27/04/2026
২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ক্লাসের নতুন নোটিশ
The Institute of Health Technology (IHT) Dhaka is one of the pioneer Government Medical Technology institutions in Bangladesh.
It was established in 1963 by the then East Pakistan Government.
27/04/2026
২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ক্লাসের নতুন নোটিশ
05/12/2025
২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে আইএইচটি ও ম্যাটস ভর্তি পরীক্ষায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ১ম দফায় অপেক্ষমান তালিকা থেকে ফল প্রকাশ।
25/11/2025
📢 জরুরি বার্তা ও কর্মপন্থা
১. ব্যানার প্রিন্ট ও স্থাপন
* আগামীকাল সকালে ব্যানার প্রিন্ট করে সকল সরকারি ও বেসরকারি অফিসের সামনে লাগিয়ে ফেলুন।
* সারা দেশে একই ব্যানার ব্যবহার করতে হবে।
২. স্মারকলিপি জমা ও সংরক্ষণ
* নিজ নিজ অফিস প্রধান বরাবর স্মারকলিপি ও আবেদনপত্র জমা দিন।
* জমাদানের রিসিভ কপি অবশ্যই নিজের কাছে সংগ্রহে রাখুন।
* কোনো কমিটি গঠনের প্রয়োজন নেই।
৩. সম্মান ও দায়িত্ব পালন
সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করে সকলে সমন্বয় সাধন করুন এবং নিজ দায়িত্বে কর্মসূচি পালন করে প্রমাণ করুন যে আমরা বঞ্চিত ছিলাম।
৪. চূড়ান্ত লক্ষ্য
ঐক্য বজায় রাখুন, কর্মসূচি পালন করুন এবং বিজয়ী হন। ইনশা আল্লাহ।
আমাদের জীবনটা এমন যে, যেই শিশু যত বেশি স্ট্রাগল দেখবে সেই বড় হয়ে সবচেয়ে বড় যোদ্ধা হবে। পরিবারের যোদ্ধা, দেশের যোদ্ধা, জাতির যোদ্ধা।
আপনার সন্তানকে যুদ্ধ করা শিখাতে হবে। আপনার সন্তানকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করতে হবে। কিন্তু সন্তানের যুদ্ধ নিজের ঘাড়ে উঠিয়ে নিবেন না।
এতে আপনার সন্তান দুর্বল হয়ে যাবে। সেল্ফ ডিপেন্ডেন্ট না হয়ে, আপনার উপর নির্ভরশীল হয়ে উঠবে। একবার ভাবুন! যখন আপনি থাকবেন না, এই সন্তান কত সংকটে পড়বে!!
কিন্তু, তাই বলে তাকে হারতে দেওয়া যাবে না। তাকে সাহায্য করা যাবে, কিন্তু তার যুদ্ধটা তাকে লড়তে হবে।
মনে রাখবেন, আপনার জীবনটাও এমন। হয়তো সাময়িক দুর্বলতা অন্যদের থেকে আপনাকে পিছিয়ে দিয়েছে। তাই বলে হেরে যাবেন না, যুদ্ধ করতে থাকুন, সংগ্রাম করতে থাকুন, চেষ্টা সাধনা জারি রাখুন। মনে রাখবেন! আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছে। আপনার দুর্বলতা হয়তো আপনার যাত্রাটাকে দীর্ঘ করবে। কিন্তু গন্তব্যের পথে বাধা সৃষ্টি করবে না।
IHTianConnect
IHTianBDConnect
আলহামদুলিল্লাহ!
মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসি শিক্ষা ও পেশাগত জাতীয় দাবির ছয় দফা বাস্তবায়নের জন্য ফজরের ফরজ নামাজের পরে ইস্তেগফার ও দুরুদ শরীফ পাঠের পরে আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেছি। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেন ০৬ দফার অন্যতম দফা দশম গ্রেড বিষয়ক আজকে উত্তম ফায়সালা প্রদান করার তাওফিক দান করেন। সমস্ত প্রকার জটিলতা ও দুর্বলতা আহসান করে দেন। এ পেশাদ্বয় এবং দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষদের অন্তরে দশম গ্রেড সহ সকল দফা বাস্তবায়ন করার জন্য মহাব্বত এবং দায়বদ্ধতা তৈরি করে দিন।
সেই সাথে, যেসব অপচেষ্টা ও চক্রান্তকারী বারবার চক্রান্ত করে যাচ্ছে এবং সাধারণ পেশাজীবী ও কমলমতি শিক্ষার্থীদের বিতর্কের সম্মুখীন করতেছে তাদের উত্তম বদলা প্রদান করুন। সকলকে হেদায়েত প্রদান করে সঠিক ও সকলের মঙ্গলের জন্য কবুল করুন। আর যদি হেদায়েত না থাকে, তাহলে তাদেরকে অপদস্থ এবং ধ্বংস করে দিন।
আমলাতান্ত্রিক জটিলতা সৃষ্টিকারী, পেশা এবং পেশার বাহিরের কুটচক্রান্তকারী, কুচক্রীদের উদ্দেশ্য সফল করার জন্য পেশার দালালেরা সাবধান ও সতর্ক হোন এবং তাওবা করে ফিরে আসুন। অন্যথায়, পেশার মুক্তিকামি পেশাজীবী এবং মেধাবী ও রাজপথের লড়াকু সৈনিক শিক্ষার্থীরা আপনাদের উপযুক্ত জবাব এবং পাওনা বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য সর্বদাই সচেষ্ট এবং দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
আমিন, সুম্মা আমিন।
০৬ দফা সম্পর্কে আপনার মতামত কি?
কমেন্ট করুন অথবা ইনবক্স করুন। ধন্যবাদ সবাইকে।
শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
চলমান আন্দোলন শুরু করেছিল শিক্ষার্থীরাই। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের নেতৃত্বে বৈষম্যবিরোধী মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ । বর্তমান দেশের কর্ণধার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং দেশ পরিচালনায় নিয়ে এসেছে আপনাদের তথা শিক্ষার্থীদের সরকার। আপনারাই এ সরকার গঠন করেছেন দেশের সকল বৈষম্য দূর করে জনমানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ।
আপনারা আন্দোলন শুরু করেছিলেন শুধুমাত্র আপনাদের ন্যায্য অধিকার পাওয়ার জন্য নয়। আপনাদের ন্যায্য ও মৌলিক অধিকারের পাশাপাশি সারা দেশের বর্তমান জনগণ এবং ভবিষ্যৎ যত জনগণ আসবে সকলের অন্যতম মৌলিক অধিকার সুচিকিৎসা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে। এই ছয় দফা বাস্তবায়িত হলে আপনাদের শিক্ষার মৌলিক অধিকার পূরণ হবে এবং পেশাগত জীবনের যত অধিকার থেকে বঞ্চিত সকল অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। তাহলে এইমাত্র এ দেশের সকলের মৌলিক অধিকার সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণের অন্যতম প্রধান রোগ নির্ণয় নিশ্চিত হবে।
আজ থেকে ৬২ বছর আগে আপনাদের কোর্স শুরু হলেও এখন পর্যন্ত নিজস্ব কোন শিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষা দেওয়ার জন্য কোন দক্ষ বিষয় ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ, পড়াশোনার পরে জীবিকা নির্বাহ ও মানব সেবায় নিয়োজিত থাকার জন্য কর্মক্ষেত্র ের সাথে কর্ম পরিকল্পনা কোন কিছুই নেই।
