16/04/2026
নিজের জীবনসঙ্গীর সামনে অনায়াসে নিজের দূর্বলতাগুলো প্রকাশ করে দিবেন না। না নিজের কোনো মানসিক দূর্বলতা, আর না বাপেরবাড়ির কোনো দূর্বল পয়েন্ট। না পারতে আপনি তাকে এগুলোর কিছুই জানাবেন না।
সঙ্গী জিনিসটা এমন যে- তিনি হইলো পৃথিবীর সবচেয়ে আপন এবং সুন্দর মানুষ। আবার কখনো সে খুবই অপরিচিত। সে আপনাকে এমনও বর্ণ দেখানোর ক্ষমতা রাখে যেন আপনার মনে হবে এ মানুষটি কে? এর সাথেই কি আমার ঘর?
আপনি পৃথিবীর কাউকেই কখনো বুঝতে দিবেন না কিসে আপনি ভেঙ্গে যান। ঘরে খাদেমা আসেনি? আপনি বুঝতে দিবেন না যে এই হেল্পিং হ্যান্ড ছাড়া আপনি একদম অচল। আপনার জরুরী ভিত্তিতে চিকিৎসার দরকার,লোকবিনা যেতে পারছেন না?কেউ যত্নও নিচ্ছে না ? আপনি এমন ভাব করবেন না যে এই অবহেলায় আপনার খুব যায় আসছে! কখনো কখনো বুঝিয়ে দিবেল আপনার সন্তানের জন্য আপনি একা হলেও সামলে নিতে পারবেন।
এর মানে এই না যে আপনি হেল্পিং হ্যান্ড রাখবেন না, নিজের জন্য একা একা বাইরে বের হবেন, সন্তানদের জন্য একাই বাবা মা হয়ে উঠবেন। এগুলোর কিচ্ছু না। শুধু আপনার এটিটিউড যেন এমন থাকে যে আপনি এক আল্লাহ ব্যতীত কারো মুখাপেক্ষী না হলেও দিব্যি চলতে পারেন। শুধু এটিটিউডই না বরং নিজেকে তেমন শক্তপোক্তভাবেই গড়ে নিন যেন আচমকা ধাক্কায় পড়ে না যান। কেউ অবহেলা করার সাহস না পায় কিংবা আপনাকে দূর্বল ভেবে হাসি তামাশা করতে না পারে।
ব্যস…
আপনি ঘরের কথা পরকে বলবেন না,মনের কথা যার তার কাছে উগড়াবেন না। সেজদাহ ব্যতীত পৃথিবীর এমন একটি জায়গাও নেই যেখানে আপনার কথা আপনার জন্য নিরাপদ..
#আশফিকানওশিন
16/03/2026
আজকের এই পবিত্র ও মহিমান্বিত রাতে আপনার জন্য এবং আপনার গর্ভের ছোট্ট আমানতের জন্য অনেক অনেক দোয়া রইল। আল্লাহ যেন আপনাকে সুস্থ রাখেন এবং আপনার সন্তানের জন্য সুন্দর একটি ভবিষ্যৎ লিখে দেন।
গর্ভাবস্থায় একজন মায়ের প্রতিটি দোয়া, প্রতিটি ভালো নিয়ত আল্লাহর কাছে অনেক মূল্যবান। নিজের ও অনাগত সন্তানের যত্ন নেওয়াও ইবাদতের অংশ।
🌙 শবে কদরের গুরুত্ব
শবে কদর এমন একটি রাত, যাকে আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেছেন হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।
এই রাতে আল্লাহর রহমত, ক্ষমা ও শান্তি পৃথিবীতে নেমে আসে। তাই যতটুকু সম্ভব দোয়া, জিকির ও ইবাদতে সময় কাটানো খুবই বরকতময়।
একজন গর্ভবতী মায়ের জন্য এই রাতটি আরও বিশেষ। কারণ মায়ের দোয়া শুধু তার নিজের জন্য নয়, তার গর্ভের সন্তানের জন্যও কল্যাণ বয়ে আনে।
🤲 শবে কদরের বিশেষ দোয়া
রাসূলুল্লাহ (সা.) হযরত আয়েশা (রা.)-কে এই দোয়াটি বেশি বেশি পড়তে শিখিয়েছিলেন—
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি।
অর্থ:
হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।
👶 অনাগত সন্তানের জন্য দোয়া
এই সময় গর্ভের সন্তানের জন্য দোয়া করা খুব সুন্দর একটি আমল।
রাব্বি হাবলি মিল্লাদুনকা যুররিয়্যাতান ত্বয়্যিবাহ, ইন্নাকা সামিউদ দুয়া।
অর্থ: হে আমার রব! আপনার পক্ষ থেকে আমাকে পবিত্র ও নেক সন্তান দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি দোয়া শোনেন।
রাব্বিজ আলনি মুক্বিমাস সালাতি ওয়া মিন যুররিয়্যাতি।
অর্থ: হে আমার প্রতিপালক! আমাকে এবং আমার সন্তানদের নামাজ কায়েমকারী বানান।
🌿 সহজ কিছু আমল
শারীরিক কষ্ট থাকলে বেশি চাপ নেওয়ার দরকার নেই। সহজ কিছু আমল করতে পারেন—
