মাদরাসা দারুল আরকাম Madrasha Darul Arkam

মাদরাসা দারুল আরকাম Madrasha Darul Arkam

Share

পবিত্র কোরআন ও হাদীছের আলোকে একটি দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

05/03/2026

🌙 ভর্তি চলছে – মাদ্রাসা দারুল আরকাম 🌙
ইলমে দ্বীনের আলো ছড়িয়ে দিতে সজ্জিত হয়েছে মাদ্রাসা দারুল আরকাম।
মাদ্রাসার দেয়াল জুড়ে আর্টিস্টের হাতে লেখা সুন্দর সুন্দর ইসলামিক বাণী, কোরআন-হাদিসের শিক্ষামূলক উক্তি এবং মনোমুগ্ধকর ডিজাইনের ব্যানারে নতুন শিক্ষার্থীদের জানানো হচ্ছে আন্তরিক স্বাগতম।
পবিত্র পরিবেশ, সুশৃঙ্খল শিক্ষা ব্যবস্থা এবং ইসলামের সুমহান আদর্শে গড়ে তুলতে আমাদের এই ছোট্ট প্রয়াস।
আপনার সন্তানকে কুরআন-সুন্নাহর আলোয় আলোকিত করতে আজই ভর্তি করান মাদ্রাসা দারুল আরকাম-এ।
📖 ইলম, আদব ও আখলাকের সমন্বয়ে গড়ে উঠুক আগামী প্রজন্ম।
সবাইকে জানাই আন্তরিক দাওয়াত ও স্বাগতম। 🤍
#মাদ্রাসা_দারুল_আরকাম #ভর্তি_চলছে #ইসলামিক_শিক্ষা #দ্বীনি_শিক্ষা

28/02/2026

আলহামদুলিল্লাহ! পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে জামিয়া কোরআনিয়া আরাবিয়ায় আয়োজিত হলো এক হৃদয়স্পর্শী ইফতার মাহফিল। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মিলনমেলায় দোয়া, ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের এক অপূর্ব পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
আল্লাহ তাআলা আমাদের এই মিলনকে কবুল করুন এবং সকলকে রমজানের প্রকৃত শিক্ষা অর্জনের তাওফিক দান করুন। আমিন 🤲
#জামিয়া_কোরআনিয়া_আরাবিয়া
#ইফতার_মাহফিল
#রমজান_মুবারক
#দোয়া_ও_ভ্রাতৃত্ব




18/02/2026

🌙 আলহামদুলিল্লাহ! চাঁদ দেখা গিয়েছে 🌙
আজ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের মাস—পবিত্র রমজান।
আজ রাতেই আদায় হবে প্রথম তারাবির সালাত, আর আগামীকাল থেকে শুরু হবে আমাদের প্রথম রোজা।
আসুন, এই মহিমান্বিত মাসে আমরা বেশি বেশি ইবাদত, কুরআন তিলাওয়াত, দোয়া ও তওবায় নিজেকে নিয়োজিত করি।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে রমজানের হক আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন 🤲
#রমজান #তারাবি #প্রথম_রোজা

10/02/2026

🌙 আসছে পবিত্র রমজানুল মোবারক 🌙
এই পবিত্র মাসের প্রতিটি দিন হোক ইবাদত, রহমত ও মাগফিরাতের সোনালী সুযোগ।
আসুন, রমজানের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আমল গুছিয়ে নেই এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করি। 🤲✨
#রমজান_মোবারক #রমজান_ক্যালেন্ডার #ইবাদতের_মাস

06/02/2026

কল্পনা করেন আপনার আদরের ছোট্ট মেয়েটির কথা। বয়স ১২ কিংবা ১৩। ফুলের মতো পবিত্র, চোখে একরাশ স্বপ্ন। একদিন তাকে বলা হলো, তাকে একটি বিশেষ বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। বলা হলো, সে বিশ্বের সবচেয়ে জ্ঞানী, ধনী এবং প্রভাবশালী মনীষীদের সাথে দেখা করার সুযোগ পাবে।

