Learning Quran with Me

Learning Quran with Me দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণে আল্লাহর কালাম শিখুন"। আমাদের সাথে শুরু হোক আপনার নূরানি সফর। আমরা আপনাকে দিচ্ছি সহজ পদ্ধতিতে ঘরে বসে সহীহ তিলাওয়াত শেখার সুযোগ।

⁉️সুরাহ কাহফের কথা মনে আছে তো সবার ?আবূ সা’ঈদ আল্ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম...
20/08/2026

⁉️সুরাহ কাহফের কথা মনে আছে তো সবার ?

আবূ সা’ঈদ আল্ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা আল কাহাফ পড়বে, তার (ঈমানের) নূর এ জুমাহ্ হতে আগামী জুমাহ্ পর্যন্ত চমকাতে থাকবে।
(মিশকাত ২১৭৫)

হাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আবূদ দারদা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
যে ব্যক্তি সূরাহ আল কাহফ এর প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করবে সে দাজ্জালের ফিতনাহ থেকে নিরাপদ থাকবে।
(মুসলিম হা/৮০৯,আহমাদ হা/২৭৫৫৬)

কে জানে,দুনিয়ার এই ছোট্ট প্রয়াসই ক্বিয়ামাতের দিন বিশাল প্রতিদান এমনকি জান্নাত নিয়ে হাজির হতে পারে আপনার জন্য !
তাই, এখনই শুরু করে দিন ইনশাআল্লাহ 🌷

Learning Quran with Me

"🤲দু'আর সময় চোখে পানি আসাটা দু'আ কবুল হওয়ার আলামত, যদি দু'আ করার সময় কান্না আসে, বুঝে নিও দুআ কবুল হয়ে গেছে৷ কারণ, দোকান...
16/08/2026

"🤲দু'আর সময় চোখে পানি আসাটা দু'আ কবুল হওয়ার আলামত, যদি দু'আ করার সময় কান্না আসে, বুঝে নিও দুআ কবুল হয়ে গেছে৷
কারণ, দোকান থেকে কিছু কিনলে যেমন রসিদ দেওয়া হয় ক্রেতাকে; এই চোখের পানিও হচ্ছে দু’আ কবুলের রসিদ❗

— মালফুজাতে ফুলপুরী (রহঃ)।

🤲যদি একদম বাচ্চাদের মতো, অসহায় ভিক্ষুকের মতো, প্রাণখুলে কাদতে পারেন, তবে ধরে নিন আপনার দুআ ক্ববুল হয়ে গিয়েছে আলহামদুলিল্লাহ।

~মুতাত্বহহিরাত

🌀প্রতিদিন এই চার নিয়তে অন্তত দুই রাকআত নামাজ পড়া উচিত—১. সালাতুশ শুকর২. সালাতুত তাওবা৩. সালাতুল ইস্তিআ'দাহ্৪. সালাতুল হা...
15/08/2026

🌀প্রতিদিন এই চার নিয়তে অন্তত দুই রাকআত নামাজ পড়া উচিত—

১. সালাতুশ শুকর
২. সালাতুত তাওবা
৩. সালাতুল ইস্তিআ'দাহ্
৪. সালাতুল হাজাত

▪️সালাতুশ শুকর—যাবতীয় নিয়ামতের শুকরিয়া স্বরূপ।
▪️সালাতুত তাওবা—সকল গোনাহের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা স্বরূপ।
▪️সালাতুল ইস্তিআ'দাহ্—যত মুসীবত আসবে সেটা থেকে পানাহ স্বরূপ।
▪️সালাতুল হাজত—যাবতীয় প্রয়োজন পূরণের জন্যে।


🍃 একটি সঠিক সিদ্ধান্তের তিনটি ধাপ আছে।

১. সিদ্ধান্তটির ব্যাপারে নিজের মেধা, প্রজ্ঞা অনুযায়ী চিন্তা করা।
২. অভিজ্ঞদের পরামর্শ নেয়া। ইসলামে এটাকে বলা হয় ‘ইস্তিশারা’।
৩. ইস্তিখারা করা। ইস্তিখারার ফলাফল সুপার ন্যাচারাল কিছু না। সিদ্ধান্ত নেবার ব্যাপারে আপনার মন ঝুঁকতে পারে বা আপনি আনকমফর্টেবল ফিল করতে পারেন।

সাহাবী-তাবেয়ীগণ কোনো সিদ্ধান্ত নেবার আগে এই তিন পদ্ধতি অনুসরণ করতেন। একবার করে ‘ফলাফল’ না পেলে একাধিকবার করতেন।


Learning Quran with Me

🧭প্রতিদিন এই ১০টি কাজে হয়ে উঠুন 'অসাধারণ'===================================🎠আপনি কি চান বাকিদের চেয়ে জীবনে ১০ বছর এগিয়ে...
15/08/2026

🧭প্রতিদিন এই ১০টি কাজে হয়ে উঠুন 'অসাধারণ'
===================================

🎠আপনি কি চান বাকিদের চেয়ে জীবনে ১০ বছর এগিয়ে থাকতে⁉️

🌀যদি আপনার উত্তর “হ্যাঁ” হয়, তাহলে আজ থেকেই নিজের জীবনে যোগ করুন এই ১০টি শক্তিশালী অভ্যাস।

এই অভ্যাসগুলো শুধু আপনাকে সফলই করবে না, বরং আপনার ব্যক্তিত্বকে নিয়ে যাবে এক অন্য উচ্চতায়।

✅ ১। নিজের এনার্জি বাড়ান:
শুধু ইচ্ছাশক্তি দিয়ে বড় কিছু অর্জন করা যায় না। শরীর ও মনের শক্তি বাড়াতে নিয়মিত ব্যায়াম করুন, ভালো খাবার খান এবং নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

✅ ২৷ পরিণত মানসিকতা তৈরি করুন:
বয়স নয়, একজন মানুষের আসল পরিচয় তার চিন্তাভাবনা ও আচরণে। কথা ও কাজে পরিণত হওয়ার চেষ্টা করুন।

✅ ৩৷ মানসিকভাবে শক্তিশালী হন:
যে নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, সে-ই জীবনে বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আবেগ নয়, বাস্তবতা দিয়ে চিন্তা করতে শিখুন।

✅ ৪৷ অযথা ঝ'গ'ড়া এড়িয়ে চলুন:
সবাই আপনার সময় ও এনার্জি পাওয়ার যোগ্য নয়। তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ত'র্ক বা ঝামেলায় জড়াবেন না।

✅ ৫৷ তর্কে নয়, কাজে প্রমাণ দিন:
অহেতুক তর্কে সময় ন'ষ্ট না করে নিজের কাজের মাধ্যমে নিজেকে প্রমাণ করুন।

✅ ৬৷ মানুষের কথায় কান দেওয়া কমান:
মানুষ সবসময় কিছু না কিছু বলবেই। তাই অন্যের নেতিবাচক কথায় থেমে না গিয়ে নিজের লক্ষ্য ঠিক রাখুন।

✅ ৭৷ ব্যক্তিগত জীবন গোপন রাখুন:
নিজের সব ক'ষ্ট, পরিকল্পনা বা অনুভূতি সবার সামনে প্রকাশ করবেন না। নীরবতা অনেক সময় শক্তির পরিচয় দেয়।

✅ ৮। সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করুন:
সময় চলে গেলে সুযোগও চলে যায়। তাই সময়ের মূল্য বুঝুন এবং দেরি না করে কাজ শুরু করুন।

✅ ৯৷ ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিন:
ব্যর্থতা মানে শেষ নয়। প্রতিটি ব্যর্থতা আপনাকে আরও অভিজ্ঞ ও শক্তিশালী করে তোলে।

✅ ১০৷ প্রতিদিন নতুন কিছু শিখুন:
পৃথিবী প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে। তাই প্রতিদিন নতুন কিছু শিখুন, নতুন স্কিল তৈরি করুন এবং নিজেকে আপডেট রাখুন।

⏳যারা প্রতিদিন নিজেকে একটু একটু করে উন্নত করে, তারাই একদিন সবার থেকে আলাদা হয়ে ওঠে। আজকের ছোট ছোট ভালো অভ্যাসই আগামী দিনের বড় সফলতার ভিত্তি তৈরি করে দিবে ইনশা আল্লাহ। 🌷

(সংগৃহীত)

🌌 রাতে ঘুম ভেঙে গেলে যে দোআটি পড়বেন...রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি রাতে ঘুম থেকে জেগে এই দোআটি পড়বে:لَا إِلٰهَ إِل...
14/08/2026

🌌 রাতে ঘুম ভেঙে গেলে যে দোআটি পড়বেন...

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি রাতে ঘুম থেকে জেগে এই দোআটি পড়বে:

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، سُبْحَانَ اللّٰهِ، وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ، وَلَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ، وَاللّٰهُ أَكْبَرُ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ، رَبِّ اغْفِرْ لِي

উচ্চারণঃ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর। সুবহানাল্লাহ, ওয়ালহামদুলিল্লাহ, ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়াল্লাহু আকবার। ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল ‘আলিয়্যিল ‘আজীম। রাব্বিগফির লী।

অর্থঃ

আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। সমস্ত রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁরই। তিনি সবকিছুর ওপর সর্বশক্তিমান। আল্লাহ পবিত্র। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। মহান ও সর্বোচ্চ আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো গুনাহ থেকে বাঁচার এবং কোনো সৎকাজ করার শক্তি নেই। হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করে দিন।

✨ এই দোআর ফজিলত

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি রাতে ঘুম ভেঙে এই দোআটি পড়বে—
🤲 এরপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেবেন।
🤲 এরপর কোনো দোআ করলে আল্লাহ তার দোআ কবুল করবেন।
🕌 এরপর উঠে ওজু করে সালাত আদায় করলে তার সালাতও কবুল করা হবে।
রাতের নিস্তব্ধতায় আল্লাহর স্মরণে জিহ্বাকে সিক্ত রাখি। হয়তো এই কয়েকটি বাক্যই আমাদের গুনাহ মাফের, দোআ কবুলের এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম মাধ্যম হয়ে যাবে।

📚সহীহ আল-বুখারী

🎁দুরুদ শরীফের অপার ফজিলত=======================দুরুদ শরীফ শুধু কয়েকটি শব্দের যিকির নয়;  এটি আল্লাহর রহমত লাভের অন্যতম ...
14/08/2026

🎁দুরুদ শরীফের অপার ফজিলত
=======================
দুরুদ শরীফ শুধু কয়েকটি শব্দের যিকির নয়; এটি আল্লাহর রহমত লাভের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমল, নবী ﷺ–এর প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ এবং দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের একটি মহান মাধ্যম।

এই চারটি বিষয় হৃদয়ে ধারণ করে দুরুদ পড়ুন—ইনশা আল্লাহ,
দুরুদের প্রতি আপনার ভালোবাসা ও আগ্রহ দিন দিন বেড়ে যাবে।

🌀১) আপনি যখন দুরুদ পড়েন,
রাসূল ﷺ-এর কাছে আপনার দুরুদ পৌঁছে যায়

আপনি পৃথিবীর যেখানেই থাকুন না কেন,
আপনার পড়া দুরুদ আল্লাহর ব্যবস্থাপনায় রাসূল ﷺ-এর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।

রাসূল ﷺ বলেছেন:
"তোমরা যেখানেই থাকো না কেন,
তোমাদের দুরুদ আমার কাছে পৌঁছে যায়।"
(সুনান আবু দাউদ : ২০৪২;
মুসনাদ আহমদ: ১০৫৯৪)

আরেকটি সহিহ বর্ণনায় এসেছে,
বিশেষ ফেরেশতারা উম্মতের সালাম ও দুরুদ রাসূল ﷺ-এর কাছে পৌঁছে দেন এবং দুরুদ পাঠকারীর পরিচয়ও উল্লেখ করেন।

ভাবুন তো, কোটি কোটি উম্মতের মাঝে
আপনার নামও সেই সৌভাগ্যবানদের তালিকায় উচ্চারিত হচ্ছে—এটি কত বড় সম্মান!

🌀২) একবার দুরুদ পড়লে
আল্লাহ দশগুণ রহমত বর্ষণ করেন

রাসূল ﷺ বলেছেন:
"যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দুরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তার ওপর দশবার রহমত বর্ষণ করেন,
তার দশটি গুনাহ মাফ করে দেন এবং
তার দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।"»
(সুনান আন-নাসায়ি: ১২৯৭;
সহিহ ইবনে হিব্বান: ৯০৮)

আর আল্লাহ তাআলা নিজেই নির্দেশ দিয়েছেন—

"নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর নবীর প্রতি রহমত বর্ষণ করেন এবং ফেরেশতারা দোয়া করেন । হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দুরুদ পাঠ করো এবং যথাযথভাবে সালাম প্রেরণ করো।"
— সূরা আল-আহযাব, আয়াত ৫৬।

যে আমল আল্লাহ নিজে করেন, ফেরেশতারাও করেন, সেই আমলে শরিক হওয়া কত বড় সৌভাগ্য!

🌀৩) দুরুদ দুশ্চিন্তা দূর করে, গুনাহ ক্ষমার কারণ হয়

উবাই ইবন কা'ব (রা.) নবী ﷺ-কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তিনি তাঁর দোয়ার কতটুকু অংশ দুরুদের জন্য নির্ধারণ করবেন। শেষে যখন বললেন, "পুরোটাই?", তখন রাসূল ﷺ বললেন:
"তাহলে তোমার সব দুশ্চিন্তা দূর করে দেওয়া হবে এবং তোমার গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।"
(সুনান আত-তিরমিজি: ২৪৫৭ — সহিহ)।

তাই জীবনের কষ্ট, অস্থিরতা ও সংকটের সময় দুরুদকে নিজের নিত্যসঙ্গী বানান।
এটি অন্তরে প্রশান্তি আনে এবং
আল্লাহর রহমত লাভের অন্যতম মাধ্যম।

🌀৪) যিনি আমাদের জন্য কেঁদেছেন,
তাঁর প্রতি দুরুদ পাঠাতে কৃপণতা কেন?

রাসূল ﷺ আমাদের মুক্তির জন্য অকল্পনীয় কষ্ট সহ্য করেছেন। তায়েফে রক্তাক্ত হয়েছেন, উহুদে আহত হয়েছেন, তবুও উম্মতের জন্যই দোয়া করেছেন।

কিয়ামতের ভয়াবহ দিনে,
যখন প্রত্যেকে নিজের চিন্তায় ব্যস্ত থাকবে, তখন তিনি বলবেন—
'ইয়া উম্মাতি, ইয়া উম্মাতি'
(আমার উম্মত! আমার উম্মত!)
(সহিহ মুসলিম: ২০২)।

এই ভালোবাসার প্রতিদান আমরা কখনোই দিতে পারব না। তবে অন্তত বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করে তাঁর প্রতি আমাদের ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার প্রকাশ করতে পারি।

♻️অতিরিক্ত আমল :

দুরুদের পাশাপাশি বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়ুন এবং দোয়া ইউনুস পাঠ করুন—

لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ

এটি বিপদে পড়া নবী ইউনুস (আ.)-এর দোয়া। আল্লাহ তাআলা কুরআনে জানিয়েছেন যে, তিনি তাঁকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন এবং এভাবে তিনি মুমিনদেরও মুক্তি দেন।

আসুন, প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় দুরুদ,
ইস্তিগফার ও আল্লাহর যিকিরে ব্যয় করি।
হয়তো এই সামান্য আমলই হবে
আমাদের গুনাহ ক্ষমার কারণ,
হৃদয়ের প্রশান্তির কারণ এবং
জান্নাতের পথে সবচেয়ে সুন্দর পাথেয়।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করার, ইস্তিগফারে অভ্যস্ত হওয়ার এবং রাসূল ﷺ–এর সুন্নাহ আঁকড়ে ধরার তাওফিক দান করুন। আমীন।🤲

🕌আরও একটি জুম্মাবার পাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ!বরকতময় দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলো——— 🌻সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করা ...
06/08/2026

🕌আরও একটি জুম্মাবার পাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ!
বরকতময় দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলো———

🌻সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করা
🌻দরুদ পাঠ করা
🌻ইস্তেগফার করা
🌻গোসল করা
🌻পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে গোসল করা,
🌻নখ কাটা,
🌻আসর - মাগরিবের বিশেষ কবুলের মুহূর্তে দোয়া করা ।

02/08/2026

♻️যেদিন নবীরাও ভুলে যাবেন পরিবারের কথা♻️

নবীজি (ﷺ) এর স্ত্রীদের মধ্যে বয়সে সবার ছোট যিনি ছিলেন, তিনি হচ্ছেন আয়েশা (রা.)। বয়সে কনিষ্ঠ হলে কী হবে, জ্ঞান-গরিমায় ছিলেন অতুলনীয়। নবীজির ইন্তেকালের পর নারী সাহাবীদের মধ্যে সবথেকে বেশি হাদীস বর্ণনা করেছেন তিনি। আবূ বকর আস-সিদ্দিকের আদরের কন্যা আয়েশা। মানুষদের মধ্যে সবথেকে বেশি যাকে নবীজি (ﷺ) ভালোবাসতেন, তিনি হচ্ছেন এই আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা।

তো একদিন আয়েশা (রাদ্বি.) কাঁদছিলেন। কোনো একটা বিষয়ে তিনি খুব চিন্তিত। নবীজির চোখে পড়ল বিষয়টি। এগিয়ে গিয়ে জানতে চাইলেন, 'আয়েশা, তুমি কাঁদছো কেন?⁉️
আয়েশা বললেন, 'জাহান্নামের কথা মনে করে কাঁদছি।
আল্লাহর রাসূল, আপনারা (নবীরা) কি কিয়ামতের দিন আপনাদের পরিবার-পরিজনের কথা মনে রাখবেন না❓

⚠️নবীজি (ﷺ) শুধালেন, 'তিনটা জায়গায় কেউ কাউকে মনে রাখবে না আয়েশা। জায়গাগুলো হলো:

১. মীযানের কাছে। সেখানে প্রত্যেকেই নিজের নেকীর ওজন ভারী না হালকা হয়, সেই দিকেই খেয়াল রাখবে।

২. যখন আমলনামা দিয়ে বলা হবে, 'ওহে! নাও তোমার আমলনামা, পড়ে দেখো।' তখন প্রত্যেকেই এ চিন্তায় বিভোর থাকবে যে, তার আমলনামা ডান-হাতে দেওয়া হয়, না পিছনে থেকে বাম-হাতে দেওয়া হয়।

৩. পুলসিরাতের কাছে। যখন তা জাহান্নামের দুই পার্শ্বের ওপর স্থাপন করা হবে। (আবূ দাউদ, ৪৩৭৩)

হাদীসটি এতটুকুই, কিন্তু কথাগুলো ভীষণ চিন্তার। আল্লাহর কাছে সমগ্র সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় হলেন তাঁর নবী-রাসূলরা। তারা যেমন ছিলেন আল্লাহর নিষ্কলুষ বান্দা, তেমনি ছিলেন মানুষেরও সবচেয়ে আস্থাভাজন ব্যক্তি। দুনিয়াতে তারা ছিলেন হিদায়াতের বাতিঘর। আখিরাতেও তারা তাদের উম্মতের সম্বল। কাল হাশরের ময়দানে মানুষেরা যখন অতিষ্ঠ হয়ে যাবে, তখন কিন্তু সবার আগে নবীদের কাছেই ছুটে যাবে।

তবে এই নবীগণই তিনটি জায়গায় নিজের পরিবারকেও ভুলে যাবেন। সেসব জায়গায় কেউ সেদিন কারও কথা চিন্তা করতে পারবে না। এতটাই ভীতিকর পরিস্থিতি হবে। এ থেকে বোঝা যায়, ভয়ংকর এই স্থানগুলোতে নিজের ভালো আমল এবং আল্লাহর দয়া ও ক্ষমাই আমাদের একমাত্র সম্বল।

কিছু কি সঞ্চয় করতে পেরেছি আমরা নিজেদের জন্য? কোনো সম্বল কি রয়েছে সেই স্থানগুলোর জন্য⁉️

সাত বার বলবে,حَسْبِيَ اللّٰهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ – আল্লাহই আ...
02/08/2026

সাত বার বলবে,

حَسْبِيَ اللّٰهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ

– আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আমি তাঁর উপরই ভরসা করি। আর তিনি মহান আরশের রব্ব।

[যে ব্যক্তি দো‘আটি সকালবেলা সাতবার এবং বিকালবেলা সাতবার বলবে তার দুনিয়া ও আখেরাতের সকল চিন্তাভাবনার জন্য আল্লাহ্ই যথেষ্ট হবেন।]

কালোযা'দুর আমাদের মানসিক ও শারীরিক প্রভাবিত করে। ▬▬▬▬▬▬▬▬❂▬▬▬▬▬▬যাদু আমাদের আর্থিক শারীরিক মানসিক বাধাগ্রস্ত করে। যাদু শ...
01/08/2026

কালোযা'দুর আমাদের মানসিক ও শারীরিক প্রভাবিত করে।
▬▬▬▬▬▬▬▬❂▬▬▬▬▬▬

যাদু আমাদের আর্থিক শারীরিক মানসিক বাধাগ্রস্ত করে। যাদু শরীরের যতদিন যাবে ; তত শক্তিশালী হবে। যাদু স্হায়ী ভাবে আমাদের শরীরের কিছু অংশে লুকিয়ে।

🔰 যাদু কয়েকপ্রকার ভাগ করা হয়। যেমন

১. শারীরিক মানসিক বাধাগ্রস্ত।
২. আর্থিক বাধাগ্রস্ত।
৩. পারিবারিক বৈষম্য।
৪. স্বামী স্ত্রী উভয়ের মধ্যে মনোমালিন্য।
৫. বন্ধ্যাত্ব ও অনিয়মিত পিরিয়ড।
৬. স্নায়ু, মেরুদণ্ড, কাশরুকা, সাইনোসাইটিস অংশে।
৭. হঠাৎ দূর্ঘটনার শিকার যেমন- রোড
এক্সিডেন্ট,ও কোন কারন ছাড়া পরিবারের সদস্যদের মৃত্যু।
৮. উদ্বেগ বিষন্নতা অতিরিক্ত চিন্তাকরা।
৯. একাকিত্ব ও আতংকিত থাকা অজানা বিপদের আশংকা করা।
১০. কবরের মাটির গন্ধ নাকে আসে সব সময়।

➡️ যাদু আমাদের শরীরের বিভিন্ন জায়গা রোগ তৈরি করে, স্নায়ুর কেন্দ্রীয় হয়। স্নায়ুর অংশে যাদুর খাদেম জ্বিন ব্লক মারার কারনে রোগ সৃষ্টি হয়।হৃৎপিণ্ড হৃৎপিণ্ড শরীরের সমস্ত অংশে রক্ত ​​পাম্প করে প্রতিটি কোষে পুষ্টি ও অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করে। বাম হৃৎপিণ্ড পাম্প করে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত ​​ফুসফুস থেকে সিস্টেমিক সংবহনে শরীরের বাকি অংশে ফিরে আসে। ডান হৃৎপিণ্ড ফুসফুসীয় সংবহনে ডিঅক্সিজেনযুক্ত রক্ত ​​ফুসফুসে পাম্প করে। স্নায়ু গুলো তে গিটমারে শক্ত অবস্হান তৈরি।

🔰 যাদু আমাদের শরীরের কোন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে।

যেমন- জ্বিন ও যাদুকর উপর নির্ভর করে এই সকল যাদু হয়ে থাকে।
কিছু পেশেন্টের উপর বোবা জিন চালান করে থাকে রুকইয়াহ করলে পেশেন্টের শরীরে জানান দেয় কিন্তু কথা বলার শক্তি নাই, আবার ভিনদেশের কিছু জ্বিন চালান দেয় বিভিন্ন ভাষা কথা বলে রুকইয়াহ সময় একজন রাক্বি বুঝতে কষ্ট হয়। যাদুকর যতশক্তিশালী যাদু তত শক্তিশালী হবে।

আমাদের শরীরের যাদু শক্তিশালী হয়, যখন, বোবা, অন্ধ, জ্বিন গুলো চালান করে একটা যাদুকর। বেশিরভাগ শক্তিশালী যাদু এসকল বোবা ও অন্ধ জ্বিন দিয়ে করে থাকে। ভবিষ্যতে কোন দিন পেশেন্ট সুস্থ না হয়ে মৃত্যু দিকে অগ্রসর হতে পারে।

যাদুধরন অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া সকল পেশেন্ট। রুকইয়াহ তেমন প্রভাব পড়েনা বরং কিছুক্ষন কাপাকাপি লাফালাফি এতটুকু সীমাবদ্ধ থাকে। এ ভাবে রুকইয়াহ বছর পর বছর করে থাকে।

🔰 যাদু জ্বিন বহন করে, যাদু কখনো নিজ থেকে এক্টিভ হতে পারেনা, একজন যাদুকর কবিরাজ এলজন জ্বিন যাদুকর সমন্বয় করে থাকে আর জ্বিন যাদুকর তার দূর্বল জ্বিন গুলো এসকল যাদুতে প্রেরণ করে যেমন- বোবা, পাগল,অন্ধত্ব ইত্যাদি।

🔰 যাদু বিষয় কোরআন কি বলে -

وَ اتَّبَعُوۡا مَا تَتۡلُوا الشَّیٰطِیۡنُ عَلٰی مُلۡکِ سُلَیۡمٰنَ ۚ وَ مَا کَفَرَ سُلَیۡمٰنُ وَ لٰکِنَّ الشَّیٰطِیۡنَ کَفَرُوۡا یُعَلِّمُوۡنَ النَّاسَ السِّحۡرَ ٭ وَ مَاۤ اُنۡزِلَ عَلَی الۡمَلَکَیۡنِ بِبَابِلَ هَارُوۡتَ وَ مَارُوۡتَ ؕ وَ مَا یُعَلِّمٰنِ مِنۡ اَحَدٍ حَتّٰی یَقُوۡلَاۤ اِنَّمَا نَحۡنُ فِتۡنَۃٌ فَلَا تَکۡفُرۡ ؕ فَیَتَعَلَّمُوۡنَ مِنۡهُمَا مَا یُفَرِّقُوۡنَ بِهٖ بَیۡنَ الۡمَرۡءِ وَ زَوۡجِهٖ ؕ وَ مَا هُمۡ بِضَآرِّیۡنَ بِهٖ مِنۡ اَحَدٍ اِلَّا بِاِذۡنِ اللّٰهِ ؕ وَ یَتَعَلَّمُوۡنَ مَا یَضُرُّهُمۡ وَ لَا یَنۡفَعُهُمۡ ؕ وَ لَقَدۡ عَلِمُوۡا لَمَنِ اشۡتَرٰىهُ مَا لَهٗ فِی الۡاٰخِرَۃِ مِنۡ خَلَاقٍ ۟ؕ وَ لَبِئۡسَ مَا شَرَوۡا بِهٖۤ اَنۡفُسَهُمۡ ؕ لَوۡ کَانُوۡا یَعۡلَمُوۡنَ ﴿۱۰۲﴾

আর তারা অনুসরণ করেছে, যা শয়তানরা সুলাইমানের রাজত্বে পাঠ করত। আর সুলাইমান কুফরী করেনি; বরং শয়তানরা কুফরী করেছে। তারা মানুষকে যাদু শেখাত এবং (তারা অনুসরণ করেছে) যা নাযিল করা হয়েছিল বাবেলের দুই ফেরেশতা হারূত ও মারূতের উপর। আর তারা কাউকে শেখাত না যে পর্যন্ত না বলত যে, ‘আমরা তো পরীক্ষা, সুতরাং তোমরা কুফরী করো না। এরপরও তারা এদের কাছ থেকে শিখত, যার মাধ্যমে তারা পুরুষ ও তার স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাত। অথচ তারা তার মাধ্যমে কারো কোন ক্ষতি করতে পারত না আল্লাহর অনুমতি ছাড়া। আর তারা শিখত যা তাদের ক্ষতি করত, তাদের উপকার করত না এবং তারা অবশ্যই জানত যে, যে ব্যক্তি তা ক্রয় করবে, আখিরাতে তার কোন অংশ থাকবে না। আর তা নিশ্চিতরূপে কতই-না মন্দ, যার বিনিময়ে তারা নিজদেরকে বিক্রয় করেছে। যদি তারা জানত।

[সুরা বাকারা আয়াত -১০২]

➡️ পরামর্শ নসিহা : একজন অভিজ্ঞ রাক্বি পরামর্শ গ্রহন পাশাপাশি নিজে নিজে অর্থ সহ কোরআন পড়া ও মাসনুন আমল নিয়মিত করা। ফরজ ইবাদত বিষয় উদাসীন না হওয়া। ফরজ ইবাদত বিমুখ হলে যাদু তীব্র আকারে শক্তিশালী হবে তখন নিয়ন্ত্রণ বা কন্ট্রোল করা কঠিন হয়ে যাবে।

Address

Bhola
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Learning Quran with Me posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category