• আয়াতুল কুরসি, সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়া
• “সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার” ৩৩ বার করে পড়া
• বেশি বেশি আস্তাগফিরুল্লাহ বলা
• নিজের ভাষায় আল্লাহর কাছে মনের সব কথা বলা
❤️ কয়েকটি কথা মনে রাখবেন
গর্ভাবস্থায় নিজের শরীরের যত্ন নেওয়াও খুব গুরুত্বপূর্ণ। ক্লান্ত লাগলে বসে ইবাদত করুন, মাঝে মাঝে বিশ্রাম নিন। বেশি রাত জেগে শরীর খারাপ করার প্রয়োজন নেই।
সবচেয়ে বড় বিষয় হলো নিয়ত। যদি শরীরের কারণে বেশি ইবাদত করতে না পারেন, তবুও আল্লাহ আপনার নিয়ত দেখেন এবং সেই অনুযায়ী সওয়াব দেন।
শেষে শুধু এই দোয়া করি—
আল্লাহ আপনার গর্ভকালীন সময় সহজ করে দিন, আপনাকে সুস্থ রাখুন এবং আপনার কোল ভরে একটি নেককার ও সুস্থ সন্তান দান করুন।
আমিন। 🤍
05/03/2026
ডাক্তার নিশ্চিত করলেন, রোগী ক্যান্সারে আক্রান্ত। স্টেজ ৩। পাকস্থলির ক্যান্সার। সিম্পটম কী ছিল? এক সপ্তাহ ধরে পেটের ভেতর জ্বালাপোড়া। আর কিছু না। এই এক সপ্তাহ আগেও তিনি সুস্থ একজন মানুষ। মাঝে মাঝে টুকটাক গ্যাস্ট্রিকের প্রবলেম ছাড়া আর কোন সমস্যা নেই, কোন লক্ষন নেই।
আরেক ব্যবসায়ী। ছয় তালা বাড়ির কাজ ধরেছেন। দোতালা হওয়ার পর তার ব্যবসায়িক জাহাজটি ডুবে যাওয়ার খবর আসে। এত অধিক পরিমানে লস হয়, বাড়ি করা তো দুরের কথা, ভাড়া বাসায় থাকার মত অবস্থা তার এই মুহুর্তে নেই। পাওনাদাররা তাকে খুজছে। তিনি আত্মগোপনে।
——————
আজকে আমরা যে অনেকটা ভালো অবস্থায় স্বাভাবিক জীবন যাপন করছি, তিন বেলা খেতে পারি, রাতে বিছানায় ঘুমাতে পারি, সকালে উঠে কাজে যেতে পারি — এগুলো সব যে কোনো মুহূর্তে ভেঙ্গে গুড়িয়ে যেতে পারে। সম্মান সুস্থতা প্রভাব প্রতিপত্তি- যা দিয়ে মানুষ অহংকার করে, ধুলিস্যাত হয়ে যেতে পারে মুহুর্তেই।
আমাদের প্রতিপালক যদি আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোকে দয়া করে আমাদের অনুকূলে নিয়ন্ত্রণ না করেন, তাহলে একটি দিনও স্বাভাবিকভাবে পার করা সম্ভব না। তিনি যদি বিপদে ফেলতে চান, যতই সুরক্ষা ব্যবস্থা আপনি গ্রহন করেন না কেন, নিস্তার পাওয়া যাবে না কোনভাবেই। তাই একজন প্রকৃত ঈমানদারকে এ সমস্ত নিয়ামতগুলো কখনোই অহংকারে লিপ্ত করে না। বরং তাকে করে আরও নত, বিনম্র।
রাসুল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর শেখানো সুন্দর একটি দুআ, যা মুলত এরকম আকস্মিক পরিক্ষা ও বিপদ থেকে হিফাযতের উদ্দেশ্যে পড়া হয়। মুখস্থ করে নিতে পারেন।
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ، وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ، وَفُجَاءَةِ نِقْمَتِكَ، وَجَمِيعِ سَخَطِكَ
উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন যাওয়ালি নি’মাতিকা, ওয়া তাহাওউলি আফিয়াতিকা, ওয়া ফুজাআতি নিক্বমাতিকা, ওয়া জামিয়ি সাখাত্বিকা।’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই নেয়ামত দূর হয়ে যাওয়া থেকে, তোমার দেয়া সুস্থতা পরিবর্তন হয়ে যাওয়া থেকে। আশ্রয় চাই তোমার কাছ থেকে হঠাৎ আসা শাস্তি থেকে। তোমার সব ধরণের অসন্তুষ্টি থেকে আশ্রয় চাই, ইয়া আল্লাহ। (সহিহ মুসলিম)
~Rizwanul Kabir
02/03/2026