সরল বিশ্বাসে মেয়েটি প্লেনে উঠল। কিন্তু সে জানত না, চকচকে ওই প্লেনটির নাম 'ললিটা এক্সপ্রেস' (Lo**ta Express)। সে জানত না, এই প্লেনটি তাকে স্বপ্নের দেশে নয়, বরং দাজ্জালিক সভ্যতার এক গোপন জাহান্নামে নিয়ে যাচ্ছে। যার গন্তব্য প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে অবস্থিত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ 'লিটল সেন্ট জেমস'।দ্বীপটি দেখতে দুনিয়াবী জান্নাতের মতো। চারদিকে নীল সমুদ্র, মাঝখানে রাজকীয় প্রাসাদ। কিন্তু প্রাসাদের ভেতরে ঢুকতেই মেয়েটির স্বপ্ন কাঁচের মতো চুরমার হয়ে গেল। সে দেখল, টিভির পর্দায় যাদের সে হিরো হিসেবে দেখেছে, নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী, বিশ্বনেতা, হলিউড সুপারস্টার তারা সেখানে বসে আছে। কিন্তু তাদের চোখে মমতা নেই, আছে এক আদিম, পৈশাচিক ক্ষুধা।মেয়েটি চিৎকার করে বলেছিল, "আমি মায়ের কাছে যাব!" কিন্তু তার কান্না চাপা পড়ে গিয়েছিল প্রশান্ত মহাসাগরের গর্জনে আর শ্যাম্পেনের বোতল খোলার শব্দে। তাকে বলা হতো, "চুপ থাকো! এরা এই পৃথিবীর ঈশ্বর। এদের সেবা করাই তোমার কাজ।" দিনের পর দিন, এই নিষ্পাপ শিশুদের ছিঁড়ে খেয়েছে তারা, যাদের পোস্টার আপনারা ঘরের দেয়ালে টাঙিয়ে রাখেন।আপনারা হয়তো ভাবছেন, এত বড় বড় রুই-কাতলারা জড়িত, তাহলে এই খবর বের হলো কীভাবে?জেফ্রি এপস্টেইন ছিল অত্যন্ত চতুর। সে তার ক্লায়েন্টদের নাম এবং কন্টাক্ট ডিটেইলস লিখে রাখত একটি ছোট কালো ডায়েরিতে, যা 'দ্য ব্ল্যাকবুক' (The Black Book) নামে পরিচিত। এটি ছিল তার ইনস্যুরেন্স পলিসি। সে ভাবত, এই রাঘব-বোয়ালদের নাম তার কাছে আছে বলে কেউ তাকে ছোঁবে না।
কিন্তু পাপ বাপকেও ছাড়ে না। 'ভার্জিনিয়া জুফরে' (Virginia Giuffre) নামের এক সাহসী নারী, যে ছোটবেলায় এই পিশাচদের শিকারে পরিণত হয়েছিল, সে এপস্টেইনের সহযোগী এবং রক্ষিতা ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েল এর বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের নির্দেশে হাজার হাজার পৃষ্ঠার সিলড ডকুমেন্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করার আদেশ দেওয়া হয়।বিশ্ববাসী অবাক হয়ে দেখল, এতদিন তারা যাদের ভদ্রলোক ভেবে এসেছে, আদালতের নথিতে তাদের নামগুলো জ্বলজ্বল করছে জঘন্য সব অপরাধের সাথে।

কাদের নাম নেই সেখানে? তালিকাটি দেখলে আপনার পায়ের তলার মাটি সরে যাবে।

১. বিল ক্লিনটন: আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট, গণতন্ত্রের ফেরিওয়ালা। তিনি এই দ্বীপে এবং এপস্টেইনের প্লেনে চড়েছেন বহুবার। নথিতে তাকে নিয়ে বহু চাঞ্চল্যকর তথ্য রয়েছে।

২. প্রিন্স এন্ড্রু: ব্রিটিশ রাজপরিবারের অহংকার। যার আভিজাত্যের গল্প শুনে আপনারা বড় হয়েছেন, সেও ছিল এই দ্বীপের নিয়মিত খদ্দের।

৩. স্টিফেন হকিং: যার বিজ্ঞান আর কসমোলজি নিয়ে আপনারা মুগ্ধ। তিনিও গিয়েছিলেন সেই পাপের দ্বীপে। নথিতে তার নামও উঠে এসেছে মাইনরদের সাথে সম্পর্কিত এক প্রসঙ্গে।

৪. বিল গেটস: বিশ্বের সেরা ধনী এবং ফিলানথ্রোপিস্ট। আফ্রিকায় শিশুদের টিকা দেয় (যদিও মহামারী ছড়িয়ে দেয়ার টিকা, বিভিন্ন ভাইরাস টেস্ট করার টিকা) তারও ঘনিষ্ঠতা ছিল এই শিশু পাচারকারীর সাথে।

