15/06/2026
বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনে অবস্থিত বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে আজ সোমবার, ১৫ জুন, সকাল ১১:৩০টায় মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি-এর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার মান্যবর হাইকমিশনার মিস সুসান রাইলের এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎটি আন্তরিক, ইতিবাচক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের সঙ্গে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি (রাজনৈতিক) মি. হ্যারি থমসন এবং ফার্স্ট সেক্রেটারি (রাজনৈতিক) অ্যানা পিটারসন।
এ সময় বিরোধী দলীয় নেতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান এমপি, মারজিয়া আক্তার এমপি, মারদিয়া মমতাজ এমপি এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা দলের সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।
বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতার আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফর, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্রকে আরও অর্থবহ করে তুলতে সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা এবং সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিরোধী দলের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া গণতন্ত্র কার্যকর ও প্রাণবন্ত হতে পারে না মর্মে এ সময় অভিমত ব্যক্ত করা হয়। উভয় পক্ষ ঘোষিত জাতীয় বাজেট এবং বিরোধী দলের প্রস্তাবিত ছায়া বাজেট নিয়েও মতবিনিময় করেন।
বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা উন্নয়নের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে জ্বালানি খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গটি বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পায়।
আলোচনার এক পর্যায়ে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সংসদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন। ভবিষ্যতে পারস্পরিক দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন উপায় নিয়েও দুই পক্ষ আলোচনা করেন।
এ ছাড়া বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে অস্ট্রেলিয়া সরকারের সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়েও বৈঠকে মতবিনিময় করা হয়।
09/06/2026
মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা Dr. Shafiqur Rahman এমপি'র সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
আজ ৯ জুন, মঙ্গলবার, সকাল ১১:৩০ টায় জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি’র সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের মান্যবর রাষ্ট্রদূত মি. ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।
এ সময় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর মি. এরিক গিলান এবং রাজনৈতিক কর্মকর্তা হারমানোশি বার্নার্ড।
সাক্ষাৎটি অত্যন্ত আন্তরিক, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নির্বাচন-পরবর্তী দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় বাজেট, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের বিভিন্ন দিকসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়।
এছাড়া গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বিকাশ, সুশাসন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান, এমপি এবং পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা টিমের সদস্য জনাব আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।
20/05/2026
এক কাজ করেন
ধর্ষণ করে হত্যা করার জন্য
🏷️ধর্ষণ কার্ড🏷️ চালু করে দেন মাননীয় সরকার 😢
আর নয়তো আপাতত দেশে খাল কাটা বাদ দিয়ে এসব ধর্ষক/ জানোয়ারের ঐটা 🔪কেটে দেন।
19/05/2026
আমরা হতে পারতাম লবণ রপ্তানিকারক দেশ! অথচ সিন্ডিকেটের পকেট ভরাতে ভারত থেকে বছরে ১,০০০ কোটি টাকার লবণ আমদানি করছে বাংলাদেশ! সাধারণ মানুষের পকেট কাটছে লবণ মাফিয়ারা! 🌊🧂🇧🇩
আমাদের দেশের ১৯টি উপকূলীয় জেলায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করলে বছরে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ মেট্রিক টন লবণ উৎপাদন সম্ভব। আমাদের চাহিদা মাত্র ২৪-২৫ লাখ টন। অর্থাৎ, নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে আমরা বছরে ১০-১৫ লাখ টন লবণ বিদেশে রপ্তানি করে বিলিয়ন ডলার আয় করতে পারি!
তাহলে আমরা ভারত থেকে লবণ কিনছি কেন?
কারণ, একটি শক্তিশালী আমদানিকারক সিন্ডিকেট!
✅ বৈষম্য: ভারতে উন্নত প্রযুক্তির কারণে লবণ উৎপাদনে খরচ হয় কেজিপ্রতি মাত্র ১ টাকা। আর আমাদের দেশে মান্ধাতার আমলের প্রযুক্তি এবং জমির অতিরিক্ত ভাড়ার (যা মোট খরচের ৪১%) কারণে কৃষকের খরচ পড়ে ৭ টাকা!