রাসূল (ﷺ) বিখ্যাত নারী সাহাবি উম্মে সালমা (রা.)-কে বলেছিলেন, তোমাদের কেউ কি এতে খুশি নয় যে, সে যখন স্বামীর পক্ষ থেকে গর্ভবতী হয় এবং স্বামী তার প্রতি সন্তুষ্টও থাকে, তখন (এই গর্ভকালীন) সে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সর্বদা রোজা পালনকারী ও সারা রাত নফল ইবাদতকারীর মতো সওয়াব পেতে থাকবে। তার যখন প্রসব ব্যথা শুরু হয়, তখন তার জন্য নয়ন শীতলকারী কী কী নিয়ামত লুকিয়ে রাখা হয়, তা আসমান-জমিনের কোনো অধিবাসীই জানে না। সে যখন সন্তান প্রসব করে, তখন তার দুধের প্রতিটি ফোঁটার পরিবর্তে একটি করে নেকি দেওয়া হয়।
এ সন্তান যদি কোনো রাতে তাকে জাগিয়ে রাখে (অসুখ ইত্যাদির কারণে বিরক্ত করে মাঁ’কে ঘুমাতে না দেয়) তাহলে সে আল্লাহর পথে নিখুঁত ৭০টি গোলাম আজাদ করার সওয়াব পাবে। [তাবরানি, হাদিস: ৬৯০৮]
03/02/2026
🌙 শবে বরাত: গর্ভবতী মায়েদের জন্য বিশেষ আমল
পবিত্র শবে বরাত মহান আল্লাহর রহমত, মাগফিরাত ও দোয়া কবুলের এক বরকতময় রাত। গর্ভবতী মায়েদের জন্য এই রাতটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এ সময় নিজের ও অনাগত সন্তানের সুস্থতা, নিরাপত্তা ও কল্যাণের জন্য দোয়া কবুলের বিশেষ আশা থাকে।
✨ করণীয় আমলসমূহ
১. নফল নামাজ:
শারীরিক সামর্থ্য অনুযায়ী ২ রাকাত করে নফল নামাজ আদায় করুন। দাঁড়িয়ে কষ্ট হলে বসে নামাজ পড়ার অনুমতি রয়েছে। 🤱
২. জিকির ও তাসবিহ:
সময় ও শক্তি অনুযায়ী জিকির চালিয়ে যান—
সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার (৩৩ বার করে)।
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ — অন্তরের প্রশান্তির জন্য।
দরুদ শরীফ — দোয়া কবুলের চাবিকাঠি। 📿
৩. কুরআন তিলাওয়াত:
বিশেষ করে সূরা মারইয়াম ও সূরা ইউসুফ তিলাওয়াত করা গর্ভবতী মায়েদের জন্য ফলদায়ক বলে মনে করা হয়। 📖
💚 ৪. দুশ্চিন্তা মুক্তির দোয়া
“হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকিল”
(আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট)
🤲 ৫. সন্তান লাভের দোয়া
“রব্বি লা তাযারনী ফারদান ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারিসীন”
যার অর্থ হলো, "হে আমার প্রতিপালক! আমাকে একা (সন্তানহীন) রেখো না, আর তুমিই শ্রেষ্ঠ উত্তরাধিকারী।
🤲 মনের আশা পূরণের আমল
২ রাকাত সালাতুল হাজত পড়ে নিজের মনের কথা আল্লাহর কাছে বলুন।
ইসতিগফার—“আস্তাগফিরুল্লাহ” বেশি বেশি পড়ুন।
আরো পাঠ করুন দোয়া:
“লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনায যালিমিন” 🌟
💡 গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
নিজের ও সন্তানের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখুন। সারারাত জেগে অসুস্থ হবেন না, যতটুকু সম্ভব ইবাদত করে বিশ্রাম নিন। সামর্থ্য অনুযায়ী দান-সদকা করুন। 🤍
🤲 বিশেষ দোয়া
“হে আল্লাহ! আপনি আমার অনাগত সন্তানকে নেককার, সুস্থ ও সালেহ হিসেবে কবুল করুন এবং আমার প্রসব বেদনা সহজ করে দিন। আমিন।”
#শবেবরাত #গর্ভবতী #দোয়া
20/01/2026
আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা ফি নুহূরিহিম, ওয়া নাআউযু বিকা মিন শুরূরিহিম।
অর্থ:
হে আল্লাহ, আমরা তাদের বিরুদ্ধে আপনার সাহায্য চাই
এবং তাদের অনিষ্ট থেকে আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করি।
16/01/2026
সম্মানিত একজন শিক্ষিকা বোন বলেন, আমি স্কুল থেকে ফিরে রান্নাঘরের কাজ শেষ করে বের হতে প্রায় অর্ধ রাত হয়ে যায়।
একদিন আমার ভাই এসেছিল।
সে এসব দেখে বলল, আমি তো সবসময়ই তোমাকে রান্নাঘরে দেখি!