আপনারা ইনস্টিটিউটে ভর্তির পরেই ওই বছরটি কোন ক্লাস না করেই জীবন থেকে একটি বছর হারিয়ে ফেলেন। প্রথম বর্ষ পরীক্ষায় বসতে বসতে দেড় বছর পেরিয়ে যায়।
পরীক্ষা শেষে প্রথম বর্ষের রেজাল্ট দেওয়ার মধ্যেই এসএসসি পাশের পর থেকে তিন বছর শেষ হয়ে যায়। এছাড়াও বর্তমান যারা প্রথম বর্ষ চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার কথা ছিল তাদের প্রায় দুই বছর হয়ে যাচ্ছে কিন্তু পরীক্ষা হয়নি। আপনারা আন্দোলন করতেছেন মাত্র আড়াই মাস থেকে। অথচ আপনাদের প্রথম বর্ষেই প্রায় দুই বছর হয়ে যাচ্ছে।
এখন মূল কথাটা হচ্ছে, আপনারা দুই বছর যাবত একই বর্ষে থাকতে পারলেন, গোজামিল দেওয়া ক্লাস করতে পারলেন, এখান থেকে পাস করার পরে আপনার কর্মক্ষেত্র কি হবে সেটাও অনিশ্চিত। তবুও পূর্বে আপনারা এসব সময় অপচয়ের বিষয়ে ঘুণাক্ষরেও কর্ণপাত করেননি, এমনকি কল্পনাতেও আসেনি কখনো বিষয়টা।
অথচ, আপনার মৌলিক অধিকার সঠিকভাবে শিক্ষা লাভ করা। দক্ষ বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক এবং আপনার নিজের অভিভাবক ও পেশাগত জীবনে যথাযথ মর্যাদার জন্য ০৬ দফা আন্দোলন শুরু করেছিলেন। আন্দোলন এখনো চলমান।
আপনারা যে ক্লাস এবং পরীক্ষা বর্জন করেছেন এইতো আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ছয় দফা বাস্তবায়িত হলে, আপনার নিজস্ব অভিভাবক হলে, পেশাগত জীবনে যথাযথ মর্যাদা পেলে শুধুমাত্র আপনাদের জীবন জীবিকা ও ভাগ্যই বদলে যাবে এবং নতুনত্বের সূচনা হবে তা কিন্তু নয়। বরঞ্চ এদেশের সকলের মৌলিক অধিকার সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত হবে। এসব কথা চিন্তাভাবনা না করে আপনারা আপনাদের শত্রু, আপনাদের পেশা নিজেদের দখল এবং কেউ কেউ পেশা নিয়ে ব্যবসা করার একটার পর একটা ফন্দি আটতেছে আর আপনারা সেই কুটচক্রের মধ্যে স্বেচ্ছায় জড়িয়ে পড়তেছেন ।
যাইহোক- দেখেন, আপনারা যেটা ভালো মনে করেন!
IHTianConnect
IHTianBDConnect
বৈষম্যবিরোধী মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসি কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা, আপনারা ভর্তির পর থেকেই হয়তো বা একটা ঘোরের মধ্যে থাকেন। আর ভর্তির আগে যখন এসব বিষয়ে পড়াশোনার চিন্তাভাবনা করেন তখন হয়তোবা এই শিক্ষা ব্যবস্থা এবং পেশাজীবন সম্পর্কে কোন ধারণাই রাখেন না। একেবারে না জেনে শুনে এখানে ভর্তি হন এবং ভর্তির পরেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ আপনাদের ক্লাসগুলো নেওয়া থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ অভিভাবকত্বের জায়গায় আসীন দেখে থাকেন। এজন্যই হয়তো বা আপনাদের অনুভূতি ভিন্নরকম হয়ে থাকে।
আপনাদের যদি ন্যূনতম বোধশক্তি থেকে থাকে তাহলে একটু বোঝার চেষ্টা করুন, আপনারা যে বিষয়গুলোতে পড়াশোনা করতেছেন সেগুলোর অবস্থান কোথায়? কিভাবে আপনাদের শিক্ষা ব্যবস্থা চলতেছে? এভাবেই কি চলার কথা ছিল? আপনারা যারা শিক্ষার্থী তারা আপনাদের থেকে পাঁচ কিংবা ১০ বছর সিনিয়র কারো সাথে জিজ্ঞেস করুন যে আপনাদের পড়াশোনার বর্তমান সিস্টেম কি রকম অতিথি কেমন ছিল এবং প্রকৃত অর্থে কেমন হওয়ার কথা ছিল?
এখান থেকে পড়াশোনা করে আসলে কি হয়? এখান থেকে পড়াশোনা করার পরে আপনাদের কর্মজীবন কেমন হবে? কর্মজীবনে কি কি সুযোগ সুবিধা এবং কর্মজীবনে নিজেকে কোন পদমর্যাদা পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারবেন এসব বিষয়ে জানেন কিনা?
