05/12/2024
জুলাই ২৪ এর সরাসরি অংশীদার পেশাজীবী, অধ্যায়নরত শিক্ষার্থী ভাই ও বোনেরা, আমরা আপনাদের বারবার সতর্কবার্তা এবং বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে আসতেছিলাম। ইতোমধ্যে সবকিছুই প্রকাশ্যে এসেছে এবং আপনারা সকলেই বিষয়টা অবগত আছেন বলেই মনে করছি।
এখন আপনারাই বিচার ও বিবেচনা করুন । এই যে বিভেদ তৈরি করতেছে! এটা কি ঠিক?
আপনারা যদি লক্ষ্য করেন তাহলে দেখবেন, যারা এখন পর্যন্ত প্রাণপণ ঐক্যের জন্য লড়াই করেছেন, সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন, সারারাত সারাদিন পা ধরে অনুরোধ জানিয়েছেন, সকলের কাছে বারবার অনুরোধ আবদার করেছেন, সেসব ব্যক্তিদের বর্তমান অবস্থান কোথায়?
তাহলে কেন? কিসের জন্য? কিসের আশায়? কি উদ্দেশ্য নিয়ে এমন নাটকীয়তা?
কাদেরকে খুশি করার উদ্দেশ্যে! কাদের লক্ষ্য উদ্দেশ্য, ধ্যান-জ্ঞান, আশা আকাঙ্ক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য, সার্বিক পারপাস সার্ভ করার জন্য এমন অতি উচ্চমার্গীয় সততা, ন্যায়-নিষ্ঠা ও কর্তব্য পরায়ণতা দেখিয়েছিল?
শিক্ষার্থীরা বিগত দিনের সকল ইতিহাস অধ্যয়ন করে, অনেক বিচার বিশ্লেষণের পরে ১১ তারিখ যে প্রস্তাবে না দিয়েছিল সেই প্রস্তাবনা গ্রহণ না করে বিতর্ক সৃষ্টি এবং এক ঘৃন্য কুটকৌশল এর নাটকীয় অবতারণা করেছিল কারা?
তথাকথিত সংগঠনগুলো সার্বিক সহযোগিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে যে লিখিত এবং ভিডিও বার্তা প্রদান করেছিলেন, আসলে সেসব স্বার্থান্বেষী সংগঠনগুলো কতটুকু সহযোগিতা করেছিল?
যদি সহযোগিতা করার সদিচ্ছা থাকত তাহলে কি ইগো নিয়ে বসে থাকতেন? যে উনাদেরকে চিঠি দিয়ে, ইনভাইটেশন দিয়ে, বুদ্ধি পরামর্শ এবং আন্দোলন বাস্তবায়নের জন্য আলোচনা টেবিলে আমন্ত্রণ জানাবেন?
হ্যাঁ, নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে হলেও যারা ১১ তারিখের দায়িত্ব পেয়েছিলেন ওনাদের উচিত ছিল থার্ড ক্লাস, মেধাহীন, স্বার্থন্বেষী কূট কৌশলী তথাকথিত সংগঠনের নেতৃবৃন্দদেরকে নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসা। কিন্তু ওনারা ভাঙ্গা ঘরে বসে আকাশের চাঁদ হাতে পেয়ে সব কিছু বেনালুম ভুলে গেলেন। ভুলে গেলেন এই পেশার বিগত ইতিহাসের কালো অধ্যায়গুলো।
এরপরেও সর্বশেষ জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের আলোচনা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা শতভাগ নিরপেক্ষ থেকে সকলকে ঐক্যের আহবান জানিয়েছিলেন এবং আলোচনার শুরু থেকে শেষ এবং এখন পর্যন্ত ঘটমান সকল বিষয় আপনারা দেখেছেন, শুনেছেন এবং আশা করি সব কিছু সঠিকভাবে বুঝতে পেরেছেন।
এখন এ জাতির দুশমন, পেশার ব্যবসায়ী, কুট কুশীলব,
পেশা মুক্তির অন্তরায়ক, দেশের তরুণ পেশাজীবী ও শিক্ষার্থীদের কে অন্ধকার কলঙ্কময় এক জীবনে উপনীতি করার নব্য ফ্যাসিস্ট কারা?
মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসী শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষার্থী, পেশাজীবী এবং দেশের আপামর জনসাধারণকে তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার নীল নকশাকার কারা? সিন্ডিকেট কারা?
সম্মানিত প্রিয় শিক্ষার্থী ভাই ও বোনেরা, তরুণ পেশাজীবীরা এবং পেশার মুক্তির জন্য লড়াইরত অকুতোভয় বীর যোদ্ধারা, আপনারাই সিদ্ধান্ত নিন এখন আপনাদের করণীয় কি!!
আন্দোলন তথা পেশার সাফল্য? নাকি অপমৃত্যু বা পেশার বিলুপ্তি?