26/12/2021
আমিষ আমাদের খাদ্যের ছয়টি উপাদনের একটি। এটি হলো সব জীবের মুখ্য উপাদান। ২০টি বিভিন্ন রকম এমিনো এসিডের নানা রকম সমন্বয়ে গঠিত হয় এক একটি আমিষ। অধিকাংশ আমিষে ১০০ থেকে ১০০০টি এমিনো এসিড থাকে। এর অর্থ হলো ২০টি এমিনো এসিডের বহু রকম সংযোগ তৈরির সুযোগ আমিষে থাকে। আমাদের খাদ্যে আমিষ এবং গুণমান সম্পন্ন আমিষের ঘাটতি রয়েছে। আমাদের ব্যাপক জনগোষ্ঠীর আমিষ ঘাটতির কারণ একাধিক। আমিষ প্রধান খাদ্যের দাম অধিক হওয়ায় ব্যাপক জনগোষ্ঠী নিয়মিত মাছ, মাংস, ডিম, দুধ বা ডাল জাতীয় দানা শস্য তাদের খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারে না। ফলে খাদ্যে আমিষ ঘাটতি হওয়া অতি স্বাভাবিক ঘটনা। ভাত, আটা এসব শর্করা প্রধান খাদ্য থেকে আমাদের শতকরা ৬০ ভাগেরও অধিক আমিষ গ্রহণ করতে হয়। এদের প্রতিটির আমিষে এক বা একাধিক এমিনো এসিডের ঘাটতি থাকায় এরা শতভাগ পরিপূর্ণ গুণমান সম্পন্ন আমিষ নয়। ফলে একদিকে আমাদের খাদ্যে যেমন আমিষের ঘাটতি রয়েছে অন্যদিকে আমাদের খাদ্যের মাধ্যমে গৃহীত আমিষে অত্যাবশ্যক এমিনো এসিডের ঘাটতি থাকায় সুষম আমিষ গ্রহণ থেকে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি।
আমাদের দেহে আমিষের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাগুলো হলো
আমিষ এনজাইমে রূপান্তরিত হয় আর এনজাইম কোষে সংঘটিত সব বিক্রিয়ার অনুঘটক হিসেবে কাজ করে
আমিষ কোষের গাঠনিক উপাদান
আমিষ DNA ও RNA তৈরির জন্য এমিনো এসিড সরবরাহ করে
কোষের নানা রকম কার্যাবলির নিয়ন্ত্রক
দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আবশ্যিক উপাদান
রক্ত ধারায় প্রবাহিত অক্সিজেনের বাহক
কখনও কখনও শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে
আমিষ দেহের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন হয়।
গাছ গাছালি স্বভোজী জীব হিসেবে সালোকসংশ্লেষণের সময় ধারণকৃত কার্বন এবং মাটি থেকে গৃহীত নাইট্রোজেন এবং সালফারকে কাজে লাগিয়ে আমিষ তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় সব এমিনো এসিড তৈরি করতে সক্ষম। মানুষ নিজ দেহে তৈরি করতে পারে মাত্র ১১টি এমিনো এসিড। তার সঙ্গে মানুষকে খাদ্যের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয় ৯টি এমিনো এসিড (সারণি-১)। অবশ্য হিস্টিডিন শিশুদের জন্য এক অত্যাবশ্যক এমিনো এসিড। এ ৯টি এমিনো এসিড তাই মানুষের জন্য অত্যাবশ্যক । দৈনিক অত্যাবশ্যকীয় আমিষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে প্রয়োজন হয় লিউসিন আর ফ্যানাইল এলানিন। প্রতি কেজি ওজনের জন্য এদের প্রয়োজন ১৬ মি.গ্রা. করে। এরপরই হলো ভ্যালিন, আইসোলিউসিন আর লাইসিনের স্থান। প্রতি কেজি ওজনের জন্য থ্রিওনিনের চাহিদা হলো ৮ মি.গ্রা. আর ট্রিপটোফ্যানের চাহিদা মাত্র ৩ মি.গ্রা.।
13/12/2021
প্রতিদিন সকালের নাস্তায় ৭টি স্বাস্থ্যকর খাবারঃ
