মোদিজি যদি দুনিয়ার স্বার্থে আরবি বলতে পারে আমরা কেন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কুরআনের ভাষা আরবি শিখতে পারবো না!?
Tarjumanul Quran Institute
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tarjumanul Quran Institute, Education Website, Dhaka.
19/01/2026
আঙ্গুলের ছাপে লুকানো মহাবিশ্ব এবং ডিজিটাল পরিচয়ের ঐশ্বরিক অলৌকিকতা: ১৬ বিলিয়ন আঙুলের ছাপের অনন্যতা এবং "আল-মুসাওয়ির" বৈজ্ঞানিক চ্যালেঞ্জ! -
এক মুহূর্তের জন্য থামুন, আপনার ডান হাত তুলুন এবং আপনার বুড়ো আঙুলের (থাম্ব) ছাপটি ভালো করে দেখুন।
দেখতে তো এটা মাংস এবং চামড়ার একটা সাধারণ, ছোট্ট টুকরো মনে হয়, যার উপর কিছু রেখা, কিছু বৃত্ত এবং কিছু ঘূর্ণি আঁকা।
আপনি প্রতিদিন এই বুড়ো আঙুল দিয়ে মোবাইল আনলক করেন, কাগজে সই করেন এবং জিনিসপত্র ধরেন।
কিন্তু আপনি কি জানেন যে, আপনি এখন আপনার চোখের সামনে মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে জটিল এবং সবচেয়ে অবিশ্বাস্য "গাণিতিক ও জৈবিক অলৌকিকতা" দেখছেন?
আজকের বিশ্বে ৮২০ কোটি (৮.২ বিলিয়ন) মানুষ শ্বাস নিচ্ছে। প্রত্যেক মানুষের দুটি বুড়ো আঙুল আছে। অর্থাৎ এখন পৃথিবীতে ১৬৪০ কোটি বুড়ো আঙুল রয়েছে। আর যদি আমরা মানব ইতিহাসের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত জন্ম নেওয়া এবং মারা যাওয়া মানুষের অনুমান করি (যা গবেষকদের মতে প্রায় ১০০ বিলিয়ন), তাহলে এই সংখ্যা ট্রিলিয়নে পৌঁছে যায়।
কিন্তু এখানে এসে মানুষের বুদ্ধি, সবচেয়ে আধুনিক সুপার কম্পিউটার এবং ডারউইনের তত্ত্ব সবাই সিজদায় লুটিয়ে পড়ে। এটা এমন একটা সত্য যা জীববিজ্ঞান এবং গণিতের নিয়মগুলোকে হিলিয়ে দিয়েছে:
"আজ পর্যন্ত জন্ম নেওয়া ট্রিলিয়ন মানুষের মধ্যে কোনো দুজনের, এমনকি অভিন্ন যমজ ভাইদের (Identical Twins)ও, আঙুলের ছাপ একে অপরের সাথে মিলে না।"
প্রত্যেক আঙুলের ছাপ, প্রত্যেক আঙুলের প্যাটার্ন, একটা "অনন্য ডিজাইন" (Unique Design) যা মহাবিশ্বের পুরো ইতিহাসে কখনো আগে তৈরি হয়নি, এবং কিয়ামত পর্যন্ত আবার তৈরি হবে না।
প্রশ্ন হলো, মাত্র দুই থেকে তিন বর্গ সেন্টিমিটারের ছোট্ট জায়গায়, চামড়ার এই সূক্ষ্ম রেখাগুলোতে এত "অসীম বৈচিত্র্য" (Infinite Variety) কীভাবে ধরে রাখতে পারে?
এটা কি অন্ধ বিবর্তন?
এটা কি পদার্থের দুর্ঘটনাজনিত খেলা?
নাকি এটা সেই "আল-মুসাওয়ির" (আকৃতি দানকারী) এর স্বাক্ষর, যিনি প্রত্যেক মানুষকে তার নিজস্ব আলাদা ও অনন্য পরিচয় দিয়ে সৃষ্টি করেছেন?