৫. ডোনাল্ড ট্রাম্প: বিশ্ব রাজনীতির আরেক মোড়ল।
৬. হলিউড ও গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড: কেভিন স্পেসি থেকে শুরু করে নামকরা সব মডেল ও অভিনেতারা, যারা আপনাদের আইডল, তারা অনেকেই ছিলেন এই চক্রের অংশ।

জেফ্রি এপস্টেইন কি কেবল একজন বিকৃতকামী ধনী ছিল? না। সে ছিল মোসাদ (Mossad) এবং পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার একটি হানি ট্র্যাপ প্রজেক্টের এজেন্ট।

তার কাজ ছিল বিশ্বনেতাদের এই দ্বীপে নিয়ে এসে তাদের নোংরা কাজের ভিডিও রেকর্ড করে রাখা যাকে গোয়েন্দা ভাষায় বলা হয় Kompromat। পরবর্তীতে এই ভিডিওগুলো দিয়েই তাদের ব্ল্যাকমেইল করা হতো।আপনার প্রিয় নেতারা যখন টিভিতে দাঁড়িয়ে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে বা অদ্ভুত সব সেকুলার এজেন্ডার পক্ষে কথা বলে, তখন তাদের গলার দড়িটা আসলে জায়নবাদীদের হাতে থাকে। তারা জানে, মুখ খুললেই তাদের ওই গোপন ভিডিও ফাঁস হয়ে যাবে।বাংলাদেশে কোনো মাদ্রাসার শিক্ষক যদি শরিয়া নিয়ে কথা বলে, নারীদেরকে ঘরমুখী, ফ্রি মিক্সিং মুক্ত পরিবেশ করার কথা বলে, অল্প বয়সে বিয়ে নিয়ে কথা বলে তখন এই দেশের সুশীলরা, নারীবাদীরা চিৎকার করে আকাশ-বাতাস ভারী করে ফেলে, "মোল্লারা সব শিশুকামী!কিন্তু আজ যখন শত শত প্রমাণ সামনে আসছে যে, তাদের স্বপ্নের আমেরিকা, তাদের সভ্যতার ধারক-বাহকেরা একেকজন জঘন্য লেভেলের পেড|ফ|ইল তখন তারা মুখে কুলুপ এঁটেছে। কেন? কারণ এই পিশাচরা টাই পরে, ইংরেজিতে কথা বলে এবং দামী পারফিউম মাখে। তাদের কাছে সাদা চামড়ার অপরাধ কোনো অপরাধ না, ওটা লাইফস্টাইল। যত্তসব ভন্ড হিপোক্রিটের দল, সবগুলারে আমেরিকান হাই হিল দিয়ে পিডানো দরকার।

এই দাজ্জালিক বা NWO (New World Order) এর মূলমন্ত্রই হলো পারিবারিক প্রথা ধ্বংস করা এবং বিকৃত যৌনতাকে নরমাল করা। এই এপস্টেইন চক্র কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না, এটা সেকুলার পুঁজিবাদী ব্যবস্থার পচে যাওয়া কলিজার বাস্তব ছবি।আপনার রব কি বলেননি, "ফিতনা হত্যা অপেক্ষা গুরুতর"?ইসলাম ছাড়া, শরিয়াহ ছাড়া এই পিশাচদের থামানোর কোনো আইন দুনিয়াতে নেই। কারণ আইন যারা বানায় (Lawmakers), তারাই আজ এই অপরাধের হোতা।কান্না করেন। শুধু ওই নির্যাতিত শিশুদের জন্য না, নিজের ঈমানের অবস্থার জন্য কান্না করেন। আপনি কাদের ফলো করছেন? হাশরের মাঠে এই পেডোফাইলরা যখন জাহান্নামে যাবে, আপনাকে যেন তাদের ফ্যান বা সাপোর্টার হিসেবে তাদের পেছনে লাইনে দাঁড়াতে না হয় সেই মোনাজাত করেন! এখন সিদ্ধান্ত আপনার।Epstain files(এপস্টাইন ফাইল)প্রমাণ করে দিলো পশ্চিমা কথিত মানবতার ধ্বজাধারীরা আসলে এক্সাক্টলি কতটা অসভ্য! just Imagine! তারা শুধু পেডোফাইলই ছিল না সাথে সাথে তারা শিশুদের গোস্ত (মানুষ) খেতে পরিবেশন করত! এপস্টাইন আইল্যান্ডের খদ্দেরদের মধ্যে আছে ট্রাম্প,ইলন মাস্ক,মোদী ,জোহরান মামদানীর মা সহ পৃথিবীর নামিদামি টেক জায়ান্টের মালিকরা! অতএব আপনার আশেপাশের কুখ্যাত বিখ্যাত সেলিব্রিটিরা গ্লোবাল এপস্টাইন ল্যান্ডের খদ্দের না হলেও লোকাল এপস্টাইন ল্যান্ডের খদ্দের হওয়াটা সন্দেহের আওতায় অবশ্যই।