আমি বিরক্তির সুরে বললাম, তাহলে কেন তুমি লাইলাতুল কদরে আমার জন্য দোয়া কর না যে, আল্লাহ যেন আমাকে রান্নাঘরের জ্বালা থেকে মুক্তি দান করেন!
এই বলে আমি কিছু সময় চুপ রইলাম কিন্তু মাথায় ইমাম আহমাদ (রাহি)-এর ঘটনাটি ঘুরপাক খেতে শুরু করল। তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলেন, "হে আল্লাহ! আমাকে হাদিস হিফজ করার মতো সময় দাও।"
কিন্তু তিনি আফিয়াতের কথা বলতে ভুলে যান। ফলে তিনি সুযোগ তো পেয়েছিলেন তবে তা বন্দি অবস্থায় জেলখানায়। তাই তো কেউ যখন আল্লাহর কাছে কিছু চাইবে তার তো আফিয়াত ও উত্তম বস্তুটি চাওয়া উচিত।
তাই ঝটপট করে ভাইকে বললাম, "দেখ, আমার রান্নাঘরের ঝামেলা থেকে মুক্তির দোয়া যদি তোমার করতেই হয়, তবে এই দোয়া করবে, যে আল্লাহ যেন আমাকে আফিয়াতের সাথে মুক্তি দান করেন। "
.
পরেরদিন ছাত্রীদেরকে এই বিষয়টি আমি বুঝিয়ে বলছিলাম এবং সতর্ক করছিলাম।৷ তাদেরকে ইমাম আহমাদের গল্পও শুনালাম।
তাদের মধ্য থেকে এককজন ছাত্রী দাঁড়িয়ে পড়ল এবং বলা শুরু করল, উস্তাদ! আমাদের বাড়ির পাশে এক মহিলা আছে। আমি তাকে চিনি। সে সবসময় দোয়া করেন,
" হে আল্লাহ! আমাকে বিনা পরিশ্রমে ঘরে বসে বসে তিন মিলিয়ন টাকার মালিক বানিয়ে দাও। "
সে যেকোন সম্মানিত জায়গায় যেতেন বা যেকোন বরকতময় রজনীতে এই একি দোয়া করতেন, " তিন মিলিয়ন টাকা বিনা পরিশ্রমে ঘরে বসে বসে। "
উস্তাদ, আল্লাহর শপথ! এভাবে দোয়া করার ফলে কিছুদিন পর তার দোয়া অনুযায়ী ৩ মিলিয়ন টাকা ঘরে বসে বসে কাছে তো আসল কিন্তু-----
কিন্তু কি?!
কিন্তু ম্যাডাম, তার যেহেতু এ পরিমাণ টাকা কামানোর যোগ্যতা ছিল না। আর তার দোয়া ছিল তার লাগবেই। তাই তো তার ছেলেকে যখন কিছু ব্যক্তি হ**ত্যা করে তার দিয়াত হিসেবে সে ৩ মিলিয়ন পেয়ে যায়।
উস্তাদ- এইজন্যই আমি তোমাদেরকে সতর্ক করেছি। অর্থাৎ যখন দোয়া করবা তখন আফিয়াত ও খায়েরও চাইবা।
যদি সম্পদ চাও তাহলে বলবা, 'হে আল্লাহ! আমাকে এতটুকু সম্পদ দেন যেন সে সম্পদ আমার দুনিয়া ও আখিরাতে আফিয়াত ও কল্যাণময় জীবন কাটানোর জন্য যথেষ্ট হয়।'
যদি পাত্র/পাত্রী কামনা কর তাহলে বলবা, 'হে আল্লাহ! আমাকে এমন ভাল ছেলে/মেয়ে মিলিয়ে দিন যাকে পেয়ে আমি দুনিয়া ও আখিরাত আফিয়াত এবং কল্যাণের সাথে কাটিয়ে দিতে পারি। এবং সে আমার চক্ষু শীতলকারী হওয়ার পাশাপাশি আমার সাহায্যকারীও হতে পারে।'
– শায়েখ রাতিব নাবুলুসী (হাফি)
অনুবাদ - আব্দুর রহমান
[আফিয়াত = নিরাপত্তা, সুস্থতা ইত্যাদি।
খায়ের = কল্যাণ, উত্তম ইত্যাদি।]