✅ সিন্ডিকেটের কারসাজি: ইন্ডাস্ট্রিয়াল সল্ট বা শিল্পের কাঁচামালের ঘাটতির অজুহাত দেখিয়ে এই সিন্ডিকেট ভারত থেকে সস্তায় লবণ আনে। আর দেশের বাজারে কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে চড়া দামে বেচে হাজার কোটি টাকা পাচার ও লুটপাট করে।
✅ চাষীদের কান্না: ঘাম ঝরিয়ে যে চাষী লবণ ফলায়, সে ন্যায্য দাম পায় না। কারণ তার উৎপাদিত লবণের চেয়ে ভারতের আমদানিকৃত লবণের দাম কম!
সমাধান কী?
উপকূলীয় চাষিদের যদি আধুনিক ভ্যাকুয়াম ইভাপোরেশন বা স্বয়ংক্রিয় রিফাইনারি সুবিধা দেওয়া হয় এবং জমির লিজ মূল্য কমানো হয়, তবে ভারতের ওপর নির্ভরতা শূন্যে নেমে আসবে। লাখ লাখ যুবকের কর্মসংস্থান হবে।
আপনার মতে, দেশীয় লবণ চাষীদের বাঁচাতে এবং এই সিন্ডিকেট ভাঙতে সরকারের কি অবিলম্বে ভারত থেকে লবণ আমদানির ওপর উচ্চহারে শুল্ক .
পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন এবং ফলো করে সাথে থাকুন।
#নিউজ
17/05/2026
লক্ষ্মীপুরের রামগতির পোড়াগাছা ও পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের কয়েকটি মাদ্রাসার সরকারি বরাদ্দকৃত চাল ক্রয়কে কেন্দ্র করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একটি প্রতিবাদ বিবৃতি দিয়েছে স্থানীয় জামায়াতে ইসলাম।
বিবৃতিতে বলা হয়, লক্ষ্মীপুরের রামগতির পোড়াগাছা ও পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের বিভিন্ন মাদ্রাসার সরকারি বরাদ্দকৃত চাল সম্পূর্ণ বৈধ প্রক্রিয়া ও নিয়ম অনুসরণ করে ক্রয় করেছেন ১ নং চরজব্বার ইউনিয়ন ৯ ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি ডাক্তার আব্দুস সামাদের ছোট ভাই কামাল।
যেসব মাদ্রাসা থেকে চাল ক্রয় করা হয়েছে—
* শিক্ষা গ্রাম দারুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসা
* আশরাফুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসা
* ইখলাস নুরানী কওমী মাদ্রাসা
উক্ত লেনদেনের সকল বৈধ কাগজপত্র, রশিদ ও প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি যথাযথভাবে সংরক্ষিত রয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এলাকার একটি কুচক্রী মহল ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষ্যে বিষয়টিকে “অবৈধ চাল” বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং প্রশাসনের নিকট বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষণ
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, প্রশাসন নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করবে। একইসাথে, মিথ্যা অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা জনগণের সামনে উন্মোচিত হবে এবং সত্যেরই বিজয় হবে।
16/05/2026
রাজশাহীতে শায়খ আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফের আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ, মাদ্রাসা পরিদর্শন করেন আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান এমপি ।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জননেতা নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপিসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
07/05/2026
টোকিও মেট্রোপলিটন গভর্নমেন্টের ভাইস গভর্নর মাৎসুমোতো আকিকোর সঙ্গে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার বৈঠক অনুষ্ঠিত
আজ ৭ মে, বৃহস্পতিবার টোকিও মেট্রোপলিটন গভর্নমেন্টের ভাইস গভর্নর মাৎসুমোতো আকিকোর সঙ্গে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান, এমপি সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। আমীরে জামায়াতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব সাইফুল আলম খান মিলন, এমপি এবং মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান, এমপি।
বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ফলপ্রসূ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। উভয়পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন। বিশেষ করে নগর ব্যবস্থাপনা, আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়ন, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে টোকিওর অভিজ্ঞতা ও সফলতা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।
বৈঠকে ভাইস গভর্নর মাৎসুমোতো আকিকো টোকিওর ব্যবসা ও নগর ব্যবস্থাপনা, বন্যা ও ভূমিকম্প মোকাবিলা ব্যবস্থা, পরিবেশবান্ধব নগর পরিকল্পনা এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতাকে বিস্তারিত ব্রিফ করেন। তিনি বাংলাদেশের বড় বড় শহরগুলোতে এসব আধুনিক ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা প্রয়োগের বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন।
এ সময় আমীরে জামায়াত বাংলাদেশের নগর উন্নয়ন ও জনসেবামুখী কার্যক্রমে জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আগ্রহ ব্যক্ত করেন এবং এ বিষয়ে টোকিও মেট্রোপলিটন গভর্নমেন্টের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। ভাইস গভর্নরও ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরে টোকিও শহরের আধুনিক নাগরিক সুবিধা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, পরিবহন ব্যবস্থা এবং স্মার্ট সিটি কার্যক্রম নিয়ে একটি তথ্যবহুল প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়।
02/05/2026
নিজেদের সার মাটিতে ফেলে রেখে, বিদেশ থেকে ২৪ হাজার কোটি টাকার সার কিনছে বাংলাদেশ! সাধারণ মানুষের পকেট কাটছে আমদানিকারক সিন্ডিকেট 🌾🇧🇩
কৃষিপ্রধান বাংলাদেশ প্রতি বছর কাতার, মরক্কো বা চীন থেকে প্রায় ৪৭ লাখ টন সার আমদানি করে। এনবিআর-এর তথ্য অনুযায়ী, শুধু এই সার আমদানিতেই বছরে আমাদের খরচ হয় প্রায় ২৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকা (২-৩ বিলিয়ন ডলার)!
অথচ আমাদের জয়পুরহাটের পঞ্চবিবি ও জামালগঞ্জ এলাকায় মাটির ৪৫০-৫৩০ মিটার নিচেই লুকিয়ে আছে 'পটাশিয়াম' বা পটাশের (MOP সার) বিশাল খনিজ ভাণ্ডার!
এই খনি চালু হলে কী হতো?
✅ বিশাল সাশ্রয়: বছরে সার আমদানির হাজার হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা বেঁচে যেত।
✅ সস্তা ও খাঁটি সার: আমদানিকৃত সার অনেক সময় নিম্নমানের হয় এবং গুদামে ভেজাল মেশানো হয়, যা মাটির উর্বরতা নষ্ট করে। নিজেদের খনি থাকলে কৃষক সস্তায় একদম খাঁটি সার পেতেন।
✅ কর্মসংস্থান: খনিকে কেন্দ্র করে ওই অঞ্চলে সার কারখানা গড়ে উঠতো এবং লাখো মানুষের কর্মসংস্থান হতো।
তাহলে খনি থেকে পটাশ তোলা হচ্ছে না কেন?
কারণ, একটি শক্তিশালী আমদানিকারক সিন্ডিকেট! দেশীয় খনি থেকে সার তুললে দেশের লাভ, কিন্তু বিদেশ থেকে আনলে সিন্ডিকেটের পকেটে ঢোকে হাজার কোটি টাকার কমিশন এবং 'ওভার-ইনভয়েসিং'-এর মাধ্যমে টাকা পাচারের সুযোগ! প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার খোঁড়া অজুহাত দেখিয়ে এই খনি আটকে রেখেছে তারা।
আপনার মতে, আপনার এলাকার কৃষকরা কি বাজার থেকে কেনা সারে ভেজাল পাচ্ছেন? সারের দাম কি হাতের নাগালে আছে?
29/04/2026
দৈনন্দিন খরচ মেটাতে সরকারকে ধারদেনা করে চলতে হচ্ছে। আশানুরূপ আয় না হওয়ায় সরকারের হাতে ঋণের কোনো বিকল্প নেই। বাজেট–ঘাটতি পূরণ করতে চলতি অর্থবছরের ১২ মাসে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে যত টাকা ঋণ করার কথা ছিল, ৯ মাসেই তা প্রায় পূরণ করে ফেলেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এই সময়ে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার পরিমাণ এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়।