তিনজন অতিথি আপনার কাছে আসবেই! রিযিক, তাকদির, এবং মৃত্যু।
আমাদের রিযিক হোক বরকতময়, তাকদির হোক কল্যানকর, এবং মৃত্যু হোক উত্তম মৃত্যু!
Markaj Ur Riyadah Al Islamiya
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Markaj Ur Riyadah Al Islamiya, Education, Fulbaria.
"যেখানে শ্রেষ্ঠতার সূচনা ঈমান থেকে।"
“আমরা নেতৃত্ব দিই প্রজন্মকে — ঈমান ও জ্ঞানের পথে।”
“জ্ঞান হলো আলো, আর ঈমান তার দিশারী।”
“ইসলামি নেতৃত্ব ও জ্ঞানের আলোকস্তম্ভ।”
“আমরা গড়ি ভবিষ্যতের নেতা — ইসলামের চেতনায়।”
সদা ভাসুক দু’চোখে মোর সবুজে গুম্বাদে খাজরা, ভাসুক দু’চোখে তে আমার মাদিনার অলিগলির শাজরাহ।
24/11/2025
দিনে ৯/১০ ঘণ্টা কিভাবে পড়বেন ? -
**মূল কৌশল**
আপনার মস্তিষ্ক ১০ ঘণ্টা সতেজ থাকতে পারে—যদি আপনি "ফোকাস + বিশ্রাম + বৈচিত্র্য" এই তিনটির সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখেন।
---
১. “৩–৩–৩ পদ্ধতি” ব্যবহার করুন (সবচেয়ে টেকসই ৯-ঘণ্টার রুটিন)**
🟥 **• ব্লক ১ – ৩ ঘণ্টা**
সকালে ঘুম থেকে উঠার চেষ্টা করুন। পড়ার টেবিলে বসুন সকাল ৮ টার মধ্যে।
সবচেয়ে কঠিন বিষয়টি দিয়ে শুরু করুন।
সকালে মস্তিষ্ক সবচেয়ে সতেজ থাকে, তাই কঠিন কাজটাই আগে করুন।
প্রতি ৪৫ মিনিট পর পর ১৫ মিনিট বিশ্রাম নিন।
৯০ মিনিট পড়ার পর সকালের নাস্তা করুন। নাশতা অবশ্যই ভারী করবেন। এরপর আবার পড়তে বসুন।
আপনার প্রথম ব্লকের পড়া শেষ হয়ে যাবে বেলা ১২টার মধ্যে।
**বিরতি – ২ ঘণ্টা**
ইবাদত, খাওয়া, হাঁটা, গোসল, বিশ্রাম নিন। খুব ভারী খাবেন না।
👉ফোন স্ক্রল করবেন না—মস্তিষ্ককে শান্ত রাখুন।
**৪৫ মিনিট ঘুমান। ৩ টার মধ্যে ফ্রেশ হয়ে পড়তে বসুন।
---
🟥**• ব্লক ২ – ৩ ঘণ্টা**
সাধারণত এই ব্লকটি দুপুরের সময় তৈরি হয়। এসময় মাঝারি কঠিন বিষয় পড়ুন। গণিত করতে পারেন।
প্র্যাকটিস প্রশ্ন, পড়া বা সমস্যার সমাধান করুন।
প্রতি ৪৫ মিনিট পর পর ১৫ মিনিট বিশ্রাম নিন।
বিকাল ৫টার দিকে ৩০ মিনিট বিরতি নিন। ইবাদত, হালকা বিশ্রাম নিন, স্ট্রেচ করুন।
৫:৩০ থেকে ৭:০০ টা পর্যন্ত পড়ুন। শুধুমাত্র ইবাদতের জন্যে ব্রেক নিবেন।
এরপর ১ ঘণ্টা বিরতি নিন। আমি এই সময় একদম হালকা মুভি দেখতাম। ছোট একবাটি নুডুলস খেতাম বা ফুসকা/চটপটি খেতাম।
---
🟥**• ব্লক ৩ – ৩ ঘণ্টা**
৮ টার সময় পড়তে বসুন।
সহজ কাজগুলো করুন।
রিভিশন, নোট তৈরি বা সহজ প্রশ্ন সমাধান করুন।
টানা পড়ুন। ১০ টার সময় পড়া থেকে উঠুন। মাঝে ইবাদতের জন্যে ব্রেক নিবেন।
**বিরতি – ৩০ মিনিট**
খুবই হালকা খাবার এবং একটু হাঁটাচলা করুন।
১০:৩০ থেকে ১১:৩০ পর্যন্ত পড়ুন। এই সময়ও গণিত করতে পারেন বা ভোকাবুলারি পড়তে পারেন। অর্থাৎ মুখস্ত ধরনের পড়া।
---
👉১২ টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ুন। ঘুমানোর আগে মোবাইল দেখা থেকে বিরত থাকুন।
---
✅প্রতিটি ব্লকে “৪৫–১৫ ফোকাস সাইকেল” ব্যবহার করুন**
• ৪৫ মিনিট গভীর মনোযোগ
• ১৫ মিনিট পূর্ণ বিশ্রাম
• ফোন বা সোশ্যাল মিডিয়া একদম নয়।
• দাঁড়ান, স্ট্রেচ করুন, গভীর শ্বাস নিন
• মনযোগ নষ্ট হয় এমন কোনো কিছু আপনার পড়ার স্থানের আশেপাশে রাখবেন না।।
---
✅ **বিষয় পরিবর্তন করুন বারবার**
একটি বিষয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়া = বিরক্তি + মানসিক ক্লান্তি।
তার বদলে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পড়ুন:
• রিডিং
• রাইটিং
• প্র্যাকটিস প্রশ্ন
• ফ্ল্যাশকার্ড
• নিজের কাছে শেখানো
• ডায়াগ্রাম
বৈচিত্র্য মস্তিষ্ককে সতর্ক রাখে।
---
✅**পাওয়ার ন্যাপ নিন**
ব্লক ১ এবং ব্লক ২-এর মাঝে ৪৫ মিনিটের ঘুম
আপনার মস্তিষ্ককে আবার সকালে মতো ফ্রেশ করে দেয়।
---
✅**৫. “ক্লান্তি তৈরি করা কারণগুলো” দূর করুন**
আপনি আসলে পড়ে ক্লান্ত হন না—বরং এসব কারণে হন:
• ফোনেরব্যাঘাত (brain switching cost)
• স্ক্রলিং ব্রেক (অতিরিক্ত উদ্দীপনা)
• দীর্ঘক্ষণ একভাবে বসা
• কম পানি পান
• মানসিক চাপযুক্ত বিষয় দীর্ঘ সময় পড়া
এগুলো ঠিক করুন, শক্তি স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে।
---
তানজিম আহমেদ খান
উপসহকারী পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক
সাবেক সিনিয়র অফিসার, জনতা ব্যাংক
সাবেক অফিসার, সোনালী ব্যাংক
দারুন্নাজাতে যে পড়েছে তার অস্তিত্বের সাথে মিশে আছে প্রিন্সিপাল হুজুর❤️
দারুননাজাতে অনেক হেটার্স দেখেছি কিন্তু মুহতারাম প্রিন্সিপাল হুজুরের কোনো হেটার্স দেখিনি ❤️
আল্লাহ হুজুর ক্বিবলাকে হায়াতে তাইয়েবা দান করুক।
দারুন্নাজাতের ক্লাসগুলো কেমন ছিল, ধারণা নিতে আড়াই মিনিটের এ অডিওটা শুনতে পারেন।
- অসাধারণ এক ব্যক্তিত্ব ছিলেন ঝিনাইদহ হুজুর। দারুননাজাতের অন্যতম সৌভাগ্যের মুহুর্ত ছিল ঝিনাইদহ হুজুরকে আলিমে ক্লাস টিচার হিসেবে পাওয়া। ক্লাসের বাইরে খুব অল্প কথা বলতেন।ক্লাসেও প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোনো কথা বলতেন না। অন্যরা কোনো কথা বলতে থাকতে মুচকি হাসি দিয়ে শুনে থাকতেন। ঠিক এই ছবির হাসিটার মতো ❣️।
দারুন্নাজাতে আমরা সাধারণত শিক্ষকদের অনেক অনেক সম্মান করি। তারপরও প্রায় সব শিক্ষকদের পিছনে পিছনে হালকা গিবত তো করা হতোই। কিন্তু ঝিনাইদহ হুজুরের নামে কাউকে কখনো খারাপ কথা বলতে শুনিনি। নিজেও কখনো বলিনি। সবসময় ভয় কাজ করতো, যদি হুজুরের বদদোয়া কাজ করে! এতটাই ছিল হুজুরের ব্যক্তিত্বের প্রভাব! যতটা সামনাসামনি, ঠিক ততটাই আড়ালে গেলে।
আল্লাহ হুজুরকে দীর্ঘজীবী করুন।
লিখেছেন বড় ভাই Rafid Hasan Safwan 🌸
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Fulbaria