আজ আমি আপনাদের ডার্মাটোগ্লিফিক্স (Dermatoglyphics) এর ল্যাবরেটরি এবং কুরআনের হিকমতের মিলনস্থলে নিয়ে যাব, যেখানে আমরা দেখব যে আপনার আঙুলের ছাপ শুধু বায়োমেট্রিক আইডি নয়, বরং আল্লাহর অস্তিত্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
গল্পের শুরু মায়ের গর্ভের সেই অন্ধকার কক্ষ থেকে, যেখানে জীবন গঠিত হচ্ছে।
বিজ্ঞানীরা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এটা বুঝেছিলেন যে আঙুলের ছাপ শুধু "জিন" (Genes) এর খেলা। কিন্তু তারপর এক অদ্ভুত রহস্য সামনে এল।
অভিন্ন যমজ বাচ্চারা (Identical Twins), যাদের ডিএনএ ১০০% একই, তাদের চেহারা মিলে যায়, কণ্ঠস্বর মিলে যায়, কিন্তু তাদের আঙুলের ছাপ ভিন্ন কেন?
এখানে এসে বিজ্ঞানকে স্বীকার করতে হয়েছে যে আঙুলের ছাপ তৈরি হওয়া শুধু জেনেটিক কোডিং নয়, বরং এটা "কেয়াস থিয়োরি" (Chaos Theory) বা প্রকাশের তত্ত্বের একটা শ্রেষ্ঠকর্ম।
যখন বাচ্চা মায়ের গর্ভে ১০ সপ্তাহের হয়, তখন তার আঙুলে "ভোলার প্যাডস" (Volar Pads) উঠতে শুরু করে। কিন্তু এই রেখাগুলোর চূড়ান্ত ডিজাইন ১৭তম সপ্তাহ পর্যন্ত সম্পূর্ণ হয়।
এই সময়ে কী হয়?
মায়ের গর্ভে অ্যামনিয়োটিক ফ্লুইড (Amniotic Fluid) এর চাপ, বাচ্চার অবস্থান, বাচ্চার গর্ভের দেয়াল স্পর্শ করা, নাভির কর্ড (Umbilical Cord) এর দৈর্ঘ্য, মায়ের রক্তচাপ, এবং এমনকি আঙুলের নড়াচড়ার গতি—এই লক্ষ লক্ষ "পরিবর্তনশীল" (Variables) মিলে এই ডিজাইন গঠন করে।
এটা ঠিক যেমন কোনো চিত্রকর বাতাসে ব্রাশ ঘুরিয়ে দেন এবং প্রতিবার ক্যানভাসে একটা নতুন ও অনন্য শিল্পকর্ম তৈরি হয়ে যায়।
বিজ্ঞানীরা বলেন, এই সব উপাদানের ঠিক একই ক্রমে, একই তীব্রতায় আবার ঘটা গাণিতিকভাবে "অসম্ভব" (Impossible)।
অর্থাৎ আল্লাহ প্রত্যেক মানুষের সৃষ্টির জন্য একটা "অনন্য পরিবেশ" সাজিয়েছেন যা আর কখনো পুনরাবৃত্তি করা যাবে না।
এটা প্রমাণ করে যে প্রত্যেক মানুষ আল্লাহর কাছে "বিশেষ" (Special)। তিনি "মাস প্রোডাকশন" (Mass Production) করেন না, তিনি প্রত্যেকটাকে "কাস্টম মেড" (Custom Made) বানান।
এবার গণিতের ময়দানে আসুন। স্যার ফ্রান্সিস গালটন (Sir Francis Galton), যিনি আঙুলের ছাপ বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন, তিনি একটা সহজ গাণিতিক হিসাব করেছিলেন।
তিনি বলেছিলেন যে, যদি আমরা আঙুলের ছাপের শুধু কয়েকটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য (রিজ, লুপ, হুয়ার্ল) নিই, তাহলে দুজন মানুষের আঙুলের ছাপ মিলে যাওয়ার সম্ভাবনা ৬৪ বিলিয়নের মধ্যে একটি (১ in ৬৪ বিলিয়ন)।
এটা ছিল উনিশ শতকের হিসাব। আজকের আধুনিক প্রযুক্তির মতে এই সম্ভাবনা ট্রিলিয়ন এর মধ্যে একটি।
এই "স্পেস" (জায়গা) এর কল্পনা করুন!
আপনার কাছে মাত্র ২ সেন্টিমিটার জায়গা আছে। আপনাকে এর মধ্যে রেখা আঁকতে হবে।
আপনি কতগুলো ডিজাইন বানাতে পারেন?
১০টা?
১০০টা?
হাজারটা?
লক্ষটা?
কিন্তু এখানে ১০০ বিলিয়নের বেশি ডিজাইন তৈরি হয়ে গেছে এবং "স্টক" এখনো শেষ হয়নি।
এটা "সীমিতের মধ্যে অসীম" (Infinity within the Finite) এর সেই ধারণা যা মানুষের বুদ্ধিকে স্তব্ধ করে দেয়।
এই ডিজাইনগুলো কে বানিয়েছে?
যদি এগুলো "ন্যাচারাল সিলেকশন" (বিবর্তন) এর ফল হতো, তাহলে বিবর্তন সবসময় "সবচেয়ে ভালো" টাকে বেছে নিত।
যেমন গাড়ির টায়ারের একটা ডিজাইন যা রাস্তায় সবচেয়ে ভালো গ্রিপ দেয়, সব টায়ার কোম্পানি সেই একই ডিজাইন বানায়।
যদি আঙুলের ছাপের উদ্দেশ্য শুধু "জিনিস ধরা" (গ্রিপ) হতো, তাহলে সব মানুষের হাতে "একই সেরা ডিজাইন" থাকা উচিত ছিল (যেমন সোজা রেখা)।
কিন্তু তা নেই।
প্রত্যেক আঙুলের ডিজাইন আলাদা।
কেন?
কারণ এখানে উদ্দেশ্য শুধু "গ্রিপ" নয়, এখানে উদ্দেশ্য "পরিচয়" (Identity)।
এখানে উদ্দেশ্য এটা বলা যে "আমি সেই, যে আর কেউ নয়।" এই অনন্যতা (Individuality) অন্ধ পদার্থ থেকে উৎপন্ন হতে পারে না।
পদার্থ অন্ধ, সে প্যাটার্ন পুনরাবৃত্তি করতে পারে, কিন্তু সে খর্ব বার "অনন্যতা" (Uniqueness) তৈরি করতে পারে না।
এই কাজ শুধু একজন "আলীম ও খবীর" সত্তাই করতে পারেন যাঁর কাছে ডিজাইনের অফুরন্ত ভাণ্ডার আছে।
এবার ইতিহাসের পাতা উল্টান এবং কুরআন মজীদের সেই অলৌকিকতার দৃশ্য দেখুন যা ১৪০০ বছর আগে আরবের মরুভূমিতে নাযিল হয়েছিল।
যখন মক্কার কাফিররা নবী করীম (সা.) এর মজা উড়াত এবং পচা হাড় হাতে নিয়ে বলত:
"হে মুহাম্মদ (সা.)! তোমার রব কি এই পচা হাড়গুলোকে আবার জীবিত করবেন? এটা কীভাবে সম্ভব?"
তখন আল্লাহ তাদের জবাবে মুখ, চোখ বা হৃদয়ের উল্লেখ করেননি, বরং এমন একটা জিনিসের উল্লেখ করেছেন যা সেই সময় কারো কল্পনাতেও ছিল না যে তার কোনো গুরুত্ব থাকতে পারে।
সূরা কিয়ামাহ, আয়াত ৩ ও ৪-এ আল্লাহ বলেন:
أَيَحْسَبُ الْإِنسَانُ أَلَّن نَّجْمَعَ عِظَامَهُ بَلَىٰ قَادِرِينَ عَلَىٰ أَن نُّسَوِّيَ بَنَانَهُ“
(মানুষ কি মনে করে যে আমরা তার হাড়গুলো জড়ো করতে পারব না? কেন পারব না! বরং আমরা তো তার " আঙুলের ছাপকেও ঠিক করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখি।
"بنانہ" (তার আঙুলের ডগা) শব্দটির উপর চিন্তা করুন!
আল্লাহ কেন এটা বলেননি যে আমরা তার মুখ বানিয়ে দেব?
বা তার নাক বানিয়ে দেব?
কারণ আল্লাহ জানতেন যে মুখ মিলে যেতে পারে (খুব কম হলেও), ডিএনএ মিলে যেতে পারে (যমজ বাচ্চাদের), কিন্তু "পুর" (আঙুলের ডগা) সেই একমাত্র জিনিস যা কখনো মিলবে না।
কিয়ামতের দিন মানুষের "পরিচয়" তার আঙুলের ছাপ দিয়ে হবে।
আজ ১৪ শতাব্দী পর, যখন আমরা এয়ারপোর্টে যাই, ইমিগ্রেশন অফিসার মুখ দেখে সন্তুষ্ট হন না, তিনি বলেন "আপনার আঙুল মেশিনে রাখুন।" যখন আমরা ফোন আনলক করি, পাসওয়ার্ডের বদলে আঙুল দিই।
আজকের প্রযুক্তি প্রমাণ করেছে যে মানুষের "চূড়ান্ত পরিচয়" (Ultimate ID) তার আঙুল। আর কুরআন ১৪০০ বছর আগে চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল যে
"আমরা তোমাদের আঙুলের রেখাগুলোকেও আবার বানাতে সক্ষম।"
এই আয়াত প্রমাণ করে যে কুরআনের রচয়িতা সেই একই সত্তা যিনি আঙুলের ডিজাইন বানিয়েছেন। এই দুটি বই (কুরআন ও বিশ্বজগৎ) একই লেখকের লেখা।
এখানে আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় "ফরেনসিক সায়েন্স" (Forensic Science) এর।
উনিশ শতকের আগে পৃথিবীর কোনো অপরাধী জানত না যে সে তার পেছনে কী রেখে যাচ্ছে। চোর চুরি করত, খুনি খুন করত এবং তার হাতের চিহ্ন সর্বত্র রেখে যেত। তার মনে হতো সে কোনো প্রমাণ রাখেনি।
কিন্তু আল্লাহর ব্যবস্থা দেখুন!
আল্লাহ প্রত্যেক মানুষের হাতে একটা "প্রাকৃতিক সিল" (Natural Stamp) লাগিয়ে দিয়েছেন। আপনি যা কিছু স্পর্শ করেন, সেখানে আপনি আপনার "স্বাক্ষর" রেখে যান।
এটা আল্লাহর "ন্যায়বিচারের ব্যবস্থা"।
দুনিয়ায় হয়তো আপনি বেঁচে যান, কিন্তু আপনার হাত সাক্ষ্য দিচ্ছে। কুরআন বলে:
" الیوم نختم علی افواھھم و تکلمنا ایدھم
(আজ আমরা তাদের মুখে সিল মেরে দেব এবং তাদের হাত আমাদের সাথে কথা বলবে) [ইয়াসীন: ৬৫]।
আগে লোকেরা ভাবত হাত কীভাবে কথা বলবে?
আজ বিজ্ঞান বলছে হাতের চিহ্ন (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) কথা বলে। এগুলো বলে যে
"এই ব্যক্তি এখানে ছিল, সে এই বন্দুক ধরেছিল, সে এই চুরি করেছিল।"
এই আঙুল আপনার বিরুদ্ধে আল্লাহর সাক্ষী।
আজকের যুগে যখন আমরা "ইনক্লুশন" এবং "আইডেন্টিটি" নিয়ে কথা বলি, তখন আঙুলের ছাপ আমাদের একটা খুব সুন্দর সামাজিক শিক্ষাও দেয়।
পৃথিবীতে কোনো মানুষ "অপ্রয়োজনীয়" (Redundant) নয়। আফ্রিকার জঙ্গলে বাসকারী হাবশী হোক বা নিউইয়র্কের পেন্টহাউসে বাসকারী বিলিয়নিয়ার, মজদুর হোক বা বাদশাহ—প্রকৃতির দৃষ্টিতে সবার পরিচয় "অনন্য"।
আল্লাহ কারো "কার্বন কপি" বানাননি। প্রত্যেক আঙুল একটা আলাদা গল্প, একটা আলাদা কোড এবং একটা আলাদা শিল্পকর্ম। এটা প্রমাণ করে যে আল্লাহর ভাণ্ডারে ডিজাইনের কোনো অভাব নেই। তিনি প্রথমবার সৃষ্টিকার যিনি প্রতিবার নতুন কিছু সৃষ্টি করেন।
নাস্তিকরা বলে বিশ্বজগতে "শৃঙ্খলা" (Order) নেই। তারা বলে সবকিছু র্যান্ডম। আমি তাদের জিজ্ঞাসা করি:
"১৬ বিলিয়ন আঙুলের মধ্যে একটাও অন্যটার সাথে না মেলা কি 'র্যান্ডমনেস' না 'অত্যন্ত সূক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণ'?"
যদি এটা র্যান্ডম হতো, তাহলে কোথাও না কোথাও, কখনো না কখনো দুটো ডিজাইন মিলে যেত। ১০০ বিলিয়ন মানুষের মধ্যে একবার তো "ভাগ্য" লাগত।
কিন্তু লাগেনি!
এটা "জিরো এরর" (Zero Error)। এটা প্রমাণ করে যে এই পুরো যন্ত্রপাতি চালানোর পেছনে একটা "সুপার ইন্টেলিজেন্ট মাইন্ড" আছে যিনি প্রত্যেক শুক্রাণুর বিভাজন, প্রত্যেক কোষের নড়াচড়া এবং প্রত্যেক রেখার কোণ নিয়ন্ত্রণ করছেন।
হে মানুষ!
তুমি নিজেকে তুচ্ছ মনে করো?
তুমি মনে করো তুমি মাটির ঢেলা আর মরে শেষ হয়ে যাবে?
তোমার আঙুলের দিকে তাকাও!
এই তোমার আঙুল তোমার রবের পক্ষ থেকে তোমার জন্য লেখা একটা "লাভ লেটার" (Love Letter)। এটা তোমাকে বলছে যে তোমার রব তোমাকে বিলিয়ন মানুষের ভিড়ের মধ্যেও "একা" চিনতে পারেন। তিনি তোমাকে ভুলে যাননি। যে রব তোমার আঙুলের ডগায় এত পরিশ্রম করেছেন যে সেই রকম রেখা বিশ্বজগতে আর কাউকে দেননি, তিনি কি তোমাকে এমনি অর্থহীন ও বেকার ছেড়ে দেবেন?
প্রতিবার যখন তুমি তোমার আঙুল দেখবে, তাকে শুধু মাংসের টুকরো মনে করো না, তাকে "আল্লাহর স্বাক্ষর" মনে করো।
এটা সেই শিল্পীর স্বাক্ষর যিনি তার ছবি (তুমি) এর উপর সই করে গর্ব করেন যে
فتبارک الله احسن الخالقین
বরকত ময় সত্তা আল্লাহ যিনি উত্তম সৃষ্টিকারী
এই পরিচয়ের হেফাজত করো। তোমার হাতগুলোকে জুলুম ও গুনাহ দিয়ে নোংরা করো না, কারণ এই হাত, এই রেখা আর এই আঙুল একদিন সেই আদালতে হাজির হবে যেখানে কোনো মিথ্যা চলে না, শুধু "বায়োমেট্রিক সাক্ষ্য" চলে।
اردو تحریر سر بلال شوکت ازاد
مترجم رکؤل شیخ
02/01/2026
!!!
“বর্তমান প্রজন্মকে ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়াই ছিল আমাদের ইসলাম বিরোধী সংগঠনে মূল লক্ষ্য” “বর্তমান প্রজন্মকে ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়াই ছিল আমাদের ইসলাম বিরোধী সংগঠনে মূল লক্ষ্য”আসসালামু আলাইকুম প...
26/12/2025
21/11/2025
সতর্ক থাকুন — ভূমিকম্পের পর জরুরি করণীয়
২১ নভেম্বর ২০২৫, সকাল ১০:৩৮ এ ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প
আফটারশক (পরাঘাত) যে কোনো সময় হতে পারে—সতর্ক থাকুন, শান্ত থাকুন, নিরাপদ থাকুন।
১. প্রথমেই নিরাপদ হন
জুতা পরে নিন। ভাঙা কাঁচ বা ধারালো জিনিসে পা কাটার ঝুঁকি থাকে।
এক কক্ষ থেকে আরেক কক্ষে যাওয়ার আগে চারপাশ দেখে নিন। কোথাও ধ্বংসাবশেষ বা ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা আছে কি না নিশ্চিত হন।
২. গ্যাস লাইন চেক করুন
যদি গ্যাসের গন্ধ পান, সঙ্গে সঙ্গে মেইন গ্যাস লাইন বন্ধ করুন।
বন্ধ করতে না পারলে দ্রুত ভবন থেকে বেরিয়ে যান।
৩. ক্ষতিগ্রস্ত ভবন এড়িয়ে চলুন
দেয়াল, সিলিং, বা খুঁটিতে ফাটল বা বাঁকা হয়ে যাওয়া দেখলে ভবনটি ধসে পড়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।
নিরাপদ স্থানে সরে যান।
৪. বিদ্যুৎ, পানি ও যন্ত্রপাতি পরীক্ষা করুন
ভাঙা তার, লিকেজ, স্পার্কিং বা পাইপ ক্ষতিগ্রস্ত হলে মেইন সুইচ/ভালভ বন্ধ করুন।
ঝুঁকি থাকলে কাছে যাবেন না।
৫. পরিষ্কার করার সময় সতর্ক থাকুন
ছোট আগুন হলে নেভানোর চেষ্টা করুন; না পারলে তৎক্ষণাৎ সরে যান।
ছিটকে পড়া ওষুধ, কেমিক্যাল বা ক্ষতিকর পদার্থ সাবধানে পরিষ্কার করুন।
৬. জরুরি সরবরাহ নিশ্চিত করুন
পানির লাইন বন্ধ থাকলে ওয়াটার হিটার, মেল্টেড বরফ, বা সংরক্ষিত পানি ব্যবহার করুন।
প্রাথমিক চিকিৎসা বাক্স সহজে পাওয়ার মতো স্থানে রাখুন।
৭. উপকূলীয় অঞ্চলে থাকলে
ভূমিকম্পের পর সুনামির সম্ভাবনা থাকে।
কম্পন থামা মাত্রই উঁচু স্থানে বা নিরাপদ এলাকায় চলে যান।
৮. ইউটিলিটি লাইন ও চিমনি এড়িয়ে চলুন
ভেঙে পড়া বিদ্যুৎ লাইন, গ্যাস লাইন বা খুঁটি স্পর্শ করবেন না।
ক্ষতিগ্রস্ত চিমনি ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ—এড়িয়ে চলুন।
৯. আফটারশক হবে—মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকুন
পরাঘাত কয়েক ঘণ্টা বা কয়েক দিন পর্যন্ত চলতে পারে।
প্রতিবার কম্পন অনুভব করলে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিন।
ভূমিকম্পের মাত্রা অনুযায়ী প্রভাব (চার্ট)
মাত্রা (Magnitude) নাম / শক্তি সম্ভাব্য প্রভাব
1.0 – 2.9 খুব দুর্বল মানুষ টের পায় না, শুধুই যন্ত্রে ধরা পড়ে
3.0 – 3.9 দুর্বল হালকা নড়াচড়া, ভীতিকর নয়
4.0 – 4.9 হালকা দরজা-জানালা কাঁপা, জিনিস নড়া
5.0 – 5.9 মাঝারি জিনিস পড়ে যেতে পারে, দুর্বল ভবনে ফাটল — আজকের ৫.২ এখানেই
6.0 – 6.9 শক্তিশালী বড় এলাকায় দৃশ্যমান ক্ষতি
7.0 – 7.9 বড় ভূমিকম্প ভবন ধস, বড় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা
8.0+ বিশাল শক্তিশালী ব্যাপক ধ্বংস, সুনামির সম্ভাবনা
11/11/2025
আমাদের প্রাণ প্রিয় ওস্তাদ আল্লামা নূরুল হুদা ফয়েজী হুজুর আর দুনিয়াতে নেই। ইন্না-লিল্লাহি অইন্না ইলাইহি রাজিউন।
ওস্তাদজীর নামাযে জানাজা আগামীকাল সকাল ১০ ঘটিকায় কারিমপুর জামিয়া কুরআনিয়া আরাবিয়া মাদরাসা রাজাপুর, ঝালকাঠি-তে অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।
01/11/2025
তরজুমানুল কুরআন ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে অর্থসহ ৫০০ কপি কুরআন বিতরণ কুরআনের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে তরজুমানুল কুরআন ইনস্টিটিউট পরিচালিত অপরিহার্য কোরআনী শিক্ষা বাস্ত.....
05/10/2025
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে কোনো মুসলিম স্টুডেন্ট নেই? ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ কি ইসলাম বিদ্বেষী? একটা হিন্দু ছেলে কীভাবে কুরআনের অবমাননা করে? এতগুলো স্টুডেন্ট থাকতে কীভাবে ক্লাসরুমের বাইরে কুলাঙ্গার কুরআনকে লাথি মারে!! আর ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ ওকে সেফ এক্সিট দেয়? ওকে নগদ স্পট ডেট করা উচিৎ ছিল। এসব বদমাইশদের বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই। ইউনুছ সরকারকে বলি, এই কুলাঙ্গারকে ফাঁসিতে চড়াতে হবে। অবিলম্বে ব্ল্যাসফেমি আইন পাশ করুন। প্রতিটি ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে কুলাঙ্গার ধর্ম অবমাননাকারীর বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
Dhaka