Medic Lesson

Medic Lesson

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Medic Lesson, Educational consultant, Charabag Square Market, Dhaka.

Medic Lesson-এ স্বাগতম! 🌟

আমাদের শিক্ষামূলক কমিউনিটিতে আপনাকে পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। Medic Lesson-এ, আপনি স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং রোগ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারবেন।
আমাদের সাথে থাকুন এবং "Like" বাটনটি ক্লিক করুন!

04/09/2025

PCOS:
পিসিওএসের সাথে একটা জিনিসের সম্পর্ক খুব নিবিড় – ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স।

এই রিলেশনশিপটা একটু ব্রেকডাউন করিঃ

- ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স মানে, আপনার শরীর অল্প ইনসুলিন দিয়ে যে কাজ সারতে পারতো, সেই একই কাজ করতে তাকে বেশি ইনসুলিন প্রোডিউস করতে হচ্ছে।

- এই বেশি ইনসুলিন গিয়ে মহিলাদের ওভারিকে একটা গুঁতা দেয়। আর সেই গুঁতা খেয়ে ওভারি তার কাজ ঠিকমতো করতে পারে না।

- যেহেতু আপনি অন্য কাজ করার টাইম পাচ্ছেন না, সেসব কাজ জমে যাচ্ছে, অর্ধেক করে আর শেষ হচ্ছে না।

দিন শেষে, এই অর্ধেক ফেলে রাখা কাজই হচ্ছে ওভারির “পলি-সিস্ট” অর্থাৎ একাধিক সিস্ট।

আরেকটু যদি ব্যাখ্যা করি, ওভারিতে কিছু “ডিম্বাণুর থলি” জন্ম নেয় যাদের কাজ ডিম্বাণু রিলিজ করা। তারা যখন এই কাজটা ঠিকমতো করতে পারে না, এই ডিম্বাণুর থলিগুলো ওভারিতে জমে থাকে, বের হয় না। এই থলিগুলোই সেই সিস্ট। (পিসিওএস = পলি-সিস্টিক ওভারি সিনড্রোম।)

★★ এইটা ম্যানেজ করবেন কি করে

পিসিওএস যদি ঠিক করতে চান, সেই সব কাজ করতে হবে, যা ইনসুলিন রেজিসট্যান্সকে ঠিক করে। যেমন-

১। স্ট্রেংথ ট্রেইনিং কিংবা ভারী এক্সারসাইজ।

এইটা আপনার ইনসুলিন সেনসিটিভিটি ৫-১৫ গুণ পর্যন্ত বাড়াবে, দিস ইজ দ্য বিগেস্ট ফ্যাক্টর।

না, হাঁটাহাঁটি, সাঁতার এইসব দিয়ে হবে না। আপনি যদি আসলেই সিরিয়াস হন, কিছু ডাম্বেল কিনেন। সিরিয়াসলি ডাম্বেল ট্রেইনিং শুরু করেন।

২। ডায়েটে পর্যাপ্ত এনিম্যাল প্রোটিন রাখতে হবে।

প্রতি কেজি ওজনের জন্য অন্তত ১ গ্রাম প্রোটিন ফ্রম চিকেন, ফিশ, এগ। আরো বেশি হলে আরো ভালো।

৩। চিনির কথা ভুলে যান, কার্বোহাইড্রেট যথাসম্ভব ম্যানেজ করতে হবে।

অর্থাৎ কম মিষ্টি ফল, সবজি, ওটস, ডাল – এগুলো হবে মূল কার্বোহাইড্রেট সোর্স। ভাত বা রুটি যথাসাধ্য কমিয়ে আনতে হবে।

৪। ঘুম ঠিক করেন, রাত ১১ টার মধ্যে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হতে হবে। ঘুম ঠিক না করে যে কোন হরমোনাল ইস্যু ঠিক করা স্রোতের বিপরীতে সাঁতার কাটার সামিল।

10/08/2025

📣🚨⚠️ সম্প্রতিকালের এক ভয়াবহ আতংকের নাম চর্মরোগ। এলার্জি, স্কাবিস, সোরিয়াসিস যেন প্রতিটি বাড়ির অবাঞ্চিত সদস্য হয়ে গেছে যাকে চাইলেও বের করা যাচ্ছে না শত চেষ্টা করে। কারণ আপনি চেষ্টায় করছেন ভুল জায়গায় তাহলে ফল পাবেন কীভাবে ❓
যেহেতু এটা 🩸রক্তের সাথে সম্পৃক্ত একটি রোগ তাহলে চামড়ায় মলম, লোশন, অয়েন্টমেন্ট দিলে কিভাবে আরোগ্য লাভ করবেন🤔⁉️
হুম, আপনি সাময়িক আরাম পাবেন ঠিকই কিন্তু মনে রাখবেন আরাম (Relief) এবং আরোগ্য (Cure) ২টা এক জিনিস নয়।
✅তাই এই চর্মরোগ থেকে মুক্তি পেতে সর্বোৎকৃষ্ট চিকিৎসা দিচ্ছেন -"আরোগ্য হোমিও হল" এর অভিজ্ঞ চিকিৎসকগণ👨‍⚕️👩‍⚕️।
🩺আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে আমরাই দিচ্ছি সুস্থতার নতুন রূপরেখা।

🏥আরোগ্য হোমিও হল
🌍চারাবাগ স্কয়ার মার্কেট, গ্যাস ফ্যাক্টরী মোড়, আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা।
☎️ 01648-169315

26/04/2025

যারা শিশুকে ঘনঘন এ্যান্টিবায়োটিক দিচ্ছেন🤷‍♀️,পোস্ট টা তাদের জন্য।
এ্যান্টিবায়োটিক শিশুদের জন্য খুব ক্ষতিকর হতে পারে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণে:
1. গাট ফ্লোরা নষ্ট করে😞: এ্যান্টিবায়োটিক শুধু খারাপ ব্যাকটেরিয়া নয়, উপকারী ব্যাকটেরিয়াও মেরে ফেলে। বাচ্চাদের অন্ত্রে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া তাদের হজম ও ইমিউন সিস্টেম গঠনে সাহায্য করে।

2. ইমিউন সিস্টেম দুর্বল করে😞: ঘন ঘন এ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ালে শিশুর শরীর নিজে থেকে জীবাণুর সঙ্গে লড়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। ফলে যেকোনো স্বাভাবিক অসুখ ও বাচ্চার সহজে ঠিক হয়না।
3. ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়😞: অপ্রয়োজনে বা অসম্পূর্ণ ডোজে এ্যান্টিবায়োটিক দিলে ব্যাকটেরিয়া ধীরে ধীরে ওই ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। পরবর্তীতে সিরিয়াস সংক্রমণ হলেও ওষুধ কাজ না-ও করতে পারে। ইদানিং অনেক শিশু পাওয়া গিয়েছে, যাদের শরীরে ৬-৭ ধরনের এ্যান্টিবায়োটিক এখন আর রেসপন্স করে না।যার ভয়া*বহতা আপনারা কিছুটা হলেও বুঝতে পারছেন।
4. পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে😞: যেমন ডায়রিয়া, বমি, অ্যালার্জি, স্কিন র‍্যাশ ইত্যাদি। কিছু শিশুদের ক্ষেত্রে মারাত্মক রিঅ্যাকশনও দেখা যায়।
5. ব্রেইন ডেভেলপমেন্টে প্রভাব😞: গবেষণায় দেখা গেছে, জীবনের শুরুতে অপ্রয়োজনীয় এ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে নিউরোডেভেলপমেন্টাল ইস্যু (যেমন মনোযোগের ঘাটতি, আচরণগত সমস্যা) বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।

তাই কী করণীয়?💁‍♀️

👶শুধুমাত্র যখন রেজিস্ট্রেট ডাক্তার পরামর্শ দেন তখনই এ্যান্টিবায়োটিক দিন।( ডাক্তারদের কাছে অনুরোধ হুটহাট এ্যান্টিবায়োটিক ধরিয়ে দেবেন না, আপনারা সচেতন হলে সমস্যা সমাধান খুব ভালো ভাবে সম্ভব)

👶ভাইরাল ইনফেকশনে (যেমন সর্দি, কাশি, জ্বর)🤧 সাধারণত এ্যান্টিবায়োটিক দরকার হয় না
সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন
Medic Lesson এর সাথেই থাকবেন 🌹

20/04/2025

......✍️ভিটামিন এ- পার্ট ২.......

🔸ভিটামিন-এ এর কাজ:
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ভিটামিন ‘এ’ চোখের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। শরীরের বিকাশে ভিটামিন ‘এ’ র ভূমিকা আছে। বাহ্যিক আবরণের কোষ, ত্বক, দাঁত, ও অস্থির গঠনের জন্য ভিটামিন ‘এ’ জরুরী। ভিটামিন ‘এ’ নানা রকমের সংক্রামক রোগ থেকে শরীরকে রক্ষা করে থাকে। শরীরে প্রাপ্ত লৌহের স্বাভাবিক ব্যবহারের ঘাটতি হয় না ভিটামিন ‘এ’ শরীরে থাকলে। ফলে রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয়না। শরীর সুস্থ্ থাকে। ভিটামিন ‘এ’ বার্ধক্য রোধ করতে সহায়ক। ত্বকের শুষ্কতা বা বলিরেখা ভিটামিন ‘এ’ র দ্বারা থাকে না। ত্বক সতেজ রাখে। টিউমার ও ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে ভিটামিন ‘এ’। লিভার বা যকৃৎ ভালো রাখে।

⚠️অভাবজনিত রোগ:
ভিটামিন ‘এ’ শরীরে কম থাকলে যে রোগটি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে সেটি হল ‘রাতকানা রোগ’। রাতকানা রোগ হলে রোগী দিনের বেলায় আলোতে স্বাভাবিক চলাফেরা করে। কিন্তু রাতের বেলায় দেখতে অসুবিধা হয়। অনেকে রাতকানা রোগের জন্য রাতে একেবারে দেখতে পায়না।
1️⃣ভিটামিন ‘এ’ শরীরে কম থাকলে শরীরে প্রাপ্ত লৌহের স্বাভাবিক ব্যবহারে ঘাটতি ঘটে। ফলে রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয়। যার থেকে অ্যানিমিয়া হবার সম্ভাবনা থেকে যায়।
2️⃣ভিটামিন ‘এ’ র অভাব হলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। কম বয়সে মুখে বলিরেখা দেখা দেয়। বার্ধক্য জনিত সমস্যা তৈরি হয়।
3️⃣এক গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে যে ২১% মানুষের শরীরে টিউমার বা স্কিন ক্যান্সার হয় ভিটামিন ‘এ’ র অভাবে। তাছাড়া নিশ্বাসের সমস্যা, ভ্রুনের সমস্যা, চুল পরার সমস্যা হয়ে থাকে ভিটামিন’এ’ এর অভাবে।

✅শিশু ক্ষেত্রে ভিটামিন-এ'র ভূমিকা:
শিশুর পুষ্টির ক্ষেত্রে ভিটামিন ‘এ’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। শিশুদের শরীরে ভিটামিন ‘এ’ র অভাব থাকলে শিশুর পুষ্টিতে ব্যঘাত ঘটে। পৃথিবীতে এখনও প্রতিবছর ৬০০০০০ শিশু ভিটামিন ‘এ’ র অভাবে অপুষ্টির শিকার। ৯ মাস থেকে ৪ বছরের শিশুদের মধ্যে ভিটামিন ‘এ’ জনিত রোগ বেশি দেখা যায়। ভিটামিন ‘এ’ র অভাবে ক্যারটম্যালেসিয়া রোগ দেখা দেয়। ভিটামিন ‘এ’ সঠিক মাত্রায় শিশুর শরীরের না থাকলে মেসেলস ও ডায়রিয়া জাতীয় অসুখ দেখা দেয়। ভিটামিন ‘এ’ শিশুর শরীরের থাকলে শিশু সুস্থ্য ও সবল থাকে। সহজে রোগ হয় না। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

⚠️ বিশেষ দ্রষ্টব্য:
প্রয়োজনের অতিরিক্ত ভিটামিন ‘এ’ গ্রহণ করা উচিত নয়। অতিরিক্ত ভিটামিন ‘এ’ শরীরের বিকাশে খারাপ প্রভাব ফেলে। মাংসপেশি শিথিল হয়ে যায়। লোহিত রক্ত কনিকা উৎপাদনে ব্যঘাত ঘটে। মাসিক রজঃ স্রাব বন্ধ হয়ে যায়। লিভারের সমস্যা দেখা দেয়। ত্বক খসখসে হয়ে যায়। মানব দেহে ভিটামিন ‘এ’ র প্রয়োজন আছে। তবে তা শরীরের দরকারের মাত্রা অনুযায়ী। শিশু, মহিলা, পুরুষ সকলের শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী ভিটামিন ‘এ’ র যোগান থাকা উচিত।

18/04/2025

ভিটামিন ‘এ’ হল চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন এবং প্রাণীদের জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান। ভিটামিন ‘এ’ র রাসায়নিক নাম ‘রেটিনাল’। মানবদেহে ভিটামিন ‘এ’ জারিত হয়ে রেটিনোয়িক অ্যাসিড তৈরি করে। ভিটামিন ‘এ’ খাদ্যের একটি খুবই প্রয়োজনীয় উপাদান।

🥬উৎসঃ উদ্ভিদজাত উৎস হল হলুদ ও সবুজ শাকসবজি, রঙিন ফলমূল, সাধারণত যে শাকসবজি বা ফলের রঙ যত গাঢ় হয় তাতে ভিটামিন ‘এ’ র পরিমাণ তত বেশি হয়। এছাড়া গাজর, কুমড়ো, পাকা পেঁপে, ঘি, মাখন ও অন্যান্য সব্জি, ফল ইত্যাদি।
প্রাণীজাত উৎস হল মূলত মাংসাশী প্রাণী ( হাঙর, কড, হ্যলিবাট ইত্যাদি মাছের যকৃৎ )। মাছের তেল বা তেলযুক্ত মাছ। মাংস, ডিম ইত্যাদি।

✍️পরিমাণঃ একজন পূর্ণবয়স্ক মহিলার শরীরে ভিটামিন ‘এ’ দিনে কম করে ৭০০ মাইক্রোগ্রাম থাকা উচিত। পূর্ণবয়স্ক পুরুষদের শরীরে দিনে কম করে ৯০০ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন ‘এ’ থাকা দরকার। খাবারে "ভিটামিন-এ" এর ঊর্ধ্বসীমা দৈনিক সর্বাধিক ৩০০০ মাইক্রোগ্রাম।

10/04/2025

#✍️Homoeopathy is the best way to cure success
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিন সুস্থ থাকুন

21/02/2025

২১শে ফেব্রুয়ারি আমাদের ভাষা আন্দোলনের মহান ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই দিনটি বাঙালি জাতির জন্য চিরকাল স্মরণীয়, কারণ এই দিনেই আমাদের মা ভাষা বাংলার জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন শিক্ষার্থীরা। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা তাদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি নিয়ে রাস্তায় নামেন এবং পুলিশের গুলিতে শাহাদাত বরণ করেন। তাদের আত্মত্যাগের ফলে, বাংলা ভাষা আজ বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত একটি মর্যাদাপূর্ণ ভাষা।

প্রতি বছর এই দিনে আমরা শ্রদ্ধা জানাই ভাষা শহীদদের প্রতি এবং তাদের আত্মত্যাগকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। ২১শে ফেব্রুয়ারি শুধুমাত্র ভাষা আন্দোলনের দিন নয়, এটি আমাদের জাতীয় চেতনারও এক বিরাট উৎস। আসুন, আমরা সবাই মিলে এই দিনে একাত্মতা প্রকাশ করি।
#ভাষাশহীদদিবস #২১শে_ফেব্রুয়ারি

10/09/2024

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars - they help me earn money to keep making content you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars!

12/06/2024

গ্রীষ্মের সবচেয়ে আকর্ষণীয় আর লোভনীয় ফল হলো এই আম। রসালো আম কেবল সুমিষ্টই নয়, বরং এর রয়েছে অনেক উপকারিতাও।

১. কোলেস্টেরল কমায়
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আম খেলে তা কোলেস্টেরল কমাতে কাজ করে। আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, পেকটিন এবং ফাইবার রয়েছে যা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

২. চোখের জন্য উপকারী
এক কাপ কাটা আমের মধ্যে ২৫ শতাংশ ভিটামিন এ থাকে যা চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে এবং রাতকানা ও শুষ্ক চোখ প্রতিরোধ করে। তাই যারা চোখের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য আম একটি উপকারী খাবার।

৩. শরীরকে ক্ষারীয় করে
আমের নানা উপকারের মধ্যে এটিও একটি। আমে উপস্থিত ম্যালিক অ্যাসিড, টারটারিক অ্যাসিড এবং কিছু সাইট্রিক অ্যাসিড সহ অ্যাসিড শরীরে ক্ষারীয় উপাদান বজায় রাখতে সাহায্য করে।

৪. হিট স্ট্রোকের বিরুদ্ধে লড়াই করে
আম থেকে তৈরি একটি জুস খেলে তা বাইরের অতিরিক্ত তাপ থেকে শরীরকে ঠান্ডা করতে সাহায্য করে। এটি শরীরকে ঠান্ডা রাখে এবং আপনাকে সহজে ক্লান্ত হতে দেয় না। শুধু পাকা আম নয়, কাঁচা আমের শরবতও বেশ এক্ষেত্রে উপকারী।

৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
২৫টি বিভিন্ন ধরণের ক্যারোটিনয়েড সহ আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি রয়েছে। যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে এবং গ্রীষ্মে শরীরকে অসুস্থ হওয়া থেকে রক্ষা করে।

11/06/2024

সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য, খুব হালকা পরিমাণ খান, গভীরভাবে নিশ্বাস নিন, সবসময় আনন্দ নিয়ে থাকুন এবং বেচে থাকার একটা কারণ খুঁজে নিন। দেখবেন অনেক ভালো আছেন!!

09/06/2024

প্রশ্নঃপাঙাশ মাছ খেতে নিষেধ করা হয় কেন? পাঙাশ মাছ খেলে কী হয়?

উত্তরঃ পাংগাস মাছ একটি অত্যন্ত সুস্বাদু তেল জাতীয় মাছ। এর পুষ্টির মান অতি উচ্চ। ওমেগা থ্রি ও সিক্স দুটোই ভালো পরিমানে পাওয়া যায়। ওমেগা সিক্সের চেয়ে ওমেগা থ্রি ভালো বেশি। পাংগাস নিয়মিত খান। আমিষ, ওমেগা থ্রি, চোখের জন্য উপকারী মিনারেল সব পাবেন পাংগাস মাছে।

তেল জাতীয় সব মাছ স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। রুই মাছের চেয়ে পাংগাস মাছ দামে কম কিন্তু পুষ্টিতে বেশি। ইলিশ মাছ, পাংগাস মাছ এসব মাছে তেল থাকে অনেক। তাই এই মাছগুলো স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ করে হার্টের জন্য অনেক উপকারী। মাছের তেল সাধারন তেল নয়। এই তেল খেলে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। তাই বেশি বেশি তেলযুক্ত মাছ খান তবে অবশ্যই সেটা যেনো মোটা হওয়ার কারন না হয় সেটা লক্ষ্য রেখেই খান।

পাংগাস মাছ কেউ কেউ নিষেধ করে এর চাষের প্রক্রিয়ার কারনে। ময়লা পানিতে পাংগাস মাছ হয় এমন একটা মিথ্যা তথ্য দিয়ে পাংগাস মাছের পুষ্টি থেকে বঞ্চিত করার চক্রান্ত করছে ।
রুই, কাতল অন্যান্যও মাছ অবশ্যই ভালো তবে পাংগাস মাছ আরো ভালো পুষ্টিকর মাছ। নোংরা জায়গায় অন্যসব মাছও হতে পারে, তেলাপিয়াও চাষ হতে পারে তাই বলে মাছ খাওয়া বন্ধ করবো? পাংগাস পুকুরে চাষ করা হয় এবং ভালো খাবার খেয়ে বেড়ে উঠে। শুধু শুধু ব্যবসা নষ্ট করতে মাছ ব্যবসায়ীরা একটা ভুয়া তথ্য দিয়ে ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Charabag Square Market
Dhaka
1341

Opening Hours

Monday 09:00 - 13:00
16:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 13:00
16:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 13:00
16:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 13:00
16:00 - 21:00
Friday 09:00 - 13:00
16:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 13:00
16:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 13:00
16:00 - 21:00