গত ৩০ জানুয়ারি Epstein Files এর ৩ মিলিয়নেরও বেশি পৃষ্ঠার নথি, ২,০০০ অধিক ভিডিও এবং ১৮০,০০০টি ছবি প্রকাশিত হয়েছে। মেরিকার সব কুকর্ম ফাঁস করা হয়েছে! যারা মানবতা, সভ্যতা, নারী অধিকার শেখায় তারাই পর্দার আড়ালে বর্বর, ঘৃণ্য, নিকৃষ্ট কাজকর্ম করে এসেছে, নারী শিশুদের দ্বীপে নিয়ে গিয়ে বিকৃত যৌন নিপীড়নে মেতে ওঠে।

#এপ্সটেইন
#জেফরি_এপ্সটেইন
#এপ্সটেইন_কেস
#মানবপাচার
#শিশু_নির্যাতন
#আন্তর্জাতিক_কেলেঙ্কারি
#উচ্চপর্যায়ের_অপরাধ
িচার
#সত্য_উন্মোচন
#বিশ্ব_সংবাদ










03/02/2026

শবে বরাত নামটির শাব্দিক বিশ্লেষণ
শবে বরাত নামটি একটি ফার্সি ও একটি আরবী শব্দের সমন্বয়ে গঠিত।
"শব" শব্দটি ফার্সি, অর্থ রাত আর "বরাআত" শব্দটি আরবী, অর্থ মুক্তি। দুটি মিলে অর্থ হয় "মুক্তির রাত"। যেহেতু এ রাতে অগণিত মানুষের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয় এবং বহু জাহান্নামিকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেয়া হয়, তাই এ রাতটি "শবে বরাত" বা মুক্তির রাত নামে পরিচিত। হাদীস শরীফে এ রাতটি "লাইলাতুন নিসফ মিন শাবান" (অর্ধ শাবানের রাত তথা ১৪ শাবান দিবাগত রাত) বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
শবে বরাতের ফযীলত সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য কয়েকটি হাদীস
১ম হাদীস
عن معاذِ بنِ جبلٍ ٬ عنِ النَّبيِّ صلّى اللَّهُ عليهِ وسلَّمَ ٬ قالَ : يطَّلِعُ اللهُ إلى خَلقِه في ليلةِ النِّصفِ مِن شعبانَ فيغفِرُ لجميعِ خَلْقِه إلّا لِمُشركٍ أو مُشاحِنٍ
অর্থ: হযরত মু'আজ ইবনে জাবাল রাদি. থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, আল্লাহ তা'আলা অর্ধ শা'বানের রাতে [শবে বরাতে] তাঁর সৃষ্টির প্রতি মনযোগী হন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যক্তি ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন।

এ রাতে করনীয় আমল সমূহ।

উল্লেখিত হাদীসসমূহ থেকে প্রতিয়মান হয় যে, এ রাতে ইবাদতের কোনো ধরণ নির্দিষ্ট নেই বরং এ রাতে এমন সব নেক আমল করা উচিৎ যার মাধ্যমে আল্লাহর রহমত ও মাগফিরাত লাভ করা যায়। তাই এ রাতে আমরা নিম্মোক্ত আমলসমূহ করতে পারি।
১/এক. মাগরিব, এশা ফজরের নামায অবশ্যই জামাতের সাথে আদায় করা।
২/ দুই.নফল নামাজ পড়া।এক্ষেত্রে অনির্ভরযোগ্য কিছু বই-পুস্তকে নফল ইবাদতের বিভিন্ন নিয়মের কথা লেখা আছে যেমন- এত রাক'আত পড়তে হবে, প্রতি রাক'আতে এই এই সূরা এতবার পড়তে হবে। অথচ সহীহ হাদীস শরীফে শবে বরাত, শবে কদর বা অন্য কোনো ফযীলতপূর্ণ রাতে এসব বিশেষ পদ্ধতির কোনো নামায প্রমাণিত নেই।
৩/ তিন. তওবা করা। তওবা বলা হয় [ক] কৃতপাপের জন্য অনুতপ্ত হওয়া [খ] সঙ্গে সঙ্গে এই পাপটি পরিহার করা [গ] ভবিষ্যতে এই পাপটি আর করবো না এই মর্মে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করা [ঘ] বান্দার হক নষ্ট করে থাকলে তার হক আদায় করে কিংবা ক্ষমা গ্রহণ করে দায়মুক্ত হওয়া (ঙ) কোনো ফরয-ওয়াজিব ছুটে গিয়ে থাকলে মাসআলা অনুযায়ী তার কাযা কাফফারা আদায় করা। অতঃপর আল্লাহর আনুগত্যের দিকে ফিরে আসা এবং অন্তর থেকে তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।
৪/ চার. কুরআনে কারীম তেলাওয়াত করা, দুরূদ শরীফ পড়া, যিকির-আযকার করা ও ইস্তেগফার পড়া ইত্যাদি।
ফযীলতপূর্ণ দু'টি ইস্তিগফার
১. সায়্যিদুল ইস্তিগফার
اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ خَلَقْتَنِي ، وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِالنِّعْمَةِ وَأَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِي ، فَاغْفِرْ لِي إِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ
২. সংক্ষিপ্ত ইস্তেগফার
أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ، وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
৫/ পাঁচ. এ রাতে গুরুত্বসহকারে দু'আ করা, কারণ এ রাতে দু'আ কবুল হওয়ার কথা বার বার ধ্বনিত হয়েছে।
৬/ ছয়. এ রাতে কিছু দান সদকা করে এবং নফল ইবাদত করে মৃতদের জন্যে সাওয়াব পৌঁছানো।
৭/ সাত. ১৫ শা'বান নফল রোযা রাখা। রোযা রাখার বিষয়টি উল্লিখিত হাদীস ছাড়াও অন্যান্য হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।
৮/ আট. সলাতুত তাসবীহ্ আদায় করা যেতে পারে। সালাতুত তাসবীহের নিয়ম কোনো আলেম থেকে জেনে নিতে হবে।

এ রাতেও যারা বঞ্চিত থেকে যায়

হাদীসের বর্ণনা অনুযায়ী কিছু লোক এমন রয়েছে যারা এই সাধারণ ক্ষমার রাতেও ক্ষমা পায় না। যতক্ষণ না তাওবা করে ফিরে আসে। হাদীসের আলোকে এরা হলো-
১. আল্লাহ তা'আলার সাথে অংশীদার স্থাপনকারী মুশরিক।
২. হিংসুক।
৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী।
৪. যে পুরুষ টাখনুর নিচে কাপড় ঝুলিয়ে পরতে অভ্যস্ত।
৫. পিতা-মাতার অবাধ্য সন্ধান।
৬. মদ্যপানে অভ্যস্ত ব্যক্তি।
৭. অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যাকারী।

শবে বরাতে বর্জনীয় বিষয়

শয়তান মানুষকে এই রাতে নেক আমল থেকে বিরত রাখার জন্য কিছু কুসংস্কারের প্রচলন ঘটিয়েছে। বিস্ময়ের ব্যাপার হলো কিছু মানুষ এগুলোকে নেক কাজ মনে করে শুধু বিভ্রান্তই হচ্ছে। এ জাতীয় কিছু কুসংস্কারমূলক কাজ হলো-
১. আতশবাজী, পটকা ইত্যাদি ফুটানো ও তারাবাতি জ্বালানো।
২. মসজিদ, ঘর-বাড়ি, দোকান-পাট ও অন্যান্য জায়গায় আলোকসজ্জা করা। এসব অপচয়ের শামিল। তাছাড়া এটি বিধর্মী এবং হিন্দু দেওয়ালী উৎসবের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ার কারণে অবশ্যই পরিত্যাজ্য ও বর্জনীয়। হাদীস শরীফে এসেছে- "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে সাদৃশ্য রাখবে, সে তাদের দলভুক্ত হবে।"
সুনানে আবূ দাউদ, হাদীস নং: ৪০৩১
৩. হালুয়া-রুটি, খিচুরী পাকানো। এ সবকে এ রাতের বিশেষ কাজ মনে করা হয়। মা-বোনদের দামি সময় নষ্ট হয়, মসজিদে হৈ চৈ ও শোরগোল হয়। ইবাদত করার পরিবেশ নষ্ট হয় এবং এ সবের পিছনে পড়ে এ রাতের তাওবা-ইত্তেগফার, নফল ইবাদত ইত্যাদি ছুটে যায়।
ইকতিষাউস সিরাতিল মুস্তাকীম, ২/৬৩২
আল্লাহ আমাদের সবাইকে এ রাতের যথাযথ মর্যাদা রক্ষা করে একাগ্রতার সাথে তাঁর ইবাদত করার তৌফিক দান করুন। আমীন।

#শবে_বরাত
#লাইলাতুল_বরাত
#ক্ষমার_রাত
#রহমতের_রাত
#মাগফিরাতের_রাত
#তাওবার_সুযোগ
#আল্লাহর_রহমত
#ইবাদতের_রাত
#দোয়ার_রাত
াদত
িয়ারত
#ক্ষমা_প্রার্থনা












31/12/2025

ভর্তি চলছে ভর্তি চলছে!
শিশুদের জন্য আদর্শ ইসলামী শিক্ষার নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান।
এখানে রয়েছে—
✅ নূরানী বিভাগ
✅ নাজেরা বিভাগ
✅ হিফজ বিভাগ
✅ কিতাব বিভাগ (তাইসির থেকে নাহবেমীর পর্যন্ত)
✅ জেনারেল বিভাগ (প্লে–৭ম শ্রেণি পর্যন্ত)
📖 কুরআন ও সহিহ ইসলামী শিক্ষায় গড়ে তুলতে
আজই ভর্তি করুন আপনার সন্তানকে।
📍 ঠিকানা ও যোগাযোগ (পাকুরিয়া, তুরাগ, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০
📞 সীমিত আসন—ভর্তির জন্য দ্রুত যোগাযোগ করুন।
নিচে দেওয়া নাম্বারে
01718193908
01970193908

#মাদ্রাসা_দারুল_আরকাম #ইসলামী_শিক্ষা #হিফজ #নূরানী #নাজেরা #ভর্তি_চলছে
#ভর্তি_চলছে
#ভর্তি_নিন
#মাদ্রাসায়_ভর্তি
#ইসলামী_শিক্ষায়_ভর্তি
#শিশুদের_ভর্তি
#হিফজে_ভর্তি
#নূরানীতে_ভর্তি
#নাজেরায়_ভর্তি
#কিতাব_বিভাগ
#ইসলামী_মাদ্রাসা










26/01/2025

আলহামদুলিল্লাহ ২৫/০১/২০২৫ জানুয়ারি আমাদের মাদ্রাসা থেকে ৪ জন ছেলে ও ২ জন মেয়ে হিফজ সমাপনী ছাত্র-ছাত্রীদের দস্তরে ফজিলত প্রদান করা হলো,
আপনারা সবাই ওদের জন্য দোয়া করবেন, আমীন।

24/01/2025

জামি'আ কোরআনিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা ওমাদরাসা দারুল আরকাম Madrasha Darul Arkam এর পক্ষ থেকে আপনাদের সকলের প্রতি দ্বীনি দাওয়াত রইলো। সবাই আসবেন ইনশাআল্লাহ।

16/12/2024

যাদের জন্য পেয়েছি আমরা এই সবুজ শ্যামল বাংলাদেশ তাদের সকলের প্রতি আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা

Photos from মাদরাসা দারুল আরকাম Madrasha Darul Arkam's post 15/12/2024

আলহামদুলিল্লাহ মাদ্রাসা দারুল আরকামের বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়ে গিয়েছে, আপনাদের সবার কাছে মাদ্রাসার ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য দোয়া চাই তারা যেন সুস্থভাবে পরীক্ষা দিয়ে ভালো রেজাল্টে উত্তীর্ণ হতে পারে।
আমিন।


03/02/2024

ওযু ভঙ্গের কারণ ৭টি
সাত্রী: মাদরাসা দারুল আরকাম Madrasha Darul Arkam

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka