27/12/2021
কেউ আপনার সম্পর্কে কুৎসা রটিয়েছে। লোকজনের কাছে আজেবাজে মন্তব্য করছে। আপনার মানসম্মান যেন ধুলোয় মিশে যেতে বসেছে। আপনি মানহানির শিকার। ভাবছেন আইনি ব্যবস্থা নেবেন। কিন্তু চাইলেই কি কারও বিরুদ্ধে মানহানির মামলা ঠুকে দিতে পারবেন? আইন কিন্তু স্পষ্ট করে দিয়েছে মানহানির বিষয়টি। আইন মেনেই আদালতের দ্বারস্থ হতে হবে।
কিসে হয় মানহানি
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি কিসে হবে আর কিসে হবে না, তা বলে দেওয়া হয়েছে। এ ধারা অনুসারে যে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা এমন হবে জেনেও উদ্দেশ্যমূলক শব্দাবলি বা চিহ্নাদি বা দৃশ্যমান প্রতীকের সাহায্যে কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে এমনভাবে কোনো নিন্দা প্রণয়ন বা প্রকাশ করে তাহলে ওই ব্যক্তির মানহানি করেছে বলে ধরা হবে। এমনকি মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে বললেও তা মানহানি হবে। মৃত ব্যক্তির আত্মীয়স্বজন মানহানির অভিযোগ আনতে পারবেন। আইনে এমন কিছু ব্যতিক্রম অবস্থা বর্ণনা করা হয়েছে, যখন কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির নামে মানহানিকর কিছু বললে, লিখলে বা প্রচার করলেও মানহানি হবে না। যেমন:
১. জনগণের কল্যাণে কারও প্রতি সত্য দোষারোপ করলে, তাতে মানহানি হবে না।
২. সরকারি কর্মচারীর সরকারি আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করলে তা মানহানির শামিল হবে না।
৩. সরকারি বিষয়-সংশ্লিষ্ট প্রশ্নে কোনো ব্যক্তির আচরণ নিয়ে মত প্রকাশ করলে মানহানি নয়।
৪. আদালতসমূহের কার্যবিবরণী প্রতিবেদন প্রকাশ করা মানহানির অন্তর্ভুক্ত হবে না।
৫. যেকোনো জনসমস্যা সম্পর্কে ও কোনো ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা মানহানির শামিল নয়।
৬. আদালতে সিদ্ধান্তকৃত মামলার দোষ, গুণ বা সাক্ষীদের সম্পর্কে বা অন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আচরণ সম্পর্কে অভিমত মানহানির পর্যায়ে পড়বে না।
৭. গণ-অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানাদি সম্পর্কে কোনো মতামত প্রদান মানহানি নয়।
৮. কর্তৃত্বসম্পন্ন ব্যক্তির কাছে সৎ বিশ্বাসে কারও সম্পর্কে অভিযোগ করা হলে সেটিও মানহানি হবে না। যেমন: পুলিশের কাছে কারও ব্যাপারে সৎ বিশ্বাসে অভিযোগ।
৯. কোনো ব্যক্তি কর্তৃক তার বা অন্য কারও স্বার্থ রক্ষার্থে দোষারোপ করা মানহানি নয়।
১০. জনকল্যাণার্থে সতর্কতা প্রদানের উদ্দেশ্যে কারও সম্পর্কে কিছু বলা হলে, সেটিও মানহানি হবে না। দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় মানহানির শাস্তি বর্ণনায় বলা হয়েছে, এই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে দুই বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়বিধ দণ্ড হতে পারে। ৫০১ ও ৫০২ ধারা অনুসারে, মানহানিকর বলে পরিচিত বিষয় মুদ্রণ বা খোদাইকরণ সম্পর্কে এবং এর শাস্তি বর্ণিত হয়েছে।
মানহানি যদি হয় অনলাইনে
অনলাইনে ফেসবুক বা অন্য যেকোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা যেকোনো ওয়েবসাইটে যদি মানহানিকর ছবি বা বক্তব্য প্রকাশ করা হয় তাহলে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন ২০০৬ (সংশোধিত ২০১৩)-এর ৫৭ ধারা অনুযায়ী আইনের আশ্রয় নেওয়া যায়। তবে ৫৭ ধারাটি একটি অস্পষ্ট ধারা। কারণ এখানে মানহানি কীভাবে হবে, এর কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই, যা দণ্ডবিধিতে আছে। আবার ৫৭ ধারায় শাস্তিও দণ্ডবিধির চেয়ে অনেক কঠোর। পুলিশ এ ধারার অভিযোগে বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারও করতে পারে। অর্থাৎ মানহানিকর বক্তব্য যদি অনলাইনের বাইরে হয় তাহলে এক ধরনের শাস্তি আর অনলাইনে হলে আরেক ধরনের শাস্তি। তাই ৫৭ ধারায় অপব্যবহারের সম্ভাবনা বেশি থাকে।
আইনের আশ্রয় কীভাবে
মানহানির অভিযোগে ফৌজদারি ও দেওয়ানি উভয় ধরনের মামলা বা মোকদ্দমা দায়ের করার সুযোগ আছে। ফৌজদারি আদালতে নালিশি মামলা হিসেবে অভিযোগ দায়ের করতে হয়। যিনি মানহানির শিকার তিনি আদালতে অভিযোগ দায়ের করে জবানবন্দি প্রদানের মাধ্যমে মামলা দায়ের করতে হবে। আদালত সমন জারি করবেন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে। মানহানি মামলায় সরাসরি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয় না। সমন দিলে আদালতে হাজির হয়ে জামিন না চাইলে সে ক্ষেত্রে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। অনলাইনে বা যেকোনো মাধ্যমে যদি মানহানির শিকার হন কেউ, তাহলে থানায় এজাহার দায়ের করতে হবে। সরাসরি আদালতে মামলা দায়ের করা যায় না। মানহানির কারণেÿ ক্ষতিপূরণ দাবি করে দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করার সুযোগ রয়েছে। এ মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে ক্ষতিপূরণের টাকার মূল্যের ওপর কোর্ট ফি জমা দিতে হয়। তবে বিচারপদ্ধতি দেওয়ানি মোকদ্দমার মতোই। মামলায় বাদী জয়ী হলে বিবাদী থেকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে অর্থ আদায় করতে পারেন।
03/12/2021
👉 প্রতিদিনের কথাবার্তা
Be ready — তৈরী হও।
Come back — ফেরৎ এসো।
Come soon — তাড়াতাড়ি এসো।
Come sure — নিশ্চয় আসবে।
Do not cut jokes — পরিহাস করো না।
Do not delay — দেরি করো না।
Don't worry — চিন্তা করো না।
Do not talk like nonsense — বোকার মতো কথা বলো না।
Don't be late — দেরী করো না।
Don't say anything — কিছুই বলো না।
Drive slowly —আস্তে আস্তে গাড়ী চালাও।
Excuse me!— মাফ করবেন!
Follow me — আমাকে অনুসরন কর।
Go ahead — এগিয়ে যাও।
Go back — ফেরত যাও।
Leave the place -এখান থেকে চলে যাও।
Let him go — তাকে যেতে দাও।
Let me go — আমাকে যেতে দাও।
Let me see — আমাকে দেখতে দাও।
Let me work—আমাকে কাজ করতে দাও
Listen ? — শুনো
Look ahead — সামনে দেখো।
Move a site — একপাশে দাড়াও।
Never forget — কখনো ভুলো যেওনা।
Never mind — কিছু ভাববে না।
Oh come on — একটু বুঝতে চেষ্টা কর।
Please allow me to go — দয়াকরে আমাকে যেতে দিন।
Please come again — দয়াকরে আবার আসবেন।
Please come here — এখানে আসুন।
Please come in — আসুন,আসুন।
Please give me a reply — দয়া করে উত্তর দিন।
Please sign here — দয়া করে এখানে সই করুন।
Please take your seat — বসুন,বসুন।
Please wait — একটু অপেক্ষা করুন।
Please wake him up-তাকে জাগিয়ে দিন।
Take care of him-তার দেখাশোনা করবে।
Think before you speak — ভেবেচিন্তে বলবে।
✅Stay with
29/11/2021
যে সব চুক্তি সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করা যায় না তার বিবরণ দেয়া হয়েছে SR.Act এর ধারা-২১ এ।
এই ধারায় মোট ৮ টি ক্ষেত্রের বিষয়ে বলা আছে।
০১.যে চুক্তির কার্য সম্পাদন অর্থের হিসাবে পুরণযোগ্য।
০২.যে চুক্তির শর্তাবলী জটিল ও অসংখ্য বিবরনের সমষ্টি এবং যা ব্যক্তিগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার উপর নির্ভরশীল।
০৩.যে চুক্তির শর্তাবলী আদালত যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সহিত নির্নয় করতে পারে না।
০৪.যে চুক্তি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য।
০৫.যে চুক্তি কোন জিম্মাদার তার ক্ষমতা বহির্ভূত ভাবে সম্পাদন করেছে।
০৬.যদি কোন কর্পোরেশন বা কোম্পানি বা তাদের অংশিদারগণ ক্ষমতা বহির্ভূত চুক্তি করলে।
০৭.যে চুক্তির শর্তাবলী সম্পাদন করতে কাজ শুরুর তারিখ থেকে ৩ বছরের বেশি সময় কাজ করতে হয়।
০৮.যে চুক্তির উল্লেখযোগ্য অংশ চুক্তি সম্পাদনের পূর্বেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
29/11/2021
মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরে বিচারকরা কেন পেনের নিব ভেঙে ফেলেন?
এ কথা অজানা নয় যে, মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরে বিচারক বা বিচারপতিরা পেনের নিব ভেঙে ফেলেন। সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই এই রেওয়াজ চলে আসছে। কিন্তু কেন? কারণ একটি নয়, একাধিক। প্রথমত, এটি একটি প্রতীকী বিষয়। ব্যাখ্যা হলো, যে কলম একজনের জীবন নিয়ে নিয়েছে, তা যেন আর কারও জীবন নিতে না-পারে। দ্বিতীয় ব্যাখ্যাটি এর সঙ্গেই সম্পৃক্ত। বলা হয় বিচারক বা বিচারপতি ওই মৃত্যুদণ্ড এবং তা থেকে প্রসূত অপরাধবোধ থেকে নিজেদের দূরে রাখতে চান। সে কারণেই নিবটি ভেঙে ফেলেন। একজন বিচারক বা বিচারপতি তাঁর দেওয়া মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে নিতে পারেন না। তৃতীয় ব্যাখ্যা হিসেবে বলা হয়, তিনি যাতে কোনওভাবেই মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবতে না পারেন। শেষ ব্যাখ্যা সব মৃত্যুই দুঃখের। কিন্তু কখনও মৃত্যুদণ্ডের মতো চরম শাস্তির প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তাই কলমের নিব ভেঙে ফেলা হয় এটা বোঝাতে যে, মৃত্যুদণ্ড দুঃখজনক ব্যাপার।
26/11/2021
বার কাউন্সিলের পড়াশুনা কঠিন প্রসিডিউর নয়, জাস্ট টেকনিক্যাল প্রসিডিউর।
লিখাটা লিখার কারন হলো আপনি যদি ঢাকা শহরে অপরিচিত নতুন একটা ঠিকানা কারো দিক নির্দেশনা ছাড়া খুঁজতে যান হন্যে হয়ে সারাদিন খুজেঁও ঠিকানা পেতে কষ্ট হয়ে যাবে, আর সঠিক জানা লোকের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথভাবে গেলে অনায়াসে গন্তব্যে পৌঁছা যায়।
মূল আলোচনায় আসি, অনার্স লাইফে থাকতে সিনিয়র ভাইয়ারা যখন CRPC এর সেকশন বা CPC এর Order বা Rule গুলো ফটাফট করে ঠোঁটস্থ বলতো তখন অবাক দৃষ্টিতে ভাবতাম কেমনে এতকিছু অয়তস্থ রাখা সম্ভব!!! কিন্তু ধৈর্য্য এবং প্রসিডিউর অনুযায়ী যখন আমরা পরীক্ষার জন্য অধ্যাবসায় শুরু করেছি তখন স্বাভাবিক ভাবেই আয়তস্থ হয়ে গেছে।
প্রথমে একটু চাপ কমিয়ে দিচ্ছি, বার কাউন্সিল পাশ করতে হলে মূল ধাপ বা পুলসিরাত হচ্ছে জাস্ট MCQ পার হওয়া। কারন, ভাইভায় গতবার ২০১৮তে প্রায় ৯৫% ও ২০২১শে প্রায় ৯৪% পাশ করেছে কিন্তু MCQতে এবার (২০২০সালে) মাত্র ১৭/১৮%।
তার মানে আপনার ভাইভা নিয়ে টেনশনকে Good bay দিয়ে দেন। অনাকাঙ্খিত বিষয় ছাড়া আপনি ধরে রাখতে পারেন ভাইভায় গেলে ইনশাআল্লাহ পাশ স্বভাবিক।
আর
👍👍 #রিটেন পাশ করার মূল টেকনিক একটাই, জাস্ট Anyway any how ফূল মার্কস টাচ্ করতে হবে। একটু সব প্রশ্নের সাথে রিলেভেন্সি রেখে উত্তর ব্যাখ্যা করে পৃষ্ঠা ফিলাপ করতে হবে। কিছু টেকনিক এপ্লাই করতে পারেন যেমন নিষেধাজ্ঞা রিলেটেড প্রশ্ন আসলে ঠিক কোথায় কি বলা আছে মনে না থাকলেও জাস্ট দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ ৩৯তে নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে বলা আছে এটা লিখে প্রশ্ন শুরু করতে পারেন। আর অল্প কিছু কেস মুখস্ত করতে পারেন যেমন আপিল রিলেটেড একটা কেস মুখস্ত করে রাখলে আপিলের যে ধরনের প্রশ্ন আসুক ওইটা লিংক আপ করে দিয়ে দিতে পারে।
এবারে পরিচিত অনেকে আইনের যথাযথ সেকশন বা রেফারেন্স কিছুই অনেক প্রশ্নে দিতে পারে নাই কিন্তু রিটেনে পাশ করেছে। কিছু ভাগ্যের বিষয়ও ছিলো। অনেক মেধাবীরাও পরীক্ষায় ভালো করতে পারে নাই, সেটা ভিন্ন বিষয়।
#এবার আসি MCQ নিয়ে, এবার যারা পাস করেছে তারা বেশির ভাগই একেকজন বার কাউন্সিলের সাবজেক্ট গুলোর উপর মাস্টার হয়ে গেছেন, অন্যদেরকে পড়ানোর মতোও যোগ্যতা রাখে।
এ যোগ্যতা চাইলে আপনিও অর্জন করতে পারেন।
প্রথমে বার কাউন্সিলের সাতটা সাবজেক্টের (Bare Act) মূল বই গুলো পাশে রাখুন তারপর একটা খাতা ভালো করে বাঁধাই করে রাখুন।
ছোট আইনগুলো থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ সেকশনের হেডিং এর নিচে একটু জায়গা খালি রেখে সবগুলো গুরুত্বপূর্ণ সেকশনের হেডিং ঐ খাতায় লিখে রাখুন।
( শুধু গুরুত্বপূর্ণ সেকশনগুলো লিখলে মোটামুটি হবে কারণ কয়েকটা অপরিচিত সেকশন থেকে কিছু প্রশ্ন আসতে পারে, পাশ মার্ক যেহেতু ৫০- আপনাকে ১০০ টার উত্তর দিতেই হবে বা ৯০ এর উপরে মার্কস পেতেই হবে তার কোনো বাধ্যবাধকতা নাই) কারো লাগলে ইনবক্সে নক দিলে গুরুত্বপূর্ণ সেকশন গুলো সময় করে দিয়ে দিব।
তারপর মূল বইয়ের মধ্যে গিয়ে ঐ সেকশনের গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয় গুলো আছে সেগুলোর কিওয়ার্ডগুলো হেডিং এর এর নিচে লিখে রাখুন, পাশে ভালো মানের একটা গাইড বই সাথে রাখুন। সেকশনের রিলেটেড গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য গাইড থেকে নিয়ে ঐ সেকশনের হেডিং এর নিচে ছোট বলপেন লাল বা সবুজ কলম দিয়ে লিখে রাখুন যেমন, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারায় (Suicide)-আত্মহত্যা, (Postmortem)-ময়নাতদন্ত, ( inquest Report )- সুরতহাল ইত্যাদি নিয়ে অনেক কিছু বলা আছে -
কিন্তু জাস্ট আপনি ওই সেকশন থেকে ময়নাতদন্ত কে করতে পারবে?- সিভিল সার্জন, সুরতহাল কে করতে পারে -ম্যাজিস্ট্রেট এবং আত্মহত্যা হলে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে এই কয়টা মূল বিষয় লিখে রাখুন। Penal Code এর ক্ষেত্রে শুধু উপাদান অথবা শাস্তিটা সেকশনের হেডিং এর নিচে লিখে রাখুন। এইভাবে তৈরীকৃত ঐ খাতাটা আপনার mcq, রিটেন, ভাইবা এবং প্র্যাকটিসেও আপনার সাথে থাকবে। এভাবে পড়লে পরবর্তীতে আপনি নিজেও অন্যদেরকে পড়াতে পারবেন।
(অনেকে শুধু মূল বই পড়তে বলে এটা ভুল, যেমন SR Act এর ৮ ধারায় বলা আছে সত্ত্বসহ দখল পুনরুদ্ধার দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী হবে। আর কিছু বলা নাই, তাহলে কত বছরের মধ্যে করতে হবে, কোর্ট ফি কত হবে? প্রতিকার কি- ইত্যাদি বিস্তারিত কোথায় থেকে পড়বে??
আর ব্রিটিশ কর্তৃক প্রণীত কিছু সেকশন আছে আমাজন বন-জঙ্গলের মতো অথবা গুলিস্তানের ডিশের তারের মতো প্যাঁচানো, এই প্যাঁচানো বিষয়গুলো বুঝার জন্যও একটা গাইডলাইন দরকার)
মোটামুটি নোট করা হয়ে গেলে সেকশনের হেডিং গুলো মুখস্ত করে ফেলুন, অর্ধেক কাজ শেষ।
CPCP তে প্রথমে শুধুমাত্র আদেশসমূহ এর হেডিং গুলো মুখস্ত করে রাখুন প্রথমে ( নতুনদের জন্য প্রথমে শুধু যেমন, 26 আদেশে "কমিশন নিয়োগ" সম্পর্কে বলা আছে জাস্ট এতোটুকু আগে মুখস্ত করুন) তারপর গুরুত্বপূর্ণ সেকশনে বা রুল আয়ত্ব করুন তাতে করে হালকা বোধ হবে।
আর এগুলো মুখস্ত করার সময় কিছু টেকনিক মাথায় রাখতে পারবেন। যেমন আমরা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা পড়ার সময় কোন কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা যাবে সেখানে TAMP (টাম্প) দিয়ে পড়েছি
T- ট্রাস্টি ( ট্রাস্টি সম্পত্তি হতে হবে)
A-আর্থিক ( আর্থিক ক্ষতিপূরণ না পাওয়া গেলে)
M-মানদন্ড ( ক্ষতির মানদণ্ড থাকবে না)
P- পর্যাপ্ত ( পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ না পাওয়া গেলে)
অথবা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারায় কয়ভাবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেয়া যায়??
তা -RADIO (রেডিও)এর মাধ্যমে ৫ধারায় ৫ভাবে -
R-Receiver নিয়োগের মাধ্যমে ,
A -(Acceptence & Delivery/গ্রহন-অর্পণের মাধ্যমে),
D- Declaration - ঘোষণার মাধ্যমে)
I- Injunction / নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে,
O- Order - যে কাজ করতে বাধ্য তার আদেশ দ্বারা।
এভাবে পড়লে সারা জীবন এগুলো আপনার মস্তিষ্কের হার্ডডিক্সে Save থাকবে।
যাই হোক লেখাটা অনেক বড় হয়ে গেছে, আর ছোট লেখা দ্বারা সবকিছু বুঝানোও যায়না। তবে সবচেয়ে বড় কথা হল আপনাকে সাধনা বা একটু দৈনিক 2/1 ঘণ্টা করে হলেও মনোযোগ দিয়ে বার কাউন্সিলের সাবজেক্টের সাথে রিলেশন করতে হবে। কারন খালি পানিতে যেভাবে দই বসানো যায় না তেমনি ডেডিকেশন ছাড়া সফলতাও সম্ভব নয়।
শিক্ষানবিশদের কষ্টগুলো আমরা বুঝি, আপনারা যে কোন বিষয়ে পরামর্শ, সাপোর্ট চাইতে পারেন, আমরা আপনাদের সাথে আছি ইনশাহ-আল্লাহ।
সকলের জন্য শুভকামনা রইল।
নাহিদুর রহমান নাহিদ
বার কাউন্সিল পরীক্ষার ক্লাস বা পরামর্শের জন্য,
(আজীবনের ছাত্র)
01827445357
[email protected]
26/11/2021
সাবধান! ক্যানসার তৈরি করে যেসব খাবার! দেখুন হয়তো খেয়েই চলেছেন !!
ক্যানসার তৈরি করে – মরণব্যাধি ক্যানসার। প্রতিরোধের উত্তম চিকিৎসা। শরীরের অতি দ্রুত অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের মাধ্যমে ক্যানসার তৈরি হয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অনেক খাবার ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় এবং অনেক খাবার আবার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। যেসব খাবার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় তা নিজে জানুন এবং অন্যকে জানিয়ে সচেতন করে দিন।
১. আলুর চিপস :
চিপসের স্বাদ মচমচে করার জন্য কৃত্রিম রং, ফ্লেভার, ট্রান্স ফ্যাট ও প্রচুর লবণ মিশানো হয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।
২. ফ্রেঞ্চ ফ্রাই :
আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির সময় উচ্চ তাপ ও তেলের সংস্পর্শে অ্যাক্রাইলেমাইড সৃষ্টি হয়ে ক্যানসার হয়।
৩. প্রক্রিয়াজাত মাংসের খাবার :
বেকন, হটডগ, মিডলোফ, সসেজ, বার্গার ইত্যাদি খাবারে সোডিয়াম নাইট্রেট থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, সোডিয়াম নাইট্রেটযুক্ত প্রক্রিয়াজাত মাংস মানবদেহে এন নাইট্রোসোতে পরিণত হয়ে ক্যানসার সৃষ্টি করে।
৪. সফট ড্রিংকস :
বাজারের কোমল পানীয়তে থাকে ক্ষতিকর রং, অতিরিক্ত সোডা ও কৃত্রিম চিনি। এটি রক্তে গ্লুকোজ বাড়িয়ে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্ট বাড়িয়ে মেটাবলিক সিনড্রোম ও ক্যানসার তৈরি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, কোমল পানীয়তে ‘৪-মিথাইলমিডাজল’ নামের যে রং থাকে, এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।
৫. কৃত্রিম চিনি :
কৃত্রিম চিনি অ্যাসপার্টের চিনির চেয়ে ১০ গুণ বেশি মিষ্টি এবং ক্যালোরি শূন্য। এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই খুব জনপ্রিয়। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিতভাবে কৃত্রিম চিনি খেলে ব্রেইন ক্যানসার হতে পারে।
৬. অ্যালকোহল :
অতিরিক্ত অ্যালকোহল মানব দেহে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে অ্যাসিটেলডিহাইডে পরিণত হয়ে ডিএনএ ভেঙ্গে ক্যানসার তৈরি করে।
৭. গ্রিল, বারবিকিউ :
গ্রিল, বারবিকিউ এ ধরনের মাংসে উচ্চ তাপে হেটারোসাইক্লিক অ্যামাইন তৈরি হয়। এ থেকে ক্যানসার হতে পারে।
৮. বিষাক্ত কীটনাশক ও ক্যামিক্যাল যুক্ত ফলমূল :
আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ৩০ ভাগ কীটনাশক হচ্ছে কারসিনোজেন। এটি মানব দেহে কোনো না কোনো ক্যানসার তৈরি করে।
৯. খোলা বাজারের শরবত :
বাজারের শরবতে থাকে দূষিত পানি, বরফ ও ক্ষতিকর রং। এগুলো জন্ডিস, হেপাটাইটিস ও লিভার ক্যানসার সৃষ্টি করে।
১০. পুরোনো তেল :
পুরোনো তেল দিয়ে বারবার খাবার রান্না করলে ফ্রি রেডিক্যাল তৈরি হয়ে ডিএনএ কে ভেঙে ক্যানসার হতে পারে।
Collected
25/11/2021
যারা ই-পাসপোর্ট করতে চান তাদের জন্য সম্পূর্ন গাইড লাইনঃ
০১. ই পাসপোর্ট করতে কখনোই কোন অবস্থাতেই কোন দালালের সরনাপন্ন হবেন না। কেনোনা এই ডিজিটাল ব্যাপারটায় দালালের কিছুই করার নেই। তাই নিজের টা নিজে করুন।
০২. আপনারা নিজের টা অবশ্যই নিজে পারবেন। আপনার পরিবারেরটাও আপনি পারবেন।
০৩. এম আর পি থেকে ই পাসপোর্ট করা আর নতুন ভাবে ই পাসপোর্ট করার ফর্মালিটি একই। এম আর পি পাসপোর্ট থাকলে শুধু এর ডাটা গুলো ভুল না করে সঠিক ভাবে নতুন আবেদনে উল্ল্যেক্ষ করুন।
০৪. একটা বিষয় মাথায় রাখবেন ই পাসপোর্ট করতে যে সাপোর্টিং পেপার লাগে তা অবশ্যই আবেদনের পূর্বেই নিজের কাছে সংগ্রহে রাখুন, জেনো কোন অবস্থাতেই আপনার আবেদন টা পরিপূর্ণ করতে ঝামেলায় পড়তে না হয়।
★কি কি ডকুমেন্ট লাগবে?
(ক) আপনার বয়স যদি ১৮ থেকে ২০বছরের মাঝে হয়, তবে NID অথবা ১৭ ডিজিটের ভেরিফাইড Birth Certificate. আর ২০ বছরের উপর হলে অবশ্যই NID লাগবে।
(খ) পুরাতন পাসপোর্ট থাকলে তার যে পেইজে ডাটা রয়েছে সেই পাতাটির ফটোকপি।
(গ) যারা বিবাহিত তাদের কাবিন নামার কপি।
(ঘ) ১৮ বছরের নিচে হলে বাবা মা এর NID এর কপি।
(অ) ৬ বছর পর্যন্ত বাচ্চাদের ক্ষেত্রে গ্রে বেকগ্রাউন্ডের উপর পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি ছবি।
(আ) ১৫ বছরের নিচের বাচ্চাদের জন্য তাদের বাবা মা এর পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
ই পাসপোর্টের জন্য এই সব কাগজের কোন কিছুই সত্যায়িত করার প্রয়োজন নেই।
তবে যেদিন এপয়েন্টমেন্ট তারিখে আপনারা পাসপোর্ট অফিসে যাবেন সেদিন এই সকল কপির মুল সেট টি অবশ্যই সাথে নিয়তে হবে।
★এবার আসি আবেদনের ব্যপারে।
০১. প্রথমেই একটি বৈধ ই মেইল আইডি থেকে epassport.gov.bd এই ঠিকানায় গিয়ে নির্দেশনা মোতাবেক আপনার একটা account খুলুন। একাউন্ট খুলতে আপনার একটা সচল বৈধ মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করুন যা সব সময় আপনার নিজের কাছে থাকবে। account খোলার সময় একটা password use করতে হবে । তা যত্ন সহ সংরক্ষন করুন।
০২. আপনার একটা account থেকেই আপনি আপনার নিজের ও আপনার পরিবারের সদস্যদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
০৩. এবার আপনার আবেদন গুলো নির্ভয়ে আস্তে আস্তে সময় নিয়ে (প্রয়োজন হলে দুই তিন দিন ) পূরণ করুন। এটা পূরণ করতে গিয়ে প্রতিটা ষ্টেপে "Save and Continue" নির্ভয়ে চাপুন আর পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যান। কেননা এখানে ভুল হলেও আপনি তা শুদ্ধ করার সুযোগ পাবেন। এভাবে একে একে আপনার সব গুলো আবেদন পত্র গুলো পুরন করুন। একটা বিষয় খেয়াল রাখবেন আবেদন পত্র পুরনের শেষ ধাপে "Confirm and Submit" অপশন আসবে। এই খানে ক্লিক করার আগে আপনি এতক্ষন যা পুরন করেছেন তা দারি কমা সহ পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে চেক করে নিন। প্রয়োজন হলে এই ড্রাফটের একটা কপি প্রিন্ট করে নিয়ে ভালো ভাবে এর ইনফরমেশন গুলো যচাই করে নিন। আপনি এই অবস্থায় আপনার কম্পিউটার থেকে বেরিয়ে গেলেও অসুবিধা নেই । আপনার এতোক্ষন কাজের সব কিছুই সেইভ হয়ে থাকবে।
সব কিছু ঠিক থাকলে "Confirm and Submit" বাটনে ক্লিক করুন। ব্যাস আপনার আবেদন এর কাজ শেষ। এই পর্যায়ে আপনার কাছে আপনি কবে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে ছবি উঠাবন, আঙ্গুলের ছাপ দিবেন, চোখের আইরিশ দিতে পারবেন তার এপয়েন্টমেন্ট এর শিডিউল চাইবে, তখন আপনি আপনার সুবিধামত এপয়েন্টম্যান্ট নিন। আর এই এপয়েন্টমেন্ট শিট এর একটি কপি প্রিন্ট করে নিন। এবার আপনার আবেদনের ৩ পাতার মুল কপিটি প্রিন্ট করে রাখুন।
নাম লেখার ব্যপারে অনেকেই একটা সমস্যায় ভুগেন যেমন কারো নাম যদি হয় A.Z.M. ZUBAIDUR RAHMAN হয় তবে তিনি Sure Name এর ক্ষেত্রে লিখবেন RAHMAN. আর Given Name এ লিখবেন AZM ZUBAIDUR . এখানে কোন Dot ba ফোটা ব্যবহার করা যাবেনা।
আর মনে রাখবেন আপনার শিক্ষা সার্টিফিকেটে আপনার নাম যেভাবেই লিখা থাকুক তাতে কিছুই আসে যায়না। আপনি আপনার আবেদনে নাম লিখবেন আপনার NID অনুযায়ী।
এবার আপনি নির্দিষ্ট ব্যাংক কে আপনার পাসপোর্ট এর ফী জমা দিন। মনে রাখবেন আপনার আবেদনে যেভাবে নাম লিখেছেন ব্যাংক এর জমার স্লিপ এর নামও ঠিক হুবুহু একই যেনো হয়। ব্যাংক এ টাকা জমা দেওয়ার পর ব্যাংক আপনাকে এটা স্লিপ দিবে, যেখানে একটা রেফারেন্স নাম্বার থাকবে। এই রেফারেন্স নাম্বার টা আপনার মূল আবেদনের ৩য় পাতায় নির্ধারিত জায়গায় যত্ন নিয়ে নির্ভুল ভাবে লিখুন। আর ৩য় পাতার নিচে আপনি স্বাক্ষর ও তারিখ দিন।
এবার পর্যায়েক্রমে উপর থেকে নিচের দিকে ব্যাংক জমার স্লিপ, এপয়েন্টমেন্ট লেটার, মুল আবেদন পত্র, নিজের NID এর কপি, পুরাতন পাসপোর্ট এর ফটোকপি (যদি থাকে), স্ত্রী এর NID কপি, কাবিন নামার ফটোকপি একসাথে করে একটা সেট বানিয়ে পিনআপ করে সংরক্ষন করুন আর নিশ্চিন্তে এপয়েন্টমেন্ট দিনের জন্য অপেক্ষা করুন।
দ্বিতীয় ধাপ: আগে থেকে নির্ধারণ করা তারিখে পাসপোর্ট অফিসে দেখা করবেন সেই প্রিন্ট করা পত্রগুলো ও ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার রশিদ নিয়ে। পরে বিভিন্ন ভাবে আবেদন পত্রগুলো ও জাতীয় পরিচয়পত্র চেক করে পত্রগুলোর উপর সীল মেরে দিয়ে একটি কক্ষে যেতে বলবে। সেখানে যাওয়ার পর ছবি তুলবে হাতের ফিঙ্গার প্রিন্ট ও চোখের আইরিশ নেয়া হবে। পরে পাসপোর্ট ভেলিভারির একটি স্লিপ দেওয়া হবে। এরপরে বাড়িতে পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে।
ব্যাংক ফিঃ
ওয়ান ব্যাংক,প্রিমিয়ার ব্যাংক,সোনালী ব্যাংক,ট্রাস্ট ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া,ঢাকা ব্যাংক
৪৮ পেজ ৫ বছর মেয়াদে ৪০২৫/- ২১ দিনে
৪৮ পেজ ৫ বছর মেয়াদে ৬৩২৫/- ৭/১০ দিনে জরুরি ডেলিভারিতে
৪৮ পেজ ৫ বছর মেয়াদে ৮৬২৫/- ২ দিনে
সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে
৪৮ পেজ ১০ বছর মেয়াদে ৫৭৫০/- ২১ দিনে
৪৮ পেজ ১০ বছর মেয়াদে ৮০৫০/- ৭/১০ দিনে জরুরি ডেলিভারিতে
৪৮ পেজ ১০ বছর মেয়াদে ১০৩৫০/- ২ দিনে
সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে
তৃতীয় ধাপ: পাসপোর্ট সংগ্রহ
পাসপোর্ট ভেলিভারি স্লিপের তারিখ অনুযায়ী আবার পাসপোর্ট অফিসে দেখা করবেন। ফিঙ্গারপ্রিন্ট চেক করে ই-পাসপোর্ট বুঝিয়ে দেয়া হবে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ও লক্ষনীয় বিষয়
১: কোন ভূল ও মিথ্যা তথ্য দিবেন না।
২: ভূল বা মিথ্যা ঠিকানা ব্যবহার করবেন না।
৩: পাসপোর্ট সংক্রান্ত কোন সমস্যা হলে দ্রুত পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করবেন
৪: পুলিশ ভেরিফিকেশনে ঘুষ চাইলে পাসপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিক জানান
৫: পাসপোর্ট অফিসে কোন সমস্যা হলে সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ, আনসার, সেনাবাহিনী বা অন্য কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসা করেন, তারাই বলে দিবে আপনাকে কি করতে হবে কোন কক্ষে যেতে হবে। সুতরাং কারো সাথে অভদ্র আচরণ করবেন না।
ই-পাসপোর্ট আবেদনের জন্য যা প্রয়োজন:
১: আপনার বাসার বিদ্যুৎ বিলের ফটোকপি
২: আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র
পুলিশ ভেরিফিকেশন যা দেখতে চাইতে পারে:
১: আপনার ও আপনার বাবা মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র
২: পাসপোর্ট আবেদনে যে পেশা দিয়েছেন তার প্রমাণ। যেমন: স্টুডেন্ট দিলে স্টুডেন্ট আইডি কার্ড।
৩: বিদ্যুৎ বিলের ফটোকপি বা বিদ্যুৎ বিল কার্ডে রিচার্জ করলে কার্ডের ফটোকপি।
epassport.gov
25/11/2021
আলহামদুলিল্লাহ হাইকোর্ট পারমিশন এক্সামের ডেট হয়েছে। সকল আইনজীবী পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া ও শুভকামনা রইলো। আল্লাহ তায়ালা যেন সকলের মনের আশা পূরণ করেন। আমীন।
24/11/2021
চেক ডিজঅনার হলে কি করবেন? এক্ষেত্রে মামলা দায়ের পদ্ধতি
ব্যাংকে রাখা টাকা তুলতে হলে গ্রাহককে চেক লিখতে হয়। সেই চেক গ্রাহক বা অন্য কেউ ব্যাংকে দেবার পর ব্যাংক চেকে উল্লিখিত অংকের নগদ টাকা দেয়। আধুনিককালের ক্রেডিট কার্ড এবং ক্যাশ কার্ডকেও চেকের একটি বিশেষরূপ বলা যায়।
চেক বিভিন্নভাবে লেখা যায়:
বাহক চেক:
এসব চেক যেকোন বাহক ভাঙাতে পারে।
ক্রস চেক বা একাউন্ট পেয়ী চেক:
এসব চেকে প্রাপকের নাম লিখে দেয়া হয় এবং সরাসরি তাকে টাকা না দিয়ে তার একাউন্টে জমা করা হয়। পরে প্রাপক নিজের চেক বইয়ের মাধ্যমে টাকা তুলতে পারেন।
অগ্রিম চেক:
এধরনের চেকে অগ্রিম তারিখ লিখে দেয়া হয় এবং নির্ধারিত তারিখের আগে টাকা তোলা যায় না।
চেক ডিজঅনার হওয়া:
চেকে উল্লিখিত অংকের টাকা একাউন্টে না থাকলে ব্যাংকের পক্ষে টাকা দেয়া সম্ভব হয় না এবং চেক প্রত্যাখ্যান করা হয়, যা চেক ডিজঅনার হওয়া নামে পরিচিত।
চেক ডিজঅনার হওয়া একটি অপরাধ:
ডিজঅনার হওয়া চেকের বাহক একাউন্টধারী নিজে হলে সেটা কোন অপরাধ নয়। কিন্তু যদি এমন হয় যে একাউন্টধারী অন্য কাউকে চেক লিখে দিলেন এবং সেটি ব্যাংকে প্রত্যাখ্যাত হল, তবে সেটি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ১৮৮১ সালের নেগোশিয়েবল অ্যাক্টের ১৩৮ এবং ১৩৯ নম্বর ধারায় এ সংক্রান্ত ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান করা হয়। পরে ২০০০ এবং ২০০৬ সালে সংশ্লিষ্ট ধারায় কিছু পরিবর্তন আনা হয়।
আইনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক:
চেক লেখার সময় থেকে ছয় মাস পর্যন্ত চেকটির মেয়াদ থাকে। তবে মেয়াদ শেষে একাউন্টধারী তারিখ কেটে পুনরায় তারিখ লিখে সাক্ষর করে মেয়াদ বাড়াতে পারেন। চেক ডিজঅনার হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে একাউন্টধারীকে চেক ডিজঅনার হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে চেকে উল্লিখিত অংকের টাকা প্রদানের দাবি জানাতে হয়। আর ত্রিশ দিনের মধ্যে দাবি না জানালে সেটি আইনের দৃষ্টিতে গ্রাহ্য হয় না। নোটিশ পাওয়ার ত্রিশ দিনের মধ্যে একাউন্টধারীকে টাকা পরিশোধ করতে হয়। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা যায়।
যে ক্ষেত্রে কোন লোক তার দ্বারা পরিচালিত কোন ব্যাংক একাউন্ট হতে অন্য কোন লোককে যে কোন পরিমাণ অর্থ পরিশোধের জন্য কোন চেক দেয় এবং উক্ত একাউন্টে যদি চেক কাটা টাকার পরিমানের চেয়ে কম টাকা থাকে এবং চেকটি যদি ব্যাংক অপরিশোধিত অবস্থায় ফেরত দেয় তাহলে চেকদাতা একটি অপরাধ সংঘটিত করেছে বলে গণ্য হবে এবং তিনি এক বৎসর মেয়াদ পর্যন্ত দন্ডে দন্ডিত অথবা চেকে বর্ণিত অর্থের তিনগুন পরিমাণ অর্থ দন্ডে দন্ডিত হবে অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে। তহবিল অপর্যাপ্ততার কারণে ব্যাংকের চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়া একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
নেগোসিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যাক্টের (এনআই অ্যাক্ট) ১৩৮, ১৪০ ও ১৪১ ধারায় তহবিল অপর্যাপ্ততার কারণে ব্যাংকের চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার অপরাধের জন্য আইনি প্রতিকারের বিধান রাখা হয়েছে।
আমাদের দেশে চেক ডিজঅনারের মামলার পদ্ধতি সম্পর্কে বহু ভুল ধারণা রয়েছে। ফলে দেখা যায়, পদ্ধতিগত কারণে অনেকের মামলার অধিকারই নষ্ট হয়ে যায়। চেকের মামলা করতে ৩বার চেক ডিজঅনার করাতে হয় মর্মে একটি ভুল ধারণা দেশে সর্বসাধারণে প্রচলিত রয়েছে। অনেক বিজ্ঞ ব্যক্তি ও অভিজ্ঞ ব্যাংক কর্মকর্তাকেও দেখেছি চেকের মামলার জন্য গ্রাহককে ৩বার চেক ডিজঅনার করানোর পরামর্শ দিতে। এটা একটা প্রচলিত নিয়মে পরিণত হয়েছে, যা ভুল পরামর্শ। প্রকৃতপক্ষে আইনে এ ধরনের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এ ব্যাপারে এন আই অ্যাক্টের বিধান মতে, চেক ৬ মাসের মধ্যে যেদিন ডিজঅনার হয় সে দিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে লিগ্যাল নোটিশ প্রদানের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
নগদ টাকার পরিবর্তে চেকের মাধ্যমে ঋণ অথবা অন্য কোনো দায় পরিশোধকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ আইন করা হয়েছে। নগদ লেনদেনে রয়েছে ঝুঁকি। তা সত্ত্বেও আমাদের দেশের নগদ লেনদেনের প্রতি মানুষের ঝোঁক বেশি। চেকের মাধ্যমে লেনদেনে ঝুঁকি কম। তবে চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ঝুঁকি আছে। বিদেশে চেক অথবা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেই অধিকাংশ দেনা পরিশোধ করা হয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো চেকের মাধ্যমে লেনদেন এখনো আমাদের দেশে ততটা জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি। তবে ক্রমান্বয়ে চেক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
উদাহরণ:
ধরা যাক ‘ক’ এর কাছে ‘খ’ দুই লাখ টাকা পাবে। ‘ক’ টাকা পরিশোধের উদ্দেশে ‘খ’ কে জনতা ব্যাংকের একটি চেক দিল। চেকে টাকার পরিমাণও ছিল দুই লাখ। ‘খ’ টাকা উত্তোলনের জন্য যথাসময়ে চেকটি জনতা ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর জনতা ব্যাংক জানিয়ে দিল ‘ক’ এর ব্যাংক হিসেবে পর্যাপ্ত টাকা নেই। তহবিল অপর্যাপ্ততার কারণে ‘ক’ অপরাধ করেছে। তবে আইনের এ বিধানাবলী কার্যকর করতে কতিপয় শর্ত পূরণ করতে হবে।
চেক প্রাপকের পালনীয় কর্তব্য সমূহ
ক.চেকটি প্রস্তুত হওয়ার তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে অথবা চেকটি বৈধ থাকাকালীন সময়ের মধ্যে যেটি আগে হয় সেই সময়সীমার মধ্যে ব্যাংকে উপস্থাপন করতে হবে।
খ.চেকটির প্রাপক অথবা যথা নিয়মে ধারক যেই হোন না কেন ব্যাংক কর্তৃক চেকটি ফেরত কিংবা ডিস্অনার হয়েছে তা অবগত হওয়ার ত্রিশ দিনের মধ্যে চেকে বর্ণিত টাকা পরিশোধের দাবি জানিয়ে চেক প্রদানকারীকে লিখিত নোটিশ প্রদান করবেন।
গ.উক্ত নোটিশ প্রাপ্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে চেক প্রদানকারী চেকের প্রাপককে অথবা যথা নিয়মে ধারকের বরাবর উল্লেখিত পরিমাণ টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে মামলার কারণ উদ্ভব হবে।
ঘ.মামলার কারণ উদ্ভব হওয়ার তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
নোটিশ জারীর নিয়মাবলী
সরাসরি প্রাপক বরাবর অথবা তার সর্বশেষ বসবাসের ঠিকানা কিংবা বাংলাদেশে তার ব্যবসায়িক ঠিকানা বরাবর প্রাপ্তি স্বীকারপত্রের ব্যবস্থাসহ রেজিস্টার্ড ডাকে নোটিশ পাঠাতে হয়। এছাড়া অন্তত একটি জাতীয় বাংলা দৈনিকে নোটিশটি বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করতে হয়। দেনাদারের সর্বশেষ জানা সঠিক ঠিকানায় নোটিশ দিলে তা প্রাপক গ্রহণ না করলে, ফেরত আসলে, প্রত্যাখ্যান করলে তাতে মামলার কোনো ক্ষতি হবে না, তবে আইনের বিধান হচ্ছে লিখিতভাবে নোটিশ দিতেই হবে এবং নোটিশে প্রাপককে টাকা আদায়ের জন্য প্রাপ্তির দিন হতে ৩০ দিন সময় দিতে হবে। এর আগে মামলা করা যাবে না। নোটিশ গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের দিন থেকে উক্ত সময় গণনা হবে।
চেকটির প্রেরক যদি কোন রেজিষ্টার কোম্পানী হয়
কোম্পানির ক্ষেত্রেও এ আইন প্রযোজ্য হবে। এনআই অ্যাক্টের ধারা ১৩৮-এ বর্ণিত অপরাধ সংঘটনকারী যদি একটি কোম্পানি হয় এবং ওই কোম্পানি যদি সংঘটিত অপরাধের জন্য দায়ী বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে ওই অপরাধ সংঘটনের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংঘটিত অপরাধের জন্য দায়ী হবেন এবং আইন অনুযায়ী দণ্ডিত হবেন।
যে সব কারণে চেকের অমর্যাদা হতে পারে সেগুলো হচ্ছে:
১. চেক মেয়াদোত্তীর্ণ হলে
২. যথাযথভাবে চেক পূরণ করা না হলে
৩. চেকে ড্রয়ারে স্বাক্ষর না হলে
৪. চেক পোস্ট ডেটেড অর্থাৎ পর-তারিখের হলে
৫. চেকে স্বাক্ষরের সঙ্গে ব্যাংকে রক্ষিত গ্রাহকের নমুনা স্বাক্ষরের অমিল হলে
৬. চেকে উল্লিখিত টাকার পরিমাণ অংকে ও কথায় অমিল হলে
৭. হিসাবে পর্যাপ্ত স্থিতি না থাকলে
৮. চেকে ঘষামাজা থাকলে
৯. চেকে কাটাকাটি থাকলে পূর্ণ স্বাক্ষর দিয়ে তা সত্যকরণ না করা হলে
১০. ব্যাংকিং সময়ের পর চেক উপস্থাপন করা হলে
এ ছাড়া আরো অনেক কারণে চেক প্রত্যাখ্যাত (বাউন্স) হতে পারে। যে সব কারণে চেক প্রত্যাখ্যাত হতে পারে তার একটি ছাপানো রশিদ প্রতিটি ব্যাংকে থাকে। যে কারণে চেকটি প্রত্যাখ্যাত হলো তা চিহ্নিত করে ওই স্লিপসহ চেকটি প্রাপকের কাছে ব্যাংক ফেরত পাঠায়। উল্লেখ্য, শুধু তহবিল অপর্যাপ্ততার কারণে চেক প্রত্যাখ্যাত হলে তা এই আইনের আওতায় পড়ে।
মামলা করা:
এ ধরনের মামলা একজনের পক্ষে আরেকজন করতে পারেন না। যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে চেক দেয়া হয়েছে কেবল তিনিই মামলা করতে পারেন। মামলা করার ক্ষেত্রে তারিখ খুব গুরুত্বপূর্ণ, চেক ডিজঅনার হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে নোটিশ পাঠাতে হয়। নোটিশ পাঠিয়ে ১৫ দিন অপেক্ষা করতে হয়। এরপর ৩০ দিনের মধ্যে মামলা করতে হয়।
যে আদালতে মামলা করতে হবে:
ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করতে হয় তবে বিচারের ক্ষমতা দায়রা আদালতের। এ ধরনের মামলা দায়ের করতে যেসব তথ্য প্রয়োজন হয়:
১। চেক প্রদানকারীর নাম
২। চেক প্রদানের বা লেখার তারিখ
৩। চেক ডিজঅনার হওয়ার তারিখ
৪। ব্যাংক, ব্যাংকের শাখার নাম, হিসাব নম্বর, চেক নম্বর ও টাকার পরিমাণ
৫। কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে চেক দেয়া হয়ে থাকলে ইস্যুকারী কর্মকর্তার নাম, পদবী ও প্রতিষ্ঠানের নাম।
৬। যে কারণে চেকটি ডিজঅনার করা হয়েছে।
৭। চেক ডিজঅনার হওয়ার কথা জানিয়ে নোটিশ পাঠানোর প্রমাণ এবং নোটিশ ফেরত এসে থাকলে ফেরত আসার তারিখসহ অন্যান্য তথ্য।
৮। চেক-লেনদেনের তথ্য।
যথাসময়ে মামলা দায়ের করতে না পারলে
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যাক্টের অধীনে মামলা দায়ের করতে না পারলে দন্ডবিধির ৪০৬ এবং ৪২০ ধারা অনুসারে ফৌজদারী মামলা দায়ের করা যায়। তবে এক্ষেত্রে টাকা ফেরত পাওয়ার সুযোগ নেই। দোষী সাব্যস্ত হলে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড এবং জরিমানা হতে পারে।
আপীল দায়ের
তহবিল অপর্যাপ্ততার কারণে ব্যাংক চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার অপরাধে আদালত কাউকে কারাদন্ড প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে আপিল করতে হলে প্রত্যাখ্যাত চেকের মূল্যের কমপক্ষে ৫০ শতাংশ অর্থ সংশ্লিষ্ট আদালতে জমা দিতে হবে। একাউন্টধারী চেকে উল্লিখিত অর্থের ৫০ শতাংশ পরিশোধ করতে সক্ষম হলে আপীল করা যায় না।
অপরাধের শাস্তি
আইনানুসারে এক বছরের কারাদন্ড এবং চেকে বর্ণিত অংকের তিন গুণ পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। অন্যান্য ফৌজদারী মামলায় জরিমানার টাকা সরকারী কোষাগারে জমা হয়, কিন্তু চেক ডিজঅনার মামলায় জরিমানার টাকা চেকের বাহক পান এবং জরিমানার মাধ্যমে চেকের টাকা আদায় না হলে দেওয়ানী মামলাও দায়ের করা যায়। কোন কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা হলে সংশ্লিষ্ট যিনি দোষী সাব্যস্ত হবেন তাকে শাস্তি ভোগ করতে হবে।।
24/11/2021
মৃত্যুদন্ড দেয়া হয় যে ১০টি ধারায় :
দন্ডবিধি ১৮৬০ এর -
১২১ ,১৩২, ১৯৪, ৩০২, ৩০৩, ৩০৫, ৩২৬ক, ৩৬৪ক, ৩৯৬ ও ৩০৭ ধারা
23/11/2021
কোনো মোকদ্দমায় বাদী দেউলিয়া হয়ে গেলে মোকদ্দমাটি--
ক) খারিজ হবে
খ) বাতিল হবে
গ) প্রত্যাখ্যান হবে
ঘ) বাতিল হবে না