সকালের নাস্তা আমাদের শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি সারা দিন আমাদেরকে প্রাণবন্ত ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, সকালের নাস্তা বেশি পরিমাণে ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে এবং সারাদিন ধরে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন সকালে স্বাস্থ্যকর এবং ভারী নাস্তা খেলে মস্তিষ্ক পুরোদিনের জন্য তৈরি হয়ে যায় এবং সারাদিন শক্তি পাওয়া যায়। কিন্তু সব ভারী খাবারই স্বাস্থ্যকর নয়। তাই আমাদের জানতে হবে সকালের নাস্তায় কোন খাবারগুলো খাওয়া একেবারেই উচিত নয় এবং কোনগুলো খাওয়া উচিত।
তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই সকালের নাস্তায় ৭টি স্বাস্থ্যকর খাবার সম্পর্কে।
১. ফল
সকালের নাস্তার জন্য সব চাইতে ভালো খাবার হচ্ছে ফলমূল। কলা, আপেল, কমলা, আঙুর ইত্যাদি ধরণের ফলমূল অথবা মৌসুমি ফলমূল দিয়ে সকালের নাস্তা করা সব চাইতে ভালো। ২টি কলা, ১টি আপেল, ১টি কমলা, ২/৩টি স্ট্রবেরি এভাবে শুধুমাত্র ফল দিয়ে নাস্তা করা সকালের জন্য ভালো। চাইলে ফলমূল দিয়ে সালাদের মত তৈরি করেও খেতে পারেন।
২. ওটস
ওটস জিনিসটা খেতে ভালো না লাগলেও এটি আমাদের দেহের জন্য অনেক ভালো একটি খাবার। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। ওজন কমাতে এবং কলেস্টোরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওটসের জুড়ি নেই। সকালে হাবিজাবি খাবার বাদ দিয়ে একবাটি ওটস রাখুন। তবে কোন ফ্লেভারড বা চিনিযুক্ত ওটমিল খাবেন না। চিনির পরিবর্তে মধু এবং সাথে কিছু ফলমূল যোগ করে নিতে পারেন। ওটস খিচুড়িও নাস্তা হিসেবে চমৎকার।
৩. ডিম
ডিমকে বলা হয় 'সুপারফুড'। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং মিনারেলস। প্রোটিনের সব চাইতে ভালো উৎস হচ্ছে ডিম। এতে ক্যালোরিও থাকে বেশ কম। সকালের নাস্তায় অবশ্যই প্রত্যেকের ডিম খাওয়া উচিৎ। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ হিসেবে সকালে ২ টি ডিম খেলেই যথেষ্ট। তবে যারা একটু বেশি স্বাস্থ্যবান তাদের ডিমের কুসুম এড়িয়ে যাওয়া উচিৎ। সকালে ডিম সেদ্ধ বা ডিমের অমলেট দিয়ে নাস্তা সারতে পারেন।
৪. আটার রুটি
সকালের নাস্তার জন্য বেশ ভালো একটি খাবার হচ্ছে আটার রুটি। বিশেষ করে যারা ভারী খাবার পছন্দ করেন। সকালে পাউরুটি বা ভাত খাবার চাইতে আটার রুটি সবজি ভাজি বা ডিম অথবা ঝোলের তরকারি কিংবা কলা দিয়ে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ভালো। এছাড়া রুটি বেশ ভালো এনার্জি সরবরাহ করে আমাদের দেহে যা পুরো দিনই রাখবে সতেজ। তবে অবশ্যই তেলে ভাজা পরটা থেকে দূরে থাকবেন।
৫. খিচুড়ি
অনেকেরই সকালে ভাত খাওয়ার অভ্যাস। তারা ভাতের বদলে সকালের নাস্তায় রাখতে পারেন খিচুড়ি। তবে অবশ্যই সবজি খিচুড়ি। চালের পরিমাণ কমিয়ে বেশি পরিমাণে সবজি দিয়ে রান্না করা সবজি খিচুড়ি দিয়ে সেরে নিতে পারেন সকালের নাস্তা। এতে করে ভারী নাস্তা করা হলেও দেহে পৌঁছাবে পর্যাপ্ত পুষ্টি।
৬. দই
দিনের শুরুটা দই দিয়ে শুরু হোক অনেকেই তা চান না। কিন্তু দই দেহের জন্য অনেক বেশি কার্যকরী একটি খাবার। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম যা হাড়ের গঠনে কাজ করে। দিনের শুরু দই দিয়ে করলে পুরো দিন আপনার দেহে থাকবে অফুরন্ত এনার্জি। ক্লান্তি স্পর্শ করবে না দিনের শেষেও। সুতরাং সকালের নাস্তায় কিছু ফলমূলের পাশাপাশি রাখুন দই।
৭. সালাদ
সালাদ মানেই যে শসা, টমেটো এবং গাজরের হতে হবে এমনটা মনে করার কোনো কারণ নেই। সুস্বাস্থ্যের জন্য এই সকল সবজির সাথে সালাদে ব্যবহার করতে পারেন সেদ্ধ ডিম বা সেদ্ধ মাংস অথবা সেদ্ধ ছোলাবুট। এছাড়া খেতে পারেন ফলমূলের সালাদ। এইসব ধরণের সালাদ স্বাস্থ্যের জন্য ভালো এবং দিনের শুরুটা চমৎকার করতে বেশ কার্যকরী।
11/12/2021
শীতের সকালের ব্যায়ামঃ
শীতের দিনে শরীরে শক্তি সঞ্চিত থাকে বেশি। তাই ব্যায়াম করার খুব ভালো সময় এটা। ব্যায়ামে শীতের জড়তা, আলসেমি কেটে যায়, কাজকর্মেও গতি ফিরে আসে। অন্যদিকে ব্যায়াম শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে চাঙা রাখে। তাই ব্যায়াম করলে শীতের সর্দি-কাশি, জ্বরের মতো রোগবালাই আর সহজে কাবু করতে পারে না শরীরকে। তাই শীতটাকে উপভোগ করতে চাইলে ব্যায়ামের বিকল্প নেই। আজকাল করেও যা করা হচ্ছে না—এই মৌসুম থেকেই এটি শুরু করুন।
শীতের সকাল কিংবা সন্ধ্যায় ব্যায়ামের সময় ফুলহাতা জার্সি পরে নিন। সঙ্গে ঢিলেঢালা ট্রাউজার। পায়ে পরতে হবে ব্যায়ামের জন্য উপযুক্ত কেডস। ব্যায়ামের সময় সঙ্গে তোয়ালে রাখতে পারেন। বেশি ঘাম ঝরলে মুছে ফেলুন। ব্যায়াম করায় শরীর থেকে ঘামের সঙ্গে পানি বেরিয়ে যায়। তাই পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।
প্রতিদিন সকাল কিংবা সন্ধ্যায় একটানা ২০ থেকে ৩০ মিনিট করে জোরে হাঁটুন, যেন ঘাম ঝরে শরীর থেকে। শরীর সুস্থ রাখতে আর মেদ ঝরাতে সাইক্লিং খুব ভালো ব্যায়াম। দড়িলাফও (স্কিপিং রোপ বা জাম্প রোপ) করতে পারেন। তবে কারও হাঁটুতে বা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নেবেন। ঢাকার শাহবাগের ফিটনেস ওয়ার্ল্ড হেলথ ক্লাবের প্রধান প্রশিক্ষক মো. মনিরুজ্জামানের কাছ থেকে জেনে নেওয়া যাক আরও কিছু খালি হাতের (ফ্রি হ্যান্ড) ব্যায়ামের কথা, যা আপনি নিজেই করতে পারবেন।
সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে দুই হাত পাখির ডানার মতো ছড়িয়ে দিন দুই ধারে। এবার চর্কির মতো হাত দুটি ঘোরানো শুরু করুন সামনের দিকে। গুনে গুনে ১০ বার। তিনবারে ৩০ বার করুন। এবার একই নিয়মে হাত দুটি পেছনের দিকে ঘোরান।
দুই পা বেশ খানিকটা ফাঁকা করে দাঁড়ান। দুই হাত দুই পাশে ছড়িয়ে দিন। এবার ডান হাত দিয়ে বাঁ পায়ের পাতা এবং বাঁ হাত দিয়ে ডান পায়ের পাতা স্পর্শ করার চেষ্টা করুন। দ্রুত করতে হবে, কমপক্ষে ৫০ বার।
04/12/2021
মশলা হিসেবে জিরা সুপরিচিত। রান্নার স্বাদ ও ঘ্রাণ বাড়াতে জিরা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। জিরার রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। সুগন্ধি এই মশলাটি আমাদের নানা অসুখ-বিসুখ থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে। চলুন জেনে নিই-
জিরাতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে আয়রন। আয়রন শক্তির মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে, শরীরে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি মাধ্যমে সেলুলার স্তরে অক্সিজেনের পরিমান বৃদ্ধি করে।
জিরা পাচনতন্ত্রের জন্য খুবি উপকারী। বদহজম, ডায়রিয়া, পেট ফাঁপা প্রভৃতি রোগ উপসমে জিরার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। জিরা বমি বমি ভাব দূর করে। জিরা পাকস্থলির এসিড উৎপাদন করে খাদ্য থেকে সর্বোচ্চ পুষ্টি লাভে সহায়তা করে।
গবেষণায় পাওয়া গেছে জিরাতে আছে শক্তিশালী ক্যান্সার বিরোধী বৈশিষ্ট্য। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে এটা পেট ও লিভার ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক প্রভাব রাখতে পারে। জিরাতে বিদ্যমান এন্টি-ফ্রির্যা ডিকেলস উপাদান ক্যান্সারের বিস্তার রোধ করে।
লাল লাল ফুসকুড়ি, ব্রণ ইত্যাদি শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করে দেয়ার জন্য হয়। বিপাক ক্রিয়ার মাধ্যমে শরীর থেকে দূষিত পদার্থগুলো বের হয়ে গেলে ত্বকের উপর এর প্রভাব কমে আসে। জিরা পাচনতন্ত্রের যত্ন নেয়ার মাধ্যমে ত্বকের সুরক্ষাও দিয়ে থাকে।
জিরা শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে। কিডনি ও লিভারের কার্যকারিতা বাড়িয়ে দিয়ে বিপাক ক্রিয়ার উন্নতি ঘটায়। এতে শরীর থেকে দূষিত পদার্থগুলো বের হয়ে যেতে পারে। ফলে বিভিন্ন রোগের সংক্রমন থেকে শরীর পায় সুরক্ষা।
এছাড়াও দুর্বল স্মৃতি, পোকামাকড়ের কামড় ও কাঁটা ফোটা বেদনার চিকিত্সায় জিরা উপকারী। তাই যত তাড়াতাড়ি পারেন আপনার প্রতিদিনের খাদ্যে কিছু জিরা যোগ করুন।
03/12/2021
বাঙালির প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় আলু একটি খুব সাধারণ ও প্রয়োজনীয় সবজি। যদিও আলুকে পুরোপুরি সবজি বলা চলে না, এটি আসলে হল একটি ভোজ্য কন্দ অর্থাৎ এমন একটি ফসল যা মাটির তলায় একটি শিকড়ের মত বেড়ে ওঠে। আলু খাদ্য হিসেবে বেশ সুস্বাদু। বাঙালিরা আলু দিয়ে নানা রকম তরকারি রান্না করে থাকে। আলু একদিকে যেমন সস্তা, তেমন আলু অত্যন্ত খাদ্যগুণ সম্পন্ন। আলুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, মিনারেল, ও ভিটামিন যা মানুষকে সুস্বাস্থ্য দেয় ও নানা রোগ প্রতিহত করতে সাহায্য করে। আজকাল যদিও অনেকেই কম কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাদ্য খাওয়ার জন্য আলু খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন, কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে আলু খাওয়ার নানারকম উপকারিতা রয়েছে। তাই, নিয়মিত কম পরিমাণে আলু খেলে আপনি বিভিন্ন ধরণের উপকার পাবেন। আলু ও তার সাথে জড়িত ২৫ রকমের উপকারিতা সম্পর্কে আজ আমরা আলোচনা করব। চলুন জেনে নিই আলু খেলে কি হয় অর্থাৎ আলু খাওয়ার উপকারিতা।
১) হাই ব্লাড প্রেসার, হাইপারটেনশনের রোগীদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আলুতে খনিজ পদার্থ ভর্তি থাকায় তা ব্লাড প্রেসার কমায়। পটাশিয়াম হাইপারটেনশন এবং হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।
২) আলুর মধ্যে উপস্থিত পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬ এবং ভিটামিন সি পাচনতন্ত্রের প্রদাহ বা জ্বালা ধরার অনুভূতি থেকে আরাম দেয়। গেঁটে বাত (গাউট) এবং আর্থ্রাইটিসেও উপকার দেয় এর পুষ্টিগুণ।
৩) রোগা এবং ওজন খুব কম যাঁদের, তাঁদের জন্য উপকারী আলু। কারণ এতে উপস্থিত কার্বো-হাইড্রেট ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। কুস্তিগির এবং অ্যাথলিটদের রোজকার ডায়েটে থাকে আলু।
৪) খুব বেশি প্রোটিন-যুক্ত খাবার খেলে কিডনিতে স্টোন হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। কারণ হাই-প্রোটিন খাবার শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের আধিক্য বাড়ায়। আলুর মতো শিকর-জাতীয় সবজি পাথর জমা আটকায়। কারণ এর মধ্যে থাকা ম্যাগনেশিয়াম ক্যালসিয়াম জমে পাথর তৈরি হতে দেয় না।
৫) আলু ফাইবার জাতীয় খাদ্য যা হজমে সহায়তা করে। শিশুদের সহজে করাতে এবং বলবর্ধক খাদ্য হিসেবে আলু দেওয়া হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও দারুণ কাজ করে আলু।
৬) ত্বকের জেল্লা বাড়াতেও আলু ম্যাজিক করে। মধুর সঙ্গে আলু এবং অন্যান্য কিছু সবজি মিশিয়ে তা শরীরে মাখলে উপকার দেয় কারণ আলুতে উপস্থিত পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, জিঙ্ক, ফসফরাস ত্বকে জেল্লা এনে দেয়।
02/12/2021
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শাকসবজি অনেকখানি অংশ জুড়ে রয়েছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আমরা সবজির গুণগত মান না জেনেই ভিটামিন ও খনিজ লবণ পাওয়ার জন্য খেয়ে থাকি। অথচ কোনো কোনো সবজি স্বাস্থ্যের ওপর ভালো-খারাপ দুটিরই প্রভাব রয়েছে। তাই জানা প্রয়োজন কোন শাক-সবজিতে কি ধরনের গুণাগুণ রয়েছে।
তেতো সবজি করলা ও তেতো পাটশাক খাবারে রুচি বাড়ায় ও মেদ বৃদ্ধির আশঙ্কা কমায়। অনেক সময় নিমগাছের কচি পাতা ভেজেও খাওয়া হয়। এতে ত্বকের চুলকানি ও কৃমি রোধে উপকার পাওয়া যায়।
আলু ও টমেটোতে প্যান্টোথেনিক এসিড আছে বলে হাতের তালু এবং পায়ের তালু জ্বালা করার উপসর্গ থেকে রেহাই পাওয়া যায়। আবার ধনেপাতা ও পুদিনাপাতার চাটনি এক মাস খেলেও উপকার পাওয়া যাবে। গাঢ় সবুজ ও হলুদ শাক-সবজি রাতকানা রোগ, হাড় ও দাঁত গঠনে এবং স্নায়ুবিক অসুস্থতায় বেশ উপকারী।
অজীর্ণ ও ডায়রিয়া হলে সবজি বর্জন করা উচিত। বিশেষ করে আঁশযুক্ত সবজি।
আলসারের রোগীদের খাবারে কাঁচা সবজি, পেঁয়াজ, ডাঁটা, কাঁচামরিচ, কাঁচা শসা, বরবটি বাদ দিলে ভালো হয়।
কিডনিতে পাথর হলে অক্সালিক এসিডযুক্ত সবজি যেমন পুঁইশাক, টমেটো, বিট, সজনেপাতা, কচু, কচুর শাক, কলার মোচা, মিষ্টি আলু বাদ দিতে হবে।
পাঁচ-ছয় মাসের শিশুদের গাঢ় সবুজ ও হলুদ সবজি সিদ্ধ করে চালুনি দিয়ে চেলে নরম করে ক্বাথ বের করে খাওয়ানো যেতে পারে।
শিশুর জন্মের পর মায়েদের গাজর, বিট, টমেটো, লেটুসপাতা, বাঁধাকপি, মুলা খাওয়া উচিত। এতে মুখে যে কালো ছোপ পড়ে তা দূর হয়ে যায়। পাকা করলার বীজ শুকিয়ে গুঁড়ো করে সাত-আট চা-চামচ পানি মিশিয়ে ছেঁকে খেতে হবে। কিছুদিন খেলে ভিটামিন বি-এর ঘাটতি দূর হবে।
গলাব্যথা ও সর্দি-কাশির জন্য তুলসীপাতার রস খুবই উপকারী। রক্তস্বল্পতা দূর করার জন্য কচুর শাক, লালশাক, পালংশাক, বিট, লেটুসপাতা খুবই উপকারী।
এ ছাড়া ধনেপাতা ও পুদিনাপাতার ভর্তা খাওয়া যায়। গ্রীষ্মকালের সবজি ঝিঙে, চিচিঙ্গা, ধুন্দল ও চালকুমড়ায় পানির পরিমাণ বেশি থাকে বলে শরীরকে শীতল ও সুস্থ রাখে। কাঁচা পেঁপে পরিপাক শক্তির সহায়ক।
সুতরাং সবজি শুধু স্বাদ ও পুষ্টির জন্য নয়। এর বিষয়ে ভালোভাবে জেনে শরীরের প্রয়োজন-অপ্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তবেই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এর স্থান দিতে হবে।
01/12/2021
যষ্ঠি মধুর খাওয়ার উপকারিতা: কাশি বা গলা ব্যথা এ ধরণের নানা রকম সমস্যা কমাতে যষ্টি মধুর তুলনা হয় না। এছাড়াও যষ্ঠি মধু বুকে জমে থাকা কফ পরিষ্কার করে। মুখের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য যষ্টি মধু খেতে পারেন। যাদের এসিডিটির বা বদহজমের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য যষ্টি মধু অনেক উপকারি। ফুটন্ত গরম পানিতে যষ্টি মধু ভিজিয়ে ঠান্ডা করে নিতে হবে। তারপর এর মধ্যে একটু মধু মিশিয়ে খেলে এসিডিটি বা বদহজম একেবারে সেড়ে যাবে। এছাড়াও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে গুঁড়ের সঙ্গে যষ্টি মধুর গুঁড় মিশিয়ে খেতে পারেন। শুধু তাই নয়, লিভার বা যকৃতের সুরক্ষার কাজ করে যষ্টি মধু। সেই সঙ্গে ত্বকের ক্ষেত্রেও যষ্টি মধুর উপকারিতা অনেক। ত্বক উজ্জ্বল বা মসৃণ করতে যষ্টি মধু ও ঘি মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া ত্বকের বলিরেখা ও ব্রণের দাগ দূর করার জন্য যষ্টি মধু ব্যবহার করতে পারে। যষ্টি মধু, তিলের তেল ও আমলকি মিশিয়ে চুলে লাগালে চুল পড়া বন্ধ হবে, আর এতে চুলের খুসকির সমস্যাও দুর হয়ে যাবে।
30/11/2021
আমাদের দেশে হারে ১০০ জন মানুষের মধ্যে ৪ থেকে ৫ জন মানুষ অ্যামেনিয়া অর্থ্যাৎ রক্তশূণ্যতায় ভোগে। রক্তশূণ্যতায় আক্রান্ত রোগীদের প্রায়ই চিকিৎসকরা জিওল মাছ খেতে বলেন। জিওল মাছ মানে হচ্ছে যে মাছ রান্নার আগে পর্যন্ত জ্যান্ত থাকে। যেমন : শিং, মাগুর, শোল মাছ ইত্যাদি। বাজার থেকে কিনে এসব মাছ পানিতে ভিজিইয়ে রাখা যায়।
শিং মাছ: এই মাছে আয়রন ও ক্যালসিয়ামের মতো খনিজ উপাদানের পরিমাণ বেশি, যা শরীরে রক্তের পরিমান বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তাই প্রাচীনকাল থেকেই রক্তশূন্যতার রোগীদের শিং মাছ খেতে বলা হয়। ১০০ গ্রাম শিং মাছে ২২.৮ গ্রাম প্রোটিন, ৬৭০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ২.৩ মিলিগ্রাম আয়রন আছে। যা হাড়ের ঘনত্বও বাড়ায়।
27/11/2021
ভিটামিন “সি” যুক্ত খাবারঃ
এবার জেনে নেওয়া যাক কোন ফলে কী পরিমাণ ভিটামিন সি পাবেন।
শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও লেবুর চেয়েও বেশি ভিটামিন সি পাওয়া যায় লিচুতে। প্রতি ১০০ গ্রাম লেবুতে ভিটামিন সি আছে ৫৩ মিলিগ্রাম। আর একশ গ্রাম লিচুতে আছে ৭১.৫ মিলিগ্রাম। এদিকে আপেল বেশ পিছিয়ে। ১০০ গ্রাম আপেলে আছে মাত্র ৪.৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি।
☑️ ১০০ গ্রাম কলায় আছে ৮.৭ মিলিগ্রাম।
☑️ ১০০ গ্রাম পেয়ারায় আছে ২২৮ মিলিগ্রাম।
☑️ ১০০ গ্রাম কমলায় আছে ৫৩ মিলিগ্রাম।
☑️ ১০০ গ্রাম পাকা পেঁপেতে আছে ৬১ মিলিগ্রাম।
☑️ ১০০ গ্রাম ব্রকোলিতে আছে ৮৯ মিলিগ্রাম।
☑️ ১০০ গ্রাম টমেটোতে আছে ২৩ মিলিগ্রাম।
☑️ ১০০ গ্রাম কাঁচা মরিচে আছে ২৪২.৫ মিলিগ্রাম।
☑️ ১০০ গ্রাম আঙুরে আছে ৪ মিলিগ্রাম।
☑️ ১০০ গ্রাম আনারসে আছে ৪৭.৮ মিলিগ্রাম।
☑️ ১০০ গ্রাম বেদানায় আছে ১০.২ মিলিগ্রাম।
☑️ ১০০ গ্রাম মিষ্টি কুমড়ায় আছে ৯ মিলিগ্রাম।
☑️ ১০০ গ্রাম তরমুজে আছে ৮.১ মিলিগ্রাম।
15/11/2021
রুই মাছের উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ জেনে নিনঃ
রুই মাছের উপকারিতা অনেক। প্রবাদে আছে মাছে ভাতে বাঙালী ।আমাদের খাদ্য তালিকায় প্রতিদিন রুটিন হিসাবে মাছ কে সবচেয়ে বেশি প্রধান্য দেওয়া হয়। আর রুই মাছের পুষ্টিগুণ প্রচুর রয়েছে। মাছে কম ক্যালরি থাকায় সবাই মাছ খেতে পারে। মাছের তেল ওমেগা ৩ ফ্যাটি এর একটি ভালো উৎস, যা মস্তিস্ক খাদ্য নামে পরিচিত। মাছের শতকরা ২০ ভাগই আমিষ রয়েছে। মাছে আছে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ লবণ তাছাড়াও খনিজ তেল,মাছে চর্বি, আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাস ইত্যাদি পাওয়া যায়। এতে বুজা যায় রুই মাছের উপকারিতা প্রচুর।
রুই মাছের পুষ্টিগুণ
রুই মাছের পুষ্টিগুণ যতেষ্ট থাকায় এই মাছের চাষ আমাদের দেশে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই মাছ খেতে যেমন সুস্বাদু তেমন চাষ করা সহজ। রুই মাছ আমাদের সকলের প্রিয় একটি মাছ। রুই মাছে-র পুষ্টিগুণ নিছে দেওয়া হলো
প্রতি ১০০ গ্রাম রুই মাছে আছে
আমিষ–১৬.৪ গ্রাম
চর্বি–১.৪ গ্রাম
ক্যালসিয়াম-৬৮০ মিলিগ্রাম
ফসফরাস – ২২৩ মিলিগ্রাম-
রুই মাছে-র উপকারিতা
রুই মাছে-র উপকারিতা
আমরা প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় মাছকে সবসময় রাখি। মাছ আমাদের সকলের কম বেশি প্রিয় খাদ্য। আর বড় রুই মাছে-র স্বাদ প্রচুর থাকায় অনেকেয় এই মাছটি বেশি পছন্দ করে। তাছাড়া অন্য মাছের তুলনায় রুই মাছের উপকারিতা অনেক। রুই মাছে ক্যালসিয়াম রয়েছে। আর ক্যালসিয়াম আমাদের শরীরের অনেক উপকার করে। এটি আমাদের দাঁত ও হাঁড় গঠনে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। দাঁত ও মাড়ি মজবুত করতে ক্যালসিয়ামের তুলনা হয় না। আর এই পর্যাপ্ত পরিমানে ক্যালসিয়াম পাবেন রুই মাছ থেকে । নিয়মিত রুই মাছ খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।মাছের ক্যালেরি কম থাকায় যাদের ফ্যাট আছে তাহার মাংসকে দূরে রেখে নিয়মিত মাছ খেতে পারেন। এছাড়া যাহারা ডায়েট কন্ট্রোল করছে তাহাড়া মাংসের পরির্বতে রুই মাছ বেচে নিতে পারেন। মাছের তেলে থাকা ওমেগা থ্রি নামক অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড যাহা আমাদর রক্তের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল LDL ও VLDL কমায় এবং উপকারী কোলেস্টেরল HDL বাড়িয়ে দেয়, ফলে আমাদের হার্টের রক্ত নালিতে চর্বি জমতে পারে না এবং রক্তনালি পরিষ্কার, সংকীর্ণমুক্ত থাকায় রক্ত চলাচল ভালো থাকে। তাছাড়া উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায় এবং উচ্চ রক্তচাপ থাকলে তা হ্রাস করে। গবেষণায় আরও দেখা গেছে, ওমেগা থ্রি রক্তের অণু চক্রিকাকে জমাট বাঁধতে দেয় না, ফলে আমাদের শরীরে রক্ত নালিতে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে সৃষ্ট স্ট্রোক হতে পারে না। সুতরাংহার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক প্রতিরোধে আমাদের খাদ্য তালিকায় তৈলাক্ত বা রুই মাছ থাকা উচিত। এই গলো থেকে দেখা যায় রুই মাছে-র উপকারিতা রয়েছে অনেক।
14/11/2021
দ্রুত ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণ করবে যেসব খাবার
ভিটামিন ডি দেহের সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন ডি পাওয়া যায় এমন সব খাবারের সংখ্যা খুবই কম। আর যেসব খাবারে ভিটামিন ডি থাকে সেগুলো আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় খুবই অল্প থাকে। তৈলাক্ত মাছ,কলিজা,ডিমের কুসুম, মাখন, উন্নত প্রজাতির মাশরুম প্রভৃতি ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার। তবে সূর্যালোক থেকে ভিটামিন ডি পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায়। ভিটামিন ডি-র সবচেয়ে ভালো উৎস সূর্য।
শরীর পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি পেতে পারে যদি প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ মিনিট সরাসরি রোদে থাকা যায়। খাবারে ভিটামিন ডি-র পরিমান কম এবং সূর্যরস্মির অভাবে শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি দেখা দেয়। শরীরের বিভিন্ন কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ভিটামিন ডি। তবে যেসব প্রাণী মাঠে থাকে এবং প্রচুর সূর্যালোক পায় সেসব প্রাণীর দুধ, ডিম, যকৃতেও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।
চলুন জেনে নেই এমন কিছু খাবার সর্ম্পকে, যেগুলো খেলে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণ হবে খুব দ্রুত।
•বেশ খানিকটা ভিটামিন ডি পাওয়া যাবে দিনে ১০০ গ্রাম মাশরুম খেলে। মাশরুমে খনিজ উপাদানের সাথে ভিটামিন ডি আছে প্রচুর পরিমাণে। তাই খাদ্য তালিকায় নিয়মিত মাশরুম রাখতে পারেন।
• খাদ্য তালিকায় স্যামন মাছ রাখুন ভিটামিন ডি পাওয়ার জন্য।
• ভিটামিন ডি পেতে চিংড়ি মাছও খেতে পারেন।
• ভিটামিন ডি পাওয়া যায় কুসুমসহ ডিম থেকে।
• ভিটামিন ডি পেতে খাদ্য তালিকায় রাখুন চিজ বা পনির।
• ননীযুক্ত দুধ থেকেও পাওয়া যাবে ভিটামিন ডি।
• প্রতিদিন দই খেতে পারেন ভিটামিন ডি পেতে।
• এর পাশাপাশি সকালের রোদও মাখাতে হবে গায়ে।
09/11/2021
ভিটামিন ই এর স্বাস্থ্য উপকারিতা কী কী?
আপনার শরীরে ভিটামিন ইয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হ'ল একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসাবে, যার অর্থ এটি আপনার দেহকে আপনার প্রতিদিনের জীবনে বিভিন্ন ধরণের সম্ভাব্য ক্ষতিকারক পদার্থ থেকে রক্ষা করে। Msall এর মতে, এতে ফ্রি র্যাডিকেল রয়েছে যা ইউভি আলো এবং / বা বায়ু দূষণ থেকে দেহে প্রবেশ করতে পারে।
আপনার শরীরকে ফ্রি র্যাডিকালগুলি থেকে রক্ষা করার পাশাপাশি, ভিটামিন ই কোষের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা উন্নত করতে সহায়তা করে।
মেসল বলেছেন, 'ভিটামিন ই কোলেস্টেরল উত্পাদনকেও প্রভাবিত করতে পারে, এলডিএল কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়, ধমনীতে ফলক তৈরি কমিয়ে দেয়, টিউমার বৃদ্ধি দমন করে, নির্দিষ্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় এবং করোনারি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, 'ম্যাসল বলেছেন। এবং এটি সমস্ত সুবিধাও নয়। ম্যাসল বলেছেন, ভিটামিন ই ছানি এবং বয়স-সম্পর্কিত ম্যাকুলার অবক্ষয় প্রতিরোধ করে, আয়রনের বিষাক্ততা থেকে রক্ষা করতে এবং রক্তে শর্করার ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে।