মুখাপেক্ষী আর অসহায় আমরা এই দেশে। কত অসহায় আমরা, ভাবতেও কস্ট লাগে।
কি পরিমাণ অসততা, মিথ্যা কথা, প্রতারণা, জুলুমের মধ্যে যে আমরা বাস করছি, মাঝে মাঝে খুব কস্ট হয়।
এত মিথ্যা, প্রতারণা, আর ধোকাবাজির মধ্যে মানুষ বাস করে কিভাবে? ভাবলেও শিউরে উঠি।
আল্লাহ মাফ করো, আমাদের উপর রহম করো, আমরা বড় অসহায় হয়ে পড়েছি, মিথ্যা, প্রতারণা আর জুলুমের কাছে৷
"ওয়ানসুরনা আলাল ক্বওমীল কা-ফেরীন, আলাল মুনাফিক্বীন, আলাজ জ্বলেমীন"।
মুতশাবিহাত বিষয়ে সুরা আলে ইমরানের সাত নাম্বার আয়াতে মাওলানা মওদূদীর বক্তব্যঃ
❝মানবিক ইন্দ্রিয়ানুভুতির বাইরের বস্তু-বিষয়গুলো, যেগুলো মানবিক জ্ঞানের আওতায় কখনো আসেনি এবং আসতেও পারে না, যেগুলোকে সে কখনো দেখেনি, স্পর্শ করেনি এবং যেগুলোর স্বাদও গ্রহণ করেনি, সেগুলো বুঝাবার জন্য মানুষের ভাষার ভাণ্ডারে কোন শব্দও রচিত হয়নি এবং প্রত্যেক শ্রোতার মনে তাদের নির্ভুল ছবি অংকিত করার মতো কোন পরিচিত বর্ণনা পদ্ধতিও পাওয়া যায় না। কাজেই এ ধরনের বিষয় বুঝাবার জন্য এমন সব শব্দ ও বর্ণনা পদ্ধতি অবলম্বন করা অপরিহার্য হয়ে পড়ে, যেগুলো প্রকৃত সত্যের সাথে নিকটতর সাদৃশ্যের অধিকারী অনুভবযোগ্য জিনিসগুলো বুঝাবার জন্য মানুষের ভাষায় পাওয়া যায়। এ জন্য অতি প্রাকৃতিক তথা মানবিক জ্ঞানের ঊর্ধ্বের ও ইন্দ্রিয়াতীত বিষয়গুলো বুঝাবার জন্য কুরআন মজীদে এ ধরনের শব্দ ও ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। যেসব আয়াতে এ ধরনের ভাষা ও শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলোকেই ‘মুতাশাবিহাত’ বলা হয়। কিন্তু এ ভাষা ব্যবহারের ফলে মানুষ বড় জোর সত্যের কাছাকাছি পৌঁছতে পারে অথবা সত্যের অস্পষ্ট ধারণা তার মধ্যে সৃষ্টি হতে পারে, এর বেশী নয়। এ ধরনের আয়াতের অর্থ নির্ণয়ের ও নির্দিষ্টকরনের জন্য যত বেশী চেষ্টা করা হবে তত বেশী সংশয়-সন্দেহ ও সম্ভাবনা বাড়তে থাকবে। ফলে মানুষ প্রকৃত সত্যের নিকটতর হবার চাইতে বরং তার থেকে আরো দূরে সরে যাবে। কাজেই যারা সত্যসন্ধানী এবং আজেবাজে অর্থহীন বিষয়ের চর্চা করার মানসিকতা যাদের নেই, তারা ‘মুতাশাবিহাত’ থেকে প্রকৃত সত্য সম্পর্কে অস্পষ্ট ধারণা লাভ করেই সন্তুষ্ট থাকে। এতটুকুন ধারণাই তাদের কাজ চালাবার জন্য যথেষ্ট হয়। তারপর তারা ‘মুহ্কামাত’ এর পেছনে নিজেদের সর্বশক্তি নিয়োগ করে। কিন্তু যারা ফিত্নাবাজ অথবা বাজে কাজে সময় নষ্ট করতে অভ্যস্ত, তাদের কাজই হয় মুতাশাবিহাতের আলোচনায় মশগুল থাকা এবং তার সাহায্যেই তারা পেছন দিয়ে সিঁদ কাটে।❞
---------------
অতএব, আজকালকার বাচ্চারা, তোমরা উনাকে নিয়ে কিছু লিখতে হলে আগে উনার কিছু লেখা পড়ো, কিছু শিখো!
22/04/2024
আলহামদুলিল্লাহ।
হাফেজী কুরআনের তিলাওয়াতের ক্ষেত্রে যে এ্যালগরিদমটা করলাম, সেটা হলো উল্টা। অর্থাৎ, ডিসপ্লেতে আপনি যে পৃষ্ঠাটি এবং আয়াতগুলো দেখছেন, সে অনুযায়ী তিলাওয়াত হচ্ছে ব্যপারটি এমন নয়। বরং, ব্যপারটি হলো মিডিয়া প্লেয়ার এ যে আয়াতটি তিলাওয়াত হচ্ছে, মিডিয়াপ্লেয়ার থেকে একটি অফলাইন ব্যাকগ্রাউন্ড মেসেজ, ডিসপ্লে পার্ট সেকশনে চলে আসবে, সে মেসেজ পাঠাবে ডিসপ্লে সেকশনে, ভাই আমি তো এখন এই আয়াতটি প্লে করতেছি, সুতরাং, এ আয়াতটি হাফেজী কুরআনের যে পারার, যত নং পৃষ্ঠায় আছে, দয়া করে সে পারার সেই পৃষ্ঠাটি ডিসপ্লে করো।
সুতরাং, তিলাওয়াত যখন চলছে, তখন অডিও প্লেয়ার আপনার ডিসপ্লেকে নিয়ন্ত্রণ করছে, এখন কোন পারার কোন পৃষ্ঠাটি দেখাতে হবে।
আলহামদুলিল্লাহ, এ ধরণের এ্যালগরিদম এই প্রথম করলাম।
সাধারণত স্ট্যাটিক ব্যাকগ্রাউন্ড মেথড থেকে সরাসরি ইউআই ডিসপ্লে পার্ট এ ইন্টারএ্যাকশন করা যায়না, এ্যাপ ক্রাশ করবে। তবে, ব্যাকগ্রাউন্ড মেথড চলাকালীন সময়ে বা যে কোনো স্ট্যাটিক মেথড থেকে হ্যান্ডলার মেসেজ (উইথ বান্ডল) ইউআই পার্ট এ পাঠানো যায়। এরপর সেই মেসেজ পড়ে, ডিসপ্লে পার্ট ঠিক করে এখন কি দেখাতে হবে। বিষয়টি রিসোর্স এবং হার্ড কোড কনজিউম, তবে, খুব মজার এবং খুব সোজা।
স্বাভাবিক ভাবে তো ইউআই পার্ট থেকে ব্যাকগ্রাউন্ডে কাজ পাঠানো হয়, আর এখানে ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ন্ত্রণ করবে ইউআইকে। দারুন একটা অভিজ্ঞতা পেলাম।
তবে, আপনি প্রথমে যখন হাফেজী কুরআন চালু করলেন, এবং কোন পারার কোন পৃষ্ঠার ইমেজ আপনি দেখছেন, প্লেয়ার চালু করার সময় অবশ্যই সেটা ডিটেক্ট করতে হবে, এবং সেই পিকচার এর প্রথম আয়াতটি ডিটেক্ট করতে হবে। এরপর প্লেয়ারে সেই মেসেজ পাঠিয়ে প্লেয়ার চালু করে দিতে হবে। এরপর ব্যাকগ্রাউন্ড প্লেয়ার ডিসপ্লে নিয়ন্ত্রণ করবে, একটি পেজ এর তিলাওয়াত শেষ হয়ে হয়ে গেলে, অটোমেটিক পরবর্তী পেজ ডিসপ্লেতে নিয়ে আসবে, এভাবে পারা শেষ হয়ে গেলে, পরবর্তী পারা ডিসপ্লে হবে, এমনকি ত্রিশ পারা তিলাওয়াত শেষ হয়ে গেলে, পুনরায় প্রথম পারা সুরা ফাতিহা থেকে শুরু হবে, অটেমেটিক, আর পিকচার গুলোও চেইঞ্জ হতে থাকবে ইনশাআল্লাহ।
অর্থাৎ, একবার প্লে করে দিলে পুরো কুরআন এর তিলাওয়াত অনন্ত সময়য়ের জন্য রিপিটেটিভ চলতে থাকবে। ইনশাআল্লাহ।
আরো একটি মজার ব্যাপার হলো, ইমেজ/পিকচার/তিলাওয়াত অডিও কোনো কিছুই আপনাকে ম্যানুয়ালি ডাউনলোড করতে হবে না, প্রত্যেকটি জিনিসই অন ডিমান্ড ব্যাকগ্রাউন্ডে ডাউনলোড হয়ে যাবে। এরপর মেসেজ পাঠাবে, আমি ডাউনলোড হয়ে গেছি, এবার আমাকে ডিসপ্লে করো, এবং আমার তিলাওয়াত প্লে করো ।
এমনকি প্রতিটি আয়াত তিলাওয়াতের সাথে সাথে তাল মিলিয়ে তার অনুবাদও অটো ডিসপ্লে হতে থাকবে। ইনশাআল্লাহ।
আলহামদুলিল্লাহ, ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ। মহান আল্লাহ অতীব মহান।
মজার ব্যাপার হলো, এ যাবতকাল পর্যন্ত যাকেই একটু নির্ভরযোগ্য মনে করেছি, কিছুদিন পর কোনোনা কোনো বিষয়ে তার দিক থেকে এমন কোনো লেখা বা আচরণ পেয়েছি যে শেষ পর্যন্ত নিজেকে হতাশ হতে হয়েছে৷ এটাই পৃথিবীর হাজার বছরের ঐতিহ্য।
এগুলো গা সওয়া হয়ে গেছে। জামাতের রুকন, আমীরদেরতো এক সময় ফেরেশতা মনে করতাম, কিন্তু কয়দিন পর যখন কোনো কারণে কারো আচরণে হতাশ হতাম, তখন বুঝ দেওয়া হইতো, এরাওতো মানুষ! কথাটা হতাশ করলেও আসলেও কথাটাতো বাস্তব।
আমি নিজেই কি সবসময় ১০০% পারফেক্ট?
ফাহাম ভায়ের লেখাটা আমি পড়েছি, এড়িয়েও গিয়েছি। একটা মানুষ সবদিক থেকে ১০০% পারফেক্ট থাকবে, তার চিন্তা চেতনা সবসময়ই একশ ভাগ এ্যাকুইরেইট হবে, এটা আশা করা ঠিক না।
অবশ্য Faham Abdus Salam ভাই ওরকম চিন্তা করেন কেন, যেটা আমি সমাজের জন্য ক্ষতিকর মনে করি সেটা প্রমোট বা প্রদর্শন করা আমি বন্ধ করবোনা? আমি ক্ষতিকর মনে করি বিধায় তো সেটার প্রমোট, চর্চা আমি বন্ধ করতে চাইবো, নইলেতো আমি নিজের সাথেই প্রতারণা করলাম। তারাও আমার কোনো প্রচারকে বন্ধ করে দিবে - এই ভয়ে তাদের কোনো প্রচারণা যেটা আমি মন্দ মনে করি সেটা আমি বন্ধ করবোনা? - নইলে এইটা তো ভাই শ্রেফ আমার নিজের সাথে বেঈমানী!
জানিনা ফাহাম ভাই বিষয়টা কিভাবে দেখেন। এর ব্যাখ্যা আমার কাছে নেই, Aman Abdullah ভাই হয়তো কিছু বলতে পারেন এ ব্যাপারে।
কেন আপনার সন্তানকে কওমি মাদ্রাসায় পড়ানো উচিত নয়
শিক্ষা হচ্ছে মানবিক গুণাবলীর বিকাশ এবং পৃথিবীতে মাথা উঁচু করে কারো কাছে হাত না পেতে নিজের কর্মে আত্মমর্যাদা নিয়ে বাঁচার দক্ষতা অর্জনের মাধ্যম।
কওমিতে ধর্মের বাহ্যিক রিচুয়ালগুলা ভালোভাবে শিখানো হয়, কিন্তু বেইসিক মানবিক গুণাবলীর বিকাশ হয় না।
আপনি ১০০ জন কওমি হুজুরের শুধু অনলাইন একটিভিটি পর্যবেক্ষণ করে দেখবেন, এরা পরমত অসুহিষ্ণু। গালিবাজ। নারী বিদ্বেষী।
এদের কাছে কোন গঠনমূলক যুক্তি তর্ক নাই। আছে ভিন্ন মতকে খারিজ করার এক উন্মাদ চেতনা।
আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুলের নামে এরা কোন ব্যবহারিক কর্ম শেখে না। শেখায় না। তবে ভিক্ষাবৃত্তির কৌশল ভালোভাবে রপ্ত করে। এটাই এদের কাছে দ্বীন!
ওস্তাদ সাগরেদ পরস্পরায় মানুষের কাছে ইনিয়ে বিনিয়ে হাত পাতে।
এরা বড়লোক শিল্পপতিকে পিছনে বসিয়ে আল্লাহর কাছে চাল ডাল চায় জোরে জোরে , যেন দুনিয়ার খোদা বড়লোকরা তাদের এই রোনাজারি শুনতে পায়। এটা হচ্ছে এদের তায়াওক্কুল!!
এদের ধর্মসভাগুলো হলো মূলতঃ সদকা কালেকশন। যা দিয়ে তারা খাবে পরবে। এটা তাদের কাছে আখেরাত কিন্তু ছেলেদের ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার পেশাজীবী বানাবে না আখেরাত বরবাদ হওয়ার ভয়ে! অথচ দুনিয়াদ্বার বেএলেমদের কাছেই তারা কালেকশন করে!
"গলাবাজ" ছাড়া কওমী থেকে মানব সভ্যতার জন্য জরুরী আর কোন প্রয়োজনীয় পেশাজীবী তৈরি হয় না। হাদিয়া এবং সদকা ছাড়া এদের আর কোন ইনকাম সোর্স নাই।
মানব সভ্যতার কল্যাণে এই দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষা ব্যবস্থার কোন উদ্ভাবন আবিষ্কার নাই। জীবনধারণের জন্য কোন কর্মশিক্ষা নাই। অথচ নবী দাউদ একজন আয়রন ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। নবী আদম একজন কৃষিবিদ ছিলেন। ইমাম কুদূরী একজন ক্রোকারিজ ব্যবসায়ী ছিলেন। ইমাম গাযালী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। আল্লামা ইবনে সিনা একজন চিকিৎসা বিজ্ঞানী ছিলেন।
কিন্তু কওমি হুজুরদের পরিচয় শুধুই হুজুর। তার কোন পেশাগত পরিচয় নাই। খ্রিষ্ট ধর্মের মত ধর্মের জ্ঞানকে পুঁজি করে এরা পুরোহিততন্ত্রকে পেশা হিসেবে আত্মস্থ করেছে।
এই শিক্ষার কোন সংস্কার এবং সমালোচনা সহ্য করা হয় না। যুগ জামানার সাথে কোন উপযোগিতা পরীক্ষা করা হয় না এবং দরদী পর্যবেক্ষণসমূহ আমলে নেয়া হয় না।
এখানে প্রশ্ন করতে দেয়া হয় না। ভিন্ন চিন্তা নতুন জ্ঞান তথ্য কে সন্দেহ করা হয় এবং টুটি চেপে মেরে ফেলা হয়। ফলে এখানে কোন নতুন জ্ঞান তত্ত্ব সৃষ্টি হয়নি।
খোদার এবাদতের সাথে সাথে এখানে সমান গুরুত্বে বুজুর্গ ভক্তি এবং নিঃশর্ত আকাবের অনুসরণ করা হয় যেটা প্রচ্ছন্ন শেরেকের কাছাকাছি।
এদের যেটুকু বিদ্যা চর্চা আছে তা সম্পূর্ণ তাত্ত্বিক ও বায়বীয়। প্রয়োগিক না। এমনকি এদের কোরআন হাদীসটাও অ্যাপ্লাইড না। যেমন এরা বিচার ও ব্যবসা অধ্যায় পড়ে অথচ বিচারের এই বাণী নিয়ে তারা কোর্টে দাঁড়াতে পারে না। রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির অভাবে তারা উকিল এবং জজ হতে পারে না।
এটা রাষ্ট্র যে তাদেরকে দেয় না বা হতে দিতে চায় না তা না , বরং তারা নিজেরা এমনটা হতে অনিচ্ছুক। এরা কোন ব্যবস্থা কে মানে না। নিজেরা কখনো সব কিছু ভেঙ্গে একটা স্বর্গরাজ তৈরি করবে, সেই দিবা স্বপ্নে বাস্তবতা থেকে এরা হাজার মাইল দূরে বৈরাগ্যবাদের এক আলাদা জীবন ধারা গড়ে তোলে। যার সাথে বর্তমান সমাজ ও তার মানুষের খুব কমই সম্পর্ক থাকে।
পুরনো কোন চিন্তা , কিতাব এবং আকাবেরকে বিরোধিতা করা, প্রশ্ন করা, নতুন ভাবে যাচাই করা, এখানে মহাপাপ।
তথাকথিত ঈমান আকিদা আমল সংরক্ষণের নামে এক রোখা , গোঁয়ার্তুমি ও পিটিয়ে চিল্লিয়ে ধুয়ে মুছে সবাইকেই সহীহ করে ফেলার দারোয়ানী নিয়ে আছে এরা।
আল্লাহ তার নবীকে বলেন,
আপনি কেবলই স্বরণকারী। এতটুকুর বাইরে
আপনাকে মানুষের উপর দারোয়ান করে পাঠানো হয়নি, যে আপনি জোর করে সবাইকে হেদায়েত করে ফেলবেন। সূরা গাশিয়া। সূরা গাশিয়া
এদের কথাবার্তা আচরণ দেখলে আপনার মনে হবে এরা দারোয়ান। কারো নুন থেকে চুন খসলেই তারা দারোয়ানীর লাঠি নিয়ে হাজির! ফতোয়া সন্ত্রাসে কুপোকাত করে যে কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে।
নিজেদের ভিতর তুচ্ছ বিষয় নিয়ে সারা বছর এদের কামড়াকামড়ি লেগেই থাকে।
ভক্তির সময় এরা ওস্তাদের জুতা ঠিক করে। লুঙ্গি কাঁচে। আবার বিরুদ্ধে গেলে এরা ওস্তাদ কেও জুতাপেটা করে।
খুবই প্রান্তিক এবং চরমপন্থী মানসিকতা এদের।
মাঝে মাঝে বেইসিক সভ্যতাটুকু এদের থেকে আপনি আশা করতে পারেন না।
নিজের পাহাড় সমান বিভ্রান্তিকে এরা ব্যাখ্যা দিয়ে সরিষার মতো হালকা করে ফেলবে। কিন্তু অন্যের সরিষা সমান ভুল কে কোরআন সুন্নাহর ব্যাখ্যা দিয়ে তারা পাহাড় বানিয়ে ফেলবে! এই কাজে তারা ভীষণ পারদর্শী।
হায়দারিয়া পোস্ট
ইন্টারনেট 😁 থেকে প্রাপ্ত।
আলহামদুলিল্লাহ, নানা হলাম। নাতনি ও আমার মেয়ে সুস্থ আছে। প্রথমবার দাদা হয়েছিতো আলহামদুলিল্লাহ আরো চার বছর আগে। দ্বিতীয় বার দাদা হয়েছি আরো ছয়মাস আগে।
একটা ব্যাপার হলো, আমার দুই ছেলে ও এক মেয়ে, সবার শ্বশুর বাড়ির সাথে আলহামদুলিল্লাহ আমার দারুন সখ্যতা। সবার সাথে আমার দারুন র্হিদ্যতা ও সু সম্পর্ক। এমন কয়েকজন মনের মত বেয়াই বেয়াইন পেয়ে আমি দারুন খুশি ও সুখী আলহামদুলিল্লাহ।
তারা আমাকে এত ভালোবাসে যে, এ পর্যন্ত আমার তিন জন নাতি নাত্নীর নাম আমিই রেখেছি, বেয়াই বাড়িগুলো
থেকে কোনো আপত্তি আসেনি। তারা বরং পছন্দ করেছে, আলহামদুলিল্লাহ।
কালকে তো আমার মেয়ের শ্বাশুড়ি এসে আমার হাতে তার নাত্নীকে মধু খাওয়ালো। এরপর তাদের নাত্নীর নাম আমাকেই রাখতে বললো। আলহামদুলিল্লাহ নাম রাখলাম তাসনিয়া বিনতে মামুন। (বাবার নাম ওবায়দুল্লাহ আল মামুন।)
বেয়াইন সাহেবা বাড়ি গিয়ে এই নাম বেয়াই ও তার ফ্যামিলির কাছে বলায় তারা সবাই এই নাম রাখতেই রাজী হয়। আলহামদুলিল্লাহ।
আসলে আমার পাড়া প্রতিবেশী, কর্মস্থল এর প্রতিবেশী ইত্যাদি ক্ষেত্রের লোকজনের সাথে আমার সম্পর্ক প্রায়ই ভালো যায়না, তাই মাঝে মাঝে মানসিক কস্টে ভুগি, মনে করি, দোষ সম্ভবত আমার।
কিন্তু যখন আমার নিজের স্ত্রী, ছেলে মেয়ে বেয়াই বেয়াইন নাতি নাত্নী সহকারে এই বিশাল বাহীনীর সাথে আমার দৃঢ় ফ্যামিলি বন্ডিং দেখি, আমার প্রতি তাদের হৃদ্যতাপূর্ণ সুসম্পর্ক, বিশ্বস্ততা, নির্ভরতা সর্বোপরি এক প্রচ্ছন্ন ভালোবাসা দেখি, তখন সত্যিই খোদা তায়ালার শুকরিয়া আদায় করি। অনেক ভালো লাগে।
এই দুর্গম পৃথিবীতে মুমিন ব্যক্তির চলার অপার শক্তিই তো আল্লাহর পক্ষ থেকে তার ফ্যামিলি বন্ডিং, তার প্রতি তার পরিবারের ভালোবাসা, তার প্রতি তার পরিবারের লোকজনের কেয়ারনেস, সম্মান, আনুগত্য । এইটা আসলে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় নেয়ামত গুলোর একটি।
আলহামদুলিল্লাহ। মহান আল্লাহর অশেষ শুকরিয়া আদায় করছি।
বাংলাদেশের কুকুর সমাজের পক্ষ থেকে আপনাদের অভিনন্দন।
দুইটা কুকুর একে অপরের সাথে ঘেউ ঘেউ করলে, আপনি কি তা মনযোগ দিয়ে শুনেন? নাকি তাদের ঘেউ ঘেউএ বিরক্ত হয়ে লাঠি নিয়ে দুটোকে তাড়া করে সরিয়ে দেন?
সারা বিশ্বে মুসলিমদের রক্ত নিয়ে হোলী খেলা চলছে, আর বাহাসের নামে বাংলাদেশে কুত্তায় কুত্তায় কামড়াকামড়ি চলতেছে।
আর আপনারাও কুত্তার ঘেউ ঘেউ শুনতেছেন।
বাংলাদেশের কুকুর সমাজের পক্ষ থেকে আপনাদেরকে আবারও অভিনন্দন।
ঈদ মোবারক।
মহান আল্লাহ আমার আপনার প্রতিটি দিনকে ঈদের দিন এবং প্রতিটি রাতকে শবে ক্বদরের রাত বানিয়ে দিন।
আমীন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Address
Plot 6, Bakhorer Kandi Project, Pachchar, Shibchar, Madaripur
Dhaka
7930