এসব বিষয়ে জানাশোনার চেষ্টা করো। ছাত্র জীবনে সঠিকভাবে পড়াশোনা করেছেন, বহিঃ বিশ্বে কিভাবে পড়াশোনা করা হয় সেসব বিষয়ে অবগত আছেন, কর্মজীবনে সততা ও নিষ্ঠার সহিত দায়িত্ব পালন করতেছেন এবং পেশা সম্পর্কে, প্রেসার শিক্ষা ও দায়িত্ব-কর্তব্য এবং অধিকার সম্পর্কে সচেতন এমন সিনিয়র সাবেক শিক্ষার্থী ও বর্তমান পেশাজীবিদের সাথে আপনারা কথা বলার চেষ্টা করুন। যোগাযোগ করে জেনে নিন সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে।
IHTianConnect
IHTianBDConnect
আপনারা কি এখনো বুঝতে ব্যর্থ?
যোগ্য তরুণ পেশাজীবীরা এবং বুদ্ধিদীপ্ত শিক্ষার্থীরা কি এখনো নীরব থাকবেন?
আপনাদের সামনে কি পরিষ্কার নয়!! যে, কারা আপনাদের পেশার ভালো চায় এবং কারা চায় আপনাদের জীবন জীবিকা তথা পেশা ও শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে ব্যবসা এবং দেউলিয়াপনা?
নীরবতা-ই সম্মতির লক্ষণ। আপনাদের নীরবতা মানে তাদেরকে বৈধতা এবং আপনাদের শিক্ষা ও পেশা নিয়ে ব্যবসার মাধ্যমে পেশাকে বিলুপ্তি করনে সহযোগিতা করা।
আমাদের যা বলার বললাম। যা করার তা করবেন কিনা সেটা আপনাদের বিষয়।
দেখেন, যেটা ভালো মনে করেন!
IHTianBDConnect
জুলাই ২৪ এর সরাসরি অংশীদার পেশাজীবী, অধ্যায়নরত শিক্ষার্থী ভাই ও বোনেরা, আমরা আপনাদের বারবার সতর্কবার্তা এবং বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে আসতেছিলাম। ইতোমধ্যে সবকিছুই প্রকাশ্যে এসেছে এবং আপনারা সকলেই বিষয়টা অবগত আছেন বলেই মনে করছি।
এখন আপনারাই বিচার ও বিবেচনা করুন । এই যে বিভেদ তৈরি করতেছে! এটা কি ঠিক?
আপনারা যদি লক্ষ্য করেন তাহলে দেখবেন, যারা এখন পর্যন্ত প্রাণপণ ঐক্যের জন্য লড়াই করেছেন, সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন, সারারাত সারাদিন পা ধরে অনুরোধ জানিয়েছেন, সকলের কাছে বারবার অনুরোধ আবদার করেছেন, সেসব ব্যক্তিদের বর্তমান অবস্থান কোথায়?
তাহলে কেন? কিসের জন্য? কিসের আশায়? কি উদ্দেশ্য নিয়ে এমন নাটকীয়তা?
কাদেরকে খুশি করার উদ্দেশ্যে! কাদের লক্ষ্য উদ্দেশ্য, ধ্যান-জ্ঞান, আশা আকাঙ্ক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য, সার্বিক পারপাস সার্ভ করার জন্য এমন অতি উচ্চমার্গীয় সততা, ন্যায়-নিষ্ঠা ও কর্তব্য পরায়ণতা দেখিয়েছিল?
শিক্ষার্থীরা বিগত দিনের সকল ইতিহাস অধ্যয়ন করে, অনেক বিচার বিশ্লেষণের পরে ১১ তারিখ যে প্রস্তাবে না দিয়েছিল সেই প্রস্তাবনা গ্রহণ না করে বিতর্ক সৃষ্টি এবং এক ঘৃন্য কুটকৌশল এর নাটকীয় অবতারণা করেছিল কারা?
তথাকথিত সংগঠনগুলো সার্বিক সহযোগিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে যে লিখিত এবং ভিডিও বার্তা প্রদান করেছিলেন, আসলে সেসব স্বার্থান্বেষী সংগঠনগুলো কতটুকু সহযোগিতা করেছিল?
যদি সহযোগিতা করার সদিচ্ছা থাকত তাহলে কি ইগো নিয়ে বসে থাকতেন? যে উনাদেরকে চিঠি দিয়ে, ইনভাইটেশন দিয়ে, বুদ্ধি পরামর্শ এবং আন্দোলন বাস্তবায়নের জন্য আলোচনা টেবিলে আমন্ত্রণ জানাবেন?
হ্যাঁ, নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে হলেও যারা ১১ তারিখের দায়িত্ব পেয়েছিলেন ওনাদের উচিত ছিল থার্ড ক্লাস, মেধাহীন, স্বার্থন্বেষী কূট কৌশলী তথাকথিত সংগঠনের নেতৃবৃন্দদেরকে নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসা। কিন্তু ওনারা ভাঙ্গা ঘরে বসে আকাশের চাঁদ হাতে পেয়ে সব কিছু বেনালুম ভুলে গেলেন। ভুলে গেলেন এই পেশার বিগত ইতিহাসের কালো অধ্যায়গুলো।
এরপরেও সর্বশেষ জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের আলোচনা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা শতভাগ নিরপেক্ষ থেকে সকলকে ঐক্যের আহবান জানিয়েছিলেন এবং আলোচনার শুরু থেকে শেষ এবং এখন পর্যন্ত ঘটমান সকল বিষয় আপনারা দেখেছেন, শুনেছেন এবং আশা করি সব কিছু সঠিকভাবে বুঝতে পেরেছেন।
এখন এ জাতির দুশমন, পেশার ব্যবসায়ী, কুট কুশীলব,
পেশা মুক্তির অন্তরায়ক, দেশের তরুণ পেশাজীবী ও শিক্ষার্থীদের কে অন্ধকার কলঙ্কময় এক জীবনে উপনীতি করার নব্য ফ্যাসিস্ট কারা?
মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসী শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষার্থী, পেশাজীবী এবং দেশের আপামর জনসাধারণকে তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার নীল নকশাকার কারা? সিন্ডিকেট কারা?
সম্মানিত প্রিয় শিক্ষার্থী ভাই ও বোনেরা, তরুণ পেশাজীবীরা এবং পেশার মুক্তির জন্য লড়াইরত অকুতোভয় বীর যোদ্ধারা, আপনারাই সিদ্ধান্ত নিন এখন আপনাদের করণীয় কি!!
আন্দোলন তথা পেশার সাফল্য? নাকি অপমৃত্যু বা পেশার বিলুপ্তি?
আহা মায়াকান্না!
স্বতন্ত্র পেশায় হস্তক্ষেপ এবং জবর দখলের মাধ্যমে ভোগদখল ও ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থকারী। স্বতন্ত্র পেশায় হস্তক্ষেপ করে দ্বিধা-বিভক্তি ঘটিয়ে এ দেশের মানুষদেরকে বঞ্চিত করা। এ যেনো নাটকের নাটকীয়তাকেও হার মানায়।
সমাজে এমন কিছু কিছু মানুষ দেখবেন যে, পিছন থেকে ছুরি মারবে। সবসময় আপনার ক্ষতিই চাইবে। আপনার জীবিকার উপর কর্তৃত্ব ফলাবে। আপনার অস্তিত্বের জন্য হুমকি ও একমাত্র কারণ হয়ে দাঁড়াবে। কিন্তু আপনার সামনে এমনভাবে নিজেকে উপস্থাপন করবে যেন কতই না আপন, কতই না শুভাকাঙ্ক্ষী।
মুখে আপনার বন্দনা এবং পজিটিভিটির খই ফুটাবেন। মনে রাখবেন, তারা মিছরীর ছুরি, কথার মায়াজালে আপনাদেরকে ইমোশনালি blackmail করে সর্বদিক দিয়ে পরাজিত করে রাখে। আপনি যেন সামনে অগ্রসর হওয়ার মত মানসিক শক্তি টুকুই না পান। ক্রোকোডাইল টিয়ার আরকি!
সকলকে অধিকার ও দায়িত্ব কর্তব্য সচেতন হওয়ার আহ্বান করছি।
| Monday | 08:00 - 14:00 |
| Tuesday | 08:00 - 14:00 |
| Wednesday | 08:00 - 14:00 |
| Thursday | 08:00 - 14:00 |
| Saturday | 08:00 - 14:00 |
| Sunday | 08:00 - 14:00 |